সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

14 picxদেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় সাংবাদিকদের সাথে বর্তমান সরকারের সাফাল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময় করেছে জেলা তথ্য কর্মকর্তা। রবিবার বিকাল ৪টায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সভা কক্ষে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের সাফাল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের আব্দুল ওহাব, মোহনা টিভির দেবহাটা প্রতিনিধি সৈয়দ রেজাউল করিম বাপ্পা, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন ডাবলু, অর্থ সম্পাদক এম এ মামুন, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার কেএম রেজাউল করিম ও আরাফাত হোসেন লিটন, দক্ষিণের মশালের গোপাল কুমার দাস, জেলা তথ্য অফিসের জাহাঙ্গীর হোসেন, মনিরুল ইসলাম, মীর আজিবুর রহমান প্রমূখ। এসময় বর্তমান সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরে বলেন, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৪৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎসহ সমগ্রীক উন্নয়ন দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বেড়েছে বিভিন্ন ভাতাভোগীদের সংখ্যা, প্রতিটা এলাকার রাস্তা, কালভাট, সেতু নির্মাণেও ব্যাপক উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। তাছাড়া সর্বত্র অনলাইন সুবিধায় বিভিন্ন কাজ বাড়িতে বা এলাকায় বসে সহজে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। যেমন- বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, অনলাইনে জমির পর্চা, ট্রেন ও বাসের টিকিট ক্রয়, বিভিন্ন দপ্তরের সেবা সমূহ, সরকারের চলমান কর্মকান্ড, পাসপোর্ট ফরম পুরন, ভিডিও কল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম পুরনসহ বিভিন্ন অনলাইনে সম্পন্ন করতে পারছি। আর সেবাগুলো আরো সহজ করতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করেছেন। সেখানে সরকারি বিভিন্ন ফরম, নোটিশ, পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত তথ্য, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য, চাকরির খবর, পরীক্ষার রেজাল্ট, জন্ম-মৃত্যু সনদ, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট যোগাযোগ, ই-মেইল সুবিধাসহ বৃহত সেবা প্রদান করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকার দূযোর্গ প্রতিরোধ, দারিদ্রতা দূরকরণ, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমৃদ্ধি আনতে ব্যপক কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তি করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং অব্যাহত রয়েছে। তারই লক্ষে সাধারণ মানুষের দৌড়গোড়ায় বার্তা ও সেবা পৌছে দিতে আজ সোমবার বেলা ৩টায় দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মা, সুধিজন, জনপ্রতিনিধি, সুশিলসমাজ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সকলের অংশগ্রহনের জন্য জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা  তালা-কলারোয়া -০১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য মিসেস্ রিফাত আমিন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম লতিফ, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, ৩৮ বিজিবির অধিনায়ক পিআরও সামহুল আলম, ১৭ বিজিবি’র ক্যাপ্টেন রেজোয়ান, এনডিসি আবু সাঈদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনএসআই উপপরিচালক মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার, জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি আবু আহমেদ, কোস্ট গার্ড মংলা সাকিবুর রহমান, বি.আর.টিএ’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সিভিল সার্জন অফিসের ডা: আশিকুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, জেলা আনসার ভিডিপির কে এম মনিরুল ইসলাম, জেলা কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাইনুদ্দিন, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায়, এনডিসি আবু সাঈদ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাশেম আলী, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জি এম রবীন্দ্র নাথ দাস, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুর সেলিম, কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা প্রমুখ।
সভায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পৌর মেয়রকে আহবান জানানো হয়। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হলে পরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়। সাতক্ষীরা পৌরসভার মধ্যে অবৈধভাবে ব্যাটারি চালিত ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও অভিযান পরিচালনা করতে বলা হয়। রাস্তার আশেপাশে নির্মাণ সামগ্রী রাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ, গাছের গুড়ি রাস্তার পাশে রাখা বন্ধ, ইয়াবাসহ সকল মাদক দ্রব্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, মাদকসেবী এবং মাদক বিক্রেতাদের চিহ্নিত করে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রভৃতি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া কোন সাধারণ মানুষ যেন হয়রানীর শিকার না হয় সে জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
aed77f9d212b2a7d366e931226b9e5f6-মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ আগামী ১৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে নিয়মিত আপিল বেঞ্চে আবেদন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়ছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। এর আগে রবিবার (১৪ মে) সকালে আদেশটি স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়।
স্থগিত চাওয়া বিষয়ে মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যকারিতায় সমাজে এক ধরনের চাহিদা আছে। ভেজাল, নকল খাবার থেকে শুরু করে নানা পণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে মানুষের এক ধরনের আস্থা তৈরি হয়েছে। এখন হুট করে এটা বন্ধ হওয়ায় বিপত্তি ঘটতে পারে।’
এর আগে, ১১ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে না বলে আদেশ দেন হাইকোর্টে। বিচারপতি আশিস রঞ্জন ও বিচারপতি মইনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের ৫ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া আছে। আইনের ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯ ও ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পদ্ধতি থেকে শুরু করে আদালত পরিচালনার ক্ষমতা আপিল সংক্রান্ত বিধান বিষয়ে উল্লেখ আছে। রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের এসব ধারা মাজদার হোসেন মামলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এ ধারাগুলোকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হলো।’
ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত পৃথক তিন ব্যক্তির দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংক্রান্ত তিনটি রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তা যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়। রিটকারী তিন ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তাদের একজনের কাছ থেকে জরিমানা হিসেবে নেওয়া ১০ লাখ টাকা রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ের পর রিট আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে না। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে সরকারকে আইন সংশোধন করতে হবে অথবা নতুন করে আইন তৈরি করতে হবে। তবে এই আইন মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সঙ্গে মিল রেখে হতে হবে।’
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494739226মমির দেশ হিসেবে পরিচিত মিসরে সন্ধান মিলল আরো ১৭টি মমির। দুই হাজার ৩০০ বছরের পুরোনো একটি সমাধিক্ষেত্র থেকে মমিগুলো উদ্ধার করা হয়। সেগুলো প্রাচীন মিসরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ধর্মযাজকদের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মিসরের রাজধানী কায়রো থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিনইয়া শহরে গোপন সমাধিক্ষেত্রটি পাওয়া যায়। মাটির আট মিটার গভীরে ওই মমিগুলো রাখা ছিল। গত বছরে কায়রো ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের একটি দল সমাধিক্ষেত্রটি খুঁজে পান।

মুহাম্মদ হামজা নামের কায়রো ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, মমিগুলো কত বছরের পুরোনো, তা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে সেগুলো মিসরের গ্রিস-রোমান সময়কালের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সালাহ আল-খোলি নামের কায়রো ইউনিভার্সিটির আরেকজন অধ্যাপক বলেছেন, ‘সমাধিক্ষেত্রটির ভেতরে ৩২টির মতো মমি রয়েছে বলে ধারণা করছি। এগুলোর মধ্যে নারী, শিশু ও নবজাতকের মমি রয়েছে।’

উদ্ধারকাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মিসরের পুরাতত্ত্ব মন্ত্রী খালেদ আল-এনানি। তিনি জানান, এই আবিষ্কারের ফলে মিসর আবার ভ্রমণকারীদের আকর্ষণের তালিকায় উঠে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494757938ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের শুটিংয়ে আগের দিন একটি রুপা পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে তরুণ শুটার রাব্বি হাসান রৌপ্যপদক জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন।

বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রেমীদের জন্য এবার আরো বড় চমক এসেছে সেই শুটিং থেকেই। আজারবাইজানের বাকুতে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের মিশ্র দলগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছেন আবদুল্লাহ হেল বাকি ও সৈয়দা আতকিয়া হাসান দিশা।

কমনওয়েলথ গেমসে রুপাজয়ী বাকি আগের দিন ব্যর্থ হয়েছিলেন ছেলেদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ব্যক্তিগত ইভেন্টে। সে ইভেন্টে তিনি হয়েছিলেন পঞ্চম। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে সেই হতাশা ভুলিয়ে দিয়েছেন দারুণ এই সাফল্য পেয়ে।

গতকাল শনিবার রাব্বি রুপা জিতেছিলেন ২৪৫.৫ পয়েন্ট স্কোর করে। এই ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছেন তুরস্কের ওমর আকগুন। তিনি স্কোর করেন ২৪৯.৮।

শুটিং ছাড়াও চলমান এই গেমসে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস, কারাতে, ভারোত্তোলন ও সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।

এবারের গেমসে ৫৪টি মুসলিম দেশের তিন হাজার ক্রীড়াবিদ অংশ নেয়। ২২ মে শেষ হবে এই গেমস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8997বাবা অ্যালেন কুক আর মেয়ে মেলিসা মিলে বাড়ি সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছেন। হঠাৎ করেই তাঁরা ছাদের দিকে একটা ফাটল দেখতে পেলেন। ওই জায়গায় পৌঁছে যখন মেরামতকাজে হাত লাগাতে যাবেন, তখনই ঘটল একটা বিস্ময়কর ঘটনা। বেরিয়ে এল এমন এক চিঠি, যার মধ্যে হৃদয়ে নাড়া দেওয়া সুন্দর একটি উষ্ণ প্রেমের গল্প লুকিয়ে। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির ওয়েস্টফিল্ডের।

অ্যালেন কুক সিএনএনকে বলেন, ‘হলুদ রঙের মলিন একটি চিঠির খাম। চিঠিটি খামে বন্দী ছিল, কখনো খোলা হয়নি। আমার জামাতা খামের মুখ ছিঁড়ে চিঠিটি যখন পড়তে শুরু করে, অবিশ্বাস্য লাগছিল। চিঠিটি যে নারী লিখেছেন, তিনি তাঁদের অনাগত সন্তানের বিষয়ে স্বামীকে জানাচ্ছিলেন।’

পত্রটি লেখা হয় ১৯৪৫ সালের ৪ মে। ভার্জিনিয়া নামের এক নারী তাঁর স্বামী রফ ক্রিস্টোফারসেনকে এটি লিখেছিলেন। রফ তখন নরওয়ের নৌবাহিনীর নাবিক ছিলেন। খামের ওপরে লেখা ছিল, প্রাপকের হাতে পৌঁছে দিতে না পারলে প্রেরকের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিন। চিঠিটি রফের কাছে যায়নি, ফেরত এসেছিল ভার্জিনিয়ার কাছেই। সেই থেকে খামে বন্দী পত্রটি ওভাবেই পড়ে ছিল। বেরিয়ে এল সপ্তাহ খানেক আগে।

তবে চিঠিটি প্রাপকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন মেলিসা। ইন্টারনেটে খুঁজতে থাকেন রফ ক্রিস্টোফারসেন নামের ব্যক্তিকে। একপর্যায়ে এই নামের একজনের ফোন নম্বর পান তিনি। ফোন করেন সেই নম্বরে। ফোন ধরেন রফের ছেলে। রফের ৬৬ বছর বয়সী ছেলে থাকেন ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায়। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি তখন অফিসে ছিলাম। কেউ একজন আমাকে ফোন করলেন। তিনি আমার নাম নিয়ে গোলকধাঁধায় পড়লেন। কারণ, আমার বাবার নাম আর আমার নাম একই। মেলিসা আমার কাছে জানতে চাইলেন, আমি কোথায় বড় হয়েছি। আমি তাঁকে বললাম। এসব শুনে তিনি আমাকে চিঠির বিষয়টি বললেন। এভাবেই সবকিছু খোলাসা হলো।’

ভার্জিনিয়া যখন চিঠিটি লিখেছিলেন, তখনো জন্ম হয়নি ছেলে রফ ক্রিস্টোফারসেনের। তারপরও মায়ের লেখা তাঁর কাছে খুবই বিশেষ বলে মন্তব্য ছেলে রফের। কারণ, মা আর তাঁদের কাছে নেই। ছয় বছর আগে চলে গেছেন না-ফেরার দেশে।

চিঠিতে ভার্জিনিয়া লেখেন, ‘রফ, সূর্যের উত্তাপের মতো আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার জীবনে তোমার অর্থ এমনটাই। সূর্যই সবকিছুর নেপথ্যে, আর আমি এ জন্যই আবর্তিত হই।’

৭২ বছর পর স্ত্রীর সেই প্রেমপত্র পেলেন স্বামী রফ ক্রিস্টোফারসেন। ৯৬ বছর বয়সী রফ এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকেন। ছেলে চিঠিটির কথা জানার সঙ্গে সঙ্গে অফিস থেকেই ফোনে পড়ে শুনিয়েছেন বাবাকে। স্ত্রীর লেখা প্রেমপত্রে আবেগে কেঁদে ফেলেন তিনি, ফিরে যান নিজেদের যেসব প্রেমময় সোনালি দিনে।

সিনিয়র রফ ক্রিস্টোফারসেন বলেন, ‘এতটা বছর পরও আমার জন্য এমন বিস্ময় অপেক্ষা করছিল! চিঠিটি পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। চিঠিটি এখনো টিকে আছে, ভাবতেই আমার অবাক লাগে। আসল ভালোবাসা একেই বলে। আমি ভার্জিনিয়ার ছোঁয়া পাচ্ছি যেন। আপ্লুত হয়ে পড়েছি আমি।’

চিঠি খুলে কাঁদেন তাঁদের সন্তান জুনিয়র রফ ক্রিস্টোফারসেনও। বলেন, ‘এই মা দিবসে মায়ের কথাগুলো আমাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, কী চমৎকার মানুষ ছিলেন আমার মা। তিনি আমাদের কতটা ভালোবাসতেন! এর সঙ্গে কিছুর তুলনা হয় না!’

এখন একটা প্রশ্নের উত্তরই বাকি থাকে। সেটা হলো চিঠিটি সেখানে গেল কীভাবে? উত্তরটা হচ্ছে, ভার্জিনিয়া-রফ দম্পতি একসময় নিউজার্সির ওয়েস্টফিল্ডে এই বাড়িটির কাছাকাছি থাকতেন। কোনোভাবে চিঠিটি ওপর থেকে পড়ে অ্যালেন কুকের বাড়ির ছাদের ফাটলে আটকে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ২০১৭ সালের এসএসির ফলে ৯টি জিপিএ-৫ পেয়ে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবারও উপজেলায় বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে। প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক গাজী জানান, ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১০৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে গোল্ডেন এ+ ১ জন, এ+ ৮ জন, এ ৪৬ জন, এ- ২৫ জন, বি ১৬ জন এবং সি ৩ জন। এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিগত ১৬ বছরের মধ্যে সেরা ফলাফল অর্জন হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের জেএসসিতে এ বিদ্যালয় থেকে ১১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১১৯ ভালো ফলাফল করে। এর মধ্যে এ+১৩ জন, এ গ্রেড ৫২ জন, এ- ৩০জন, বি গ্রেড ১৬ জন এবং সি  গ্রেড ৮জন। ১৩ জন এ+ এর মধ্যে ৪ জন গোল্ডেন এ+ ও ১ জন টেলেন্টপুল বৃত্তি পায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোকসানা খাতুন জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যাচ চালু করা হয়। শিক্ষার্থীরা কোথাও প্রাইভেট পড়তে পারে না। সব দায়িত্ব নেয় এই বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস দেওয়া হয়। আমাদের দুর্বলতা খুঁজে বের করে আলাদাভাবে পড়ানো হয়। মডেল টেস্ট বা অন্যান্য পরিক্ষায় শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের পর অভিভাবকদের দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা দূর করার জন্য বিশেষ মনোযোগ দেন শিক্ষকেরা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলেন, নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক স্যার যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের পাবলিক পরিক্ষার ফলাফল বিগত ১৬ বছরের ইতিহাসকে পিছনে ফেলে সেরা সাফল্য অর্জন করেছে। সদর উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবার উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। আগামী দিনে এই বিদ্যালয়টি অন্যান্য বিদ্যালয়ের মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে বলে আমরা আশাকরি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের ক্লাসের প্রতি মনোযোগি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ক্লাস পরিচালনা করেছি। এসএসসিতে ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষকদের নিয়ে নিয়মিত বসা, কীভাবে ভালো করা যায়, ক্লাস মনিটরিংসহ নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করি। এসকল বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সহযোগিতা ও শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমাদের বিদ্যালয়ের এ সাফল্য। সর্বপরি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ এবং সকলের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা আমরা আগামী দিনেও সাফল্যের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।
বিদ্যালয়ের এ সাফল্যে শিক্ষকম-লী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও অভিনন্দন জানান বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমিনুর রহমান উল্লাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1494481292আফসানা রিনি : ‘আমি মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন রোগী। যদি আমি একটু সহায়তা পেতাম একটু মাথা গোজার জায়গা পেতাম। আজ আমি নিঃস্ব। যেখানে আজ আমার স্বপ্নের দিন গোনার কথা সেখানে আজ আমি মৃত্যুর দিন গুণছি।’ অভাব-অনটন আর আর পরিবারের অক্ষমতা প্রকাশ করে আবেগ-তাড়িত হয়ে কথাগুলো ফেসবুকে লিখেছেন ক্যান্সারে আক্রান্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাসান। হাসান সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া সরকারপাড়ার কাজী এনামুল হকের ছেলে।

বছর দুই আগের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড় ভাইয়ের সাথে হাসানের কথোপকথন ছিল এমন- ‘ভাইয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যারা পড়াশুনা করি, সবাই যদি তাদের জায়গা থেকে দেশের জন্য, নিজেরা নিজেদের জন্য দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন করতাম তাহলে অনেক সমস্যায় কিন্তু তারুণ্য দূর করতে পারে। আমি আমারটা সব সময় করে যাচ্ছি’।

অভাব আর আজকের ক্যান্সার নিয়ে হাসান লিখেছেন, ‘আমার পাকস্থলীতে ক্যান্সার, একদিনে হয়নি। সত্যি বলছি ভাই! আমার কাছে বেশির ভাগ সময় দুইটা টাকাও থাকত না। এখানেও আবার অনেকে বলবেন বাবা মাকে কেন বলনি? জেদি ছিলাম, দৃঢ় চিত্তের ছিলাম হারতে নারাজ ছিলাম। আমার পোশাকগুলা নিউমার্কেটের ফুটপাত থেকে ১৫০-২০০ টাকার মধ্যে খুঁজে নিতাম। গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া ফ্লাইওভারের নিচ থেকে ৩ হাজার টাকার জুতা ৩০০ টাকায় কিনতাম। সেটাই বন্ধুর কাছে বাড়িয়ে বলে নিছক আনন্দ হত।’

হাসানের পুরো নাম এ এইচ মোখলেচুর রহমান, পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বন্ধুমহলে সবাই তাকে নীরব নামেই চিনে। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়। বাবা মায়ের ৪ সন্তানের মধ্যে সবার ছোট। পারিবারিক অনটন থাকা স্বত্বেও মেধা আর নিজের চেষ্টায় কিছুটা টার্গেট মিস করে ভর্তি হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে।

সবসময় হাসি-খুশিতে চারপাশ ভরিয়ে রাখা মেধাবী শিক্ষার্থী হাসান। ভর্তির সঙ্গে সঙ্গেই ডালপালা মেলতে থাকে হাসানের হাজারো স্বপ্ন। মফস্বলের নিম্নবিত্ত পরিবারের এ সন্তান স্বপ্ন দেখতে থাকেন বড় চাকরি করে বাবা ও মা’র সংগ্রামের অন্ধকার ঘরে স্বাচ্ছন্দ্যের আলো ফেরাবেন।

কে জানতো সেই স্বপ্ন-বাজ নীরবকেই লড়াই করতে হবে চির-অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার ব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে! যে হাসানকে নিয়ে মা-বাবা দিন বদলের স্বপ্ন দেখছিলেন, সেই হাসান এখন প্রতিমুহূর্তে লড়ছেন মরণ-ব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে।

হাসানের শরীরে ক্যান্সারের মাত্রা রয়েছে গ্রেড-৩ এ। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার সাতক্ষীরার ফারজানা ক্লিনিকে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মনোয়ারের তত্বাবধানে। সেখানে এরইমধ্যে তার চিকিৎসা বাবদ খরচ গেছে দুই লাখ টাকার মতো। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই পর্যায় থেকে হাসানের হাসিখুশি মুখ ফেরাতে প্রয়োজন ১২ লাখ টাকা।

কিন্তু  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসানের বাবার পক্ষে ১২ লাখ টাকা যোগাড় করে ছেলের চিকিৎসা করানো একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু ১২ লাখ টাকা না পেলে যে নিভে যেতে পারে স্বপ্নবাজ এ শিক্ষার্থীর জীবন-প্রদীপ ও তার পরিবারের ভবিষ্যৎ!

স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথম দিকে হাসানের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ছিল। চিকিৎসা করার পরও তা বেড়ে আলসারে পরিণত হয়। ‌এক পর্যায়ে আলসারের চিকিৎসার দীর্ঘ সময় পরে চিকিৎসকরা জানতে পারেন হাসানের পেটে টিউমার হয়েছে। টিউমারটি ফেটে এ ক্যান্সার নীরবের পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে।

চিকিৎসকরা প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে বলেছেন, হাসানের ক্যান্সারের মাত্রা গ্রেড-৩ এ রয়েছে। তবে চূড়ান্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করছেন। হাসানের বাবা কাজী এনামুল হক জানান, হাসানকে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর ঢাকার মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দিতে পারেন চিকিৎসকরা। আজই চূড়ান্ত রিোর্ট পেতে পারেন বলে জানান গেছে।

আপাতত যে মাত্রায় ক্যান্সার রয়েছে তা নিরাময় করতে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন। যা বহন করা হাসানের পরিবারের পক্ষে অসম্ভব। সেজন্য ছেলেকে বাঁচাতে কাজী এনামুল হক সরকার এবং সমাজের হৃদয়বান বিত্তশালীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

হাসানকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
বিকাশ (পার্সোনাল): 01767019216
ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিং: 01825754595-8, 01939651194-8
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড: এ.এইচ. মোকলেচুর রহমান, সঞ্চয়ী হিসাব নং: 0200009803364

সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে : র বাবা কাজী এনামুল হকের মোবাইল নম্বর 01716166159

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest