dsc04948-copy
নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্রী শ্রী মহাশ্মশ্বান কালিপূজা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলার ছাকলা মহাশ্মশ্বান প্রাঙ্গণে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন যুব কমিটির সভাপতি সুশীল দাশের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। এ দেশে হিন্দু- মুসলীম, বৈদ্ধ, খ্রিষ্টান শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তারা দেশ ও জাতির শত্রু। এ দেশ আপনাদের, এ দেশে আপনাদের নাড়ি পোতা। তাই এ দেশ থেকে আপনারা চলে যাবেন না। এ দেশে আপনারা আপনাদের অধিকার নিয়ে বসবাস করবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর মেয়র এম.এ জলিল, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস.এম শহিদুল ইসলাম, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক এস.এম রেজাউল ইসলাম, জেলা হিন্দু-বৈদ্ধ্য, খ্রিষ্টান, ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান মতি, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিত্যনন্দন আমিন, জেলা যুব কমিটির উপদেষ্টা বিকাশ চন্দ্র দাশ, প্রাণনাথ দাস, পূন্য চন্দ্র বিশ্বাস, সনজীব বিশ্বাস, বাসুদেব দাশ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা যুব কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমন অধিকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি: আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেবহাটার কুলিয়া, পারুলিয়া, সখিপুর, নওয়াপাড়া ও দেবহাটা সহ সদরের ভোমরা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (তালা প্রতিক) ব্যাপক গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। গনসংযোগকালে প্রত্যেকটি ইউপির চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের সাথে নির্বাচনি প্রচারনা ও মতবিনিময়সহ লিফলেট বিতরনের মধ্য দিয়ে ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। গতকাল সকাল ১০ টায় সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের সাথে গণসংযোগ করেছেন তিনি। এসময় সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন, ইউপি সদস্য আকবর আলী, মোকলেছুর রহমান, পরিতোষ বিশ্বাস, নির্মল কুমার মন্ডল, আব্দুল করিম, জগন্নাথ মন্ডল, হাফিজুর রহমান হাফিজ, আবুল হোসেন, মোনাজাত আলী, রেহেনা ইসলাম, আল্ফাতুন্নেছা, আরতী রানী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সখিপুর প্রতিনিধি : দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের অসহায়, গরিব, দু:স্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, আকবর আলী, রেহানা ইসলাম, আলফাতুন নেছা, আব্দুল করিমসহ বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থেকে এ কম্বল বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

china-banarjee04-1016নিজস্ব প্রতিবেদক: উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য ভিয়েতনামে গেছেন শিক্ষক চায়না ব্যানার্জী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মালিন্দ এয়ারলাইন্সে তিনি ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। তিনি সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
চায়না ব্যানার্জী ২০১১ সালে সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তারপর থেকে বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবেশগত পরিবর্তন আসতে থাকে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা চোখে পড়ার মতো। ২০১৫ সালে তিনি খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে ২০ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_92965559_gettyimages-53338811অনলাইন ডেস্ক: আসাম সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশেষ নজরদারি চালাতে তারা চারটি বিশেষ পুলিশ ব্যাটালিয়ন তৈরি করবে।
রাজ্যের পুলিশ মহানির্দেশকসহ স্বরাষ্ট্র দপ্তর ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল নিজেই।

রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক মুকেশ সহায় বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, “নতুনভাবে তৈরি হওয়া এই চারটি ব্যাটালিয়ন সীমান্তে ‘সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স’, অর্থাৎ নিরাপত্তার দ্বিতীয় বলয় তৈরি করবে।”

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে সামনে বিএসএফ যেমন কাজ করছে, তেমনই করবে, কিন্তু আসাম পুলিশের এই চারটি ব্যাটালিয়ন বিএস এফের পেছনে থাকবে। তারা সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে নজরদারি চালাবে, টহলও দেবে।

একেকটি ব্যাটালিয়নে গড়ে এক হাজার করে পুলিশ কর্মী থাকেন, সেই হিসাবে মোট প্রায় ৪ হাজার পুলিশ কর্মীকে সীমান্তে নজরদারির কাজে লাগানো হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে নতুন ভাবে তৈরি হওয়া এই ব্যাটালিয়নগুলিকে ধুবরি, দক্ষিণ শালমারা-মানকাছার আর করিমগঞ্জের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে কাজে লাগানো হবে।

পুলিশ মহানির্দেশক সহায় বলছিলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারী বা চোরাচালানকারীদের আটকানো যেমন এই ব্যাটালিয়নগুলির অন্যতম দায়িত্ব হবে, তেমনই তারা সীমান্তের ওপার থেকে মৌলবাদে অনুপ্রাণিত ব্যক্তিদের আসামে প্রবেশও আটকাবে।”

সহায়কে নিয়মিত চর এলাকাগুলি পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর ১৪টি সীমান্ত চৌকির আধুনিকীকরণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে।

এবছরের মাঝামাঝি আসাম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল সীমান্তে পুলিশী নজরদারি বাড়ানোর ব্যাপারে।

বিএসএফের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য আসাম পুলিশের সীমান্ত বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার যে প্রতিশ্রুতি বিজেপি দিয়েছিল, সেটাই এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।

আসাম আর বাংলাদেশের মধ্যে অনেকটা এলাকাই নদী সীমান্ত, আর সেখানে বিএসএফের ভাসমান প্রহরা আর সীমান্ত চৌকি থাকলেও সেখান দিয়ে চোরা চালান, অনুপ্রবেশ আর মৌলবাদে অনুপ্রাণিত ব্যক্তিরা আসামে প্রবেশ করে বলে বিজেপি সহ আসামের বেশ কিছু রাজনৈতিক দল নিয়মিত অভিযোগ করে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে আসলে কত অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তা নিয়ে বহু মত রয়েছে আসামে।

প্রথমে লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী আসামে ঢুকে পড়েছেন বলে প্রচার করা হয়েছিল এক সময়ে। মূলত বাংলাভাষী নাম, বিশেষ করে বাংলাভাষী মুসলমান নাম দেখলেই তাদের ভোটার তালিকায় সন্দেহজনক ভোটার বলে চিহ্নিত করা হত আর তাদের বিদেশী ট্রাইবুনালে পাঠানো হত।

বিদেশী ট্রাইবুনালগুলোতে বিচারের পরে ‘ডাউটফুল ভোটার’-এর সেই তালিকা দেড় দশক পরে মাত্রই কয়েক হাজারে নেমে এসেছে। অর্থাৎ বাকিরা নিজের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে পেরেছেন ট্রাইবুনালের কাছে।

অন্যদিকে আসাম থেকে জেএমবি-র সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে গত দেড়-দুবছরে গ্রেপ্তারও হয়েছেন অনেকে।

এনআইএ বা ন্যাশানাল ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি এই সব ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বিস্ফোরণ ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
1481712294বিগ ব্যাশের দল সিডনি সিক্সার্সকে উড়িয়ে দিলো মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নর্থ সিডনি ওভালে সাত উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
টসে হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করে সিডনি সিক্সার্স। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। ডাকওয়ার্থ লুইসের ম্যারপ্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় আট ওভারে ৮৪ রান। সৌম্য সরকার তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট পান।
জবাবে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এছাড়া সৌম্য সরকার ২০ ও মুশফিকুর রহিম ১৫ রান করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_92962267_a19a96bd-ad3b-477f-a9e3-d5294d518bbfঅনলাইন ডেস্ক: কন্যা সন্তানের পরিবর্তে পুত্র সন্তান লাভের জন্য কিভাবে গর্ভধারণ করতে হবে তার উপায় বাতলে দিয়ে ভারতের একটি পত্রিকা কিছু পরামর্শ দিয়েছে।
ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি পত্রিকায় বলা হয়েছে যেসব মহিলা পুত্র সন্তানের মা হতে চায়, তাদেরকে ছয়টি পরামর্শ মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।
এ পরামর্শগুলোর মধ্যে বলা হয়েছে – সন্তান-সম্ভবা মহিলাদের প্রচুর খাওয়া-দাওয়া করতে হবে এবং ঘুমানোর সময় পশ্চিম দিকে মুখ রেখে শুতে হবে। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এসবের কোন ভিত্তি নেই।
ভারতের সমাজে অনেকেই সন্তান হিসেবে ছেলেদের জন্য বেশি আকাঙ্ক্ষা করেন।
লন্ডনের পোর্টল্যান্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: সাজিয়া মালিক বলেন, ” কন্যা কিংবা পুত্র সন্তানের জন্য গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত বিষয়। এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোন পন্থা নেই।”
কেরালার পত্রিকাটির স্বাস্থ্য বিষয়ক পাতায় এ পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মা হতে ইচ্ছুক নারীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে তারা যেন অবশ্যই সকালের নাস্তা করেন এবং সপ্তাহের কয়েকটি নির্দিষ্ট দিনে যখন পুরুষের স্পার্ম জোরালো তাকে তখন যেন যৌন-সঙ্গম করে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন পুরুষের স্পার্ম জোরালো হবার সাথে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের কোন সম্পর্ক নেই। বিজ্ঞানের ভাষায় স্পার্ম যদি Y ক্রোমোজোম বহন করে তাহলে সেটি পুত্র সন্তান হবে।
কেরালা প্রদেশে এ পত্রিকাটির প্রকাশিত নিবন্ধের কড়া সমালোচনা করছেন অনেকে।
ভারতীয় লেখক গীতা আরাভামুদান এ বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ” সরকার এবং এনজিওদের নানা পদেক্ষেপ স্বত্বেও এ ধরনের চিন্তা-ধারা যে বাড়ছে এ নিবন্ধ তারই প্রমাণ।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

budijibe-dibosআজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, পরাজয় তাদের অনিবার্য। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশ আবার ফুলে ফলে ভরে উঠবে। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করতে দেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিদের রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়।

বাঙালি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাঘন দিনটি বিনয় এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে একাত্তরে শহীদ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে জাতি। একই সাথে এবারও জাতির প্রত্যাশা, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা হত্যা করেছে এবং যারা বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে আছে অথবা পলাতক আছে তাদের বিচারের রায কার্যকর করে, দেশকে কলংক মুক্ত করা হবে।

সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বধ্যভূমিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন জালিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

কর্মসূচি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অপর্ণ করবেন। এর পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

সকাল ৭টা ১০ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং ৭টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। এ ছাড়াও সকাল সাড়ে ৮টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

এছাড়াও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ, জাতীয় পার্টি, জাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বাংলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সম্মলিত সাংস্কৃতিক জোট, সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ’৭১, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest