ডেক্স রিপোর্ট: বিপিএলের ১৭তম ম্যাচে নিজেদের চতুর্থ জয় তুলে নিল রংপুর রাইডার্স। মাশরাফির কুমিল্লাকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সৌম্য-আফ্রিদিদের রংপুর। এ হারের ফলে কুমিল্লা পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে। ১৮ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় রংপুর।
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রংপুর দলপতি নাঈম ইসলাম। ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটসম্যান আহমেদ শেহজাদ আর ক্যারিবীয়ান তারকা মারলন স্যামুয়েলসের অর্ধশতকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লা তুলেছে ১২২ রান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে মাঠে নামে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মাশরাফির কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। কুমিল্লার হয়ে ব্যাটিং শুরু করেন অভিজ্ঞ ওপেনার ইমরুল কায়েস এবং লিটন দাস। তবে, ব্যাট হাতে আজ ব্যর্থই হয়েছেন ইমরুল। দলীয় ৮ রানেই ফেরেন তিনি। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সোহাগ গাজীর বলে এলবির ফাঁদে পড়েন ৫ রান করা ইমরুল।
এরপর বিদায় নেন লিটন কুমার দাস। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে রান আউট হওয়ার আগে তিনি ১২ বল খেলে করেন মাত্র ৪ রান। দলীয় ২১ রানের মাথায় দুই ওপেনারকে হারায় কুমিল্লা।
এরপর জুটি গড়েন আহমেদ শেহজাদ এবং মারলন স্যামুয়েলস। অর্ধশতক হাঁকিয়ে ইনিংসের ১৭তম ওভারে বিদায় নেন ৫২ রান করা শেহজাদ। এই জুটি থেকে আসে ৬৪ রান। আনোয়ার আলির বলে শহীদ আফ্রিদির তালুবন্দি হওয়ার আগে শেহজাদ ৪৫ বলে চারটি চার আর একটি ছক্কায় তার ইনিংসটি সাজান।
ইনিংসের শেষ ওভারে অর্ধশতকের দেখা পান স্যামুয়েলস। তার ৪৬ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩টি চার আর ২টি ছক্কায়। ৫২ রান করে রুবেলের বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন তিনি। অপরাজিত থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। ইনিংসের শেষ বলে রুবেল ফিরিয়ে দেন সোহেল তানভীরকে। ইনিংস শেষ হওয়ায় তাই রুবেলকে হ্যাটট্রিকের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।
এবারের আসরে দ্বিতীয় ফিফটি করেছেন আফগান ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ। ৪৯ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন। মোহাম্মদ মিথুন আগের ম্যাচে ফিফটি করে ফর্মে ফি
রেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার শাহজাদের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাচ জেতানো অবিচ্ছিন্ন ৯৭ রানের জুটি গড়েছেন। মিথুন ৩৯ বলে ৩টি ছক্কা ও ১টি চারে ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। সৌম্য সরকার বড় রান পেলেন না লো স্কোরিং ও চাপ মুক্ত এই ম্যাচেও। ১৫ বলে ২২ রান করে মাশরাফির শিকার হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জে গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই নেতা সেলিনা হায়াৎ আইভী ও এ কে এম শামীম ওসমান প্রার্থী হয়েছিলেন। ২০১১ সালে নির্দলীয় ওই নির্বাচনে শামীম ওসমানকে এক লাখের বেশি ভোটে হারিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র হন সাবেক চেয়ারম্যান আইভী।
বছর ভোগ দখলীয় থাকা সরকারি খাস জমি জোর দখলে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। ভূমিদস্যুদের একের পর হামলা ও হুমকিতে আতংকিত হয়ে পড়েছে হতদরিদ্র ভূমিহীন কৃষকরা। যদিও হুমকি ও জোর দখল চেষ্টা বন্ধ করতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন ভূমিদস্যুদের নিষেধ করলেও তা মানছেন না ভূমিদস্যুরা। ভূমিহীন একাধিক কৃষক ভয়ের কারনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপজেলার বাউখোলা মৌজার বাউখোলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন সরকারের ১নং খাস খতিয়ান ভুক্ত ৫৮০/৬১৪ দাগের প্রায় ২৫ বিঘা জমি স্থানীয় ২০/২২ জন ভূমিহীন হতদরিদ্র কৃষকরা ১০/১২ বছর ধরে শান্তিপূর্ন ভোগ দখলিকার অবস্থায় চাষাবাদ করে আসছে। ভূমিহীনরা উক্ত জমি বিগত ২০০৫ সালে সরকারের কাছ থেকে বিধি মোতাবেক ১ সনা ইজারা গ্রহন পূর্বক জমিতে চাষাবাদ শুরু করে। কিন্ত পরবর্তিতে কপোতাক্ষ নদ ভরাটী উক্ত খাস জমি ইজারা প্রদান বন্ধ হলে ভূমিহীনরা ইজারা গ্রহণ করতে পারেনি। তারপরও সেখানে ভূমিহীন কৃষকরা চাষাবাদ করে নিজেদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ভূমিহীনরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ১০/১২ বছর ধরে সরকারি উক্ত খাস জমিতে বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে আসলেও সম্প্রতি এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মৃত. মোহাম্মাদ হোসেন এর পুত্র আলাউদ্দীন শেখ, মৃত. জামির শেখের পুত্র হায়দার শেখ, দিরাজ তুল্য কাগজীর পুত্র ইদ্রিস আলী এবং আয়ুব আলী, লুৎফর রহমানের পুত্র মফিজুল রহমান, বজলু শেখের পুত্র শফিকুল রহমান শেখ, জিল্লুর রহমানের পুত্র জিয়াউল রহমান বকুল ও জাফের শেখ এর পুত্র আকবর শেখ গং সংঘবদ্ধ ভাবে সরকার ওই জমি জোর দখল করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভূমি দস্যুরা ইতোমধ্যে সকল জমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করতে একের পর হামলা ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বুধবার সকালে ভূমিদস্যুদের হামলায় হতদরিদ্র ভূমিহীন বাবলু শেখের স্ত্রী তাহেরা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হলে তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’এ ভর্তি করা হয়। ভূমি দস্যুদের একের পর এক হামলা ও হুমকির ঘটনায় স্থানীয় ইসলামকাটী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন, স্থানীয় ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. আল আমীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উক্ত জমি চাষাবাদের স্বার্থে ভূমিহীন কৃষকদের দখলীয় জমিতে চাষাবাদ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বলেছেন। এছাড়া একই সময় উক্ত জমি জোর দখল না করার জন্য তিনি দখল চেষ্টাকারীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে ভূমি দস্যুরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে খাস জমি জোর দখল নিতে অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে ভূমিহীন কৃষকরা জানিয়েছেন। এতে করে এলাকায় ভূমিহীন কৃষক এবং প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের মধ্যে যে কোনও সময় রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ ঘটার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। যে কারনে ঘটনার বিষয়ে অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী।
লোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম,কামরুজ্জামান, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যাানর্জি। আলোচনা সভা শেষে কেককাটা হয়। প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক উম্মে তামান্নার সঞ্চলনায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলা।
