
কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলার নেহালপুর গ্রামে কাদার বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শনিবার বিকালে ওই বিলের জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। জমির মালিক সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নে নেহালপুর গ্রামের কাদার বিল এক সময় জলাবদ্ধতা ছিল। জলাবদ্ধতার কারণে বিলটিতে কোন ফসল না হওয়ায় ঐ বিলের জমির মালিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করত। ২০০৬ সালে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ঐ বিলের চারপাশ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে মাছ চাষের পাশাপাশি ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার ফলে কাদার বিলের ১ হাজার ৩ শত বিঘা জমিতে ধানের বাম্পার ফলন হয়। তখন থেকে কাদার বিলের জমির মালিক ও কৃষকদের মুখে হাসি ফোটে। কাদার বিল থেকে সেচের মাধ্যমে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করে দেওয়ার শর্তে হারি ছাড়াই ঘের ব্যায়সায়ীরা মাছ চাষ করে। তবে ২০১৫ সাল থেকে বিঘা প্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ক্যানালের জমি বিঘাপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে হারি প্রদানের শর্তে ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ডিট করে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ পৃথক ভাবে কাদার বিলে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করা ব্যবস্থা করার শর্তে মাছ চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে বিলটিতে ধানের অবস্থা অত্যান্ত ভালো এবং ব্যাপক ধান উৎপন্নের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নেহালপুর গ্রামের মৃত তরফ দফাদারে ছেলে মোহাম্মদ আলী দফাদার, ওমর দফাদারের ছেলে রাশেদ দফাদার, শওকত দফাদারের ছেলে হাফিজুর দফাদার, জোহর দফাদারে ছেলে হোসেন দফাদার ও মিয়াজার দফাদারের ছেলে শোকর দফাদার কাদার বিল নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে অদ্যবধি নানামুখি ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার চেষ্টারও অভিযোগ-সহ ঘের ব্যাবসায়ীদের নিকট মোটা অংকের টাকা চাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। বিলটিতে যাতে আবারও জলাবদ্ধতা হয় সে জন্য তারা ঐ এলাকার বিপদের বন্ধু ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদকে বিতাড়িত করার পায়তারা করছে। তাদের বিরুদ্ধে আবারও বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে শনিবার বিকালে কাদার বিলপাড়ে জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে জমির মালিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নেহালপুর গ্রামের আরশাদ আলী দফাদার, আবুল হোসেন, হাফিজুর দফাদার, জনাব আলী, মাষ্টার আজিজুল হক, সামাদ শেখ, বারিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক মোড়ল, রহিম দফাদার, লুৎফর দফাদার, আব্দুর রশিদ শেখ, জব্বার আলী শেখ, এসমাইল শেখ, মাষ্টার এস এম আবু তাহের, মফিজুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন দফাদার প্রমুখ। সমাবেশে বক্তরা জমির মালিকদের একত্রিত হয়ে কাদার বিলের সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ : শান্তি সমতা সুশাসনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।



প্রেস বিজ্ঞপ্তি : উৎসাহ এবং উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলের মোহাম্মাদ হোসেন মিলনায়তনে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস, এম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ৭ম শ্রেণীর ছাত্র নাহিদ পারভেজ ও গীতা পাঠ করেন ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সৃষ্টি দেবনাথ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাফিজুর রহমান, সুকুমার সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান ও আকলিমা খাতুন। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাজরিন নাহার, জান্নাতুল ফেরদৌস, বিতাই আমিন, মাধব দত্ত ও ফারজানা সুলতানা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ আব্দুস সেলিম গাজী, বিডিএফ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরশাদ আলী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান সোনা, শিক্ষক ফায়জুল হক প্রমূখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিনের কেক কেটে একে অপরকে খাওয়ান ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতরন করেন। বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মোহসেন উদ্দীন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মুকুল হোসেন।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দীনের নির্দেশে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন (সজল)’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রা পেলো কুশখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রী।