সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

________ ________নিজস্ব প্রতিবেদক : সম্প্রতি ঝড়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর দাখিল মাদরাসার ক্লাসরুমের টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীরাও মাদারাসা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছে। এমনই চিত্র দেখা গেলো ওই প্রতিষ্ঠানে।
জানা গেছে- অতিসম্প্রতি বয়ে যাওয়া ঝড়ে মাদরাসাটির জরাজীর্ণ ৫টি ক্লাসরুমের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। তবে সেটাকে পুশিয়ে নিতে মাদারসার খোলা চত্বরে আকাশের নিচেই পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা। ওই মাদরাসার অপর একটি ছাদের বিল্ডিং-এ প্রশাসনিক অফিস ও ক্লাসরুম থাকলেও তা সকল শ্রেণির জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল। আর তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে খোলা আকাশের নিচে চেয়ার-বেঞ্চ বসিয়ে-ই পাঠদান চলছে।
এ প্রতিষ্ঠানে ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম (দাখিল) শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩’শ শিক্ষার্থী রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির সংষ্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সাংসদ, ইউএনও, শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেছেন মাদরাসার সুপার মাসুম বিল্লাহ।
জরাজীর্ণ এ মাদরাসাটি দ্রুত সংষ্কারের জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

___-____নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শীল-পাটা-নোড়া’- এ নামগুলো অনেকের কাছে পরিচিত আবার অনেকের কাছে কিছুটা অপরিচিত। হ্যা, অপরিচিত এ কারণে যে- বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে এগুলোর ব্যবহার কমে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে। স্থানীয় ভাষায় ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ছিল রান্নার অন্যতম প্রধান সরঞ্জাম।
যে কোন পরিবারের রান্না-বান্নার জন্য মসলা অপরিহার্য। আর সেই মসলা প্রস্তুত করণের জন্য ‘শীল, পাটা কিংবা নোড়া’র ব্যবহার ছিল অবসম্ভাবী। ‘ছিল’ কথাটিরও তাৎপর্য আছে। বর্তমানে মসলা তৈরির জন্য অনেকেই আর এ ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ব্যবহার করেন না। বাজার থেকে প্যাকেটজাত রেডিমেট মসলা পাওয়া যাচ্ছে, কিংবা আধুনিকতার ছোয়ায় ব্যালেন্ডার মেশিনেও মসলা তৈরি করছেন গৃহিনী ও রাধুনীরা।
রান্না-বান্নার ক্ষেত্রে যেকোন বাটা বা বাটনার ক্ষেত্রে এ ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার ছিল গ্রাম্যঞ্চল থেকে শুরু করে শহুরেও। আদা, রসুন, পেয়াজ, লবঙ্গ, এলাচ, দালচিনি (দারুচিনি), গরম মসলা, সরিষাসহ সকল মসলা ও ঘেটকলসহ বিভিন্ন সবজিও বাটার জন্য ‘শীল ও নোড়া’য় হাত বুলাতে হতো। সাধারণত পাথরের তৈরি এ ‘শীল-নোড়া’র ঘর্ষণে মসলা হতো মিহি আর চমৎকার স্বাদপূর্ণ। সেক্ষেত্রে ‘শীল-নোড়া’য় ছোট ছোট গর্ত করে ‘ধার কাটানো’ থাকতো। মসলা তৈরি লক্ষ্যে ‘শীল ও নোড়া’য় ঘর্ষণে যখন সেই ‘ধার’ ক্ষয়ে যেতো তখন কয়েক মাস পর পর ওই ‘শীল-পাটা-নোড়া’য় ‘ধার কাটানো’ হতো। আর পেশায় নিয়োজিত ছিলো এক শ্রেণির মানুষ। তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ‘শীলের ধার কাটাবেনৃনোড়ার ধার কাটাবেনৃ’ বলে চিৎকার করে কাজ ‘শীল-নোড়া’য় ‘ধার কাটিয়ে’ তাদের পেশার স্বপক্ষে আয়-রোজগার করতেন। ‘শীল-পাটা-নোড়া’কাটানো কারিগররা নিপুন হাতে লোহার ছেনি-হাতুড়ি দিয়ে গৃহস্থলির ‘শীল-নোড়া’র ‘ধার কাটাতেন’ চশমা পড়ে, চোখ বুজে, চোখে কাপড় বেধে কিংবা খালি চোখেও।
বর্তমানে বিশ্বায়নের আধুনিক যুগে অধিকাংশ গৃহবধূরা রান্নার ক্ষেত্রে মসলা বাটেন বা মিহি করেন ব্যালেন্ডার মেশিনে কিংবা বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত মসলা দিয়ে। ফলে কমে এসেছে ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার।
কয়েক বছর আগেও এমন চিত্র সচারচার দেখা মিললেও এখন তেমনটা আর দেখা মেলে না। তবু এ পেশার ‘কিছু মানুষ’ তাদের পেশা ছাড়েন নি। অনেক গৃহিনী কিংবা রাধুনিরাও ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার ছাড়েন নি। ভবিষ্যতে হয়তো বা আর এই কারিগরদের দেখা মিলবে না, খুজে পাওয়া যাবে না ‘শীল-পাটা-নোড়া’ও। আজকের শিশুদেরও ভবিষ্যতে হয়তো এগুলো সম্বন্ধে অজানা থাকতে পারে। হয়তো স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে আজকের এই ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ও এর কারিগররা। তবে কালের বিবর্তনে যতই মিলিয়ে যাক না কেন এগুলো ধরে রাখারও চেষ্টাও থাকবে অনেকের। এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

43_455x600দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার সম্রাট বিকেএসপিতে চান্স পেয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(বিকেএসপি)তে খেলার সুযোগ হয়েছে ক্ষুদে ক্রিকেটার দেবহাটার মাঘরী গ্রামের কৃতি সন্তান আহম্মেদ ইবনে জুবায়ের সম্রাট। সে দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক “দৈনিক কালের চিত্রের” দেবহাটা ব্যুরো প্রধান আব্দুর রব লিটু ও আমেনা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষিকা আকলিমা খাতুনের পুত্র। সে দেবহাটা বিবিএমপি মডেল হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র হওয়ায় পড়াশুনার পাশাপাশি পারুলিয়া কম্পিউটার সোর্স ক্রিকেট একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন করত। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা ক্রিড়া সংস্থার মাধ্যমে বিকেএসপি’র যাচাই-বাছাইয়ে বাম হাতি মিডিয়াম প্রেসার হিসাবে চট্টগ্রাম বিকেএসপিতে সুযোগ পেয়েছে। তার উজ্বল ভবিষতের জন্য সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

666আমি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পিতা- মৃত: ডা: শেখ জিয়াউর রহমান, সাং- সুলতানপুর, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা, সহ- সম্পাদক, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন, দৈনিক পত্রদূত ২২ বর্ষ ১২৬ সংখ্যা শনিবার ৩রা জুন’ ১৭ নামক সংবাদপত্রের ১ম পৃষ্ঠার ৪/৫নং কলামের “সংবাদ পত্রে প্রকাশিত সংবাদে মীর মাহমুদ হাসান লাকী’র ব্যাখ্যা ও কিছু কথা” নামক মুদ্রিত ও প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়ীভূত করিয়া যে বক্তব্য প্রদান করা হইয়াছে উহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বিধায় আমি উক্তরূপ প্রকাশিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করিতেছি।
গত ইং ৩/৬/১৭ তারিখের সংবাদপত্রে প্রকাশিত ব্যাখ্যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশনের দোকানের পূর্বের লীজ গ্রহীতার সাথে ১৫০/- টাকা মূল্যের দুটি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পজেশন হস্তান্তর নামা সম্পাদন করিয়াছেন এবং তিনি গত ইং ২১/১/১৭ তারিখে সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন থেকে দোকান ঘরের চুড়ান্ত পজেশন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি আমি সম্পাদিত পজেশন হস্তান্তর নামায় স্বাক্ষী আছি মর্মে উল্লেখ করিয়াছেন। কিন্তু উল্লেখ্য ১৭,০০,০০০ (সতের লক্ষ) টাকা ডীড সম্পাদনকালে আমার উপস্থিতিতে আদৌ লেনদেন হয় নাই হেতু আমি উক্ত টাকা গুণিয়া লইয়াছি মর্মে কথিত বক্তব্য প্রকৃত সত্যের পরিপন্থীসহ আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করিবার অপপ্রয়াস হইতেছে মাত্র।
উল্লেখ্য যে, আহছানিয়া মিশনের পক্ষে দোকানঘর ভাড়া সংক্রান্ত একটি উপ কমিটি আছে এবং উক্ত উপ কমিটির আমি একজন সদস্য হইতেছি। কিন্তু গ ইং ২১/০১/১৭ তারিখের সম্পাদিত দোকানঘর ভাড়া চুক্তিপত্রকালে আমি আদৌ উপস্থিত ছিলাম না।
পরবর্তীতে গত ইং- ২১/০১/১৭ তারিখের সম্পাদিত চুক্তিপত্রের ৫ ও ১০ নং শর্তে উল্লেখ্য বিষয়টি সম্পূর্ণ পেশীশক্তি বলে উপেক্ষা করত: আহছানিয়া মিশনের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন প্রকার অনুমোদন ব্যতিরেকেই ভাড়া নেওয়া দোকানঘরটির ইচ্ছামত পরিবর্তন/পরিবর্ধন করিবার স্বার্থে উক্ত দোকানঘর ভাঙিয়া শার্টার ৩টা, ক্লাসিকাল গেট, ২টা জালানার ২টা গ্রীলও বাইল ও আনুমানিক ৩,০০০ (তিন হাজার) ইটসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি (যাহা আহছানিয়া মিশনের নিজস্ব সম্পত্তি) বিক্রয় করিলে এবং তাহার অযাচিত কার্যের ফলে দোকানঘর ছাদ ভাংগিয়া পড়িলে উক্ত বিষয়ে আহছানিয়া মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ অবগত হইয়া উক্ত মীর মাহমুদ হাসান লাকীকে চুক্তির ৫ ও ১০নং শর্তাবলী এবং একই সাথে ৯নং কলামে বর্ণিত শর্তাবলী লংঘনের কথা বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হইয়া বলেন, “আমি বর্তমানে সংসদ সদস্য, সাতক্ষীরা-২ এর আপন ভাই, আমার কাছে কৈফিয়ৎ চাইতে এসেছিস, তোদের মজা দেখাব”- ইত্যাদি মর্মে আস্ফালন এবং হুমকি প্রদর্শন পূর্বক উপস্থিত মিশনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করিয়া অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকিবার এক পর্যায়ে আমি আমার পত্রিকা অফিসে আসিবার পথে লোক সমাগম দেখিয়া উক্ত দোকানঘরের পার্শ্বে যাই এবং লাকীর অগ্নিমূর্ত্তিসহ উল্লেখ্যরূপ হুমকি ও আস্ফালনমূলক বক্তব্য স্বকানে শ্রবণ করিয়া কোনরূপ মন্তব্য ব্যতিরেকেই আমার অফিসে চলিয়া আসি।
পরবর্তীতে উক্ত মীর মাহমুদ হাসান লাকীসহ তাহার দলবল আমাকে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট অফিসের সামনে পাইয়া কেন সেদিন লাকীর পক্ষালম্বল গ্রহণ করি নাই মর্মে জিজ্ঞাসাবাদে আমি কোন উত্তর দেওয়ার পূর্বেই আমাকে আক্রমণ করিতে উদ্যত হইলে আমি প্রাণ ভয়ে দ্রুত আসিয়া আমার পত্রিকা অফিসে প্রবেশ করিলে পিছু পিছু লাকীসহ তার দলবল ও পত্রিকা অফিসের অনধিকার প্রবেশ পূর্বক ক্ষমতার দাপট ও ত্রাস সৃষ্টি করিয়া লাকী তাহার হাতে থাকা পিস্তল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমানের মাথায় ঠেকিয়ে মৃত্যুভয়ে ভীত করে এবং ময়নুল ইসলাম হাফিজুর রহমানের গলা চাপিয়া শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করিয়া অফিসে থাকা সকলকে টু শব্দটি করিতে নিষেধ করে এবং তাহার হুকুমে অন্যান্যরা অফিসে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল ভাংচুর করিয়া দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এতদস্বত্ত্বে¡ও বর্ণিত প্রকৃত সত্য গোপন করত: নিজ কৃত ও সংঘটিত অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে আমাকে জড়ীভূত করিয়া গত ইং ৩/৬/১৭ তারিখে যে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যেমূলক বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশ করিয়াছে উহার তীব্র প্রতিবাদ জানাইতেছি।

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু
সহ-সম্পাদক দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা
সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিকলীগ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IMG_3368শ্যামনগর ব্যুরো : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা  যোগিন্দ্রনগর ছোট কুপট গ্রামের নারী লোভী শাহিনুর ইসলাম (৩৫) পরকীয়া প্রেমে মত্ত হয়ে স্ত্রী ময়না খাতুনের (২৪) বাম হাতের কবজী, গোপণাঙ্গ কর্তন এবং দুটি চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। পাষ- শাহিনুর ছোট কুপট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস গাজীর পুত্র। মারাতœক আহত স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, তার স্বামীর সাথে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে ভারতে কাজ কর্ম করে অতিকষ্টে দিনযাপন করতেন। অথচ তার স্বামী প্রায়ই যৌতুকের জন্য দফায় দফায় তার কাছ থেকে টাকা নিত। এ টাকা খরচের খাত হিসেবে স্বামীকে সন্দেহ করতে থাকে তার স্ত্রী ময়না। একদিন এক হিন্দু মহিলার সাথে উলঙ্গ অবস্থায় তার স্বামীকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। স্বামীকে বুঝানোর পরও সে ওই অনৈতিক কাজ করতে থাকে এবং মদ গাজায় মত্ত থাকে। পরবর্তীতে এ কাজে বাধা দেওয়ায় তার স্বামী শাহিনুর তার ২ হাত পা বেঁধে প্রথমে লোহার শিক দিয়ে খুচিয়ে চোখ ২টি নষ্ট করে দেয়, তারপর কাতারী দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতের কবজী কর্তন করে এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। অবশ্য চিকিৎসক বলছেন একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা ময়না খাতুনকে উদ্ধার করে কলকাতায় হাসপাতালে ভর্তি করে। ময়না খাতুন কে গত ২ জুন বাংলাদেশের তার গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে আসলে শত শত নারী পুরুষ তাকে দেখতে ভিড় জমায় এবং পাষান্ড স্বামীকে তিরষ্কার করতে থাকে। তার এধরণের কাজে স্বামীকে উৎসাহ দিতে শাহিনুরের ভাই জহিরুল ইসলাম ও তার মা সাহায্য করে বলে ময়না খাতুন জানান। ময়নার প্রতি এ ধরণের অত্যাচার জাহিলিয়াতের যুগকেও হার মানায় বলে স্থানীয়রা জানান। তার ২ সন্তানকে পাষান্ড স্বামী শাহিনুর ভারতে আটকে রেখে আত্মগোপনে থাকায় এ ব্যাপারে তার ভাষ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ময়না খাতুন শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

yunus-hilaryড. মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলায় হিলারি ক্লিনটন কোন হস্তক্ষেপ করেছেন কি না তা তদন্ত করতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়েছে মার্কিন সিনেট।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে এক চিঠিতে মার্কিন সিনেট বিষয়টি জানতে চেয়েছে।

এতে বলা হয়, ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের একজন ডোনার ও হিলারির বন্ধু ড. মুহম্মদ ইউনুসকে নিয়ে বাংলাদেশে বেশ কিছু দুর্নীতির মামলা চলছিল।  সেই মামলা পরিচালনায় মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন হস্তক্ষেপ করেছেন- এমন অভিযোগ মার্কিন সিনেটের কাছে রয়েছে।

এই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়েছে সিনেট।

চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদের সঙ্গে এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারির কোন কথা হয়েছে কি না সে বিষয়েও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র মিশনের সাবেক উপ-প্রধান জন ডানিলোভিচকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে চেয়েছে সিনেট কমিটি।

সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান চাক গ্রাসলির এই চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির বাইরে গিয়ে শুধু ব্যক্তিগত ও ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের সাথে আর্থিক সম্পর্কের কারণে একটি সার্বভৌম সরকারের স্বাধীন তদন্তে হস্তক্ষেপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী (হিলারি) যদি তার ক্ষমতা ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে সেটা অগ্রহণযোগ্য।

চিঠিতে গ্রাসলি বলেন, বিল ক্লিনটন আরকানসাসের গভর্নর থাকাকালেই হিলারির সঙ্গে ইউনূসের ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর থেকে কয়েক দশক ধরে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের প্রচারক ছিলেন ইউনূস। তাকে ফাউন্ডেশনের অনেক অনুষ্ঠানে প্রচারে অংশ নিতে দেখা গেছে। বিল ক্লিনটন ব্যক্তিগতভাবে নোবেল কমিটির কাছে ইউনূসের পক্ষে লবিং করেন এবং ২০০৬ সালে ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

বিভিন্ন প্রতিবেদনের উল্লেখ করে গ্রাসলি বলেন, ইউনূসের বিভিন্ন কোম্পানি ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভকে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছে। ইউনূসের কোম্পানিগুলো ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে ২৫ হাজার ডলার থেকে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছে।

হিলারি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর হিলারি ও ইউনূসের মধ্যে সম্পর্ক গভীরতর হয়। হিলারি ক্লিনটনের পররাষ্ট্র দফতর জনগণের ট্যাক্সের এক কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি তহবিল ইউনূসের ব্যবসায় দিয়েছে।

গ্রাসলি তার চিঠিতে আর উল্লেখ করেন যে, কিছু আইনি লঙ্ঘণ এবং বয়সের সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ সরকার ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক বোর্ড অব ডাইরেক্টরের পদ থেকে অপসারণ করে। ওই সময়ে ইউনূসের সহযোগী- ক্লিনটন ফাউন্ডেশন, হিলারি ক্লিনটন, শেরিল মিলস এবং পররাষ্ট্র দফতরের অন্য স্টাফদের মধ্যে যে ই-মেইল চালাচালি হয়েছে তাতে স্পষ্ট যে, ইউনূসের তদন্তে মধ্যস্থতা করার মিলিত চেষ্টা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চাপে রাখতে এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত আটকাতে হিলারির কর্মকর্তারা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনার পুত্র ও তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয় অভিযোগ করেন, ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানোর পর ওই সময় পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ এনে তদন্ত শুরুর হুমকি দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ইউনূসকে সরানোর পর নিয়মিত হুমকি দিতো করত যুক্তরাষ্ট্র।

বয়সসীমা অতিক্রান্ত হওয়ার কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালে ইউনূসকে যখন গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরানো হয়। সেসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। গত ১১ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেন যে, ২০১১ সালের মার্চে হিলারি ক্লিনটন তার অফিসে ফোন করে ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানান।

বাংলাদেশি ওই তদন্তের বিষয়ে রাজস্ব বিভাগের নিরীক্ষার কথা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বলেছিলেন কি না এবং বিষয়টি পররাষ্ট্র দপ্তরের মহাপরিদর্শক বা বিচার বিভাগের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল কি না, তা পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে জানতে চেয়েছেন সিনেটর গ্রাসলি; চিঠিতে সংযুক্ত পররাষ্ট্র দপ্তরের সব ই-মেইলের অবিকৃত কপিও চেয়েছেন।

সেইসঙ্গে ইউনূসের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হলে সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে রাজস্ব বিভাগের তদন্তের কথা বলার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জন ডানিলোভিচকে কমিটির মুখোমুখি করার বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জয়ের বক্তব্য অনুযায়ী ২০১০-১২ সময়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বেশ কয়েকবার কথা হয়েছিল। প্রায় প্রতিটি বৈঠকেই ইউনূস তদন্তের বিষয়টি সামনে এনে তা বন্ধ করতে তার উপর চাপ দেওয়া হত বলে তিনি বলছেন।

ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকায় সাবেক রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি ও ড্যান মজীনা, সাবেক মিশন উপ-প্রধান জন ডানিলোভিচ ও ইউএসএআইডির প্রশাসক রাজিব শাহের নাম রয়েছে।

ডানিলোভিচের সঙ্গে দুই বারের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেছেন জয়, যেখানে মায়ের প্রভাব খাটিয়ে ইউনূসের বিষয়ে তদন্ত বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে জয়ের বিরুদ্ধে রাজস্ব বিভাগের নিরীক্ষা হতে পারে বলে উল্লেখ করেছিলেন ডানিলোভিচ।

জয়কে উদ্ধৃত করে চিঠিতে বলা হয়, ইউনূসের বিষয়ে বারবার উদ্বেগ জানিয়ে বার্তা পাঠানোর সময় পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রায়েই দুঃখ প্রকাশ করতেন। তারা যে শুধু শীর্ষ পর্যায়ের কর্তাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন তা স্পষ্ট করতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496482191অবশেষে পর্দা নামছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। কার্ডিফে রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শেষ হচ্ছে ঘটনাবহুল এবারের আসর। ওয়েলসের মিলেনিয়াম স্টেডিয়ামে শনিবার রাত পৌনে ১টায় শুরু হচ্ছে ম্যাচটি।  বার্সেলোনাকে হারিয়ে এই মৌসুমে লা লিগার শিরোপা জয় করেছে জিদানের দল। এবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ডাবল জিততে চায় লস ব্লাঙ্কোসরা। অন্যদিকে রোমাকে হারিয়ে এবারের সিরি আ জিতেছে তুরিনের ওল্ড লেডি খ্যাত জুভেন্টাস। কোপা ইতালিয়ার ফাইনালে লাজিওকে হারায় বুফনরা। এবার ট্রেবল জয়ের মিশনে নামছে দলটি।

ফাইনালের আগে পরিসংখ্যান অবশ্য রিয়ালের পক্ষেই কথা বলছে। এর আগে ১৮ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাস। আটবারই জয়ের দেখা পেয়েছে স্পেনের দলটি। হেরেছে মাত্র দুই ম্যাচে। ড্র হয়েছে বাকি আটটি ম্যাচ। আজ মাঠে নামার আগে এই পরিসংখ্যান অনুপ্রেরণাই জোগাবে রোনালদোদের। এমনকি সর্বশেষ ম্যাচেও জয় পায় রিয়াল। ১৯৯৮ সালে শেষবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জুভদের মুখোমুখি হয় রিয়াল। সেবার তুরিনের রানিদের ১-০-তে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল মাদ্রিদের ক্লাবটি।

আজ মাঠে নামার আগে বিরল এক রেকর্ডের মুখে দাঁড়িয়ে রোনালদোরা। এই ম্যাচ জিতলেই প্রথম কোনো দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জিতবে দলটি। ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ইউরোপিয়ান কাপ নামে চালু ছিল টুর্নামেন্টটি। শুরুর পর টানা পাঁচবার এই খেতাব নিজেদের করে নেয় মাদ্রিদ। ১৯৯০ সালে নতুন নামে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো দল টানা দুবার এই শিরোপা জিততে পারেনি। এবার সেই রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। এবার জিতলে ১২তম বারের মতো ইউরোপ সেরার খেতাব জিতবে দলটি।

অপরদিকে এর আগে মাত্র দুবার ইউরোপ সেরা হয়েছে জুভেন্টাস। ১৯৮৬ সালে লিভারপুলকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জেতে জুভরা। আর ১৯৯৬ সালে অ্যাজাক্সকে হারিয়ে শেষবারের মতো ইউরোপ সেরার ট্রফি ঘরে তোলে দলটি। এরপর ২০০৩ ও ২০১৫ সালে ফাইনালে ওঠে ইতালির ক্লাবটি। প্রথমবার এসি মিলান ও পরেরবার বার্সেলোনার কাছে হেরে বসেন বুফনরা।

শেষ পর্যন্ত শিরোপা উঁচিয়ে শেষ হাসি কে হাসবে সেটা জানতে হলে চোখ রাখতে হবে কার্ডিফে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Road_Accident_symbol_jpgবড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনির বড়দলে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা ও ছেলে মারাত্মক আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় দিকে গোয়ালপাঙ্গা টু বড়দল সড়কের ফকরাবাদ গালস স্কুলের সামনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তোয়াড় ডাঙ্গা গ্রামের এনায়েত মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান দ্রুত গতিতে মটরসাইকেল চালিয়ে বড়দর থেকে গোয়ালপাঙ্গার দিকে আসছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌছালে রাস্তার মধ্যে ছাগলের সাথে মটরসাইকেটি ধাক্কা খেয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশ্বে বসে থাকা ফকরাবাদ গ্রামের নিকন্দ মন্ডলে স্ত্রী আলো রানী(২৮) ও সন্তান সৌরভ মন্ডল(৮) এর উপর উঠে গেলে মা ও ছেলে মারাত্মক আহত হয়। আশাশুনি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জি এম ছাইফুল্লাহ আহতদেরকে প্রাথমিক পর্যায়ে গোয়লডাঙ্গা বাজারে চিকিৎসা দেন। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে আহতদেরকে সাতক্ষীরা সদরে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest