সিলেটের সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলামসহ চার আসামিকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বাকি ছয় আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে ১২ মার্চ হাইকোর্টের এই বেঞ্চ রায়ের এই দিন ঠিক করে দেয়।
এদিকে রাজনকে নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া নূর মিয়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পেলেও হাইকোর্ট তা কমিয়ে ৬ মাস করেছেন। আদালত বলেন, ‘এ মামলায় এই ভিডিও ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য। ফলে তার সাজা কমিয়ে ৬ মাস করা হয়েছে।’ আদালত আরও বলেন, ‘তার ভিডিও ধারণ ‘ইনটেনশনাল’ ছিল না, কৌতুহলবশত সে এটি করেছে।’
২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে ১৩ বছরের শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলাম ওই হত্যাকাণ্ডের দুই দিনের মাথায় পালিয়ে সৌদি আরবে চলে যান। পরে ভিডিও দেখে প্রবাসীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
রাজন হত্যার দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে গত বছর ১৬ অগাস্ট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুরঞ্জিত তালুকদার।
মাত্র ১৭ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালত ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর রায় ঘোষিত হয়। রায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া একজনের যাবজ্জীবনসহ পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিদের মধ্যে কামরুল ইসলাম, ময়না চৌকিদার, তাজউদ্দিন আহমদ বাদল ও জাকির হোসেন পাভেল আহমদের ফাঁসির আদেশ হয়।
যাবজ্জীবন হওয়া নূর মিয়া প্রধান আসামী কামরুলের অন্যতম সহযোগী যিনি রাজনকে নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও করেন, তারপর ছড়িয়ে দেন ইন্টারনেটে। কামরুলের তিন ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত। দুলাল আহমদ ও আয়াজ আলীর দণ্ড হয় এক বছর করে।আসামিদের মধ্যে জাকির হোসেন পাভেল এবং কামরুলের ভাই শামীম আহমদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
রাষ্ট্রপক্ষে হাই কোর্টে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল ইসলাম ও নিজামুল হক নিজাম। আসামিপক্ষে ছিলেন এস এম আবুল হোসেন, বেলায়েত হোসেন, মো. শাহরিয়ার ও শহীদ উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া পলাতক দুই আসামির পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাসনা বেগম।

অবশেষে বরফ গলে গেছে। শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক জোড়া লাগছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে টেলিফোনে শাকিব জানালেন, ‘গতকাল মেজাজ খুব খারাপ ছিল বলে অনেক কথাই হয়তো বলেছি। কিন্তু এখন উপলব্ধি করছি, যা–ই ঘটে থাকুক না কেন, এটা আমার সংসার, আমার স্ত্রী, আমার সন্তান। আমাকে ওদের সঙ্গেই থাকতে হবে।’
আসাদুজ্জামান : মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণ ও বৈশাখি ভাতা প্রদানের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজো কমিটি, সাতক্ষীরা জেলা শাখা।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহতের ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। নিহতের মা আমেনা খাতুন বাদি হয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।
2০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের জুটি গড়ে ওঠে। এরপর কয়েকটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র আসে তাদের জুটিতে। অপু দীর্ঘ সময় লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার সময়ে শাকিব তার নতুন নায়িকা হিসেবে বেছে নেন টিভি উপস্থাপিকা বুবলীকে। এতদিন আড়ালে থাকার সব রহস্য উন্মোচন করে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।
সরাসরি সম্প্রচার অনুষ্ঠানে অপু মুখ খোলায় কিছুটা ক্ষুব্দ হয়েছেন শাকিব খান। দিনভর তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা রকম তথ্য দিয়েছেন। তিনি বেশকিছু গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে অপু। সে আমার বউ হতে চায়নি। তাই অপেক্ষা করতে পারলো না। সে নায়িকা হওয়াকেই প্রাধান্য দিয়েছে। তাই সবকিছু প্রকাশ্যে এনে আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চেয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ মো. আমজাদ হোসেন স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।