pic-3প্রেসবিজ্ঞপ্তি: দুধ চিতই, কুলি পিঠা, পাকান পিঠা, দুধ গোলাপ, পাটি সাপটাসহ বিভিন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য চিরচেনা রসনা বিলাসী বাঙালির প্রিয় পিঠা নিয়ে মেলা বসেছিল মজার পাঠশালায়। নানা আয়োজন ও উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে শুক্রবার সকালে শহরের পলাশপোলস্থ এ্যাড. আজিবার রহমানের বাড়ির আঙ্গিনায় মজার পাঠশালার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব। এ উপলক্ষে স্কুলের ছিন্নমুল শিশুরা তাদের চিরচেনা পোশাক ঝেড়ে ফেলে সেজেছিল নানা সাজে। তাদের মধ্যে ছিল বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা. দিলারা বেগম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা বেগম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাংবাদিক শেখ তানজির আহমেদ, আসাদুল ইলসাম ও আসাদুজ্জামান সরদার প্রমুখ। এ স্কুলের ৩৫ জন সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থী ও অস্বসচ্ছল পরিবারে শিশুদের নিয়ে মেতে পিঠা উৎসবে মেতে উঠেন পাঠশালার পরিচালনায় থাকা আব্দুর রহিম, রাসেল মাহমুদ সোহাগ, জাহিদা জাহান মৌ, গাজী শাহরিয়ার সোহাগ, মাইশা, বৃষ্টি, অপু, ফরহাদ, আব্দুল করিম, শুভ ও বিউটি প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tala-picture-20-01-17তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ড’র নব-নির্বাচিত সদস্য, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন ঢাকায় শফত গ্রহণ শেষে শুক্রবার বিকালে তালায় ফিরেছেন। তালায় ফেরাকালে পথিমধ্য থেকে সাংবাদিক মীর জাকির হোসেনকে ব্যাপক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সহ¯্রাধিক মটরসাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে তালার বিভিন্ন স্তরের উৎফুল্ল জনতা ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল বাজার থেকে জেলা পরিষদ সদস্য মীর জাকির হোসেনকে বরন করে নেন। পরে তালায় আসার সময় পথিমধ্যে জাতপুর বাজারে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পথসভা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পরবর্তিতে সন্ধ্যায় তালা বাজারের তিন রাস্তা মোড় (এরশাদ চত্ত্বর) অনুরুপ এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে তালাবাসী। উক্ত সংবর্ধনা প্রদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। সংবর্ধিত অতিথির বক্তৃতা করেন, নব-নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ মূখার্জ্জীর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন, আজিজুর রহমান রাজু, গনেশ দেবনাথ, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাংবাদিক এস.এম. নজরুল ইসলাম, জেলা জাপা নেতা আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামীলীগ নেতা মোসলেম উদ্দীন, রফিকুল ইসলাম মোড়ল, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ইকবল হোসেন, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সুর্য্যকান্ত পাল, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন সোনা, মীর কল্লোল, আব্দুর রব ও ইয়াছিন হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fb_img_1484914693132শ্যামনগর প্রতিনিধি: আমার এমপি প্রকল্পে সাতক্ষীরা-৪ আসনে প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ পেলেন রেজওয়ানুল আজাদ নিপুন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচিত ৩ শত এবং সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের এমপিদেরকে জনগণের মুখোমুখি করতে এবার আসছে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ‘আমার এমপি ডটকম’ নামের একটি সাইট। কোনো বিষয়ে জানতে বা জানাতে চাইলে এই ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দিলেই যে এমপিকে প্রশ্নটি করা হয়েছে তিনি পেয়ে যাবেন। এরই প্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা ৪ আসনে আমার এমপি প্রকল্পের অফিসিয়াল প্রতিনিধি হিসাবে আমার এমপি প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দিয়েছেন শ্যামনগর সদরের রেজওয়ানুল আজাদ নিপুনকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে যখন সারা দেশের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করতে স্বোচ্চার, ঠিক তখনই সাতক্ষীরার তালা উপজেলার এক কলেজ শিক্ষক তার বাবার নামে আবারও ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি করতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তালা উপজেলা মুড়াকলিয়া গ্রামের মোঃ শাহিনুর রহমান তার বাবা মৃত মোবারক আলীর নামে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি করে গত ৩১তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সহকারী পুলিশ সুপার পদে চাকরি নেন। কিন্তু তার বাবার নামীয় মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় তিনি ওই পদে সে সময় যোগদান করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি আবারও ওই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি করতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর সাতক্ষীরা তালা উপজেলার স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা লিখিত আবেদন করে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলীর নামে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরির প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছে। তালা উপজেলার দুইজন যুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুস সোবহান মাস্টার ও সুভাষ সরকারসহ ৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাক্ষরিত ওই আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তালা উপজেলা মুড়াকলিয়া গ্রামের মৃত এনাজউদ্দিনের পুত্র মৃত মোবারক আলী অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট সংগ্রহ করেন। যার গেজেট নং-২০৯৭, সনদ নং-ম-১৮২৫৩৭। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এনিয়ে মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা সে সময় লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি যথাযথ তদন্তের দাবি জানান। পরবর্তীতে অধিকতর যাচাই বাছাই করে মোবারক আলী একজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হওয়ায সরাকর বিগত ২০১৩ সালের ৬ জুন এক গেজেটের মাধ্যমে মোবারক আলীর ওই সদন বাতিল ঘোষণা করেন। যার স্মারক নং-৪৮.০০.০০০০.০০৪.৭৫.১০৫.১২-৩১৮, তারিখ ০৬/০৬/২০১৩ ইং। সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে যাচাই বাছাই করে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সঠিক তালিকা প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে। ওই ঘোষণার পর মৃত মোবারক আলীর ছেলে সুচতুর শাহিনুর রহমান তার বাবার নাম নতুন করে তালিকাভূক্ত করার জন্য অবৈধ পন্থায় দৌড়-ঝাপ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের। লিখিত আবেদনে মুক্তিযোদ্ধারা বাতিলকৃত ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলীর নাম যাতে কোনভাবে চূড়ান্ত মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় স্থান না পায় সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো  হয়েছে। এদিকে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা মৃত মোবারক আলী সরদারের নাম নতুন করে গেজেট বা তালিকাভূক্ত হতে না পারে সেজন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে সম্প্রতি একইভাবে আবেদন করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। দুর্নীতি দমন কমিশন ইতিমধ্যে ওই আবেদনর প্রাপ্তিস্বীকারপত্র পাঠিয়েছেন। যার স্মারক নং-২৮০-২০১৬/২৩৫৯৫, তারিখ-০৭/০৬/২০১৬ ইং। এ ব্যাপারে শাহিনুর রহমান জানান, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি আরও জানান আমার বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ সঠিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে শাহিনুর সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক পদে চাকরিরত আছেন। ৩০ তম (শিক্ষ) বিসিএস এর মাধ্যমে তিনি প্রভাষক পদে চাকরি পান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-combol-distribution-photo-20-01-17-2নিজস্ব প্রতিবেদক: শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে একটি বে-সরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সিকিং আন্ডারস্ট্যান্ডিং পিপল নামের একটি সামাজিক সস্বেচ্ছাসেবী অনলাইন সংগঠন এই কম্বল বিতরণের আয়োজন করে। তারা অসহায় গরিব, হিজড়া ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিদের হাতে শতাধিক কম্বল তুলে দেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসাবে দুঃস্থদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন দুস্থদের সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। একই সাথে তাদের দারিদ্র বিমোচনে সকলকে কাজ করতে হবে। তিনি তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা থানার সাব ইন্সপেক্টর হাফিজুর রহমান, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আয়েশা সিদ্দিকা, আল হাসান ইসলাম, মাশুক খান, শেখ আফজাল হোসেন শাওন, শাহ আরাফাত রাহিব. জাকারিয়া শাওন প্রমুখ। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মামুন ও বাবু এবং হিজড়া রুবিনা কম্বল হাতে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তাদের চোখ দিয়ে আনন্দাশ্রু গড়িয়ে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

uuuuuডেস্ক রিপোর্ট: শ্যামনগর উপজেলা সদর সন্নিকটে চলমান দি নিউ সবুজ বাংলা সার্কাস এর দর্শক গ্যালারি ভেঙে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার শ্যামনগর সদরে সুন্দরবন সিনেমা হলের পিছনে সার্কাসের সন্ধ্যাকালীন ৬ টা থেকে ৯ টার শো চলাকালীন সময়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সার্কাসের শো চলার সময় আকস্মিকভাবে পশ্চিম পাশের দর্শক গ্যালারি ভেঙে অসংখ্য দর্শক চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে পুরুষ মহিলা ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। আহতরা হলেন নিলুফা, মীম, মুরশিদা, খুকুমনি, শাহরিয়া, শাহানারা, জাহাঙ্গীর, কৃষ্ণ, রবিউল, আব্দুল বারী, সুজায়, শীমুল, লামিসা সহ  প্রায় অর্ধশত।
এ সময় ঘটনাস্থলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পাশ্ববর্তীরা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমúেøক্সে ভর্তি করে। পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শ্যামনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি উপর নজর রাখা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান এত বড় দুর্ঘটনার পরেও সার্কাস ব্যবস্থাপনা কমিটি ওই সময় চারিপাশের গেটের দরজা বন্ধ করে সার্কাস চলমান রাখে। পরবর্তীতে উত্তেজিত দর্শক গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আহতদের উদ্ধার করে। এ বিষয়ে সার্কাস পরিচালনা কমিটির বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলেও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ns_bনিউজ ডেস্ক: প্রেমের টানে নিজ দেশ ও পরিবার ছেড়ে বাংলাদেশের ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মিঠুন বিশ্বাসের কাছে এসেছেন আমেরিকান তরুণী এলিজাবেথ। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধও হয়েছেন এ যুগল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

উপজেলার রাখালগাছি গ্রামের পঞ্চানন্দ বিশ্বাসের ছেলে মিঠুন বিশ্বাসের প্রেমে পড়েন এলিজাবেথ। ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় ও ধীরে ধীরে প্রেম। গেল ২ জানুয়ারি এলিজাবেথ তার ভালবাসাকে মানুষটিকে কাছে পেতে বাংলাদেশে পাড়ি জমান।

অবশেষে গত কয়েকদিন আগে খ্রিস্টধর্ম মতে তাদের বিয়ে হয়। এখন তারা সংসার করছেন, সুখেই কাটছে তাদের বৈবাহিক জীবন। এলিজাবেথ জানিয়েছে তার ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে সে খুব খুশি।

অন্যদিকে মিঠুন বিশ্বাস জানান, মার্কিন নাগরিক এলিজাবেথ আমার ভালোবাসার দাম দিয়ে বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্র এসেছে সেইজন্য আমি গর্বিত। সে আমার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ করতে না পারলে হতাশ হয়ে পড়তো। এলিজাবেথের পরিবারের লোকজনের অমতে সে চাকরি করে টাকা রোজগার করে বাংলাদেশে চলে এসেছে।

এ ব্যাপারে রাখাল গাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম জানান, মার্কিন মেয়ে এলিজাবেথ সাথে রাখালগাছি গ্রামের ছেলে মিঠুন বিশ্বাসের বিয়ে হয়েছে। বাস্তবে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খুশি হয়েছি। প্রতিদিন নববধূকে দেখতে এলাকার লোকজন ভিড় জমাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7-1অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতের ‘আম্মা ক্যান্টিন’ খুবই অল্প মূল্যে সাধারণ মানুষকে খাবার খাওয়ায়।

সাধারণ মানুষের সাহায্যেই এ ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করেছিলেন আম্মা জয়ললিতা। কিন্তু ‘আম্মা ক্যান্টিন’র কাছেই আরো এমন এক ক্যান্টিন রয়েছে যেখানে মাত্র এক টাকায় মেলে ভরপেট খাবার।

কর্ণাটকের হুবলিতে গত ছয় বছর ধরে মাত্র এক টাকায় মেলে দুপুরের খাবার। ‘রোটি ঘর’ নামের এই ক্যান্টিনে সাধারণ মানুষ ভরপেট খাবারই শুধু খায় না, বিশেষ অনুষ্ঠানের দিনগুলোতে এই হোটেলের তরফ থেকে খাওয়ার শেষ পাতে থাকে মিষ্টির ব্যবস্থা। ভাত, রুটি, তরকারি এবং সাম্বার সহযোগে যে কোনো ব্যক্তিই দুপুরের খাবার সেরে নিতে পারেন মাত্র এক টাকার বিনিময়ে।

গত ছয় বছর আগে মহাবীর যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এই হোটেলটি খোলা হয়েছিল। মানুষের সেবা করাই ‘রোটি ঘর’ কর্তৃপক্ষের মূল উদ্দেশ্য হলেও, হোটেলটি খুব সহজেই ঘুচিয়ে দিয়েছে মানুষের মধ্যে থাকা সামাজিক দুরত্ব। এই হোটেলে একইসঙ্গে বসে খাবার খান অফিস কর্মী থেকে শুরু করে দরিদ্র ভিক্ষুকরা।

ছোট্ট এই খাবার হোটেল এমনিতে খুব মাঝারি মানের দেখতে হলেও কম দাম, ভালো খাবার এবং পরিচ্ছন্নতা মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest