নিজস্ব প্রতিনিধি : সাংবাদিক পেটানো আঁগরদাড়ির সেই ইউপি মেম্বর হাবিবুর রহমান ওরফে ছোট খোকন অবশেষে অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে নিজ খামার বাড়িতে অসামাজিক অবস্থায় এক নারীসহ বেরসিক পুলিশ ইউপি মেম্বর হাবিবুর রহমান ছোট খোকনকে গ্রেফতার করে। একই সময় পুলিশ ওই নারীকেও গ্রেফতার করে।
এলাকাবাসি ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের মৃত নাসের সরদারের ছেলে হাবিুবর রহমান ছোট খোকন আগরদাড়ি ইউপির ৭নং ওয়ার্ড মেম্বর। কাশেমপুর দক্ষিণপাড়া ফাঁকা মাঠের মধ্যে মেম্বরের একটি বিলাশ বহুল খামার বাড়ি আছে। সোমবার দুপুরে শহরের রসুলপুর এলাকা থেকে এক নারীকে ডেকে নিয়ে যায় ওই খামার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গ্রামবাসী তাদেরকে বিবস্ত্র অবস্থায় ধরে ফেলে। পরে তাদের একটি ঘরে আটকে রেখে সদর থানার পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সদর থানার এ এস আই আব্দুল মালেকের নেৃতত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মেম্বর হাবিবুর রহমান ওই নারীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
এলাকাবাসী আরো জানায়, মেম্বর হওয়ার পর এই নিয়ে চার বার ধরা খেল মেম্বর হাবিবুর রহমান ছোট খোকন। ইতোপূর্বে একই খামার বাড়ি থেকে একবার, কাশেমপুরে একবার এবং বাবুলিয়া থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে ছোট খোকন।
এদিকে, তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ২০০৬ সালে চাঁদাবাজির মামলা হয়। তার মামলা নং-৯৯/০৬, ধারা-৪৪৭/৩৮৫/৩২৩ ও ২০১৭ সালে সাংবাদিক নির্যাতনের মামলা হয়। যার নং- জি আর- ১২৯/১৭, বর্তমানে সে চার্জশিট ভুক্ত আসামি।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ ছোট খোকনকে নারীসহ আটকের বিয়ষটি নিশ্চিত করে জানান, অপরাধী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অভিনেত্রী শমী কায়সারের বর্তমান পরিচিতি তিনি সফল ব্যবসায়ী। এবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ২০১৭-১৯ মেয়াদের নির্বাচনেও দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট ও বসত ঘরে আগুন দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। রোববার রাত অনুমান ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে আহত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন গাজীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ প্রতিনিধিকে জানান, আমার পরশী কন্যার সাথে আমার ছেলের প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ঐ মেয়ে তার বাড়ি থেকে আমার বাড়িতে এসে ওঠে। তখন আমি মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। পরবর্তীতে ঐ মেয়ে আবারও আমার বাড়িতে চলে আসে জামা-কাপড়সহ। সে বলে আর ঐ বাড়িতে ফিরে যাবেনা। এঘটনায় মেয়ের পিতা মইমুর হোসেন আমার নামে ও আমার ছেলের নামে মামলা করে। আমার বাড়ি থেকে ছেলে মেয়েকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে এস.আই হারুন। মেয়ের বয়স না হওয়ায় মেয়েকে তার পিতার জিম্মায় দিয়ে আমার ছেলেকে চালান দেয়। আদালত মেয়ের জবানবন্দি গ্রহণ করে। জবানবন্দিতে মেয়ে তার পিতার জিম্মায় যেতে নারাজ হয়। সেও ঐ ছেলের সাথে জেলে থাকতে চাই। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে রোববার রাত ১২টার দিকে আমাদের অজান্তে আমার পরশী মঈনুল ইসলাম আমার বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমরা যখন আগুন নেভাতে ব্যস্ত ঠিক তখন মঈনুলসহ তার সহযোগিরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে আমাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এসময় আমার মাথায় আঘাত করলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে আহত অবস্থায় আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনা ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে আমাকে ও আমার পরিবারকে হত্যার হুমকিসহ হয়রানীমূলক মামলা দেওয়া ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।
আসাদুজ্জামান : উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া স্মারক ব্যবহার করার অভিযোগে সাতক্ষীরার দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সুপারিশ শিরোনামে সংবাদটি রোববার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে জেলাব্যাপী আলোচনার ঝড় ওঠে। সংবাদটি ছিল রোববার দিনভোর “টক অব দি ডিসট্রিক্ট”। আর এ সংবাদটি যে সমস্ত পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় সে সমস্ত পত্র পত্রিকা অনেকেই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তারা ফঠোকপি ক্রয় করেছেন। সংবাদটি যখন সাধারণ পাঠকদের মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছিল ঠিক তখনই এই প্রতিবেদককে ফোন করেন অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজ শিক্ষক নেতা জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “ভাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানের ১১৩ জন লোক আমাকে ফোন দিয়েছেন। আপনি যেটা করেছেন আমার জন্য খুব ভাল হয়েছে। কারণ একটি বিজ্ঞাপন দিতে আমার অনেক টাকা লাগতো। অথচ বিনা টাকায় আমি আজ সারা জেলায় শিক্ষক নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছি। তবে, আমাকে শুধু শিক্ষক নেতা না লিখে যদি জেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি লিখতেন তবে আরো ভাল হতো।” তিনি আরো বলেন, “ভাই এ জন্য আমি আপনার উপর কোন প্রকার রাগ করি নাই। কারণ আপনি আপনার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।”
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় আলাদা দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জন নিহত ও এক পুলিশ সদস্যসহ চার জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সচিব, পিআইসি মেম্বার ও ট্যাগ অফিসারদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের এসএনএসপি প্রকল্পের আওতায় ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মশালায় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে কর্মশালার মুল বিষয়বস্তু উপাস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মো. মানিক হাওলাদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বৈকারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান অছলে, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাইল গাজী, বল্লী ইউপি চেয়াম্যান মো. বজলুর রহমান, আগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান, শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ, ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, আলিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, কুশখালি ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, লাবসা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গোলাম কিবরিয়া বাবু, ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউপি সদস্য এস.এম রেজাউল ইসলাম, লাবসা ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হান্নান, লাবসা মহিলা ইউপি সদস্য ফেরদৌসি ইসলাম মিষ্টি, লাবসা ইউপি সচিব মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সচিব, পিআইসি মেম্বার ও ট্যাগ অফিসাররা। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বিষয়ক কর্মশালায় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। এসএনএসপি প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের স্টেকহোল্ডারদের (ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সচিব, পিআইসি সদস্য ট্যাগ অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ) প্রকল্পের পাঁচটি কর্মসূচি (ইজিপিপি, কাবিখা/কাবিটা, টিআর, ভিজিএফ ও জিআর) বিষয়ক কার্যক্রম সমূহ সফলভাবে পরিচালনা করা বা সহায়তা দেয়ার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা বিষয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।
আসাদুজ্জামান ঃ সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মান্দার বাড়িয়া গভীর অভয়ারন্য এলাকা থেকে ৫ জেলেকে মুক্তিপনের দাবিতে অপহরণ করেছে বনদস্যু বড়ভাই বাহিনীর সদস্যরা। সোমবার সকালে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবিতে তাদের অপহরন করা হয়।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় এতিম অসহায় শিশুদের পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে ব্রেড অব লাইফ চার্চ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে সদর উপজেলার শাল্যে গ্রামে এর উদ্বোধন করা হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্রেড অব লাইফ চার্চ এর উদ্বোধন করেন। মাছখোলা ব্রক্ষরাজপুর ইউপি সদস্য মো: নুর ইসলাম মগরেবের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন, ব্রক্ষরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সম শহিদুল ইসলাম, চার্চের পালক পুরোহিত পাস্টর থিয়ফিল গাজী, জয় প্রমূখ।