সর্বশেষ সংবাদ-

satkhira-pressonfrence-photo-11
প্রেসবিজ্ঞপ্তি : আশাশুনি উপজেলায় পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করতে আপন বোনের উপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি। কোন উপায়ান্ত না পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে সংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিকার দাবি করেছেন মতিয়ার রহমানের বোন মমতাজ। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পিতার দুই বিয়ে। প্রথমপক্ষের ঘরে তারা আট ভাই-বোন। দ্বিতীয়পক্ষের ঘরে রয়েছে আরও তিন সন্তান। মমতাজ বলেন, তার বিয়ের পর কোন সন্তান না হওয়ায় পিতা তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন। সেখানেও তার কোন সন্তান না হওয়ায় স্বামী তাকে তাড়িয়ে দেয়। তখন পিতা মৃত গোলাপ গাজী মমতাজের নামে দেড় বিঘা জমি লিখে দেন। সেখানেই ঘর তুলে জীবনে বেঁচে আছেন তিনি। এরই মধ্যে ভরণপোষণের জন্য পিতার দেওয়া দেড় বিঘা জমি থেকে ১০ কাটা জমি বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন মমতাজ। তখন তার নওয়া ভাই মতিয়ার রহমান তাকে বাইরে জমি বিক্রি করতে নিষেধ করে তার কাছে বিক্রির অনুরোধ জানায়। ভাইয়ের কথায় বিশ্বাস করে কোন টাকা-পয়সা না নিয়েই মমতাজ মতিয়ার রহমানের নামে জমি লিখে দেয়। মমতাজ অভিযোগ করে বলেন, তিনি শিক্ষিত না হওয়ায় তার ভাই ১০ কাঠার পরিবর্তে ১৭ কাঠা জমি লিখে নিয়েছে। এছাড়া এখনো পর্যন্ত পাওনা এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করেনি। পাওনা টাকা চাওয়ার পর মতিয়ার রহমান তাকে বাড়ি ছাড়া করতে ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই সূত্র ধরে ১/১১/১৬ তারিখে মতিয়ার রহমান, হাসান ও মতিয়ারের স্ত্রী অরুনা খাতুন হত্যার উদ্দেশ্যে দা, বটি নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিলে তারা টেনে হিচড়ে বের করে বেধড়ক মারপিট করে। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মতিয়ার রহমানের কাছ থেকে টাকা নিয়ে উল্টো তাকেই জেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। তিনি বলেন, পুলিশকে ম্যানেজ করে মতিয়ার রহমান তার বাড়ি দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kazi-imdadul-haque
বাবুল আক্তার, পাইকগাছা : শুক্রবার ৪ঠা নভেম্বর কবি সু-সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যের রুপকার আব্দুল্লাহ উপন্যাসের রচয়িতা খান বাহাদুর কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৪তম জন্ম বার্ষিকী। স্থানীয় ও সরকারিভাবে নেই তার জন্ম বার্ষিকী পালনের কোন কর্মসূচী। তিনি ইতিহাসের পাতায় জীবন্ত মানুষের মত বেঁচে থাকলেও তার জন্মভুমি বেদখল হয়ে তার বাড়ির কোন নিশানা দেখা যায় না। তার বাড়ি উদ্ধার করে জন্ম ওমৃত্যুবার্ষিকী পালনের আহবান জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী। খান বাহাদুর কাজী ইমদাদুল হক বিংশ শতাব্দির শেষের দিকে তৎকালীন বৃটিশ ভারতের বৃহত্তর যশোর জেলার খুলনা মহাকুমার পাইকগাছা থানার গদাইপুর ইউনিয়নে কপোতক্ষ নদের পাড়ে মেলেকপুাইকাটী গ্রামে ১৮৮২ সালে ৪ঠা নভেম্বর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী আতাউল হক ও মাতা সামছুননেছা খানম, দাদা কাজী মেহদীবিল্লাহ। খান বাহাদুর কাজী ইমদাদুল হক তার পিতার একমাত্র সন্তান ছিলেন। তার পিতা কাজী আতাউল হক একমাত্র পুত্র সন্তানকে  কাজী ইমদাদুল হককে শিশু বয়সে গ্রামের পাঠশালায় ভর্তি করে দেন। সেখান থেকে কাজী ইমদাদুলহক ১৮৯১ সালে মাইনার পাশ করেন। মাইনার পাশ করার পর তার পিতা কাজী আতাউল হক কপোতক্ষ নদের পশ্চিম পাড় রাড়ুলী গ্রামের বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, রসায়নবীদ প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের উৎসাহ উদ্দীপনায় খুলনা মহাকুমার স্কুলে ভর্তি করে দেন। ১৮৯৬ সালে খুলনা স্কুল থেকে এন্ট্রাস পাশ  করেন। এন্ট্রাস পাশ করার পর ঐ বছরই ব্রিটিশ ভারতের কলকাতা মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৮৯৮ সালে এফ, এ পাশ করেন। এফ এর পাশ করার পর ঐ বছরই কলিকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে কাজী ইমদাদুল হক ভর্তি হন। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯০০ সালে পদার্থ বিদ্যা, ও রসায়ন শাস্ত্রে অনার্স নিয়ে বি, এ পাশ করেন। তারপর কাজী ইমদাদুল হক ইংরেজি সাহিত্যে এম, এ ভর্তি হলে অসুস্থ্যতার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি। দীর্ঘদিন অসুস্থ্য হয়ে থাকলে সংসারে অভাব অনটন দেখা দিলে একটু সুস্থ্য হলে জীবন জীবিকার তাগিদে ১৯০৪ সালে কলিকাতা মাদ্রাসায় চাকুরী নেন। সামান্য বেতনে সংসার না চলায় তিনি চাকুরী ছেড়ে ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ ভারতের আসামের শিলং এ শিক্ষা বিভাগে ডিরেক্টর অফিসে চাকুরী নেন। সেখানেও তার স্বল্প বেতনে সংসার না চলার কারণে অবশেষে বাড়ী ফিরে আসেন। কিছুদিন পর ১৯০৭ সালে ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। ৪ বছর পর সেখান থেকে চাকুরী ছেড়ে ১৯১১ সালে ঢাকার ট্রেনিং কলেজে অধ্যাপনা কাজে যোগদান করেন কাজী ইমদাদুল হক। অধ্যাপনা কালে কাজী ইমদাদুল হক বি, টি ভর্তি জন। তিনি বিটি পরীক্ষার ফার্স ক্লাস ফাস্ট হন। বি, টি পাশ করার পর ১৯১৪ সালে প্রাদেশিক এডুকেশন সার্ভিসে ঢাকা বিভাগে মুসলিম শিক্ষা সহকারী ইন্সপেক্টর পদে প্রধান কার্যালয় যোগদান করেন। এখানে চাকুরীর ৩ বছর পর ১৯১৭ সালে কলিকাতার ট্রেনিং স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। সেখানে ৪ বছর শিক্ষাকতা করার পর ১৯২১ সালে ঢাকায় সেকেন্ডোরী এডুকেশন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কর্মদক্ষ পদে নিযুক্ত হন। কাজী ইমদাদুল হক ১৯২৬ সালে ২০ শে মার্চ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। ১৯১৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত সরকার কাজী ইমদাদুল হককে খান বাহাদুর হিসাবে ভুষিত করেন। সর্বশেষ ১৯২৬ সালে ২০ মার্চের মৃত্যুর পুর্বে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার আবারও খান বাহাদুর হিসাবে কাজী ইমদাদুল হককে উপাধীতে ভুষিত করেন। ১৯০০ সালে কলিকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন কাজী ইমদাদুল হক আঁখিজল কবিতা লেখেন। তার লেখা ১৯১১ সালে ঢাকা ট্রেনিং কলেজে অধ্যাপনা কালে মুসলিম জগতের বিজ্ঞান চর্চা প্রথম গদ্যগ্রন্থ নবনুর কার্যালয় থেকে আসাদ আলী কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ভুগোল শিক্ষা প্রণালী দ্বিতীয়ভাগ ১৯১৩ সালে ঢাকা স্টুডেন্স লাইব্রেরির গোপিনাথ দত্ত প্রকাশনায় প্রকাশিত হয় এবং ভুগোল শিক্ষার ১ম ভাগ, ১৯১৬ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়। ১৯১৭ সালে শিশুপাঠ জীবনী ১ম ভাগ, নবী কাহিনী প্রকাশিত হয়, প্রকাশক ছিলেন ঢাকা স্টুডেন্ট লাইব্রেরির গোপীনাথ দত্ত। পর্যায়ক্রমে ১৯১৮ সালে সরল সাহিত্যে স্কুল পাঠ, প্রাথমিক জ্যামিতি, ঐতিহাসিক স্কুল পাঠ, ১ম ও ২য় ভাগ প্রবন্ধ মালা, ১ম ভাগ, ১৯১৯ সালে বোদ্ধাদী গল্প, কামারের কান্ড প্রকাশিত হয়। আব্দুল্লাহ উপন্যাসের রচয়িতা কবিতা মরনোত্তর প্রকাশিত ও লতিকা কবিতা পান্ডুলিপি অপ্রকাশিত থাকে। পরবর্তীকালে তার লেখা গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ গ্রন্থ সমলোচনা ইত্যাদি অবিভক্ত ভারতের পত্রিকা আল এসলাম, কোহিনুর, প্রবাসী, নবনুর, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য প্রকাশিত হয়। ইমদাদুল হকের অসংখ্য রচনাবলী তার গ্রন্থের অর্ন্তভূক্তি হতে পারেনি। খান বাহাদুর কাজী ইমদাদুল হক তার পিতা কাজী আতাউল হক জীবদশায় তারই অনু-প্রেরণায় তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের এলাচী পুর গ্রামে ১৯০৪ সালে মৌলভী আবুল মকসুদ এর বড় কন্যা শামছন্নেছা খানম কে বিয়ে করেন। কাজী ইমদাদুল হকের ৪ পুত্র ২ কন্যা ১ স্ত্রী রেখে ১৯২৬ সালে ২০ মার্চ মৃত্যু বরন করেন। তার পুত্র কাজী আনোয়ারুল হক, কাজী শামসুল হক কাজী আলাউল হক, কাজী নুরুল হক ২ কন্যা জেবুন্নেছা খানম ও জেনাতুনন্নেছা খানম ও স্ত্রী শামসুনেছা খানম। আজ এই বীর বাহাদুর খান সাহেব কবি সাহিত্যিক আব্দুল্লাহ উন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হকের ভিটে বাড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না। তার ভিটে বাড়ী বর্তমান খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের পাড়ে মেলেকপুরাইকাটী গ্রামে। তার পিতা কাজী আতাউল হকের নামে সি, এস, ১২০, এস, এ ১২৭খতিয়ানে ৫০ ও ৫৩ দাগে ভিটে বাড়ি চি‎িহ্নত ৭২ শতক জমিতে কোন বসত বাড়ির চি‎হ্ন দেখা যায় না। বর্তমানে সেই জমি জনৈক নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি দখলে আছেন। পাইকগাছা উপজেলার সচেতন মহল খান বাহাদুর কাজী ইমদাদুল হকের বাড়ি উদ্ধার করে তার স্মৃতি পাঠাগার, স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ পূর্বক তার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের আহবান জানান সরকারের প্রতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ১২০ বছর বয়সের আমগাছ কাটা বন্ধ হয়েছে। এঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ আমলে নিয়ে দন্ডবিধি আইনের ১৫৪ ধারা ও পিআরবি’র ২৫২ আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে। থানা অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার গোপালপুর মৌজায় এস,এ ৪ নং খতিয়ানে ৫৩ ও ৭৮ দাগে ১.২২ একর সম্পত্তিতে ১২০ বছর বয়সের একটি আম গাছ রয়েছে। যার মালিক গোপালপুর গ্রামের মৃত অমরেন্দ্রনাথ ঘোষের ওয়ারেশগণ। সোমবার সকালে পার্শ্ববর্তী গদাইপুর গ্রামের মৃত দ্বিজেন্দ্রনাথ ঘোষের পুত্র সৃজন ও কন্যা সুচিস্মিতা সহ কয়েকজন লাঠিসোটা সহকারে গাছটি কর্তন করতে থাকে। সংবাদ পেয়ে মৃত অমরেন্দ্রনাথের পুত্র কৌশিক ঘোষ ঘটনাস্থলে যেয়ে বাঁধা প্রদান করলে সৃজনের লোকজন তাকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয়। এরই মধ্যে তারা গাছের ডালপালা কেটে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কাছ কর্তন বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে কৌশিক ঘোষ বাদী হয়ে সৃজন, সুচিস্মিতা  এবং গদাইপুর গ্রামের শফি গাজী ও মঠবাটী গ্রামের সিরাজুল বিশ্বাসকে বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানা অভিযোগটি আমলে নিয়ে পরদিনই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গাছ না কাটার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারিপূর্বক উভয়কে নোটিশ প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

23
নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরায় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোমরা স্থল বন্দর এলাকায় বাংলাদেশ স্থল বন্দর শ্রমিক ফেডারেশন ভোমরা স্থল বন্দর শাখার আয়োজনে বাংলাদেশ স্থল বন্দর শ্রমিক ফেডারেশন ভোমরা স্থল বন্দর শাখার সভাপতি মীর মহিতুল আলম (মহি’র) সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় সাংসদ রবি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫-ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় জাতীয় ৪ নেতাকে জেল খানায় হত্যা। ১৫-ই আগস্টের হত্যাকান্ডের পর ৩ মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যান্তরে নির্মমভাবে হত্যা করে। স্বাধীনতা বিরোধীরা চেয়েছিল বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করতে। এই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে বাংলাদেশকে ১শ’ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান, মো. মিজানুর রহমান, আজিবুর রহমান আলিম, মোনাজাত আলী, ইউপি সদস্য আঃ গনি প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20161103_102657-copy
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় আকিজ মটরস্ এর বাণিজ্যিক যানবাহন বিক্রয়ের জন্য প্রমী মটরস্ এর শো-রুম ও রোড শো এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের তুফান কোম্পানী চত্বরে বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডাঃ মো. আবুল কালাম বাবলা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিতি হিসেবে ফিতা কেটে প্রমী মটরস্ এর শো-রুমের উদ্বোধন করেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, আকিজ মটরস্ এর হেড অফ সেলস্ এন্ড মার্কেটিং আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভি.আই.পি ট্র্যাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহাঙ্গীর হোসেন সাহীন, মাওঃ ইউসুফ আলী, কৃষকলীগ নেতা নুর আহমেদ লাল্টু, মাষ্টার মফিজুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রমী মটরস্ এর স্বত্তাধিকারী আব্দুস সোবহান খোকন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_2851-copy
নিজস্ব প্রতিবেদক :“ শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে বঙ্গবন্ধু স্টাডি কর্ণার উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এম হাসান সরোওয়ার্দী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু স্টাডি কর্ণারের উদ্বোধন করেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল খালেক, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকীসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সরকারি মহিলা কলেজে বঙ্গবন্ধু স্টাডি কর্ণারে জাতির জনককে নিয়ে লেখা অসংখ্য বই সংগ্রহ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc05899-large
নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩ নভেম্বর সাতক্ষীরায় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতা জেলা স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এ দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদিন জসি। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন মুখার্জী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা: মুনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি শেখ আলমগীর হোসেন আলম, উপস্থিত ছিলেন, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ সাহিদ হাসান রেবু, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জি এম নূরুল হক প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর চার নেতাকে সরকারে যোগ দেয়ার প্রস্তাব দেয় সে সময়ের ক্ষমতা দখলকারী মুশতাক আহমেদ। কিন্তু চারজন সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর তাদেরকে আটক করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি করা হয়। ওই ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনসুর আলী ও মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে হত্যা করে সেনাবাহিনীর বিপথগামী কয়েকজন সদস্য। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে তারা নেতাদের হত্যা করেছিল। তাদের সে উদ্দেশ্যে সফল হয়নি। আর তা কখনো হবে না। পরে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

14958873_1813094985634224_521405675_n
নিজস্ব প্রতিবেদক: কালিগঞ্জ পূর্বনারায়নপুর গ্রামের চালতেতলা সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরে ৫দিন ব্যাপী শ্যামাকালী পূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নান্দনিক ডেকারেশন, সকল মানুষের অংশগ্রহণ, প্রতিমা শৈলী সব কিছু মিলিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ব্যাপক উৎসহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চালতেতলা এলাকাবাসী শ্যামাকালী পূজা উৎযাপন করেছে বলে জানা যায়। পূজার প্রথম দিন তারা যথারীতি ধর্মীয়চেতনায় মাকে সারারাত্রব্যাপী পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে বরণ করে নেন। সকালে শত শত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করে সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্ডপ কমিটি। রাত্রে সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংস্কৃতিপ্রেমি মানুষের উপচে পড়া ভীড় চোখে পড়ার মতো। পরদিন রাত্রে “ড্যান্স বাংলা ড্যান্স” এর আয়োজন করা হয় সেটিও সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্য দিয়ে তারা দিনটি উদ্যাপন করে। পূজার চতুর্থ দিনে ধর্মীয় যাত্রা “কালো মেয়ের রাঙা চরণ” যা সকল মানুষকে চোখের জলে সিক্ত করেছে। সবকিছু মিলিয়ে গতকাল শত শত ভক্তদের উপস্থিতিতে অত্র এলাকার সকল মানুষ সম্মিলিতভাবে শ্যামাকালী মাকে বিসার্জন দিয়েছে। পুলক কুমার ঘোষের নেতৃত্বে অত্র এলাকার যুবক সম্প্রদায়সহ চালতেতলার সকল মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ ধরনের অনুষ্ঠান করা সম্ভাব হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest