অনলাইন ডেস্ক: নাগরিক জীবনে নানাবিধ সমস্যার সাথে সাথে পেটে মেদ জমার সমস্যাও বেশ ভোগায়। অথচ পেটে মেদ জমার অন্যতম কারণগুলো হচ্ছে- অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম কম করা, রাতে ঠিকমতো না ঘুমানো ও অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়া।
কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই পেটে আর জমবে না মেদ। চলুন দেখে নেয়া যাক সেগুলো-
# চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করা। এমনকি চা ও ফলের রসেও চিনি মেশাবেন না। কারণ চিনি মেদ বাড়ায় দ্রুত। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা থেকে চিনি বাদ দিতে পারলে পেটের মেদ কমিয়ে ফেলা সহজ হবে অনেকটাই।
# প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। এটি দীর্ঘসময় পেটে থাকবে। ফলে বারবার ক্ষুধা লাগবে না। পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্যালরি দূর করতেও সাহায্য করবে প্রোটিন।
# ফাস্টফুড ও কোল্ড ড্রিংক একদম নিষিদ্ধ।
# শাকসবজি ও ফল খান প্রতিদিন। ফাইবারজাতীয় এসব খাবার মেদের বিরুদ্ধে বেশ কার্যকরী।
# দিনে কয়েকবার গ্রিন টি পান করুন। এটি মেদ কমাতে সাহায্য করবে।
# প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম করুন। ভোরে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
# রাতে আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নিয়মিত ঘুম সুস্থ ডায়েটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

অনলাইন ডেস্ক: অনেক ফলের গায়েই স্টিকার লাগানো থাকে। বিশেষত আপেল বা মালটার গায়ে স্টিকার থাকেই। এই স্টিকার ছিড়তে গিয়ে অনেকেই ঝামেলায় পড়েন, বিরক্ত হন। কিন্তু ফলের গায়ে কেন এই স্টিকার থাকে থাকে?
স্বাস্থ্য ও জীবন: আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে চিরতা পরিচিত একটি নাম। ওষুধি গুণাগুণের জন্য অতি প্রাচীনকাল থেকেই এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিতা স্বাদের চিরতার পাতা, ডাল ও কাণ্ড সবই ব্যবহৃত হয়। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক- উভয় অংশের রোগ নিরাময়ে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত অনেক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। নির্দিষ্ট সময় পর কারো কারো লিঙ্গ পরিবর্তন হওয়ার কথা আমরা শুনেছি। তবে এর সংখ্যা খুবই কম। কিন্তু ডমিনিকান রিপাব্লিকের সালিনাস নামের গ্রামে একটা বয়সের পরে অনেক নারীরা পুরুষে রূপান্তরিত হয়।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপানের ফুকুয়োকা শহরে হঠাৎ রাজপথের একটি অংশ মাটিতে দেবে গিয়ে বিশাল এক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
অনলাইন ডেস্ক: বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ২৯ রানে হারিয়েছে চিটাগং ভাইকিংস।
নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়ায় শ্রীশ্রী বক্ষ্ম হরিদাস ঠাকুরের জন্মভিটা আশ্রম মন্দির পরিদর্শন করলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রথিতযশা সাহিত্যক অমর মিত্র এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক-লেখক অরিন্দম বসু।