সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগরের আটুলিয়া মৌজায় সরকারের খাস জমিতে মাটি ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্র্মানে মৎস্য ঘেরে ক্ষতির প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আবেদন দুটি দায়ের করেন বড়কুপট(নওয়াবেঁকী) গ্রামের মৃত অনন্ত জোয়াদ্দারের পুত্র দুলাল জোয়াদ্দার ও শিবপদ জোয়াদ্দারের পুত্র সমরেশ জোয়াদ্দার সহ এলাকাবাসী। অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, আটুলিয়া মৌজার ১ নং এস এ খাস খতিয়ানের ৫২৩৭ দাগে ২৯ শতক জমি বড়কুপট গ্রামের অশ্বিন রপ্তানের পুত্র মনোরঞ্জন রপ্তান ও স্ত্রী অনিমা রানী রপ্তান ব্-েআইনি ভাবে জবর দখল করে নিজ বাড়িতে বসত ঘর থাকা সত্তেও খাস জমিতে ঘর বাড়ি নির্মাণ, মাটি কর্তণ ও মাটি ভরাট করছে। ভূমিহীন না হওয়ার সত্তেও মনোরঞ্জন রপ্তান তার স্ত্রী অনিমা রানী রপ্তান কৌশলে ঐ জমি বন্দোবস্ত নিয়ে সমরেশ জোয়াদ্দারের কাছে সাব-লিজ দিয়েছিল। সে সুবাদে সমরেশ মৎস্য ঘের করে। মনোরঞ্জন রপ্তান মৎস্য ঘেরের মধ্য দিয়ে রাস্তা সৃষ্টি করে অন্যের মৎস্য ঘের দ্বি-খন্ডিত করে পানি প্রবাহের বাধা সৃষ্টি করছে। তাছাড়া খাস জমিতে বে-আইনিভাবে শ্রেণি পরিবর্তন করছে। শ্রেণি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মাণ করছে। ঘের মধ্যস্থ খাস খালটি সরকারের বে দখলে যাচ্ছে। যা সরকারের নিয়মের পরিপন্থি। অবৈধ স্থাপনা নির্মানের ছবি উঠাতে সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছালে মনোরঞ্জন এর পুত্র বিল্পব ছবি উঠাতে বাঁধা দেয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম এ বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে নির্দেশ দিয়েছেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ আটুলিয়ার নায়েব কে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আটুলিয়ার নায়েব মহসীন আলী জানান, সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ কর্মকান্ডের সত্যতা পেয়েছি,সে মতে প্রতিবেদন পাঠাবো। মনোরঞ্জন রপ্তান জানান,বন্দোবস্তকৃত জায়গায় ঘর বাধিতেছি। ভুক্তভোগীরা জানান, আটুলিয়ার নায়েব মহসীন আলী আর্থিক ফায়দায় মনোরঞ্জন রপ্তানের পক্ষে রায় দিতে তৎপর রয়েছে, কেননা সঠিক প্রতিবেদন প্রেরন করতে গড়ি মশি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তফা কামাল: প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর দুরন্ত স্বভাবের চৌদ্দ বছরের শিলা পারভীন ছিল ছয় বোনের মধ্যে সবচেয়ে চঞ্চল, হাস্যেজ্জ্বল, কর্মঠ আর মেধাবী। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে প্রাণের স্পন্দন হারিয়ে সেই উচ্ছ্বল ও প্রাণবন্ত শিলা এখন কেবলই অসাড় এক মানুষ্য দেহ। দুরন্তপনায় বাড়ির আঙিনা পেরিয়ে পাড়া মহল্লায় ছুটে বেড়ানো কিশোরী শিলা এখন চব্বিশ ঘন্টার জন্য তিন হাত লম্বা বিছানার ফ্রেমবন্দী। নিষ্ঠুর নিয়তি তার দুরন্তপনাকে হরণ করে উপহার দিয়েছে বিভিষীকাময় এক অভিশপ্ত জীবন। মাত্র দু’বছর আগের দুরন্ত শিলার দু’টি চোখই এখন শুধু যেন কথা বলে। দৃষ্টি সীমায়  হাজির হওয়া মানুষের মুখ পানে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে এমন অসহায়ত্ব থেকে সে যেন মুক্তির দাবি তোলে। অথচ শিলার এমন করুন পরিণতির জন্য দায়ী চক্রটি অদ্যাবধি রয়েছে দিব্যি ধরাছোয়ার বাইরে। ঘটনাটি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঘোলা গ্রামের। ঘটনার শিকার শিলার জীবনে এখন শুধুই কবরস্থানের নীরবতা। অপেক্ষা কেবলই গন্তব্য দুর পরপারে পাড়ি জমানোর। অপরাধী চক্রটি আইনের আওতায় এলেই কেবল শিলার কষ্ট কমবে বলে দাবি পরিবারের। শিলার পরিবার সুত্রে জানা গেছে মাত্র দু’বছর আগে আদম ব্যবসায়ী ও পাচারকারী এক চক্রের জালে আটকা পড়ে শিলা। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নেয় চক্রটি। পরবর্তীতে নানা হাত ঘুরিয়ে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। অভিশপ্ত সেই জীবন থেকে পালিয়ে আসার পর পুনরায় ঐ চক্রের হাতে আটকে যাওয়া শিলা এখন পিতার গৃহে অপেক্ষমান মৃত্যু পথযাত্রী। শিলার পিতা কাশিমাড়ীর ঘোলা গ্রামের গোলাম হোসেন সরদার জানান, গাজী আব্দুল হামিদ মহিলা মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করত শিলা। ২০১৪ সালের অক্টোবরে শিলা আকস্মিক বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে তারা জানতে পারেন প্রতিবেশী আব্দুর রউফ সরদারের বাড়িতে বেড়াতে আসা তারই স্ত্রী’র নিকটাত্বীয় খুলনার দৌলতপুর এলাকার জনৈক বুলবুল হোসেন ও  তার চার সহযোগী তার মেয়েকে ফুসলিয়ে  নিয়ে গেছে। প্রেমের সম্পর্কের জেরে মেয়ে ঘর ছেড়েছে ভেবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত তারা রাগে ক্ষোভে শিলার কোন খোঁজ খবর নেয়নি বলে জানান তিনি। প্রায় ৯/১০ মাস পরে সিঙ্গাপুর থেকে মেয়ের একটি ফোন পেয়ে শিলা সংঘবদ্ধ প্রতারক ও পাচার চক্রের ফাঁদে পড়েছে নিশ্চিত হন উল্লেখ করে গোলাম হোসেন জানান, এসময় প্রতিবেশী আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রী’র উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু নানা প্রকার টালবাহানার এক পর্যায়ে তারা জানায় শিলা তাদেরই নিকটাত্বীয় বুলবুল হোসেনের সাথে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে। এসময় মেয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রী ধর্য্য ধরার পরামর্শ দেয় বলেও গোলাম হোসেন ও জাহিদুর জানায়। গোলাম হোসেন আরও জানান, সিঙ্গাপুরে মেয়েকে জীবনে মেরে ফেলার আতংকে তিনি ও তার পরিবার সেখান থেকে মেয়ের ফোন আসার বিষয়টি আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রী ইসমত জাহানের কাছে গোপন করেন। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় বার শিলার ফোন পেয়ে তাকে সেখান থেকে যে কোন  উপায়ে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসার পরামর্শ দেয়া হয়। তাদের পরামর্শ মোতাবেক শিলা সিঙ্গাপুরে পাচার হওয়া নাসিমা (ছদ্মনাম) খাতুনের সাথে মিলে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। শিলার ভাই জাহিদুর রহমান জানান, তার বোনকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পরপরই দালাল চক্রের মাধ্যমে বুলবুল হোসেন সিঙ্গাপুরে পাঠায়। মিথ্যা বিয়ের নাটক সাঁজিয়ে ভিসা জটিলতার কারনে পরে সে নিজে যাবে জানিয়ে প্রথমে শিলাকে সিঙ্গাপুর যেতে বাধ্য করে বলেও জাহিদুরের দাবি। শিলার ভাই অভিযোগ করে বলেন, সিঙ্গাপুরের হোটেলে তাকে ‘নাচনেওয়ালী’ হিসেবে তাকে কাজ করতে বাধ্য হয়। এক পর্র্যায়ে বুলবুলসহ প্রতারক চক্রের মুখোশ উম্মোচিত হলে শিলা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং পালিয়ে দেশে ফিরে আসে। জাহিদুর আরও জানায় শিলা সিঙ্গাপুর থেকে পালিয়ে আসলেও ভয়ে পরিবারের কাছে ফিরতে সাহস পাচ্ছিল না। এসময় তার সাথে পালিয়ে আসা টাঙ্গাইলের অপর একটি মেয়ে নাসিমার বাড়িতে ওঠে শিলা। কিন্তু বুলবুলসহ প্রতারক চক্রটি নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। এসমসয় শিলাকে বিবাহিত স্ত্রী দাবি করে নাসিমার পরিবারের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতিতে তারা শিলাকে নিয়ে যায়।জাহিদুর রহমান ও তার পিতা গোলাম হোসেন আরও জানায় মেয়েকে টাঙ্গাইল থেকে নিয়ে যাওয়ার অল্প দিনের মধ্যে বুলবুল হোসেন শিলার সাথে বিয়ে পরবর্তী সংসার করছে জানিয়ে অটোরিক্সা ক্রয়ের কথা বলে শিলার পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে। এদিকে একের পর এক মেয়ের ভুল সিদ্ধান্তের কারনে পরিবারের সদস্যরা তার উপর রুষ্ট হলেও মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে তারা বুলবুলকে দুই লাখ বিশ হাজার টাক্ াদেন। গোলাম হোসেন জানান, দেশে ফেরার পরও যে তার মেয়েকে সংঘবদ্ধ চক্রটি আটকে রেখেছে বিষয়টি তখন পর্যন্ত তারা বুঝতে পারেন নি। এক পর্যায়ে গত ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে বুলবুল হোসেন তাদের ফোন দিয়ে শিলা আত্মহত্যার চেষ্টায় আহত হয়ে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আইসিইউ-তে রয়েছে বলে তার পরিবারের কাছে বার্তা পাঠায় বলেও গোলাম হোসেন জানান। শিলার ভাই জাহিদুর জানান, তারা হাসপাতালে যেয়ে শিলাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় দেখতে পেয়ে নিশ্চিত হন যে শিলাকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে নেয়ার পর বিয়ের নাটক সাঁজিয়ে তাকে সিঙ্গাপুরে পাচার করা হয়। এক পর্যায়ে সে পালিয়ে দেশে ফিরলে তাকে দ্বিতীয়বার আটকে দিতেই আগের বিয়ে নাটককে সত্যি পরিনতি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দ্বিতীয়বার আটকে দেয়া হয়। এসময় পরিবারের সাথে দুরত্বের সুযোগে কৌশলে তারা শিলার পরিবারের নিকট থেকে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে পালানোর কারনে তাদের ঘটে যাওয়া আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নেয় চক্রটি। জাহিদুর আরও জানান, তার বোন এখন কঙ্কালসার হয়ে বিছানায় পড়ে আছে গত দুই/তিন মাস ধরে। তাদের প্রতিবেশী আব্দুর রউফ সরদারের স্ত্রী ইসমত জাহান ও প্রতিবেশী জামালউদ্দীন সরদারের মেয়ে মাসুকা পারভীন ঐ প্রতারক চক্রের সাথে মিলে তার বোনকে পাচারে সহায়তা করেছিল বলেও অভিযোগ করেন জাহিদুর ও তার বৃদ্ধ পিতা। বুলবুলসহ সংঘবদ্ধ চক্রটির সাথে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে দাবি করে জাহিদুর রহমান বলেন, বারংবার ইসমত জাহানের কাছে বুলবুল ও তার পরিবারের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হলেও তারা সেসব কথায় কর্ণপাত পর্যন্ত করছে না। তার বোনের জীবন ধ্বংস করে ইসমত জাহান ও বুলবুলসহ সংশ্লিষ্টরা বহাল তবিয়তে থাকলেও দু’বছর আগের শিলা মৃত্যুর প্রহর গুনছে উল্লেখ করে জাহিদুর অপরাধীদের আইনের আনার দাবি জানিয়েছে। এদিকে শিলার সাথে সিঙ্গাপুর থেকে পালিয়ে আসা নাসিমা (ছদ্মনাম) জানান, সিঙ্গাপুর পরিচয়ের সময় শিলা তাকে বলেছিল যে বিয়ের প্রতিশ্র“তিতে বুলবুল হোসেন তাকে বাড়ি থেকে ফুসলিয়ে নেয়। পরবর্তীতে তাকে কৌশলে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়ে ‘ড্যান্সারে’র কাজ করতে বাধ্য করে বলেও শিলা তার কাছে অভিযোগ করে পালিয়ে যেতে সাহায্য চেয়েছিল। শিলা দেশে ফিরলে টাঙ্গাইল থেকে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর কখনও তাদের সাথে শিলাকে কথা বলতে দেয়া হয়নি উল্লেখ করে নাসিমা বলেন, আসল পরিচয় ফাঁস হওয়ার ভয়ে তাদেরকে শিলার সাথে যোগাযোগ করতে দিত না বুলবুল। যোগাযোগ করা হলে আব্দুর রউফ সরদারের স্ত্রী ইসমত জাহান বলেন, তার ভাইয়ের বন্ধু হিসেবে তাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল বুলবুলের। প্রেম করে পালিয়ে যেয়ে বিয়ে করার পর শিলার সম্মতিতে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় বলে দাবি করেন তিনি। বিয়ে করা হলে শিলার এমন অবস্থায় বুলবুল পলাতক কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন “একটা অসুস্থ মেয়েকে কতদিন দেখতে হবে”। কথা বলার জন্য বুলবুল হোসেনের ০১৬৩০৮৩০৭০০ নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় ২দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার সমাপনি হয় ৩৮তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা।  অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা শেখ শাহজাহান আলী, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ, সমবায় কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, বিআরডিপি কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত দেবাশিষ সিংহ, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা ইসমো আরা বেগম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, খানবাহাদুর আহ্ছান উল্লা কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, দেবহাটা কলেজের অধ্যক্ষ একে এম আনিসউজ্জামান, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা অশিত বরণ রায়সহ সকল দপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারিবৃন্দ, শিক্ষক- শিক্ষিকারা, ছাত্র-ছাত্রীরা ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। উক্ত মেলায় উপজেলার খানবাহাদুর আহ্ছান উল্লা কলেজ, দেবহাটা কলেজ, হাজী কেয়ামউদ্দীন মহিলা কলেজ, দেবহাটা মডেল হাইস্কুল, পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, ফতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সুবর্ণবাদ সেন্ট্রল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভাতশালা সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয় বিভিন্ন প্রর্দশনী উপস্থাপন কারীদের পুরস্কৃত করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নলতা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আগামী ২৪ ও ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দু’দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠান উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। তাই অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য ২৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের বেশকিছু প্রাক্তন ছাত্রদের উপস্থিতিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাক্তন ছাত্র ও নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মোনায়েমের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। আরো উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইদুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা আলহাজ্জ ডা. আকছেদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আবু দাউদ, জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিম, নলতা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ, ৪নং নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ মো. মুজিবর রহমান, নলতা হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. আবুল ফজল মাহমুদ বাপ্পী, মহিউদ্দিন খোকন মো. আব্দুস সোবহান, রেজাউল করিম রেজা, মো. হামিদুল হক, সাবেক নলতা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনছার আলী, নলতা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ ছিদ্দিকী, নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক, সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হান্নান, বাবু শান্তি কুমার, নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের সম্পাদক মো. আবুল হোসেন পাড়, মাওলানা আব্দুল মোমিন শিক্ষক, শিক্ষক আহ্ছান কবীর টুটুল, শিক্ষক পরিতোষ চক্রবর্তী, শিক্ষিকা মিসেস ঝর্ণাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ। আগামী ২৪ ও ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে আসন্ন ৮,৯,১০ ফেব্রুয়ারি নলতার পবিত্র ওরছ শরীফে একটি রেজিস্ট্রেশন স্টল স্থাপন, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নির্ধারনের জন্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিসহ ঢাকাস্থ অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বা কর্মকর্তাদের উপর দায়িত্ব অর্পণ, ২০টি ডিজিটাল ব্যানার তৈরি করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানানোর জন্য প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হকের উপর দায়িত্ব অর্পণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে আলহাজ্জ মো. সাইদুর রহমান শিক্ষককে আহবায়ক, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোনায়েমকে সদস্য সচিব ও বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিমকে সমন্বয়কারী করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট বাস্তবায়ন কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উক্ত কমিটি এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে মিটিং করে কার্যক্রমকে এগিয়ে নিবেন বলে জানা গেছে।  উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পর অত্র বিদ্যালয় থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৩০০ টাকা এবং তার পূর্বের পাশকৃত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে নির্ধারিত ১০০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বিদ্যালয় চত্ত্বরে ২০১৭ সালের এসএসসি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ বাছাড়ে‘র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্যদের সভাপতি ও কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়র মেহেদী হাসান সুমন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শেখ সাইফুল বারী সফু, সদস্য শেখ আব্দুল কাদের, এম খাতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুধারানী বালা, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খাঁন আবুল বাসার, সহকারী শিক্ষক শাহাজান আলম, ম্যানেজিং কমিটির প্রয়ত সদস্য শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মাহাবুবুল আলম, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফারহানা ইয়াসমিন সুইটি, ৮শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা বিনতে মোস্তফা, নিশাত হাসিম, রাশিদা খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মানপত্রপাঠ করেন দশম শ্রেনীর ছাত্রী নাফিজা তাবাচ্ছুম রুপন্তি। সহকারী শিক্ষক কনিকা সরকার ও সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সার্বিক সহযোগিতায় জারিন তাসনিম ও আনিকা জামানের সঞ্চালনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী (সাধারণ বিভাগ) ৫১জন ও (ভোকেশনাল বিভাগ) ১৭জন ছাত্রীদের সকলকে ফুল, কলম, স্কেল ও ফাইলসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চস্থ হয়। অনুষ্ঠান শেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওঃ আবু রায়হান সিদ্দিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০১৭ উদ্বোধণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে মিলিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হকে’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এ সময় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ডিজিটাল সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে এবং মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে এই ডিজিটাল মেলার আয়োজন। বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দেশের সকল সেক্টরে ডিজিটাল ছোয়া লেগেছে। শহর থেকে গ্রামের সকল জায়গায় ডিজিটাল হাওয়া বইছে। ডিজিটাইলেজশন হওয়ায় দেশে অনেকাংশে দুর্নীতি কমেছে। সরকার সবার মাঝে ডিজিটাল বার্তা পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে ডিজিটাল মেলার আয়োজন করছে। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক পতœী সেলিনা আফরোজ, অতিরিক্ত প্রশাসক (রাজস্ব) পতœী  রঞ্জনা মন্ডল, ০১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ পতœী নাসরিন খান লিপি, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী, জেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আফসানা কাওসার, জেলা তথ্য অফিসার শাহনেওয়াজ করিম, বি.আর.টি’এ’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারি পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী, সীমান্ত আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, এনডিসি মো. আবু সাঈদ, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ মেলায় স্থান পাওয়া ৭৬টি স্টল  পরিদর্শণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত ও মোশারেফ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯ টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে বেলুন, ফেস্টুন ও কবুতার উড়িয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের প্রধান  শিক্ষক রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আনিছুর রহমান, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (প্রভাতি) শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, লস্কর গ্রুপের পরিচালক জুনায়েদ হোসেন লস্কর। এসময় বক্তারা বলেন, শরীরকে সুস্থ্য রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও প্রয়োজন আছে। বক্তারা আরো বলেন, শিশুর মানবিক বিকাশ ঘটানোর জন্য সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেন অন্যন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। শৃংখলা ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নয় শতাধিক শিক্ষার্থী ৪টি বিভাগে ৮টি গ্রুপে মোট ৩৩টি খেলায় অংশগ্রহণ করে। বিকেলে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন স্কুলের ক্রীড়া বিষয়ক শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক রাফিজা খাতুন ও রেজিষ্ট্রার বৈদ্যনাথ কুন্ডু। প্রকাশ থাকে যে, আগামী ২৫ ফেব্র“য়ারি ২০১৭ শনিবার সকাল  ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গনে পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক্র: চেহারায় বয়সের ছাপ প্রথম ধরা পড়ে চোখের চারপাশের বলিরেখা দেখে। এটা ঠিক যে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের চারপাশ কুঁচকে যেতে শুরু করে। তবে আপনি যদি সঠিক যত্ন নেন, তাহলে খুব সহজেই এই বলিরেখা দূর হবে। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে চোখের চারপাশের বলিরেখা দূর করতে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি তিনটি প্যাকের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে দেখে নিতে পারেন। ১. পুদিনা পাতা ও লেবুর রস কয়েকটি পুদিনা পাতা বেটে এর সঙ্গে দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। দুটি তুলার বল দিয়ে এই মিশ্রণ চোখের চারপাশে ভালো করে লাগান। এবার তুলা দুটি দুই চোখে দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২. দুধ ও গোলাপজল দুধের সঙ্গে সমান পরিমাণ গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে তুলার বলে লাগিয়ে চোখের চারপাশে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩. ডিমের সাদা অংশ, দুধ ও মধু একটি ডিমর সাদা অংশের সঙ্গে দুধ ও মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক চোখের চারপাশে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার একটি ভেজা তোয়ালে দিয়ে চোখের চারপাশ মুছে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest