সর্বশেষ সংবাদ-
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালাশহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠক

অনেকেই মনে করেন, চা পান করলে ত্বকের রঙ কালো হয়ে যায়। কিন্তু এরকম কোন প্রমাণ বৈজ্ঞানিকভাবে পাওয়া যায়নি। জিনগত কারণ এবং রোদে কতটা সময় কাটানো হচ্ছে, এই দুটি বিষয়ের উপর গায়ের রং অনেকাংশেই নির্ভর করে থাকে। তবে আমাদের শরীরকে ভাল রাখতে লিকার চা এবং গ্রিন টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট:
একাধিক রোগের উপসমে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক এবং শরীরকে বাঁচাতেও এই উপাদনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো একথা বলতেই হয় যে, সুস্থ এবং সুন্দর থাকতে প্রতিদিন লাল চা অথবা গ্রিন টি খাওয়া শুরু করুন।

২। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে:
একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিদিন ২-৩ কাপ গ্রিন টি পান করলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা প্রায় ২০ শাতংশ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা প্রায় ৩৫ শতাংশ হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে কমে হাই কোলেস্টেরলের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।

৩। হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে প্রতিদিন গ্রি-টি খেলে হাড় মজবুত হয়। সেই সঙ্গে এই সম্পর্কিত নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।

৪। দাঁত সুন্দর হয়ে ওঠে:
জাপানে হওয়া এক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে লিকার চা পান করলে মুখ গহ্বরে পি এইচ লেভেল বেড়ে যায়। ফলে ক্যাভিটি হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, আরও বেশ কিছু মুখ গহ্বরের রোগ সারাতেও লিকার চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:
হার্বাল চা খাওয়ার অভ্যাস করলে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রম, বদ-হজম সহ একাধিক পেটের রোগের প্রকোপ হ্রাস পায়। তাই যারা এমন কোনও রোগে ভুগছেন, তারা আজ থেকেই হার্বাল টি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন।

৬। ওজন কমায়:
গ্রীন টি তে আছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন আমাদের দেহের চর্বি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। তবে এক কাপ কফিতে যে পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে (১০০-২০০ মি.গ্রা.) তার চেয়ে অনেকগুণ কম থাকে গ্রীন টি তে (২৪-৪০ মি.গ্রা.)। অতিরিক্ত ক্যাফেইন অনিদ্রা সহ আরও অনেক অসুস্থতার কারণ হতে পারে। শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ক্যাফেইন পেতে প্রতিদিন ২-৩ কাপ গ্রীন টি পান করুন। এতে ওজন অবশ্যই কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাড়ির বাইরে মরা গরু পড়ে আছে। আর এই কারণে এক মুসলিম ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করে তাঁর বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গিরিডি জেলার দেওড়ি থানার বেরিয়া হাতিয়াতান্ড গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত ব্যক্তির নাম ওসমান আনসারি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঝাড়খন্ডের রাঁচি শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের ওই গ্রামে কিছু লোক উসমানের বাড়ির বাইরে একটি মরা গরু দেখতে পান। আর সেই কারণেই যত রাগ গিয়ে পড়ে উসমানের ওপর। একজন মুসলমানের বাড়ির বাইরে কেন মরা গরু? এই প্রশ্ন তুলে উত্তেজিত মানুষজন উসমানকে বাড়ি থেকে জোর করে বের করে এনে বেধড়ক মারধর শুরু করে দেয়। আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে একসময় ওসমানের বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় পুলিশ। কিন্তু সেই সময় পুলিশকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধা দেয় উত্তেজিত জনতা। এমনকি গুরুতর জখম অবস্থায় উসমানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ক্রমাগত বাধা দিতে থাকে জনতা। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে আরম্ভ করে তারা। পাথরের আঘাতে প্রায় ৫০ জন পুলিশকর্মী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একসময় বাধ্য হয়ে ফাঁকা গুলি চালায় পুলিশ।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উসমানকে ধানবাদের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় ঝাড়খন্ড পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আর কে মৌলিক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় যারা আইনকে নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টে হামলার মধ্য দিয়ে সরকারবিরোধী অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। পুলিশ হেলিকপ্টার থেকে সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা অস্কার পেরেজ ভেনেজুয়েলার সর্বোচ্চ আদালতে দু’টি গ্রেনেড নিক্ষোপ করেন। প্রেসিডেন্ট মাদুরো একে সন্ত্রাসী হামলা বলতে চাইছেন। তবে হামলার কিছু সময় আগে এক ভিডিও বার্তায় সেনাবাহিনী-পুলিশ ও জনতার নামে সরকার উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন পেরেজ। আর যে হেলিকপ্টার থেকে হামলা চালানো হয়েছে, সেটি সরকারের আনুগত্য মানতে অস্বীকৃতি জানানোর ব্যানার বহন করছিলো। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে এসব কথা জানা গেছে।

ভেনেজুয়েলায় চলছে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কট। ৫৪ বছর বয়সী সোশালিস্ট নেতা নিকোলাস মাদুরোর পদত্যাগ দাবিতে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানী কারাকাসে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী গত ১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৭০ জন সেখানে রাজনৈতিক সহিসংতায় নিহত হয়েছেন। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের হামলার পর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা একটি হেলিকপ্টার নিয়ে কারাকাসে সর্বোচ্চ আদালতে হামলা চালিয়েছেন। আরেক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে তাকে অস্কার পেরেজ নামের গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আসা ভিডিওতে হেলিকপ্টারটিকে শহরের ওপর দিয়ে চক্কর কাটতে দেখা যায়। এর পরপরই বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ পাওয়া যায়। তবে সেখানে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট মাদুরোর ক্ষমতাকে পোক্ত করার কাজে লিপ্ত বলে দেশটির বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ। সেই সুপ্রিম কোর্টে হামলার প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেছেন, এক গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তা হেলিকপ্টার থেকে দুটি গ্রেনেড হামলা চালায় এবং পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে হামলাটির মধ্য দিয়ে স্পষ্টত সরকার উৎখাতের বিদ্রোহের সূচনা হয়েছে।

প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে সুপ্রিম কোর্টে হামলার চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে হেলিকপ্টার থেকে গুলি বিনিময় হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ছোট্ট শিশু ঝ্যাং জিংলেই। জন্ম থেকেই জটিল রোগ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই বছর বয়সী এই মেয়েটি। এক পা এক পা করে মৃত্যু এগিয়ে আসছে তার দিকে। সন্তানের চিকিৎসার পেছনে এরই মধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করেছেন বাবা ঝ্যাং লিয়ং। কিন্তু এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে তাঁর। হাতে নেই আর একটিও পয়সা। তাই শেষমেশ সন্তানকে মৃত্যু ‘চেনাচ্ছেন’ তিনি।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে বাস করেন ঝ্যাং লিয়ং। আর কিছুদিন পর হয়তো সন্তানের চোখে নামবে অন্ধকার। তাই আগে থেকেই তাকে কবরের অন্ধকার চেনানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে খুঁড়েছেন একটি কবর। আর মৃত্যুপথযাত্রী শিশুকে কোলে নিয়ে সেখানে শুয়ে নিচ্ছেন মৃত্যুর মহড়া।

লিয়ং বলেন, ‘আমরা অনেকের কাছে অর্থ নিয়েছি। কিন্তু এখন আমাদের কেউ ধার দিতে চায় না।’ ‘আমি তাকে প্রতিদিন এখানে (কবর) খেলতে নিয়ে আসি। সেখানে সে শান্তিতে ঘুমাতে পারবে। এটা সেই জায়গা যেখানে সে চিরকালের জন্য ঘুমাবে। আমি এখন যা করতে পারি, তা হলো প্রতিদিন তাকে সঙ্গ দেওয়া।’

এ ছাড়া এতে তাঁর সন্তান কবরে নিশ্চিতবোধ করবে এবং শেষ সময় আসলে ভয় পাবে না বলেও জানান লিয়ং।

শিশুটির মা ডেং মিন বলেন, ‘আমরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছি। আমাদের জন্য এ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।’

ওই দম্পতি জানান, জিংলেইকে বাঁচানোর জন্য আবার সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। নতুন করে গর্ভধারণও করেন মিন। আশা ছিল, নবজাতকের শরীর থেকে বিশেষ ধরনের রক্ত নিয়ে বাঁচাবেন জিংলেইকে। কিন্তু সে চিকিৎসার মূল্যও অনেক চড়া। অত টাকাই নেই তাঁদের কাছে।

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হলে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। ফলে রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দিতে পারে না। এই রোগে আক্রান্তদের শরীরে আমৃত্যু রক্ত দিতে হয়। রক্ত দেওয়া বন্ধ হলেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায় থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় ঈদের পরের দিনই দেখে ফেললাম বস-২ বাংলা মুভিটি। ঈদের একদিন আগে গিয়ে অগ্রিম টিকিট কেনাটা মনে হচ্ছে সার্র্থক। মুভির প্লট ছিল চমৎকার। কনটেন্ট হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুাটা বেশ সময় উপযোগী। সেই সাথে নাম ভূমিকায় বস-২ নায়ক জিৎ এর অভিনয় ছিল প্রত্যাশার চেয়েও ভালো। চরিত্রের গভীরে ডুকে গিয়েছিল এ যেন ভিন্ন এক জিৎ। দুর্দান্ত অভিনয়ের সাথে সাথে জিতের ড্যাশিং লুকে বিমোহিত ছিল দর্শক ফিটনেসটা সত্যিই আকর্ষণীয়। মূলত পুলিশ-ক্রইম-পলিটিক্স নিয়েই মুভিটা বানানো হয়েছে। সে কারনে রোমান্স এবং কমেডি ছিল কম। বলা যায় জিতের জীবনের অন্যতম সিরিয়াস ক্যাটাগরির মুভি। পুরো মুভি জিৎ যেন একাই টেনে নিয়ে গিয়েছেন। কো-আর্টিস্ট হিসেবে শুভশ্রী ছিল চমৎকার। নুসরাত ফারিয়াকে খুব সুুন্দর লাগছে হিট ইয়ারা মেহেরবান গানে। যদিও তার ক্যারেক্টার এর ব্যাপ্তি ছিল কম। ওয়ান ম্যান শো মুভি হলেও অন্য চরিত্রগুলো বেশ ভালোই ছিল কেবল অমিত হাসানের চরিত্র ছাড়া। বিশেষ করে বলতে হয় মুভির জনপ্রিয় মুখ পুলিশ অফিসার চিরঞ্জিতের অধ্যার কথা তিনি সত্যিই খুব ভালো কাজ করেন। মুভির প্রথমার্ধ কিঞ্চিৎ গতিহিন থাকলেও বিরতির পর থেকেই শুরু হয় মুভির রহস্য। আর বিরতির আগে ছিল মুভির পার্ট টুকু। ক্লাইম্যাক্য্র এর কিছু দৃশ্য কিছু বলিউডি মুভির সাথে মিলে গেলেও সাধারণ দর্র্শকদের সেটা দেখার যেন সময় নাই। কারণ সবাই ততক্ষণে মন্ত্রমুগ্ধের মত হয়ে দেখছিল পুলিশ আর অপরাধীর দ্বৈরর্থ। ব্যাবগ্রাইন্ড মিউজিক চলনসই গানগুলো তো ভালোই লাগলো। তবে বাজেট আরও বেশি থাকলে অ্যাকশন দৃশ্যগুলো অনেক ভালো লাগতো। মুভিতে বড় ধরনের খুঁত না থাকলেও আর ভাল করার সুযোগ ছিল। সব মিলিয়ে দর্র্শকদের মতামতে দেখার মত মুভি বস-২। রেটিং দেয়ার কথা বললে পার্সোনাল দিবে ৭.৫/১০। জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রতিষ্ঠান জিৎস ফিল্মওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের বস-টু মুভি মুক্তি পেয়েছে ১১১টি হলে। জোনাকি ডিজিটাল সিনেমা হলের ভিতরে বা বাহিরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চোখে দেখা পড়ার মত দর্শকদের উপচে পড়া ভীড়। অপেক্ষা করছে টিকিটের জন্য কখন সেই কাঙ্খিত মুভি বস-টু মুুভিটা দেখতে পাবেন হলের বিশাল বড় পর্দায়। শো শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত হলের ভিতরে চুল পরিমান বসার জায়গা খালি ছিল না। শো শুরুর হওয়ার পরেও অনেক দর্শক চেয়ারে বসতে না পেরে দাঁড়িয়ে পুরো মুভিটা শেষ করলো। বস-টু মুভির ব্যাপারে কলারোয়া জোনাকী ডিজিটাল সিনেমা হলের মালিক শাহাজান কবীর ডাবলু সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ঈদের দিন থেকে চলছে বস-টু মুভি। ঈদের সময় সিনেমা হলে সাধারণ দর্শকদের ভীড় অনেক বেশি থাকালেও বাকি দিনগুলো সিনেমা হল থাকে দর্শক শুন্য। তরুন দর্শকদের চাহিদা মোতাবেক হলের ভিতরে ডিজিটাল পর্দা ও সাউন্ড সিসটেম চালু করা হয়েছে। কোন কালবাজারীরা যেন মুভিটা ভিডিও করতে না পারে সেই জন্য হলের ভিতরে রাখা হয়েছে সর্বচ্ছ সতর্ক। দেড় লাখ টাকায় বস-২ মুভিটা এনে ব্যাপক দর্শক সাড়া মিলছে। সাথে সাথে সপরিবারের দেখার মতই ছবি বস-২। নারী-পুুরুষ দর্র্শক মিলে মুভিটি হলে দেখতে আসায় গত বারের চেয়ে এবার বেশি ব্যবসা হবে বলে তিনি মনে করেন। তাছাড়া ভারত-বাংলাদেশ যৌর্থ প্রযোজনায় কলকাতার জিৎ, শুভশ্রী ও বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া অভিনীত বস-টুর অগ্রিম টিকেটের জন্য অনেক দর্শক তার কাছে মোবাইল ফোনে কথা বলে বস-২ মুভির খোঁজ খবর নেন এবং তিনি দর্র্শকদের হলে এসে মুভিটা দেখার জন্য আমন্ত্ররণ জানান। এদিকে এ বছর ঈদে যৌথ প্রযোজনার ছবিকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা থেকে শুরু ও রাজপথে আন্দোলন সব কিছুকেই ছাঁপিয়ে অবশেষে সারা দেশে মুক্তি পেয়েছে ছবি দুটি। আন্দোলনকারীদের এতো আন্দোলন কোন কাজে আসেনি বরং সিনেমা হলগুলোতে কলকাতার জিৎ ও বাংলাদেশের শাকিবের রাজ চলছে। যৌথ প্রযোজনা দু’টি ছবিই কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ ও শাকিব খান। ২৩৫টি সিনেমা হলে এই দু’টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার এসকে মুভিজ প্রযোজিত শাকিব খানের নবাব সারা দেশে ১২৪টি সিনেমা হলে মুুক্তি পেয়েছে। এবং জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রতিষ্ঠান জিৎ ফ্লিম ওয়ার্কসপ প্রাইভেট লিমিটেডের বস-২ মুভি মুক্তি পেয়েছে ১১১টি হলে। যদিও নিয়ম না মেনে যৌথ প্রযোজনার ছবি বানানোর অভিযোগ তুলে নবাব ও বস-২ এর মুক্তি ঠেৃকোতে আন্দোলনে নামেন এফডিসি ভিত্তিক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের একাংশ। এমনকি তারা দু’দিন সেন্সর বোর্ড ঘেরাও করে রাখেন। কিন্তু পরে দু’টি ছবিই সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পায়। আর এখন মুভি দু’টি দেখতে সিনেমা হল গুলোতে উপচে পড়া ভীড় করছে দর্র্শকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম: দেবহাটার কুলিয়ায় গরু চরানোকে কেন্দ্র করে কল্পনা দাস(৫০) কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি উপজেলা কুলিয়া ইউনিনের পূর্ব কুলিয়া এলাকায় ঘটেছে। নিহতর স্বামী গোবিন্দ দাস জানান, গত রবিবার গরুচরানো নিয়ে কথাকাটি হয় স্থানীয় বাসীন্দা গুরুপদ হালাদারের পুত্র পবিত্র হালদারের সাথে। পরদিন আবার গরু নিয়ে একই সমস্যা সৃষ্টি হলে সোমবার পবিত্র হালদার ও তার ভাই রতন হালদার সঙ্গবদ্ধ হয়ে গালিগালাজ ও হুমকি দিতে থাকে। এসময় আমি বাড়ি না থাকায় তাদের কথায় উত্তর না দিয়ে আমার স্ত্রী বাড়িতে চলে আসে। সন্ধায় আমি বাড়ি ফিরে আসার পর সম্পূর্ণ বিষয়টি শুনে পবিত্র’র বাড়িতে মিমাংসার জন্য যায়। পবিত্র ও তার স্ত্রী ভারতী রানী এবং তার ছোট দেবর রতন হালদার আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বেধরক পেটাতে থাকে। একপর্যয়ে আমরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এসময় পবিত্র ও রতন প্রথমে বাঁশের লাঠি ও পরে ইট দিয়ে আমার স্ত্রী কল্পনা দাসকে পেটাতে থাকে। তাদের আক্রমনে আমার স্ত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেল। তারপরও তারা তাকে রেহাই দেয়নি। তার উপর আরো অত্যাচার করতে থাকে। ইট দিয়ে তারা মাথা ও বুকে আঘাত করতে থাকে। এসময় আমার আতœচিতকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে কল্পনা কে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রথমে সখিপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঈদের ছুটিতে ডাক্তার সংকট থাকায় পরদিন মঙ্গলবার খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সদর হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে আইনীয় প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার বাড়িতে এনে সৎকার করা হয়। এঘটনায় নিহত কল্পনা দাসের পুত্র বিশ্বজিত দাস বাদী হয়ে দেবহাটায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। একই দিনে পুলিশ হত্যার দায়ে উল্লেখিত ২নং আসামী পবিত্র হালদারের স্ত্রী ভারতী হালদার(৩৫)কে গ্রেপ্তার করেন। এবিষয়ে নিহত কল্পনা দাসের পুত্র বিশ্বজিত দাস বলেন, ঘটনার দিন আমার কেউ বাসায় ছিলাম না। পবিত্র ও রতন বিভিন্ন মানুষের কাছে টাকা সুধে খাটায়। তাদের অনেক টাকা থাকায় বিভিন্ন সময়ে মানুষের উপর অত্যাচার করে আসছে। বড় কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে স্থানীয় মেম্বারকে বললে কোন রকম অন্যায় শিকার করে পাত্তা পায়। এলাকাবাসী জানায়, পবিত্র এলাকার ত্রাস হিসাবে পরিচিত। তার সব কাজের মদদ ও সহায়তাকারী তার ভাই রতন। এমনকি তারা কথায় কথায় নারীদের সাথে খারাপ আচারন ও মারধোর শুরু করে। তার এই স্বাভাবের কারণে ইতোপূর্বে ২জন স্ত্রী আতœহত্যা করেছেন। অপরদিকে কল্পনা দাসের উপর হামলার পর থেকে পবিত্র ও রতন এলাকায় হুমকি দিতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে রতনের স্ত্রী শিখা রানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার স্বামী ৩দিন ধরে বাহিরে আছেন। আমার নিজের ফোন নেই তাই তার কোন খবর বলতে পারব না। তার স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন। তবে কুলিয়া পালপাড়া এলাকায় তার স্বামীর দোকান টি ঘটনার পর থেকে খোলা ছিল। গত মঙ্গলাবার দুপুরে কল্পনার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে বন্ধ থাকতে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় দোকানদাররা। এদিকে, ওসি কাজী কামাল হোসেন জানন, দেবহাটা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আসামীদের গ্রেপ্তারের সকল প্রকার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবী অতিদ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি প্রদান করা হোক। যাতে আর কেউই এমন অপরাধে সামিল না হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) ঘোষিত স্কোয়াডেও ছিলেন। তবে দল থেকে বাদ পড়ার শঙ্কা ছিল লাসিথ মালিঙ্গার! কারণ শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী দয়াসিরি জয়াসেকারাকে বানর বলার ঘটনায় তখন তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল।

সেই তদন্তের ফল- দোষী প্রমাণিত হয়েছেন মালিঙ্গা। তাই সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ছয় মাস নিষিদ্ধ করা হয়েছে লঙ্কান পেসারকে। সঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে পরবর্তী ওয়ানডের ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি।

মঙ্গলবার এসএলসির তদন্ত কমিটির দেয়া তথ্যানুযায়ী- মালিঙ্গা আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। তদন্তে মুখোমুখি হয়ে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমাও চেয়েছেন এই পেসার। প্রাথমিকভাবে তাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। পরে সেই শাস্তি কমানো হয়। এখন ছয় মাস নিষিদ্ধ মালিঙ্গা।

৬ মাসের জন্য এই শাস্তি স্থগিত থাকবে। এই সময়ের মধ্যে খেলতে বাধা নেই মালিঙ্গার। আশার খবর, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘোষিত ১৩ সদস্যের দল থেকে তাই বাদ পড়ছেন না তিনি।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘দোষী প্রমাণিত হওয়ায় মালিঙ্গাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে শাস্তির মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে (তবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে একই ঘটনা ঘটালে শাস্তির মেয়াদ বেড়ে যাবে!)। পাশাপাশি পরবর্তী ওয়ানডের ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক ছিল না। বিদায় নিশ্চিত করেছিল গ্রুপপর্ব থেকেই। সে সময় ক্রিকেটারদের কড়া সমালোচনা করেছিলেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী জয়াসেকারা। মন্ত্রীর দাবি, বেশির ভাগ শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের শরীরে ২৫ শতাংশের বেশি মেদ। যার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন মালিঙ্গা! কড়া ভাষায় জবাব দিতে গিয়েই মন্ত্রীকে বানর বলে ফেলেন লঙ্কান এই পেসার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ০৭ জন,কলারোয়া থানা ০৩ জন,তালা থানা ০২ জন,কালিগঞ্জ থানা ০২ জন,শ্যামনগর থানা ০১ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন,দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest