সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনি কি কোমর ব্যথা, ঘাড় ব্যথা বা হাঁটু ব্যথায় ভুগছেন? এসব ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি চলতে থাকলে দৈনন্দিন কাজ বেশ ব্যাহত হয়। তাহলে কীভাবে এই ব্যথা থেকে রেহাই পাবেন? এ ধরনের ব্যথা উপশমে লবণ ও জলপাইয়ের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। ১. লবণ : লবণের মধ্যে রয়েছে মিনারেল, যেমন—পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এটি চাপ কমায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি হাড়কে শক্ত করে এবং ব্যথাকে প্রশমিত করে। ২. জলপাইয়ের তেল : জলপাইয়ের তেলের মধ্যে রয়েছে অলিওক্যানথাল। এই উপাদান প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। প্রণালি :১০ টেবিল চামচ ভালোমানের লবণ নিন। ১২ থেকে ১৫ চা চামচ জলপাইয়ের তেল নিন।  মিশ্রণ দুটো একত্রে মিশিয়ে একটি বোতলের মধ্যে রাখুন। বোতলের মুখ ভালোভাবে আটকে দিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মিশ্রণটি দুদিন রাখুন। এতে মিশ্রণটি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন: সকালে ঘুম থেকে উঠে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ধীরে ধীরে দু-তিন মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত মাখুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে জায়গাটি ঢেকে দিন। মিশ্রণ ব্যবহারের পর র‍্যাশ হচ্ছে মনে হলে বেবি পাউডার লাগান। মিশ্রণটি ১০ থেকে ১৫ দিন ব্যবহারে ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc00857নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, অধ্যক্ষ আনিছুর রহিম, প্রভাষক অমল কৃষ্ণ সরদার, মো. কাবিদুল ইসলাম, মো. রশিদ হাসান খান চৌধুরী, মো. আমিনুল হক খোকন, তৃপ্তি মোহন মল্লিক প্রমুখ।
প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপে প্রেø ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, খ গ্রুপে ৩য়-৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শহিদ মিনার এবং গ-গ্রুপে ৬ষ্ঠ-১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

patkelghata-pic-13-02নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটাসহ আশ পাশের এলাকাগুলোতে আমের ভাল ফলনের আশায় মুকুলের পরিচর্যায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমচাষীসহ গাছ মালিকেরা। আমের মুকুলে কীটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছেন তারা। কুয়াশার কারণে আমের ভালো ফলন হতে বিমুখ হতে পারেন এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই গাছ মালিকরা পরিচর্যায় নেমে পড়েছে।
ইতিমধ্যে পাটকেলঘাটার বিভিন্ন গ্রামের চাষীদেরকে আম গাছে ¯েপ্র করতে দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকজন স্প্রেরত কৃষকরা জানান, ভালো ফলনের আশায় গাছ মালিকগণ কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে পোকামাকড় নিবারণের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। আমরা শ্রমের বিনিময়ে গাছে বিশ প্রয়োগ করছি মাত্র। কীটনাশক বিক্রেতা আজিজুল ইসলাম জানান, কৃষি অফিস হতে আমের মুকুলের পরিচর্যা স্বরুপ পোকা দমনের লক্ষ্যে রিপকট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যা বোতল প্রতি ১’শ টাকা দাম। এক বোতল বিষে ৪/৫ টি গাছে ভালোভাবে স্পে করা সম্ভব। বিভিন্ন গাছ মালিক এবং ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর আম গাছগুলোতে যে পরিমাণ মুকুল ধারণ করে আছে তাতে ভালো ফলন পাব বলে শতভাগ আশাবাদী। অগ্রিম গাছ কেনা আম ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন জানান, আগেভাগেই ভালো ফলন পাব বলে নেমে পড়েছি বাগান ক্রয়ে। আশাকরি এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লাভবান হওয়া সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে আম চাষে রাজশাহীর পরপরই সাতক্ষীরা অঞ্চল খ্যাতি অর্জন করেছে। সাতক্ষীরার আম চাষ বিদেশে রপ্তানীর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে এ অঞ্চলের চাষিরা। একারণে এ বছর আম চাষে মুকুলের অবস্থান বুঝে প্রত্যন্ত আম চাষিরা ভালো ফলনের মাধ্যমে অধিক পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্র অর্জনে আশাবাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mwhনলতা প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানবসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। প্রতিবন্ধিদের সমাজের মূল¯্রােতে অন্তর্ভুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাদেরকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। তারা সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধিদের দিকে সবসময় আমাদের হাসি মুখে তাকাতে হবে। প্রতিবন্ধিরা আমাদের অলিম্পিক জয় করে এনে দিয়েছে। তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষত করে দেশের সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দায়িত্ব সরকারের একার নয়, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের পাশে এসে সম্মিলিত উদ্যেগ গ্রহন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রতিবন্ধিদের উন্নয়নে এমজেএফ কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার সকালে দুপুরে ভাড়াশিমলা এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী স্কুলে বার্ষিক প্রীতিভোজ ও মিলন মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দীন হাসান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জাহিদুল হক, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সেলিম হোসেন, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারি সফু, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, ডা: শংকার কুমার পাল, সাংবাদিক সকুমার দাশ বাচ্চু প্রমূখ। প্রতিষ্ঠানের স্মৃতিচারণে বক্তব্য রাখেন এমজেএফ প্রতিবন্ধী স্কুলের পরিচালক আজহারুল ইসলাম।
এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগাঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, সাংবাদিক আহমাদ উল্ল্যাহ বাচ্চু, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম লাভলু, সাংবাদিক আ: করিমসহ উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

087নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের গৌরব অর্জন ও নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে রুমানা ইয়াসমিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের রুমানা ইয়াসমিন। রুমানা ইয়াসমিন ভূগোল বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে ১ম বর্ষে জিপিএ ৩.৭১, দ্বিতীয় বর্ষে জিপিএ ৩.৫২, ৩য় বর্ষে জিপিএ ৩.৬৯ এবং চতুর্থ বর্ষে জিপিএ ৩.৮২ পেয়ে মোট সিজিপিএ ৩.৭১ পায়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের মো. অলিউল ইসলাম ও রাজিয়া বেগমের একমাত্র কন্যা। তার পিতা একজন সফল কৃষক ও মাতা গৃহীনি। ২০১৪ সালে ভূগোল বিভাগ থেকে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশের হার এবং সি.জি.পি.এ অনুসারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগ ১ম স্থান অর্জন করেছে।
রুমানা ইয়াসমিন বলেন, ‘ভালো রেজাল্ট করতে পেরে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস ছিল এমন ভালো কিছু করবো। আসলে ভালো কিছু করতে হলে, অনেক বেশি পরিশ্রমী হতে হয়। তবেই ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব। সত্যিই এমন সাফল্য অর্জনের পিছনে আমার বাবা-মা ও শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অকল্পনীয়। তবে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ভূগোল বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু না থাকায় আমাকে যশোর এম.এম কলেজে ভর্তি হতে হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের সাফল্য অর্জন করবো এই আশা রাখছি এবং ভবিষ্যতে বিসিএস পরীক্ষায় টিকে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে দেশের সেবায় নিজেকে ব্রত রাখতে চাই।’
রুমানা ইয়াসমিনের বাবা অলিউল ইসলাম বলেন, আমার মেয়ে যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা আসলেই অকল্পনীয়। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সে আরো ভালো কিছু করতে পারবে। পড়াশুনার পাশাপাশি সে যেন মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। আমি দোয়া করি ভালো একটা চাকরি পেয়ে সে নিজের জীবনকে যেন সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারে এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে।
ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক আনম গাউছার রেজা বলেন, রুমানা ইয়াসমিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। আমাদের বিভাগের একজন একনিষ্ঠ, দায়িত্ববান ও পরিশ্রমী ছাত্রী। সে নিয়মিত ক্লাস ও ক্লাসে অত্যন্ত মনোযোগী ছিল। শিক্ষার প্রতি তার এ মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস যদি ধরে রাখতে পারে তাহলে সে অনেক বড় সাফল্য অর্জন করতে পারবে।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ বলেন, ‘আমাদের মূল কথা হচ্ছে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ বরাবরই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে আসছে। অনার্স পর্যায়ে আমাদের ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী রুমনা ইয়াসমিন যে সাফল্য অর্জন করেছে এ জন্য কলেজের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তবে আমাদের কলেজের শিক্ষক ও আসন সংকট মারাত্বক রুপ নিয়েছে। অনার্স পর্যায়ে প্রতি বিভাগে ১২জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলে এখানে আছে মাত্র ৩/৪ জন। আমরা আশা করি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ যদি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অনার্স পর্যায়ে আসন বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষক সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখে তাহলে আমরা আরো ভালো ফলাফল করতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pic-manob-b
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রলির ধাক্কায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্র মো: আব্দুল গফ্ফারের মৃত্যুর ঘটনায় নিরাপদ সড়ক ও অবৈধ যান বাহন বন্ধের দাবিতেও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত। শনিবার সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কাকশিয়লী নদীর ধারে বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল চত্বরে উপজেলা ছাত্রলীগের সহযোগিতায় কালিগঞ্জ উপজেলার শোকাহত ছাত্রসমাজ এ মানব বন্ধনের আয়োজন করে। ছাত্রলীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম জয়বাংলার সভাপতিত্বে  মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম সিরাজ, নিহত স্কুল ছাত্র গফফারের পিতা-মাতাসহ স্কুল কলেজের শিক্ষক- শিক্ষিকা ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে একই স্থানে নিহত স্কুল ছাত্র গফফারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা বলেন, অপরিকল্পিত ও অবৈধ যান বাহনের কারণে জেলার সড়ক গুলো আজ অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। এছাড়া দিনের বেলায় অতিরিক্ত মাত্রায় পণ্য পরিবহন চলাচলের সড়ক হয়ে উঠছে অত্যন্ত ব্যস্ত। যে কারণে প্রায় প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন স্থানে অকালেই ঝরে যাচ্ছে তাজা প্রাণ। খালি হচ্ছে হাজারো মায়ের কোল। কিন্তু তারপরও ওই সব অবৈধ যান চলাচল বন্ধ করা হচ্ছে না। বক্তারা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সকল পণ্য পরিবহন রাতের বেলায় চলাচলের নির্দেশ দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

k-lig
নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর উপজেলা কৃষকলীগের বর্ধিতসভা ও পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা কৃষকলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু। প্রধানবক্তা ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের অর্থ সম্পাদক ঘোষ প্রদ্যুৎ। সদর উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক স.ম তাজমিনুর রহমান টুটুলের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, শিবপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ঢালী, আগরদাড়ী ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আনছার আলী, ফিংড়ী ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মহানন্দ, আহবায়ক সদস্য আতাউর রহমান প্রমুখ। সভায় ২১ ফেব্র“য়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস পালনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tamaস্বাস্থ্য ও জীবন: গ্রামের মেয়েদের দিনের শেষে পানি ভর্তি কলসি নিয়ে ঘরে ফেরার দৃশ্য খুবই পরিচিত। সেই কলসি হয় মাটির তৈরি নয় তামার। নানী-দাদীদের সময় থেকে চলে আসছে এ ঐতিহ্য। বর্তমানে আমরা পানি সংরক্ষণে নানা ধরনের ফিল্টার ব্যবহার করি।
তবে আধুনিক সমাজে তামার কলসিতে পানি সংরক্ষণ সেকেলে মনে হলেও নতুন করে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মিলেছে। নানা ধরনের রোগ-ব্যাধির মুক্তি দেয় এই পদ্ধতি। এভাবে পানি সংরক্ষণ করলে পানিতে মিশে থাকা বিভিন্ন অণুজীব, শৈবাল, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। যা মানুষকে অনেকটাই সুস্থ রাখে। সকালে ঘুম থেকে উঠে তামার পাত্রে রাখা এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তামার গ্লাসে পানি পান করলে শরীরে ১১ টি উপকার হয় বলে গবেষণায় জানা যায়।
১. হজম শক্তি বাড়ায়।
২. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৩. দ্রুত সুস্থতা লাভে সহায়তা করে।
৪. বয়সের ছাপ কমায়।
৫. হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখে এবং প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে।
৬. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭. রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৮. শরীরে থাইরয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৯. বাতের ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
১০. ত্বকের উজ্বলতা এবং মসৃণতা বৃদ্ধি করে।
১১. রক্তশূণ্যতা কমায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest