সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থানা, পৌর ও কলেজ শাখার উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শেখ রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আঃ মান্নান মিস্ত্রীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, পাইকগাছা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আবহায়ক শেখ আবু তালেক, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ একরামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হোসেন, থানা যুগ্ম আহবায়ক শেখ বেলাল হোসেন, আবু হাসান, ইস্রাফিল আহম্মেদ, এরশাদ আলী, রাজীব, ইয়াউর, রাহুল মন্ডল, সেলিম হোসেন, শাহিন, হারুন-অর-রশিদ লিপু, কামরুল, ফারুক, আক্তার, বাপ্পি, ফিরোজ, তানভীর, বাবু প্রমুখ।
পাইকগাছায় ছাত্রদলের জরুরি সভা
পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থানা, পৌর ও কলেজ শাখার উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শেখ রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আঃ মান্নান মিস্ত্রীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, পাইকগাছা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আবহায়ক শেখ আবু তালেক, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ একরামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হোসেন, থানা যুগ্ম আহবায়ক শেখ বেলাল হোসেন, আবু হাসান, ইস্রাফিল আহম্মেদ, এরশাদ আলী, রাজীব, ইয়াউর, রাহুল মন্ডল, সেলিম হোসেন, শাহিন, হারুন-অর-রশিদ লিপু, কামরুল, ফারুক, আক্তার, বাপ্পি, ফিরোজ, তানভীর, বাবু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ৫ অক্টোবর হতে ৪ নভেম্বর মাস ব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান -২০১৬ সোমবার শ্যামনগরে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবুল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভার প্রাপ্ত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরজাহান পারভীন ঝর্না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর। আরো বক্তব্য রাখেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আজিজ, এসএপিপিও মোঃ  নূর আলী, এসএএও মোঃ মাহফুজুর রহমান ও জামাল হোসেন, এফআই শেখ সিরাজুল ইসলাম, এফটি ফরিদা পারভীন প্রমুখ। বক্তগন ইঁদুর ফসল ছাড়াও কি ধরনের ক্ষতি করে থাকে এবং ইঁদুর নিধনের বিভিন্ন কৌষল সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। আইএফএমসি এবং এফএফএস এর সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন এসএএও মোঃ নূর আলী বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা  প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটায় গতকাল ২জন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, যুগিপুকুরিয়া গ্রামের মৃত আনার আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম থানার ৩২/৯৬ মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পানির অপর নাম জীবন। সেই পানিতে যদি থাকে পাট পঁচা দুর্গন্ধ, মরা কেঁচো, বিষাক্ত পোঁকা, অধিক আয়রনজনিত তাহলে সে পানিই হবে মরণ। পাটকেলঘাটার যমুনা সমাজ সেবা সংস্থার সাপ্লাই পানিতে এমন ধরনের গুরুতর অভিযোগ গ্রাহকদের। সরেজমিনে দেখাগেছে পাটকেলঘাটার পারকুমিরার গ্রামের সুবির মেম্বর, অমল ঘোষ, শিক্ষক রামপ্রসাদ, অধ্যাপক অলিক পাল, পাটকেলঘাটা গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ, প্রভাষক নাজমুল হক, নজিবুল হক প্রমুখ জানান, এই যমুনা সমাজ সেবা সংস্থার এ পানি পেতে আমরা পাঁচ হাজার টাকা জামানত এবং প্রতিমাসে দুইশত সত্তর টাকা পরিশোধ করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এতটাকা দিয়েও পানি খাওয়ার উপযোগী নয়। পানি খাওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বাহির থেকে পানি আনতে হয়। বর্তমানে এ পানিতে কখনো বিভিন্ন ধরনের পোকা, কালো ময়লা অতিরিক্ত আয়রোন, পঁচা দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এ পানি দিয়ে গরু গোসল করানো ছাড়া কোন কাজে লাগে না। এ ব্যাপারে সংস্থার সভাপতি সাজেদুন্নেছার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের রিপোর্ট পেয়েছি এমন কি আমি নিজেও এ পানি খেতে পারছি না, তবে আমাদের ফিল্টারটা নষ্ট হয়ে গেছে, ব্যাক ওয়ার্শ করলে ঠিক হয়ে যাবে। ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে আসছিলাম মেরামত করার জন্য কিন্তু তিনি বলেন, এটা ঠিক হতে তিন মাস সময় লাগবে। এ দূষিত নোংরা পানি গ্রাহকদের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি এ বিষয়ে পত্রিকায় ছাপানো  হতে পারে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পত্রিকায় ছাপালে আমি খুশি হব। কারণ বিষয়টি উপরিমহল থেকে তখন আমি সাহায্য পাব। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে হয়তো বা একটা প্রকল্প পেতেও পারি। এ ব্যাপারে সংস্থার পরিচালকের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, উনার সাথে কথা বলে লাভ হবে না এখানে আমিই সব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগরের সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মৃত্যুবরন করছেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। গতকাল ১৭ অক্টোবার সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সভা চলাকালে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী ১ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। এমন সৎ ও যোগ্য সরকারি কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবের কর্তব্যরত গভীর শোকহত। সাথে সাথে তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমন সহ সাংবাদিক বৃন্দ। আগামী শুক্রবার উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় সরকারি অডিটরিয়াম শহীদ এম,এ গফুর মিলনায়তন ভ্যান চার্জ, আবাসিক ও ক্লাবের দখলে। প্রশাসন নিরব। স্বাধীনতাকামী মানুষ মিলনায়তনের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আসতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা। জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর পাইকগাছায় সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিদের সভা, সমাবেশ, সেমিনার করার জন্য সরকার ১৯৮৭ সালে অডিটরিয়াম নির্মাণ করে। যার নাম করা হয় ১৯৭০ সালের নির্বাচিত এমএনএ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এম,এ গফুরের নামে। নির্মাণের পর থেকে উক্ত মিলনায়তনে পাইকগাছার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠণ সহ সর্বস্তরের জনগণ আবেদনের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ইতিপূর্বে অডিটরিয়ামটি শহীদ এম,এ গফুরের পুত্র আনোয়ার ইকবাল মন্টু চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে আসছিল। তবে সকল সংগঠণ তাদের চাহিদা মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সেখানে সভা-সমাবেশ বা সেমিনারের কাজ করে আসছিল। কিন্তু অবাস্তব হলেও সত্য বর্তমানে অডিটোরিয়ামটি সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাব নামে একটি সংগঠন দখল করে রেখেছে। অডিটোরিয়ামের প্রবেশ পথে দু’পাশের দুটি ভিআইপি রুমের একটিতে বসতবাড়ি এবং অন্যটিতে চলে কেরাম খেলা চলে। এছাড়া রাত-দিন চলে ব্যাটারি ভ্যানের চার্জ। এ যেন ভ্যান চার্জের দোকান। মিলনায়তনের পাশেই রয়েছে অফিসার্স ক্লাব। সেখানে অফিসাররা যাওয়া আসা করলেও দেখেও না দেখার ভান করে। অনেকের বলতে শোনা যায়, ভাষা সৈনিক এমএ গফুরের নামে তৈরি করা অডিটরিয়ামে হচ্ছে টা কি? তার নামে কলঙ্ক লেপন করা হচ্ছে। সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছি। ভাড়ার টাকা দিতে হলে আমাদের আয় করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ-উল-মোস্তাক জানান, তাদের নিকট অফিসিয়াল ভাড়া দেয়া হয়নি। আমি আসার আগে তারা দখলে আছে শুনেছি। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1945213566_1476530628অনলাইন ডেস্ক: সত্যিই যেন নরকের দরজা! বিশাল বড় দরজার মুখে জ্বলছে গনগনে আগুন। কোনো বিরতি নেই। জ্বলছে তো জ্বলছে। আর ভয়ঙ্কর সেই আগুনের লেলিহান শিখাই যেন স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে নরকের কথা। সে কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘Door to hell’ তথা নরকের দরজা।
নরকের দরজা (ইংরেজিতেঃ Door to hell) তুর্কমেনিস্তানের ড্রাভা শহরের একটি প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র। কারাকুম মরুভূমিতে অবস্থিত অগ্নিমুখটির ব্যাস ৭০ মিটার ও গভীরতা ২০ মিটার।
আসলে সেখানে এক বিশাল গোলাকার গর্তের ভেতরে এই আগুন জ্বলছে। নরকের দরজা নামের গর্তটির অবস্থান তুর্কমেনিস্থানের কারাকুম মরুভূমির দারওয়েজা নামের এক গ্রামের কাছে।
এই আগুনের উত্তাপ এত বেশি যে হাজার চেষ্টা করেও কেউ এর কাছাকাছি পাঁচ মিনিটের বেশি থাকতে পারে না। রাতে ভয়ংকর সুন্দর লাগে এ নরকের দরজাকে। অন্ধকারে অনেক দূর থেকেও জায়গাটা দেখা যায়। তখন এর শিখার উজ্জ্বলতাও বোঝা যায় ভালোমতো।
বিশাল আকারের এ গর্তটা কিভাবে তৈরি হয়েছে তা নিয়ে রয়েছে নানা মত। কেউ বলেন, এটা একেবারেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে। আবার কারো মতে, এটা তৈরির পেছনে রয়েছে মানুষের হাত।
তবে ইতিহাস থেকে জানা যায়, এটি কোন প্রাকৃতিক গর্ত নয়। ১৯৭১ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ দারউয়িজি এলাকায় অনুসন্ধানের সময় ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। প্রথমে তারা মনে করেছিল এটি একটি তেল ক্ষেত্র তাই ড্রিলিং মেশিন দিয়ে তেল উত্তলনের জন্য সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে। কিন্তু পরে তারা সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস বের হতে দেখে।
গ্যাস অনুসন্ধানের সময় অনুসন্ধানকারীরা গ্যাসবহুল গুহার মধ্যে মৃদু স্পর্শ করলে দুর্ঘটনাক্রমে মাটি ধসে পুরো ড্রিলিং রিগসহ পড়ে যায়। যদিও এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের ব্যাপারে গবেষকরা নিশ্চিত হন।
পরিবেশে বিষাক্ত গ্যাস প্রতিরোধ করার জন্য ভূতত্ত্ববিদরা তখন গ্যাস উদ্গিরণ মুখটি জ্বালিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের ধারণা ছিল এখানে সীমিত পরিমাণ গ্যাস থাকতে পারে। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল প্রমান করে এটি ১৯৭১ সাল থেকে অনবরত জ্বলছে।
২০১০ সালের এপ্রিলে তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রপতি গ্যাসক্ষেত্রটি পরিদর্শন করে এটি বন্ধের কথা বলেন। তিনি বলেন তা না হলে ওই এলাকার অন্যন্য প্রকৃতিক গ্যাস উত্তলনের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
বর্তমানে তুর্কমেনিস্তান তার প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তলন বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_2127363706_1476659306ডেস্ক রিপোর্ট: ঝালকাঠির দুই বিচারককে হত্যার দায়ে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা জেলা কারাগারে এ রায় কার্যকর করা হয়। এ সময় সেখানে খুলনা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠি জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় বোমা হামলাকারী ইফতেখার হোসেন মামুন, জেলা জজ আদালতের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আবদুল মান্নান ও দুধ বিক্রেতা বাদশা মিয়া আহত হন।
২০০৬ সালের ২৯ মে এ হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ সাতজনের ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেন। এরই মধ্যে জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুকের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ শীর্ষ এ ছয় জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর হয়।
আসাদুলের বাড়ি বরগুনা জেলা সদরে। আসাদুল ২০০৮ সাল থেকে খুলনা জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। ফাঁসির দণ্ড কার্যকরকে কেন্দ্র করে কারাগার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে কারাগারের ৩ নম্বর কনডেম সেলে ছিলেন। দুপুর ১টা দিকে খুলনা জেলার সিভিল সার্জন এস এম আব্দুর রাজ্জাক আরিফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।
এর পর দুপুর ২টার দিকে স্ত্রী, তার দুই কন্যা, ছয় বোনসহ মোট ১২ জন আরিফের সঙ্গে কারাগারে দেখা করে। ঘণ্টাখানেক পর তারা করাগার থেকে বেরিয়ে আসে। পরে বিকেল ৫টার দিকে আরিফের স্ত্রী তার দুই কন্যাকে নিয়ে আবারো স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে যান।
আরিফের ভাইপো মো. জামাল জানান, আরিফ পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন, তাকে যেন অপরিচিত কোনো স্থানে দাফন করা হয়। সে কারণে আরিফকে নিজ এলাকায় দাফন না করে তার শ্বশুরবাড়ি বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর গ্রামে দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জেএমবি নেতা আরিফ ২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার হন। এরপর তিনি আপিল করেন। চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest