নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভায় (৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড) নগর উন্নয়নে ২০১৭-১৮ প্রাক বাজেট মতবিনিময়555 সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ৯টায় পৌর সভার সম্মেলন পক্ষে দরিদ্র অঞ্চলের জলবায়ু অভিযোজন সক্ষম প্রকল্প বা কার্যক্রমের আওতায় অংশগ্রহনমূলক পৌর বাজেট প্রণয়নে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সক্ষম নগর উন্নয়নের প্রাক বাজেট মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর প্যানেল মেয়র ফারহা দিবা খান সাথী। জার্মান ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন জিআইজেড এর সহায়তায় পৌর সভার ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তাজকিন আহমেদ চিশতী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডাব্লু এলসির সভাপতি ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সচিব সাইফুল ইসলাম, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আকতার হোসেন তালুকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, সদস্য আসাদুজ্জামা চান্দু, রেজাউল করিম, ফরিদা পারভীন, অর্চনা দে, জোস্না পারভীন, এড. জি.এম আব্দুল মতিন, নিমাই চন্দ্র পাল, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব জামাল উদ্দীন, সদস্য আনজুয়ারা খাতুন, আফরোজা আকবর মিরা, মাসুদ আলী, সুফিয়া খাতুন, ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব আনিছুর রহমান, সদস্য রফিকুর রহমান লাল্টু, আরিফুর রহমান খান, ফরেজ আলী, বিলকিছ খাতুন, নুর জাহান বেগম শফিকুর রহমান পিন্টু, সাগর|
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, জি আই জেড প্রতিনিধি রতন মানিক সরকার। উক্ত সভায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রকল্প/ কার্যক্রম পৌরসভার বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1493797247বাংলাদেশের মেয়ে তিনি। কাজ করতেন একটি তৈরি পোশাক কারখানায়। বেতন পেতেন নয় হাজার টাকা। এই টাকায় বাবা-মাকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। এমন সময় তাঁর এক সহকর্মী তাঁকে ১৫ হাজার টাকায় ভারতে কাজ করার প্রলোভন দেখায়।

এভাবেই ফাঁদে পড়েন বাংলাদেশি ওই পোশাককর্মী। ভারতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে বাধ্য করা হয় যৌনকর্মে। তবে সম্প্রতি মুক্তি পান তিনি। বাংলাদেশ সরকারও তাঁকে দেশে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়। দেশে ফেরার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে উদ্দেশ্য করে টুইটারে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি হাতে লেখা একটি চিঠির ছবি দেন।

চিঠিতে নারী বলেন, তাঁর কাছে ১০ হাজার রুপি সমপরিমাণের বাতিল নোট রয়েছে। ওই অর্থ তিনি যৌনকর্মের মাধ্যমে আয় করেন। ওই বাতিল নোটগুলো বদলে নতুন নোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান মোদির কাছে। নোটগুলো যৌনপল্লীর মালিকদের কাছে ছিল বলে পরিবর্তন করতে পারেননি বলে জানান তিনি।

ভারতে নিজের দুর্বিষহ জীবনের বর্ণনা দিতে গিয়ে বাংলাদেশের ওই নারী বলেন, ‘আমার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। আমি রাজি হই (ভারতের গিয়ে চাকরির জন্য)। এরপর আমাকে মুম্বাইয়ের ভাশি নদী এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে ৫০ হাজার রুপির বিনিময়ে এক নেপালি নারীর কাছে বেচে দেওয়া হয়।’

ওই নারী আরো বলেন, ‘পরে তাঁকে ব্যাঙ্গালুরু শহরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে যৌনকর্ম করতে বাধ্য করা হয়।’

প্রায় দেড় বছর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে একটি উদ্ধারকারী সংগঠন মুক্ত করে ওই বাংলাদেশি নারীকে। কিন্তু তাঁর সব জিনিসপত্র ও অর্থ থেকে যায় ওই যৌনপল্লীতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ubaWgO_4মরুভূমির মাঝখানে বিশাল এক হাত। তবে সম্পূর্ণ একটি হাত নয়, ভালভাবে দেখা যায় ৫টি আঙুল মাত্র, তবে কবজি পর্যন্ত নজর যায় না। ধূ ধূ বালির মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই হাত। দানবীয় এই হাতটি কার? কোথা থেকে এল? রহস্য ঘিরে ধরেছে সবাইকে। মরুভূমির মাঝে হঠাত্‍ এত্ত বড় হাত কোথা থেকেই বা আসতে পারে? কবজির নিচটা বালির নিচে।

চিলি’র আটাকামা মরুভূমিতে এই বিশাল বিস্ময়ের সৃষ্টি। হঠাৎ করে দেখলে মনে হতেই পারে কোনও ফিউচারিস্টিক সিনেমার সেটে ঢুকে পড়েছেন। কিন্তু এই হাতটি আসলেই সত্যিকার চিত্র। চিলির এই আটাকামা মরুভূমি পৃথিবীর অন্যতম শুকনো এলাকা হিসাবেই পরিচিত। এই মরুভূমির এক খাঁ খাঁ প্রান্তরে হঠাত্‍ই চোখে পড়বে এই দানবীয় হাত। মরুর বালি ফুঁড়ে উঠে আসা হাতটি যেন থামতে বলছে কাউকে।

মানো দেল দেসিয়ার্তো বা হ্যান্ড অফ দ্য ডেজার্ট আসলে ৩৬ ফুট উঁচু একটি ভাস্কর্য। ১৯৯২ সালে চিলির প্রখ্যাত ভাস্কর মারিও ইররাজাবাল এটি তৈরি করেন। দেখতে যতই বিদঘুটে হোক না কেন, কাউকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্য বা চমক তৈরির অভিপ্রায় তাঁর ছিল না। সম্পূর্ণ দার্শনিক ভাবনা থেকে ইররাজাবাল এটি তৈরি করেন।

মহাবিশ্বের কাছে মানুষের ক্ষুদ্রতাকে বোঝাতেই এই হাতটি তৈরি করেন ভাস্কর। দিকচিহ্নহীন মরুর প্রান্তরে এই হাতটি মানুষকে জানান দেয় তার ক্ষণস্থায়িত্ব, মহাপ্রকৃতির সামনে তার অসহায় অবস্থান। সেই সঙ্গে এটি যেন থামতে বলে অন্যায়, নির্যাতনকে, একাকীত্ব। এটিকে দেখে মনে হতেই পারে, মরুর বালি দিয়েই এটা তৈরি। কিন্তু আসলে এটি এক সুবিশাল লৌহকাঠামোর ওপরেই নির্মিত। ক্ষণে ক্ষণে মরুভূমির আবহাওয়ার পরিবর্তন যাতে এই ভাস্কর্যটির কোনও ক্ষতি করতে না পারে, তার ব্যবস্থাও নিয়েছিলেন শিল্পী ইররাজাবাল।

বছরের যে কোনও সময় প্রচুর পর্যটক এখানে ভিড় করে। আন্তোফোগোস্তা থেকে প্যান-আমেরিকান হাইওয়ের পথে পড়ে এই ভাস্কর্য। লা মানো নামে আরেকটি হাত তৈরি করেছিলেন ইররাজাবাল। সেটি মরুভূমির হাতের চাইতে ১০ বছরের বড়। এটি রয়েছে চিলিরই পুস্তা দেল এন্তের সমুদ্রতটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

vKo1x7_maraফের শহরে পা রাখছেন দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা৷ ভারতে ফুটবল কার্নিভালের উদ্বোধন করতে কলকাতায় আসছেন ফুটবলের রাজপুত্র৷ প্রায় ন’বছর পর অনুর্ধ্ধ ১৭ বিশ্বকাপের ঠিক আগেই ১৯-২০ সেপ্টেম্বর আবার সিটি অফ জয় মাতাবেন তিনি৷

মোক্স স্পোর্ট ভেন্চার নামে একটি সংস্থা তাঁকে কলকাতায় আনছে৷ এর আগে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতায় প্রথমবার আসেন ফুটবলের রাজপুত্র৷ মধ্যরাতের সেবার কলকাতায় পা রেখেছিলেন মারাদোনা৷ অত রাতে এলেও বিমানবন্দরে তাঁকে একঝলকত দেখতে ভিড় জমিয়েছিল কলকাতার ফুটবল পাগল জনতা৷ সে’সব স্মৃতি বোধহয় মনে রয়েছে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ীরা৷ তাই ফের একবার কলকাতায় আসতে পারবেন বলে উচ্ছ্বসিত মারাদোনা নিজেও৷ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, কলকাতার দর্শকদের ভালবাসা ভূলিনি৷ ওই জায়গাটাও খুব স্পেশাল৷ তাই কলকাতায় আসাটা সম্মানের৷ এর আগের বার কলকাতা সফরের স্মৃতি আমার এখনও মনে আছে৷’

এবারের সফরে প্রিন্স অফ ক্যালকাটা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একাদশের বিরুদ্ধে একটি ফুটবল ম্যাচও খেলার কথা রয়েছে মারাদোনার৷ ১৯ সেপ্টেম্বর ম্যাচটি হবে৷ প্রাক্তন খেলোয়াড় থেকে চলচিত্র তারকাদেরও এই ম্যাচে দেখা যাবে৷ সব মিলিয়ে ফুটবলের রাজপুত্র’র কলকাতা আসার খবরে বিশ্বকাপের দাদামা এখন থেকেই বেজে গেল সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

VxpPDy_42কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্র সাকিবুল হাসান টুটুলকে অপহরণের পর হত্যা মামলায় চার আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আউলাদ হোসেন ভূইয়া এ রায় দেন। কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. এম এ আফজাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সোহাগ, আমিনুল, দুলাল মিয়া, ও ডালিম। তাদের বাড়ি পাকুন্দিয়া উপজেলার চর কাওনা গ্রামে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাওনা আব্দুল আউয়াল মেমোরিয়াল কিন্ডার গার্টেনের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ও চরকাওনা নয়াপাড়া গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে সাকিবুল হাসান টুটুল স্কুল থেকে রহস্যজনভোবে নিখোঁজ হয়। পরে তার পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু দাবিকৃত টাকা না পেয়ে শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর ১৪ আগস্ট বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে স্কুলছাত্র টুটুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Afwt3C_41আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশে গুলাম আহম্মদ (৬০) নামে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সংগঠন হিন্দু যুব বাহিনীর হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ (বুধবার) গণমাধ্যমে প্রকাশ, হিন্দু এক তরুণীকে নিয়ে মুসলিম এক যুবককে পালাতে সাহায্য করার সন্দেহে তাকে লাঠি, রড ইত্যাদি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে ওই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক রোশন জেকব, পুলিশের ডেপুটি মহাপরিদর্শক এবং সিনিয়র পুলিশ সুপার পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশ, বুলন্দশহরের পহাসু থানা এলাকায় সোহি গ্রামে একটি মুসলিম ছেলে এক হিন্দু মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই তরুণীর পরিবার থেকে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়। কিন্তু পুলিশ তাদের উদ্ধার করতে পারেনি।

পুলিশ বলছে, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরো কিছু ব্যক্তির নাম প্রকাশ্যে আসছে। ওই ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশের একটি দল গঠন করা হয়েছে। আপাতত ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হিন্দু যুব বাহিনীর লোকজন আম ব্যবসায়ী গুলাম আহম্মদকে লাঠি, রড ইত্যাদি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এ ব্যাপারে তারা গোবিন্দর সিংসহ অন্যদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহত গুলাম আহমদের ছেলে ওয়াকিল আহম্মদ এক অভিযোগে বলেছেন, সোহি গ্রামের ইউসুফ নামে এক যুবক প্রতিবেশী ফাজলপুর গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে চলে যায়। ইউসুফ আমাদের সম্প্রদায়ের হওয়ায় ফাজলপুরের লোকদের সঙ্গে আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। হিন্দু যুব বাহিনীর কর্মীরা কিছুদিন ধরে আমাদের হুমকি দিচ্ছিল। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ ৫/৬ জন যুব বাহিনীর সদস্য বাবাকে বেদম প্রহার করে ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।

এদিকে, হিন্দু যুব বাহিনীর জেলা সভাপতি সুনীল সিং ওই ঘটনার নেপথ্যে তাদের হাত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তাদের সংগঠনে গোবিন্দর নামে কেউ নেই বলে তিনি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ আগে তাদের কাছে এক তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর আসে। দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে তারা পুলিশকে তরুণীকে উদ্ধারের জন্য বলেছিলেন।

জেলা প্রশাসক রোশন জেকব বলেন, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে, কাউকে রেহাই দেয়া হবে না। এলাকায় শান্তি বজায় রয়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4dGd0n_2নির্মিত হলো ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক ‘খালি কলসী বাজে বেশি।’ কমেডি ধাঁচের এই নাটকে অভিনয় করেছেন খ্যাতনামা অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান।

নাটকে কয়েকটি স্তরের গল্প আছে। এরমধ্যে এটিএম শামসুজ্জামান ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধ বর্ষার গল্পের স্তরটি এমন- এটিএম শামসুজ্জামানের মেয়ের সাথেই কলেজে পড়েন বর্ষা। একই সাথে হাসান মাসুদের সাথে প্রেমও সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রেম তো প্রেম। এর শেষ হয় না। অথচ বর্ষা চান হাসান মাসুদ তাকে দ্রুত বিয়ে করে ঘরে নিয়ে যাক। বারবার চাপ দিলেও হাসান মাসুদের যেন বিয়ের বিষয়টি গায়েই লাগে না।

অন্যদিকে, এটিএম শামসুজ্জামানের সংসারে চরম অশান্তি। স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহ লেগেই আছে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে তুলনা চলে। এটিএম শামসুজ্জামানের স্ত্রী বারবার বলে যান তার মতো মেয়েই শুধু সংসার করতে পারছে, অন্য কেউ তার সংসারে টিকতে পারবে না। এটিএম শামসুজ্জামানও বলে যান চাইলেই তিনি বিয়ে করতে পারেন। তাঁর মাথাতেই জেদ চেপে যায়।

এটিএম শামসুজ্জামানের জেদ আর বর্ষার জেদ একীভূত হয় বিয়ের মাধ্যমে। জেদের বশেই তার বান্ধবীর বাবাকেই বিয়ে করেন বর্ষা।

আকাশ রঞ্জনের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত ‘খালি কলসী বাজে বেশি’ ধারাবাহিকে আরো অভিনয় করেছেন, মীর সাব্বির, হাসান মাসুদ, অহনাসহ আরো অনেকেই। আগামী রোজার ঈদে এশিয়ান টিভিতে সম্প্রচারিত হবে কমেডি ধাঁচের এই ধারাবাহিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6ShFVf_12নিম আামদের খুবই পরিচিত একটি গাছ। সকল রোগের মহাঔষুধ নামেও এটি বেশ পরিচিত। ঔষধি গাছ হিসেবে এর ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। নিমের পাতা থেকে আজকাল প্রসাধনীও তৈরি হচ্ছে। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকরি।
নিম গাছের বিশেষ উপকারিতা ও গুণাগুণ নিয়ে আজ আলোচনা করা হল-

১. ম্যালেরিয়া থেকে মুক্তিঃ নিমের নির্যাস ব্যবহারে ম্যালেরিয়া প্রশমিত হয়। পানি বা এলকোহল মিশ্রিত নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে একই ধরনের ফল পাওয়া যায়। মানসিক চাপ ও অশান্তিঃ অল্প পরিমাণ নিম পাতার নির্যাস খেলে মানসিক চাপ ও মানসিক অশান্তি কমে যায়।

২. আলসারঃ নিম পাতার নির্যাস ও নিম বীজ হতে নিম্বিডিন নির্যাস খেলে পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসার উপশম হয়, জন্ডিসঃ ২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়, বসন্তঃ কাঁচা হলুদের সাথে নিম পাতা বেটে বসন্তের গুটিতে দিলে গুটি দ্রুত শুকিয়ে যায়।

৩. বহুমূত্র রোগঃ প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পাতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস আরোগ্য হয়। প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলে ডায়বেটিস ভাল হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।

৪. এইডস থেকে মুক্তিঃ নিম গাছের বাকল হতে আহরিত নির্যাস এইডস ভাইরাসকে মারতে সক্ষম। নিম পাতার নির্যাস অথবা পুরু পাতা অথবা নিম পাতার চা পান করলে এইডস উপশম হয়।

৫. চোখের ব্যথাঃ নিম পাতা সামান্য শুষ্ক আদা ও সৈন্ধব লবণ একত্রে মিলিয়ে সামান্য গরম করে একটি পরিস্কার পাতলা কাপড়ে লাগিয়ে তা দ্বারা চোখ ঢেকে দিলে চোখের স্ফীতি ও ব্যাথা সেরে যায়।

৬. ক্যান্সারঃ নিম তেল, বাকল ও পাতার নির্যাস ব্যবহারে ক্যান্সার-টিউমার, স্কীন ক্যান্সার প্রভৃতি ভাল হয়।

৭. হৃদরোগঃ নিম পাতার নির্যাস খেলে হৃদরোগে উপকার পাওয়া যায়। নিম নির্যাস ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টোরল কমায়। রক্ত পাতলা করে, হার্টবিট কমায়।

৮. কৃমি নাশকঃ ৩-৪গ্রাম নিম ছাল চূর্ণ সামান্য সমপরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হব। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেবন করতে হবে।

৯. দাঁতের যত্নঃ কচি নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ভাল থাকে। নিম পাউডার দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ও মাঁড়ি ভাল থাকে। নিম পাতার নির্যাস পানিতে মিশিয়ে বা নিম দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেললে দাঁতের আক্রমণ, দাঁতের পচন, রক্তপাত ও মাড়ির ব্যথা কমে যায়।

১০. ব্রণঃ নিম পাতা পিষ্ট করে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রলেপ দিলে ব্রণ সেরে যায়।

১১. রাতকানাঃ নিম ফুল ভাজা খেলে রাতকানা উপশম হয়।

১২. উকুনঃ নিমের ফুল বেটে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়।

১৩. মাথা ব্যাথাঃ নিম তেল মাখলে মাথা ধরা কমে যায়।

১৪. বমিঃ বমি আসতে থাকলে নিম পাতার রস ৫-৬ ফোঁটা দুধ দিয়ে খেলে উপশম হয়।

১৫. খোস-পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষতঃ নিম পাতার সাথে সামান্য কাঁচা হলুদ পিষে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ আকারে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে খোস-পাঁচড়া ও পুরোনো ক্ষতের উপশম হয়। নিম পাতা ঘিয়ে ভেজে সেই ঘি ক্ষতে লাগালে ক্ষত অতি সত্বর আরোগ্য হয়।

১৬. নিম চাঃ শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো অথবা তাজা নিমের ৬/৭ টি পাতা গরম পানিতে ছেড়ে ২/৩ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। তবে নতুনদের জন্য সময়সীমা ১ মিনিট। যত বেশি জ্বাল দিবেন তত তিতা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest