প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন। সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়নের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম কুমার লস্কর, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিমু, সরকারি কলেজছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন ব্যনার্জী, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রমজান আলী রাতুল, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের রাজু, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, পলিটেকনিক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল, পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওসাফুজ্জামান শাওন, পলিটেনকনিট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পথিক প্রমুখ। সভায় ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের কার্যক্রম কে আরো গতিশীল করার জন্য জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রতিটি উপজেলা এবং প্রতিটি ইউনিটকে দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এছাড়া আগামীতে ছাত্রলীগকে আরো সুসংঘঠিত করার জন্য জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ ৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখা ও সদর উপজেলা শাখার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বাধীনতা, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পদক প্রাপ্ত সব্যসাচী লেখক প্রয়াত সৈয়দ শামসুল হকের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত স্মরণ সভায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বীর জনতাকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন নির্মূল কমিটির সদর উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ হারুন উর রশিদ।
এ. এস. এম মাকছুদ খান: সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৭ দিনের ছুটির কবলে পড়ছে ভোমরাস্থল বন্দর। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বন্ধ হচ্ছে এ বন্দরের সকল আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম।
দেবহাটা প্রতিনিধি: “আমিও আছি, লড়ছি আমরা জীবনের জন্য” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে দেবহাটায় বিশ্ব মস্তিস্ক প্রতিবন্ধীব্যাক্তি দিবস উৎযাপিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় বেসরকারি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা ডিআরআরএ’র আয়োজনে লিলিয়ানা ফন্ডস্ ও সিবিএম’র অর্থায়নে বিভিন্ন এলাকার সিপি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশ গ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে হাদিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাটখোলা মোড়সহ প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ডিআরআরএ’র কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডিআরআরএ’র ডিপুটি ম্যানেজার জিএম আনজির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপারভাইজার রবিউল হক। বক্তব্য রাখেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, এলডিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলাম, সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী দেবাশীষ ঘোষ, প্রতিবন্ধী শিশু লিপিকা মন্ডল, প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবক মারুফা সুলতানা প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিআরআরএ’র কমিউনিটি মবিলাইজার রামপ্রসাদ মিস্ত্রি, করবী স্বর্ণকার, আছাদুজ্জামান, সুজাতা মন্ডল, আব্দুল হামিদ, প্রতাব কুমার, মুরর্শিদা পারভীন, মনোয়ারা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, আছাদুল হকসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এসময় প্রতিবন্ধী ও তাদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্যে বলা হয়, সন্তান প্রসাবে অদক্ষ ধাত্রী, জন্মগত সমস্যা, সঠিক সময়ে সুচিকিৎসা এবং অসহায় গরিব হওয়ায় প্রতিবন্ধীতার প্রধান কারণ। তাদের এই সমস্যার জন্য গাড়িতে বা যানবহনে তাদের নিতে চাই না, পরিবার ও সমাজে তাদের ভিন্ন চোখে দেখে। তাই সমাজে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার আবেদন জানান। সেই সাথে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে আরো বেশি সেবা প্রদানের দাবি জানানো হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ সুষ্ঠভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি সভায় জানান হয় আগামী ১৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হবে। ৩ দিন ব্যাপি বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে ১৬, ১৭, ১৮ এই তিন দিন ব্যাপি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফ হোসেন, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আতিকুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনিরা পারভীন, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিবি খাদিজা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুবক্কর সিদ্দীক, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিট অফিসার আতিকুল ইসলাম, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ক্রীড়া শিক্ষক ভদ্র কান্ত, শংকর কুমারসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ভারতীয় হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রী রমাকান্ত গুপ্ত সাতক্ষীরার বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা দুর্গোৎসব সাড়ম্বরে পালনের সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। তিনি পূজা উদযাপন কারীদের সাথে কথাবার্তা বলেন। তারা তাকে দুর্গাপূজা এবং এতে সরকারের সব ধরনের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন। ফার্স্ট সেক্রেটারি বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়ায় শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দর মন্দির পরিদর্শন করেন। তিনি মন্দিরে ভক্তি প্রনাম জানান। পরে তিনি পুরাতন সাতক্ষীরার কালিবাড়ি মায়ের মন্দিরে দুর্গাপূজার আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তার সাথে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন ও পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে দুর্গোৎসব উদযাপনে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। তাকে জানানো হয়, সাতক্ষীরায় যথাযথ মর্যাদায় এবং মহাধুমধামে দুর্গাপূজার সব আয়োজন শেষ হয়েছে। এবার জেলাব্যাপী ৫৬৮ টি ম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে তাকে অবহিত করা হয়। এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রিয়। তারা নিজ নিজ ধর্ম যথাযথভাবে পালন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে চলেছেন।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে রামের লংকা জয়ের সাথে তুলনা করে বলেছেন, ‘আমরা কোনও দেশকে অধিগ্রহণ করতে চাই না। ভগবান রাম লঙ্কা জয় করে তা বিভীষণকে দিয়ে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও আমরা তাই করেছি। আমরা কারও ক্ষতি করতে চাই না। তবে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে চাইলে তার যোগ্য জবাব দেওয়া হবে।’
মতো ভারতীয়রাও “পাক-ভারত যুদ্ধ” বলেই আখ্যা দিতে বেশী পছন্দ করে থাকেন। ভারতীয়দের এটা বলার কারণ যুদ্ধজয়ের কৃতিত্ব নিজেরাই একতরফাভাবে দাবি করা। আর পাকিস্তানীদের এটা দাবির কারণ তারা বাঙালীদের যে অস্পৃশ্য শুদ্র বলে বিবেচনা করতো, তাদের ভাষায় সেই “ইনফেরিয়র”দের হাতে পরাজয়ের চেয়ে শক্তিধর প্রতিপক্ষ ভারতের কাছে পরাজয়ের ইতিহাসটাই অনেকখানি সম্মানজনক বলে বিবেচনা করে তারা। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্যে তারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল মাত্র।