অনলাইন ডেস্ক: এখন থেকে তিনজন মিলে একটি শিশুর জন্ম দিতে পারবেন বলে জানালেন যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা। ‘থ্রি পেরেন্ট’ পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানের পদক্ষেপ গত বছর যুক্তরাজ্যে বৈধতা দেয়া হলেও বাস্তবায়ন হবে আগামী মাস থেকে।
নতুন প্রযুক্তিকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিরল জেনেটিক ত্রুটি মায়েরাও আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় অন্য নারীর সঙ্গে তার ত্রুটিপূর্ণ মাইটোকন্দ্রিয়াল ডিএনএ প্রতিস্থাপন করে সুস্থ-সবল শিশুর জন্ম দিতে সক্ষম হবেন বলে জানান গবেষকরা।
তারা জানান, যার শরীরে মাইটোকন্ড্রিয়াজনিত কোনো ত্রুটি নেই৷ আসলে ভ্রুণের মাইটোকন্ড্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে হৃৎপিণ্ড, যকৃত, চোখ, পেশিতন্ত্র বা মস্তিষ্কে বড় ধরনের জটিলতা বা অসুস্থতা নিয়ে জন্ম নিতে পারে একটি শিশু৷
আর এই ‘থ্রি পেরেন্ট ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ বা ‘থ্রি পেরেন্ট আইভিএফ’ পদ্ধতিতে একজন দাতা সুস্থ্য নারীর সহায়তায় আইভিএফ মায়ের ডিম্বাণুর ত্রুটিপূর্ণ প্যাকগুলি সরিয়ে সুস্থ ভ্রুণের মাইটোকন্ড্রিয়া প্রতিস্থাপন করা যায়৷
ইতোমধ্যে দেশটির সংসদ বির্তকিত এ পদ্ধতিটি বৈধ করে। এর আগেও ‘থ্রি পেরেন্ট’ পদ্ধতিতে মেক্সিকোতে একটি সুস্থ শিশুর জন্ম হয়েছে। এটাই এ পদ্ধতির সফলতা প্রমাণ করে।
অধ্যাপক রবিন লভেল বলেন, এটি আমাদের জন্য খুবই বড় একটি সুখবর। এটি চিকিৎসা শাস্ত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ভালো কিছু করার। আমাদের এ পদ্ধতিতে আরো কিছু শিশু জন্মানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে এবং সাবধানতার সঙ্গে তা বিচারও করতে হবে।
এক্ষেত্রে মাইটোকন্দ্রিয়াল রোগে আক্রান্ত একজন নারীর ডিম্বাণু থেকে গুরুত্বপূর্ণ সব ডিএনএ এর সঙ্গে অন্য সুস্থ নারীর মাইটোকন্দ্রিয়াল ডিএনএ বাবার শুক্রাণু দিয়ে একসঙ্গে নিষিক্ত করা হয়। এবং একমাত্র এই উপায়েই ওই দম্পত্তি একটি সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার সেকেন্ড অফিসারসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাতে গুষ নিয়ে সকালে ফেরত দেয়ায় পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন হালিমা নামে এক গৃহবধু। শুক্রবার দুপুর একটার দিকে কলারোয়া প্রেসক্লাবে উপজেলার পাটুলিয়া গ্রামের আওয়ামীলীগের সমর্থক আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী হালিমা খাতুন কলারোয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এস.আই আনোয়ার হোসেন ও এএস আই সাইদুর রহমানের বিচার চেয়ে এ সংবাদ সম্মেলন ও লিখিত অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে হালিমা খাতুন লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার স্বামীসহ তার পরিবারের সবাই আওয়ামীলীগের সমর্থক। তার দ্বিতীয় কন্যা বি-ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ভারতে তার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে ২৩হাজার টাকা জোগাড় করে বাড়িতে রাখে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে কে বা কারা তার বাড়ির দরজায় প্রচন্ড জোরে ধাক্কা মারতে থাকে। এসময় তিনি দরজা খুলেই দেখতে পান পিস্তল হাতে ওই দুই দারোগাসহ কয়েকজন পুলিশ। কোন কিছু বলার আগেই তারা বলেন যে, বাড়িতে টাকা কত আছে? তিনি বললেন, তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক কষ্টে ২৩হাজার টাকা গুছিয়ে রেখেছি। বলা মাত্রই দুই দারোগা বলেন, টাকা গুলি নিয়ে আয়, তা নাহলে তোর স্বামীকে ক্রসফায়ারে দিয়ে দিব। তখনই তিনি প্রান ভয়ে ঘর থেকে ২৩হাজার টাকা এনে সাঈদ দারোগার হাতে দিয়ে দেন।
আমির হোসেন খান চৌধুরী: আজ সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের বার্ষিক সাধারণ সভা। গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গত দুই বছর ধরে এই সংস্থাটির বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন করা হচ্ছে কিছুটা লুকোচুরি করে! ১১৪১ জন আজীবন সদস্যের এই ইউনিটের সাধারণ সভা এমন এক জায়গায় আয়োজন করা হচ্ছে যেখানে একসাথে ১০০ জনকেও বসানো সম্ভব নয়! অর্থাৎ সুপরিকল্পিতভাবে সদস্যদের উপস্থিত হতে নিরুৎসাহিত করে সাজানো সাধারণ সভার আয়োজন চলছে! অন্যদিকে ডাকযোগে সকল সদস্যদের নিকট বার্ষিক সাধারণ সভার নোটিশ পাঠানোর কথা থাকলেও শত শত সদস্য কোনদিনই এ নোটিশ পান না। আবার অনেকেউ সভা অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়ার পর এ নোটিশ হাতে পান। কোরাম না পুরলেও ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে সভার উপস্থিতির কোরাম পূরণ হয়েছে দেখানো হয়।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। শুধু অনিয়ম-দুর্নীতি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট। এ নিয়ে রেডক্রিসেন্টের সদস্যদের মধ্যে রয়েছে তীব্র ক্ষোভ।