মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলা নতুন বছরের শুভ আগমনে নববর্ষ-১৪২৪ কে বরণ এবং আনন্দ উচ্ছাসকে সবার মাঝে বিলিয়ে দিতে মিষ্টি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মমতাজুন্নাহার ঝর্ণার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে মিষ্টি উৎসবে এতিম শিশুদের মুখে মিষ্টি তুলে দেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। মিষ্টি উৎসবের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা ও পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্বাবধায়ক ও শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদিকা লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রওশনারা রুবি, মাহফুজা রুবি, সোনিয়া পারভীন শাপলা, শিম্মি, সুলেখা চন্দ্র দাস, মমতাজ, মাহমুদা, মর্জিনা ও সাবিত্রী প্রমুখ। এ সময় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদিকা লায়লা পারভীন সেজুতি।
ক্যাপশন : বাংলা নতুন বছরের শুভ আগমনে নববর্ষ-১৪২৪ কে বরণ করতে এতিম শিশুদের মুখে মিষ্টি তুলে দিচ্ছেন মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপিসহ অতিথিবৃন্দ।


গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয়ের পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুই ম্যাচেই ছিলেন না সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবারও বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে ছাড়া কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে মোকাবিলা করেছে কলকাতা এবং সফল হয়েছে। তিন ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তারা পেয়েছে ৮ উইকেটে। আর টানা দুই জয়ের পর হেরেছে পাঞ্জাব।
আফগানিস্তানের নাঙ্গাহার প্রদেশে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের গুহা, সুড়ঙ্গ ও বাংকার লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার পারমাণবিক বোমার পর সবচেয়ে বড় ও ভয়ংকর বোমা নিক্ষেপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে এ বিষয়ে আফগান কর্তৃপক্ষকে কিছুই জানায়নি মার্কিন সেনারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক খবরে বিষয়টি জানা গেছে।
মিসরে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নারীদের বোরকা নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে একটি প্রস্তাব আনতে যাচ্ছেন দেশটির একাধিক সংসদ সদস্য। সদস্যদের একজনের দাবি, নারীদের ওই বোরকা পরার সংস্কৃতি ‘ইহুদি প্রথা’!
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পালিত হচ্ছে এবারের পয়লা বৈশাখ। পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ (র্যাব) অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেবায় খুশি সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আচরণ বন্ধুর মতো মনে হচ্ছে বলে জানান অনেকেই।
আসাদুজ্জামান/ মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নানা উৎসব ও আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়েছে বাঙালী জাতির পুরাতন ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহননের পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের দিনটি বাঙালী জাতির জন্য সবচেয়ে আনন্দময়, সবচেয়ে রঙিন উৎসব। এই দিনটি ঘিরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গ্রহণ করা হয়েছে তিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। এ শোভাযাত্রা বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন অংশ নেয়। মঙ্গল শোভা যাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে মিলিত হয়। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপি এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, জেলা তথ্য অফিসার শাহানওয়াজ করিম, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শেখ আবু জাফর মো. আসিফ ইকবাল প্রমুখ। এছাড়া পৌরদিঘীতে হাঁস ধরা, সাঁতার প্রতিযোগিতা, হাডুডু খেলা, লাঠিখেলা, সঙ্গীত প্রতিযোগীতাসহ দিনব্যাপি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সাতক্ষীরার সকল গ্রাম গঞ্জে পহেলা বৈশাখের আয়োজন পালনের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। গ্রামের মানুষের ভাবনা ভোরে ঘুম থেকে উঠা, নতুন জামাকাপড় পড়া এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া। বাড়িঘর গুলো সুন্দর করে সাজানো। বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও করা এবং সবাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয়ে নানান রকম খেলার আয়োজনের মাধ্যমে পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল।
ডেস্ক রির্পোট : মানব সভ্যতায় দিন, মাস, বর্ষ গণনার ইতিহাস সুপ্রাচীন। সভ্যতার অগ্রযাত্রার সাথে সাথে এই গণনা প্রক্রিয়ায়ও এসেছে ভিন্নতা। আজ সারা বাংলা জুড়ে ঘটা করে পালিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। এই নববর্ষ উদযাপনে দিন দিন নিত্যনতুন অনুষঙ্গযুক্ত হচ্ছে এবং আমাদের সমাজ, সভ্যতা, সংস্কৃতির সাথে যা মিশে যাচ্ছে। এটা দোষের কিছু নয়, সমস্যা হল কতিপয় অতিউৎসুক মানুষ ইতিহাস বিকৃত করে এগুলোকে আমাদের বাংলা’র ইতিহাস বলে চালিয়ে দিচ্ছে। চেষ্টা ইতিহাস এবং তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে উৎসমূলে যাওয়া।