শ্যামনগর ব্যুরো : পহেলা বৈশাখে সাতক্ষীরা ৪ আসনের এম.পি. জগলুল হায়দারের পক্ষ হতে প্রতিবন্ধী ও হত দরিদ্রদের মাঝে নগদ অর্থ, মুরগি, তরকারী ও চাউল বিতরন করেছেন। এম.পি. জগলুল হায়দারের ঐচ্ছিক তহবিল হতে নির্বাচনী এলাকার ২০টি ইউনিয়নের কয়েক শত প্রতিবন্ধীদের মাঝে ৫ লক্ষ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন এবং পরে হত দরিদ্রদের মাঝে মুরগি, তরকারী ও চাউল বিতরণ করেন। টাকা সমাজের স্বচ্ছল ব্যক্তিরা উন্নত মানের খাবার খেয়ে নববর্ষ উদযাপন করে। কিন্তু আরও অনেক অস্বচ্ছল, গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষ আছে যারা বছরের বাকী সব দিনের মত সাধারণ খাবার খায় নববর্ষে। মনের তীব্র ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আর্থিক অসুবিধার কারণে তারা এই দিনটিকে আলাদা ভাবে উদযাপন করতে পারে না। তাদের কষ্ট অনুভব করে জনবন্ধু এস, এম জগলুল হায়দার এমপি পহেলা বৈশাখ নববর্ষের দিনে শ্যামনগরের নকিপুর বাজার থেকে কয়েকজন অতি গরীব, অসহায় মানুষকে মাংস ও চাউল ক্রয় করে দেন। পরে প্রেসকøাবে এসে উপজেলার কালমেঘা গ্রামের হত দরিদ্র আশরাফ গাজীর পুত্র জাহিদুল ইসলামের মায়ের হাতে ৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য শিল্পী রানী মৃধা, শ্যামনগর প্রেসকøাবের সভাপতি জি, এম আকবর কবীর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমনসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

আমির হোসেন খান চৌধুরী : সরকরিভাবে বন্দোবস্তকৃত চিংড়ি ঘের জবর দখল, ভাঙচুর ও লুটপাটে বাধা দেওয়ায় একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করার উদ্যোগ নেওয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। এ সময় ঘেরের বাসা ভাঙচুর করে ৫০ হাজার টাকার মাছ ও মাছ ধরার সরঞ্জাম লুট করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের যুগিপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, ধুলিহর ইউনিয়নের নেহালপুর গ্রামের মৃত তারক মিস্ত্রির ছেলে অশ্বিনী মিস্ত্রি(৬০), তার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী মিস্ত্রী (৪০), নিরঞ্জন মিস্ত্রি (৪৮), তার স্ত্রী অনিমা রানী মিস্ত্রী (৩৫) ও ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিরঞ্জন মিস্ত্রি জানান, ১৯৮১ সালে তার বাবা তারক চন্দ্র মিস্ত্রী ধুলিহর মৌজার যুগিপোতা গ্রামের হাল ১৪৬২৮ দাগে ৮৯ শতক ও ১৪৮৫২ দাগে ২৭ শতক জমি বন্দোবস্ত নেন। ১৯৯২ সালে একই বয়ারবাতান গ্রামের সুদীপ সরকারের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য ভৈরব সরকার ওই জমি সুধান্য সরকারের মা ভদি সরকারের কাছ থেকে কোবালা দলিল মূলে কিনেছেন মৌখিকভাবে দাবি করে ওই জমি থেকে তারক মিস্ত্রীকে উচ্ছেদ করে। নিরঞ্জন মিস্ত্রী আরো জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর সদর সহকারি ভূমি কমিশনারের অফিস থেকে ওই জমি তার বাবার নামে বন্দোবস্ত দলিল আছে উল্লেখ করে তাকে নোটিশ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে কয়েকদিন পর ওই জমি তার নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। বন্দোবস্ত নেওয়ার জন্য তাকে বাবার সময়কার বন্দোবস্ত বাবদ হাঁস মুরগি ও ছাগল বিক্রি করা ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। নিয়ম অনুযায়ি ১৪২৩ সালের ৩০ চৈত্র পর্যন্ত ওই জমির বন্দোবস্তের মেয়াদ ছিল। ১৪২৪ সালের বন্দোবস্ত নেওয়ার জন্য তিনি গত বৃহষ্পতিবার সদর সহকারি ভূমি কমিশানারের অফিসে আবেদন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে ১৬ এপ্রিল অফিসে আসতে বলেন। প্রত্যক্ষদর্শী যুগিপোতা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হামিদ, ছাদেকুর রহমান, সঞ্জয় মিস্ত্রী, ধুলিহর সানা পাড়ার বাকির হোসেনসহ কয়েকজন জানান, সাবেক ইউপি সদস্য ভৈরব সরকার তার ভাই শৈলেন্দ্র নাথের স্ত্রী সবিতা রানী হত্যা মামলার অন্যতম আসামী। দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর তারক মিস্ত্রীর বন্দোবস্তকৃত জমি জবরদখলে রাখার পর পাঁচ মাস আগে হাতছাড়া হওয়ার বিষয়টি তিনি সহজে মেনে নিতে পারেননি। একপর্যায়ে গত ৩০ চৈত্র নিরঞ্জন মিস্ত্রীর বন্দোবস্তের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরপরই তিনি ওই জমি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা নেন। এজন্য তিনি সাবেক জাপা নেতা ও বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সানা ওরফে বাবু সানার সঙ্গে পরামর্শ করে তারই সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য বহু জায়গার জবরদখলে নেতৃত্বদানকারি সানাপাড়ার এরফান, ইসমাইল, তুল্লুক, সাইফুলদের শরনাপন্ন হন। একপর্যায়ে শনিবার সকাল ৯টার দিকে ওই সন্ত্রাসীসহ ভৈরব সরকার , তার ভাই শৈলেন সরকার, দিবস সরকার, নিরাপদ সরকার , গনেশ মিস্ত্রীসহ উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা দা, শাবল, লোহার রড, বাঁশের লাঠি ইত্যাদি নিয়ে নিরঞ্জন মিস্ত্রীর ওই মাছের ঘেরে হামলা চালায়। একইসাথে তারা ওই ঘেরে একটি বাসা বাঁধার প্রক্রিয়া শুরু করে। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে মোবাইল ফোনে জানালে তিনি তাতে বাঁধা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে খুব শীঘ্র সমস্যার সমাধান করে দেবেন বলে নিরঞ্জন মিস্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন। এরপর ওই সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা নিরঞ্জন মিস্ত্রীর চিংড়ি ঘেরের বাসা ভাঙচুর ও মাছ লুটপাট শুরু করলে নিরঞ্জন মিস্ত্রী, তার স্ত্রী অনিমা রানী মিস্ত্রী, অশ্বিনী কুমার মিস্ত্রী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী মিস্ত্রী বাধা দেন। এ সময় হামলাকারিরা ওই চারজনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে এসে মোবাইল ফোনে এম্বুলেন্স আনার উদ্যোগ নিলে হামলভকারিার তাকে মারতে মারতে বেতনা নদীর বেড়িবাঁধের উপরে নিয়ে যায়। পরে আহত একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শনিবার বিকেলে হাসপাতালে গেলে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের হাতে তাকেসহ নিরঞ্জন মিস্ত্রী পরিবারের চারজন জখম হয়েছে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাসপাতাল চত্বরে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হামিদের হাসপাতাল চত্বরে চেয়ারম্যানের হাতাহাতি হয়। হামলার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চেয়ারম্যানের পরামশে কাল্পনিক জখম সৃষ্টি কর্রে ভৈরব সরকারের স্ত্রী কামনা সরকার ও শৈলেন সরকারের স্ত্রী সবিতা সরকারকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে আব্দুল হামিদসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন।
এম. বেলাল হোসাইন : ব্যাংদহা বাজারের সরকারি পুকুর দখল করে অবৈধ ভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্যাংদহা বাজারের সরকারি পুকুরের জায়গায় পানি নিস্কাশনের পর অবৈধ পাকা দোকানঘর নির্মাণ কাজ চলছে স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আর বাজার কমিটি ম্যানেজ করে। প্রকাশ্যে অবৈধ নির্মাণ কাজ করলেও কর্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করে নিশ্চুপ থাকায় জনমেন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসার মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি আর্থিক সুবিধা নিয়ে ব্যাংদহা বাজারে পেরিফেরি সম্পতির নামে সরকারি পুকুর ডিসিআর দিয়ে সেখানে অবৈধ পাকা দালান নির্মাণ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এর আগেও আরো একটি পুকুরের পাশে সোলাইমনের চায়ের দোকানের নারিকেল গাছ কর্তন, পুকুরে নামার ঘাট বন্ধ এবং সরকারি টিউবওয়েল বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। উক্তস্থানে দোকান ঘর হলে পুকুরে নামার কোন পথ থাকবে না। ফলে পুকুর ইজারা দেয়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং পুকুরটি আর কোন ব্যবহারও করতে পারবে না বলে এলাকাবাসি জানায়। এলাকাবাসি আরো জানায়, ব্যাংদহা বাজারটি তিনটি ইউনিয়নের মোহনায় অবস্থিত। বাজার ঘেষে গেছে মরিচ্চাপ নদী। এ নদী দিয়ে এসব ইউনিয়নের পানি নিষ্কাশিত হয়ে থাকে কিন্তু ইউনিয়ন ভুমি কর্তার সহায়তায় কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি নদীর জায়গায় মাটি ভরাট দিয়ে অবৈধ দখল করে নদীর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করছে। এভাবে দখল করতে থাকলে এলাকায় জলাবদ্ধতায় পরিণত হবে। বিগত কয়েক বছর পূর্বে বর্তমান খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আলহাজ মো. আব্দুস সামাদ জেলা প্রশাসক থাকাকালীন নিজ প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা সকল উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিক দিয়ে খনন করেছিলেন মরিচ্চাপ নদী। ফলে জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল এলাকাবাসি। কিন্তু ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার অর্থবানিজ্যের কারণে আবারো অবৈধভাবে দখল করায় নদী বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান নদীর কোথাও ৩ হাত আবার কোথাও ১/২ হাত রয়েছে। এভাবে দখল হতে থাকলে খুব শিঘ্রই মরিচ্চাপ নদীর চিহ্ন আর পাওয়া যাবেনা। এতে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে সকলকে আটকা পড়তে হবে বলে আশংকা করছে সচেতন মহল। এদিকে ব্যাংদহা বাজারের উপর দীর্ঘ দিনের পুরনো ২টি পুকুর। এ পুকুরে ইজারা নিয়ে মাছ চাষও করে আসছে স্থানীয়রা। পাশাপাশি ওই পুকুরের পানি দিয়ে রান্না এবং গোসলের প্রয়োজন মিটায় এলাকার হাজারো মানুষ। এর মধ্যে একটি পুকুরের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে পুকুরপাড় ও পুকুরের কিছু অংশ পেরিফেরির সরকারি জায়গা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোনায়েম হোসেন ও জোড়দিয়া গ্রামের শেখ সাজ্জাত আলীর ছেলে শেখ আজমির হোসেন বাবু পাঁচ লক্ষ টাকায় জোড়দিয়া গ্রামের হচেন মল্লিকের ছেলে পল্লী চিকিৎসক গাওছুল মল্লিক ও শেখ নেছার উদ্দীনের ছেলে চায়ের দোকানদার শেখ সুলাইমান আলীর কাছে বিক্রি করে। কয়েকদিন আগে গাওছুল মল্লিক ও সুলাইমান আলী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মুনসুর আলীকে ম্যানেজ করে পেরিফেরি নামে ডিসিআর নিয়ে রাতের আধারে পুকুরের পানি নিস্কাশনের পর দিবালকে ঢালাই পিলার দিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে ঘরের বিম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে ব্যাংদহা বাজারের কয়েকজন দোকানদার জানান, ফিংড়ী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ও ব্যাংদহা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদককে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে পুকুরে নামার পথ বন্ধ করে কারো তোয়াক্কা না মেনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এ দুই ব্যক্তি। এভাবে অবৈধ দখলমুক্ত না করা গেলে এলাকার বাকি পুকুরের জায়গা খুব শীঘ্রই বেদখল হয়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ এলাকাবাসী। ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসার মুনছুর আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ব্যাংদহা বাজারে পুকুরের পাড় থেকে পুকরের ভিতরে ২০ ফুট সরকারি পেরিফেরি সম্পত্তি রয়েছে। আমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খোজখবর রাখছি। প্রয়োজনে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণ হবে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসি বাজারের পুকুরে নামার পথ বন্ধ করে দোকান ঘর নির্মাণ কারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আজ রবিবার ১৬ এপ্রিল দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন(বিটিভি)-এ নবজাগরণ অনুষ্ঠানে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর প্রশিক্ষণার্থী ও পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী পূজা রাণী কর্মকারের সংগীত পরিবেশিত হবে। অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য সবাইকে আহ্বান করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডেস্ক : সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভাস্কর্য স্থাপন করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এই ভাস্কর্য রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্ত ও এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব বিষয়।’
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নেই, করিম বেনজিমা-গ্যারেথ বেলও বাইরে। এর ওপর আবার দুই দুইবার এগিয়ে গেল প্রতিপক্ষ স্পোর্তিং গিহন। পয়েন্ট হারানোর শঙ্কা বেশ ভালোভাবেই চেপে ধরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের মনে। যদিও অসাধারণ পারফরম্যান্সে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন ইসকো। এই মিডফিল্ডারের জোড়া লক্ষ্যভেদে গিহনকে তাদেরই মাঠে রিয়াল হারিয়েছে ৩-২ গোলে।
ম্যাচটা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে হতে পারত সাকিব বনাম মুস্তাফিজের লড়াই। কিন্তু হলো আর কই! কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের একাদশে রাখেনি সাকিবকে, আর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিবেচনায় ছিলেন না মুস্তাফিজ। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারকে বসিয়ে রেখে শুরু হওয়া ম্যাচটি জিতে নিয়েছে কলকাতা। রবিন উথাপ্পার হাফসেঞ্চুরির পর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে হায়দরাবাদকে ১৭ রানে হারিয়েছে গৌতম গম্ভীরের দল।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সদরের মাধবকাটি ফুটবল ময়দানে ইসলামী সম্মেলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাতে মাধবকাটি এলাকার যুব কমিটির আয়োজনে ফুটবল ময়দানে আহলে হাদিছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে ইসলামী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। ইসলামী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, সাতক্ষীরা টাউন গাল্স হাইস্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর কবীর প্রমুখ। ইসলামী সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদিস থেকে তাফসীর বয়ান করেন ঢাকা বংশাল আহলে হাদিছ মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা সামছুর রহমান আজাদী, দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদিস থেকে তাফসীর বয়ান করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হালিম ও তৃতীয় বক্তা হিসেবে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদিস থেকে তাফসীর বয়ান করেন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।