
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ইমপ্লইয়িজ অফ এক্স- স্টুডেন্টস্ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন (রুয়েসা)’র উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী ও দুস্থ্যদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সদরের ১০ নং আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চুপড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ইমপ্লইয়িজ অফ এক্স- স্টুডেন্টস্ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন (রুয়েসা)’র প্রচার সম্পাদক মো. আজিজুল হক (ডেভিট) এর সহযোগিতায় যুবলীগ নেতা মো. আজিজুল বারী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ শীতবস্ত্র চাদর ও জ্যাকেট বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে সাংসদ রবি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রচন্ড শীত দেখা দিয়েছে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে তিনি ত্রাণ ভান্ডার থেকে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন। সরকারের পাশাপাশি অসহায় শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সমাজের বিত্তবানদেরকেও এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাক আহম্মেদ, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম. জাহাঙ্গীর আলম, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, ১০নং আগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালী প্রমুখ। রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ইমপ্লইয়িজ অফ এক্স- স্টুডেন্টস্ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন (রুয়েসা)’র উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী ও দূঃস্থ্যদের মাঝে সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তুজুলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম ও আনোয়ারুল ইসলাম।



আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি কলেজকে জাতীয়করণ করায় কলেজের শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সদস্যরা আনন্দ র্যালি, মিষ্টি বিতরণ ও আলোচনা সভা করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর মঙ্গলবার ১০/১/১৭ তাং ৩৭.০০.০০০০.০২.০১৭.২০১৫-০১ নং স্মারকে আশাশুনি কলেজকে জাতীয়করণের পত্রজারী করে। সিনিঃ সহকারী সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত পত্রে “মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আশাশুনি কলেজ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ হতে জাতীয় করণ করা হলো” মর্মে জানান হয়েছে। খবর প্রাপ্তির পর বুধবার সকাল ১০.৩০ টায় কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রুহুল আমিনকে কলেজের শিক্ষকমন্ডলী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যমন্ডলী ও ছাত্রছাত্রীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এরপর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দসহ অভিভাবকদের সমন্বয়ে বিশাল একটি আনন্দ র্যালি বের করা হয়। কলেজ চত্বর থেকে র্যালিটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক, বাজার ও উপজেলা পরিষদ চত্বর হয়ে পুনরায় কলেজে গিয়ে শেষ হয়। ব্যান্ডপার্টি বাদ্যসহকারে র্যালির সামনে ভ্যানে করে মিষ্টির ডালি নিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে মিষ্টিমুখ করা হয়। পরে কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আলহাজ্ব রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় গভর্নিং বডির সদস্য অধ্যাপক সুবোধ কুমার চক্রবর্তী, অধ্যাপক সুশীল কুমার মন্ডল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।