আশাশুনি ব্যুরো : বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসউপলক্ষে আশাশুনিতে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। “স্বকীয়তা ও আত্মপ্রত্যয়ের পথে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক ও উপজেলা পরিষদ চত্বর হয়ে পুনরায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র্যালির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অরুন ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুমন ঘোষ ও রোকনুজ্জামান। স্বাস্থ্য সহকারী সঞ্জয় কুমারের সঞ্চালনায় সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ অংশ নেন।



মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘স্বকীয়তা ও আত্মপ্রত্যয়ের পথে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১৭ উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা অফিসার্স কাবে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা অধিদফতর ও প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র সাতক্ষীরার আয়োজনে জেলা সমাজসেবা অধিদফতর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে জেলা অফিসার্স কাবে আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে শেষ হয়। জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিষ সরদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) অরুণ কুমার মন্ডল। এ সময় তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীরা এখন আর সমাজের বোঝা নয়। অটিজম শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জন শক্তিতে পরিনত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম শিশুদের কল্যণে কাজ করার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন। এটা আমাদের দেশের গর্ব।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘সকল দুয়ার বন্ধ হলেও সেবার দুয়ার খোলা’ এই স্লোগানে সাতক্ষীরায় ‘ভূমি সেবা’ জনগণের দৌড় গোড়ায় পৌছে দিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্রে জমির মালিকানা পরিবর্তনের ফলে নামজারি ও জমা খারিজের মাধ্যমে রেকর্ড হালকরণ হয়ে থাকে। এসব কার্যক্রম যেন সঠিকভাবে, নির্ধারিত সময়ে দতার সঙ্গে করা যায় সে বিষয়ে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। ভূমির মালিকানা সঠিক রাখার স্বার্থে ভূমির মালিকগণকে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে। জনগণ যাতে ভূমি উন্নয়ন কর সহজেই দিতে পারেন সে জন্য ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলে ক্যাম্প স্থাপন করে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও আমরা সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ভূমি অফিস থেকে নামজারী ও জমা খারিজ, ভূমিহীন কৃষকদের অনুকুলে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান, অকৃষি খাস জমি সেলামীতে কন্দোবস্ত প্রদান, অর্পিত সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কার্যক্রম, ‘ক’ লীজ কেসভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির লীজ নবায়ন, ‘খ’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্ত বিষয়ক, সায়রাত মহল ব্যবস্থাপনা (জলাশয়, খাস পুকুর, হাট বাজার ইত্যাদি), ‘ক’ ২০ একর পর্যন্ত জলাশয়/খাসপুকুর তিন বৎসর মেয়াদে বিধি মোতাবেক ইজারা প্রদান, ‘খ’ হাটবাজারের বন্দোবস্তযোগ্য জায়গায় দোকান ঘরের জন্য বাৎসরিক অস্থায়ী লাইসেন্স (জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা’র অনুমোদনক্রমে) প্রদান, বিবিধ মামলা, সরকারি খাস ও অর্পিত সম্পত্তির ক্ষতিসাধন বিষয়ে আপত্তি, ভূমি বিষয়ক সঠিক দিক নির্দেশনা বা পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের জন্য একটি নতুন ইনোভেশন ‘টি.সি.ভি’ সেবা প্রদান করা হবে। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে ভূমি সেবা ক্যাম্পের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।’ মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কান্তি লাল সরকার, ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মোকছেদ আলী, ফিংড়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মুনছুর আলী, আলিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মহসিন, ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, বৈকারী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ওবায়দুল্লাহ, বাঁশদহা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার আশরাফ হোসেন প্রমুখ।