সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

333 909098শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের রমজান নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১টি স্থগিত কেন্দ্রের ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে ইউপি মেম্বর পদে ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল নির্বাচনে রমজান নগর ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের শেখ আল মামুন ৩৪ ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আকবর আলী। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে নানান অভিযোগে এ ভোট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়। এ দিকে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে ইউপি মেম্বর পদে ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে স্বপন কুমার হালদার মোরগ প্রতীকে ৫৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সত্য ভূষণ বিশ্বাস ফুটবল প্রতীকে ৩৫১ ভোট পান। এ কেন্দ্রে মোট ১০৯৪ ভোটারের মধ্যে ৮৯৭ ভোট পোল হয় এবং ৭টি ভোট বাতিল হয়। নির্বাচন উৎসব মূখর পরিবেশে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

uuiii7নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় বৈশাখী মেলাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বাঙালির প্রাণের উৎসব বৈশাখী মেলা প্রাঙ্গণে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এ খেলার উদ্বোধন করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম আনিছুর রহমান। এসময় আখড়াখোলা ও আগরদাঁড়ীর লাঠিয়াল খেলোয়ারদের সমন্বয়ে এ খেলা প্রদর্শন করা হয়। খেলায় নেতৃত্ব দেন দলনেতা মো. আব্দুল বারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার ট্রেজারার শাহ্ আলম সানু, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, আ. ম আক্তারুজ্জামান মুকুল, জয়নাল আবদীন জোসি, কামরুজ্জামান কাজী, হাফিজুর রহমান বিটু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব মোশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

44455445নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ১১তম জেলা স্কাউট সমাবেশ ও মুহা. নওশের আলী স্কাউট মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার বিকালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা স্কাউটসের সহ সভাপতি সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. ইউনুছ আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক  আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘তোমরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তোমরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে পারবে। তোমরা যারা এ স্কাউট সমাবেশে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছো তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। আশা করবো এখানে তোমরা অর্জিত অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে নিজেদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর সাহায্য নিয়ে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত স্কাউটিং ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে। আজকের এই সমাবেশের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে স্কাউটরা দক্ষ হয়ে উঠবে।’
বাংলাদেশ স্কাউট সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে ৫দিন ব্যাপি এ জেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্কাউট সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্পাদক এম. ঈদুজ্জামান ইদ্রিস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্কাউটের সহ সভাপতি অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান, জাতীয় উপ কমিশনার  (প্রোগ্রাম) মো. আবু হান্নান, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, ফিফা রেফারী তৈয়েব হাসান বাবু, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, টাউন গাল্স স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর কবির, সাতক্ষীরা পিএন স্কুল এ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান, শিক্ষক জাহিদুর রহমান, মনোরঞ্জন, বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খুলনা অঞ্চলের উপ-কমিশনার আবুল বাশার পল্টু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

788887প্রেস বিজ্ঞপ্তি: পূরবী চ্যাটার্জী নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালের শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে কালিগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের হিসাব রক্ষক আনন্দ চ্যাটার্জী ও মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শম্পা গোস্বামীর দ্বিতীয় কন্যা। পূরবী চ্যাটার্জী  ভবিষ্যতে একজন সফল ডিজাইনার হতে চায়। সে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedদেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউট’র আয়োজনে সখিপুরস্থ খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজ গ্রুপের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে উক্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশীদ (পিপিএম)। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাদিপুর জগন্নাথপুর আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামাদ। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউট’র ফিল্ড কো-অডিনেটর আমিনা বিলকিস ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কেবিএ কলেজের সহকারী অধ্যাপক হারুন অর রশীদ, মনিরুজ্জামান মহসিন, হাদিপুর আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ফজর আলী প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে প্রভাষক শেখ মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার, আজহারুল ইসলাম, মইনুদ্দিন খান, শাহানুর রহমান, মিজানুর রহমান, তৌহিদুর রহমান, জাফর হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পাঠ করেন কেবিএ কলেজের ছাত্রী আসমা খাতুন ও হাদিপুর মাদ্রাসার ছাত্র তাহসিনুর রহমান। এসময় খানবাহাদুর আহছানউল্লা কলেজ ও সখিপুর আলিম মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিল। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন প্রভাষক আবু তালেব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 53aa50f14e60c94f30778b5536b70ed6-58f38b755b837সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য ২০ এপ্রিলের মধ্যে না সরালে ২১ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, ‘কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে মূর্তি অপসারণ করা হবে। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহারও অপসারণ হবে।’ রবিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টনে দলের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য অপসারণের লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে আলেমদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সভায় দলের আমির মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘মূর্তির সংস্কৃতি ইসলামবিরোধী সংস্কৃতি। মূর্তি ও ইসলাম সাংঘর্ষিক। মুসলমানের দেশে প্রধান বিচারপতি মূর্তি স্থাপন করে নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।’
‘মূর্তি’কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতীক উল্লেখ করে রেজাউল করীম বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায় তাদের মন্দিরে মূর্তি স্থাপন করে পূজা করুক, তাতে কারও আপত্তি নেই। কেননা, সুপ্রিম কোর্ট হিন্দু বা সংখ্যালঘুদের কোর্ট নয়। কাজেই প্রধান বিচারপতি মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে তার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বিচারপতির চেয়ারে থাকার অধিকার হারিয়েছেন।’
মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ‘মূর্তি স্থাপনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জানেন না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টিও তিনি জানেন কিনা? আসলে দেশ এখন দিল্লির প্রেসক্রিপশনে চলছে। এজন্যই চারুকলায় গরুর মাংস রান্না করায় বাবুর্চিকে মারধার করা হয়েছে। এটা অশুভ ইঙ্গিত।’
মতবিনিময় সভায় অংশ নেন ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমির মাওলানা ঈসা শাহেদী, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হুসাইন, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে সাতক্ষীরার তালায় উদ্দ্যোগ নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। মাদক মুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে চার মাসে ২৭ জন মাদক বিক্রেতা ও সেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে। ফলে এলাকায় মাদক সেবীর সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনি উন্নতি হয়েছে আইন-শৃংঙ্খলা পরিস্থিতির। পুলিশ-প্রশাসনের এ উদ্দ্যেগকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান ও ওসি (তদন্ত) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের গ্রেপ্তার করেন। পরে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফরিদ হোসেনের বিচারিক আদালতে হাজির করা হলে তিনি বিভিন্ন মেয়াদে তাদের কারাদ- ও জরিমানা করেন। তালা থানা সূত্রে জানা গেছে, থানা এলাকায় গত চার মাসে ২৭ জন মাদক বিক্রেতা ও সেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- ও জরিমানা করা হয়েছে। এরমধ্যে দুই বছরের কারাদ- দেওয়া হয়েছে তিন জনকে। জরিমানা করা হয়েছে ১৬ জনকে। আর পাঁচ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিন জনকে নিয়মিত মামলায় জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
চলতি বছরের ২১ মার্চ উপজেলার আটারই এলাকার পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী কোহিনুর গোলদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৪ এপ্রিল তালা বাজারের আবুল হোসেন ও ১২ এপ্রিল তালা বাজারের মহল্ল্যা পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এদের তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদ- দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফরিদ হোসেন। এছাড়া ২৮ মার্চ উপজেলার শ্রীমন্তকাটি এলাকা থেকে জামাল মোড়ল (৪৭) চার লিটার বাংলা মদসহ গ্রেপ্তার করে মাদক মামলায় তাকে জেল-হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
আটারই গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, কোহিনুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। রক্ষা পেয়েছে এলাকার যুব সমাজ। তালা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন জানান, মাদক বিক্রেতারা গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। এলাকার যুব সমাজ মাদক ছেড়ে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে। এজন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান হাফিজুর রহমান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। এবং মাদক তালা থেকে চিরতরে নির্মূল করা হবে।  তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন জানান, মাদক নির্মূল অভিযান অব্যাহত থাকবে। এবং তালাকে মাদক মুক্ত করে ছাড়া হবে। এ জন্য কারও কোন সুপারিশ চলবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মেলা পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বাগেরহাট এলাকার মানিক শিকদার মেলায় কোন অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও জুয়া হচ্ছে না দাবি করে বলেন, মেলায় লটারি, সার্কাস, যাত্রা পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষকে ৬ লাখ এবং অন্যদের আরো চার লাখসহ মোট ১০ লাখ টাকা তার খরচ হয়েছে।

প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ র্যাফেল ড্র'র টিকিট

প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ র্যাফেল ড্র’র টিকিট

আসাদুজ্জামান : সিকান্দার আবু জাফর, বাংলা সাহিত্যের এক অমর কবি। তার শক্তিশালী লেখনী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালির প্রেরণার উৎস ছিল। তিনি জনতার সংগ্রামে আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় তার স্মরণে সরকারিভাবে আয়োজিত সিকান্দার মেলায় কবিকে কর্মকে নিয়ে যে প্রচার-প্রচারণা, আলোচনা, গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী সেমিনার হওয়ার কথা তার পরিবর্তে এই মেলাকে সামনে রেখে অনৈতিকভাবে গরিব জনসাধারণকে ঠকিয়ে সস্তা বিনোদনের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। অথচ প্রথমবারের মত সরকারি পৃষ্টপোষকতায় জাতীয় পর্যায়ের এই স্বনামধন্য কবির জন্মবার্ষীকি পালনের সিদ্ধান্তে সবার আশা ছিল এখানে কবির সৃষ্টিকে নিয়ে ব্যাপক উৎসব হবে, সাথে আমাদের লোকজ সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনসাধারণের বিনোদনের ব্যবস্থা হবে।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়ায় কবি সিকান্দার আবু জাফরের ৯৮তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মেলাকে কলুষিত করছে সেই গণলুণ্ঠনকারী র‌্যাফেল ড্র। এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে মেলায় এসব চলার ফলে একদিকে, যেমন বিঘিতœ হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়া, অন্যদিকে সেখানে লটারির নামে সাধারণ জনগণের পকেট কেটে করা হচ্ছে নিঃস্ব। এর ফলে সামাজিক অবক্ষয় চরমে পৌঁছেছে।
সরেজমিনে মেলার মাঠ তেঁতুলিয়ায় গিয়ে দেখা গেছে, মিনি সার্কাস, নাগরদোলা, যাত্রা, যাদু ও লটারির নামে সেখানে চলছে সাধারণ জনগণের পকেট কাটার মহা উৎসব।

দর্শকদের প্রলোভন দেখাতে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা র্যাফেল ড্র'র পুরস্কার মটরসাইকেল

দর্শকদের প্রলোভন দেখাতে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা র্যাফেল ড্র’র পুরস্কার মটরসাইকেল

এলাকার সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রতিবছর সিকান্দার মেলার নামে এখানে যাত্রা, লটারী ও পুতুল নাচের নামে ছদ্মবেশে চালানো হয় নগ্ন নৃত্য। চরমপন্থি এলাকাখ্যাত তালা উপজেলার এ মেলাকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠার আশংকা করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
তালার সিনিয়র সাংবাদিক ও জেলা পরিষদের সদস্য মীর জাকির হোসেন বলেন,  সিকান্দার মেলার নামে অশ্লীল যাত্রা, পুতুল নাচ, যাদু ও ওপেন লটারি চলার কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে যারা এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে তাদের মারাতœক ক্ষতি হচ্ছে।
মেলা পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বাগেরহাট এলাকার মানিক শিকদার মেলায় কোন অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও জুয়া হচ্ছে না দাবি করে বলেন, মেলায় লটারি, সার্কাস, যাত্রা পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষকে ৬ লাখ এবং অন্যদের আরো চার লাখসহ মোট ১০ লাখ টাকা তার খরচ হয়েছে।
তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার এ ব্যাপারে অনেকটা আক্ষেপ করে বলেন, আমি উপজেলা চেয়ারম্যান, আমার এখানে মেলা হচ্ছে এবং মেলার ডেট বাড়ানো হচ্ছেÑ অথচ এ ব্যাপারে আমাকে কিছুই জানানো হচ্ছে না। লটারির নামে এলাকার টাকা

যাত্রার অশ্লীল পোস্টার

যাত্রার অশ্লীল পোস্টার

পয়সা লুট করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করে আরো বলেন, সামাজিক অবক্ষয় হওয়ার মত কর্মকা- বন্ধ করা উচিত।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন জানান, সেখানে কোন অশ্লীল কিছু পরিবেশন করার অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে, তিনি অবৈধ র‌্যাফেল ড্র বা লটারির ব্যাপারে অফিসিয়াল কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে জানার জন্য তালা-কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফূলাহর কাছে তার ব্যবহৃত ০১৭১৫-২৬৮০৭৫ নাম্বারের মোবাইল ফোনে রিং দিলে তার এপিএস জাহাঙ্গীর জানান, “স্যার স্কাউটদের একটি প্রোগ্রামে আছেন আধা ঘন্টা পরে রিং করেন।”
উলেখ্য, গতবছর একই স্থানে কবির জন্মবার্ষীকি উপলক্ষে নগ্ন নৃত্য আর জুয়ার আসরের সচিত্র প্রতিবেদন সাংবাদিকরা প্রকাশ করলে তৎকালীন প্রশাসন মেলা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে নগ্ন নৃত্য পরিচালনাকারীদের ও জুয়াড়িদের আটক করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest