সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপির দোয়াজেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারOpas Naobet-kasinolle rekisteröitymiseen ja tilin hallintaanScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

photo-1486786952ন্যাশনাল ডেস্ক: কানাডার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিন গ্রুপের তিন কর্মকর্তাকে পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন কানাডার অন্টারিও প্রদেশের একটি আদালত।
স্থানীয় সময় শুক্রবার ওই তিন কর্মকর্তাকে খালাস দিয়ে রায় দেন বিচারক ইয়ান নর্ডহেইমার।
ওই তিনজনের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের ঠিকাদারি পেতে বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
খালাস পাওয়া তিন ব্যক্তি হলেন এসএনসি-লাভালিন গ্রুপের এনার্জি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের রমেশ শাহ ও বাংলাদেশি-কানাডীয় ব্যবসায়ী জুলফিকার আলী ভুঁইয়া।
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) করা ওই মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। তবে দুই আসামি মোহাম্মাদ ইসমাইল ও বাংলাদেশের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন চৌধুরীকে আগেই মামলার নথি থেকে বাদ দেয় পুলিশ। খালাস পাওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তাঁদের টেলিফোন আলাপের রেকর্ড সংগ্রহ করে আরসিএমপি। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধেই ওই টেলিফোন কল রেকর্ড করা হয়।  তবে ওই টেলিফোন সংলাপে সাধারণ গল্প-গুজব ছাড়া আর কিছুই ছিল না বলে জানান বিচারক ইয়ান নর্ডহেইমার।
অন্টারিওর ওই বিচারক বলেন, ‘সেখানে (টেলিফোন রেকর্ডে) গল্প-গুজব ও সাধারণ কথাবার্তা ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়নি।’
‘তদন্তে যা পাওয়া গেছে, তা গুজব বা অভিযোগের বিপরীতে অকাট্য প্রমাণ হিসেবে ধরা যায় না। যা পাওয়া গেছে, তা একটা গুজবের সঙ্গে আরেকটা গুজব মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে।’
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ২০১০ সালে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগ সম্পর্কে নিজেদের তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আরসিএমপিকে অনুরোধ জানায়।
এরই ভিত্তিতে আরসিএমপি, কানাডিয়ান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের কিছু কর্মকর্তার টেলিফোন সংলাপ রেকর্ড করার অনুমতি নেয়। পরে তারা এসএনসি-লাভালিনের কার্যালয়ে তল্লাশি চালায়। ২০১২ সালে মোহাম্মদ ইসমাইল ও রমেশ শাহকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে কেভিন ওয়ালেস ও বাংলাদেশি কানাডিয়ান ব্যবসায়ী জুলফিকার ভূঁইয়াকে এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১১ সালে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে যায় বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ সরকারও বিশ্বব্যাংককে না বলে দেয়। পরে নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয় সরকার।
২০১৪ সালে পদ্মা সেতু নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করে সরকার। গত মার্চে নির্মাণকাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। পদ্মা সেতুর নদীর শাসনের কাজ করছে সিনো হাইড্রো করপোরেশন। চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি মূল সেতুর নির্মাণকাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

54নিজস্ব প্রতিবেদক: উদিত সংঘের আয়োজনে বার্ষিক প্রীতিভোজ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা তুফান কনভেনশন সেন্টারে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতিসহ বিভিন্ন গুণীজনদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
মাষ্টার আবু বকরের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দন্ত চিকিৎসক ডাঃ মো. আবুল কালাম বাবলা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

akhari-monazat-17-copyনলতা  প্রতিনিধি: দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হজরত শাহ্ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রহ.) এঁর ৫৩ বার্ষিক ওরছ শরীফ।
নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্জ মাওলানা মো.আবু সাঈদ রংপুরী আধাঘন্টা ব্যাপি আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম আলহাজ্জ মৌলভী আনছারউদ্দিন আহমদ’র বিশেষ তত্ত্বাবধানে ২৬, ২৭, ২৮ মাঘ ৮, ৯, ১০ ফেব্রুয়ারি তিনদিন ব্যাপি পীর কেবলার ৫৩ তম বার্ষিক ওরছের আখেরী মোনাজাতে কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয়সহ দেশ-বিদেশ থেকে আগত শাখা মিশন কর্মকর্তা, ভক্তবৃন্দ,  পুলিশ প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ  তথা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের ধর্মপ্রাণ লক্ষাধিক নারী-পুরুষ, শিশু অংশ নেয়। এ সময় গোটা এলাকা আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। সর্বত্র বিরাজ করে ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশ। পীর কেবলার মাজার শরীফ ছেড়ে অনেককে দূরের কর্মস্থলে চলে যেতে হবে ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
আখেরী মোনাজাতে নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সভাপতি আলহাজ্জ মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা রাখেন ও অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক, নলতা পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম আলহাজ্জ মৌলভী আনছার উদ্দিন আহমদ, এনবিআর এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. আলহাজ্জ মো. আব্দুল মজিদ, আলহাজ চৌধুরী ডা. মঈনউদ্দিন আহমদ (ঢাকা), ড. গোলাম মঈনউদ্দিন (নলতা শরীফ), ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের পরিচালক আলহাজ্জ কাজী রফিকুল আলম, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. আবু মাসুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহম¥দ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, আলহাজ্জ ডা. মো. খলিলউল্লাহ, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো.শহীদুল আলম,  কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ  শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. আব্দুল মজিদ, যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ মো. সাইদুর রহমান শিক্ষক, সহ-সম্পাদক আলহাজ্জ চৌধুরী আমজাদ হোসেন, মো. মালেকুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মোহাম্মদ ইউনুছ, কর্মকর্তা আলহাজ্জ ডা. মো. আকবর হোসেন, আলহাজ্জ এএইচ এম মাহফুজুল হক, মো.আবুল ফজল শিক্ষক, আলহাজ্জ মো. এনামুল হক খোকন, মো. শফিকুল আনোয়ার রঞ্জু, আলহাজ্জ ডা. মো. আবুল কাশেম. অধ্যক্ষ মো. রিয়াজুল ইসলাম,  মো. শফিকুল হুদা, ডা. মো. নজরুল ইসলাম, মো. আনছার আলী, মো. খায়রুল হাসান, মো.মহসীন আলী হালদার, আলহাজ্জ মো. মুজিবর রহমান, আলহাজ্জ একরামুল রেজা, আলহাজ্জ মো. শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্জ মো. আলমগীর হোসেন, মো.আনোয়ারুল হক, আলহাজ্জ মো. রবিউল হকসহ নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লস্কর জায়াদুল হক প্রমুখ।
আখেরী মোনাজাতের পূর্ব বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন হাফেজ মো.হাবিবুর রহমান, মাওলানা ক্বারী আবু মুছা, মো.আব্দুর রহমান, মো.ফিরোজ আলম, মো.আকতার হোসেন বাচ্চু, মো.আনিছুর রহমান ও বি এম নজরুল ইসলাম।
এদিকে বেলা সাড়ে ১০টা থেকে নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সভাপতি আলহাজ্জ মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ এর সভাপতিত্বে নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো.আব্দুল মজিদ ও যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ মো. সাইদুর রহমান শিক্ষকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায়  মিশনের আজীবন ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kalaroa-10কলারোয়া ডেস্ক: সাতক্ষীরা কলারোয়ায় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত দলিয় প্রার্থী ও কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আরাফাত হোসেন এক মতবিনিময় সভা করেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা করেন। প্রেসক্লাবের সভাপতি মাস্টার দীপক শেঠের সভাপতিত্বে মত বিনিময়কালে আরাফাত হোসেন বলেন, আগামি ৬ মার্চ অনুষ্ঠেয় উপ-নির্বাচনে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে তিনি কলারোয়ার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি কলারোয়াকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদে পরিণত করার ইচ্ছা পোষণ করেন। মতবিনিময়কালে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য আরো বলেন আগামী ৬ মার্চ উপ-নির্বাচন যাতে অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ হয় সে জন্যে তিনি সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কোষাধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক কে এম আনিছুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান,সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, দপ্তর সম্পাদক এম এ সাজেদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আশিকুর রহমান মুন্না ও শাহিনুর রহমান শাহিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

10দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় কর্মী সভায় রুহুল হক এমপি বলেন, সময় এসেছে আমাদের একত্রিত হওয়ার। আমাদের প্রতিটা ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ প্রতিটি এলাকার সকল নের্তৃবৃন্দদের একত্রি হয়ে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে জয়লাভ করতে হবে। তাছাড়া বর্তমান সরকারের উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আওয়ামীলীগের জয় নিশ্চিত করতে হবে। তাই এখনি সময় সংগঠিত হওয়ার। এজন্য প্রতিটা ওয়ার্ড পর্যয়ের কমিটির কার্যক্রম গতিশীল করতে হবে। শুক্রবার বিকালে দেবহাটার ১নং কুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের আ.লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আলহাজ্ব আ ফ ম রুহুল হক এমপি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ.লীগের অর্থ-সম্পাদক ও কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মণ, ২নং পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বিভিন্ন ইউপি সদস্যরা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগসহ ও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নের্তৃবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-2নিজস্ব প্রতিবেদক: দীপালোক একাডেমীর চড়–ইভাতির উল্লাসে কেঁটে গেলো দিনটি। তুফান কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া চড়–ইভাতি অনুষ্ঠান চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দীপালোক একাডেমীর শিক্ষার্থী ও তাদের অবিভাবকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লটারির আয়োজন করা হয়। সংগীতের মাঝে ক্ষণে ক্ষণে আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্য মুগ্ধ করেছে সকলকে। কেউবা খেলায় ব্যস্ত আবার কেউবা গানের তালে মগ্ন। এভাবেই কেঁটে গেছে সকাল থেকে সন্ধ্যা।
বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন। অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে অংশগ্রহণ করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এএনএম মঈনুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি, এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন, দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদক জি এম নূর ইসলাম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা রিপোর্টাস ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, ভয়েসঅফসাতক্ষীরার সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক ও সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, এনএসআই এর সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল কালাম বাবলা, সাংবাদিক জামাউদ্দীন মামুন, লোকনাথ নার্সিং হোমের পরিচালক পুলক পাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কেশব সাধু, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাতক্ষীরা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি শেখ শরিফুল ইসলাম, বিজয় টিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলাম  প্রমুখ।
চড়–ইভাতির সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন দীপালোক একাডেমীর পরিচালক, দৈনিক সাতক্ষীরার সম্পাদক বরুণ ব্যানার্জী ও শিল্পী ইন্দ্রজিত সাধু।
সংগীত পরিবেশন করে সংগীত শিক্ষক কুমার ইন্দ্রজিত সাধু, তানিয়া আক্তার, সুমি, পলাশ মজুমদার, তুহিন, অধিস দাস, ডেভিডসহ একামেডীর শিক্ষার্থীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo3নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় লাউ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে চাষিরা। খরচ কম ও দাম বেশি পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে এখন লাউ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাছের খামারের পাশে বা পতিত জমিতে লাউ চাষ করে বাড়তি আয় করতে পেরে খুব খুশি লাউ চাষিরা। কিটনাশকমুক্ত এই সবজি জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হলো লাউ। এটি খুবই সহজলভ্য এবং দামেও সস্তা। লাউয়ের পানি ও আঁশ আমাদের পরিপাক ক্রিয়াকে পরিষ্কার করে। এ কারণে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এ সবজিটি খুবই উপকারী। লাউয়ে গ্লুকোজ ও চিনি নেই বললেই চলে। ফলে ডায়বেটিসের রোগিরা লাউ খেলে উপকার পাবেন। সহজে হজম হয় এবং শরীর ঠা-া রাখে বলে ডায়রিয়ার সময় এক গ্লাস লাউয়ের রসে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া পানি ও সোডিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়। এছাড়া লাউ মূত্রনালীর বিভিন্ন রোগ ও জ্বালাপোড়া রোধে খুবই উপকারী। লাউ কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস রোগ রোধেও খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে লাউ খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কাজেই লাউ লিভারের সংক্রমণে ভালো পথ্য হিসেবে কাজ করে।
লাউয়ে পর্যাপ্ত আয়রন, থায়ামিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকে, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য দরকারি। লাউয়ের রস এপিলেপ্সি, পাকস্থলীর এসিডিটি, আলসার এবং অন্যান্য স্নায়ুরোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। সহজে হজম করা যায় বলে জ্বরসহ অন্যান্য অসুস্থতায় লাউ পথ্য হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কামারালী গ্রামের লাউ চাষী আইয়ুব আলী সানা জানান, শীতকালিন সবজি হলেও সারা বছর লাউ ধরে তার বাগানে। পোকামাকড় মুক্ত থাকায় কিটনাশক লাগে না লাউ চাষে। অধিক ফলন ও বাজার মুল্য বেশী পাওয়ায় লাউ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে মৎস ঘেরের পাশের পতিত জমিতে। অনেকে পুকুর ধার বা বাড়ির চালে সহজে এই লাউ চাষ করছে। তিনি আরো জানান, প্রতিটি লাউ ২০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে পেরে তিনি খুব খুশি। এক বিঘা জমিতে তার লাউ চাষ করতে খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। এর থেকে তিনি লাউ বিক্রি করবেন এক লাখের অধিক টাকা বলে তিনি জানান।
সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান জানান, সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৬ ’শ ৫০ হেক্টর মাছের খামারের পতিত জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে লাউ চাষ করা হয়েছে প্রায় ৩ ’শ হেক্টর জমিতে। আগমীতে এই লাউ চাষ আরও প্রসারিত হবে। তিনি আরো জানান, জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় হচ্ছে সাতক্ষীরর উৎপাদিত এই লাউ। তাই সবজি উৎপাদনে সাতক্ষীরার লাউ একটি অর্থকারি ফসল হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

neelavneel23-1459679205-89df9b9_xlargeনিজস্ব প্রতিবেদক : জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করেও বহাল তহিবয়তে সাতক্ষীরা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক নেতা আক্তারুজ্জামান মহব্বত। আর এ অভিযোগ ঢাকতে আওয়ামীলীগের একাংশের ছত্রছায়ায় সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।
মটর শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্র জানায়, বিগত বিএনপির-জোট সরকারের সময়ে বিএনপি ক্যাডার হিসাবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তৎকালীন বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতা আব্দুর রউফের ডান হাত হিসাবে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিত মহব্বত। সে সময় তার বিরুদ্ধে কথা বলার মত ক্ষমতা ইউনিয়নের কোন শ্রমিক ছিলো না। অথচ আজ জেলা আওয়ামীলীগের একজন শীর্ষ নেতার ছাত্রছায়ায় সাতক্ষীরা জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ওই আক্তারুজ্জামান মহব্বত। সাতক্ষীরা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা জানান, মহব্বত একজন সুবিধাবাদী নেতা। তার নিজস্ব কোন দল নেই। যখন যেদলই ক্ষমতায় থাকে তখন সেই দলের ক্যাডার হিসাবে সাধারণ মানুষের উপরে অত্যাচার নির্যাতন করে থাকে। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিগত ২০০৬ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ইউনিয়নে কাঙালি ভোজের আয়োজন করা হয়। এখবর পেয়ে আক্তারুজ্জামান মহব্বত এসে ভাতের হাড়িতে লাথি মেরে ফেলে দেন এবং চুলায় পানি ঢেলে পুরো অনুষ্ঠান প- করে দেন। এছাড়া সে হুমকি দিয়ে বলে শেখ মুজিবের জন্য কোন আয়োজন এখানে হবে না। এঘটনায় জাতির জনকের আর্দশের সৈনিকরা আক্তারুজ্জামান মহব্বত ও তার সহযোগিদের ইউনিয়ন থেকে বিতাড়িত করেন। অপরদিকে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আয়োজনে ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে। সেখানে বিএনপির একাংশের হামলায় নিহত হন জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান। এহত্যার ঘটনায় আক্তারুজ্জামান মহব্বত এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি।
এদিকে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ভোমরা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি করা হয় নব-নির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে। ওই অনুষ্ঠানের বিশেষ বক্তা করা হয় বঙ্গবন্ধুর অবমাননাকারী মহব্বতকে। এঘটনায় আওয়ামীলীগের সমর্থকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ৪ তারিখের ওই অনুষ্ঠানে স্থগিত করে ১০ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেখানে অবশ্য আক্তারুজ্জামান মহব্বতকে অতিথিদের তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে খিচুড়ির ডেকে লাথি মেরে কীভাবে আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের জেলা কমিটির নেতা হলেন ওই মহব্বত তা নিয়ে জেলাব্যাপী চলছে নানাগুঞ্জন। কিন্তু জেলা আওয়ামীলীগের ওই শীর্ষ নেতার কারণে এখনও বহাল তবিয়তে আক্তারুজ্জামান মহব্বত। মহব্বতের মত পাল্টি খাওয়া নেতারা আওয়ামীলীগের মধ্যে প্রবেশ করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করেছেন বলে শ্রমিক নেতারা দাবি করেছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ২০০৬ সালের ১৫ অগাস্ট বিএনপি ক্যাডার আক্তারুজ্জামান মহব্বত খিচুড়ির ডেকে লাথি মেরে অনুষ্ঠান প- করে দেয়। এঘটনায় আমরা স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় বিবৃতিও প্রদান করেছিলাম।
এক ধরনের সুবিধাবাদীদের সহযোগিতায় মহ্ববতের মত ব্যক্তিরা দলে ঢুকে আওয়ামীলীগের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাস-মিনি বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মীর মনিরুজ্জামান মনি বলেন, মহব্বত বিএনপি থেকে পাল্টি খেয়ে আওয়ামীলীগের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে ইউনিয়নের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার পায়তারা চালাচ্ছেন। আমরা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের পদ থেকে তার বহিস্কার ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করার অভিযোগে কঠোর শাস্তি দাবি করছি। সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেনও একই সুরে মহব্বতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে আক্তারুজ্জামান মহব্বত বলেন, ২০০৬ সালের আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আমি তখন শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি ছিলাম। আমার বিপক্ষের লোকজন ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়েছে। আমান হত্যার আসামি হলেন কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিও ষড়যন্ত্র, আমি মনে মনে সমর্থন করতাম তবে কখনো বিএনপি করতাম না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest