স্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনি কি কোমর ব্যথা, ঘাড় ব্যথা বা হাঁটু ব্যথায় ভুগছেন? এসব ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি চলতে থাকলে দৈনন্দিন কাজ বেশ ব্যাহত হয়। তাহলে কীভাবে এই ব্যথা থেকে রেহাই পাবেন? এ ধরনের ব্যথা উপশমে লবণ ও জলপাইয়ের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। ১. লবণ : লবণের মধ্যে রয়েছে মিনারেল, যেমন—পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এটি চাপ কমায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি হাড়কে শক্ত করে এবং ব্যথাকে প্রশমিত করে। ২. জলপাইয়ের তেল : জলপাইয়ের তেলের মধ্যে রয়েছে অলিওক্যানথাল। এই উপাদান প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। প্রণালি :১০ টেবিল চামচ ভালোমানের লবণ নিন। ১২ থেকে ১৫ চা চামচ জলপাইয়ের তেল নিন। মিশ্রণ দুটো একত্রে মিশিয়ে একটি বোতলের মধ্যে রাখুন। বোতলের মুখ ভালোভাবে আটকে দিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মিশ্রণটি দুদিন রাখুন। এতে মিশ্রণটি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন: সকালে ঘুম থেকে উঠে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ধীরে ধীরে দু-তিন মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত মাখুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে জায়গাটি ঢেকে দিন। মিশ্রণ ব্যবহারের পর র্যাশ হচ্ছে মনে হলে বেবি পাউডার লাগান। মিশ্রণটি ১০ থেকে ১৫ দিন ব্যবহারে ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, অধ্যক্ষ আনিছুর রহিম, প্রভাষক অমল কৃষ্ণ সরদার, মো. কাবিদুল ইসলাম, মো. রশিদ হাসান খান চৌধুরী, মো. আমিনুল হক খোকন, তৃপ্তি মোহন মল্লিক প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটাসহ আশ পাশের এলাকাগুলোতে আমের ভাল ফলনের আশায় মুকুলের পরিচর্যায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমচাষীসহ গাছ মালিকেরা। আমের মুকুলে কীটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছেন তারা। কুয়াশার কারণে আমের ভালো ফলন হতে বিমুখ হতে পারেন এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই গাছ মালিকরা পরিচর্যায় নেমে পড়েছে।
নলতা প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানবসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। প্রতিবন্ধিদের সমাজের মূল¯্রােতে অন্তর্ভুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাদেরকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। তারা সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধিদের দিকে সবসময় আমাদের হাসি মুখে তাকাতে হবে। প্রতিবন্ধিরা আমাদের অলিম্পিক জয় করে এনে দিয়েছে। তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষত করে দেশের সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দায়িত্ব সরকারের একার নয়, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের পাশে এসে সম্মিলিত উদ্যেগ গ্রহন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রতিবন্ধিদের উন্নয়নে এমজেএফ কাজ করে যাচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের গৌরব অর্জন ও নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে রুমানা ইয়াসমিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের রুমানা ইয়াসমিন। রুমানা ইয়াসমিন ভূগোল বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে ১ম বর্ষে জিপিএ ৩.৭১, দ্বিতীয় বর্ষে জিপিএ ৩.৫২, ৩য় বর্ষে জিপিএ ৩.৬৯ এবং চতুর্থ বর্ষে জিপিএ ৩.৮২ পেয়ে মোট সিজিপিএ ৩.৭১ পায়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের মো. অলিউল ইসলাম ও রাজিয়া বেগমের একমাত্র কন্যা। তার পিতা একজন সফল কৃষক ও মাতা গৃহীনি। ২০১৪ সালে ভূগোল বিভাগ থেকে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশের হার এবং সি.জি.পি.এ অনুসারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগ ১ম স্থান অর্জন করেছে।

স্বাস্থ্য ও জীবন: গ্রামের মেয়েদের দিনের শেষে পানি ভর্তি কলসি নিয়ে ঘরে ফেরার দৃশ্য খুবই পরিচিত। সেই কলসি হয় মাটির তৈরি নয় তামার। নানী-দাদীদের সময় থেকে চলে আসছে এ ঐতিহ্য। বর্তমানে আমরা পানি সংরক্ষণে নানা ধরনের ফিল্টার ব্যবহার করি।