সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

London-fireলন্ডনে আগুনের ঘটনায় নিখোঁজ ৫৮ জনের সবাই নিহত বলে ধারণা করছে পুলিশ। ইতিপূর্বে, ১৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছিলো কর্তৃপক্ষ।

আজ লন্ডন পুলিশের কমান্ডার স্টুয়ার্ট কান্ডি এক বিবৃতিতে বলেছেন: দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, ওই রাতে গ্রিনফেল টাওয়ারে থাকা অন্তত ৫৮ জন এখনও নিখোঁজ এবং ধারণা করছি তারা মৃত।

তবে এখনই উদ্ধার কাজ শেষ হচ্ছে না। সম্পূর্ণ উদ্ধার কাজ শেষ হচ্ছে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্টুয়ার্ট। তিনি  বলেন: হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব আমাদের প্রিয় মানুষদের সন্ধান করতে চাই।

এদিকে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী অনেকেই।

এর আগে,  গত মঙ্গলবার  ২৪ তলা গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দুই শতাধিক কর্মী আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে।

১৯৭৪ সালে গ্রেনফেল টাওয়ার নির্মাণ করে কেনসিংটন অ্যান্ড চেলসি বরোহ্‌ কাউন্সিল। গত বছরই ভবনটির মেরামতের পেছনে ১ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড ব্যয় করা হয়।  ওই আবাসিক এই ভবনে ১২০টি ফ্ল্যাট ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497715180বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘নৌকা ডুবে গেছে। নৌকাকে আপনার লোকজন আর টেনে তুলতে পারবেন না।’ তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন এ দেশে হবে না। হতে দেওয়া হবে না।’

শনিবার রাজধানীতে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাবেক সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ দেশবাসীকে দুঃশাসন উপহার দিয়েছে, মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, এ সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না জনগণ। জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ে সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীনরা ভরাডুবি ঠেকাতে পারবে না দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘জোর করে আর একতরফা নির্বাচনও করতে পারবে না আওয়ামী লীগ।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি বলব যে একটা নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনুন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘নির্বাচন সে (শেখ হাসিনা) করতে পারবে। কিন্তু তাঁর অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না।’

জনগণের কাছে কোনো দায় নেই, তাই সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে সরকারের নজর নেই বলে মন্তব্য করেন খালেদা জিয়া। ক্ষমতায় গেলে ‘ভিশন টোয়েন্টি-থার্টি’তে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সব বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান বিএনপির চেয়ারপারসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497710457ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে হাতে-কলমে কাজ শেখানোর কথা বলে নারী সহকর্মীকে নিয়ে রিকশায় চেপে যাওয়ার পথে সেই নারীর গায়ে হাত দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন করেছেন একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।
পরিস্থিতির আকস্মিকতায় প্রথমে হতবুদ্ধি হয়ে পড়লেও পরে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতিতা নারী। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া এই শিক্ষকের নাম সরদার হেলাল উদ্দিন। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও গভর্নমেন্ট স্টাফ কোয়ার্টার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক।
সরদার হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করা ওই শিক্ষিকা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক হওয়ায় ক্ষমতা খাটিয়ে শিক্ষিকা ও ছাত্রীদের অনেক কিছু করতে বাধ্য করেন।
ওই শিক্ষিকা আরো বলেন, “গত মার্চ মাসের ২১ তারিখে স্কুলটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রধান শিক্ষকের অশালীন প্রস্তাব পেয়ে আসছিলেন তিনি। যেমন এই শিক্ষিকাকে ফোন করে সরদার হেলাল উদ্দিন বলতেন, ‘এই পোশাক ভালো না, চলো আমি তোমাকে পোশাক কিনে দেব, জুতা কিনে দেব। প্রায় দিনই সন্ধ্যায় সে আমাকে ফোন দিত। ফোন দিয়ে বলত তোমাকে নিয়ে বলধা গার্ডেনে যাব, হাতিরঝিলে যাব, পার্কে যাব। তোমাকে ফোন দিলে তুমি চলে এসো।” প্রধান শিক্ষকের ফোন দেখলেই আতঙ্কে থাকতেন বলেও জানান ওই নারী।
ওই শিক্ষিকা বলেন, স্কুলটিতে যোগদানের সময় তিনি হিজাবসহ বোরকা পরতেন। কিন্তু স্কুলটিতে যোগদানের দিনই সরদার হেলাল উদ্দিন তাঁকে জানান, এই স্কুলে বোরকা পরা যাবে না। তখন তিনি খেয়াল করেন, স্কুলটির অন্য শিক্ষিকারাও বোরকা পরেন না। পরে তিনি বিষয়টি মেনে নেন এবং হিজাব-বোরকা ছাড়াই কাজ শুরু করেন।
স্কুল ছুটি হওয়ার পর ওই প্রধান শিক্ষক তিনজন শিক্ষিকাকে অকারণে বসিয়ে রাখতেন বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী। তিনি বলেন, ‘আমাকে কোনো কাজ ছাড়াই বসিয়ে রাখত। বলত, আমি মোটা হয়ে যাচ্ছি, আমাকে দেখতে এমন লাগছে। আমি যতদূর সম্ভব ছুটির পর স্কুল থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতাম। তাঁর আচরণ সম্পর্কে স্কুলের দুজন শিক্ষিকাকে অল্প অল্প কিছু বলেছিলাম।’

ওই নারী বলেন, ‘১৩ জুন সকাল ১০টার সময় প্রধান শিক্ষক সরদার হেলাল উদ্দিন আমাকে ফোন দিয়েছে। ফোন দিয়ে বলেছে তোমার টাকা জমা দেওয়ার বইটা নিয়ে বের হও, তোমাকে নিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যাব। কাজ শেখানোর জন্য বোর্ডে কীভাবে এসে কাজ করতে হয় তা শিখে যাও। শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার পথে রিকশায় করে শিক্ষা বোর্ডে নিয়ে যায়। ’

তবে ফেরার পথে প্রধান শিক্ষক রিকশার হুড তুলে দেন জানিয়ে ওই শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি তাকে বলি স্যার হুড ওঠানোর দরকার নাই, আমি এভাবে বসতে পারছি না। রোদ নেই তবে কেন হুড উঠিয়ে দিচ্ছেন? রিকশায় কিছু দূর যাবার পর সে আমার সাথে…। অনেক বাজেভাবে অশালীন আচরণ করেছে। সে আমার মোবাইলটাও হাতে রাখতে দেয় নাই, আমাকে জোরে চেপে ধরে রেখেছে। এমন সব বাজে বাজে কাজ করছিল যা বলা অসম্ভব। এ সময় আমি লোকলজ্জার ভয়ে কিছুই বলতে পারছিলাম না। রিকশা থেকে নামার পর সে আমাকে বলে শুক্রবার আমাকে ফোন দিলে যেন আমি বের হই, সে আমাকে নিয়ে গাজীপুর যাবে। সেখানে গিয়ে তাঁর সাথে আমাকে সময় কাটাতে হবে। সে বলে ১৭ লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গা কিনে দিবে আমাকে।’

রিকশা থেকে নেমে বাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে মামলার সিদ্ধান্ত নেন ওই নারী। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে স্কুলের অনেক ছাত্রী বলেছে যে তার চরিত্র ভালো না। সব কিছু মিলিয়ে আমি ১৪ জুন মামলা দায়ের করেছি। এ সময় স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিল আমার সাথে। পিটি করাতে গিয়ে মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া, পিঠে হাত দেওয়াসহ ক্লাস এর ভেতরেও সে অনেক খারাপ কাজ করেছে। অনেক শিক্ষার্থী এগুলো আমাকে বলেছে এবং অনেক শিক্ষার্থী এসব ঘটনার বিষয়ে থানাতেও অভিযোগ করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

374798ba30445ff46903ecabb9a688de-59451e5ae6c44ফাইনাল সবসময়ই বিশেষ। তবে এবারের মতো এতটা বিশেষ সম্ভবত আগে হয়নি কখনও। ওয়ানডে বিশ্বকাপ কিংবা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির লড়াইয়ে উত্তেজনাকর ফাইনাল মঞ্চায়িত হয়েছে অনেক, তবে নিঃসন্দেহে বলে দেওয়া যায় ম্যাচ শুরুর আগে এমন উত্তেজনা আগে কখনও ছড়ায়নি। ভারত-পাকিস্তানের ‘সাধারণ’ ম্যাচ যেখানে উত্তেজনার আগুন ছড়ায় ক্রিকেটের অলিগলিতে, সেখানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের ফাইনালে উত্তেজনার পারদ কোথায় উঠতে পারে, সেটা বলার খুব বেশি দরকার পড়ে না। ওভালে রোমাঞ্চের রেণু ছড়াতে থাকা এই ফাইনাল বাজিকরদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। মোটা অঙ্কের টাকা ‘বিনিয়োগ’ করছে তারা, ভারতীয় রুপিতে অঙ্কটা ২০০০ কোটি!

ভারত-পাকিস্তান ফাইনালে সবকিছুতেই যেন আগুন! মাঠের লড়াইয়ের আগে লেগে গেছে টাকার যুদ্ধও। বিজ্ঞাপনের কথাই ধরুন না। ভারতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সম্প্রচার করছে ‘স্টার স্পোর্টস’, ফাইনাল ম্যাচের জন্য তারা বিজ্ঞাপনের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ১০ গুণ! সংবাদ সংস্থা ‘রয়টার্স’-এর খবর, ফাইনাল ম্যাচের প্রতি ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে ১ কোটি রুপি। যেখানে অন্য সময় দিতে হয় ১০ লাখ রুপি। বিজ্ঞাপনের দাম বাড়ালেও চাহিদা কিন্তু আকাশমুখী। ইতিমধ্যে প্রায় সব ‘স্লট’ বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ‘স্টার স্পোর্টস’-এর একটি সূত্র।

এ তো গেল বিজ্ঞাপনে টাকার ঝনঝনানি। বাজির ‘বাজারে’ তো আরও আগুন! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে প্রায় ২০০০ কোটি রুপির বাজি ধরা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’। শনিবার পত্রিকাটির খবর, অল ইন্ডিয়া গেমিং ফেডারেশন (এআইজিএফ) জানিয়েছে মোটা অঙ্কের এই বাজিতে শিরোপা জেতার লড়াইয়ে ফেভারিট ভারত।

‘বেটফেয়ার’ ওয়েবসাইটের উদ্ধৃতিও ছেপেছে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’। যেখানে জানানো হয়েছে, ‘ভারতের পক্ষে ১০০ রুপির বাজি ধরলে পাওয়া যাবে ১৪৭ রুপি, আর পাকিস্তানের পক্ষে ৩০০ রুপি পাওয়া যাবে প্রতি ১০০ রুপিতে।’ অর্থাৎ বাজিকরদের হিসেবে ভারতের পক্ষে জয়ের পাল্লা ভারি।

রবিবারের ফাইনাল দেখতে মুখিয়ে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। তা তো হবেই। ১০ বছর পর আইসিসির কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত হারিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানকে। তবে আইসিসির ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম সাক্ষাৎ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের। মাঠের বাইরের লড়াই কিন্তু শুরু হয়ে গেছে আগেই, অপেক্ষা এখন আসল লড়াইয়ের। ওয়ান ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ab4d462950691a975690c33836506ad8-59453d4690316চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ দিয়েই ফাইনালে ভারত, আর দুর্দান্ত বোলিং করে এতোদূর এসেছে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার লিজেন্ড কুমার সাঙ্গাকারা মনে করেন, রবিবার কেনিংটন ওভালে লড়াইটা হবে ভারতের ব্যাটিং বনাম পাকিস্তানের বোলিংয়ের।

আইসিসির কলামে সাঙ্গাকারা লিখেছেন, ‘ভারতের শক্তি ব্যাটিংয়ের মাঝে অন্তর্নিহিত, বিশেষ করে তাদের উপরের চার ব্যাটসম্যান চমৎকার। অন্যদিকে পাকিস্তানের শক্তি হলো এর দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণ।’

সাঙ্গাকারার মতে ফাইনালে নিশ্চিত ফেভারিট হিসেবে খেলবে। কিন্তু পাকিস্তানের সুযোগ ফেলনা নয়। ভারতের শক্তি নিয়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক লিখেছেন, ‘অনেক আত্মবিশ্বাসী থেকে খেলবে ভারত, এটার যোগ্য তারা। টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে উঁচুশ্রেণীর ক্রিকেট খেলছে তাদের সেরা দলটি।’

সাঙ্গাকারার মতে ভারত সব দিক থেকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে, ‘তাদের ব্যাটিং দুর্দান্ত। বোলিংটা বৈচিত্র্যময়ী এবং প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফিল্ডিংয়ে তারা সতর্ক ও শক্তিশালী।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

382c9749a4dc7cb79b6e9023429f1f57-594565abd3e1cপ্রথমবার কনফেডারেশনস কাপে খেলছে রাশিয়া। স্বাগতিক হওয়ার সুবাদে এ টুর্নামেন্টে তাদের অভিষেক হলো। আর প্রথম ম্যাচেই তারা হাসিমুখে মাঠ ছাড়ল, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও খুশি করল তারা। শনিবার প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রুশরা।

আগের ৯টি কনফেডারেশনস কাপে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল স্বাগতিক দল। এবার কি রাশিয়ার সেই সৌভাগ্য হবে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতেই হবে। তবে শুরুর জয়টা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকখানি।

সেন্ট পিটার্সবুর্গে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েছে রাশিয়া। দুইবার সুযোগ নষ্টের পর মাইকেল বোক্সালের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় তারা। ৩১ মিনিটে ডেনিস গ্লুশাকোভের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে নিজেদের জালে বল জড়ায় নিউজিল্যান্ডের এ ডিফেন্ডার।

অন্যের উপহার দেওয়া গোলে সন্তুষ্ট থাকেনি স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৯ মিনিটে ফিওদোর সমোলোভ প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান। চার ম্যাচে এটি তার তৃতীয় আন্তর্জাতিক গোল।

এনিয়ে কনফেডারেশনস কাপের ১০টি ম্যাচের একটিও জিততে পারল না নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ‘এ’র অন্য ম্যাচে পর্তুগাল ও মেক্সিকো মুখোমুখি হবে রবিবার। সূত্র- গোলডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

NKXRXg_greenস্বাস্থ্য ও জীবন : পরছে গরম। লাগছে চরম। গরম ভাল লাগে এমন মানুষ আমাদের দেশে আছে সেটা বোধহয় ভাবা ঠিক হবেনা। এই গরমে একটু অসচেতন হলেই হতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক-এগুলো গরমের খুব প্রচলিত সমস্যা। ছাতিফাটা গরমে ডিহাইড্রেশন? শরীরের নুন-জল ঘাম হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে? গ্যাস, অম্বল, পেট খারাপে নাজেহাল দশা? প্রতিদিন ডাবের জল মাস্ট। সুস্থ থাকবে হার্ট, কিডনি। কমবে ওজন। কমাবে বয়স। স্কিন থাকবে টানটান।
কচি ডাবের কেরামতিতে মাত্র সাত থেকে সত্তর। ব্লাড প্রেশার কমায়। হার্ট টনিকের কাজ করে। হ্যাংওভার কাটায়। মাথাব্যথার মহৌষধ। ওজন কমায়। বয়স কমায়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কচি ডাবের জল। চাঁদিফাটা এই গরমে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে একগ্লাস কচি ডাবের জল। যাতে রয়েছে ভিটামিন।
কচি ডাবের জলে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম, ই-কমপ্লেক্স ভিটামিন, ভিটামিন ঈ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্ক। ডাবের জলের প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়। প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে কিডনির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ডাবের জল। বিভিন্ন খাবার এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস পেটে ঢোকে, সেগুলো মারতে একগ্লাস ডাবের জলই যথেষ্ট।
বমি হলে রক্তে পটাসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়। ডাবের জল সেই ঘাটতি পূরণ করে। তাই অতিরিক্ত গরমে ডিহাইড্রেশন, ডায়েরিয়া, বমির জন্য ডাবের জল খুব উপকারি। এতে জলের পরিমাণ থাকে ৯৪ শতাংশ। তাই ত্বকের সৌন্দর্যরক্ষায়, পুরো দেহের শিরা-উপশিরায় সঠিকভাবে রক্ত চলতে সাহায্য করে। দেহে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়ে। প্রতিটি অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত পৌছয়। ফলে পুরো দেহ হয়ে ওঠে সতেজ ও শক্তিশালী। ডাবের জল চুলের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এতে কোনও চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। প্রচুর খনিজ উপাদান থাকায় বাড়ন্ত শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবার জন্য ডাবের জল উপকারি।
তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ডাবের জল খাওয়ার কিছু বিধিনিষেধ আছে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেই ডাবের জল খাওয়া উচিত। কিডনিতে পাথর রয়েছে বা ডায়ালিসিস চলছে, এমন রোগীদের ডাবের জল খাওয়া নিষেধ। কারণ, উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

education_24420কলারোয়া ডেস্ক : ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। কিন্তু সেই খুশির ঈদ আনন্দ অনেকটা ম্লান হয়ে পড়েছে কলারোয়া উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের। এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা নামমাত্র বোনাস পেলেও মূল বেতন-বোনাস না পাওয়ায় ঈদেরর খুশি-আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা। দিনের পর দিন বেতনভাতা না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এসকল শিক্ষক সমাজ। সেই আর্তনাদে যোগ হয় ঈদ-পার্বনের সময়।
উপজেলার শিক্ষকদের প্রতিবাদ, ফরিয়াদ কিংবা আর্তনাদ-কোনটাই শুনবার যেন কেউ নেই। এত স্মারকলিপি, মানববন্ধন, সভা, সমাবেশ, কিছুতেই আজও কারো কর্ণপাত নেই, নেই কোন কার্যকর প্রদক্ষেপ নেয়ারও।
একজন শিক্ষকের কথা লক্ষ মানুষে শুনে থাকে। লক্ষ শিক্ষকের কথা এক-দু’জন মানুষে শোনে না! শোনে না তাদের বেতন-বোনাস না পাওয়ার আর্তনাদ।
পৃথিবীর আর কোনো দেশে শিক্ষকরা এত নিগৃহীত কীনা সন্দেহ। আশ্চর্য একমাত্র আমাদের শিক্ষকদের যত দুর্দশা ও দুর্ভোগ।
নন-এমপিও অনেক শিক্ষক বিনা বেতনে শিক্ষকতা করেন। দিনের পর দিন পাঠদান করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিচ্ছেন, সেই শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি চাকরি কিংবা ব্যবসা করে আয় রোজগার করছেন কিন্তু শিক্ষকরা বিনা বেতনে রয়েছেন এখনো। সেই কষ্টের সাথে বিষফোড়া হয়ে ওঠে ঈদের সময়।
এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা মাত্র ১হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫’শত টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং বেতনের ২৫% মাত্র ঈদে বোনাস পেয়ে থাকেন। তারা ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখি ভাতার জন্য শত আন্দোলন করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের হৃদয় এতটুকু বিগলিত হয় না।
চলতি রমজানের শেষে ঈদুল ফেতরের শুভাগমন। মুসলমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মীয় উৎসব। সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্তু দিনটি নিরানন্দে কাটে এখানকার বেসরকারি শিক্ষকদের। আনন্দের জায়গায় থাকে দীর্ঘশ্বাস। পরিজনের মুখে হাঁসি ফুটাতে না পারার কষ্ট।
আবার কারো কারো কোন বোনাসই নেই। কারো কারো সিকি বোনাস।
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, আর সেই শিক্ষাদানে যারা অবিরত পেশায় নিয়োজিত তারা বিনা বেতনে কিংবা বেতনভূক্ত হয়েও যতসামান্য বোনাসে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে বাধ্য হচ্ছেন। আনন্দের ঈদে মানসিক নিরানন্দে এমপিওভূক্ত ও নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা। এ দুঃখ কষ্টের শেষ কবে হবে বাংলাদেশে তা যেন কেউ জানেন না। তবু আশার দোলাচলে এ সকল শিক্ষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest