সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে শিক্ষক আটকসাতক্ষীরায় ব্রজপাতে নারী আইনজীবীর মৃত্যু

indexনিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারের মহৎ উদ্যোগ কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির ৭ বস্তা সার দোকানে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখার দায়ে সাতক্ষীরার তালার এক সার ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মাগুরা বাজারের সার ব্যাবসায়ী আব্দুল কাদেরকে এ সাজা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন। সাজাপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের তালা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন জানান, তালা উপজেলা কৃষি অফিসের ব্লক সুপারভাইজার শাহিন গোপনে সরকারের মহৎ উদ্যোগ কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির ৭ বস্তা সার ও বীজ তালা উপজেলার মাগুরা বাজারের একটি সারের দোকানে বিক্রি করে দিয়েছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালন করা হয়। এ সময় সার ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরের দোকান থেকে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির ৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। একই সাথে উক্ত সরকারী কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির সার বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার দায়ে ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। তবে এসময় ওই ব্লক সুপাভাইজার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে পাওয়া যায়নি।
সার ব্যাবসায়ী আব্দুল কাদের জানান, তিনি ব্লক সুপারভাইজারের কাছ থেকে উক্ত সারগুলো ক্রয় করেছেন। অথচ ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্লক সুপারভাইজারকে সাজা না দিয়ে তাকে সাজা প্রদান করেছেন। তিনি আরও জানান, ব্লক সুপারভাইজাররের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরীর সুস্থতা কামনা করছে সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটি

2প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিশিষ্ট সাংবাদিক যুগান্তর ও এনটিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সুভাষ চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ। তিনি পুনরায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।
শুক্রবার বিকালে তিনি বুকের ব্যাথা অনুভব করলে প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা শহরের ডক্টরস ল্যাবে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আরিফ আহম্মেদ ও ডা. সঞ্জয় সরকারের তত্তাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় সন্ধ্যার পর তাকে খুলনার বেসরকারি ফরটিস স্কটস হাসপাতালে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে তিনি আরও দুই বার হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরীর আশু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা রিপোর্টর্স ইউনিটি’র আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে এড. এ কে এম শহীদ উল্ল্যাহ, এড. অরুণ ব্যানার্জী, জি এম নূর ইসলাম, কল্যাণ ব্যানার্জি, মহসিন হোসেন বাবলু, মমতাজ আহমেদ বাপী, মো: হাবিবুর রহমান, এম কামরুজ্জামান, আবু নাসের মোঃ আবু সাঈদ, ইয়ারব হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, শেখ মাসুদ হোসেন, কাজী শওকত হোসেন ময়না, কালিদাস কর্মকার, সেলিম রেজা মুকুল, আবু তালেব মোল্ল্যা, মোহাম্মদ আলী সুজন, আসাদুজ্জামান, শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, কাজী জামাল উদ্দিন মামুন, বরুণ ব্যানার্জী, কামরুল হাসান, আব্দুল জলিল, এম শাহীন গোলদার, জি এম আদম শফিউল্লাহ, আমিনুর রশিদ প্রমুখ।18

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ফিরছেন পপি

কর্তৃক Daily Satkhira

sonabandhuতিনবারের জাতীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার পাওয়া চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি এক বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন। আগামী মে মাসে মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন ছবি। নাম ‘সোনাবন্ধু’। ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ডি এ তায়েব।

ছবির পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সুমন বলেন, ‘চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্রসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে। ছবিতে বিধবা একটি নারীর চরিত্রে দেখা যাবে পপিকে।’

চলচ্চিত্রে এখন আর নিয়মিত কাজ করছেন না পপি। বললেন, ‘ভালো গল্পের ছবির প্রস্তাব না আসায় এখন ছবিতে নিয়মিত অভিনয় করা হয় না। তবে ভালো গল্প এবং ভালো চরিত্র, যা আমার সঙ্গে মিলে যায়; এমন ছবির প্রস্তাব এলে অভিনয় করি। “সোনাবন্ধু” ভালো গল্পের ছবি। গল্পের প্রয়োজনেই এই ছবিতে অভিনয় করেছি।’

পপি অভিনীত ‘পৌষ মাসের পিরিতি’ ছবিটি মুক্তি পায় গত বছর মে মাসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতা স্কুলের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

22222সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকাল ১০ টায় বেলুন উড়িয়ে ও জাতীয় সঙ্গিতের মধ্য দিয়ে দিনটির শুভ সূচনা করেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। এরপর বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালিটি নলতা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিদ্যালয় চত্বরে এসে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সোসাইটির আয়োজনে এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপ-সচিব আবু মাসুদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি জগলুল হায়দার, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, দেশবরেণ্য অভিনেতা-নির্মাতা আফজাল হোসেন প্রমুখ।44554
প্রধান অতিথি এ সময় ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাদক ও সন্ত্রাস থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, “আগামী দিনের সু-নাগরিক হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে এবং এ দেশের জন্য কাজ করতে হবে।”
উল্লেখ্য, ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত যারা এই স্কুলে লেখা পড়া করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে এই শতবর্ষ উদযাপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_845230454_1491552184-jpg-pagespeed-ic-cgoatkscmচারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বোয়িং ৭৭৭ আকাশ প্রদীপ’ পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছায়।

সেখানে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর কথা থাকলেও স্বয়ং নরেন্দ্র মোদীই বিমানবন্দরে হাজির হন। যাকে বিরল সম্মাননা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিমানের সিঁড়িতে গিয়ে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা।

মোদী সরকারের বাঙালি প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

সাত বছর পর এই সফরে ভারতের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, পরমাণু বিদ্যুৎ, বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৩৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন।

তৃতীয় দফায় বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ভারতে শেখ হাসিনার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ভারতীয় রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন। এ সফরকালে তিনি সেখাই থাকবেন।

ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বিশেষ আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকবেন শেখ হাসিনা।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। একই দিন বিকালে তিনি দিল্লির চাণক্যপুরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হবে। বাংলাদেশ হাউসে তার সম্মানে নৈশভোজের আয়োজনও থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও উপস্থিত থাকবেন।

তারপর শেখ হাসিনা রাজঘাটে অবস্থিত গান্ধী স্মৃতি সৌধে যাবেন। সেখানে পরিদর্শন বইয়ে সই করবেন। তারপর হায়দরাবাদ হাউসে প্রথমেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসবেন। তারপর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার প্রতিনিধি দলে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী মোজাম্মেল হক এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর হায়দরাবাদ হাউসেই দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও দলিল সই হবে। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথ বিবৃতি দেবেন। সেখানেই সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের হিন্দি অনুবাদ হস্তান্তর করা হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বইটির হিন্দি অনুবাদ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করবেন। একই দিনে বিকাল সাড়ে ৩টায় মানেকশ সেন্টারে সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধে যেসব ভারতীয় সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন তাদের সম্মাননা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধে ১৬৬১ জন ভারতীয় সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন।

তাদের মধ্যে সাতজনের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এ সম্মাননা তুলে দেবেন শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধে আত্মাহুতি দানকারী অবশিষ্ট ভারতীয় সৈন্যদের পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে সম্মাননা দেয়া হবে।

মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগী যে সাতজন ভারতীয় সৈন্য এবার সম্মাননা পাচ্ছেন তারা হলেন ল্যান্স নায়েক আলবার্ট এক্কা, মেজর অনুপ সিং, মালকায়েত সিং, আনসুরিয়া প্রসাদ, লেফটেন্যান্ট জেনালে সমীর দাস, স্কোয়াড্রন লিডার এবি সামান্ত এবং ল্যান্স নায়েক মোহিনী রঞ্জন চক্রবর্তী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের সফরে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

এছাড়া হোটেল তাজ প্যালেসে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা।

এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেবে। প্রধানমন্ত্রী আজমির শরীফে গিয়ে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন। আগামী সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে নয়াদিল্লি। দেশটির রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোয় বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে।

সফর ঘিরে ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এরই মধ্যে ঘোষণা করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের সফরকালে দু’দেশের মধ্যে ৩৩টি চুক্তি, এমওইউ ও দলিল সই হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাশরাফির ফেসবুক থেকে

মাশরাফির ফেসবুক থেকে

সাইফউদ্দিনের বলে সাঞ্জায়ার ক্যাচটা যখন বাতাসে ভাসল, তখনই সব শেষ! শেষ ম্যাচের, শেষ সিরিজের, শেষ মাশরাফির! টি-টুয়েন্টিতে সাইফুদ্দিনের প্রথম উইকেট হতে লঙ্কান ব্যাটসম্যানের ক্যাচ তখন মাহমুদউল্লাহর তালুতে, এই প্রথমের আড়ালেই শেষ মাশরাফির টি-টুয়েন্টি অধ্যায়ের। ৪৫ রানের জয়ে ছোট ফরম্যাট থেকে বিদায় টাইগার ক্রিকেটের মহানায়কের।

প্রথমে ছুঁটে এলেন মিরাজ। হাতটা ছোঁয়ার পর মাশরাফি এ ম্যাচেই অভিষিক্তকে বুকে টেনে নিলেন। মিরাজ যেন ছাড়তে চাইছিলেন না। ছাড়তে হলো। ততক্ষণে সকলে কাছাকাছি চলে এসেছে। আজ যে সবাইকে মাশরাফির বুকে জড়িয়ে যেতেই হবে। মিরাজ কয়েক সেকেন্ড পর আবারো ফিরে এলেন মাশরাফির কাছে। আবার জড়িয়ে গেলেন বুকে। এই বুকের ছায়া যে টি-টুয়েন্টির ময়দানে অন্তত আর মিলবে না, সেটি ততক্ষণে বোঝা হযে গেছে মিরাজের।

এরপর একে একে সকলকে বুকের স্পর্শ দিলেন মাশরাফি। এই বুক যে বাংলার বুক। যেখানে ধারণ করা আছে লাল-সবুজের পুরো মানচিত্রটা। এই মানচিত্রটা যারা এঁকেছেন, সেই মহান মুক্তিযোদ্ধারাই তার কাছে আসল নায়ক। গৌরবের সেই নায়কদের কাছে পেয়েছেন গর্জে ওঠার রসদটা। সেটাই ছড়িয়ে গেলেন লাল-সবুজের জার্সিতে। ধারণ করে গেলেন বুকে। সেই বুকের স্পর্শ তো আরাধ্য হবেই।

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে নিরীহ হরিণও ঘুরে দাঁড়ায়। লড়াইয়ের প্রাণান্ত চেষ্টা করে। আর মাশরাফি তো টাইগার। যার গর্জে ওঠার রেণু রক্তেই। মহানায়কদের রক্তে যেমন থাকে। তাদের গল্প শুধু ফিরে আসার। সেই ফিরে আসাটা শেখানোর দরকার ছিল একদল টাইগারকে, রেণুটা সবার রক্তে ছিলই; শুধু প্রাঞ্জল করে তোলার কোন জিয়ন কাঠির দরকার ছিল। মাশরাফি এলেন সেই জিয়ন কাঠি হয়ে। জাগিয়ে গেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকেই।

বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। পাওয়া-না পাওয়ার মধ্য দিয়েই কাটিয়ে দিয়েছেন ১৬টি বছর। টেস্টে ফেরার আশাটা ঠিক ছেড়ে দেননি। চোটের প্রভাব আর বর্তমানে বয়সটাই দুর্বার এই পথে সবচেয়ে অপ্রিয় ও কঠিন প্রতিপক্ষ  মাশরাফির! সেটার স্বপ্ন জিইয়ে রেখেই ছেড়ে দিলেন টি-টুয়েন্টির ময়দান। এখন সামনে রইল কেবল ওয়ানডের যাত্রা।

কেবল হাঁটুতেই ছয়বার অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল সম্ভাবনা। শল্যবিদের ছুরির নিচে থেকে তবুও বারবার ফিরে এসেছেন অদম্য প্রত্যয়ী এ ক্রিকেটার। এখনো নিয়মিত ব্যথানাশকের আশ্রয় নিতে হয় মাশরাফিকে। হাঁটুতে লাগানো আছে কৃত্রিম একটা বাটি। যার তলায় জমতে থাকে অযাচিত রসকণিকা।

কিন্তু মাশরাফি দমে যাননি। স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝে ফারাক তৈরি করতে চাওয়া সেই অযাচিত জমাট রসাল পদার্থগুলো সিরিঞ্জে নিংড়ে আবারো মাঠে নেমে পড়েছেন। দলকে আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছেন বিশ্বসেরা হওয়ার। নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। তার নেতৃত্বে পরশপাথর হয়ে তেঁতে উঠেছেন প্রবল সম্ভাবনার পরও মুষড়ে যাওয়া একদল সহযোদ্ধা।

টি-টুয়েন্টিতে সেই পরশ পাথরকে আর মাঠে দেখা যাবে না। তবে তিনি থাকবেন। যতদিন ক্রিকেট থাকবে, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে। কেননা তিনি মাশরাফি। মহাকালই ঠিক করে রেখেছে তার স্থান। তাইতো মহাকাল তার বিদায়ের বিষাদের মলাটে তিলক এঁকে দিলো জয়োৎসবের প্রলেপে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জের বসন্তপুর ইউনিয়ন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ভূমি কর্মকর্তা ও উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে মারধর ও মোটর সাইকেল ভাংচুর করায় দুই নারীসহ তিন জনকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারদ- প্রাপ্তরা হলেন দেবাড়িয়া গ্রামের সাহাজুদ্দীন গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর গাজী (৩৫), তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম (৩০) এবং ভাই কাদের গাজীর স্ত্রী রিজিয়া খাতুন (৩০)।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেবাড়িয়া চাঁদকাটি মৌজায় ১৯৭৪ সালে ১২ দশমিক ৫০ একর জমি ডিসিআর নিয়ে ভোগদখল করছিলেন দেবাড়িয়া গ্রামের মইজুদ্দীন গাজীর ছেলে দৌলত গাজী। প্রতিবছর ডিসিআর নবায়নের নিয়ম থাকলেও তিনি ওই নিয়মের তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক সরকারি সম্পত্তি ভোগদখল করছিলেন। রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার মুন্সীপাড়া এলাকার কওছার আলীর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানকে নতুন করে ওই জমির ডিসিআর প্রদান করা হয়। নতুন ডিসিআর প্রাপ্ত ব্যক্তিকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে দৌলত গাজী প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সরকারি জমি ভোগদখল করে আসছিল। বিষয়টি নিরসনের জন্য বসন্তপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বাশারাত হোসেন, উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জিএম ফয়েজ আহম্মেদ, অফিস সহায়ক কাজী আলমগীর হোসেন ও ইমরান হোসাইন বৃহস্পতিবার ১২ টার দিকে দেবাড়িয়া চাঁদকাটি খালের উপরে নির্মিত সেতুর কাছাকাছি স্থানে পৌছালে   জাহাঙ্গীর গাজী, মাহফুজা বেগম, রিজিয়া খাতুন সহ তাদের সহযোগীরা ভূমি কর্মকর্তা ও অফিস সহায়কদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় জিএম ফয়েজ আহম্মেদ আহত হন। এসময় দুর্বৃত্তরা তাদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। এই সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্দ মাছুম, সার্ভেয়ার হাওলাদার শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লস্কর জায়দুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে এলাকাবাসীর সহায়তায় দুই নারীসহ তিন জনকে আটক করতে সক্ষম হয় কিন্তু অন্যান্যরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান হামলা ও ভাংচুরের অপরাধে জাহাঙ্গীর গাজীকে ২ বছর এবং মাহফুজা বেগম ও রিজিয়া খাতুনকে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

303650f7431720c9518cb685cb2387e9-58e67239e2990মাশরাফি বিন মুর্তজার বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে আগেই প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়েছিলেন সাকিব-মুস্তাফিজরা।  বৃহস্পতিবার ২২ গজে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞার প্রমাণ দিয়ে রাখলেন তারা।  কলম্বোতে ব্যাট-বলে অসাধারণ নৈপুণ্যে দেখিয়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ৪৫ রানে জিতেছে সফরকারীরা। ফলে পুরো সফরে বাকি ফরম্যাটের মতো এই সিরিজও ১-১ সমতায় শেষ করলো টিম বাংলাদেশ। ৪ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ।

১৭৭ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে আশানুরূপ কিছু করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। সাকিব আল হাসানের শুরুর ওভারে দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন আগের ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা কুশল পেরেরা (৪)।তৃতীয় ওভারে ফেরেন মুনাবিরা (৪)।  এরপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশের বোলিং তোপে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।যদিও মাঝে রানের গতি বাড়িয়ে খেলার চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক উপুল থারাঙ্গা। ব্যক্তিগত ২৩ রানে তাকেও মিরাজের তালুবন্দী করান মাহমুদউল্লাহ। ষষ্ঠ ওভারে মুস্তাফিজের বলেই পর পর দুই হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। বিদায় নেন গুনারত্নে ও সিরিবর্ধনে।  তবে এই জুটিতে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৮ রান যোগ করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন থিসারা পেরেরা ও কাপুগেদেরা।  দলীয় ‍৯৮ রানে পেরেরাকে স্টাম্পড করে সেই শুরুর মতোই লঙ্কান ভিতকে ফের নাড়িয়ে দেন সাকিব আল হাসান।  পেরেরা ফেরেন ২৭ রানে।  মাঝে কিছু বিরতি দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের শেষ ওভারে বোলিংয়ে আসেন মাশারাফি।  ফিল্ডিংয়ে কিছু সুযোগ মিস করলে বল দিয়ে তা পুষিয়ে দিয়েছেন।  বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান সেকুগে প্রসন্নকে (১১)।  পরের ওভারে মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হুমকি হয়ে দাঁড়ানো কাপুগেদেরা। ৩৫ বলে ৫০ রানে মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এই উইকেটের মধ্য দিয়েই প্রতিরোধের দেয়াল ভাঙে শ্রীলঙ্কার।  এই ওভারেই ফেরেন লাসিথ মালিঙ্গা।  শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা থামে  ১৩১ রানে।

এর আগে শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেছিলেন দুই ওপেনার ইমরুল ও সৌম্য।  কিন্তু শেষ দিকে লাসিথ মালিঙ্গার হ্যাটট্রিকে বড় সংগ্রহ পায়নি সফরকারীরা। বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৯ উইকেটে ১৭৬ রান।

টস জিতে খেলতে নেমে শুরুতেই আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার। তামিমের চোটে দলে ঢুকেন ইমরুল। আর খেলতে নেমেই তেরে ফুড়ে মারতে থাকেন। সঙ্গী হিসেবে সৌম্য সরকার তো ছিলেনই। তবে শুরুর দিকে স্বাচ্ছেন্দ্যে ছিলেন না তেমন একটা। তাদের দুজনের ব্যাটে ভর করে ৫ ওভারেই ৫০-এর কোটা ছাড়ায় সফরকারীরা। পাওয়ার প্লের পুরো ফায়দাটাই নিয়ে নেন এই দুই ব্যাটসম্যান। তবে সপ্তম ওভারে সেই ধারা ধরে রাখতে পারেননি সৌম্য। গুনারত্নের বলে সরাসরি তার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ততক্ষণে সৌম্যর স্কোর ছিল ১৭ বলে ৩৪ রান। যাতে ছিল ৪ চার ও ২ ছয়। পরের ওভারে ফিরে যান ইমরুল কায়েসও। প্রসন্নর বলে দ্রুতগতিতে রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফিরে যান ইমরুল। ২৫ বলে ৩৬ রান করেই বিদায় নেন তিনি। যাতে ছিল ৪ চার ও একটি ছয়।

দুই উইকেট হারিয়ে খানিকটা ছন্দ হারালেও সেই ছন্দে বাড়তি গতি আনেন সাকিব ও সাব্বির। তাদের ব্যাটিংয়ে ১০ ওভারেই ১০০ রান ছাড়ায় সফরকারীরা। সাকিব এবার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের নেতৃত্ব দিলেও সাব্বিরও ব্যাট চালিয়েছেন সমান তালে। তবে ১৩.১ ওভারে সঞ্জয়ার বলে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন সাব্বির (১৯)। এরপরেই রান রেট কমে যায় সফরকারীদের। আর তাতেই ১৬তম ওভারে কুলাসেকারার বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান সাকিব আল হাসান। ততক্ষণে তার স্কোর ছিল ‍৩১ বলে ৩৮ রান। এক ওভার বিরতি দিয়ে ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। এরপরেই রং হারায় বাংলাদেশের ইনিংস। শুরুর সেই রং শেষ দিকে হয় বিবর্ণ। মালিঙ্গার হ্যাটট্রিকে একে একে ফেরেন মুশফিকুর, মাশরাফি ও মিরাজ।  নিজের বিদায়ী টি-টোয়েন্টিতে শূন্য রানে ফেরেন মাশরাফি।  আর লাসিথ মালিঙ্গা অর্জন করেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের আরেকটি হ্যাটট্রিক।  এর আগে ১৮তম ওভারে এবার পেরেরার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ১৭ রানে ব্যাট করতে থাকা মোসাদ্দেক।  শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৯ উইকেটে ১৭৬ রান।  শেষ ৩০ বলে আসে ৪০ রান।
ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বৃহস্পতিবার কলম্বোতে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলছেন বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest