সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

দেবহাটা  প্রতিনিধি :
দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে  ওয়ারেন্টভুক্ত ০২ জন আসামী গ্রেফতার করেছেন। সাতক্ষীরা জেলার  পুলিশ সুপার  কাজী মনিরুজ্জামান (পিপিএম)  দিক নির্দেশনায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)  মোঃ সজীব খান , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্)  মোঃ আতিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল-অতিরিক্ত দায়িত্বে)  মোঃ আমিনুর রহমান  সার্বিক  তত্ত্বাবধানে।
দেবহাটা থানার  অফিসার ইনচার্জ  শেখ ওবায়দুল্লাহ  নেতৃত্বে। দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে ইং ০২/০৩/২০২৩ ইং তারিখ, এসআই(নিঃ) লালচাঁদ, এসআই (নিঃ) মোঃ শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ জিআর-৫৬০/২১(সাতঃ) এর আসামী ১। ইউসুফ হোসেন (২১), পিতা-মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাং-বালিয়াডাঙ্গা, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা সিআর -১০৮৩/২২(সাতঃ) এর আসামী আসামী ২। ইউনুছ আলী (২১), পিতা-নজরুল ইসলাম, সাং-কুলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাদ্বয়কে দেবহাটা থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন। আসামীদ্বয়কে ইং-০২/০৩/২৩ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা প্রতিনিধি :
দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরা আজিজুল তছিমুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২মার্চ বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের মাঠে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল হকের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক আলিমুর রহমানের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সোলায়মান হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইমাদুল ইসলাম ও বাবু বিভুদি ভুষন দত্ত, দেবহাটা সরকারি বিপিন বিহারি মেমোরিয়াল পাবলিক ইনস্টিটিউশানের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন লাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সামছুজ্জামান ময়না, সহকারী শিক্ষক রফিক-উল ইসলাম খান, সেলিমুজ্জামান, তপন কুমার গাইন, রুবেল আহমেদ প্রমুখ।
এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের সামনে সুশাসনের জন্য নাগরিক এর উদ্যোগে জাতীয় ভোটার দিবস মানব বন্ধনের মাধ্যমে পালিত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা সুজনের সহ সভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশের সভাপতিত্বে এ মানব বন্ধুন করা হয়েছে।
এ মানববন্ধনে সাতক্ষীরা জেলা সুজনের সম্পাদক সিনিয়র প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, সুজন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছ। তাই দিবসটির তাৎপর্য সুজন-এর কাছে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ।
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সরকার গণতন্ত্র, নির্বাচন ও ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়।
২০১৯ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপন শুর“ হলেও ২০২০ সালে তারিখটি পরিবর্তন করে ২ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস ঘোষণা করা হয়। আমরা নাগরিক সংগঠন সুজন-এর পক্ষ থেকে সারাদেশের ন্যায় দিবসটি সাতক্ষীরায় পালন করলাম বলে বক্তব্যে বলেন। এ সময় মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন, সুজন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মো মন্জুর হোসেন, যগ্ম সম্পাদক শেখ আবুল কালাম আজাদ, সহ সম্পাদক মৃনাল কুমার সরকার, হাসিনা খাতুন পুতুল, প্রচার সম্পাদক সাকিবুল হাসান বাবলা প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ আগামি ৪ মার্চ শনিবার সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির জনসভা উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠণটির সাতক্ষীরা জেলা শাখা বৃহষ্পতিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ হলরুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি কমঃ মহিবুল্লাহ মোড়লের সভাপতিত্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠণের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কমঃ মঈনুল হাসান, কমঃ প্রকৌশলী আবিদুর রহমান, কমঃ পাল সুভাশিষ, জেলা কমিটির সদস্য নির্মল সরকার, যুব মৈত্রীর জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার শীল, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

মূল বক্তব্য পাঠকালে অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু বলেন. বিশ্বের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি বিভাগীয় শহর ও জেলায় জেলায় জনসমাবেশ করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে আগামী ৪ শনিবার দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামী সভাপতি সাংসদ কমঃ রাশেদ খান মেনন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, করোনা পরিস্থিতি এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। বাংলাদেশকেও এর ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে। এসব ধাক্কা কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ও রিজার্ভ বাড়ছে। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলি টানেল, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এর মত বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রকাশ করে। কিন্তু এই উন্নয়নের ছোঁয়া গ্রামাঞ্চলের গরিব ও শ্রমজীবী মানুষ পাচ্ছে না। যাদের কারণে আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই প্রবাসী শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক ও গ্রামের কৃষক-ক্ষেতমজুররা এই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

দফায় দফায় তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে কৃষিক্ষেত্রে ও দ্রব্যমূল্যের উপর। কৃষি উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। অপর দিকে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও তারা ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। একদিকে যেমন কৃষকের সার, বীজ, কীটনাশক কর্পোরেট পুঁজির মালিকদের নিয়ন্ত্রণে অন্যদিকে তেমনি এ সকল সার, বীজ ও কীটনাশক ভেজালে পরিপূর্ণ। তাছাড়া কৃষিতে রয়েছে বাজার সিন্ডিকেট যারা রাতারাতি ইচ্ছেমত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করছে। দ্রব্যমূল্য ও বাজার ব্যবস্থায় নেই সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি দীর্ঘদিন থেকে রাজপথে এবং সংসদে পূর্ণাঙ্গ রেশনিং ব্যবস্থা ষাটোর্ধ্ব সকল নাগরিককে পেনশন স্কীম, খেতমজুরদের রেজিস্ট্রেশন ও সারা বছর কাজের দাবিতে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। সরকার ওএমএস ১০ কেজি ও ৩০ কেজি চালের কার্ড চালু করলেও সেখানে চলছে দলীয়করণ ও দুর্নীতি। সেজন্য সার্বজনীন রেশনিং ব্যবস্থা চালু করার দাবি তাদের।

এছাড়া সরকার সম্প্রতি পেনশন স্কীম আইন পাশ করেছে যা আগামী জুন থেকে পরীক্ষামূলক চালু হবে, যেখানে বলা হয়েছে ১৮ থেকে ৫০ বছরের নাগরিক মাসে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে জমা দিলে ৬০ বছর পর ঐ নাগরিক পেনশন সুবিধা পাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একজন গরিব মানুষ মাসে আট থেকে নয় হাজার টাকা আয় করে কিভাবে মাসে এক হাজার টাকা করে পেনশন স্কীমে জমা দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করবে। সে কারণে আমাদের দাবী চাঁদাবিহীন পেনশন স্কীম চালু করতে হবে।

১৪ দলীয় জোট সরকার ২০০৮খ্রি. সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় বাস্তবায়ন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম শুরু করে। বিচারের রায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি জামায়াত ইসলামী তাদরে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ সরকার করতে পারেনি। যার মাধ্যমে তারা অর্থপাচার ও সাম্প্রদায়িক তৎপরতা চালাচ্ছে। রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করলেও তাদের রাজনৈতিক তৎপরতা বন্ধ করতে পারেনি। প্রকারন্তরে হেফাজতে ইসলাম নামের সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথানত করে আমাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে অসাম্প্রদায়িক লেখাগুলোকে বাদ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সাম্প্রদায়িক করা হচ্ছে।

অপরদিকে ২০১৩-১৪ খ্রি. জামায়াত ইসলাম দ্বারা সংঘঠিত হত্যাকা- ও নাশকতা মামলার বিচার এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে অর্জিত’৭২ সংবিধান বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ১৯৯৭ খ্রি. থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ সাতক্ষীরাকে জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষার জন্য এলাকার নদীগুলো রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম ব্যবস্থা চালুর জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছি। ফলে কপোতাক্ষ নদ ও বেতনা নদী খনন কার্যক্রম হয়। কপোতাক্ষ অববাহিকায় টিআরএম পদ্ধতি চালু হয় যার ফলাফলও ভালো। কিন্তু অন্যান্য নদীগুলোর ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। নদীগুলো কেটে ছোট খালে পরিণত করা হচ্ছে। যার ফলে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ না হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারী দেশের সম্পত্তি দখল ও লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে। ব্যাংক লুটের এক ধরনের সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে। তাদের নামে মামলা হলেও কোন বিচার হচ্ছে না। আজ এসব ব্যবস্থার কারণে এক শ্রেণির মানুষ লুটপাট ও দুর্নীতি করে অর্থসম্পদের মালিক হচ্ছে। ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। দিন দিন ধনী দরিদ্রের ব্যবধান বাড়ছে।

সবশেষে নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তারা ৪ মার্চের সমাবেশকে সফল করার জন্য সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখার জন্য আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
‘কর্তব্যের তরে, করে গেলে যাঁরা, আতœবলিদান-প্রতিক্ষণে স্মরি, রাখিব ধরি, তোমাদের সম্মান’ এ প্রতিপাদ্যে যথাযোগ্য মর্যাদায় সাতক্ষীরায় ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালিত হয়েছে। বুধবার (১ মার্চ) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সে গভীর শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসায় কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মদানকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালন করে জেলা পুলিশ।

এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকালে জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স মাঠে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হায়। এতে নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সজীব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) আতিকুল ইসলাম, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আসাদুজ্জামান, তালা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, ডিআইও ওয়ান চৌধুরী ইয়াছিন আলম খান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ মোঃ ফখরুল আলম খান, জেলা ট্রাফিক বিভাগের টিআই অ্যাডমিন শ্যামল চৌধুরী, জেলা পুলিশের আর ও ওয়ান লিটন বিশ্বাসসহ অনেকেই।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে আত্মোৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে পুলিশ সুপার এবং উপস্থিত সকলে অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভের কাছে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করেন। পরে শহিদ পুলিশ সদস্যদের আত্মার শান্তি কমনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

আলোচনা সভায় জেলা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী।

দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিবছর বহু সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিহত হন। তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর ১ মার্চ ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালন করা হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেরও প্রতিশ্রুতি দেন পুলিশ সুপার।

এসময় পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত দশজন পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও উপহার তুলে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

প্রতিবন্ধীরা এখন সমাজের বোঝা নয়।বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের কাছে আশির্বাদ স্বরূপ।
নিজের সহধর্মিনীর নামে প্রতিষ্ঠিত শ্যামনগরের ফাতিমা জগলুল প্রতিবন্ধী স্কুলের ১৯৫ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে গত ইং ১ মার্চ বুধবার সকালে দীর্ঘক্ষন আনন্দঘন সময় কাটিয়ে তাদের নিজ হাতে ডিম ও গরম দুধ সহ উন্নতমানের খাবার খাওয়ালেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা প্রতিবন্ধীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ফুলবাড়ীতে ফাতেমা জগলুল প্রতিবন্ধী স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিবন্ধি বাচ্চাদের দেখভাল করার জন্য শিক্ষকদের নির্দশনা দেওয়া সহ বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষ ও স্কুল আঙ্গিনা ঘুরে দেখেন তিনি।

সংসদ সদস্য সকল প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন তাদের কণ্ঠে গাওয়া গান শুনেন। এসময় তিনি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পরম মমতায় জড়িয়ে ধরে আপন করর নিজ হাতে ডিম ও দুধ খাওয়ান।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন প্রতিবন্ধী শিশুদের গুরুত্ব ও পরম মমতায় দেখার জন্য স্কুলের প্রত্যেক শিক্ষককে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সংসদ সদস্য এসময় বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আহবান অনুযায়ী তিনি বলেন ‘কানাকে কানা আর খোঁড়াকে খোঁড়া বোলো না—শৈশব থেকে আমরা এই শিক্ষা পেয়েছি। শিশুদের শৈশব থেকে এই শিক্ষা দিতে হবে, যাতে তারা মানবিক হয় এবং যাতে তারা আমাদের সঙ্গে একত্রে চলতে পারে—এটিই সবচেয়ে বড় কথা।’

তিনি আরো বলেন, সবার জন্য সব মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে তাঁর সরকার বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য স্বাধীনতা নিয়ে এসেছেন। আমাদের লক্ষ্য হলো এই স্বাধীন দেশের সকল জনগণ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে এবং আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।’

দেশের ব্যাপক আর্থসামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের ওপর জোর গুরুত্ব দিয়েছে, তিনি দেশের উন্নয়নে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিচ্ছি, যাতে তারা উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে না থাকে।’

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-” শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম আকবর কবীর, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: সুব্রত কুমার বিশ্বাস, অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক রামকৃষ্ণ মন্ডল, শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজক্লাবের সভাপতি মারুফ হোসেন (মিলন), উপজেলা রিপোটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিঠু, সহ অত্র স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও অভিভাবকেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মহান স্বাধীনতার মাসের প্রথম দিনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কৃষি জাদুঘর ও কৃষকের বাতি ঘর এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
খামারবাড়ি সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক ড. মো. জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু কৃষি জাদুঘর ও কৃষকের বাতি ঘর এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কৃষক ও শ্রমিকের কথা বেশি ভাবতেন। বঙ্গবন্ধু বাকশাল করেছিলেন। বাকশালের অর্থ হল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু কৃষি ক্ষেত্রে কি কি করলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে, কৃষকরা ভালো থাকবে, দেশের জনগণ কিভাবে ভালো থাকবে সেটাই ভাবতেন এবং বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় সাড়ে তিন বছরে যা করেছেন এবং বলেছেন
সেটাই জননেত্রী শেখ হাসিনা তার দেখানো পথে হাটছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী রাখা যাবেনা। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত তার জমি থেকে কিছু না কিছু উৎপাদন করা।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তাহমিদ আনসারী, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি মাহফুজা সুলতানা রুবি, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দীন হিমেল, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. নূর মনোয়ার, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মনির হোসেন, আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাজিবুল হাসান, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শহীদ মোহাম্মদ তিতুমীর, খামার বাড়ি সাতক্ষীরার কৃষি প্রকৌশলী মো. হারুন-অর রশিদ, মীর হাবিবুর রহমান বিটু প্রমূখ।

আলোচনা সভা শুরুর পূর্বে ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু কৃষি জাদুঘর ও কৃষকের বাতিঘর উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির কর্মকর্তা ও কৃষি অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘আমার জীবন আমার সম্পদ, বীমা করলে থাকবে নিরাপদ’–এই প্রতিপাদ্যে বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বুধবার (১ মার্চ) দেশে ৪র্থ বারের মতো উৎযাপিত হয়েছে জাতীয় বীমা দিবস।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতি বছর দেশজুড়ে পালিত হয়ে আসছে দিবসটি। বরাবরের মতো এ বছরেও দিবসটি উদযাপনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জেলা প্রশাসন, সাতক্ষীরা।
সরকারি প্রতিষ্ঠান “জীবন বীমা কর্পোরেশন” এর নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় কর্মরত সরকারি বে-সরকারি বীমা কোম্পানির সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি নিউ মার্কেট থেকে শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিবসটির কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সহ বিভিন্ন বীমা কোম্পানির প্রতিনিধিবৃন্দ।
এসময় সাতক্ষীরা-০১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা লুৎফুল্লাহ বীমা শিল্পের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু সাধারণ মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির কথাই ভাবেননি; ভেবেছেন মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথাও। আর তাই ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই তিনি বীমা খাত সংস্কারে হাত দেন। ১৯৭২ সালে  প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে তিনি ৪৯টি বীমা কোম্পানিকে একীভূত করে গঠন করেন তিস্তা, কর্ণফুলী, রূপসা ও সুরমা এই ৪টি কর্পোরেশন। এরপর ১৯৭৩ সালে পাস করেন বীমা কর্পোরেশন আইন। গঠন করেন জীবন বীমা করপোরেশন এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশন নামে ২টি সরকারি প্রতিষ্ঠান। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সংস্থা দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
দেশের বীমা খাতের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর এই অবদান জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ‘জাতীয় বীমা দিবস’ পালনের উদ্যোগ নেয় সরকার। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে সরকার।
বঙ্গবন্ধু বীমা খাতের সাথে যেভাবে জড়িত, অর্থনীতির আর কোন খাতের সাথে তার এতো বেশি সম্পৃক্ততা । বঙ্গবন্ধু বীমা পেশার মাধ্যমে তার সংগ্রামী কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বীমা খাতের বিশেষ অবদান রয়েছে।
এসময় বক্তব্য রাখেন, জীবন বীমা কর্পোরেশনের সাতক্ষীরা সেলস্  অফিসের ম্যানেজার  ইনচার্জ সুব্রত কুমার সানা, মেটলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি. এর মোড়ল কামরুজ্জামান, পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি. এর মো. রবিউল ইসলাম, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি. এর আ.দ.ম মাহাবুবুর রহমান, ফারইষ্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি. এর কাজী শফিকুল ইসলাম, এনআরবি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি. এর মো. হযরত আলী প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জীবন বীমা কর্পোরেশনের সাতক্ষীরা কর্পোরেট অফিসের ম্যানেজার  ইনচার্জ শেখ রেফাজুর রহমান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest