সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

7jwPc1_566তেহরানে সংসদের প্রশাসনিক ভবনে গতকালের সন্ত্রাসী হামলার প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অস্ত্রধারী তিন সন্ত্রাসী সংসদের প্রশাসনিক ভবনে দর্শণার্থীদের কক্ষে প্রবেশ করে গুলি চালাচ্ছে এবং সাধারণ দর্শণার্থীরা সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি টের পেয়েই দৌঁড়ে পালাচ্ছেন।

ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, একজন দর্শণার্থীর পকেট থেকে একটি কাগজ পড়ে যাওয়ায় তিনি তা উঠাতে গিয়ে শুয়ে পড়েন। আর এ অবস্থাতেই একজন সন্ত্রাসী তার পিঠে গুলি চালিয়ে সরে পড়ে। এরপর ওই ব্যক্তিকে নিস্তেজ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

সংসদের যে ভবনটিতে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে সেখানে সাধারণ মানুষদের জন্য বসার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়ে দর্শণার্থীরা ওই কক্ষে অপেক্ষা করেন। ওই ভবনটিতে প্রবেশের ফটকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কখনোই কঠোর ছিল না বলে জানা গেছে।

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সংসদের ওই ভবনে তিন জন সন্ত্রাসী ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে এবং একটি গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়। দুই সন্ত্রাসীর শরীরে বিস্ফোরক-বেল্ট বাঁধা থাকলেও নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে বিস্ফোরণ ঘটানোর সুযোগ দেয় নি। বিস্ফোরণ ঘটানোর আগেই তাদেরকে হত্যা করতে সক্ষম হয় নিরাপত্তা বাহিনী। সূত্র: পারস্ টুডে

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

05নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার প্রথম অনলাইন সাহিত্য পত্রিকা ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’র আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন মিলনায়তনে মাসিক সাহিত্যপাতার উপদেষ্টা আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনা মানুষের মধ্যে সকল বৈষম্য দূর করে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ জেলার সাহিত্যাঙ্গণকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে মাসিক সাহিত্যপাতা সাহসী ও আন্তরিক ভূমিকা রেখে চলেছে। ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’ একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে সাতক্ষীরার সাহিত্য-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’ ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সাহিত্য বিষয়ক প্রকাশনা, সাহিত্যসভা, সাহিত্য সম্মেলন, সাহিত্য সম্মাননা ও ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপনসহ সাহিত্য সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বর্তমান সময়ে ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’র তরুণ সাহিত্যকর্মীরা এ জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বেগবান করে তুলতে উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসিক সাহিত্যপাতার সভাপতি মো. সাকিবুজ্জামান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকসহ অতিথিবৃন্দের কাছ থেকে ‘মাসিক সাহিত্যপাতা সম্মাননা ২০১৭’ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট ছড়াকার আহমেদ সাব্বির।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাহিত্য ও ভাষা গবেষক অধ্যাপক কাজী মুহম্মদ অলিউল্লাহ, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ আজিজুল হক, মাসিক সাহিত্যপাতার উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছী, অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, দৈনিক কাফেলার চিফ রিপোর্টার এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, জেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ম. জামান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাসিক সাহিত্যপাতার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তামান্না জাবরিন, সহ সম্পাদক মোহায়মেনুল আলম মারকোচ, শরিফুল ইসলাম, বাসুদেব ম-ল শুভ, রাকিব হায়দার, আয়েশা খাতুন, কবি শাহিনা কাজল, ওসমান গণি সোহাগ, রোকনুজ্জামান, রবিউল ইসলাম, আল মামুন, হাফেজ মো. ইব্রহিম হোসেন, হাফেজ হাবিবুল বাসার, হা: আনোয়ার হোসাইন, মো. ইব্রাহিম খলিল, জান্নাতুল ফেরদৌস খুশিসহ জেলার বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ইফতারের আগে পরিত্র মাহে রমজান ও যাকাত শীর্ষক আলোচনা ও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করবেন হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাসিক সাহিত্যপাতার সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

04মাহফিজুল ইসলাম আককাজ ঃ সাতক্ষীরা নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজীর  বিদ্যালয়ে যোগদানের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. আমিনুর রহমান উল্লাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সেলিমুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক নাজমুল লায়লা, সাবিনা শারমিন, মো. তৈয়েবুর রহমান, কবীর আহমেদ, শামিম পারভেজ, জাহিদ হাসান, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম, রহমত সরদার, আমিনুর রহমান, আফসারুজ্জামান, প্রাক্তন শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী ০৯/০৬/১৪ সালে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। আলোচনা সভা শেষে সকলে ইফতার মাহফিলে অংশ নেয়। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ১৩তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ১৩  রমজানে শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে সাংসদের নিজ উদ্যোগে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সম্মানে এ ইফতার মাহফিল আয়োজন করেন তিনি। তিনি ইফতারের আগে প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। এসময় উপস্থিত জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি মফজুলার রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, সদস্য এপিপি এড. অব্দুল লতিফ, এড. স.ম গোলাম মোস্তফা, ডা. মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাবেক সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমা›ন্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, মীর তানজীর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি সংসদের জেলা সভাপতি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি, এপিপি এড. তামিম আহমেদ সোহাগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, যুবলীগ নেতা শেখ শফিউদ্দিন সফি, ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, মজনুর রহমান মালি, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মুস্তাফিজুর রহমান শাওনওয়াজ, বল্লী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. বজলুর রহমান, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. শওকত আলীসহ জেলা, সদর ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01গ্রাম বাংলায় একটি কথা আছে। জনপ্রিয় এই বাক্যটি হচ্ছে ‘আমে দুধে মিশে যাবে, আঁটি বাগানে যাবে’। এর অর্থ হলো যে বা যারা মাঝখানে ঢুকে দুইয়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন, তিনি একদিন নিজেই বাদ পড়ে যাবেন। আর বিভাজিতরা নিশ্চয়ই মিলিত হবেন। এক ও অভিন্ন পথ ধরে চলবেন আবারও আগের মতো।
পাঠক প্রশ্ন করতেই পারেন হঠাৎ এই মসলা কেনো আমার মুখে। আমি উত্তর দিতে প্রস্তুত। গত বুধবার আমি শরিক হয়েছিলাম সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতার মাহফিলে। সেখানে যে অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে তা একটু শেয়ার না করলে আম আর দুধের রহস্য উদঘাটন করা যাবে না। জেলা প্রশাসকের ওই ইফতারিতে ভিআইপি টেবিলে অনেকের মধ্যে দুই নেতা সবার নজর কেড়েছিলেন। দুইজন পাশাপাশি চেয়ারে বসেছিলেন। এক সাথে একই সময়ে একই উপকরন নিয়ে ইফতার করলেন তারা। মোনাজাত করলেন। নামাজ আদায় করলেন। কিন্তু অবাক বিষ্ময়ের ব্যাপার কেউ কারও দিকে ফিরেও  তাকালেন না। কুশল বিনিময় দুরে থাক কেউ কারও সাথে কথাও বললেন না। মনে হলো কেউ কাউকে চেনেন না। অথবা চিনলেও একে অন্যের শত্রু। যে দুই ব্যক্তির কথা বলছি তারা দুজনেই আমাদের খুব কাছের মানুষ। সরকার দলীয় রাজনীতির অঙ্গনে তারা সরকারের খুব নিকটের লোক। তাদের একজন হলেন ১৯৮৬ ও ১৯৯১ এর সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ  প্রশাসক এবং দীর্ঘকালের সেক্রেটারির পদ অলংকৃত করে রাখা ব্যক্তি বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।  তিনি বারবার আমাদের ভোট নিয়েছেন। আরেকজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। কিছুদিন আগ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তিনিও আমাদের ভোট নিয়েছেন বারবার। এ দুজনের কেউ কারও চেয়ে কম জনপ্রিয় নন। দুজনেই আমাদের ভোট  নিয়েই হয়েছেন জনপ্রতিনিধি। তাদেরকে আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বেড়াতে। একই দলের ছত্রছায়ায় তাদেরকে হাঁটতে দেখেছি। দেখেছি তাদের দলে শামিল হবার জন্য আমজনতাকে আহবান জানাতে। এক সাথে রাজপথে মিছিল করেছেন তারা। এক সাথে মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন তারা। একসাথে আন্দোলন করেছেন তারা। এক সাথে দল গুছিয়েছেন। একসাথে নির্বাচনও করেছেন তারা। সেদিন তাদের মধ্যে এতো মিল মহব্বত দেখেছি  আর আজ কি দেখলাম কেউ কারও সাথে কথা নাহি কয়। পবিত্র রমজানের শিক্ষা কি তা নিয়ে যদি ব্যাখ্যা করি তবে একটি কথা বলতে পারি রমজান শেখায় ভ্রাতৃত্ব , রমজান শেখায় মহান আল্লাহর প্রতি নিজেকে পুরোমাত্রায় সমর্পন। রমজান শেখায় ইসলামের আদর্শের প্রতি নিজেকে সমর্পন। আমাদের আলোচ্য দুই নেতা নিশ্চয়ই রমজানের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছেন। আর সেই শিক্ষার বলে বলীয়ান হয়ে তারা জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতারে শরিক হয়ে রমজানের পবিত্রতা , ভ্রাতৃত্ব রক্ষা করতে অগ্রসর হয়েছেন। দেশ ও জাতির জন্য তারা এক সাথে অভিন্ন ভাষায় মোনাজাত করেছেন। তাহলে কেনো মুখ ফিরিয়ে থাকা।
এই দুই নেতাকে আমরা  বহুকাল ধরে দেখে আসছি। তাদের চলার পথ আদর্শ সবকিছুর সাথে আমাদেরও ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু মাঝখানে একটি নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। এ নির্বাচনে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদ প্রার্থী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ তাকে কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনয়ন দিয়েছিল।  তার হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চিঠি। অপরদিকে একই পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। তিনি দলের কেন্দ্রিয় সমর্থন পাননি। তবু ফলাফলে মুনসুর  আহমেদ হেরে গেলেন, আর জিতে গেলেন নজরুল ইসলাম। সেই যে দুজনের মুখ না দেখাদেখি শুরু হয়েছে তার শেষ যেনো কিছুতেই নামছে না ।  এখানে দুটি প্রশ্ন আমার মাথায় আসছে। ১. জেলা পরিষদ নির্বাচন যদি না হতো তাহলে কি হতো। ২. জেলা পরিষদ নির্বাচনে ফল যদি উল্টো হতো অর্থাৎ মুনসুর আহমেদ জিতে যেতেন এবং নজরুল ইসলাম হেরে যেতেন তাহলে কি হতো।  আমার বিশ্বাস মুখ দেখাদেখি বন্ধ হতো না। তাহলে কি বুঝবো যে জেলা পরিষদ নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখের সে ভোটযুদ্ধ তো শেষ হয়ে গেছে। যুদ্ধের পর তো আমরা সবাই এক জায়গাতেই আছি, সাথে রয়েছে শুধু সেদিনকার ফলাফলটা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো আর নেই।  হারজিতের পালা তো সেদিনই শেষ । দেরিতে হলেও দুজনে মিষ্টিমুখ করেছেন। কোলাকুািল করে বুকে বুক মিলিয়েছেন। তাহলে আবার কেনো বিমুখ হয়ে থাকা। দেখা হলেও কথা হলো না কেনো।
এই দুই নেতা গত ৪ মে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছুটেছেন। দলের নেত্রী তাদের ডেকেছিলেন। নেত্রীর হয়ে তাদের সাথে কথা বলেছেন দলের সেক্রেটারি সেতুমন্ত্রি ওবায়দুল কাদের। তাদের মধ্যে আবারও মিল ঘটিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন দলের ভবিষ্যত গঠনের কথা। নির্বাচনের কথা। আবারও এক কাতারে এক সাথে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কথা। দুই নেতা বিনাশর্তে তাতে সায় দিয়েছেন । বুকে বুক মিলিয়েছেন। নিজেদের ভুল নিজেরাই শুধরে নিয়েছেন। করমর্দন করে জানান দিয়েছেন যে তারা  এক ও অভিন্ন পথে এগিয়ে যাবেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে তারা আগের মতোই দল গোছাবেন। ২০ মে তারিখে তারা আবারও বসেছিলেন ঢাকায়। পরদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের নির্ধারিত দিনও ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে যাওয়ায় সে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। এতোসবের পরও দুই নেতার মধ্যে বিভেদ কেনো। কেনো এই বিভাজন। সামনে তো নির্বাচন। ঘর গোছানোর পালা তো এখন। এখন তো মান অভিমানের সময় নয়। মান অভিমান সবই তো শেষ হয়ে গেছে ২৮ ডিসেম্বর ভোটাভুটির দিনে।
আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মিল। আমরা দেখতে চাই সেই আঁটি বাগানে নির্বাসিত হোক। পবিত্র রমজান মাসে ইবাদতের সওয়াব আল্লাহ বৃদ্ধি করে দেন। এই রমজানেই হোক তাদের মিলন মেলা। আরেকটি ইফতারে বসে  আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মহামিলন। আমজনতা হিসাবে আমরা যারা তাদের ভোটার তাদেরই  এ প্রত্যাশা।  অপেক্ষায় থাকছি সেই দিনটির। সেই ইফতারের। যেদিন আমে দুধে মিশে যাবে , আঁটি বাগানে যাবে।
সুভাষ চৌধুরী : সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্ট করেসপনডেন্ট, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03নলতা  প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ব্রজপাটুলিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নলতা শরীফের পীরজাদা গওছার রেজার দৌহিত্র তৌফিক আমিন (১৪)  নিহত হয়েছে।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এর পুত্র গওছার রেজার পুত্র মো. শহিদুল হকের সদ্য এসএসসি পাশ করা একমাত্র পুত্র তৌফিক আমিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু পরে নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে তারাবী নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়।
একটি মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে ও সাথে ৯ম শ্রেণি পড়–য়া পার্শ্ববর্তী জিকুকে পিছনে বসিয়ে যাত্রা শুরু করে খানজিয়া রোড হয়ে ভাড়াশিমলা ইউপির ব্রজপাটুলিয়া কার্পেটিং রোডের দিকে। রাত পৌনে ৮টার দিকে  ব্রজপাটুলিয়ায় মিন্টু বাবুর বাড়ির সামনের বাগবাটী অভিমুখে প্রশস্ত রোডে দ্রুত গতিতে টার্ন নিতে যেয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুপারি গাছে লেগে সজোরে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তৌফিক এবং মাটিতে ছিটকে পড়ে জিকু। দোকানে বসা কয়েক যুবক সাথে সাথে তৌফিককে উঠিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সংবাদ দেয়। পরবর্তীতে তাকে এ্যাম্বুলেন্সযোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিলে কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর ঐদিন রাত পৌনে ১১ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌফিক আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্নানিল্লাহি…রাজিউন)।
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নলতা শরীফের পীরজাদা গওছার রেজার দৌহিত্র অর্থাৎ মো. শহিদুল হকের একমাত্র পুত্র তৌফিক আমিন (১৪) কে ৯ জুন শুক্রবার বাদ জুমা নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে মাজার শরীফ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রওজা শরীফের খাদেম আলহাজ্জ মৌলভী আনছার উদ্দিন আহমদ, মিশন কর্মকর্তাবৃন্দ, পীর কেবলার ভক্তবৃন্দ, মরহুমের আত্মীয়-স্বজন তথা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর উপস্থিতিতে নামাজে জানাযা পরিচালনা করেন নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্জ হাফেজ মো. শামছুল হুদা।
তার মৃত্যুর সংবাদ রাত থেকে পর্যায়ক্রমে দাফনের পূর্ব পর্যন্ত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে তৌফিকের সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খী বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুর অব্যাহত উপস্থিতিতে নলতা শরীফের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আর একমাত্র পুত্রের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে তৌফিকের পিতা-মাতা একরকম পাগোল প্রায় হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্তৃক সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আ. লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক’র বিরুদ্ধে দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইফতার মাহফিলে গুটিকয়েক সংগঠন বিরোধী নেতারা কুরচিপূর্ণ বক্তব্য রাখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ।

অন্যদিকে, এর প্রতিক্রিয়ায় ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি বিলুপ্তির কথা জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ সকল উন্নয়ন কে বাঁধাগ্রস্ত করতে দেবহাটায় আওয়ামীলীগের নামধারী গুটি কয়েক নেতারা সরকারের সে উন্নয়নকে পদে পদে বাঁধা সৃষ্টি করে বিএনপি-জামাতের সাথে সরাসরি সু-সম্পর্ক রেখে গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাদের ম্যানেজ করে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে সেখানে আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন তারা। যা সংগঠনের নিয়ম বহির্ভূত। যেখানে রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরার গণমানুষের কল্যাণে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাইপাস সড়ক, রেললাইন স্থানপন, প্যারামেডিকেলসহ অগণিত উন্নয়ন করে চলেছেন। যা অকল্পনীয় সাতক্ষীরার মানুষের জন্য। সেখানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড. স ম গোলাম মোস্তফা, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গনি  আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র সরকার, সদস্য অহিদুল ইসলাম, শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান কেল্টু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামসহ তাদের গংরা ২০১৩ সালের পর থেকে দলকে দ্বিখ-িত করতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দলের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করে উপজেলা আওয়ামীলীগকে বার বার তারা অস্তিত্ব সংকটে ফেলার পাঁয়তারা করে চলেছে। তাদের এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিগত দিনে বিএনপি-জামাত সহিসংসতার সময় দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের ৩টি তাজা প্রাণ আবু রায়হান, আব্দুল আজিজ, আলমগীর হোসেন (বাকুম) কে আমাদেরকে হারাতে হয়েছে। এছাড়া সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড.স.ম গোলাম মোস্তফার দীর্ঘ দিনের চক্রান্তের ফল হিসাবে একরে পর এক আওয়ামীলীগ বিরোধী কর্মসূচি পালন করে চলেছে। তেমনি আগামী নির্বাচনে পুনরায় যেন আওয়ামীলীগ আর ক্ষমতায় না আসতে পারে সে জন্য এখন থেকে ঐ সকল চক্রান্তকারিরা সু-সংঘটিত হয়ে ইফতার মাহফিলের নামে একের পর এক সংগঠন বিরোধী কার্যকালাপে মেতে উঠেছে। তাই ইফতার মাহফিলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান কেল্টু যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সংগঠন বিরোধী। আমরা তার এই বক্তব্যের জন্য উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠন তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সাথে সাথে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা স্বোচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ জানাচ্ছি এবং তাদের কমিটি দ্রুত বিলুপ্ত করাসহ আইনী ব্যবস্থা নেওয়ারও আহবান করছি। একই সাথে আজ থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল প্রকার অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকলীগকে বর্জন করা হল। আগামীতে যদি কেউ রুহুল হকের মত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কটূক্তি বা অসম্মানজনক বক্তব্য প্রদান করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সহ-সভাপতি নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, শরৎ চন্দ্র ঘোষ, যুগ্ন-সম্পাদক আনারুল হক, আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন,নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক, আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর আ’লীগের সভাপতি আবুল কাশেম, সখিপুর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান,পারুলিয়া আ’লীগের সভাপিত শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস আবারা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কুলিয়া আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর. সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, সখিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, কুলিয়া যুবলীগের সভাপতি মোসারাফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক নাসিরউদ্দীন, যুগ্ন-আহবায়ক মাহাবুর রহমান অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2017-06-09 15.29.16নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি সংগঠক উপজেলা (ফারিয়ার) এর উদ্দ্যোগে শুক্রবার বেলা ২টার দিকে হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ফারিয়ারের নিজস্ব কার্যালয়ে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ফারিয়ার নেতৃবৃন্দর সাথে কলারোয়া ফারিয়ারের নেতৃবৃন্দর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া ফারিয়ারের সভাপতি (নাভানা ফার্র্মা ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি) আক্তারুজ্জামান আক্তার। ঔষধ কালোবাজারী ক্রয় বিক্রয় এবং সকল অপশক্তির হাত থেকে সাংগঠনিক কার্র্য্যক্রমকে বেগবান ও গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় (ঢাকা) ফারিয়ারের সিনিয়র সহ-সভাপতি সোহেল বিশ্বাস। কলারোয়া ফারিয়ারের সাধারণ সম্পাদক (ডেলটা ফার্র্মা ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি) আনায়ারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর ফারিয়ারের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুুর রহমান, কলারোয়া ফারিয়ারের সহ সভাপতি বিএম আল রাজীব পিটার (এসকে এফ ফার্মা), সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুজ্জামান হাসান (ল্যাব এইড), সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপুু (পপুলার ফার্মা)। এসময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া ফারিয়ারের নেতৃবৃৃন্দ যথাক্রমে সহ-সভাপতি বিপুল হালদার (স্কায়ার ফার্মা), যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মামুন মুন্সী (ওয়ান ফার্মা),ও সোহেল রানা (অপসোনিন), সহ সাংগঠনিক রুবেল হোসেন (সোমাটেক ফার্মা), অর্র্থ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, (ইবনে সিনা ফার্মা), সহ অর্র্থ সম্পাদক আব্দুল হান্নান (ওরিয়ন ফার্র্মা), দপ্তর সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম (জুলফার বাংলাদেশ), সহ-দপ্তর সম্পাদক রাশেদুজ্জামান (রেডিসান), ক্রিয়া সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির (এসকে এফ), সহ ক্রিয়া সম্পাদক হাসানুজ্জামান (ইনসেফটা), প্রচার সম্পাদক শ্রী সদানন্দ পোদ্দার (অপসো স্যালাইন), সহ প্রচার সম্পাদক তুহিন রাজ (গ্যাডিয়ান ফার্মা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশিকুজ্জামান আশিক (লিয়ন ফার্মা), সহ সাস্কৃতিক সম্পাদক সাইদুুর রহমান (গ্লোব ফার্মা), ধর্র্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন (ওরিয়ান ফার্মা), সহ ধর্র্ম বিষয়ক সম্পাদক বিভুতি ভূষন (বিকন ফার্র্মা), তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হান্নান (রেনেটা ফার্র্মা লিমিটেড),ও সহ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান (র‌্যাংস ফার্মা), কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি সেলিম নূরানী (গাডিয়ান ফার্মা),ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য শহিদুল ইসলাম (ড্রাগ ইন্টাঃ), জাহাঙ্গীর হোসেন (কসমিক ফার্র্মা) এবং সজীব হোসেন (হেল্থ কেয়ার লিমিটেড), মহাসিন হোসেন (কেমিকো ফার্র্মা), মনিরুল ইসলাম (পেট্রন ফার্র্মা লিমিটেড), আনোয়ার  হোসেন (গ্রাকো), আব্দুল জলিল (স্কায়ার), মাসুুম বিল্লাহ (ফার্মাসিয়া) ও আলমাছ হোসেন  (বেক্রিমকো) প্রমুখ। এছাড়া আগামী ১২ই জুন ১৬ই রমজান কলারোয়া ফারিয়ারের নিজস্ব কার্যালয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest