642ad4347b016ff5d23980934886c244-5908d508d19f1করপোরেট সাংবাদিকতা, বিজ্ঞাপন, কর্তৃপক্ষের স্বার্থরক্ষার সাংবাদিকতার বাইরে মুক্ত সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ধরে রাখার প্রচেষ্টায় বুধবার (৩ মে) বিশ্বব্যাপী পালন করা হবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ক্রান্তিকালে সমালোচকের দৃষ্টি: শান্তিপূর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশে জাতিসংঘ ১৯৯৩ সাল থেকে এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করলেও গণমাধ্যম কতটা মুক্ত তা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের সমাধান হয়নি আজও। গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা বলছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাস্তবায়ন এখনকার সময়ে আর পুরোটা সম্ভব নয়।’

প্রসঙ্গত, রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবিতে গত ২৬ জানুয়ারি হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পিকেটারদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে থাকা এটিএন নিউজের প্রতিবেদক এহসান বিন দিদার ও ক্যামেরা পারসন আব্দুল আলীমকে দুপুরের দিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে মারধর করে পুলিশ। কেবল এ ঘটনাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক নাজমুলকে আটক করে একের পর এক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান আর্টিকেল-১৯-এর ‘ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ইন বাংলাদেশ-২০১৪’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও আক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে সাংবাদিক নির্যাতনের হার ছিল ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে ২০১৪ সালে এই হার হয়েছে ৩৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর প্রায় ২৩ শতাংশ নির্যাতনই হয়েছে পুলিশ, র্যা ব ও গোয়েন্দাদের হাতে।

এদিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশেও বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশে এমন এক সময়ে এবার মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হচ্ছে যখন তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার শঙ্কায় কী লেখা যাবে আর কী লেখা যাবে না তা সমাধান হয়নি। নতুন এই আইনটি অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য কতটা হুমকি বা কতটা নিরাপদ সেই আলাপের মধ্যে সময় কাটছে। অভিযোগ আছে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিও।

যদিও তথ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, সার্বিকভাবে গত আট বছরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সুবিশাল কর্মযজ্ঞে দেশে গণমাধ্যমের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। পিআইডি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গণমাধ্যমের উন্নয়নে এ সময়ে নতুন ১৬৪৭টি পত্রিকা নিবন্ধিত হয়েছে; বেসরকারি খাতে নতুন ৩৬টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদনসহ ২৪টি এফএম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিওকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষান্মাষিক মিলে মোট পত্রিকার সংখ্যা ২৮৫৫টি। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে সরকারি ৪টি ও অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৪টি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের মধ্যে ২৬টি সম্প্রচাররত; পাশাপাশি সম্প্রচারিত হচ্ছে ২১টি এফএম রেডিও ও ১৭টি কমিউনিটি রেডিও। এছাড়া সংবাদপত্রকে ঘোষণা করা হয়েছে শিল্প হিসেবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ পিআইডি প্রতিবেদনের মাধ্যমে বলেন, ‘দেশের উন্নয়নকে টেকসই, গতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক করতে অবাধ তথ্যপ্রবাহের কোনও বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের এই অন্যতম মূলমন্ত্র বাস্তবায়নে কাজ করছে তথ্য মন্ত্রণালয়। উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় সেই কাজেরই অংশ।’

সরকারকেই স্বাধীন গণমাধ্যম তৈরির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তার মতে, এটা সরকারের দায়িত্ব। কারণ এর কাঠামোগত ক্ষমতা সরকারের কাছেই আছে। মঙ্গলবার (২ মে) টিআইবি’র মেঘমালা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘এসডিজি-১৬ ও সুশাসন: সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণ’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘গণমাধ্যম আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক, দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান কাঠামো তৈরি করা আছে যেখানে গণমাধ্যমের ওপর ক্রমাগতভাবে চাপ বাড়ছে। এটা নিঃসন্দেহে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা বিকাশের অন্তরায়। এই চাপের কারণে অনেকের মাঝে স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ বিরাজ করছে। সুষ্ঠু সাংবাদিকতা করার চেষ্টা রয়েছে এমন অনেকের মধ্যেও এর প্রভাব দেখা যায়।’

এদিকে করপোরেট যুগে সাংবাদিকতা কতটা মুক্ত, এমন প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন তুলনামুলক মুক্ত। তবে পরিপূর্ণ মুক্ত হতে পারেনি। সংকটের জায়গা হলো, গণমাধ্যম মুক্ত নয়। এর কারণ বিভিন্ন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির হাতে গণমাধ্যমের চলে যাওয়া। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড স্বাধীন হতে হবে যেমন, তেমনই যারা গণমাধ্যমের সঙ্গে আছে তাদের পেশা ও জীবনের নিরাপত্তা থাকতে হবে যা এখনও অর্জিত হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4f9f674ca1eedd70eac91f6cf490fd45-59089ba63020bবলিউড-হলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ও পিয়াঙ্কা চোপড়া প্রথমবারের মতো মেট গালার লাল গালিচায় উপস্থিত হয়েছেন। লাল গালিচায় যে পোশাক পরে এই দুই তারকা উপস্থিত হয়েছেন তাতে মুগ্ধ দর্শকরা।

মঙ্গলবার (২ মে) দিনের শুরুতেই লাল গালিচায় দর্শকদের মন জয় করেন প্রিয়াঙ্কা। আর তার সঙ্গে ছিলেন ট্রিপল এক্স তারকা দীপিকা পাড়ুকোনও। ফলে দর্শক ও তাদের ভক্ত-সমর্থকদের আগ্রহের কমতি ছিল না।

প্রিয়াঙ্কা রাল্ফ লরেন ট্রেঞ্চ কোট পরেছিলেন আর দীপিকা পরেছিলেন সাদা টমি হিলফিগার পোশাক। ফ্যাশনের বিচারে তাদের পোশাক কেমন ছিল তা হয়তো ডিজাইনাররাই বিবেচনা করবেন। কিন্তু তাদের পোশাক ও উপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই ভক্ত-সমর্থকদের মন জয় করে নিয়েছে।

টিভি সিরিজে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রিয়াঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন। আর দীপিকা অপেক্ষায় আছেন হলিউড তারকা ভিন ডিজেলের পরের ছবিতে অভিনয়ের। মে মাসে ‘বেওয়াচ’র মধ্য দিয়ে প্রিয়াঙ্কারও হলিউড অভিষেক হয়ে যাবে। এতে প্রিয়াঙ্কা অভিনয় করছেন ডোয়াইন জনসন ও জ্যাক এফ্রনের বিপরীতে। এছাড়া সম্প্রতি এই তারকা ‘কোয়ানটিকো’ টিভি সিরিজের শুটিং শেষ করে ভারতে ফিরেছেন।

এর আগে এই দুই তারকা অভিনেত্রীকে অস্কার পরবর্তী পার্টিতে এক সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। প্রিয়াঙ্কা ছিল অস্কারের লাল গালিচায় কিন্তু দীপিকা শুধু পার্টিতেই হাজির হয়েছিলেন।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0d711fa084d73578f5f6bc2823f54978-5908f95e791f2তিনি থামছেন না। তাকে থামানো যাচ্ছে না। বায়ার্ন মিউনিখকে একাই তছনছ করে দিয়ে এবার আঘাত হানলেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের ওপর। বলা চলে চ্যাম্পিয়নস লিগে চলছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ‘শো’। তার দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে সেমিফাইনালের প্রথম লেগেই একরকম ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে রিয়াল। উত্তেজনাকর মাদ্রিদ ডার্বির সব আলো নিজের ওপর নিয়ে পর্তুগিজ যুবরাজ আবার প্রমাণ করলেন, কেন তিনি বিশ্বসেরা। আর তার আগুনে পুড়ে ছারখার অ্যাতলেতিকো আরও একবার ধাক্কা খেল ৩-০ গোলের হারের।

এই তো দিন কয়েক আগের কথা, কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল হারিয়ে দিল বায়ার্ন মিউনিখকে। দুই লেগের ওই লড়াইয়ে রোনালদো লক্ষ্যভেদ করেছিলেন পাঁচবার। প্রথম লেগে জোড়া লক্ষ্যভেদের পর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরতি লেগে করেন হ্যাটট্রিক। চ্যাম্পিয়নস লিগের আগের ম্যাচ যেখানে শেষ করেছিলেন পর্তুগিজ যুবরাজ, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যেন শুরু করলেন সেখান থেকেই। মঞ্চ ও প্রতিপক্ষ আলাদা হলেও রোনালদো ঝরালেন তার গোলের বৃষ্টি। আরও একটি হ্যাটট্রিক পূরণ করে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার সবশেষ তিন ম্যাচে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন ৮-এ। একই সঙ্গে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে করলেন গোলের ‘হাফসেঞ্চুরি’!

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই রিয়াল ছিল আক্রমণাত্মক। নগরপ্রতিপক্ষ অ্যাতলেতিকোর বিপক্ষে শুরুর বাঁশি বাজার পর বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হলেও প্রথম গোলের অপেক্ষায় বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি রিয়ালকে। দশম মিনিটেই স্বাগতিকরা এগিয়ে যায় রোনালদোর লক্ষ্যভেদে। সের্হিয়ো রামোসের ক্রস হেড করে প্রতিহত করেছিলেন অ্যাতলেতিকো ডিফেন্ডার সাভিচ, যদিও বল চলে আসে কাসিমিরোর কাছে। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার ফিরতি বলে আবার ক্রস করলে লাফিয়ে উঠে হেডে জালে জড়ান রোনালদো।

১৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো রিয়ালের, হয়নি অ্যাতলেতিকো গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাকের দুর্দান্ত সেভে। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড করেছিলেন রাফায়েল ভারান, বল গোলপোস্টের ভেতর থাকলেও ঝাপিয়ে তা প্রতিহত করেন ওবলাক। তবে মিনিট খানেক পর অ্যাতলেতিকো গোলরক্ষকের কৃতিত্বকে ছাড়িয়ে যান রিয়াল গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। সফরকারীদের সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ ভেস্তে দেন অসাধারণ সেভে। কোকের ডিফেন্সচিড়া পাস বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন কেভিন গামেইরো, সামনে ছিলেন কেবল নাভাস। কিন্তু ওয়ান টু ওয়ানেও এই ফরাসি স্ট্রাইকার পেরে উঠেননি নাভাসের সঙ্গে। গোটা ম্যাচে ওটাই ছিল অ্যাতলেতিকোর সবচেয়ে সুন্দর সুযোগ।

সুযোগ নষ্টের খেসারত অ্যাতলেতিকোকে বেশি দিতে হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। প্রথম ৪৫ মিনিট ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় লেগের সুবিধার কথাই হয়তো ভেবেছিল তারা। রিয়াল এক গোলে এগিয়ে থাকলেও ফিরতি লেগটা যে তাদের ঘরের মাঠে। কিন্তু যে দলে রোনালদোর মতো বিশ্বসেরা খেলোয়াড় আছে, সেই দলের বিপক্ষে খুব বেশি নির্ভার থাকার সুযোগও থাকে না প্রতিপক্ষের। থাকতে পারেনি অ্যাতলেতিকোও। মাদ্রিদের রাতের আকাশ আলোকিত করে রোনালদো উড়ালেন শ্রেষ্ঠত্বের পতাকা। বড় মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরে ৭৩ ও ৮৬ মিনিটে আরও দুই গোল করে তৈরি করে দিলেন রিয়ালের ফাইনাল মঞ্চ। ৩-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অ্যাতলেতিকো খেলায় ফিরবে, এমন বাজি ধরার লোকের সংখ্যা খুব বেশি হওয়ার কথা নয়!

৭৩ মিনিটে রোনালদোর দ্বিতীয় গোলটা ছিল দেখার মতো। বক্সের ঠিক বাইরে করিম বেনজিমার কাছ থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডার সাভিচকে ফাঁকি দিয়ে ভলিতে পর্তুগিজ অধিনায়ক যে শটটা নিলেন, সেটা ঠেকানোর কোনও সুযোগ ছিল না ওবলাকের। আর খেলা শেষ হওয়ার মিনিট চারেক আগে অ্যাতলেতিকোর কফিনে শেষ পেরেকটি মেরে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। যাতে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকের মালিক লিওনেল মেসিকে ধরে ফেলেন রোনালদো সপ্তম হ্যাটট্রিক করে।

রোনালদোময় রাতটা শুধুই রিয়ালের। মাদ্রিদের এক অংশ যখন উল্লাসে মেতে, অন্য অংশে তখন শোকের স্তব্ধতা। চ্যাম্পিয়নস লিগটা অ্যাতলেতিকোর কাছে যে হাহাকারই হয়ে রইল। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের ফাইনাল হারের পর ওই রিয়ালের বিপক্ষেই আরও একটি হার। যে হারে এবার ফাইনাল স্বপ্নটাও হয়ে গেল ফ্যাকাশে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

298dea4e4313a4d0ae6aa7b1b115e94d-575cebb21f58eন্যাশনাল ডেস্ক : টেন্ডার-চাঁদাবাজিসহ দখল দারিত্বের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠা ‘গডফাদার’ ও ‘জনবিচ্ছিন্ন’ সংসদ সদস্যদের আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ধরনের অভিযোগে অভিযুক্তদের ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের তালিকা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর এই তালিকা তৈরির কাজ তদারকি করছেন স্ব-স্ব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা। এসব তথ্য সরাসরি দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার হাতেই যাবে। তবে সাংগঠনিক সম্পাদকরা তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি অস্বীকার করলেও আওয়ামী লীগ সভাপতির ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ক্ষমতাসীন দলটির  নীতি-নির্ধারণী সূত্রগুলো জানায়, দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় সংসদ সদস্যদের কারা মনোনয়ন পাবেন, কারা পাবেন না, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। জানিয়ে দিয়েছেন, নেতাদের কোনোভাবেই জনবিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। জনবিচ্ছিন্ন কোনও সংসদ সদস্যকে তিনি মনোনয়ন দিতে পারবেন না। তিনি এও জানিয়েছেন, প্রত্যেকের নির্বাচনী এলাকার ওয়ার্ড পর্যায় থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রাপ্ততথ্যের ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। ওই সভায় সবাইকে স্ব-স্ব এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কাজ করারও নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, কমপক্ষে একশ’ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে টেন্ডার-চাঁদাবাজি, দখল দারিত্ব, ‘গডফাদার’ ও ‘জনবিচ্ছিন্ন’ হয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। দলীয় কাঠামোর মধ্য দিয়ে তাদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চলতি মাসের ২০ তারিখ জেলার নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে সংসদ সদস্যদের ব্যাপারে তথ্য জানার চেষ্টা করবেন দলীয় সভাপতি।
কেন্দ্রীয় নীতি-নির্ধারকরা আরও জানান, এবার শতাধিক নতুন নেতা মনোনয়ন পাবেন। কারণ  যারা সংসদ সদস্য রয়েছেন, তাদের প্রতি এলাকার মানুষের বিভিন্ন কারণে ক্ষোভ জন্ম নিয়েছে। এই ক্ষোভ যাদের বিরুদ্ধে বেশি, তাদের বাদ দিয়ে সেখানে নতুন মুখ মনোনয়ন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে লাভবান হবে দল। কারণ নতুনের প্রতি আকর্ষণ থাকে সবার। এই আকর্ষণকে পুঁজি করে সুফল ঘরে তোলা যাবে। পাশাপাশি বিতর্কিতদের শাস্তিও দেওয়া হবে, নতুন মুখ দিয়ে সুফলও পাওয়া যাবে। এই হিসাব-নিকাশও রয়েছে সংসদ সদস্য বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে।
সম্প্রতি সংসদ সদস্যদের বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুই জন মন্ত্রীও। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, এবার বিতর্কিত সংসদ সদস্যদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না। দলের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলেছেন, যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ইতোমধ্যে গডফাদারে পরিণত হয়েছেন, তাদের আগামীতে মনোনয়ন দেবে না আওয়ামী লীগ। এরমধ্য দিয়ে দলের অভিযুক্ত সংসদ সদস্যদের মনোনয়ন না পাওয়ারও বিষয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের জন্য এখন অনুতপ্ত হয়ে উঠেছেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আগামীতে যাছাই-বাছাই করে মনোনয়ন দেওয়া হবে, এটি সত্য। এক্ষেত্রে নতুন মুখও আসবে। যেসব সংসদ সদস্য জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন, তাদের ব্যাপারে দলের শীর্ষ পর্যায় একেবারেই কঠোর।’ তিনি বলেন, ‘দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। কোনোভাবেই জনবিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। জনবিচ্ছিন্ন হলে আমিও আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে পারব না।’
জানতে চাইলে অন্য সভাপতিম-লীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করা হবে। বিতর্কিতরা মনোনয়ন পাবেন না। এটি দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত।’
সভাপতিম-লীর আরেক সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গডফাদার বনে যাওয়া, জনবিচ্ছিন্ন হওয়া, টেন্ডার-চাঁদাবাজিসহ দখল দারিত্বের গুরুতর অভিযোগ ওঠা সংসদ সদস্যদের আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দেবে না আওয়ামী লীগ। এ ব্যাপারে সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের জানিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য নতুন মুখ আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন। এলাকায় যাদের ইমেজ ভালো, পরিচিতি রয়েছে, শিক্ষিত, মার্জিত ও মানুষের আপদ-বিপদে এগিয়ে আসেন, তাদের ভেতর থেকেই এবার বেশি মনোনয়ন দেওয়া হবে।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘জনবিচ্ছিন্ন সংসদ সদস্যরা আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন না।’ মনোনয়ন পাওয়ার পর যারা দলের মর্যাদা ক্ষুণœ করেছেন, তাদের ব্যাপারে দলকে ভাবতে হবে, এটাই স্বাভাবিক বলেও মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি ; অবশেষে মামলা নিল পুলিশ

002আসাদুজ্জামান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার অভিযোগে আশাশুনি থানায় দায়ের করা অভিযোগ পত্রটি অবশেষে তদন্ত সম্পন্ন করে পুলিশ এজাহার হিসেবে গণ্য করেছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় উক্ত অভিযোগ পত্রটি এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়।
এর আগে, গত শুক্রবার দুপুরে বড়দল গ্রামের মৃত দাউদ আলী মালীর ছেলে ও স্থানীয় ইউনিয়ন স্বোচ্ছসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মালী বাদি হয়ে আশাশুনি থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারকৃত মামলায় যাদের নামসহ আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, বড়দল গ্রামের রফিকুল সানার ছেলে সুমন সানা (৩০), একই গ্রামের আফসার সরদারের ছেলে আয়ুব সরদার ও মৃত এজাহার গাজীর ছেলে শামছুদ্দীন গাজী (৫০)।
উক্ত মামলায় নুরুজ্জামান মালী উল্লেখ করেছেন, গত ২৬ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে বড়দল খেয়াঘাটস্থ বাজারের পাশে বসে উল্লেখিত সুমন সানা, আয়ুব সরদার ও শামছুদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন এলাকায় নাশকতা ও সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করার জন্য গোপন বৈঠক করতে থাকেন। এ খবর শুনে আমি সেখানে গেলে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান হানি করার উদ্দেশ্যে কটুক্তি করতে থাকেন। আমি এর  প্রতিবাদ করলে তারা আমাকেসহ এই অভিযোগ পত্রের এক নম্বর স্বাক্ষী আব্দুল আজিজকে সময় সুযোগ পেলে দেখে নেওয়ার হুমকী প্রদান করেন। এই অভিযোগ পত্রের ১০ জন স্বাক্ষীসহ আরো অনেকে সেখানে উপস্থিত  হলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তি বর্গ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করি। উক্ত মামলায় তিনজন মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ১০ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার সেকেন্ড অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) সুধাংশ শেখর হালদার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে নুরুজ্জামান মালীর দেয়া অভিযোগপত্রটি তদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে এজাহার হিসেবে গন্য করা হয়। তিনি আরো জানান, এ মামলার আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য ঃ এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে বড়দল বাজারে একটি মানবন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বোচ্ছাসেবকলীগ ও মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আকের আলী গাজীর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এস এম সাহেব আলী, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, যুবলীগ নেতা আব্দুল হান্নান মন্টু সরদার, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান মালী প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে মামলা রেকর্ডসহ আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনের এক দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

18301414_10210360792829138_5278171175388420843_nকপিরাইট অধিকার ভঙ্গ ও চুক্তিনামা জাল করে অবৈধভাবে তার গান বিক্রয়ের অভিযোগে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা করেছেন সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার প্রীতম আহমেদ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এই মামলা করেছেন।

প্রীতম আহমেদ অভিযোগ করেন, তার অনুমতি ও স্বাক্ষর ছাড়াই প্রায় এক দশক ধরে অভিযুক্ত মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানগুলো তার কথা ও সুর করা ন্যুনতম ২০টি গান বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে আসছে। এ ব্যাপারে গত দুই বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অসংখ্যবার যোগাযোগ ও আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তিনি কোনো সদুত্তর পাননি। তখন তিনি জানতে পারেন, গানগুলো বাণিজ্যিক বিপণনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রীতম আহমেদের স্বাক্ষর করা কাগজ রয়েছে!

প্রীতম বলেন, ‘দুই বছর ধরে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমি লড়াই করছি। এবার গীতিকার, সুরকার ও গায়ক হিসেবে চুক্তিনামা জালিয়াতি, কপিরাইট অধিকার ভঙ্গ ও অবৈধ ভাবে আমার গান বিক্রয়ের অভিযোগে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা করেছি। আশা করছি এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সব গীতিকার ও সুরকারদের অধিকার নিশ্চিত হবে। আমি চাই, আমার এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শিল্পীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হউক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04004 copy (Large)
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকায় পৌরসভার সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার দক্ষিণ পলাশপোল ৮নং ওয়ার্ডে ইমান আলী হাজীর বাড়ি হইতে আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুলের বাড়ি পর্যন্ত সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজ প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। সাতক্ষীরা পৌরসভার অর্থায়নে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭২ মিটার সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল আলম বাবু, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী সুজন, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথি, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আখতার, এসও সাগর দেবনাথ, আলতাপ হোসেন, শাহাজান হোসেন, ফারুক আহম্মেদ খান টগর, ঠিকাদার শেখ হাবিবুর রহিম রিন্টুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

college
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের নব নিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমারকে শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের রুমে উপস্থিত এ শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত সংগঠনের সভাপতি প্রভাষক তপন কুমার শীল, সাধারণ সম্পাদক রায় দুলাল চন্দ্র, কোষাধ্যক্ষ সিন্ধা নাথ, বিশ্বরুপ ঘোষ, মনোরঞ্জন মন্ডল, ভরত সরদার, অসীম সাধু, বলাইদে প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest