সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতমাসে বলেছেন, গো-রক্ষার নাম করে মানুষ হত্যা “গ্রহণযোগ্য নয়”।

এই মন্তব্যের ঘণ্টা-খানেক পরেই একজন মুসলিম ব্যক্তি জনতার হাতে নিহত হন। তার বিরুদ্ধে গাড়িতে গরুর মাংস বহনের অভিযোগ তুলে তাকে হত্যা করা হয়।

মিস্টার মোদীর হিন্দুত্ব-বাদী বিজেপি সরকারের সময়ে গরু জবাইকে কেন্দ্র করে বিভক্তি চরম আকার নিয়েছে। গরু বিক্রি এবং জবাইর ক্ষেত্রে কড়াকড়ির ফলে বিভ্রান্তি এবং উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে।

ভারতে উত্তেজিত জনতার হাতে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বহু মানুষকে বিরক্ত করেছে।

অনেক এলাকায় বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে হিন্দু জনতার হাতে মুসলিম নাগরিকের হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একটি এলাকায় দুই ধর্মে বিশ্বাসী এক দম্পতিকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, এ ধরনের জাতিগত বিদ্বেষের ঘটনা বেড়েছে মিস্টার মোদীর ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে।

দলটির প্রধান অমিত শাহ এ ধরনের অভিযোগ অবশ্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, কংগ্রেস সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল তখন এ ধরনের হত্যার ঘটনা আরও বেশি ঘটেছে।

‘পিটিয়ে হত্যার শাসন’

যখন একজন সুপরিচিত সাংবাদিক মন্তব্য করেছেন ভারত এমন অবস্থার দিকে যাচ্ছে যেন সেখানে ‘পিটিয়ে হত্যার শাসন’ চলছে।

সমালোচকরা সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে থাকেন যে, ভারতে বহুদিন ধরেই উত্তেজিত জনতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার ইতিহাস রয়েছে।

উদারপন্থীরা সাম্প্রতিক এসব হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বলছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

বিজেপির একজন সংসদ সদস্য এবং কলামিস্ট লিখেছেন, “ভারতের সামাজিক সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সহিংসতা বিরাজমান ছিল এবং স্বাধীনতার পর থেকে রাজনৈতিক সহিংসতার ক্ষেত্রে উত্তেজিত জনতার সহিংসতা তার মাত্রা বাড়িয়েছে কোনও লক্ষ্য অর্জনে কিংবা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে” ।
‘সহিংসতা চালানো হচ্ছে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এবং উন্মত্তভাবে’

ভারতের অন্যতম বিখ্যাত একজন ঐতিহাসিক সঞ্জয় সুব্রাহমানিয়ামকে ভারতের সহিংসতার সংস্কৃতি নিয়ে বিবিসির পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জানান, এটা তিনভাবে পরিলক্ষিত হবে। জাতিগত বা ধর্মীয় দাঙ্গা, উত্তেজিত জনতার দ্বারা সহিংসতা এবং সামাজিক রীতি রক্ষার নামে হত্যাকাণ্ড।

এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী সংখ্যালঘুদের টার্গেট করছে। আর এই সহিংসতা ঘটছে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এবং তা সংঘটিত করা হচ্ছে উন্মত্তভাবে”।

ডক্টর সু্ব্রাহমানিয়াম বলেন, “চোর কিংবা ডাকাত অথবা কখনো কখনো গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটলে জনতা জড়ো হয় এবং চালককে মারতে থাকে। আইন প্রয়োগের দুর্বলতার কারণে এটা ঘটে।

তিনি বলেন, “আমি ধারনা করি যদিও প্রমাণ করা সম্ভব নয় যে, এই উত্তেজিত জনতা বিকারগ্রস্ত। তারা তাদের হাতে হঠাৎ পাওয়া ক্ষমতাকে উপভোগ করে। আমি বিশ্বাস করিনা যে, কোনও মানসিকভাবে সুস্থ মানুষ এধরনের উত্তেজিত জনতার কাতারে থাকতে পারেন”।

তবে তৃতীয় যে ধরনের অপরাধ ঘটছে সেটাই বর্তমানে ভারতের বহু মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলছে।

এই ইতিহাস বিশ্লেষক বলেন, “তৃতীয় যে ধরনটি দেখা যাচ্ছে সেখানে একদল মানুষ বিশ্বাস করছে কিছু সামাজিক রীতি-নীতি যে কোনমূল্যে রক্ষা করতে হবে। এমনকি যদি তা আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবুও। এইসব মানুষেরা জানেন যে, যা করছেন তা বেআইনি কিন্তু সেটাকেই তারা সঠিক বলে মনে করছেন”।
“ভারতে যেটা ঘটছে সেটা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার এবং অনেক রাজ্যের সরকার এসব ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে আছে অথবা তাদের সমর্থন করছে”।

আর এর ফলে আইনকে অবমাননা করা হচ্ছে সরাসরি, তিনি যোগ করেন।

‘এই সহিংসতা বন্ধ করা অত্যন্ত কঠিন’

ডক্টর সুব্রাহমানিয়াম বলেন, এই ধরনের সহিংসতা বন্ধ করা অত্যন্ত কঠিন কারণ এগুলো ‘বিক্ষিপ্ত এবং বিশৃঙ্খল’। আইনের প্রতি সামাজিকভাবে আস্থা বাড়ানো গেলে এবং সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তবেই তা বন্ধ করা সম্ভব।

তার মতে, এই সহিংসতা ঠেকাতে হলে কঠোর আইন প্রয়োগ, দায়ীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এগুলো রীতি-মাফিক সহিংসতার ঘটনা ফলে যারা বা যে সংগঠনগুলো এগুলো ঘটাচ্ছে তাদের দিকে নজরদারি চালালে তা ঠেকানো সম্ভব।

“কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এদের যারা রক্ষাকর্তা হিসেবে মাঠে নেমেছে তাদের পাহারা দেবে কে?”

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে গবাদি পশুর পাইকারি বাজারে মাংসের জন্য গরু-মোষ বিক্রিতে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, দেশের সুপ্রিম কোর্ট তার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের ফলে অন্তত আগামী তিন মাসের জন্য গোটা ভারতে আবার আগের মতোই বাজারে গবাদি পশু কেনাবেচা করা যাবে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে আপাতত স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলছেন হাজার হাজার ব্যবসায়ী – গবাদি পশুর মাংস বেচেই যাদের দিন চলে।

সরকারকে রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলে আদালত আরও জানিয়েছে, মানুষের জীবন-জীবিকাকে হঠাৎ করে এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া যায় না।

ভারতে পশুর মাংস বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে মুসলিমরাই বেশি জড়িত।

ভারতে হিন্দুদের কাছে গরু অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত এবং অনেক রাজ্যেই গরু জবাই নিষিদ্ধ। কিন্তু এই প্রথম গরুর পাশাপাশি মহিষ জবাই করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ভারতের মাংসের বেশিরভাগ আসে গরু থেকে নয়, মহিষ থেকে। ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাংস রফতানিকারক দেশ।

এই মামলার রায়ে প্রধান বিচারপতি জগদীশ সিং খেকার বলেছেন, সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে মানুষের জীবিকা বিপন্ন হওয়া উচিৎ নয়।

ভারতের একটি মুসলিম সংগঠন ‘মুসলিম অল ইন্ডিয়া জামিয়াতুল কোরেশ একশন কমিটি’ আদালতের রায়কে তাদের বিজয় বলে বর্ণনা করেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি জয়লাভ করার পর ভারতের বহু রাজ্য গরু জবাই নিষিদ্ধ করতে শুরু করে।

গুজরাটে গরু জবাই করলে শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান করে আইন করা হয় গত মার্চ মাসে। এর পাশাপাশি গরু জবাই করেছে এমন সন্দেহে মুসলিমদের ওপর বিভিন্ন রাজ্যে হামলা শুরু হয়।।

স্বঘোষিত গো রক্ষা কমিটির সদস্যরা গরু জবাই করার মিথ্যে গুজবের ভিত্তিতে বেশ কিছু মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা করে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র-বরাক নদীর উপত্যকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে।

এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আর এই পানি ভাটিতে নেমে আসার পর বাংলাদেশের উত্তর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে প্রবল বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আসামের সংবাদমাধ্যম বলছে, এপর্যন্ত বন্যায় মোট ৩০ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে।

গত চার দিনে ধরে ভারী বর্ষণের ফলে আসামের ১৫টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

এই জেলাগুলোর ১১০০ গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় আশ্রয় শিবিরে জায়গা নিয়েছেন প্রায় ১৮০০০ মানুষ।

বন্যার জলে মহাসড়কের একাংশ ডুবে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে।

আসামের বিভিন্ন জায়গায় জলের তোড়ে বাঁধ ভেসে গিয়েছে, সড়ক এবং সেতুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’ দিয়ে বলিউডে আগমন ঘটে বলিউড তারকা সানি লিওনের। নীল দুনিয়া ছেড়ে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন বলিউডের রুপালি পর্দায়। নিজের পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিয়েছেন বলিউডে। একক ছবিতে অভিনয় ছাড়াও কাজ করেছেন অসংখ্য আইটেম গান ও মিউজিক ভিডিওতে। সর্বশেষ তাকে দেখা গিয়েছিল শাহরুখ অভিনীত ‘রেইস’র একটি আইটেম গানে।

তবে এবার আবারও চমক নিয়ে হাজির হলেন সানি। জানা গেছে, কলকাতার একটি বাংলা ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। এ খবরে নড়েচড়ে বসেছেন বাংলা ছবির দর্শকরা। পরিচালক স্বপন সাহা পরিচালিত একটি ছবির আইটেম গানে নাচবেন সানি। গানটির কোরিওগ্রাফি করবেন ভারতের ড্যান্স গুরু হিসেবে পরিচিত প্রভু দেবা।

তবে ছবিটির নাম জানা যায়নি এখনও। এর আগেও সানি বেশ কিছু আঞ্চলিক ছবির আইটেম গানে কাজ করেছেন। তবে কোনো বাংলা ছবিতে এবারই প্রথম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইনে ভাইরাল হয়ে গেছে লিবিয়ার সাবেক রাষ্ট্রনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফির সঙ্গে বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফসহ আরও কিছু মডেলের একটা ছবি। এটি বেশ ঝড় তুলেছে। ছবি দেখে অনেকেই কৌতূহল প্রকাশ করে যাচ্ছেন কি সম্পর্ক ছিল গাদ্দাফির আর ক্যাটরিনার? তবে বিষয়টা ততো রহস্যঘেরা কিছু নয়।

জানা গেল, আরও ১৫ বছর আগে তখন ক্যাটরিনা পুরোপুরি তারকা হয়ে ওঠেননি। টুকটাক মডেলিং করে বেড়াতেন। আর সে সূত্রেই একটি ফ্যাশন শোতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন লিবিয়ায়। সেখানেই দেখা হয় মুয়াম্মার গাদ্দাফির সঙ্গে। তবে শুধু ক্যাটরিনা একা নন, সাথে ছিলেন নেহা ধুপিয়া, অদিতি গোভিত্রীকর ও আঁচল কুমারও। সম্প্রতি ক্যাটরিনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়েছিল ছবিটি। পরবর্তীতে অবশ্য তা সরিয়ে নেয়া হয়।

লিবিয়ার একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফি বিদ্রোহীদের এক অভিযানে ২০১১ সালে নিহত হন। গদ্দাফি ছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি। তাকে ঘিরে থাকত সুন্দরী নিরাপত্তারক্ষীরা, যাদের নাম ছিল অ্যামাজোনিয়ানস। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য যৌন নিগ্রহেরও অভিযোগ ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশে অর্থপাচার এবং সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থপাচার নিয়ে দেশে অনেক সমালোচনা হলেও অর্থমন্ত্রী এটিকে যৎসামান্য বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এই অর্থপাচারকে লেনদেন এবং সম্পদের হিসাব বলেও দাবি করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, টাকা পাচারের বিষয়টি বাস্তবে তেমন কিছু নয়। যে হিসাবগুলো কাগজে বেরিয়েছে এগুলো হলো লেনদেন এবং সম্পদের হিসাব। আমাদের সাংবাদিকরা এটিকে অত্যন্ত অন্যায়ভাবে পাচার বলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সত্যিই কিছু পাচার হয় কিন্তু এটি যৎসামান্য। এটা নজর নেয়ার মতোই নয়।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় সংসদের সভাপতিত্বে ছিলেন ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা পাচারের বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইউনিট অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং তা বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিদেশে অর্থ যে পাচার হয় না, সে কথা আমি বলব না। কিন্তু সংবাদ মাধ্যমে যে পরিমাণ অর্থ প্রচার হয়েছে বলে বলা হয়েছে সেটা বাস্তবেই অতিশয়োক্তি বলে বিবেচনা করা চলে। তিনি বলেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মোটামুটি বিভিন্নভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে হয়। সুইজারল্যান্ডেও আমাদের যথেষ্ট লেনদেন আছে, ব্যবসা-বাণিজ্য আছে। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অনেক উন্নত। ফলে নিকটস্থ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের দেনা পাওনার হিসাব নিষ্পত্তি সুইস ব্যাংকের মাধ্যমেও হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে সম্পূর্ণ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আমরা দেখেছি যে, সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে অনেক লেনদেন হয়েছে এবং ২০১৬ সালের হিসাব এখন মোটামুটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের খাতে ২০১৬ সালে সুইস ব্যাংকগুলোর সম্পদের পরিমাণ ১৮শ ২৩ কোটি টাকা। এই সময়ে তাদের দেনা হচ্ছে ৫ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১৮’শ ২৩ কোটি টাকা তারা ঋণ দিয়েছে এবং তাদের কাছে জমা হয়েছে ৫ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। এতে দেখা যায় যে ২০১৫ সালে বাংলাদেশে সুইস ব্যাংকের যে দেনা ছিল সেটা এই বছরের দেনার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম। একইভাবে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের খাতে যে সম্পদ ছিল তার থেকে ২০১৬ সালে ২ শতাংশ কমে গেছে।

তিনি বলেন, আমাদের ব্যাংকগুলোর ২০১৬ সালের হিসাব বিশেষ করে দেনার ক্ষেত্রে এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। আরেকটি লক্ষণীয় বিষয় হলো আমাদের এবং সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর মধ্যে দেনা পাওনার পরিমাণ খুব বেশি। এতে অবশ্য ব্যক্তির আমানত অথবা দেনা মোট আমানত ও দেনার হিসাবে সীমিত একটি অনুপাত। ৩৯৯.৮ কোটি টাকার আমানতের ব্যক্তিখাতের দেনা হলো মোট দেনার মাত্র ৭ শতাংশ। আর সম্পদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিখাতে মোট সম্পদ ১৮শ ২৩ কোটির টাকার মধ্যে মাত্র ১৮৩ কোটি টাকা অর্থাৎ ১০ শতাংশ।

 তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, আমাদের এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে যে ব্যবসা-বাণিজ্যের হিসাব হয় সেটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাস্তবে এটি মোটেই অর্থপাচার নয়।

তিনি বলেন, এ ব্যাখ্যাটি আমাদের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাবে বলে আমার বিশ্বাস। এসব হিসাবে বাংলাদেশি অনেক নাগরিক আছে যারা ব্যক্তিখাতে কাজ করেন অথবা স্থায়ীভাবে অবস্থান করেন, তাদের হিসাবও অন্তর্ভুক্ত আছে। তাদের হিসাবে কত টাকা অন্তর্ভুক্ত আছে সেই হিসাব আমরা দিতে পারছি না। কেননা যেসব বাঙালি এসব টাকা জমা রাখছেন তারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট পরিচয় চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এদের সংখ্যা আমাদের জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রতিদিন ২টি মুরগীর ডিম আমাদের নিত্যদিনের খাবারের একটি অংশ হলে এর গুণাগুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজনা রয়ে গেছে।

কেউ কেউ মনে করেন এতে কোলেস্টেরল বাড়ায়, বাড়ায় ওজন। কেউ কেউ আবার এতে অ্যালার্জির উদ্রেক হয়। কিন্তু শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের জন্য দিনে ২টি ডিম খাওয়া যে কতটা উপকারী তা জানেন না অনেকেই। চলুন সাধারণ ডিমের অসাধারণ কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই।

ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে
এক চামচ মাছের তেল এবং একটি সেদ্ধ ডিমে একই পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে। শুধু তাই নয়, এই ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণেও কাজে আসে। এটা আপনার হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

মস্তিষ্ককে নিরাপদ রাখে কোলিন
মস্তিষ্কের কোষগুলোর মাঝে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে বিভিন্ন ফসফোলিপিড আর এর মাঝে একটি হলো কোলিন। মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মাঝে কোলিন অন্যতম। প্রতিদিন ২টি করে ডিম খাওয়া হলে যথেষ্ট পরিমাণে কোলিন পায় আপনার শরীর। কোলিনের অভাবে স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে।

দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখে লুটেইন
মুরগীর ডিমে যথেষ্ট পরিমাণে লুটেইন থাকে। এই উপাদানটি দৃষ্টিশক্তি পরিষ্কার ও তীক্ষ্ণ রাখতে সহায়ক।

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ত্বক, চুল ও যকৃৎ ভালো রাখে
বায়োটিন, ভিটামিন বি ১২ এবং কিছু প্রোটিন চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। ডিমে থাকা ফসফোলিপিড যকৃৎ থেকে টক্সিন বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।

কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়
আপনি ভাবতে পারেন ডিম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে। আসলে কিন্তু ডিমের কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য খারাপ নয়। এর পাশাপাশি ডিমে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
মস্তিষ্কের জন্য উপকারী কোলিন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও কাজে আসে। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব তরুণীরা প্রতিদিন ডিম খেতেন, পরবর্তীতে তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে ১৮ শতাংশ।

ওজন কমাতে সহায়ক
লো ক্যালোরি ডায়েটের সাথে সকালের নাশতায় ডিম খাওয়া হলে দ্রুত কমতে থাকে ওজন- মত দেন আমেরিকাল গবেষকেরা। ব্রেকফাস্টে ডিম খাওয়া হলে অনেকটা সময় পেট ভরা থাকে, ফলে বারবার জাঙ্ক ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়
হল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত ডিম খাওয়ার ফলে ৩৫-৪০ বছর বয়সী নারীদের বয়সজনিত দাগ দূর হয় এবং ত্বক আগের মতো টানটান হয়ে আসে। চোখের আশেপাশের বলিরেখাও কমে আসতে দেখা যায়।

সন্তান ধারণে শরীরকে প্রস্তুত করে
ডিমে থাকা ভিটামিন বি ৯ বা ফলিক এসিড ভ্রূণের মস্তিষ্কে কোনো সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এ কারণে গর্ভবতী এবং গর্ভধারণে উৎসাহী নারীদের জন্য ডিম খাওয়া জরুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক: খুব শিগগিরই নাকি প্রেমিক আনন্দ আহুজার সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

সোনমের সঙ্গে আনন্দ আহুজার সম্পর্কের বিষয়টি এ অভিনেত্রীর পরিবারের সকলেরই জানা। তাই পরিবারের সদস্যরা চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব বিয়েটা হোক। কিন্তু আনন্দের সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে সোনম একটু সময় নিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সোনমের পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘যেহেতু আনন্দ আহুজার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে সোনম নিশ্চিত, তাই তার বাবা অনিল কাপুর বিয়ের ব্যাপারে দেরি করতে চাইছেন না। অবশ্য বন্ধুরা সোনম ও তার বাবাকে বোঝাচ্ছেন যে, এতে করে এ অভিনেত্রীর অভিনয় ক্যারিয়ারে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু এ নিয়ে মোটেও ভাবছেন না সোনম। তাদের কিছু বিষয় সমাধান হলেই তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন।’

দিল্লির ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই সোনমের প্রেমের গুঞ্জন চলছে। প্রায়ই বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় তাদের। এছাড়া পরস্পরের প্রতি ভালোলাগার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টসহ বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেন তারা। সোনমের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও নিয়মিত অতিথি হিসেবে থাকেন আনন্দ। যদিও প্রেমের বিষয়টি এখনো শিকার করেননি এ কথিত প্রেমিক জুটি।

অভিনয়ের দিক থেকে সোনমের পরবর্তী সিনেমা ‘বীরে দি ওয়েডিং’। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন এ অভিনেত্রীর বোন রিয়া কাপুর। এ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারো বড় পর্দায় হাজির হবেন কারিনা কাপুর। সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করবেন স্বারা ভাস্কর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest