মাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকো খেলবে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। এমন ম্যাচের আগে পরিসংখ্যান, তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে দেখছেন সবাই। হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ দুই ক্লাবের এই ময়দানী লড়াইয়ে লুকিয়ে আছে ১১৫ বছরের ইতিহাস। সেই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কিছু চমকপ্রদ তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো-
১. প্রতিদ্বন্দ্বিতার ১১৫ বছর
দুই জায়ান্টের ময়দানী লড়াইয়ের শুরুটা হয়েছিল ১৩ মে, ১৯০২ সালে। করোনেশন কাপের ম্যাচে বার্সার জয়টা ছিল ৩-১ ব্যবধানে। তবে লস ব্লাঙ্কোসরা লিগের প্রথম ক্লাসিকো জেতে ১৯২৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই ম্যাচ তাদের জয়ের ব্যবধান ছিল ২-১, তবে কাতালানরাও ফিরতি ম্যাচে জিতে ১-১ ব্যবধানে।
২. এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার মেসি, রয়েছে ২১ গোল
ক্লাসিকোতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার লিওনেল মেসি। ৩৩ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ২১, যার ১৪টিই লা লিগায়। ডি স্তেফানো করেছিলেন ১৮ গোল। যা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চেয়ে দুই গোল বেশি। আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো গত ৬ ম্যাচে গোলও পাননি বার্সা তারকা।
৩. এল ক্লাসিকোতে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন ম্যানুয়েল সানচিস
রিয়ালের হয়ে ৪৩টি ম্যাচে খেলেছেন ডিফেন্ডার সানচিস। বর্তমানে খেলা তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। ৩৪টি ম্যাচে খেলেছেন বার্সার হয়ে। সার্হিও রামোস ও মেসির চেয়ে এক গোল বেশি।
৪. মাদ্রিদে খেলা সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ৮-২
১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে ক্লাসিকোতে মাদ্রিদে সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ছিল ৮-২। লা লিগায় ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে বড় জয়ের ব্যবধান ছিল সেটাই। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে বার্সার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫-০।
৫. ১৫ বছরে নেই গোল শূন্য ম্যাচ
গত ১৫ বছর ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ দুই ক্লাবের লড়াইয়ে ছিল না গোল শূন্য কোনও ম্যাচ। সবশেষ ২০০২ সালের ২৩ নভেম্বর গোল শূন্য ড্র করেছিল দুই দল।
৬. দুই দল, যেখানে খেলে ১৪ দেশের তারকা
রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা- বিশ্বের অন্যতম দুই নামজাদা ক্লাব হিসেবেই চেনে সবাই। যেখানে ইউরোপ-আমেরিকা অঞ্চল থেকে খেলে ১৪ দেশের ফুটবলার! মার্কা।


মধু চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অন্যতম উপাদান। মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- মধুর ব্যবহার সবখানে। আসুন জেনে নিই মধুর উপকারিতা সম্পর্কে-
ভেঙ্গে গেছে সুনামগঞ্জের শনির হাওরের বাঁধ। পানি ঢুকছে সাহেব নগর ও ঝালখালি পয়েন্ট দিয়ে। আজ সকালে হটাৎ করে বাঁধ ভেঙ্গে শনি হাওরের ভেতরে পানি ঢুকতে থাকে।
নজরুল ইসলাম রাজু : স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা দিয়েছিলেন রক্ত। দিয়েছিলেন জীবন। পাকহানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছিলো ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে। হত্যার পর তাদেরকে একই কবরে মাটি চাপা দিয়েছিলো হানাদাররা। কালের সাক্ষী বাঙালি জাতির অমর স্মৃতি পাটকেলঘাটার পারকুমিরা গণকবরটি আজও অরক্ষিত রয়েছে।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) সুপার ও ইউনিয়ন বিবাহ রেজিস্ট্রার মাও: আজিজুল হকের পরকীয়ার অভিযোগে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তিনি দুই স্ত্রী নিয়ে সংসার করলেও প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ার কারণে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিছেন। উপজেলার মনোহারপুর গ্রামের মৃত ছফেদ আলীর ছেলে মাও: আজিজুল হক কুশুলিয়া দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রায়ায় সহকারী শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি (ভারপ্রাপ্ত) সুপারের দায়িত্ব পালনের পাশপাশি ইউনিয়ন বিবাহ রেজিষ্টার হিসাবে এলাকায় বিয়ে পড়িয়ে থাকেন। ঐ মাদ্রাসার অধ্যায়নরত ৭ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীর পিতা শাহাজান মোড়ল বিদেশ (বাহারাইনে) থাকার সুবাদে তাদের মায়ের সাথে অবৈধ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন মাদ্রাসা সুপার। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ও অভিভাবক মহলের মাঝে মাদ্রাসা সুপারের অনৈতিক কর্মকা-ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মাদ্রাসা সুপার ও প্রবাসীর স্ত্রীর মোবাইলে পরকীয়ার কথপোকথন সকলের মোবাইলে শোনা যাচ্ছে। এলাকার শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল হীন কর্মকা-ের প্রতিবাদ ও মাদ্রাসা শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার নিজের কর্মস্থল মাদ্রাসায় আসাও বন্ধ করে দিয়েছেন। পরকীয়ার বিষয়ে সম্পর্কে মাদ্রাসা সুপার মাও: আজিজুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চক্রান্তের শিকার। তবে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ভাবে জানাজানি হওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমাকে শোকজ করেছে। যার জবাব আমি সঠিক সময়ের মধ্যেই দিয়ে দেব। পত্রিকায় নিউজ করে আমার আর কিইবা ক্ষতি করবেন। পারলে আমার ছবি দিয়ে পোস্টার তৈরি করে দেয়ালে দেয়ালে মেরে দিন। কুশুলিয়া দারুস সুন্নাত মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী মোফ্ফাখারুল ইসলাম নিলুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। ইতিমধ্যে তাকে শোকজ করা হয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি এড. শাহ্ আলম ও সাধারণ সম্পাদক এড. ওসমান গণিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ল স্টুডেন্টস ফোরামের সভাপতি নাজমুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহাব উদ্দীন সাজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি সভাপতি এড. শাহ্ আলম, সাধারণ সম্পাদক এড. ওসমান গণি। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ল স্টুডেন্টস ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুর রব পলাশ, আলমগীর কবির সুমন, যুগ্ম সম্পাদক বুশরা তাহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ নুর আলী, সোহেলী আক্তার, শহীদুল ইসলাম পিন্টু, শেখ মোখলেছুর রহমান, হেলেন সওদাগার, ফিরোজা খাতুন সুমা, বাবলুর রহমান, সালাউদ্দীন সাকিল, দেবাশীষ চক্রবর্তী, কৃষ্ণ চক্রবর্তী, বজলুর রহমান হাওলাদার, মনোয়ারা মিলি প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, আইন পেশা একটি মহৎ পেশা। এ পেশার মাধ্যমে সমাজের অসহায়, দুঃস্থ্য ও গরিব মানুষদের সেবা করা যায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমাণ্ডের পূর্বের কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত ২৭ মার্চ ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমা- কাউন্সিল’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব (প্রশাসন) মো. আবুল বাসার স্বাক্ষরিত মুক্তি/সাতক্ষীরা/ সন্তান কমাণ্ড/ ১১২৪/১৭ নং স্মারকের এক পত্রে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড গঠনতন্ত্রের ৯(ঙ)(।।) ধারা অনুযায়ী নতুন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমাণ্ডের আহবায়ক হয়েছেন আবু রাহান তিতু। যুগ্ম আহবায়কদ্বয় যথাক্রমে এসএম গোলাম ফারুক ও মো. রফিকুল ইসলাম বাবলু। সদস্য সচিব হয়েছেন লায়লা পারভীন সেঁজুতি। এছাড়া কমিটির সদস্যরা হলেন শেখ মেহেদী হাসান সুমন, এসএম গোলাম রহমান, রাজু আহম্মেদ পিয়াল, শহিদুল্লা গাজী, শেখ আব্দুল আলিম, এসএম জাহাঙ্গীর আলম, আশরাফুল হাসান খান চৌধুরী, আহসান উল্লাহ, সাইফুজ্জামান প্রিন্স, মাহমুদ আলী সুমন, মাহমুদ হাসান আশিক, মো. জাহিদুর রহমান (লিটু), মোস্তফা কামাল, শাহনাজ পারভীন মিলি, অপু হোসেন অপু, জিএম সেলিম ও আব্দুর রহিম। কমিটি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।