সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

dsc04164_3সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কালেক্টরেট ভবন(ডিসি বিল্ডিং)-এ নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আনসার বাহিনীর একজন নায়েককে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রকাশ্যে পিস্তল উচিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) এর এক উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে। রবিবার দুপুর ১২ টার পর দিকে সাতক্ষীরা কালক্টরেট বিল্ডিং এর নিচতলায় বিআরটিএর ফ্রিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন রুম ও লাইসেন্স ডেলিভারি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম শাহিনুর রহমান। আনসার নায়েকের নাম সহিদুল ইসলাম।
নায়েক সহিদুল ইসলাম ও ল্যান্স নায়েক মতিয়ার রহমান জানান, তারা রবিবার দুপুর ১২টার দিকে বিআরটিএ- এর ফিঙ্গার প্রিন্ট রুম এরিয়ায় ডিউটি করছিলেন। এমন সময় সেখানে শাহিনুর রহমান অপেক্ষমানদের সাথে লাইনে না দাঁড়িয়ে জোর করে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানে দায়িত্বরত আনসারের ল্যান্স নায়েক মতিয়ার রহমান তাকে লাইনে দাঁড়াতে বলেন। এসময় এসআই শাহিনুর রহমান তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কর্তব্যরত আনসারের নায়েক সহিদুল ইসলাম শাহিনুর রহমানকে ভেতরে ঢুকতে নিষেধ করলে তিনি সহিদুল ইসলামে ।কথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কথাকাটির এক পর্যায়ে এসআই শাহিনুর উপস্থিত সকলের সামনে পিস্তল উঁচিয়ে সহিদুল ইসলামকে বলেন, “আমাকে চিনিস? আমি ডিবির এসআই শাহিন। আমার কান্দার কেউ নেই। তোর এতবড় সাহস আমাকে লাইনে দাঁড়াতে বলিস। আমি দেখে নেব তুই কিভাবে সাতক্ষীরায় চাকরি করিস।”
এসময় উপস্থিত অপেক্ষমান সেবাগ্রহীতারা ‘হৈ হৈ’ করে উঠলে শাহিনুর রহমান পিস্তল নামিয়ে ফেলেন এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানান নায়েক সহিদুর রহমান।
সহিদুল ইসলাম ও মতিয়ার রহমান নিশ্চিত করে বলেন, এসময় এসআই শাহিনের পরনে কোন ইউনিফর্ম বা জ্যাকেট(গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ পোশাক) ছিল না। তিনি আরও জানান,  এ ঘটনা কালেকক্টরেট ভবনের অন্যান্যদের কানে তাৎক্ষণিক ছড়িয়ে পড়লে ঘটনার পরপরই সাতক্ষীরা কালেক্টরেটের একজন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে উপস্থিত অপেক্ষমান সেবাগ্রহীতা ও দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার প্রাথমিক বিবরণী শোনেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। এসময় নায়েক সহিদুল ইসলাম বর্ণিত লিখিত বিবরণীতে তিনি ছাড়াও উপস্থিত ঘটনার ৯জন প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষর করেন। ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোমবার দুপুরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করনে।

লিখিত বিবরণীতে পিস্তল উচিয়ে দায়িত্বরত আনসারের নায়েককে হুমকি দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ আছে বলেও জানিয়েছেন নায়েক সহিদুল ইসলাম।
এদিকে, পরদিন ঘটনাটি সাংবাদিদের কানে পৌছলে এসআই শাহিনুর রহমান সোমবার বিকাল ৪.৩০টার দিকে জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো: মহিউদ্দীনের শরণাপন্ন হলে জেলা প্রশাসক উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন।এ সময় তিনি তাদেরকে দৈর্য এবং সংযম প্রদর্শনের জন্য বলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মোঃ মহিউদ্দীন বলেন, “ঘটনাটি দুঃখজনক। যাকে সরকার যতটা ক্ষমতা দিয়েছে তাকে ততটা ধৈর্যশীল হতে হবে। এসআই শাহিন আমার নিকট এসেছিলেন। আমি উভয় পক্ষের কাছ থেকে ঘটনা শুনে তাদের যতটুকু বলার বলেছি।”
অন্যদিকে এসআই শাহিনুর রহমান পিস্তল উচিয়ে হুমকি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি যেহেতু লাইনে না দাঁড়িয়ে ফিতরে ঢুকতে গিয়েছিলাম তাই ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে। আসছে ঘটনাটি তুচ্ছ কথা কাটাকাটি ছাড়া কিছুই নয়। ডিসি স্যার সব ঠিক করে দিয়েছেন।” ওই সময় তিনি ডিউটিতে ছিলেন কিনা জানতে চাইলে শাহিনুর দাবি করেন তিনি ডিউটিতে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

147মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : অনুঃ ১৮ জাতীয় ফুটবল টূর্ণামেন্টে আঞ্চলিক পর্যায়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরা জেলা দলের জাতীয় পর্যায়ে বি-গ্রুপের প্রথম খেলায় মঙ্গলবার সকালে ঢাকা কমলাপুর স্টেডিয়ামের টাবে সাতক্ষীরা জেলা দল বরিশাল জেলা দলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে জয়লাভ করে। দলের পক্ষে গোল করে সুমন-১টি, বাবলু-১টি ও স¤্রাট ১টি। বি গ্রুপের দ্বিতীয় খেলায় ২৬ এপ্রিল বুধবার বিকেলে ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখো-মুখি হবে সাতক্ষীরা জেলা দল বনাম চট্রগ্রাম জেলা দল। আগামী ২৮ এপ্রিল শুক্রবার তৃতীয় খেলায় মুখো-মুখি হবে সাতক্ষীরা জেলা দল  সিলেট জেলা দল। প্রথম দিনের খেলা উপভোগ করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও দলের কোচ ইকবাল কবির খান ও টিম ম্যানেজার স.ম সেলিম রেজা। আজকের খেলাসহ সকল খেলায় জয় লাভের জন্য জেলা দলের খেলোয়াড়রা সাতক্ষীরাবাসীর দোয়া কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

wweoaj_11111ন্যাশনাল ডেস্ক : বিভিন্ন কর্মস্থলে একাধিক নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক ও পরে শাস্তিস্বরুপ বদলীর পর সর্বশেষ নাটোর শহরের ভবানীগঞ্জ মোড়ের গোল্ডেন সিটি আবাসিক হোটেল থেকে সোমা সরকার নামে এক সহকর্মীসহ আটক হওয়া গুরুদাসপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেন সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার নাটোর সদর থানায় শাহাদাতের স্ত্রী ও সোমা সরকারের ভাইয়ের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা বৈঠক হয়। আটকের পর কেন তাদের আদালতে নেয়া হল না জানতে চাইলে নাটোর সদর থানার ওসি মশিউর রহমান পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘দুজনই সরকারী কর্মকর্তা, কি ব্যবস্থা নিবো”?

স্থানীয়রা জানায়, গুরুদাসপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেন এর আগে শরিয়তপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার হিসেবে দায়িত্বে পালনের সময় এই সহকর্মী সোমা সরকারকে পাশের রুমে রেখে তিনি বসবাস করতেন। সে সময় তাদের অপকর্মের কথা ফাঁস হলে শাহাদত হোসেনকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বদলী করা হয়। ঘোড়াঘাটেও অপর এক মহিলার সাথে অবৈধকাজে ধরা পড়ার পর তাকে নাটোরের গুরুদাসপুরে বদলী করা হয়। গত একমাসে আগেও গুরুদাসপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেন তার অফিসেই এই নারী সহকর্মীর সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়ার সময় ধরা পড়েছিলেন বলে তার অফিস সূত্রে জানা গেছে। সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে জেলা সমাজ সেবা অফিসারসহ অন্যদের নাটোর থানায় তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিকদার মোঃ মশিউর রহমান জানান, দুজনই সরকারী কর্মকর্তা কি ব্যবস্থা নিবো। যদি ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে জেলা সমাজ সেবা অফিসারকে বলবো গুরুদাসপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেনকে যেন আর একদিনও গুরুদাসপুরে অফিস করতে না দেন। এ দিকে দুপুরের দিকেই সমাজসেবা অফিসারের স্ত্রী এবং আটক সোমা সরকারের ভাই থানায় এসে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা সভায় বসেন। গুরুদাসপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেন তার সমস্ত জমিজমা ও সম্পদ স্ত্রীর নামে লিখে দেয়ার শর্তে স্ত্রী তাকে মেনে নেন। অপরদিকে আটক সোমা সরকাররের স্বামী পরিবারের অশান্তির কারনে ইতোমধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে করায় একা চলা সোমা সরকারকে কিছ ুনগদ টাকা দেন সমাজসেবা অফিসার শাহাদত হোসেন। সমঝোতা বৈঠকে পুলিশ ও দুই পরিবারের লোকজন ছাড়াও নাটোর জেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল মতিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
নাটোর জেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

9999মাহফিজুল  ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসন পদক নীতিমালার আওতায় ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে সনদ ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সনদ ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ।
শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক (বেসরকারি) পুরস্কার পেয়েছে কালিগঞ্জ এর নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক (সরকারি) পুরস্কার পেয়েছে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক পুরস্কার পেয়েছে শ্যামনগর নওয়াবেঁকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) পুরস্কার পেয়েছে আশাশুনি গুনাকরকাটি খাইরিয়া আজিজিয়া কামিল মাদ্রাসা, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কারিগরি) পুরস্কার পেয়েছে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছে সাতক্ষীরা সুইড খাতিমুন্নেসা হানিফ লস্কর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (মাধ্যমিক বেসরকারি) রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাসার পল্টু, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (মাধ্যমিক সরকারি) সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (প্রাথমিক) বহেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিত্যানন্দ ঘোষ, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (মাদরাসা) সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক এ.কে এম মোবাশ্বেরুজ্জামান, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ইনট্রাক্টর রঞ্জন কুমার সরকার, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় কালিগঞ্জ নামাজগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টি.এম আরিফিন, ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেবহাটা হাদিপুর জগন্নাথপুর আলিম মাদ্রাসার রাসেল সাদিক ইমন, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সেজুতি দত্ত তনা, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জেরিন তাসনিম, জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় শ্যামনগর জয়নগর আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার লিমা পারভীন, দাখিল পরীক্ষায় সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসার মো. আব্দুল্লাহ আল-নাঈম ও এস.এস.সি ভোকেশনাল কলারোয়া জি.কে.এমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রদীপ কুমার দাসকে জেলা প্রশাসন পদক নীতিমালার আওতায় ২০১৬ সালের ৫১টি শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে সনদ ও পদক বিতরণ করা হয়। এছাড়া ও জেলার ৭টি উপজেলার ৪৭জন শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসন শিক্ষা পদক প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এনডিসি মো. আবু সাঈদ ও সহকারী কমিশনার আসফিয়া সিরাত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

357894মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভায় “ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন কর্মসূচী বাস্তবায়ন পূর্বক সাতক্ষীরা পৌরসভাকে ভিক্ষুকমুক্তকরণে ভিক্ষুকদের মাঝে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ১৪ জন ভিক্ষুকের মাঝে নগদ ২ হাজার টাকা করে মোট ২৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয় পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের জন্য। প্রধান অতিথি হিসেবে এ নগদ অর্থ বিতরণ করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, শেখ আব্দুস সেলিম, মো. শহিদুল ইসলাম, শফিকুল আলম বাবু, মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রাণী মন্ডল, পৌরসভার সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস ও স্টোর কিপার মীর নাসের আলীসহ কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

789789মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সদর উপজেলায় “ভিক্ষুক মুক্তকরণ, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন কর্মসূচী বাস্তবায়ন পূর্বক সাতক্ষীরা জেলাকে ভিক্ষুকমুক্তকরণে ভিক্ষুকদের মাঝে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ। এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ভিশন বাংলাদেশকে উন্নত দেশের তালিকায় বিশ্বের দরবারে পরিচিতি লাভে প্রথম টার্গেট দেশকে ভিক্ষুক মুক্তকরণ। তারই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে খুলনা বিভাগের সকল জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাতক্ষীরা জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, অনুষ্ঠানে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানের জন্য ২০টি ভ্যান, ২০টি সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photoআসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় তলুইগাছায় এক লম্পটের বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে সদর উপজেলার তলুই গাছা গ্রামে এঘটনাটি ঘটে। আহত গৃহবধূর নাম জোহরা খাতুন। তিনি তলুইগাছা গ্রামের বিদেশ প্রবাসী হাফিজুর রহমানের স্ত্রী। এ সময় আহত হয়েছেন একই গ্রামের মৃত গোলাপ রহমানের ছেলে নারীলোভী ও লম্পট ইয়ারুল ইসলাম ।
স্থানীয় মেম্বর আব্দুস সামদ ও গ্রামবাসিরা জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুই গাছা গ্রামের গৃহবধু জোহরা খাতুন এর স্বামী হাফিজুর রহমান বিদেশ থাকার সুযোগে প্রতিবেশি ইয়ারুল প্রায়ই তাকে কু প্রস্তাব দিতো। বিষয়টি লোকজন জানাজানি হলে ইতিপূর্বে বেশ কয়েক বার স্থানীয় ভাবে শালিশি বৈঠকে মাধ্যমে তাদের মধ্যে মিমাংসা করা হয়।

এদিকে, এ ঘটনা বিদেশ প্রবাসী হাফিজুর রহমানকে জানায় তার স্বজনরা। এতে শুরু হয় জোহরা খাতুনের সংসারে অশান্তি। এক পর্যায়ে ইয়ারুলকে আসামি করে গৃবধূ জোহরা খাতুন সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। এরই জের ধরে ইয়ারুল মঙ্গলবার ভোর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরের পিছনের জানালা ভেঙে ভিতরে ঢোকে । এসময় দুজনের ধস্তাধস্তির এক পর্যাযে ইয়ারুল জোহরা খাতুনের হাত থেকে দা কেড়ে নিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে । জোহরা খাতুনও এ সময় লম্পট ইয়ারুলকে কুপিয়ে জখম করে। জোহরা খাতুন বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জোহরা খাতুন জানান, ইয়ারুলের স্ত্রী মোবাইলে বিদেশে থাকা তার স্বামী হাফিজুর রহমানের কাছে কুৎসা রটিয়েছে। বিষয়টি তার স্বামী তাকে জানায় এবং তালাক দেওয়ার হুমকি দেয়। এরই জের ধরে মঙ্গলবার ভোররাতে ঘরের জানালা ভেঙে ইয়ারুল তার  ঘরে ঢুকে তাকে দা দিয়ে আঘাত করে । এ সময় হাতাহাতির এক পর্যায়ে ইয়ারুলও সামান্য আহত হয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
এদিকে, গোপনে চিকিৎসা নেওয়া অবস্থায় ইয়ারুল রাতে তার বাড়িতে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, জোহরা খাতুন তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্লা জানান, ঘটনা শুনে এস আই মোমরেজ সেখানে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কেউ মামলা দেননি । মামলা দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1799214321_1493099233-jpg-pagespeed-ic-dl-o1-ce81ডেস্ক: আমাদের জীবনকে সহজ করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই। প্রতিদিন বাজার করার ঝামেলা এড়াতেই প্রযুক্তি আমাদের দিয়েছে রেফ্রিজারেটর। ফ্রিজ খাবার রেখে দিনের পর দিন আমরা তাজা মাছ-মাংস খেতে পারি।

কিন্তু ফ্রিজে রাখলে কতদিন সেগুলো ভালো বা খাওয়ার উপযোগী থাকবে? এজন্য কি কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে? চলুন জেনে নেয়া যাক।

সঠিক নিয়মে আর নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যদি মাংস রাখা হয় তবে সেগুলো অনেকদিন ভালো থাকবে। প্রথমতঃ মাংস তাজা থাকা অবস্থায়ই ফ্রিজে ঢুকিয়ে ফেলুন। কারণ তাজা অবস্থাতেই সংরক্ষণ করা না হলে স্বাদ এবং উপযোগ দুটোই হেরফের ঘটে।

দ্বিতীয়তঃ তাজা মাংস অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাক বা প্লাস্টিক (পলিথিন) থলেতে ভালো করে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখলে সেটা অনেকদিন পর্যন্ত তাজা এবং সুস্বাদু থাকবে। মোড়ানোর পরে প্যাকের গায়ে দিন-তারিখ লিখে রাখুন।

সংরক্ষিত মাংস জাতীয় খাদ্যদ্রব্য সঠিকভাবে ফ্রিজে সংরক্ষণ করার জন্য একটি ন্যূনতম তাপমাত্রার দরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘শূণ্য ডিগ্রি’ ফারেনহাইট তাপমাত্রায় সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত খাওয়ার উপযোগী থাকে।’ যদিও ‘খাওয়ার উপযোগী’ আর ‘খেতে সুস্বাদু’ ব্যাপার দুটির মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

সাধারণত রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য পঁচে না গেলেও একটা নির্দিষ্ট সময় পরে খাবারগুলো স্বাদ এবং উপযোগিতা হারায়।

ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণের সময়সীমা:

মাংস (গরু, খাসি, ভেড়া ইত্যাদি) : খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রেফ্রিজারেটরে রাখলে কাঁচা মাংস- চার মাস থেকে এক বছর, চাপ- চার থেকে ছয় মাস, রোস্ট বা তেলে ভাজা মাংস– চার থেকে বার মাস এবং সসেজ এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।

মুরগির মাংস : মুরগির মাংস সাধারণত রেফ্রিজারেটরের মধ্যে এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে সংরক্ষণের নয় মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলাই উত্তম।

মাছ : যেকোনো ধরনের মাছ রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণের ব্যাপারে প্রথমে খেয়াল করতে হবে যে মাছটা কতটা চর্বিযুক্ত। স্বাদ এবং উপযোগ বজায় রাখতে হলে কম ফ্যাটযুক্ত মাছ সাধারণত ছয় মাস পর্যন্ত এবং বেশি ফ্যাটযুক্ত মাছ দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

রান্না করা মাছ বা মাংস : কাঁচা মাছ-মাংসের মতো রান্না করা মাছ-মাংস খুব বেশি সময় ধরে ফ্রিজে রাখা যায় না। গরু, ছাগল কিংবা ভেড়ার রান্না করা মাংস সাধারণত দুই থেকে তিন মাস এবং রান্না করা মুরগির মাংস সর্বোচ্চ চার মাস পর্যন্ত ফ্রিজে ভালো থাকে।

ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ-মাংসের বরফ গলানোর পদ্ধতি:
প্রথমে রেফ্রিজারেটর সুইচ অফ করে নিন। ভেতরে জমা বরফ হালকা হয়ে গেলে প্যাকেট থেকে ছাড়িয়ে ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। বরফ গলানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় নিন এবং প্রতি আধঘণ্টা পর পর পানি পরিবর্তন করুন।

বাইরের দিকের বরফ গলে গেলেই খাওয়া কিংবা রান্না করা আরম্ভ করবেন না, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। সর্বোপরি সংরক্ষিত খাবারের ঘ্রাণ যদি ঠিক মনে না হয় তবে সেটা না খাওয়াই ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest