সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটকদেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের কারণে নিত্যদিনের জ্বরজারি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে শ্বাসতন্ত্রের মৌসুমি সংক্রমণ থেকে শুরু করে গলাব্যথা, ডায়রিয়া, এমনকি ডেঙ্গু জ্বর ইত্যাদি অসুখের অন্যতম কারণ হলো নানা ধরনের ভাইরাস। এমনিতে শরীরের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে এসব আপনা-আপনি সেরে যায়। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না।কেবল আমাদের দেশেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিবছর ১০ লাখ ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসায় অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশে এ অবস্থা আরও ভয়াবহ। কেননা, এখানে কোনো ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক কেনা যায়। ভাইরাস সংক্রমণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া—দুই ধরনের জীবাণু। এ দুটোর সংক্রমণ সারানোর পদ্ধতিও আলাদা। ভাইরাস জ্বরের চিকিৎসা মূলত লক্ষণ প্রশমন, যেমন প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন সেবন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, বেশি করে তরল খাবার গ্রহণ ইত্যাদি। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হয়।জেনে নিন সাধারণ ভাইরাস জ্বরে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারে কী হয়: অ্যান্টিবায়োটিকে এই সংক্রমণ সারে না। রোগের লক্ষণ প্রশমনেও অ্যান্টিবায়োটিক কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। এর অকারণ ব্যবহার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে থাকে। একই ওষুধে পরে আর কাজ হয় না। সাধারণ ভাইরাস জ্বর হলে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। এ জ্বর এমনিতেই সেরে যাবে। বিশ্রাম নিন। প্রচুর তরল পান করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, যদি জ্বর সাত দিনের বেশি থাকে, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি হয়, কাশির সঙ্গে সবুজ বা হলুদ কফ বেরোয়, কফের সঙ্গে রক্ত যায় এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনেদন ডেস্ক: বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত সুইটহার্ট ছবিটি মুক্তি পায় এ বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। ছবিটি থেকে প্রযোজকের ঘরে ফেরত আসেনি বিনিয়োগকৃত পুঁজি। এই অভিনেত্রীর আরেকটি ছবি আমি তোমার হতে চাই মুক্তি পাবে এ মাসে। মোট কথা, বছরের শুরু ও শেষটায় মিম তাঁর অভিনয় দিয়ে আলোচনায় থাকছেন। কিন্তু এর মাঝের সময়টা? বেশ কয়েক দিন ধরেই চলচ্চিত্র নয়, বিভিন্ন পণ্যের প্রচারদূত হিসেবে এই অভিনেত্রী হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। কখনো ত্বক পরিচর্যাকারী প্রসাধনী, কখনো আবার পানীয়র। এই তো মিমের ব্যস্ততার বিবরণ। বছরের শুরুর দিকে দাগ নামে একটি ছবিতে কাজ শুরু করলেও মাস ছয়েক সেই কাজ বন্ধ ছিল। ৩ ডিসেম্বর একটি গানের দৃশ্যায়নের মধ্য দিয়ে আবার শুটিং শুরু হয়েছে। পাষাণ নামে আরেকটি ছবিতে গত সেপ্টেম্বর থেকে শুটিং শুরু করেন মিম। এখন এই দুটি ছবির কাজই তাই সময় নিয়ে করছেন তিনি। বলেন, ‘সারা বছর অনেক ছবিতেই কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু ওই সব ছবির গল্প ভালো লাগেনি। ভালো মানের ছবি না হলে কাজ করি না আমি।’ তবে চলচ্চিত্রে মানসম্মত অভিনয় করার লক্ষ্যে ছবির সংখ্যা কমিয়ে দিলেও মিম কিন্তু সারা বছর তাঁর প্রচার করা পণ্যগুলো নিয়ে সময়ে সময়ে টিভি, বিলবোর্ড ও পত্রিকায় নিজের মুখ দেখিয়েছেন। চলতি বছরে শুভেচ্ছাদূত হয়ে একটি ত্বক পরিচর্যাকারী প্রসাধনীর মডেল হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি একটি মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনেও মডেল হয়েছেন। সেই বিজ্ঞাপন ও প্রতিষ্ঠানটির প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি একটি জুস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের দূত হয়েও আলোচনায় এসেছেন এই  অভিনেত্রী। এ নিয়ে মিম বলেন, ‘ছবির কাজের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের মডেল ও পণ্যের প্রচারদূত হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। ছবি হাতে থাকলেও বিজ্ঞাপনের কাজ করব, না থাকলেও করব। পৃথিবীর সব দেশেই বড় পর্দার তারকারা নিয়মিতই বিভিন্ন পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1195185442_1480846666আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরের আগেই টাইগার শিবিরে শোনা গেল আনন্দের খবর। পুরোপুরিভাবে ফিট হয়ে উঠেছেন ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান। বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী আজ সংবাদমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ রোববার সকালে একাডেমি মাঠে ফুল রানআপে বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এ সময় পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা আরেক পেসার এবাদত হোসেনও তার সঙ্গে ফুল রান আপে বোলিং করেন। তাদের দু’জনের বোলিং দেখে ট্রেইনার মারিও বিল্লাভারায়ন সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

পরে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, “সামর্থ্যের ৮০-৯০ ভাগ ইনটেনসিটি দিয়ে বোলিং করায় এ দুই বোলারকে ফিট ধরে নিচ্ছি আমি। কেননা কেবল ম্যাচ খেলতে গেলেই শতভাগ দিয়ে বোলিং করেন কোনো বোলার।”

উল্লেখ্য, সাসেক্সের হয়ে ইংল্যান্ডে কাউন্টি লিগে খেলতে গিয়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েন মুস্তাফিজ। গত ১১ আগস্ট লন্ডনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে তার কাঁধে অস্ত্রোপচার করেন বিখ্যাত অর্থোপেডিক সার্জন অ্যান্ড্রু ওয়ালেস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1836596283_1480843925অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল  সিনেমায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের কারণে পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি হয়। যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। যদিও পুরো বিষয়টাই গুজব, তারপরেও এ নিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও মাতামাতি হয়েছে।
একইসঙ্গে সয়লাব ইন্টারনেট দুনিয়া।

ঐশ্বরিয়ার মতো একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন আর সে খবর কেউ জানতে পারেননি? এমন প্রশ্ন এখন অনেকের মুখে। ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এমন ভূয়া খবরের সূত্রপাত ‘আউটলুক পাকিস্তান’ নামের একটি ব্লগ থেকে।

এ ব্লগে জানানো হয়, আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। লোকে জেনে যাবে এ ভয়ে ঐশ্বরিয়াকে বাড়িতেই চিকিৎসা করানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসকের বরাতে জানানো হয়, ঐশ্বরিয়া নাকি বলেছেন, ‘আমাকে মরতে দিন। এমন ঘৃণ্য জীবন কাটানোর থেকে মরে যাওয়াও ভালো।’

‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে মনমালিন্য চলছিল বচ্চন পরিবারের। জয়া বচ্চনও প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন প্রাক্তন এই বিশ্ব সুন্দরীর। রণবীর কাপুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অভিনয় ভালোভাবে নিতে পারেনি বচ্চন পরিবার। তারপরই অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলেও এই ব্লগে জানানো হয়।

যদিও এ বিষয়ে ঐশ্বরিয়া রাই কিংবা বচ্চন পরিবারের কেউ মুখ খুলেননি বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1893307388_1480826084খবর পড়তে পড়তেই উপস্থাপিকার সন্তান জন্ম দেওয়ার এই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে লন্ডনে বিবিসির দফতরে।
সকালে আবহাওয়ার খবর পড়ছিলেন বিবিসি-র উপস্থাপিকা ভিক্টোরিয়া ফ্রিৎজ। খবরের ফাঁকেই প্রসববেদনা অনুভব করেন তিনি। ভিক্টোরিয়ার শারীরিক অভিব্যক্তিতে যন্ত্রণার ছাপ ফুটে উঠতেই এগিয়ে আসেন তার সহকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় ভিক্টোরিয়ার স্বামী ড্যানকে। এরপরই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই সংবাদ পাঠিকাকে। সেখানে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন ভিক্টোরিয়া। খবর পেতেই সেই খবর ঘোষণা করা হয় বিবিসির তরফ থেকেও। শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন দর্শকরাও।

প্রসবের পরে সহকর্মী এবং দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া। ছেলের ছবি টুইট করে ভিক্টোরিয়া লিখেছেন, সমর্থন জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি এবং আমার সন্তান-দু’জনেই সুস্থ আছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1464420355_1480847541এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ হাজার নার্স নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। নিয়োগ পাওয়া নার্সদের পুলিশি যাচাইয়ের কাজ পরে করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘স্বাস্থ্য খাতে জনবল কৌশলপত্র ২০১৫’ এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মোহাম্মদ নাসিম। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘পুলিশ ভেরিফিকেশনে (যাচাই) অনেক সময় লাগে। ভেরিফিকেশনের নামে অযথা সময় নষ্ট করা হয়। তাই ভেরিফিকেশন ছাড়াই নার্স নিয়োগ করা হবে। ভেরিফিকেশন পরে হবে। কারও দোষ-ত্রুটি পাওয়া গেলে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হবে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানা ভেজানো শিশু বয়সের একটি সাধারণ সমস্যা। দেখা গেছে, চার থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। কোনো কারণেই হোক, ছেলেদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এমনকি দেখা গেছে, ১২ বছরের ছেলেদের মধ্যেও প্রতি ১০ জনে একজন রাতে প্রস্রাব করে বিছানা ভেজায়। অনেক সময় শারীরিক সমস্যার কারণে শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করতে পারে এবং সেসব ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনোরকম ওষুধপত্র ছাড়াই শিশুর এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট সময় এবং অভিভাবকের ধৈর্য। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে এ ক্ষেত্রে ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। . নিজের ও সন্তানের দোষী দোষী মনোভাব দূর করুন সন্তান বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় বলে মা-বাবার নিজেদের খারাপ মনে করার কোনো কারণ নেই। রাতে বিছানা ভেজানো একটি জৈবিক সমস্যা। শিশু ঘুমের মধ্যে তার মূত্রথলির স্ফিংটার বা দ্বার নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটি শিখে উঠতে পারে না বলেই এই সমস্যা হয়। খুব কম ক্ষেত্রেই শিশুর মানসিক সমস্যাকে এ জন্য দায়ী হিসেবে দেখা যায়। . শিশুকে শাস্তি দেওয়া যাবে না অনেক সময়ই দেখা যায়, সন্তান রাতে বিছানা ভেজায় বলে বাবা-মা তাকে শাস্তি দিয়ে থাকেন। কিন্তু বিছানা ভেজানোর অপরাধে শিশুকে কখনোই শাস্তি দেওয়া বা বকাঝকা করা উচিত নয়। যেহেতু কোনো শিশুই ইচ্ছা করে ঘুমের মধ্যে প্রস্রাব করে দেয় না, তাই এ ক্ষেত্রে শাস্তি শুধু কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না। . বিছানায় ক্লথ ব্যবহার করতে হবে যেসব শিশুর বিছানা ভেজানোর অভ্যাস আছে, তাদের বিছানায় রাতে ক্লথ ব্যবহার করতে হবে। এতে করে বিছানার তোশক, ম্যাট্রেস—এগুলো নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এ ছাড়া শিশু ও তার মাও এই ভেবে স্বস্তি পাবে যে বিছানা পরিষ্কার করার জন্য খুব বেশি কষ্ট, যেমন—চাদর ও কাঁথা ধোয়া, তোশক রোদে দেওয়া ইত্যাদি করতে হবে না। . শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য উৎসাহিত করুন আপনার শিশুকে বলতে হবে, আপনি আশা করছেন সে ভেজানো বিছানা পরিষ্কার করবে অথবা এ কাজে আপনাকে সাহায্য করবে। এমনকি যদি তার বয়স চার থেকে পাঁচ হয় তবুও। কেননা, এই বয়সের বাচ্চা সহজেই বিছানার চাদর বা ওয়েল ক্লথের ওপর বিছানো কাঁথা সরিয়ে নিয়ে ধোবার স্থানে রাখতে পারে। এটা করার উদ্দেশ্য, শিশুকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, বরং শিশুকে বুঝতে দেওয়ার যে নিজের বিছানা পরিষ্কার রাখাটা তার দায়িত্ব। . শিশুর মতামত যাচাই করুন  বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যাচাই করে দেখতে হবে। যাচাই করতে হবে, সত্যিই সে ঘুমের মধ্যে বিছানা না ভিজিয়ে বাথরুমে গিয়ে প্রস্রাব করতে চায় কি না। কেননা, সত্যিই যদি শিশু তা না চায়, তাহলে এ বিষয়ে যতই পদক্ষেপ নেওয়া হোক না কেন, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই প্রথমে শিশুকে বোঝাতে হবে এবং তার মধ্যে রাতে বিছানা না ভেজানোর ইচ্ছা জাগাতে হবে। শিশু যখন নিজে নিজেই এটা বন্ধ করতে চাইবে, তখন সে এ বিষয়ে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনি ঘুমের মধ্যে তার সচেতন মন তার অবচেতন মনের ওপর কাজ করে তাকে মাঝরাতে প্রস্রাব করার জন্য জেগে উঠতে সাহায্য করবে। . শিশুর শোবার সময় বাড়ির পরিবেশ শান্ত রাখুন ঘুমের সময় চারদিকে এলোমেলো থাকলে, এমনকি টিভিতে কোনো উত্তেজনাকর অনুষ্ঠান থাকলে, অর্থাৎ ঘুমানোর সময় শান্ত মন নিয়ে ঘুমাতে না গেলে শিশুর ঘুমের মাঝে প্রস্রাব করে দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কেননা, উত্তেজনা প্রস্রাব উৎপাদনের জন্য সহায়ক। তাই ঘুমানোর ঠিক আগে টেলিভিশন না দেখিয়ে শিশুকে গল্পের বই পড়তে দেওয়া যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক: ক্রিকেট তারকাদের সঙ্গে বলিউড তারকাদের গাঁটছড়া বাঁধা একরকম নিয়মিত ব্যাপারই হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ ধুমধাম করে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং ও অভিনেত্রী হেজেল কিচ। তাঁদের বিয়ের আসরে পাওয়া গেল আরেক ক্রিকেটার-অভিনেত্রী জুটিকে। তাই নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন গুজব। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, যুবরাজের বিয়েতে একসঙ্গেই হাজির হয়েছিলেন ক্রিকেটার বিরাট কোহলি ও অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। মাঝে শোনা গিয়েছিল এই জুটির সম্পর্কে নাকি ফাটল ধরেছে। তবে যুবরাজ-হেজেলের বিয়েতে তাঁদের উপস্থিতি অবশ্য সে খবরকে অনেকটাই মিথ্যা প্রমাণ করেছে। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর চণ্ডীগড়ে যুবরাজের বাড়িতে হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ের অনুষ্ঠান হয় যুবরাজ-হেজেলের। এরপর ২ ডিসেম্বর ভারতের গোয়ায় জাঁকজমক অনুষ্ঠান করেন এই নবদম্পতি। আর সেখানেই দেখা মেলে বিরাট-আনুশকার। ২০১৩ সাল থেকে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন বিরাট-আনুশকা। তবে এ ব্যাপারে সব সময়ই মুখ বন্ধ রেখেছেন দুজন। এ বছরের শুরুর দিকে দুজনকে আর তেমন একটা একসঙ্গে দেখা যায়নি। তাই ছড়িয়ে পড়ে ভাঙনের গুজব।২ ডিসেম্বর যুবরাজ-হেজেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একসঙ্গেই আবার ফ্লাইট ধরেন দুজন। তাই আপাতত ভাঙনের গুজবকে শুধু গুজবই মানতে হচ্ছে।গত ২৮ অক্টোবর মুক্তি পায় আনুশকা অভিনীত ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিটি। করন জোহরের পরিচালনায় ছবিটিতে আরো অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও ফাওয়াদ খান। সামনের বছর মুক্তি পাবে আনুশকা অভিনীত ‘ফিলাউরি’ ও ‘দ্য রিং’ ছবি দুটি। এদিকে, বিরাট কোহলি ব্যস্ত আছেন ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ নিয়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest