মিসর মানেই রহস্যে ঘেরা একটি দেশ। নিত্যনতুন পিরামিড এবং তার ভেতরকার মমি আবিষ্কার দেশটিকে আলাদা করে রেখেছে অন্য দেশ থেকে। বিজ্ঞান সাময়িকী ইনভার্সের এক খবরে জানা যায়, মিসরীয় একটি প্রত্নতত্ত্বের দল সম্প্রতি প্রায় তিন হাজার ৭০০ বছরের পুরোনো একটি পিরামিডের সন্ধান পেয়েছে।
পিরামিডটি খ্রিস্টপূর্ব ১৬৮০ সালের। অথচ মিসরে মানবসভ্যতার বিকাশ ঘটেছে খ্রিস্টপূর্ব ৩১৫০ সালে। পিরামিডটি সম্ভবত ১৩তম রাজবংশীয় বলে ধারণা করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। কিন্তু তখনকার খুব অল্প নিদর্শন টিকে থাকার ফলে সে সময় সম্পর্কে খুব কম জানেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। তবে নব্য আবিষ্কৃত এই পিরামিডের গঠন এখনো ভালো অবস্থায় রয়েছে এবং এটি ধারণ করছে বৃহৎ হায়ারোগ্লিফিকস নিদর্শন। বর্তমানে গবেষকরা এর পাঠোদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মিসরের পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আদেল ওকাশা বলেছেন, ‘এখন আমাদের প্রত্নতত্ত্বিক মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে হায়ারোগ্লিফিকস লেখাগুলোর পাঠোদ্ধার করা। পাশাপাশি আমরা এর খননকার্যও চালিয়ে যাব, যাতে করে পিরামিডটির বাকি অংশ এবং এর পেছনের গোপন তথ্য বের করতে পারি।’
প্রত্নতত্ত্ববিদরা এখনো পিরামিডটির সঠিক আকার নির্ধারণ করতে পারেননি। এ ছাড়া পিরামিডটি মাটির নিচে কতটুকু রয়েছে, তা-ও আন্দাজ করা সহজ হচ্ছে না। যতদূর তাঁরা খনন করেছেন, তাতে করে পিরামিডটির করিডোর, অভ্যন্তরীণ দেয়াল, ঢালু পথ, কলামের মতো বাইরের অংশই বের হয়ে এসেছে।
হায়ারোগ্লিফিকস লেখার অনুবাদগত ত্রুটির কারণে এই নতুন আবিষ্কৃত পিরামিডটির সঙ্গে কায়রোর দক্ষিণে ‘দাশহুর’ সমাধির তুলনা করা হচ্ছিল। দাশহুরের বিখ্যাত ‘বেন্ট পিরামিড’ (২৬০০ খ্রিস্টপূর্ব) ছিল মিসরের দৃশ্যমান পিরামিডগুলো বানানোর প্রাথমিক ধাপ। এই পিরামিডটির দেয়াল একটি কোণ সৃষ্টি করে। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, এর নির্মাণশ্রমিকরা এটি নির্মাণের মাঝখানে এর গাঠনিক অস্থায়িত্বের কারণে এর গঠন বদলাতে চেয়েছিলেন।
তবে নতুন আবিষ্কৃত পিরামিডটি এর হাজার বছর পরে নির্মিত হয়। বেন্ট পিরামিডের সম্ভবত ৯০০ বছর পরে এই পিরামিড নির্মাণের কাজে হাত দেওয়া হয়। এটি মূলত মধ্যযুগীয় রাজত্বের শেষ সময়ে ছিল, যখন প্রাচীন মিসরীয়রা সবাই মিলে পিরামিড বানানো বন্ধ করে দিয়েছিল।
গবেষকরা এখনো নিশ্চিত হতে পারছেন না, কাকে এখানে কবর দেওয়া হয়েছে। পিরামিডটির নতুন গঠন দেখে একটি জাঁকজমকপূর্ণ সমাধি বলেই ধারণা করছেন গবেষকরা। যদিও এর আগে দাশহুরের সমাধিতে উচ্চপদস্থ রাজসভাসদদের কবর পাওয়া গিয়েছিল।

উত্তর কোরিয়ায় সঙ্গে যেকোনো সময় সংঘাত বাধতে পারে বলে আশঙ্কা করছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, যুদ্ধ বাধলে কেউ জিতবে না। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিনেত্রী বুবলী। জানা গেছে, অতিরিক্ত জ্বর ও রক্তচাপ নিম্নমুখী হওয়ায় তাকে শুক্রবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ বাংলাদেশে জমে উঠার কথা থাকলেও জমছে না। কেনই বা জমবে? দশম আসরে তিন ম্যাচ খেললেও যে তারা একাদশে রাখেনি সাকিব আল হাসানকে। আজ কি তাকে দেখার অপেক্ষার অবসান হবে? বলা যায়, বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারকে তারা নামালে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে অন্য মাত্রা পাবে বিকাল সাড়ে ৪টার ম্যাচটি।
সৌরজগতের গ্রহ শনি নিয়ে পৃথিবীর মানুষের চিন্তার অন্ত নেই! নিজের দশা কাটিয়ে এবার শনি গুরুত্বপূর্ণ খবর দিয়েছে। নাসা জানিয়েছে, শনির এক উপগ্রহে প্রাণ বিকশিত হয়ে থাকতে পারে!



মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সোরওয়ার্দী কাপ অনুঃ ১৮ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে আঞ্চলিক পর্যায়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরা জেলা দলের জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের আয়োজনে জেলা স্টেডিয়ামের হলরুমে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মো. আলতাফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, জেলা ক্রীড়া অফিসার খালিদ জাহাঙ্গীর, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি মো. আহম্মাদ আলী সরদার, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ট্রেজারার শাহ্ আলম সানু, নির্বাহী সদস্য তৈয়েব হাসান বাবু, আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল, কামরুজ্জামান কাজী, শফিউল ইসলাম খান প্রমুখ। প্রশিক্ষণ কোর্সে খেলোয়াড়দের ট্রাকস্যুট ট্রাওজার তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন। এসময় তিনি জাতীয় পর্যায়ের খেলায় সিলেটে সাতক্ষীরা জেলা দল অংশ নিচ্ছে বলে তাদেরকে শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে বৈশাখী ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা ও ঘুড়ি প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বসাধারণ অংশ নেয়। ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে মারিয়া সুলতানা ¯েœহা, ২য় স্থান অধিকার করে তৌফিক রহমান এবং ৩য় স্থান অধিকার করে জুলফা আহমেদ। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, জেলা ক্রীড়া অফিসার খালিদ জাহাঙ্গীর, বৈশাখী ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা কমিটির আহবায়ক আ.ম.আক্তারুজ্জামান মুকুল প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষশাহ আলম শানু, নির্বাহী কামরুজ্জামান কাজী, হাফিজুর রহমান খান বিটু, রফিকুর রহমান লাল্টু ও ইকবল কবির খান বাপ্পি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি প্রমুখ।