webমাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো.মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন  জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী ও জেলা তথ্য অফিসার শাহানওয়াজ করিম প্রমুখ। প্রান সায়েরের খাল বর্জ ও দূষণমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, চলাচলের অনুপযোগি রাস্তা-ঘাট সংস্কার,আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে এবং প্রধান প্রধান সিদ্ধার্ন্ত সমূহের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতিসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

obrod
ডেস্ক রিপোর্ট : ভোমরার পদ্ম শাখরা খাটালে গরু ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনেগেছে আওয়ামীলীগ নেতা শহীদুল। কালো টাকা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে শহীদুল। কে রুখবে তাকে। ইতোমধ্যে ঢাকায় আলিশান বাড়ি, দামী পিস্তল ও দামী গাড়ির মালিক হয়েছেন তিনি।
সূত্র জানায়, খাটাল মালিক শহীদুল ব্যবসায়ীদের উপর নির্যাতন চালিয়ে কালো টাকার পাহাড় গড়ছেন। তবে এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগ থাকারও পর কারো যেন নজর নেই এদিকে। সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভোমরার পদ্ম শাখরার গরু খাটাল থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে খাটাল মালিকরা আদায় করছেন অতিরিক্ত টাকা। এ অতিরিক্ত টাকা গুনতে গিয়ে নি:শ্ব হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। গরু ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে পদ্মশাখরা এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, বর্তমান সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লে:কর্ণের আরমান ভারত থেকে আসার গরুর খাটাল খরচ নির্ধারণ করেছেন ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। কিন্তু পদ্মশাখরার খাটাল মালিক জেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাড়দ্দহা এলাকার বাদেল গাজীর ছেলে শহীদুল ইসলাম। তিনি বিজিবি’র অধিনায়কের নির্দেশ অমান্য করে গরুর মালিক থেকে কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন।  সূত্র জানায় তিনি গরুপ্রতি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকার পরিবর্তে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা আদায় করছেন। আর এসব টাকা আদায় করার জন্য তিনি কয়েক জন ব্যক্তিকে নিয়োগও দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পদ্ম শাখরা গ্রামের রশিদের ছেলে জাকির ও মুনসুর আলীর ছেলে মন্টু সহ কয়েজন। তারা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক এসব টাকা আদায় করে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মারপিটও করেন তারা। প্রতিদিন এই খাটালে ৩০০/৪০০ পিচ গরু করিডোরের মাধ্যমে ছাড় করা হয়। এতে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আদায় হয় ওই খাটালে। যার ৪০ % নেন খাটাল মালিক(শহীদুল), ৩০% নেন ঢাকা প্রবাসীর পকেটে আর বাকী ৩০% যায় খাটালে কর্মরতদের পকেটে।
খাটাল মালিক শহীদুল স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ার তার বিরুদ্ধে সরাসরি মুখ খুলতে সাহস পায় না অনেকে। এছাড়া খাটাল মালিক শহীদুল ইসলাম রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে উর্দ্ধতন মহলের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে থাকেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষোভের সাথে জানান, এধরনের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইতোমধ্যে আমরা কয়েকটি দপ্তরে অভিযোগও করেছি। কিন্তু অভিযোগ করে তেমন কোন লাভ হয়নি। বরং খাটাল মালিক শহিদুল ও তার লোকজন ব্যবসায়ীদের অতিষ্ঠ করে তুলছেন।
অপর দিকে শহীদুল খাটাল ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ৮০ লক্ষ টাকা দিয়ে ঢাকায় আলিশান বাড়ি(ফ্লাট) কিনেছেন। নিজের নিরাপত্তার নাম করে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দামের পিস্তল কিনেছেন। এছাড়া প্রতি বছর পরিবার পরিজন নিয়ে ভারত ভ্রমণ করেন তিনি। যা অত্যন্ত ব্যয় বহুল। এসব টাকার যোগাড় করতে শহীদুল খাটাল ছাড়াও সীমান্ত এলাকায় যুব সমাজকে ব্যবহার করে ইয়াবা, গাজাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তার কবলে পড়ে যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অবিলম্বে শহীদুলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চাকরি ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকড ইনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ‘কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, লিড স্পেশালিস্ট’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতা : যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ন্যূনতম ছয় বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে। এ ছাড়া উপস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকড ইনে (bit.ly/2lsX3u6) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত গ্রামীণফোনের ওয়েবসাইট (bit.ly/2kIU6S9) থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এবং জটিল শারীরিক সমস্যা তৈরি করে।উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে এড়িয়ে যাওয়া ভালো এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম।

১. লবণ : বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এটি রক্তের সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায় । পাশাপাশি মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্র্যাঞ্চ ফ্রাই : আপনি কি জানেন ফ্র্যাঞ্চ ফ্রাইয়ে সাধারণত ২৭০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম  ও ১৯ গ্রাম চর্বি থাকে? বেশি সোডিয়াম খাওয়া ওজন বাড়ায়, হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করে।

৩. পিৎজা : গ্রোসারি ম্যানুফ্যাকচার অ্যাসোসিয়েশনের মতে, পিৎজা সোডিয়ামে ভরপুর। এটি শরীরের ক্ষতি করে। বিশেষ করে গরুর মাংসের পিৎজা।

৪. প্রক্রিয়াজাত মাংস : প্রক্রিয়াজাত যেকোনো মাংস হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে এই খাবার এড়িয়ে চলুন।

৫. লাল মাংস :জাংক ফুড ও ট্রান্স-ফ্যাট জাতীয় খাবারের মতোই লাল মাংস শিরাকে বিকল করে এবং হৃদরোগ তৈরি করে।

৬. চিনি : চিনি, বিশেষ করে কৃত্রিম চিনি উচ্চ রক্তচাপ ও বিভিন্ন হৃদপিণ্ডজনিত সমস্যা তৈরি করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনি কি কোমর ব্যথা, ঘাড় ব্যথা বা হাঁটু ব্যথায় ভুগছেন? এসব ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি চলতে থাকলে দৈনন্দিন কাজ বেশ ব্যাহত হয়। তাহলে কীভাবে এই ব্যথা থেকে রেহাই পাবেন? এ ধরনের ব্যথা উপশমে লবণ ও জলপাইয়ের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। ১. লবণ : লবণের মধ্যে রয়েছে মিনারেল, যেমন—পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এটি চাপ কমায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি হাড়কে শক্ত করে এবং ব্যথাকে প্রশমিত করে। ২. জলপাইয়ের তেল : জলপাইয়ের তেলের মধ্যে রয়েছে অলিওক্যানথাল। এই উপাদান প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। প্রণালি :১০ টেবিল চামচ ভালোমানের লবণ নিন। ১২ থেকে ১৫ চা চামচ জলপাইয়ের তেল নিন।  মিশ্রণ দুটো একত্রে মিশিয়ে একটি বোতলের মধ্যে রাখুন। বোতলের মুখ ভালোভাবে আটকে দিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মিশ্রণটি দুদিন রাখুন। এতে মিশ্রণটি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন: সকালে ঘুম থেকে উঠে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ধীরে ধীরে দু-তিন মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত মাখুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে জায়গাটি ঢেকে দিন। মিশ্রণ ব্যবহারের পর র‍্যাশ হচ্ছে মনে হলে বেবি পাউডার লাগান। মিশ্রণটি ১০ থেকে ১৫ দিন ব্যবহারে ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc00857নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, অধ্যক্ষ আনিছুর রহিম, প্রভাষক অমল কৃষ্ণ সরদার, মো. কাবিদুল ইসলাম, মো. রশিদ হাসান খান চৌধুরী, মো. আমিনুল হক খোকন, তৃপ্তি মোহন মল্লিক প্রমুখ।
প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপে প্রেø ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, খ গ্রুপে ৩য়-৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শহিদ মিনার এবং গ-গ্রুপে ৬ষ্ঠ-১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

patkelghata-pic-13-02নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটাসহ আশ পাশের এলাকাগুলোতে আমের ভাল ফলনের আশায় মুকুলের পরিচর্যায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমচাষীসহ গাছ মালিকেরা। আমের মুকুলে কীটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছেন তারা। কুয়াশার কারণে আমের ভালো ফলন হতে বিমুখ হতে পারেন এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই গাছ মালিকরা পরিচর্যায় নেমে পড়েছে।
ইতিমধ্যে পাটকেলঘাটার বিভিন্ন গ্রামের চাষীদেরকে আম গাছে ¯েপ্র করতে দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকজন স্প্রেরত কৃষকরা জানান, ভালো ফলনের আশায় গাছ মালিকগণ কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে পোকামাকড় নিবারণের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। আমরা শ্রমের বিনিময়ে গাছে বিশ প্রয়োগ করছি মাত্র। কীটনাশক বিক্রেতা আজিজুল ইসলাম জানান, কৃষি অফিস হতে আমের মুকুলের পরিচর্যা স্বরুপ পোকা দমনের লক্ষ্যে রিপকট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যা বোতল প্রতি ১’শ টাকা দাম। এক বোতল বিষে ৪/৫ টি গাছে ভালোভাবে স্পে করা সম্ভব। বিভিন্ন গাছ মালিক এবং ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর আম গাছগুলোতে যে পরিমাণ মুকুল ধারণ করে আছে তাতে ভালো ফলন পাব বলে শতভাগ আশাবাদী। অগ্রিম গাছ কেনা আম ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন জানান, আগেভাগেই ভালো ফলন পাব বলে নেমে পড়েছি বাগান ক্রয়ে। আশাকরি এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লাভবান হওয়া সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে আম চাষে রাজশাহীর পরপরই সাতক্ষীরা অঞ্চল খ্যাতি অর্জন করেছে। সাতক্ষীরার আম চাষ বিদেশে রপ্তানীর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে এ অঞ্চলের চাষিরা। একারণে এ বছর আম চাষে মুকুলের অবস্থান বুঝে প্রত্যন্ত আম চাষিরা ভালো ফলনের মাধ্যমে অধিক পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্র অর্জনে আশাবাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mwhনলতা প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানবসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। প্রতিবন্ধিদের সমাজের মূল¯্রােতে অন্তর্ভুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাদেরকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। তারা সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধিদের দিকে সবসময় আমাদের হাসি মুখে তাকাতে হবে। প্রতিবন্ধিরা আমাদের অলিম্পিক জয় করে এনে দিয়েছে। তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষত করে দেশের সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দায়িত্ব সরকারের একার নয়, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের পাশে এসে সম্মিলিত উদ্যেগ গ্রহন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রতিবন্ধিদের উন্নয়নে এমজেএফ কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার সকালে দুপুরে ভাড়াশিমলা এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী স্কুলে বার্ষিক প্রীতিভোজ ও মিলন মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দীন হাসান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জাহিদুল হক, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সেলিম হোসেন, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারি সফু, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, ডা: শংকার কুমার পাল, সাংবাদিক সকুমার দাশ বাচ্চু প্রমূখ। প্রতিষ্ঠানের স্মৃতিচারণে বক্তব্য রাখেন এমজেএফ প্রতিবন্ধী স্কুলের পরিচালক আজহারুল ইসলাম।
এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগাঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, সাংবাদিক আহমাদ উল্ল্যাহ বাচ্চু, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম লাভলু, সাংবাদিক আ: করিমসহ উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest