সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

m-r-khan
নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিশু বিশেষজ্ঞ প্রয়াত ডাঃ এম আর খান স্মরণে নাগরিক শোক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার স্মরণে আগামী ২৯ ডিসেম্বর এই শোক সভার আয়োজন করা হয়েছে। শহীদ রাজ্জাক পার্কে অনুষ্ঠেয় নাগরিক শোক সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে প্রয়াত শিশু বান্ধবকে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। যশস্বী এই শিশু চিকিৎসকের উদ্দেশ্যে নাগরিক শোক জ্ঞাপনের লক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনে এক প্রস্তুতি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। প্রয়াত ডাঃ এম আর খানের প্রিয় ছাত্র সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডাঃ আফতাবুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নাগরিক শোকসভা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে ডাঃ আফতাবুজ্জামানকে আহবায়ক করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সাথে একটি অভ্যর্থনা কমিটি, একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি ও প্রচার কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাতক্ষীরার তালা-কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবির পৃষ্টপোষকতায় নাগরিক শোক সভা বাস্তবায়ন কমিটি যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই সংসদ সদস্য সাতক্ষীরায় এসে কমিটির সাথে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানানো হয়েছে। সোমবারের বৈঠকে আরও যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহম্মেদ চিশতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মোশাররফ হোসেন মশু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, জেলা জাপা সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সাবেক সিভিল সার্জন ডাঃ এস,জেড আতিক, বিএমএ সভাপতি ডাঃ আজিজুর রহমান, শিশু হাসপাতালের সাধারন সম্পাদক বি.জামান, পৌর কাউন্সিলর শফিক উদ দৌলা সাগর, কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম, ঠিকাদার সমিতির নেতা আব্দুল মোমেন খাঁন চৌধূরী সান্টু, শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিল্টন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এনটিভি ও যুগান্তরের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারী, দৈনিক যুগের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক হাবিবুর রহমান, শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা একরামুল কবির খান বাবু, ডাঃ কামরুজ্জামান রাসেল, শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী সৈয়দ লিয়াকত আলী, ফাউন্ডেশনের সহকারী সমন্বয়কারী জি,এম মাহাবুব আলম প্রমূখ। প্রসঙ্গতঃ গত ৫ নভেম্বর ডাঃ এম আর খান মৃত্যুবরন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

picture-kaliganj-satkhira-5-dec
কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। অন্যান্যেদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ জিএম রফিকুল ইসলাম, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলম বাবু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীন চিকিৎসক হজরত আলী, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শৈলেন্দ্র নাথ মন্ডল, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সাহিত্যিক অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. শেখ মোজাহার হোসেন কান্টু, কালিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হাশেম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফারুখ হোসেন, সোহরাওয়ার্দী পার্ক কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহীম, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি অধিবাস অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, কুশলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন, উপজেলা ল্যাবরেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ এসএম মমতাজ হোসেন মন্টু, সুশীলনের উপ-পরিচালক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টুুসহ প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। কালিগঞ্জে ১৬ ডিসেম্বরের মহান বিজয় দিবস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির আলোকে স্থানীয়ভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়। কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে সূর্যদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭ টায় বিজয় স্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পন, সাড়ে ৭ টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর জিয়ারাত, ৯ টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে জাতীয় সংঙ্গীতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মার্চপাচ, কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ, সাড়ে ১০ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংর্বধনা, ১১ টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, জোহরবাদ বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নত মানের খাবার পরিবেশন, বিকেল ৩ টায় মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিকেল ৪ টায় প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা, সন্ধ্যা ৬ টায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc00034-large
নজিস্ব প্রতবিদেক: জলো পরষিদরে নর্বিাচনকে সামনে রখেে দোয়া, র্আশীবাদ, সর্মাথন ও ভোট পতেে জলোর বভিন্নি ইউনয়িনে নজরুল ইসলাম গণসংযোগ করছেনে। গতকাল সকালে  তালা উপজলোর নগরঘাটা ইউনয়িনরে চয়োরম্যান মম্বেরদরে সাথে কুশল বনিমিয় করে এ গণসংযোগ শুরু করনে জলো আওয়ামীলীগরে সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম। এসময় তার সাথে ছলিনে, সদর উপজলো আওয়ামীলীগরে সভাপতি এসএম শওকাত হোসনে, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, সদর থানা যুগ্ম আহবায়ক এনসার বাহার বুলবুল, কোষাধাক্ষ মোমনিুর রহমান, পৌর সভাপতি শখে সাইদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশদিুজ্জামান রাশ,ি সংগঠনকি সম্পাদক গনশে চন্দ্র মন্ডল, আওয়ামীলীগ নতো মোশারফ হোসনে মন্টু, জলো যুবলীগরে আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর থানা যুবলীগরে সভাপতি মজিানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসনে মারুফ,যুবলীগ নতো সদ্দিকিুর রহমান সদ্দিকিসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগরে নতোর্কমী সর্মথকগন। গণসংযোগকালে তনিি বলনে, বঙ্গবন্ধু কখনও কোন সময় নজিরে জন্য কোন কছিু আশা করনে।ি তনিি কোন র্ধম বা র্বণরে মানুষরে কথা ভাবনেন,ি সব সময় দশে ও দশেরে মানুষরে কথা ভবেছেনে। আর এটি ছলি বঙ্গবন্ধুর আর্দশ। আমি বঙ্গবন্ধুর এ সব আর্দশ বুকে ধারণ করে র্দীঘদনি আওয়ামীলীগ করে আসছ।ি বঙ্গবন্ধু কন্যা কোন দল, জাত,ি দশে তথা দশেরে রাষ্ট্র প্রধানদরে নকিট মাথানত করনে।ি শুধু দশে ও দশেরে মানুষরে সবো ও উন্নয়নরে কথাভবেে কাজ করছনে। তনিি এদশেরে শ্রমজীবী জাতকিে মধোবি জাততিে পরণিত করতে বভিন্নি সাহসী পদক্ষপেরে মাধ্যমে দশেরে মানুষরে সবো করে যাচ্ছনে। আর এ সব কারণে নত্রেী অনকে বড় বড় দশে থকেে প্রশংসা পয়েছেনে। আর আমি আপনাদরে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ আর নত্রেীর সে সব উন্নয়নরে সবো পৌছে দতিে এবাররে জলো পরষিদ নর্বিাচনে অংশ নয়িছে।ি আপনাদরে প্রতটিি ভোট গুরুত্বর্পূণ। আপনারা পাশে থাকলে আমি সাতক্ষীরার জলো উন্নয়নে র্সবাত্মক প্রচষ্টো চালয়িে যাবো।  আমি আশা করি আপনারা আপনাদরে ভোটরে মাধ্যমে আমাকে বঙ্গবন্ধুর র্আদশ নত্রেীর সবো জলো পরষিদরে মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌছে দতিে সুযোগ করে দবিনে। এসব আর্দশ ও সবো ঘরে ঘরে পৌছে দতিে আপনাদরে দোয়া, র্আশীবাদ, সর্মাথন ও ভোট কামনা করছ।ি তনিি তালা উপজলোর নগরঘাটা ইউনয়িন, ধানদয়িা ইউনয়িন, খলষিখালী ইউনয়িন, তালা সদর ইউনয়িন, খললিনগর ইউনয়িন ও সদর উপজলোর কুশখালি ইউনয়িনসহ বভিন্নি ইউনয়িনে চয়োরম্যান, মম্বেরদরে সাথে গণসংযোগ করনে এবং আওয়ামীলীগ ও অংগ সহযোগী সংগঠনরে নতো র্কমদরে সাথে মত বনিমিয় করনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

picture-kaliganj-satkhira-5-dec-2
কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে শাহনাজ পারভীন (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার ধলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল গফফার গাজীর মেয়ে এবং ডিআরএম ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। থানা সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে শাহনাজ পারভীন সবার অজান্তে নিজ শয়ন কক্ষে ঘরের আড়ায় ওড়নার দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখে থানায় খবর দেয়। উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। কলেজ ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি প্রদান করে। এব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে মামলা নং-৪৮, তারিখ: ০৫/১২/১৬।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও গন মানুষের নেতা কমরেড সাইফুল্লাহ লস্কর এর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে তালা ডাকবাংলা চত্বরে বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি’র কেন্দ্রীয় কমিটি উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি তোজাম্মেল হোসেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম. শামিমুল হক পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ডা. জাহাঙ্গীর হুসাইন, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তাপস বিশ্বাস, খুলনা জেলা কমিটির গিয়াস উদ্দিন,যশোর জেলার বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস,কৃষক সংগ্রাম সমিতি- কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক শাহজাহান কবীর,তালা উপজেলা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এর সভাপতি শেখ আব্দুল হাকিম, কৃষক সংগ্রাম সমিতির যশোর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরন বিশ্বাস,আছাফুর ইসলামসহ স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ের কৃষক নেতারা বক্তব্য রাখেন। উল্লেখ্য,গণ মানুষের নেতা কমরেড সাইফুল্লাহ লস্কর ২০০৯ সালের ৪ ডিসেম্বর তারিখে দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে পুলিম গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তার বাড়ি ঘেরাও করে। এ সমায় তিনি বাড়ির পাচালি টপকে বাইরে চলে যান। পরদিন ভোরে বাড়ীর পার্শ্বে পুকুরের পাড়ে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার খানবাহাদুর আহ্ছান উল্লা কলেজ ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১১ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে কেবিএ কলেজে এসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহির হোসেন জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, ইমরান বাহার বুলবুল, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি রমজান আলী, যুগ্ন-সম্পাদক শাওন। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, উজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবর রহমান, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুজ্জামান সাদ্দাম, সাদ্দাম হোসেন, সাবেক কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির হোসেন প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় জেলা তথ্য অধিদপ্তরের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১১টায় সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জেলা তথ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ও ০৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগীতায় উক্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা তথ্য অফিসার শেখ শাহনেওয়াজ করিমের সভাপতিত্বে তথ্য অধিদপ্তরের ঘোষক মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডাঃ নাসরিন নাহার। অন্যান্যদের মধ্যে ইউপি সচিব নারায়ন চন্দ্র অধিকারী, ম্যারেজ রেজিষ্টার মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন, পুরোহিত অজয় চক্রবর্তী জগো, ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য রেহেনা ইসলাম, ৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের আলফাতুন নেছা, ৭,৮ ও ৯নং আরতি রানী, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান মোখলেছ, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আকবর আলী, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য পরিতোষ বিশ্বাস, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল করিম, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য জগন্নাথ মন্ডল, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মোনাজাত আলী, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুর রহমান, তথ্য অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম, অপরেটর মীর আজিকুর রহমান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিশু ও নারী উন্নয়নে যোগাযোগ কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় যৌতুক, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, শিশুর মানসিক স্বাস্থ, স্যানিটেশন, পরিবেশ ও জন্ম নিবন্ধন, মাদক, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি :  ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর, এই দিনে পাকিস্থান নামক রাষ্ট্র থেকে মুক্তি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাক-হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে কলারোয়া উপজেলাকে মুক্ত করে কলারোয়ার দামাল ছেলেরা। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বিশ্ব মানচিত্রে নতুন ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’  প্রতিষ্ঠার ১০দিন আগে পাকহানাদার বাহিনি ও তাদের এদেশীয় দোসরদের কবল থেকে  মুক্ত হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ জনপদটি। কলারোয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ একাত্তরের অগ্নিঝরা এইদিনে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কলারোয়াকে মুক্ত করে। এই দিনে স্বাধীন দেশের পতাকা উড়ে কলারোয়ার মাটিতে। পাকিস্থানী সেনা ও তাদের দোসরদের ধ্বংসযজ্ঞে ক্ষত-বিক্ষত এই দিনে মুক্তিকামী মানুষের উল্লাসে মুখরিত হয়। জানাগেছে, ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিলো কলারোয়া উপজেলা। পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমনে কলারোয়ায় সর্ব প্রথম শহীদ হন উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের আফছার সরদার। পরে  এপ্রিল মাসে পৌর সদরের বেতনা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের পার্শ্ববর্তী পালপাড়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধাতাকারী পাক বাহিনীর এ দেশিও দোসরদের সহায়তায় পাকিস্থানের সৈন্যরা সেখানে হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে নিরস্ত্র ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে। কলারোয়া উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্থান সেনাদের কয়েকটি সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে ১৮সেপ্টেম্বর সীমান্তবর্তী বালিয়াডাঙ্গা যুদ্ধে ২৯ জন পাকিস্থান সেনা নিহত এবং ১৭ জন স্বাধীনতাকামী বাংলা মায়ের বীর সন্তান শহীদ হন। এর আগে ১৭সেপ্টেম্বর কাকডাঙ্গার যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনের মুখে পাকিস্থান সেনারা কাকডাঙ্গা ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হয়। ২৭ আগস্ট চন্দনপুর এলাকা পাকিস্তান বাহিনী মুক্ত হয়। অক্টোবরের শেষের দিকে মুক্তিযোদ্ধারা শার্শা উপজেলার বাগআচঁড়ায় দু:সাহসিক হামলা চালিয়ে ৭জন পাক হানাদারকে হত্যা করে। মায়ের ভুমিকে রক্ষা করার জন্য এভাবে একের পর এক সফল অপারেশনের মধ্যে দিয়ে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার পর পাক বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করেছিল কলারোয়া কে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখ যুদ্ধ ও পাকিস্থানি সৈন্যদের নির্বিচারে গণহত্যা দেশের অন্যান্য স্থানের মত করারোয়াতেও গণহত্যা চালিয়েছিলো। গণহত্যার পর ওই সব মানুষের মরদেহ মাটিতে গর্ত করে এক চাপা দেয় পাকিস্থানি নরপশু ও তাদের এদেশীয় দোসররা। কলারোয়ার কয়েকজন জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা জানান, কলারোয়া উপজেলায় ৯টি গণকবরের অস্থিত্ব খুঁেজ পাওয়া গেছে। যার অধিকাংশই পড়ে আছে অযতœ আর অবেহলায়। এর মধ্যে কলারোয়া পৌরসদরে উত্তর মুরারীকাটি পাল পাড়ায় (৯ জন), কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ফুটবল মাঠের দক্ষিণে(৫), সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের মঠমন্দির এলাকায় (৩) সোনাবাড়ীয়া মোড়ে (৩), ভাদিয়ালীতে (৪), যুগিখালী ইউনিয়নের বামনখালী ঘোষ পাড়ায় (৩), চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া বাজারে (২) কেঁড়াগাছি ইউপি’র বালিয়াডাঙ্গা বাজারে (৭) ও পার্শ্ববতী শার্শা উপজেলার জামতলা বাজারের সন্নিকটে (৫)। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জানাগেছে, কলারোয়া উপজেলার ৩৪৩ জন কৃতি সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ  গ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলে প্রবাসী  সংগ্রাম পরিষদের সদস্য এম সিএ মমতাজ আহম্মেদ, শেখ আমানুল্লাহ, বিএম নজরুল ইসলাম, ৭১ এর রনাঙ্গনে যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দীন, শ্যামাপদ শেঠ প্রমুখ গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া পাকহানাদার মুক্ত হয়। এদিকে কলারোয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest