স্বাস্থ্য ডেস্ক: মানুষের দেহের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি হল চোখ। সৌন্দর্যের ক্ষেত্রেও চোখের আবেদন অনস্বীকার্য। কিন্তু এই চোখকে আমরা অবহেলা করে থাকি। আজকাল কম্পিউটার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গেছে। তা কাজের জন্য হোক বা নিত্য নৈমিত্তক প্রয়োজনে হোক প্রতিনিয়ত আমাদের কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়।কম্পিউটার ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে আমাদের এই চোখ জোড়ার। এই চোখের যত্নে প্রতিদিন করুন সহজ কিছু কাজ।১। কম্পিউটারে বসার অবস্থানটি ঠিক রাখুন। কম্পিউটার স্ক্রিনের অবস্থান চোখ থেকে এক হাত ব্যবধানে ২০ ডিগ্রী চোখের স্তর থেকে নিচে হতে হবে।২। অনেক মানুষ আছেন, যারা সারাক্ষণ চোখ কচলে থাকেন। হাতে থাকা ময়লা, ধুলাবালি সব চোখের ভিতরে ঢুকে যায় চোখ কচলানোর মাধ্যমে। যার কারণে চোখে ইনফেকশন হয়ে নানা রোগের দেখা দেয়। বারবার চোখ কচলানো থেকে বিরত থাকুন।৩। নিয়মিত সানগ্লাস ব্যবহার করুন। ভাল মানের সানগ্লাস সূর্যের ক্ষতিকর আলট্রাভায়লেট ইউভি রশ্নির হাত থেকে চোখকে রক্ষা করে থাকে। এমন সানগ্লাস ব্যবহার করুন যা ৯৯% থেকে ১০০% ইউভিএ এবং ইউভিবি রশ্মি প্রতিরোধ করে থাকে।৪। কাজের সময় আপনি ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন। প্রতি ২০ মিনিট পর আপনি কম্পিউটার থেকে চোখ সরিয়ে অন্য কোন কিছুর দিকে তাকান যা আপনার দৃষ্টি থেকে ২০ ফিট দূরে অবস্থিত। কাজ করতে করতে ২০ বার চোখের পলক ফেলুন। এটি আপনার চোখকে ময়শ্চারাইজ করবে।৫। ব্যবহার করা টি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে চোখের উপর ১০ মিনিট রাখুন। এটি চোখকে আরাম দিবে এর সাথে আপনার চোখের নিচের কালিও দূর করতে সাহায্য করবে।৬। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ এবং ডি যুক্ত খাবার রাখুন। সঠিক পরিমাণে এই ভিটামিনযুক্ত খাবার না খেলে রাতকানা রোগ এবং চোখের অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। ভিটামিন ‘এ’-এর প্রধান উৎস প্রাণীজ প্রোটিন যেমন যকৃত, ডিমের কুসুম, দুধ, মাখন, পনির ও মাছ।৭। প্রতিদিন ঠান্ডা পানি ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিস্কার করুন। এতে আপনার চোখের ময়লা সব বের হয়ে যাবে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপানর চোখের মেকআপ আইলাইনার, মাশকরা,কাজল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।৮। অনেকের চোখের নিচ ফোলা থাকে। এটি হয়ে থাকে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার কারণে। লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন।৯। একটানা কাজ না করে ২০ মিনিট পর উঠে একটু হেঁটে আসুন, এটি কাজের একঘেয়েমিতা কাটানোর পাশাপাশি আপনার চোখকেও রিলাক্স করবে।১০। ধূমপান ত্যাগ করুন। ধূমপান চোখের উপর প্রভাব ফেলে। ধূমপান ম্যাকিউলার, ক্যাটার্যাক্ট এবং নার্ভের ক্ষতি করে থাকে। যা দৃষ্টিশক্তি হ্রাস করে দেয়।চোখে সমস্যা দেখে দিলে বিলম্ব না করে দ্রুত চোখের ডাক্তার দেখানো উচিত।

ডেস্ক রিপোর্ট: ইনজুরির ধকল কাটিয়ে মাঠে ফিরে বল হাতে সাফল্যে’র পাশাপাশি স্বীকৃতির সুখবরও পেয়েছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। ‘টিম-টাইগার্সে’র এই বাঁ-হাতি পেস বোলার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সম্মানজনক অর্জনটি লাভ করলেন ২১ বছর বয়সী এই বিস্ময় প্রতিভা।
১৬ দিনের একটানা প্রচার শেষে এখন ভোটের অপেক্ষায় নারায়ণগঞ্জবাসী। নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমেই আজ জনপ্রতিনিধি বেছে নেবেন তারা। সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশনও। নির্বাচনী এলাকায় চলছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল।
তীরে এসে ডুবল তরি। ব্যপারটা ঠিক এমনই। ফাইনালের খুব কাছে গিয়েও খেলা হলনা ফাইনালটা। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার কাছে বৃষ্টি আইনে ২৬ রানে হেরে ফাইনাল খেলার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বিজয়ের মাসে ২৮শে ডিশেম্বার জেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোটারদের ভোট পেতে জেলা সদর উপজেলা ও দেবহাটা উপজেলার ভোটারদের সাথে মত গণসংযোগ করেছেন নজরুল ইসলাম। নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্ধের পর থেকে মটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে জেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম। এসময় তার সাথে ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, সংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সাইদ,জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন মারুফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়ন, যুবলীগনেতা তুহিন হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সমর্থকগন। গণসংযোগকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বলেন, আমি নির্বাচিত হলে জেলা পরিষদের যে সব জায়গা নামে বেনামে বে আঈনি ভাবে দেওয়া আছে সেগুলি বাতিল করে সচ্ছতার ভিত্তিতে সরকারের নিয়মঅনুযায়ি বন্ঠন করা হবে আমার কাজ। দুর্নীতিমুক্ত, গণমুখি জনকল্যাণকর জেলা পরিষদ গড়ে তুলবো। যেখানে ক্ষুধা ও দারিদ্রতা থাকবেনা। বেকারত্ব থাকবেনা। আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষ স্বাবলম্বী হতে পারবে। জেলা পরিষদ নিজস্ব উদ্যোগে জেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে পারবে। যেখানে থাকবে না কোন দুর্নীতি। দুর্নীতিমুক্ত ভাবে জনগনের উন্নয়নে কাজ করবে জেলা পরিষদ। দুর্নীতি মুক্ত জেলা পরিষদ গড়তে আমি আপনাদের দোয়া, আর্শীবাদ, সমার্থন ও ভোট কামনা করছি। তিনি দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন থেকে গণসংযোগ শুরু করে সখিপুর, নওয়াপাড়া, পারুলিয়া, দেবহাটা সদর ও সদর উপজেলার আগরদাড়ি এবং শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের সাথে গণসংযোগ করেন। পাশাপাশি দলীয় নেতা কর্মীদের খোজ খবর নেন।