
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নে সাঁকো পারাপারের নামে চাঁদাবাজি চলছে। কোন প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই জনসাধারণের কাছ থেকে প্রতিদিন ইচ্ছা মাফিক টাকা আদায় করছে তথাকথিত ঘাট কমিটি। চাঁদা আদায় নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে আদায়কারীদের দাবি, মসজিদের জন্য তারা এই চাঁদা তুলছেন। তালা-কাটিপাড়া সড়কে শালিখা নদের উপর বাঁশ-কাঠের এই সাঁকোটি নির্মিত। জোড়াতালি দিয়ে তৈরি এই সাঁকোটিতে এমনিতেই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়, এরপর অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কারণে এই এলাকার মানুষ চরম ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, মটরসাইকেল ও ভ্যান প্রতি ১০ টাকা, বাইসাইকেল ৫ টাকা ও জন প্রতি ২ টাকা হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে ঘাট কমিটির লোকজন বলে,এই টাকা শালিখা মোড়ের মসজিদের জন্য তোলা হচ্ছে। অভিযোগ, প্রতিদিন ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হলেও মসজিদে দেওয়া হয় নামমাত্র টাকা। শুধুমাত্র মসজিদের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি করছে ঘাট কমিটির সদস্যরা। জানা গেছে,স্থানীয় খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন রাজুকে সভাপতি করে প্রায় ৩০ সদস্য বিশিষ্ট ঘাট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির মধ্যে থেকে প্রতিদিন অন্তত ২জন করে ঘাটে টাকা আদায় করে এবং আদায়কৃত টাকা কমিটির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। এদের ভয়ে অনেকে শুকনো মৌসুমে বিকল্প রাস্তায় অনেক পথ ঘুরে চলাচল করে। কিন্ত বর্ষা মৌসুমে বিকল্প রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় জনগণকে বাধ্য হয়ে এই সাঁকোটি পার হতে হয়। জনপ্রতি এত টাকা আদায় ও সরকারি কোন অনুমোদন আছে জানতে চাইলে ওই ঘাট কমিটির সদস্য এবং টাকা আদায়কারি স্থানীয় গুচ্ছ গ্রামের আহম্মদ আলী সরদার বলেন, ‘বেশি না মটরসাইকেল ও ভ্যান প্রতি ১০ টাকা, সাইকেল ৫ টাকা ও জন প্রতি ২ টাকা হারে টোল আদায় করা হয়। ঘাট কামিটির সভাপতি যেভাবে নির্দেশ দেয় সেই ভাবেই আদায় করি এবং ঘাট চালাই। ঘাট কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন রাজু ঘাটে টাকা আদায়কারীরা জনসাধারণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে স্বীকার করে বলেন,‘জনসাধারনের সুবিধার্থে বাঁশ ও কাট দিয়ে সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন যে টাকা আদায় হয় তার থেকে মসজিদে একটি অংশ দেওয়া হয়। বাকি টাকা আদায়কারীরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেই।’ স্থানীয় ওই মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও খেশরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো.গোলাম কুদ্দুস বলেন,শালিখা নদীর ঘাট থেকে সাবেক চেয়ারম্যানের দায়িত্বের সময় দৈনিক ১২ শত টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আর বর্তমান চেয়ারম্যানের সময় দেওয়া হচ্ছে মাত্র ২ শত টাকা। সে কারণে মসজিদের বাকি কাজ শেষ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.ফরিদ হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা জেনেছি। খেয়াঘাটের বিষয়টি আমার না জেলা পরিষদের। তাই জেলা পরিষদের সচিবকে জানানো হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নিবেন।’ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মসজিদের নামে ঘাটের টাকা উঠিয়ে ভাগ বাটোয়ারা, এটা একদম ঠিক না। তবে তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউপির চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট-২০০৯) ১১টি ধারা ও উপধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
কেএম রেজাউল করিম
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছে সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকালে নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সাংসদের মুনজিদপুরস্থ বাসভবনে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির সভাপতি বাবুরাম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুবোল বিশ্বাস, সহ-সভাপতি ভৈরব দাস, সদস্য যাদব বিশ্বাস, সনজিত কুমার, সুভাষ চন্দ্র রায়, পরিমল কান্তি বিশ্বাস, রাজকুমার, সুকুমার বিশ্বাস, স্বপন কুমার ও বাপ্পি বিশ্বাসসহ সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
তরিকুল ইসলাম লাভলু : বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কালিগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমাণ্ড কালীগঞ্জ উপজেলা ইউনিট আয়োজিত নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান – ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আমরা শুনে আসছি ফল খাওয়ার পর পানি খেতে নেই। এমন কথাটাই আমরা ছোটবেলা থেকে মায়েদের বড়দের মুখে এই কথাটা শুনে বড় হয়েছি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলে সব ফল নয় কিছু কিছু ফল খাওয়ার পর পানি খাওয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নিন এর পিছনের বৈজ্ঞানিক কারণ সমূহ।
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ভরতপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে প্রচণ্ড ঝড়ে দেয়াল ধসে পড়ে ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন।