শহর প্রতিনিধি: জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পাঁচ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। বুধবার বেলা ১১টায় লাবসা ইউনিয়নের মাঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে একটি এজহার দায়ের করা হয়েছে। এজহার সূত্রে জানা যায় লাবসার মাঠপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলামের সাথে যোগরাজপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ সরদারের ছেলে আবু দাউদের সাথে আরিফুল ইসলাম রিপনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ সূত্র ধরে উপরে দাউদ ও আব্দুল মাজেদের ছেলে মাসুদ, আইয়ুব আলীর ছেলে ইউসুফ আলী, আব্দুল্লাহ সরদারের ছেলে আমজাদ আলী, আইয়ুব আলীর ছেলে আবু আহাদ, আবু দাউদের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন, আব্দুল্লাহ সরদারের স্ত্রী রাশিদা খাতুনসহ ৮/১০ বুধবার দুপুর ২টার দিকে রিপনদের পৈত্রিক সম্পতিতে প্রবেশ করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আরিফুল ইসলামের মাসহ বাড়িতে থাকা লোকজন তাদের বাধা দিতে গেলে তারা রাম দা, লোহার রড দিয়ে মারপিঠ করে। এছাড়া তাদের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আরিফুলের মামা সিরাজুল ইসলাম ও শহীদুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে যখম করে। তাদের ডাক ও চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এবিষয়ে দোষীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আরিফুল ইসলাম রিপন বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজহার করেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরার সবচেয়ে আলোচিত দুটি ঘটনা হচ্ছেÑ (১) কলারোয়ায় কিশোরী আফরোজাকে অপমানিত, লাঞ্ছিত ও অসম্মানিত করার মাধ্যমে তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা এবং (২) সদর উপজলোর ঘোনা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য গণেশ সরকারের পুত্র গৌতমকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে তার বাড়ির পাশে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয়া।
বিনোদন ডেস্ক: কারিনা কাপুর ও তৈমুর আলী খান পতৌদি নবাববাড়িতে এসেছে নতুন অতিথি। নাম তার তৈমুর আলী খান। ইতিমধ্যে তাকে ‘মিনি নবাব’ বলেও ডাকতে শুরু করেছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মা কারিনা কাপুরের সঙ্গে তাঁর একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, মা কারিনা চুমু দিচ্ছেন ছোট্ট তৈমুরের কপালে। সবাই দেখছে তাকে। তবে কাপুর পরিবারের কাছ থেকে ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী সাবেক সফল জেলা পরিষদ প্রশাসক এম মুনসুর আহমেদ বুধবার দিনব্যাপী জেলার শ্যামনগর উপজেলার রমজান নগর, কৈখালী, মুন্সিগঞ্জ, ইশ্বরীপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর ও মেম্বরদের সাথে তার আনারশ প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী মতবিনিময় করেন। শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মুনসুর আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, আব্দুল হামিদ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। আ’লীগ নেতা ডা. মুনসুর, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, সদর যুবলীগের সভাপতি শফিউদ্দীন, সাতক্ষীরা পৌর ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, সাবেক কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা জি এম অহিদ পারভেজ, সাতক্ষীরা শহর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পদক শফিকুজ্জামান পারভেজ, জেলা তরুণলীগের সভাপতি কর্ণেল বাবু, তৌহিদ, আজিম, প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শাহীনসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় কালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম মুনসুর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামীলীগ উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থাম, ৭০’র নির্বাচন, মহান মুক্তিযুদ্ধে এ দলের ছিল অগ্রণী ভূমিকা। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বর্তমানে সরকার এ আছে। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধ করেছি, বারবার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি, বর্তমানে জেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্বে আছি। এ জন্য আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আমাকে দলীয় মনোয়ন দিয়েছে। কারো কথায় প্ররোচিত না হয়ে দলের স্বার্থে কেউ দলের বাইরে কোন প্রার্থীকে সমার্থন দেবেন না। দলের কথা মাথায় রেখে দলীয় প্রার্থীকে সমার্থন দেবেন বলে চেয়ারম্যান প্রার্থী মুনসুর আহমেদ মনে করেন। তিনি আরো বলেন এবার আপনারা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করলে আপনাদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাব।
এম বেলাল হোসাইন/আমির হোসেন খান চৌধুরী: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগর সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর মোস্তফার ভাটার পাশে গত রবিবার থেকে ১৫ দিনব্যাপী বিজয় ও মেলাযাত্রা পালার আয়োজন করা হয়েছে।
