সর্বশেষ সংবাদ-
রোটারি ক্লাব অব রয়েল সাতক্ষীরার বার্ষিক সভায় সেলাই মেশিন পেলেন এক নারীসাতক্ষীরা সদর পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনদিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ সম্পন্নসাতক্ষীরায় বিএআরআই উদ্ভাবিত ভ্যাকুয়াম ফ্রাইং মেশিনের মাধ্যমে চিপ্স তৈরির প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ক প্রশিক্ষণসামেক হাসপাতালের পরিচালক দুর্নীতিবাজ শীতল চৌধুরী ওএসডি: নতুন পরিচালক কুদরত ই খুদাপৌরসভার দক্ষিণ পলাশপোল এলাকায় সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধনতালায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষন : খালু গ্রেফতারনানা আয়োজনে রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র রোটা বর্ষ-২০২৪-২৫ উদযাপনআশাশুনিতে নবাগত কমিশনার ভূমি’র যোগদানতালায় সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যুসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত

1স্পোর্টস ডেস্ক: সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে মাস্টার্স ক্রিকেট লিগ (এমসিএল)। এমসিএলকে সামনে রেখে চূড়ান্ত হয়ে গেল ছয়টি দল। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে বারোটায় মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে সাবেক খেলোয়াড়দের নিয়ে এই ড্রাফট শুরু হয়।

সর্বমোট ৮৮ জন সাবেক ক্রিকেটার নিয়ে প্লেয়ার ড্রাফট সাজানো হয়েছিলো। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে টুর্নামেন্টটি। এর আগেই চার জন করে সাবেক ক্রিকেটারের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করেছিল বিসিবি।

এছাড়াও ১৫ সদস্যের দলে মেন্টর ও অধিনায়কসহ ছয়জন করে ক্রিকেটার আগে থেকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। গতকাল প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে ৯ জন করে খেলোয়াড় দলে ভেড়ায় দলগুলো।

৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টটি। সেমিফাইনালও হবে সেখানেই। ফাইনাল হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে।

ছয় দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড:

লংকা বাংলা ‘অলস্টারস মাস্টার্স’: রকিবুল হাসান (মেন্টর), সেলিম শাহেদ (অধিনায়ক) হাসিবুল হোসেন শান্ত, সাজ্জাদ হোসেন শিপন, আজম ইকবাল, মাসুদুর রহমান মুকুল, আনিসুর রহমান সঞ্জয়, লাভলু রহমান, সৈয়দ আদিল আহমেদ, সোহেল হোসেন পাপ্পু, নিয়াজ মোর্শেদ নাহিদ, বাকি বিল্লাহ হিমেল, ফাহিম মুনতাসির সুমিত, মাহবুব আনাম।

ইস্পাহানি ‘চট্টগ্রাম মাস্টার্স’: আজহার হোসেন শান্ত (মেন্টর), আকরাম খান (অধিনায়ক), মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, এনামুল হক মনি, তারেক আজিজ খান, আফতাব আহমেদ, তৌহিদুল হোসেন শ্যামল, হুমায়ুন কবির, আনোয়ার হোসন মনির, জুবায়ের ইসতিয়াক আহমেদ, ফজলে বারি খান রুবেল, নুরুল আবেদিন নোবেল, আফজাল খান, ফজলে হাসান খান, মীর আক্তার উদ্দিন আহমেদ।

কনফিডেন্স গ্রুপ ‘ঢাকা মেট্রা মাস্টার্স’: এএসএম ফারুক (মেন্টর), খালেদ মাহমুদ সুজন (অধিনায়ক), মো: রফিক, নিয়ামুর রশীদ রাহুল, নাসির আহমেদ নাসু, এ আই এম মনিরুজ্জামান, ইমরান পারভেজ রিপন, আনিসুল হাকিম রব্বানী, ইকবাল হোসেন, ইমরান হামিদ পার্থ, মীর জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সাব্বির খান শাফিন, তানভির আহমেদ তিমির, আশফাক রহিম।

জেবি গ্রুপ ‘ঢাকা মাস্টার্স’: ইসতিয়াক আহমেদ (মেন্টর), নাইমুর রহমান দূর্জয় (অধিনায়ক), সানোয়ার হোসেন, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুত, মেহরাব হোসেন অপি, সাইফুল ইসলাম খান, মনিরুল ইসলাম তাজ, শাহনেয়াজ কবির শুভ্র, রাশেদুল হক সুমন, সাজ্জাদ কাদির, জাকির হাসান দিপু রায় চৌধুরী, আনিসুর রহমান, জালাল ইউনুস, আবু হায়দার রিপন।

রেনেসা গ্রুপ ‘রাজশাহী মাস্টার্স’: শাহনেয়াজ কবির শানু (মেন্টর) খালেদ মাসুদ পাইলট (অধিনায়ক) আলমগীর কবির, রফিকুল ইসলাম খান, সাইফুল্লাহ খান জেম, হান্নান সরকার, আবদুল্লাহ খান বিপ্লব, তরিকুল ইসলাম, মোর্শেদ আলী খান সুমন, গাজী আলমগীর, মুশফিকুর রহমান বাবু, জাহাঙ্গীর আলম, শরিফুল হক প্লাবন, উমর শরিফ খান রওনক, আক্তার আহমেদ সিপার।

জেমকম গ্রুপ ‘খুলনা মাস্টার্স’: উমর খালিদ রুমি (মেন্টর) হাবিবুল বাশার সুমন (অধিনায়ক) মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, হাসানুজ্জামান ঝড়ু, মো: সেলিম, জামাল বাবু, মাহমুদুল হাসান রানা, মুরাদ খান, আলী ইমরান রাজন হারুনুর রশীদ লিটন, শফিউদ্দিন আহমেদ বাবু, তাসরিকুল ইসলাম টোটাম, মো: তৌহিদুল ইসলাম চপল, জিসান হাসিব মিজানুর রহমান পাটোয়ারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1471969742আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিপাইনের কর্মকর্তাদের ধারণা তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মুক্তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের দাবি করা মুক্তাটির ওজর ৩৪ কেজি।
১০ বছর আগে একজন জেলে এই মুক্তাটি খুঁজে পান এবং এর প্রকৃত মূল্য বুঝতে না পারার কারণে সৌভাগ্যের চিহ্ন হিসেবে এটি সংরক্ষণ করছিলেন। ফিলিপাইনের পালাওয়ান দ্বীপের কর্মকর্তা আইলিন আমুরাও বলেন, সে যখন আমাদের কাছে এটি নিয়ে এসেছিল আমরা মুগ্ধ হয়েছিলাম।
কর্মকর্তারা এটি যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্তা সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে নিশ্চয়তা পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। মুক্তাটি প্রায় দুই ফুট লম্বা। যদি বিশেষজ্ঞরা খবরটি নিশ্চিত করেন তাহলে অনায়াসেই এটি সবচেয়ে বড় মুক্তার খেতাব ছিনিয়ে নেবে। বর্তমানে সবচেয়ে বড় মুক্তাটির নাম লাও জু যার ওজন ৬.৪ কেজি। বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বদেশ: মানবতাবিরোধী অপ1466317952রাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদনের শুনানি আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ আগষ্ট) সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ মীর কাসেমের সময় আবেদন খারিজ করে দেন। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন।
বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
মীর কাসেমের পক্ষে শুনানি করেন তার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

 নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির মহিলা শাখার প্রশিক্ষকসহ পাঁচজনকে আটকে করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব)।

টঙ্গি ও গাজীপুর থেকে তাদের আটক করা হয় বলে বুধবার র‍্যাব একটি ক্ষুদে বার্তায় জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) মহিলা শাখার প্রশিক্ষক রাশেদুজ্জামান রোজ রয়েছেন। তিনি দলটির দক্ষিণাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত আমির বলেও জানিয়েছে র‍্যাব।

আজ আরো পরের দিকে বিস্তারিত জানানো হবে বলে র‍্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহেই আগে জেএমবির চারজন নারী জঙ্গি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব, যারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

র‍্যাব জানিয়েছিল, ওই চারজনকে গাজীপুরের সাইনবোর্ড, মগবাজার ও মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন জেএমবির নেত্রী আকলিমা রহমান, ঐশী, মৌ ও মেঘলা।

এর আগে সিরাজগঞ্জ থেকে জেএমবি-র ৪ জন নারী সদস্যকে আটক করার কথা জানিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে বিহার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার 160823135900_nitish_kumar_narendra_modi_640x360_pmoindia_nocreditপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে বিতর্কিত ফারাক্কা বাঁধকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের জেরে গঙ্গাতে যে বিপুল পরিমাণ সিল্ট বা পলি পড়ছে তার জন্য প্রতি বছর বিহারকে বন্যায় ভুগতে হচ্ছে – এবং এর একটা স্থায়ী সমাধান হল ফারাক্কাটাই তুলে দেওয়া।

ফারাক্কা নিয়ে ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশের নানা আপত্তি আছে বহুদিন ধরেই, কিন্তু ভারতের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও মুখ্যমন্ত্রীও এই প্রথম ফারাক্কা বাঁধ প্রত্যাহারের দাবি তুললেন।

একচল্লিশ বছর আগে গঙ্গার উপর যখন ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয়, তার একটা প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জলপ্রবাহের একটা অংশকে হুগলী নদীতে চালিত করে কলকাতা বন্দরকে পুনরুজ্জীবিত করা।

সে উদ্দেশ্য পুরোপুরি সফল না-হলেও ফারাক্কার জেরে গঙ্গার উজানে যে পলি পড়া শুরু হয়েছে, তারে জেরে প্রতি বছরই বর্ষার মরশুমে বন্যাকবলিত হয়ে পড়ছে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের একটা বিস্তীর্ণ অংশ।

ফারাক্কার থেকে কোনও লাভ উজানের এই সব রাজ্য পাচ্ছে না, কিন্তু প্রায় নিয়ম করে ফি বছরই তাদের ভুগতে হচ্ছে ফারাক্কার জন্য।

এই পটভূমিতেই আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ফারাক্কা বাঁধ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেন বিহারের তৃতীয় মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ঠিক আগেই তিনি বলেন, ”বিহারে বন্যার এই হাল গঙ্গায় সিল্ট বা পলি জমার কারণেই। যবে থেকে ফারাক্কা বাঁধ নির্মিত হয়েছে, তখন থেকেই এই পলি জমার শুরু।”

”আগে যে সব পলি নদীর প্রবাহে ভেসে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ত, এখন ফারাক্কার কারণে সেটাই নদীর বুকে জমা হয়ে বন্যা ডেকে আনছে। আমি তাই গত দশ বছর ধরে বলে আসছি এই সিল্ট ম্যানেজমেন্ট না-করলে বিহার কিছুতেই বন্যা থেকে পরিত্রাণ পাবে না।”

”আমরা কোনও পয়সা চাই না – কিন্তু চাই কেন্দ্রীয় সরকার বা তাদের সংস্থাগুলো এসে দেখুক কীভাবে এই সিল্ট সরানো যায়। এর একটা রাস্তা হতে পারে ফারাক্কা বাঁধটাই হঠিয়ে দেওয়া – আর আপনাদের কাছে বিকল্প কোনও প্রস্তাব থাকলে সেটাও অনুসরণ করে দেখা যেতে পারে।”

নীতিশ কুমারের এই কথা থেকেই স্পষ্ট বিহারে প্রতি বছরের বন্যার জন্য তার সরকার প্রধানত ফারাক্কা ব্যারাজকেই দায়ী করছেন।

বিবিসি বাংলা জানতে পেরেছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিহার সরকারের পক্ষ থেকে একটি চার্টও তুলে দেওয়া হয়েছে – যাতে ফারাক্কা তৈরি হওয়ার আগে ও পরে বিহারে গঙ্গানদীর গভীরতা বা নাব্যতা কতটা কমেছে সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

বিহার সরকারের এই দাবি মেনে ফারাক্কা বাঁধ প্রত্যাহার করে নেওয়া – সোজা কথায় বাঁধের সব স্লুইস গেটগুলো পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া – সহজ নয় ঠিকই, কিন্তু ফারাক্কার বিরুদ্ধে ভারতের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ যেভাবে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন সেটাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেইলি সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য: 14088420_856726864427532_310314700414206571_nডায়াবেটিস এবং অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ফল। কিন্তু আপনি গ্রীষ্মের ফলসমূহ যেমন- আম, আঙ্গুর ইত্যাদি মনমত উপভোগ করতে পারেন। ডাক্তারেরা ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। এখানে, ডায়াবেটিক বন্ধুত্বপূর্ণ কিছু ফলের তালিকা উপস্থাপন করা হল-

১. লাল জাম্বুরা: জাম্বুরা আপনাকে কমলার কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। কিন্তু, জাম্বুরা মিষ্টি, ঝাল ও সরস। ডায়াবেটিসের জন্য জাম্বুরা অনেক স্বাস্থ্যকর খারাপ। ডায়াবেটিসের রোগীদের প্রতিদিন একটি অর্ধ-জাম্বুরা খাওয়া উচিৎ।

২. বাঙ্গি: তরমুজ, খরমুজ বা প্রাকৃতিক মধু ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, সি, বিটা উদ্ভিদে বিদ্যামান পিঙ্গল পদার্থ, পটাসিয়াম এবং লিকোফেন রয়েছে। এ সকল ফলের কোন একটি ফালি আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন পূরণ করতে পারে।

৩. আপেল: আপেল কখনও ছুলে খাবেন না। কারন, আপেলের চামড়াতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এবং আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ভিটামিন সি রয়েছে।

৪. কমলা: কমলা ভিটামিন সি এর জন্য অনেক বেশি পরিচিত। এছাড়াও, কমলায় কার্ব কম থাকে এবং পটাসিয়াম থাকে। ডায়াবেটিসের জন্য কমলা নিরাপদ।তাই, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমলা রাখতে পারেন।

৫. নাশপাতি: পটাসিয়াম ও ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং কম পরিমাণে কার্বের খাবার হল নাশপাতি। তাই, অবশ্যই আপনার খাদ্যের অংশে নাশপাতি রাখা উচিৎ।

ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসন্দেহে এই ছয়টি ফল খেতে পারেন। এতে আপনাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে এবং ইনসুলিন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চিত্রনায়িকা পপি তার গ্রামের অন্ধ ভক্তের সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। ওই ভক্ত একদিন পপির শ্যুটিং দেখতে আসেন ঢাকাতে। পপিকে কাছে দেখেকাছের পাওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায় এবং শেষ পযন্ত পপিকে বিয়র পিঁড়িতে13490837 বসাতে সক্ষম হয়। পাঠক এতক্ষন যা পড়লেন সেটা বাস্তবে না পর্দায়।

গল্পসূত্রে দেখা গেছে, ময়মনসিংহের তোতা মিয়ে খ্যাত হাসান জাহাঙ্গীর চিত্রনায়িকা পপির জন্য পাগল। পপিকে পাওয়ার জন্য সে সব কিছু করে। আর তার এই পাগলামি দেখে গ্রামের লোকজন ঠাট্রা করতে থাকে একদিন ঢাকা চলে আসে পপিকে দেখার জন্য। পপির শ্যুটিং দেখার জন্য হাজির হয় বিএফডিসিতে। সেখানে জ্যকি আলমগীর তাকে নকল হিরো হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং সেখান থেকে আস্তে আস্তে পরিচয় হয় পপির সাথে।

এই ভাবে চলতে থাকে নাটকের গল্পকাহিনী। হাসান জাহাঙ্গীরের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে নাটক ‘নায়িকার বিয়ে’। নাটকে অভিনয় করেছেন, হাসান জাহাঙ্গীর, চিত্রনায়িকা পপি, এ টি এম সামসুজ্জামান, শবনম পারভিন সহ আরো অনেকে। নাটকটি প্রতি মঙ্গল ও বুধবার রাত ১১.৩০ মিনিটে এবং বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেল ৪.৫ মিনিটে বৈশাখী টেলিভিশনে আজ থেকে নিয়োমিত ভাবে প্রচারিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

160804122737_bangladesh_flood_640x360_bbc_nocreditডেস্ক রিপোর্ট: ভারতে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির জন্য দেশটির পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ফারাক্কা বাঁধের প্রায় সবগুলো গেট খুলে দেবার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের কর্মকর্তারা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা বাঁধের গেটগুলো খুলে পানি ছেড়ে দিলে বিহার রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র সমীর সিনহা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বর্ষাকালে এমনিতেই অন্য সময়ের তুলনায় ফারাক্কায় বেশি গেট খোলা থাকে। কিন্তু বিহার প্রদেশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এখন প্রায় ১০০টি গেট খুলে দেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফারাক্কায় ১০৪টি গেট আছে। কর্মকর্তারা বলছেন এ গেটগুলো খুলে দিলে ১১ লাখ কিউসেক পানি সরে যাবে যাতে করে বিহারের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। বিহার রাজ্যে গত এক সপ্তাহে ১০ লাখের বেশি মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে।
ফারাক্কায় গেটগুলো খুলে দেবার বিষয়ে বাংলাদেশকে আগেই নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছে এবং এনিয়ে বাংলাদেশের সাথে পরামর্শ করা হয়েছে বলে সিনহা উল্লেখ করেন। বর্ষার মওসুমে এটিকে ‘স্বাভাবিক ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
এদিকে বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র এবং যৌথ নদী কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, বছরের এ সময়টিকে ফারাক্কায় গেটগুলো খোলা থাকার কথা। নতুন করে গেট খুলে দেবার কিছু নেই বলে কর্মকর্তারা মনে করেন। তারা বলছেন সাধারনত শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার জন্য এ গেটগুলো তৈরি করেছে ভারত। কিন্তু এখন নদীতে পানি প্রবাহ এমনিতেই বেশি থাকায় গেটগুলো বন্ধ থাকার কথা নয় বলে উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ১১ লাখ কিউসেক পানির প্রবাহ যদি বাংলাদেশের ভেতরে আসে তাহলে বাংলাদেশ অংশে পদ্মায় পানি বাড়বে কিন্তু বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হবে না। যেহেতু এখন ব্রহ্মপুত্র-যমুনায় পানি কমছে সেজন্য পদ্মার পানি বাড়লেও সেটি কোন বন্যা পরিস্থিতির তৈরি করবে না বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ খন্দকার জানিয়েছেন বাংলাদেশের ভেতরে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার ভেতর দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয়। এদিকে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমার মঙ্গলবার দিল্লীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে দেখা করার কথা রয়েছে। বন্যার কারণে বিহার অঞ্চলে দুই লাখ মানুষের বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত দু’সপ্তাহ ধরে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে বিহার ছাড়াও মধ্য প্রদেশ , উত্তর প্রদেশ, এবং ঝাড়খণ্ডেও বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। এসব এলাকায় নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সোমবার রাতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বিহার এবং উত্তর প্রদেশে জরুরী সহায়তা দল পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest