সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

pic 01আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোবাচ্ছের আলির প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে যুবলীগ। মোবাচ্ছেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাতক্ষীরা থেকে অপসারণের তাগিদ দিয়ে যুবলীগ নেতারা বলেছেন, অন্যথায় বড় আকারের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তার বিরুদ্ধে অচিরেই মামলা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
রোববার সাতক্ষীরা শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে জেলা যুবলীগ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে একথা বলেন নেতৃবৃন্দ। তাদের অভিযোগ মোবাচ্ছের আলি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কেও কটূক্তি করে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।
জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, “শনিবার শহরের মেহেদিবাগে বসবাসকারী দুটি পরিবারের মধ্যে প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে বিরোধের জেরে পুলিশ কাজ বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে কিছু তথ্য আদান প্রদানের জন্য বিকালে জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল মান্নান থানায় যেয়ে কথা বলেন সেকেন্ড অফিসার মোবাচ্ছেরের সাথে। এ সময় মোবাচ্ছের তাকে গালাগাল করে বলেন ‘এ বিষয়ে তোকে কৈফিয়ত দেবো কেনো? তুই কে? ক্যান এখানে এসেছিস? আওয়ামী লীগের নাম ভাঙাস। 02আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে এখন এক নষ্ট দলে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের লোকজন এখন সব দালাল হয়ে গেছে। এদের খেদিয়ে দেওয়াটাই জরুরি’।” মোবাচ্ছেরের  এধরনের অশোভন মন্তব্য থানায় উপস্থিত যুবলীগ নেতাকর্মীরা ছাড়াও বহিরাগত লোকজন এবং পুলিশ সদস্যরাও শোনেন বলে যুবলীগ নেতাদের দাবি।
সমাবেশে তারা বলেন, নিজের অপরাধের জন্য  মোবাচ্ছেরকে এখনই ক্ষমা চাইতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তারা তার প্রত্যাহার দাবি করে আরও বলেন তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সদর যুবলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি জাহিদুর রহমান,  সাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম, শহর সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, ইউসুফ সুলতান মিলন, ইলিয়াস হোসেন, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই মোবাচ্ছের আলি বলেন, মেহেদিবাদে প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে বিরোধ দেখা দেওয়ায় ওসি সাহেবের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে যুবলীগ সভাপতি  আবদুল মান্নানের সাথে একটু মত বিরোধ  হয়েছে মাত্র। আওয়ামী লীগ কিংবা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো অশোভন মন্তব্য আমি করিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা ০৬ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Satkhira Nalta pic-04-06-17এম. শাহীন গোলদার : পবিত্র কাবা শরিফের পরই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে। দিন দিন এই ইফতার মাহফিলের পরিধি আরো বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজার রোজাদার এখানে ইফতার প্রস্তুত করছেন। নলতা রওজা শরীফ প্রাঙ্গনে ৫ থেকে ৬ হাজার এবং জেলার বিভিন্ন মসজিদ,মিশন ও মহাল্লায় ৪ হাজার ইফতারির প্লেট সরবরাহ করা হচ্ছে।
এখানে ফকির, মিসকিন, গরীব, ধনী শ্রেণীর মানুষ সকল ভেদাভেদ ভূলে প্রতিদিনই অংশ গ্রহণ করেন এই ইফতার মাহফিলে। সওয়াব হাসিলের জন্য দুর দুরন্ত থেকেও ইফতারের উদ্দেশ্যে রোজাদাররা ছুটে আসেন নলতা রওজা শরীফ প্রাঙ্গনে।
১৯৫০ সাল থেকে প্রতিবছর রমজানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নলতা শরীফ রওজা চত্বরে বিশাল ছাউনি নির্মান করে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। রমজান মাসব্যাপী এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করতেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পরও মিশন কর্তৃপক্ষ এ মাহফিলকে অব্যাহত রেখেছে।
নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের ব্যবস্থাপনায় ও নলতা শরীফের খাদেম আলহাজ্ব আনছার উদ্দিন আহমেদের বিশেষ তত্বাবধান এই ইফতার আয়োজনের করা হয়েছে।
বর্তমানে এই ইফতার মাহফিল এর পরিধি বেড়ে এখন দশ হাজারে পৌঁছেছে। বর্তমানে শাহ সুফি হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহর (রহ.) রওজা প্রাঙ্গনেই এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। রোজার শুরু থেকেই প্রতিদিন সেখানে একত্রিত হয়ে ইফতার করছেন প্রায় দশ হাজার মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা ইফতারের জন্য ছুটে যান সেখানে। বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য অস্থায়ীভাবে টিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইফতারি বিলি-বন্টন ও তদারকির জন্য রয়েছে ৪ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক।
ইফতারি সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে খেজুর, ছোলা,সিংগড়া, ফিন্নি, চিড়া, কলা ও ডিম। এত মানুষের ইফতারির আয়োজনের পরও জেলার বিভিন্ন মসজিদে এক বার করে ইফতারি পৌঁছে দেওয়া হয়।
ছোলা, ডিম ও ফিন্নি বাবুর্চি বাবু হোসেন জানান, প্রতিদিন ৮০০শত কেজি দুধ দিয়ে ফিন্নি রান্না করা হয়। সিদ্ধ করা হয় ১০ হাজার ডিম। প্রতি বছরই আমি এখানে রান্নার কাজ করে থাকি। এ মাসটি আমরা রোজাদারদের খেদমত করি।
সিঙ্গাড়া বাবুর্চি মুক্তার হোসেন বলেন,আমি এখানে ৩৩ বছর ধরে সিঙ্গাড়া বানাই। ১৫-থেকে ২০ জন একত্রে কাজ করি। আসরের নামাজের আগেই সিঙ্গাড়া প্রস্তুত শেষ করে ফেলি।
স্বেচ্ছা সেবকরা বলেন,আমরা প্রতিদিন ৪টি গ্রুপে ৪শত স্বেচ্ছা সেবক রয়েছি এখানে। সকলেই নিজ উদ্যোগে এখানে এসেছি। বিকাল ৪টার পর থেকে বণ্টন কাজ শুরু করি। চেষ্টা করি যেন আগত কোনো রোজাদারের কোনোরূপ অসুবিধা না হয়।
৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ইফতারিতে অংশ নিতে আসা সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মো.রেজাউল ইসলাম বলেন,শুনেছি এখানে ১০ হাজার মানুষ একসঙ্গে ইফতারি করে। তাই আজ আমি অংশ গ্রহণ করতে আসলাম। অনেক জ্ঞানী-গুনী মানুষ এখানে আসেন।
নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী সদস্য শফিকুল আনোয়ার রনজু জানান,ক্রমান্বয়ে এটার পরিধি বেড়েই চলেছে। নতুন মসজিদটা নির্মাণ হয়ে গেলে ওখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বসার স্থান হবে। বর্তমানে অস্থায়ীভাবে টিন ও বাশ দিয়ে ছাউনি করা হয়েছে। এখানকার সকল কর্মকর্তাদের ইচ্ছা কেউ যেন খালি মুখে ফিরে না যায়। কেউ যেন কষ্ট না পায়। এটিই আমাদের মুর্শিদ মাওলা হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ (রহ.) চাওয়া।
প্রতিদিন দশ হাজার প্লেট প্রস্তুত করা হয় রোজাদারদের জন্য। কারো কোনো সমস্যা হয়েছে বলে এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করতে পারিনি। যতদুর পযর্ন্ত জানা গেছে-পবিত্র মক্কা শরিফের পর এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইফতার মাহফিল। প্রতিদিন ইফতারের পূর্বে প্রতিদিন ধর্মপ্রান মুসলি¬¬রা দেশ ও জাতীর কল্যানে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

RoEKQT_6সে এক ভয়ানক দুর্গন্ধি ফুল। ইংরেজিতে বলে কর্পস ফ্লাওয়ার। বাংলা করলে দাঁড়ায়—শব পুষ্প। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল এটি। ফুটলে ছোটে ভয়ানক লাশ পচা দুর্গন্ধ। তবে বনবাদাড় ছাড়া এ ফুলের দেখা মেলে না। আবার সব বনেই যে আছে, তা-ও নয়। এ কারণে এ ফুল ফুটতে দেখাটা এক বিরল ঘটনা। সে ঘটনা এখন শিকাগোর উদ্ভিদ উদ্যানে বর্তমান। একটি নয়, একসঙ্গে দুটি ফুল ফুটছে সেখানে।

গতকাল শুক্রবার যমজ ফুল দুটি দেখতে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে শিকাগোর ওই উদ্যানে। এখানকার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গ্রেগ মুলার বলেন, একসঙ্গে দুটি কর্পস ফুল ফুটতে দেখা খুবই বিরল ঘটনা। ফুল দুটি দর্শনার্থীদের জন্য ৮ জুন পর্যন্ত প্রদর্শন করা হবে।

মানুষের কাছে কর্পস ফুলের দুর্গন্ধ অসহনীয় হলেও কীটপতঙ্গের কাছে তা লোভনীয়। এই দুর্গন্ধের টানে নানা প্রজাতির কীটপতঙ্গ উড়ে এসে বসে এই ফুলে। বেগুনি ও কমলার মিশেলের এই ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম টাইটান অ্যারাম (অ্যামোরোফোফ্যালাস টাইটানাম)। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় এই ফুল প্রথম দেখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4f8qzj_59আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লন্ডন ব্রিজে লোকজনের ওপর একটি সাদা গাড়ি তুলে দেওয়া ছাড়াও সন্ত্রাসীদের একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অন্তত ৬ জন মারা গেছে। পুলিশের পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসীদের ৩ জন মারা যায়। পুলিশ সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে তাদের ৩ জন মারা যায় ও ২ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। প্রথমে লন্ডন ব্রিজে একটি সাদা গাড়ি নিয়ে এক সন্ত্রাসী বেশ কয়েকজন পথচারীকে আঘাত করে। এসব ঘটনায় আহত অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সন্ত্রাসীরা লন্ডনের ৫টি স্থানে হামলা চালায়। তাদের হাতে ১২ ইঞ্চি লম্বা ছুরি ছিল। আরেক সন্ত্রাসী ঘন্টায় ৫০ মাইল গতিতে লন্ডন ব্রিজে ফুটপাতের ওপর উঠে লোকজনকে চাপা দেয়। ঘটনার সময় বিবিসির সাংবাদিক হলি জোন্স লন্ডন ব্রিজে ছিলেন। তিনি বলেন, একজন পুরুষ ‘ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে’ গাড়িটি চালাচ্ছিল।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে লন্ডনে এসব হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা বলে অভিহিত করেছেন। বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনকে সবধরনের সহায়তা দিতে আগ্রহ জানিয়েছেন।

বিবিসি জানায়, লন্ডন ব্রিজ ও বোরা মার্কেটের কাছে এ দুটি হামলা ঘটে। হামলায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। হামলার পরপরই লন্ডন ব্রিজ রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। লন্ডন ব্রিজ চলাচলের জন্যে বন্ধ করার কথা জানায় ট্রান্সপোর্ট পুলিশ। ভক্সহলের কাছে আরেকটি ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটলেও তবে তা সন্ত্রাসী ঘটনা নয় বলে জানায় পুলিশ। ঘটনাস্থলের আশে পাশে ব্যাপক তল্লাশী শুরু করে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Apon-jewelers-gulshanআপন জুয়েলার্স থেকে আটক করা সাড়ে ১৩ মণ সোনার কোনও বৈধ কাগজপত্র এর মালিক দেখাতে না পারায় তা অনুষ্ঠানিকভাবে জব্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। আজ রবিবার (৪ জুন) সকাল ৯ টায় সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে এই সোনা জব্দ করা হবে। তবে কোনও গ্রাহক যদি সোনা বা সোনার অলঙ্কার জমা রাখার কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাদের গচ্ছিত সম্পদও আজ ফেরত দেওয়া হবে।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা র‌্যাব ও পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। কাল (রবিবার) একদিনেই সব কাজ সেরে ফেলবো।’

তিনি আরও জানান, এসব সোনা-হীরা ঢাকা কাস্টম হাউসের শুল্ক গুদামের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দকৃত সোনা ও হীরা শুল্ক আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। শুল্ক গোয়েন্দার ৫টি দল আজ সকাল থেকে এই জব্দ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া তদারকি করবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ও ১৫ মে শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, সীমান্ত স্কয়ার ও মৌচাকের ৫টি শোরুমে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ মণ সোনা ও ৪২৭ গ্রাম হীরা সাময়িকভাবে আটক করে। এসব সোনা ও হীরার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ। এগুলো পরে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনে আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে ৩ বার শুনানির সুযোগ দিলেও তারা এসব সোনা-হীরার কোনও প্রকার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দেওয়া ১৮২ জনের তালিকার মধ্যে ৮৫ জন প্রকৃত গ্রাহককে মেরামতের জন্য জমা রাখা প্রায় ২.৩ কেজি স্বর্ণালঙ্কার অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4f78de0d9062c026c9f5f5b0918bf20a-593327b2d125dকেউ পারেনি, আগে চারটি দল টানা দ্বিতীয় ফাইনাল খেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে সফল হয়নি। রিয়াল মাদ্রিদ সেটা করে দেখাল। জুভেন্টাসের বিপক্ষে কার্ডিফ ফাইনালে ইতিহাস গড়ল রিয়াল। শনিবার ৪-১ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয় ও ১২তম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতল তারা।

এর আগে এসি মিলান, আয়াক্স, জুভেন্টাস ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা দ্বিতীয় ফাইনালে উঠেও শিরোপা হাতে নিতে পারেনি। ইতিহাস তাই ছিল রিয়ালের বিপক্ষে। কিন্তু দুর্দান্ত রক্ষণভাগের বিপক্ষে সেরা আক্রমণভাগ সেই ইতিহাসকে উল্টে দিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল।
শুরুটা কিন্তু রিয়ালের বিপক্ষেই ছিল। মাত্র ৬ মিনিটে গনসালো হিগুয়েইন ‍দুইবার ও মিরালেম পিজানিচ কঠিন পরীক্ষা নেন রিয়াল গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের। প্রত্যেকবার জুভেন্টাসের এ প্রচেষ্টাকে সহজে ব্যর্থ করেছেন কোস্টারিকান গোলরক্ষক। বিশ্বের সেরা রক্ষণভাগের দল প্রথম ১৫ মিনিট আক্রমণভাগেও ছিল ক্ষুরধার। কিন্তু হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে ইতালিয়ান আক্রমণভাগ, আর কাউন্টার অ্যাটাকে সুযোগ পেয়ে যায় রিয়াল। ২০ মিনিটে দানি কারভাহালের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে সফল হন রোনালদো। তার নিচু শটটি খুব চেষ্টা করেও থামাতে পারেননি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন।

২৬ মিনিটে ইস্কো ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েও সফল হননি। বরং পরের মিনিটে চমৎকার গোলে সমতায় ফেরে জুভেন্টাস। সান্দ্রোর দূরপাল্লার ক্রসে বল পান হিগুয়েইন। আর্জেন্টাইন তারকার চতুর পাস বুক দিয়ে ঠেকিয়ে ওভারহেড কিকে নাভাসকে পরাস্ত করেন মারিও মানজুকিচ। ৩০ মিনিটে একইভাবে গোলের চেষ্টা করে বুফনের কাছে প্রতিহত হন রোনালদো। প্রথমার্ধের বাকি সময় দুই দল আর কোনও গোলের দেখা পায়নি।

৫৮ মিনিটে সান্দ্রোর বাধায় রোনালদো ২-১ করতে পারেননি। তিন মিনিট পরই অবশ্য এগিয়ে যায় রিয়াল। জুভেন্টাসের ডিবক্স থেকে একটি ক্রস ফিরে এলে ৩০ গজ দূর থেকে শট নেন কাসেমিরো। সামি খেদিরার গায়ে আলতো স্পর্শ করে বল গতিপথ পাল্টে গোলপোস্টের বাঁপ্রান্ত দিয়ে কোনাকুনি হয়ে ঢুকে যায় জালে। বুফন অসহায় ছিলেন। ভুগতে থাকা জুভেন্টাসের ফেরার শেষ আশাটুকুও জলে ভেস্তে যায় ৬৪ মিনিটে। ডান উইং থেকে মোডরিচের ক্রসে পোস্টের খুব কাছ থেকে ৩-১ করেন রোনালদো। পেশাদার ক্যারিয়ারে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ছিল তার ৬০০তম গোল।

৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক করার বেশ কাছে ছিলেন রোনালদো। মার্সেলোর পাসে পাওয়া বলে একটু বেশিই জোরে শট নেওয়ায় ক্রসবার দিয়ে চলে যায় আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ। শেষ ৮ মিনিট জুভেন্টাসকে একজন কম নিয়ে খেলতে হয়েছে। সের্হিয়ো রামোসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হুয়ান কুয়াদরাদো। ১০ জনের জুভেন্টাস আরও ভেঙে পড়ে। ৯০ মিনিটে রোনালদোর ফ্রিকিক প্রতিপক্ষের রক্ষণদেয়ালে লেগে ফিরে গেলে মার্সেলোর নিখুঁত পাসে দলের চতুর্থ গোল করেন আসেনসিও।

ফাইনালে রোনালদোর ইতিহাস: ইউরোপের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি ফাইনালে গোল করার তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এনিয়ে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে লক্ষ্যভেদ করেছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। দুটি ভিন্ন আসরের ফাইনালে গোল করা লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলেছেন ব্যালন ডি’অরজয়ী।

ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ হিসাবে আনলে এ তালিকায় রোনালদোর উপরে কেবল রিয়ালের আরেক লিজেন্ড আলফ্রেদো দি স্তেফানো। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬০ সালে টানা ৫টি ইউরোপিয়ান কাপজয়ের পথে ফাইনালে গোল করেছিলেন তিনি।

২০০৮ সালে চেলসির বিপক্ষে প্রথম ফাইনাল গোল করেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রোনালদো। ৬ বছর পর অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের ৪-১ গোলের জয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল ফরোয়ার্ড।

মানজুকিচের মাইলফলক: 

অসাধারণ এক স্ট্রাইকে সমতা ফেরানো গোলে সম্মানজনক এক ক্লাবে জায়গা পেলেন মারিও মানজুকিচ। দুটি ভিন্ন ক্লাবের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল করা তৃতীয় খেলোয়াড় হলেন এ ক্রোয়েশিয়ান।

২০১৩ সালের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের জালে বল জড়ান মানজুকিচ। তার আগে এ কীর্তি অর্জন করেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (ম্যানইউ ২০০৮, রিয়াল ২০১৪ ও ২০১৭) এবং ভেলিভোর ভাসোভিচ (পার্টিজান ১৯৬৬, আয়াক্স ১৯৬৯)।

৫০০ গোলের ক্লাবে রিয়াল: প্রথম দল হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫০০তম গোলের মাইলফলকে রিয়াল। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোলের তালিকায় অনেক আগেই বার্সেলোনা (৪৫৯) ও বায়ার্ন মিউনিখকে (৪১৫)  পেছনে ফেলেছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব। এ মৌসুমে রোনালদোর প্রথম গোলে ৫০০’র ক্লাবে ঢুকে গেল রিয়াল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6EzjnE_imnranওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল হিসেবে বড়সড় জয় পাওয়াটা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য তেমন একটা চমকের না। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মত আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জয় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের আত্মবিশ্বাস এর মাত্রাটা আরো বাড়িয়ে দিল। শনিবার ওভালে বি-গ্রুপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা।

হাশিম আমলার ২৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ছয় উইকেটে ২৯৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ইমরান তাহিরের লেগ স্পিনের মন্ত্রে কাবু হয়ে ৪১.৩ ওভারে মাত্র ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলংকা।

ইংল্যান্ডের পেস বান্ধব কন্ডিশনেও রীতিমতো জাদু দেখালেন তাহির। ৮.৩ ওভারে মাত্র ২৭ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন এই লেগ-স্পিনার। এছাড়া ক্রিস মরিস দুটি এবং রাবাদা ও মরকেল একটি করে উইকেট নেন।

শ্রীলংকার শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল। পাওয়ার প্লের প্রথম দশ ওভারে এক উইকেটে ৮৭ তুলে ফেলেছিল তারা। ১৮তম ওভারে তাহির আক্রমণে আসতেই বদলে যায় চিত্রপাট। দুই ওপেনার ডিকভেলা (৪১) ও উপুল থারাঙ্গা (৫৭) ছাড়া শ্রীলংকার পক্ষে বলার মতো রান পেয়েছেন শুধু কুশাল পেরেরা (৪৪*)।

এ ম্যাচের ক্যাচলাইন ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্স বনাম লাসিথ মালিঙ্গা দ্বৈরথ। কিন্তু প্রথম ম্যাচে দু’জনই ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স চার বলে মাত্র চার রান করেই সাজঘরে ফেরেন। অন্যদিকে শ্রীলংকার বোলিং আক্রমণের নেতা মালিঙ্গা ১০ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

অধিনায়ক ঝড় তুলতে না পারলেও মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন আমলা। রানআউটে কাটা পড়ার আগে ১১৫ বলে ১০৩ রান করেন প্রোটিয়া ওপেনার। ক’দিন আগে বিরাট কোহলির কাছ থেকে দ্রুততম সাত হাজার রানের রেকর্ড কেড়ে নিয়েছেন তিনি। শনিবার কোহলির (১৬২ ইনিংসে) দ্রুততম ২৫ ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও নিজের করে নিলেন আমলা (১৫১ ইনিংসে)।

দলকে বড় স্কোর এনে দিতে বড় অবদান ফাফ ডু প্লেসি ও আমলার ১৪৫ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। ডু প্লেসি করেছেন ৭০ বলে ৭৫ রান। শেষ ১০ ওভারে ৭৮ ও শেষ পাঁচ ওভারে ৪৪ রান দক্ষিণ আফ্রিকা। মাঝে তালগোল পাকিয়ে না ফেললে সংগ্রহটা আরও বড় হতে পারত। শেষদিকে মাত্র ২০ বলে অপরাজিত ৩৮ করেন জেপি ডুমিনি। এছাড়া ক্রিস মরিসের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। ৫৪ রানে দুই উইকেট নিয়ে শ্রীলংকার সবচেয়ে সফল বোলার নুয়ান প্রদীপ। এছাড়া সুরঙ্গা লাকমাল ও সেকুগে প্রসন্ন একটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৯৯/৬, ৫০ ওভারে (হাশিম আমলা ১০৩, ডি কক ২৩, ডু প্লেসি ৭৫, ডি ভিলিয়ার্স ৪, ডেভিড মিলার ১৮, জেপি ডুমিনি ৩৮*, ক্রিস মরিস ২০,ওয়েইন পারনেল ৭*। লাসিথ মালিঙ্গা ০/৫৭, সুরঙ্গা লাকমাল ১/৫১, নুয়ান প্রদীপ ২/৫৪, গুনারত্নে ০/৬৪, সেকুগে প্রসন্ন ১/৭২)।

শ্রীলংকা: ২০৩/১০, ৪১.৩ ওভারে (ডিকভেলা ৪১, উপুল থারাঙ্গা ৫৭, কুশাল মেন্ডিস ১১, দিনেশ চান্দিমাল ১২, কাপুগেদারা ০, কুশাল পেরেরা ৪৪*, গুনারতেœ ৪, প্রসন্ন ১৩, সুরঙ্গালাকমাল ০, মালিঙ্গা ১, নুয়ান প্রদীপ ৫। রাবাদা ১/৪৬, পারনেল ০/৫৪, মরনে মরকেল ১/৩১, মরিস ২/৩২, তাহির ৪/২৭, জেপি ডুমিনি ০/৭)।

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৯৬ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest