সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার অপহরণ ইস্যু নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকা ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পুলিশ সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য গত ৩ জুলাই (সোমবার)ভোরে শ্যামলীর রিং রোড ১ নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রীকে মোবাইলে ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার ফোন করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্রাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পরেরিদন মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে আইনজীবীর মাধ্যমে নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে ‘নিজ জিম্মায়’ বাসায় ফেরার অনুমতি দেয়া হয়। আদালত থেকে বাসায় ফেরার পথে অসুস্থতা বোধ করলে তার পরিবার তাকে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করেন। এখন তিনি সেখােনেই রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন। এসময় তার চিকিৎসায় এগিয়ে আসার জন্য মুক্তামনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সে এই ধন্যবাদ জানায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ডা. জুলফিকার লেনিন মুক্তামনিকে দেখতে হাসপাতালে গেলে সে একথা বলে। দুপুর ১২টায় লেনিন মুক্তামনির কেবিনে যান এবং তাকে বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। আমি তার সঙ্গে কাজ করি। তুমি কি প্রধানমন্ত্রীর নাম জানো?’ তখন মুক্তামনি বলে, ‘জানি। ওনার নাম শেখ হাসিনা।’ জুলফিকার লেনিন তাকে বলেন, ‘তিনি তোমার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন। তুমি একদম চিন্তা করবে না। তুমি ভালো হয়ে যাবে। তোমার চিন্তার কোনও কারণ নেই।’ জবাবে মুক্তামনি বলে, ‘ওনাকে আমার ধন্যবাদ দেবেন।’
জুলফিকার লেনিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন। তার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধপত্র হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে। হাসপাতালে মুক্তামনির সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এর বাইরে পরিবারটির একান্ত ব্যক্তিগত খরচের জন্য হাতখরচ হিসেবে মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহিম হোসেনের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো নগদ টাকাও দেওয়া হয়েছে।’ তিনি জানান, হাতখরচের টাকাগুলো ইব্রাহিম হোসেনের হাতে দেওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সম্প্রতি ডেইলি সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এমন সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই এগিয়ে এসেছেন মুক্তার চিকিৎসায়। সোমবার মুক্তামনির গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাকে সাতক্সীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হকের পক্ষ থেকে যাওয়া সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ড. তহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সোতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরা সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম ও আ ‘লীগ নেতা হাসান হাদীর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল। ওইদিন রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবারই শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল বুধবার তার চিকিৎসার খোঁজ নিতে ঢামেকে যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।পরে সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশন চলার এক ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তামনির চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন তিনি।

সাতক্ষীরার ১১ বছরের মুক্তামনির রোগ এখনও শনাক্ত করতে পারেননি চিকিৎসকরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট থেকে বুধবার (১২ জুলাই) জানানো হয়, মুক্তামনি চর্মরোগে আক্রান্ত। ডারমাল ভাসকুলার ম্যালফরমেশন, লিমফেটিক ম্যালফরমেশন, নিউরোফাইব্রোম্যাটোসিস, কনজেনিটাল হাইপারক্যারাটোসিস-এই চারটি চর্মরোগের মধ্যে যে কোনও একটা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক ডা. নাসিরও মুক্তামনির রোগটি হাইপারক্যারাটোসিস হতে পারে জানিয়ে্ আসছিলেন।
এ ব্যাপারে বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ড. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সময় মতো যদি মেয়েটির সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতো তাহলে আজ এ অবস্থা হতো না। তার হাতের ফাংশন ঠিক আছে। সে হাত মুঠি করতে পারে।কিন্তু তাকে অপারেশনের উপযোগী করে তুলতে ৭-১০ দিন সময় লাগবে। তার রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিজনিত সমস্যা রয়েছে।
মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বুধবার (১২ জুলাই) তারা শিশুটিকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং তার চিকিৎসার ব্যাপারে সম্ভাব্য মতামত জানান। বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনি এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি আছে। তার এক হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারি হয়ে গেছে। চার বছর ধরে এই হাতের ‘বোঝা’ বয়ে বেড়াচ্ছে শিশুটি। শরীরের অসহ্য যন্ত্রণায় খেলাধুলা তো দূরের কথা, ঠিকমতো বসতেও পারে না মেয়েটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদক বিভিন্ন অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সকল ঘটনায় ০৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১১ জন,কলারোয়া থানা ১০ জন, তালা থানা ০৫ জন,কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের দায়ে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা ডি সিলভাকে সাড়ে নয় বছরের জেল দেয়া হয়েছে। ২০০৩ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন লুলা। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে হারিয়ে দিয়ে বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আদালতের রায় মেনে নিতে অস্বীকার করেছেন লুলা। লুলার বিরুদ্ধে অভিযোগ, একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কাছ থেকে এক মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ঘুষ নিয়েছিলেন। সেই অর্থ তিনি ব্যক্তিগত খাতে খরচ করেছেন।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন লুলা। এরইমধ্যে তাকে সাড়ে নয় বছরের জেল দেয়া হয়েছে। লুলা চাইলে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। লুলার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, লুলা নির্দোষ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে গত তিন বছর ধরে লুলার বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের সুদর্শন এক চা-ওয়ালাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছিল। শুধু পাকিস্তানেই নয়, এমনকী বৈরী প্রতিবেশী ভারতেও। সেই চা বিক্রেতা আরশাদ খানকে একটি পাকিস্তানি কোম্পানি তাদের পোশাকের মডেলও করেছে। এমনকী বড় পর্দায়ও নাকি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এতদূর পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

সম্প্রতি জানা যাচ্ছে, আরশাদ খান নাকি আদৌ পাকিস্তানি নন। এমনকি ভুয়া কাগজপত্রে তিনি নিজেকে পাকিস্তানি নাগরিক প্রমাণ করতে চাইছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার পাকিস্তানের জিও নিউজ-এর একটি প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে দীর্ঘদিন বাস করলেও আরশাদ খান আসলে আফগানিস্তানের নাগরিক।

পাকিস্তানের ন্যাশনাল ডেটাবেস এবং রেজিস্ট্রেশন অথরিটিস (এনএডিআরএ) জানিয়েছে, পাকিস্তানে থাকার জন্য আরশাদ খান কোনো বৈধ্য কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

পাকিস্তানের ডিজিটাল ন্যাশনাল আইডেনটিটি কার্ডের জন্য আরশাদ যে নথিগুলি জমা দিয়েছিলেন সেগুলি ভুয়া। সম্প্রতি পাসপোর্টের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আরশাদ। এরপর পাসপোর্টের জন্য নথিগুলি পরীক্ষা করতে গিয়েই ভুয়া নথির বিষয়টি নজরে আসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

জিও নিউজের অনুসন্ধানের জানা গেছে, আরশাদ ও তাঁর পরিবার আদতে আফগানিস্তানের কান্দাহারের বাসিন্দা। সেখান থেকেই মোসাখেল উপজাতির মানুষদের সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে এসেছিল আরসাদের পরিবার। তবে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেননি আরসাদ।

জিও টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেকে পাকিস্তানের নাগরিক বলে দাবি করেছেন আরশাদ। তিনি বলেন, তাঁর বাবার জন্ম পঞ্জাবের সরগোধায়। ১৯৮৪ সালে সৌদি আরবে চলে গিয়েছিলেন তিনি। ১৩ বছর পর ফের ফিরে এসেছিলেন পাকিস্তানে। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের মরদান থেকে পখতুনখওয়া প্রদেশে এসেছিল তাঁদের পরিবার। তবে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে কোনো বৈধ নথি দেখাতে পারেননি আরশাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘর ভাঙা নিয়ে সম্প্রতি মডেল-অভিনেত্রী তানজিন তিশার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন সঙ্গীত শিল্পী হাবিব ওয়াহিদের সাবেক স্ত্রী রেহান। কিন্তু তাঁর এই অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিশা। বিষয়টি বর্তমানে শোবিজ অঙ্গনে বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছে। আর এই বিষয়কে কেন্দ্র করে একে অন্যকে দোষারোপ করে ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তারা। এবার সেই বিষয়টা নিয়ে হাবিব ও তিশার কাছে ফেসবুকে প্রশ্ন রাখলেন রেহান। তার সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো।

আচ্ছা! এবার তাহলে আমারও দুইটা প্রশ্ন হাবিব ওয়াহিদ আর তিশার কাছে!! প্রথমে হাবিবকে করি! আপনি স্ট্যাটাসে খুব সাহসের সাথে বলেন! আপনি আশ্চর্য হয়েছেন যে কেনই বা আমি ‘আফটার ডিভোর্স’ এসব বলছি? কথাটা কি বুঝে লিখেছেন? তাহলে একটা কথা বলতে চাই, আপনার কোন আইনে লেখা আছে যে ‘আপটার ডিভোর্স’ একটা মেয়ে গালি খেলেও চুপ করে সহ্য করবে অথবা করতে হবে? আমি ববং প্রতিবার আশ্চর্য ছিলাম যে আমাকে কেন এভাবে বাজে গালি দিয়ে আক্রমন করে আপনার প্রিয়তমা???? এটার উত্তরটা কি দিয়েছেন এখনও?

এখন প্রশ্ন তিশা তোমাকে! তোমার স্ট্যাটাসে লিখেছো, একবার গালি দিয়েছো। আরে মিথ্যুক মেয়ে, কয়বার দিয়েছো সেটা তো তুমি জানো, আমি জানি আর হাবিব। আর প্রমাণ তো আছেই, আবার পত্রিকার ইন্টারভিউতে বলেছো, আমি কেন রেহানকে কল করবো ইত্যাদি ইত্যাদি, ও তো সাধারণ একটা মেয়ে। এই যে শোনো, তুমি আমাকে বলেছো আমি ‘লাইমলাইটে’ আসতে চাই। আরে তুমি কাজ করো মিডিয়াতে, এসব পলিসি তুমি জানো। আমি এসব চিন্তা করি না। আর যে তোমার হাবি’র (হাবিবকে তোমার দেওয়া আদরের নাম) সাথে ৫ বছর সংসার করে মিডিয়াতে আসিনি, আবার এখন??? হা হা হা হা, আসলে তো মানসিক পাগল তুমি, তাই তো বলো রেহান হাবিবের ‘পাস্ট’। আর এই কথা বলে তুমিই হাবিবের ‘পাস্ট’ নিয়ে সব সময় ‘ইনসিকিউরড’ থাকো! ‘ইয়েস’! ‘পাস্ট’ ঠিক আছে, কিন্তু এটা ভুলোনা যে আমাদের একটা সন্তান আছে। যোগাযোগ তো থাকবেই একটা। যতদিন হাবিব আলিমকে (হাবিব-রেহানের সন্তান) ভালোবাসবে।

তাহলে তুমি কেন মেনে নিচ্ছো না! আর তোমারও ফ্যামিলি আছে! মান সম্মান আছে! তাহলে ফ্যামিলিকে আর ছোট করো না। অবিবাহিত মেয়ে ‘লিভ টুগেদার’ করে। আর প্রেমের অভিজ্ঞতা কয়টা আছে তা আমাকে নিজের মুখে বলেছিলে। তাও আবার তার মধ্যে একজন বিবাহিত সেলিব্রিটিও ছিল। বাহ! আমাকে প্রতিবার বলতে, তোমার আর হাবিবেরটা ”হ্যাভেনলি আর ডেঞ্জারাস লাভ”। কারও কোনো পাওয়ার নাই নষ্ট করার। তাহলে আর দেরি না করে মুসলিম মেয়ে যদি হয়ে থাকো, তাহলে ‘লিভ টুগেদার’ না করে রিলেশনটাকে অন্তত জায়েজ করো! খালি ‘পিওর লাভ ডেঞ্জারাস লাভ’ বললে হবে? প্রমাণ করো ভাই, তোমার ‘ডেঞ্জারাস পিওর লাভ’!!! শুভ কামনা তোমার জন্য যেন ভালো পথে চলো!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে আগামী ১৫ জুলাই আয়োজন করা হয়েছে ‘শর্মিলা ঠাকুর-জিৎ গাঙ্গুলি লাইভ ইন ঢাকা’ অনুষ্ঠানের। এদিন আমন্ত্রিত দর্শকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর।

কনসার্টে গাইবেন ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জিত্ গাঙ্গুলি। চ্যানেল লাইভ এন্টারটেইনমেন্টের এ আয়োজনে বাংলাদেশি শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গরুর মাংস বহনের অভিযোগে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে এক সংখ্যালঘু ব্যক্তিকে প্রচণ্ড মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার নাগপুরের ভরসিঙ্গি এলাকায় ইসমাল শেখ (৪০) নামে ওই ব্যক্তি স্কুটার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গাড়িতে গরুর মাংস আছে এ অভিযোগে তার পথ আটকায় কয়েকজন যুবক।

সে কথা অস্বীকার করলেও ইসমাইলকে রাস্তায় ফেলে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। মারের চোটে অচেতন ইসমাইলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাগপুর পুলিশের ডিএসপি শৈলেশ বালকাড়ে জানান, আমরা গতকালই একটি অভিযোগ পেয়েছিলাম। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা চার ব্যক্তিকে আটক করেছি। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।

এদিকে, ইসমাইলের গাড়িতে যে মাংস ছিল তা পরীক্ষার জন্য ওই ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

গত মাসের শেষের দিকে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগে হরিয়ানায় ট্রেনের মধ্যে জুনেদ খান (১৫) নামে এক যুবককে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পরই সংখ্যালঘু ও দলিতদের ওপর হামলার অভিযোগে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়। এমনকি দেশজুড়ে হামলার প্রেক্ষিতে গুজরাটের সবরমতীতে একটি অনুষ্ঠান থেকে গোরক্ষকদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, গরু রক্ষার নামে মানুষ খুন করা কোনমতেই মেনে নেওয়া হবে না। কিন্তু মোদির সেই বার্তাতেও যে কোন কাজ হচ্ছে তা এই ঘটনায় পরিস্কার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest