সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

যে কারণে ইফতারে নাশপাতি খাবেন

ইফতারে ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারের থেকে তাজা আর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উত্তম। আর সে হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল রাখা যেতে পারে ইফতারের তালিকায়। খেজুর, শসা, কমলা, মাল্টার পাশাপাশি যে ফলটি বেশি থাকে আমাদের ইফতারের থালায় সেটি হচ্ছে নাশপাতি। টক-মিষ্টি স্বাদের এই রসালো ফলটি অনেকেরই প্রিয়। চলুন জেনে নেই ইফতারে নাশপাতি কেন রাখবেন।
চীনে ফুসফুসের চিকিৎসায় নাশপাতি ব্যবহার করা হয়। নাশপাতির জুস গলা পিচ্ছিল করে, কফ এবং ভাইরাল সংক্রমণ কমায়। অনেকেই মনে করেন, গ্রীষ্মে প্রচন্ড গরমে ফুসফুসে কফ জমে। ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। নাশপাতিতে এ্যান্টিঅক্সিজেন গ্লোটাথায়ন থাকার কারণে এটি গলাকে পিচ্ছিল করে এ ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
ফলের ক্যালোরি প্রাকৃতিক চিনি থেকে আসে। এদিক থেকে পুরোপুরি নিরাপদ নাশপাতি। এটা সর্বনিম্ন ক্যালোরির ফল। রসাল একটি নাশপাতি থেকে গড়ে ১০০ ক্যালোরি মিলতে পারে, এর বেশি নয়।

অন্যান্য ফলের মতো নাশপাতিও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এই উপাদানের উপকারিতার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। বিভিন্ন রোগের আক্রমণ ঠেকাতে দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ভিটামিন ‘সি’-এর কারসাজিতে কিন্তু দেহের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায়। এরা রক্তের শ্বেতকণিকার সংখ্যা ও কার্যক্রম বাড়ায়। এমনিতেই ঠাণ্ডা-সর্দি, ফ্লু ছাড়াও সাধারণ কিছু রোগ নাশপাতিই সামলে নিতে পারে।
উচ্চমাত্রার খনিজের তালিকায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম আর কপার। এসব উপাদান হাড়ের খনিজ হারানো রোধ করে। হাড়ের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়।
যাদের দেহে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি রয়েছে তারা নাশপাতির শরণাপন্ন হতে পারেন। কপার ও আয়রনের জন্য এই ফল আপনার দেহের জন্য দারুণ উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধোনির বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হারের পর কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাদের বাড়িতে হামলা করে বসেছিলেন সমর্থকরা। তাই ক্রিকেটারদের বাড়িতে জোরদার করা হয়েছিল নিরাপত্তা। সেই দুঃস্মৃতি এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় মহেন্দ্র সিং ধোনি, শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ, রাহুল দ্রাবিড়দের।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হার কি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেন ভারতীয় সমর্থকরা? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে সরফরাজ আহমেদের দলের কাছে ১৮০ রানে পরাজিত হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ধোনি। মাত্র ৪ রান করতেই হাসান আলির কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন তিনি।

ধোনির বাড়িতে তাই এবারও হামলা হতে পারে। এই আশঙ্কা ভারতীয় পুলিশের। তাই রাঁচিতে অবস্থিত তার বাড়িতে জোরদার করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরে গেলে ধোনির বাড়িতে হামলা করে বসেছিলেন ক্ষৃব্ধ সমর্থকরা।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। আর প্রথম চেষ্টায়ই সফল সরফরাজের দল। অচেনা ফাখর জামানের সেঞ্চুরিতে ভর করে চার উইকেটে ৩৩৮ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ আমিরের তোপে পড়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাবানা ও মৌসুমীকে দেখেই বুকে টেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করলেন কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শাবানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজারসহ আরও অনেকে।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার জানান, ১৯ জুন দুপুর সাড়ে ১২টায় চলচ্চিত্রের কয়েকজন শিল্পী গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে। তাদের মধ্যে ছিলেন শাবানা, আলমগীর, মৌসুমী, ওয়াহিদ সাদিক ও গুলজার। তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন।
গুলজার জানান, সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আধা ঘণ্টার মতো সময় কাটিয়েছেন তারা। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই অভিনেত্রী শাবানা ও মৌসুমীর ছবি তুলে দেন।
এই ছবিটি গুলজার তার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সোমবার দুপুরে। লিখেছেন, ‌‘আজ আমার জীবনের একটি স্মরণীয় দিন। আমার পরম শ্রদ্ধেয় আপা জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করার মুহূর্তটির কথা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। শাবানা আপাকে দেখার সাথে সাথেই তিনি (শেখ হাসিনা) দু’হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাকে বুকে টেনে নেন। শাবানা আপাও আবেগাপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরলেন।
এ সময় মৌসুমী কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকেও ডেকে বললেন, তুমিও আসো। মৌসুমী কাছে গেলে তাকেও বুকে জড়িয়ে ধরলেন জনদরদী এই নেত্রী। তারপর আমি ধারণ করলাম তাদের বিরল মুহূর্তের এই ছবিটি।’

মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘বরেণ্য চিত্র নির্মাতা আজিজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ। তার সুস্থতার জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন। তার জন্য চাই অনেক অর্থও। এ বিষয়ে সহায়তা চাইতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম আমরা। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন আজিজুর রহমানের পাশে দাঁড়ানোর। তার আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের ছুটি ৩ দিনই থাকছে

ঈদুল ফিতরের ছুটি তিনদিনই বহাল থাকছে। এবারের ঈদে আশা করা হয়েছিল সরকারি ছুটি তিনদিন থেকে বাড়িয়ে ছয়দিন করা হবে। কিন্তু সেই সুখবর আর পেলেন না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। ফলে আপাতত ঈদের সরকারি ছুটি তিনদিনই থাকছে।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছয়দিনের ছুটির প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে আগামী ২৮ ও ২৯ জুন সরকারি ছুটি হতো। কিন্তু ২৮ জুন সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।

ঈদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি তিনদিন থেকে দ্বিগুণ করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রলালয় থেকে মন্ত্রিসভায় পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়, ঈদের ছুটির সময় যানবাহনের ওপর মাত্রাতিরিক্ত চাপ, দুর্ঘটনা বৃদ্ধিসহ দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়। ঈদের ছুটি শেষে অফিস খোলার পরবর্তী দু-একদিন কর্মচারীদের উপস্থিতি কম থাকে। তা সত্ত্বেও অফিসের ইউটিলিটি সার্ভিস, লিফট, গাড়ি চালু রাখতে হয়। ফলে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও প্রয়োজনীয় জিনিসের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়।

এজন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর ও আজহার তিনদিনের ছুটির সঙ্গে নৈমিত্তিক ছুটি ২০ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন রেখে বাকি ছয়দিন দুই ঈদের সঙ্গে তিনদিন করে সমন্বয় করা যায়। অন্য ধর্মাবলম্বীরা ঈদের ছুটি ভোগ করেন বিধায় তাদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের সরকারি ছুটির সঙ্গে দু’দিন করে চারদিন ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে। ফলে বিভিন্ন পর্বের জন্য বিদ্যমান ছুটির ভারসাম্য বজায় থাকবে। এতে যানবাহনের ওপর চাপ, যানজট ও দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।

প্রস্তাব অনুসারে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাৎসরিক ২০ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি থেকে ছয়দিন কেটে নিয়ে দুই ঈদের ছুটির সঙ্গে তিনদিন করে যুক্ত করে ঈদের ছুটি বৃদ্ধি করা হবে। এ ছুটির সঙ্গে কাউকে ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে না। এছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীরা ঈদের ছুটি ভোগ করে বিধায় তাদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবে সরকারি ছুটির সঙ্গে দুদিন করে চারদিন ঐচ্ছিক ছুটি দেয়া হবে।

গত কয়েক বছর ধরে ঈদের ছুটি বাড়ানো নিয়ে বিতর্ক চলছে। গত বছর ঈদের ছুটি বাড়িয়ে তা আবার সাপ্তাহিক ছুটি শনিবারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। তখন অনেকেই বদলি ছুটির পরিবর্তে নৈমিত্তিক ছুটির সঙ্গে সরকারি ছুটি সমন্বয়ের তাগিদ দেন।

বিশ্বের অনেক দেশেই ধর্মীয় বা জাতীয় উৎসবে দীর্ঘ ছুটি দেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ঈদে ছুটি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সময় পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, মাত্র তিনদিন ছুটি থাকায় একসঙ্গে প্রচুর লোক ঢাকা ও বিভিন্ন শহর থেকে গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘরমুখো মানুষ নানা হয়রানির মুখে পড়েন। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইনোভেশন টিম থেকে ঈদের ছুটি দ্বিগুণের প্রস্তাব করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

দুই দলের প্রথম দেখায় ব্যাটে-বলে সুবিধা করতে না পারা পাকিস্তান হেরেছিল বড় ব্যবধানে। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে নিয়েছে মধুর প্রতিশোধ। শিরোপাধারীদের বিধ্বস্ত করে প্রথমবারের মতো জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা।

ফাইনালে ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ে ফখর জামান আর শেষের ঝড়ে মোহাম্মদ হাফিজ দলকে এনে দিয়েছিলেন বিশাল সংগ্রহ। জিততে রেকর্ড গড়তে হতো ভারতকে, অসাধারণ বোলিং করা মোহাম্মদ আমির, জুনায়েদ খান, হাসান আলিরা তার ধারে কাছে যেতে দেননি বিরাট কোহলির দলকে।

এক পেশে ফাইনালে উজ্জ্বীবিত পাকিস্তান জিতেছে ১৮০ রানে। ওয়ানডেতে রানের দিক থেকে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। আগের সেরা ছিল ২০০৫ সালে দিল্লিতে ১৫৯ রানের জয়।

লন্ডনের ওভালে রোববার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ৩৩৮ রান করে পাকিস্তান। কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে এটাই ভারতের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ রান। এর আগে দুইবার ৩২৯ রান করেছিল পাকিস্তান।

শিরোপা ধরে রাখতে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া আর ইংল্যান্ডের মাটিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়তে হতো ভারতকে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় লক্ষ্য ছোঁয়ার আশাও জাগাতে পারেনি। ৩০ ওভার ৩ বলে গুটিয়ে যায় ১৫৮ রানে।

চোট কাটিয়ে ফেরা বাঁহাতি পেসার আমির শুরুতেই কাঁপিয়ে দেন ভারতকে। লক্ষ্য তাড়ায় পথ দেখাতে দলটি তাকিয়ে ছিল ছন্দে থাকা টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানের দিকে। তাদের দ্রুত বিদায় করে কাজটা ভীষণ কঠিন করে তুলেন আমির।

তৃতীয় বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রোহিত শর্মাকে। পরের ওভারে আমির শিকার আরও বড়। লক্ষ্য তাড়ার মাস্টার ব্যাটসম্যান কোহলিকে ফেরান মাত্র ৫ রানে। আগের বলেই ফিরতে পারতেন ভারতের অধিনায়ক, স্লিপে তার ক্যাচ জমাতে পারেননি আজহার আলি। পরের বলে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় পয়েন্টে।

দুই সঙ্গী দ্রুত বিদায়ে সবে ডানা মেলতে শুরু করেছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শিখর ধাওয়ান। তাকে সরফরাজের গ্লাভসবন্দি করে ম্যাচ প্রায় মুঠোয় নিয়ে নেন আমির।

৩৩ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারানো ভারত তাকিয়ে ছিল দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান যুবরাজ সিং ও মহেন্দ্র সিং ধোনির দিকে। দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি তারা।

লেগ স্পিনার শাদাব খানের বলে রিভিউ নিয়ে যুবরাজকে বিদায় করে পাকিস্তান। হাসান আলিকে উড়ানোর চেষ্টায় সীমানার কাছে ধরা পড়েন ধোনি। ১৮ বছর বয়সী লেগ স্পিনার শাদাবের দ্বিতীয় শিকার কেদার যাদব।

হার্দিক পান্ডিয়ার ছক্কা বৃষ্টিতে সপ্তম উইকেটে ৯.৩ ওভারে রবীন্দ্র জাদেজা সঙ্গে গড়ে উঠে ৮০ রানের জুটি। পাকিস্তানের স্পিনারদের দিশেহারা করে দেওয়া পান্ডিয়া ফিরেন ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে। ক্ষোভ-হতাশা নিয়ে ফেরা অলরাউন্ডারের ৪৩ বলে খেলা ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটি গড়া ৬টি ছক্কা ও ৪টি চারে।

এরপর আর বেশিদূর এগোয়নি ভারতের সংগ্রহ। মাত্র ৬ রানে দলটি হারায় শেষ ৪ উইকেট।

দুই পেসার আমির ও হাসান নেন তিনটি করে উইকেট। দুটি উইকেট শাদাবের।

এর আগে বোলারদের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেওয়ার পথে পাকিস্তানের শুরুটা ছিল সতর্ক। দুই ব্যাটসম্যানকে বেধে রেখেছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। তার ৫ ওভারের প্রথম স্পেলে ডট ছিল ২৩টি। জাসপ্রিত বুমরাহর এলোমেলো বোলিংয়ের সঙ্গে ভাগ্যেরও খানিকটা সহায়তা পেয়েছিল পাকিস্তান।

৩ রানে ক্যাচ দিয়েও নো বুমরাহর ‘নো’ বলের কল্যাণে বেঁচে যান জামান। আজহার আলির সঙ্গে গড়েন ২৩ ওভারে ১২৮ রানের চমৎকার এক জুটি। দুই বিশেষজ্ঞ স্পিনার রবিন্দ্র জাদেজা ও রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে দুই জনে খেলেছেন খুব সহজে।

আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারতের বিপক্ষে এটাই পাকিস্তানের শতরানের প্রথম উদ্বোধনী জুটি। ১৯৯৬ সালে সাঈদ আনোয়ার, আমির সোহেলের ৮৪ ছিল আগের সেরা।

ভুল বোঝাবুঝিতে ভাঙে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। ৬টি চার আর একটি ছক্কায় ৫৯ রান করে ফিরেন আজহার। তার বিদায়ের পর রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেন জামান।

দ্বিতীয় উইকেটে বাবর আজমের সঙ্গে গড়েন ৭২ রানের দারুণ এক জুটি। ৬০ বলে অর্ধশতক স্পর্শ করা জামান তিন অঙ্কে যান ৯২ বলে। শেষ পর্যন্ত ১০৬ বলে ফিরেন ১২টি চার আর তিনটি ছক্কায় ১১৪ রান করে। ওয়ানডেতে বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের এটাই প্রথম শতক।

শুরুতে আঁটসাঁট বোলিং করা ভুবনেশ্বরকে উড়ানোর চেষ্টায় ফিরেন শোয়েব মালিক। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের দুই থিতু ব্যাটসম্যানকে বিদায় করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অনিয়মিত স্পিনার কেদার যাদবের এবার শিকার বাবর। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফিরেন চারটি চারে ৪৬ রান করে।

পাকিস্তান ইনিংসের তখনও ৭.৩ ওভার বাকি। অবাক করে দিয়ে অধিনায়ক সরফরাজের জায়গায় ব্যাটিংয়ে আসেন ইমাদ ওয়াসিম। প্রমোশন পাওয়া এই অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে গড়েন ৭১ রানের জুটি।

৩৪ বলে অর্ধশতক পাওয়া হাফিজ অপরাজিত ৫৭ থাকেন রানে। ৩৭ বলে খেলা তার ঝড়ো ইনিংসটি গড়া ৪টি চার আর তিনটি ছক্কায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ৩৩৮/৪ (আজহার ৫৯, জামান ১১৪, বাবর ৪৬, মালিক ১২, হাফিজ ৫৭*, ওয়াসিম ২৫*; ভুবনেশ্বর ১/৪৪, বুমরাহ ০/৬৮, অশ্বিন ০/৭০, পান্ডিয়া ১/৫৩, জাদেজা ০/৬৭, কেদার ১/২৭)

ভারত: ৩০.৩ ওভারে ১৫৮ (রোহিত ০, ধাওয়ান ২১, কোহলি ৫, যুবরাজ ২২, ধোনি ৪, কেদার ৯, পান্ডিয়া ৭৬, জাদেজা ১৫, অশ্বিন ১, ভুবনেশ্বর ১*, বুমরাহ ১; আমির ৩/১৬, জুনায়েদ ১/২০, হাফিজ ০/১৩, হাসান ৩/১৯, শাদাব ২/৬০, ওয়াসিম ০/৩, জামান ০/২৫)

ফল: পাকিস্তান ১৮০ রানে জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ফখর জামান

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: হাসান আলি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লন্ডনে মসজিদে গাড়ি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনে মসজিদের কাছে পথচারীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেয়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজনের ভাতিজা সুলতান আহমেদ জানান, নিহত ব্যক্তি ছিলেন একজন বয়স্ক বাংলাদেশি। তিনি সেভেন সিস্টার্স রোডে অবস্থিত মুসলিম ওয়েলফেয়ার মসজিদে রোববার সন্ধ্যায় ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।
সুলতান আহমেদ বলেন, ‘আমার চাচা মাত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে এগোচ্ছিলেন। এমন সময় তার সামনে থাকা একজন বয়স্ক লোক অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তখন সেখানে থাকা মুসল্লিদের অনেকেই ওই লোকের চারপাশে ভীড় করেন তাকে সাহায্য করার জন্য। ঠিক সেই সময়েই ওই ভীড়ের ওপর উঠে পড়ে গাড়িটি।’
কাভার্ড ভ্যানের ওই অতর্কিত হামলায় মাটিতে শুয়ে থাকা বৃদ্ধ সাথে সাথেই মারা যান বলে জানান সুলতান আহমেদ। চাচার বক্তব্যের বরাতে তিনি জানান, হামলাকারী গাড়িচালক ‘আমি সব মুসলিমকে হত্যা করতে চাই’ বলেও চিৎকার করছিল।
অন্য কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, হামলা চালানো ওই ভ্যানটি নামাজ শেষ করে লোকজন বের হওয়ার অপেক্ষায় বেশ কিছুক্ষণ ধরেই রাস্তার এক পাশে পার্ক করা ছিল।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে ১০ জন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে একে ‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে দেখে কাজ করতে লন্ডন পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

লন্ডন মেট্রোপলিটান পুলিশ জানায়, রোববার স্থানীয় সময় রাতে উত্তর লন্ডনে ফিন্সবারি পার্ক মসজিদের কাছে ১০-১৫ জন পথচারীর ওপর দ্রুত গতিতে একটি কাভার্ড ভ্যান গাড়ি উঠে যায়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। রোববার দিবাগত রাত ১২.২০-এ পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
তারপর থেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলার সময়টায় রাস্তায় বহু মানুষের ভীড় ছিল।মনে করা হচ্ছে, হামলার শিকার বেশিরভাগ মানুষই সারাদিনের রোজা শেষে ইফতার করে মাগরিবের নামায আদায় করতে মসজিদে গিয়েছিলেন এবং নামায শেষে সেখান থেকে ফিরছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিবন্ধিত হতে হবে সকল অনলাইন গণমাধ্যমকে

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, দেশের সব অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধিত হতে হবে এবং সম্প্রচার মাধ্যমের (বেতার, টেলিভিশন) মতো অনলাইন গণমাধ্যমও দেখভাল করবে সম্প্রচার কমিশন। অনলাইন গণমাধ্যমে কমিশনের নিকট থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। তবে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের জন্য আলাদাভাবে নিবন্ধন করতে হবে না। নিবন্ধন ফি কত হবে তা কমিশন নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, নতুন করে প্রায় ১৮০০ অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধনের আবেদন করেছে। তবে ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী যেসব অনলাইনের নিবন্ধন আছে তাদের নতুন করে আর নিবন্ধন নেয়ার প্রয়োজন নেই।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অপরাধ নিবারণ ও নির্ণয়ে অথবা অপরাধীদের দণ্ড বিধানে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের হাস্যকর করে এবং তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে এমন তথ্য প্রচার করা যাবে না। সশস্ত্র বাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দায়িত্বশীল অন্য কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ, বিদ্রূপ বা অবমাননা করা যাবে না।
এ ছাড়া রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন তথ্য ফাঁস করা যাবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত সৃষ্টি করতে পারে, আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে উৎসাহ প্রদান করতে পারে এবং আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে এমন ধরনের তথ্য ও উপাত্ত প্রচার করা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষার প্রতি সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে- শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি রবি

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সদর উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘শিক্ষা হচ্ছে জাতির অধিকার। শিক্ষাকে আমরা সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিই। শিক্ষা ছাড়া দেশ এগোতে পারে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার বিএ, এমএ এমনকি পিএইচডি পর্যন্ত বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। আমরা সেই ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ জন্যই আমরা শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিই।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান -২০১৭ অনুষ্ঠানে প্রাথমিকস্তর, মাধ্যমিকস্তর ও কলেজ পর্যায়ে ১ শ’ জন ছাত্র- ছাত্রীর মাঝে ৪ হাজার টাকা হিসাবে মোট ৪ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest