অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সহায়তা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-প্রবাসী বাংলাদেশিদের একাংশ। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা ভয়াবহ জঙ্গি-হুমকিতে রয়েছে উল্লেখ করে এ ব্যাপারে ওবামার হস্তক্ষেপ করেন তারা।
হোয়াইট হাউসের সামনের এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এইসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ওবামার হস্তক্ষেপ চেয়ে হোয়াইট হাউসে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যালঘুদের সংগঠন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল ওই সমাবেশের উদ্যোগ নেয়। সমাবেশে যোগ দিতে মার্কিন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসির আশেপাশের এলাকা থেকে হোয়াইট হাউসের সামনে এসে একত্রিত হন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল-এর প্রেসিডেন্ট নবেন্দু বিকাশ দত্ত সমাবেশে বলেন, ‘গত সাত বছরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা ২৭৩টি মামলার মধ্যে মাত্র একটি মামলার নিস্পত্তি হয়েছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক জরিপের প্রসঙ্গ ধরে নবেন্দু বিকাশ জানান, প্রতি বছর ২ লাখ ৩০ হাজার সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা বাংলাদেশ ছাড়ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বাংলাদেশে নীরব গণহত্যা চলছে। যে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল তা প্রতিদিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’
এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর সহিংস বিক্ষোভ এবং আনসারুল্লাহ বাংলার নামে কিংবা আল কায়েদা-আইএস-এর ছায়াতলে বুদ্ধিজীবী, ব্লগার, বিদেশি নাগরিক এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং অপ্রথাগত বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতাদের হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশে ইসলামী জঙ্গিবাদের উত্থান সম্পর্কে আঁচ পাওয়া যায়। এতে বাংলাদেশের একটি ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পর্যবসিত হওয়ার বাস্তবতাকেই সামনে আনে।
এতে আরও বলা হয়, ‘ইসলামী জঙ্গিবাদের উত্থানের নেপথ্যে রয়েছে সৌদি আরবসহ অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ থেকে আসা অর্থসহায়তা। এই টাকাগুলো যায় বিভিন্ন মাদ্রাসা এবং ইসলামী সংগঠনে। ২০১৫ সালের জুলাই মাসের গুলশান হামলার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকার আইএস-এর উপস্থিতির বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

বিনোদন ডেস্ক: গানের কয়েকটি বাক্য এমন- ‘মিম মিম মিম তুই আমার মনের স্মার্টফোন, থ্রিজি সিম, তোকে পটাতে গিয়ে খাই হিমশিম।’ হ্যাঁ, এটা অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমকেই উদ্দেশ করে বলা! আর তার তালে তালে নাচা!
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে মধুমাল্লারডাঙ্গার রাস্তার পাকা করণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে মধুমাল্লারডাঙ্গীর রাস্তা পাকাকরণ এ নির্মান কাজের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয়ে পৌরসভার অর্থায়নে ৫শ’ ২৫ ফুট রাস্তা পাকাকরণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, সহকারি প্রকৌশলী কামরুল আখতার, শহর পরিকল্পনাবিদ শুভ্র চন্দ্র মহলী, উপ-সহকারি প্রকেীশলী সাগর দেবনাথ, আশা এনজিও’র ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর লক্ষন কুমার দত্ত প্রমুখ। অপর দিকে কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনালের পীছনে নির্মানাধীন বায়োগ্যাস প্লান ও পানির প্লান পরিদর্শণ করেন। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ শেখ কামরুল ইসলাম।
নিজস্ব সংবাদদাতা: সুইড খাতিমুন্নেছা হানিফ লস্কর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে সুইড খাতিমুন্নেছা হানিফ লস্কর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ৭৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোস্তফা কামাল লস্কারের আর্থিক সহায়তায় এ ড্রেস বিতরণ করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়া উপজেলার ৬নং সোনবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তবে এভাবে একযোগে রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের নারী নির্যাতনের পক্ষে অবস্থান নেয়াকে সমালোচনা করছেন সচেতন নাগরিকরা।
অনলাইন ডেস্ক: জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এতে ২২ জেলায় চেয়ারম্যান পদের জন্য কোনো ভোট হচ্ছে না। ৬১ জেলার মধ্যে ২৮ ডিসেম্বর ৩৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িং-এর কাছ থেকে ৮০টি বিমান কেনার চুক্তি সই করেছে ইরান। রোববার ইরান এয়ার ও বোয়িং কোম্পানির প্রতিনিধিরা তেহরানে এ চুক্তি সই করেন এবং এর ভিত্তিতে আগামী ১০ বছরে পর্যায়ক্রমে এসব বিমান ইরানের কাছে হস্তান্তর করা হবে।