সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশ

patkelghata-pic-24-09-16
শেখ মমিন উদ্দীন, পাটকেলঘাটা : তালা উপজেলায় এ বছর ১৭৮টি  মন্ডপে পালিত হবে শারদীয় দুর্গাপুজা । আগামী ৬ অক্টোবর দুপুর ২ টা ২১ মিনিটে পঞ্চমী তিথিতে দুর্গা বোধন ও শুভ পঞ্চমী পূজা’র মধ্য দিয়ে  দূগর্তিনাশিনী দেবী দুর্গা পূজার সুচনা ঘটবে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের  সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে প্রতিটি মন্ডপে মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরী ও রংতুলির কাজ। এ বছর তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ১৭৮ টি পূজা মন্ডপে অতি ব্যস্ততার সময় অতিবাহিত করছে শিল্পীরা। প্রতিমা ভাস্করদের নিপুন হাতের ছোয়ায় প্রতিটি প্রতিমা যেন দেবতার রুপ পাচ্ছে। পূজার প্রথম দিন থেকে মন্ডপে মন্ডপে ঢাক-ঢোল, কাঁশি, বাঁশি আর উলুধক্ষনিতে মুখরিত হবে আকাশ-বাতাস। পূজা মন্ডপ গুলো সাজানো হচ্ছে নতুন নতুন সাজে। আলোক সজ্জ্বায় সজ্জ্বিত করা হচ্ছে  প্রতিটি মন্ডপ। ইতোমধ্যে শিল্পীদের প্রতিমা তৈরির মাটির কাজ শেষ হয়েছে, এখন চলছে রংতুলির আঁচড়। সরেজমিনে মন্ডপগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি মন্ডপেই প্রতিমা শিল্পীরা র্দুগা প্রতীমা তৈরী ও মন্দির সাজানোর লক্ষ্যে  নিরলস কাজ করে চলেছেন। পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়, এবছর তালায় ১০২টি ও পাটকেলঘাটা থানায় ৭৬টি মন্ডপে পূজা উদযাপিত হতে যাচ্ছে । তালা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার বলেন, পূজা উৎসব সকলের  জন্য। প্রশাসন সহ সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দের সহযোাগিতায় বিগত বছরের ন্যায় এবারও পূজা শান্তিপূর্ন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আমি আশাবাদী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক:৭ লক্ষাধিক টাকা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কাঠেশ্বর এলাকা থেকে বনদস্যু নোয়া বাহিনীর হাতে অপহৃত ৮ জেলে। শনিবার বিকেলে তারা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। এর আগে গত সোমবার ভোর রাতে সুন্দরবনের কাঠেশ্বর ও সাপখালী খাল এলাকা থেকে তাদেরকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে বনদস্যু নোয়া বাহিনীর সদস্যরা। ফিরে আসা জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা গ্রামের সাবুদ আলীর ছেলে শাহাদাৎ হোসেন, আরিফ শেখের ছেলে আব্দুল, মোহাম্মদ মোড়লের ছেলে সামছুর, ৯নং সোরা গ্রামের শহর গাজীর ছেলে আমজাদ, আহম্মদ মোল্যার ছেলে জহুরুল, মকবুল শেখের ছেলে ওয়েজকুরুনী, খোলপেটুয়া গ্রামের রাজ্জাক খাঁ’র ছেলে মুরশিদ ও নাপিতখালীর হোসেন গাইনের ছেলে আব্দুল জলিল। জেলেরা জানান, বনদস্যুদের হাতে এখনও পর্যন্ত ঘড়িয়াল ও দক্ষিণ বেদকাশি এলাকার ১৮ থেকে ২০জন জেলে জিম্মি রয়েছে। তারা আরও জানান, তাদেরকে নোয়া বাহিনীর পূর্বানুমতি ছাড়া সুন্দরবনে প্রবেশ করার জন্য অপহরণ করা হয় এবং নির্ধারিত চাদার দ্বিগুণ হিবেসে মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ১০/১২জনের ঐ বনদস্যু বাহিনীর হাতে বেশ কিছু অস্ত্র ও দুটি ট্রলার রয়েছে বলে জানান তারা। এ ব্যাপারে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক শোয়েব খান জানান, গত কয়েকদিন আগে অপহরণের খবর পেলেও মুক্তিপণ দিয়ে জেলেদের ফিরে আসার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রসঙ্গত : এর আগে শুক্রবার রাতে পশ্চিম সুন্দরবনের ছোট কলাগাছিয়া এলাকা থেকে ছয় জেলেকে উদ্ধার করে র‌্যাব-৮।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-police-metting-photo-24-9-16-doc
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দঘন, উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিতকল্পে শনিবার বিকাল ৫ টায় জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশের কৌশলগত এক পরিকল্পনা সভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোঃ আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে কৌশলগত পরিকল্পনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আইটিসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) মোঃ আমীর খসরু, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আতিকুল হক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ইয়াছিন আলী শেখ, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ আলী আহমেদ হাসমীসহ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় পুলিশ সুপার আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে কোন ধর্মীয় উগ্রবাদী সংগঠন কিংবা কোন দুষ্কৃতিকারী চক্র যাতে জেলায় বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সে লক্ষ্যে সকলকে সর্তকতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করে। এছাড়া শারদীয় দূর্গোৎসব নির্বিঘœ ও পুজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে তিনি সকল অফিসার ইনচার্জদের পূর্ব হতেই পুজা উদযাপন কমিটি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করতে নিদের্শনা দেন। দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে যে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। জেলায় শারদীয় দূর্গোৎসব ২০১৬ আনন্দঘন, উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

gun
নিজস্ব প্রতিবেদক: গরু বিক্রির নামে এক ব্যবসায়িকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে ছুরি দেখিয়ে ৬৪ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে দু’ সন্ত্রাসীকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মথুরাপুর ঢালীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পুরাতন সাতক্ষীরা দক্ষিণপাড়ার মোঃ আনিসুর রহমানের ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (২৪) ও একই গ্রামের আবুল হোসেন সরদারের ছেলে মোঃ ইব্রাহীম খলিল (২৮)। মামলার বিবরণে জানা যায়, সদর উপজেলার আগরদাড়ি গ্রামের মোঃ গোলাম কিবরিয়ার ছেলে মোঃ কামরুজ্জামান একজন গরু ব্যবসায়ি। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে আসামী ওমর ফারুক ও ইব্রাহীম খলিল মোবাইল ফোনে তাকে জানায় যে দেবনগর গ্রামে দু’টো এড়ে গরু বিক্রি আছে। এরই ভিত্তিতে তিনি ৬৪ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে দেবনগরের উদ্দেশ্যে বের হন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি মথুরাপর ঢালীপাড়ার পাশে পৌঁছালে ওই আসামিদ্বয় তাকে ভ্যান থেকে নামতে বলে। ভ্যানটি চলে যাওয়ার পর ওই দু’ আসামি ছুরি বের করে তাকে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে টাকা বের করতে বলে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে মারপিট করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা ৬৪ হাজার টাকা ছিরতাই করে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় জনগন ওই দু’ ছিনতাইকারিকে আটক করে গণধোল্ইা দেয়। পরে তাদেরকে টাকাসহ পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, নাশকতা (জিআর-১১২/১৬ সদর) নারী নির্যাতনসহ কমপক্ষে ছয়টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ইব্রাহীম খলিল একজন কুখ্যাত ছিনতাইকারি। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন মোল্লা জানান, এ ঘটনায় গরু ব্যবসায়ি কামরুজ্জামান বাদি হয়ে গ্রেফতারকৃত ওমর ফারুক ও ইব্রাহীম খলিলের নাম উল্লেখ করে শুক্রবার বিকেলে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc05868-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি ও ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এলাকার একটি ঝুকিপূর্ণ ব্রিজের সংস্কার কাজের জন্য  টানা ১৩ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার থেকে আবারও শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে। ঈদুল আযহার ৬ দিন ছুটি শেষে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এলাকার একটি ঝুকিপূর্ণ ব্রিজের সংস্কার কাজের জন্য সে দেশের প্রশাসন আরও ৭দিন আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় টানা ১৩ দিন বন্ধ ছিল উন্নয়নমুখী এ বন্দরের আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম। তবে এ সময়, ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীরা যথারীতি যাতায়াত করেছেন। ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলোয়ার রাজু ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টানা ১৩ দিন বন্ধ থাকার পর  শনিবার থেকে আবারও ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে এ বন্দরের। ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মোঃ আব্দুল কাইয়ূম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমাদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে গত ১৩ দিনে পাসপোর্ট যাত্রীরা যথারীতি যাতায়াত করেছেন। তিনি আরো জানান, গত ১৩ দিনে সরকার প্রায় ১৯ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে এ বন্দর থেকে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

77777777777777777777777777777

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ০৪ কর্মীসহ ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ১০ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৬ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় আগামী ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রশ্ন ব্যাংকে প্রশ্ন আপলোড, প্রশ্ন সংগ্রহ ও পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মো: আহসান হাবীব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম আব্দুল্যাহ মামুন, এ. করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নাসরিন খান লিপি, পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রশ্ন ব্যাংকে প্রশ্ন আপলোড, প্রশ্ন সংগ্রহ ও পরীক্ষা গ্রহণ করলে সুষ্ঠভাবে পরিক্ষা সম্পন্ন হবে। একই সাথে ফটোকপির দোকানে বা ফ্লাক্সি লোডের দোকানে প্রশ্নপত্র পাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ad-rahim-pic
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :   সাতক্ষীরায় এখন পুলিশের নামে ব্যাপক নৈরাজ্য চলছে। প্রতিদিন অসংখ্য নিরীহ মানুষকে ধরে এনে তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে বলা হচ্ছে এলাকায় যারা বিদেশ থেকে এসেছে, যাদের কাছে টাকা আছে, তাদের লিস্ট দে। তোকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এসব বিষয়ে সাতক্ষীরার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজ অবহিত থাকলেও তারা কেউ কথা বলছে না। এ ধরনের ঘটনা জানাতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত করেছে। কিন্তু সেই সাক্ষাতে যারা ছিলেন তাদের অধিকাংশই মুখ খুলতে চান নি।। সাতক্ষীরার ভূমিহীন আন্দোলনের প্রতীক পুরুষ ও নাগরিক কমিটির প্রয়াত সভাপতি এড. আব্দুর রহিমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণ সভার বক্তারা এসব কথা বলেন।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিছুর রহিম স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তারা আরও বলেন, এড. আব্দুর রহিম বেচে থাকলে এসব ঘটনার প্রতিবাদ হতো। কে সাথে থাকলো, কে থাকলো না, এসব তিনি দেখতেন না। যেটা অন্যায়, তার প্রতিবাদ তিনি দৃঢ় চিত্তে করতেন।  বক্তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরার নাগরিক সমস্যা দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। রাস্তা-ঘাট নেই, জলাবদ্ধতা সমস্যা মানুষকে আষ্ঠে-পিষ্ঠে বেধে ফেলেছে। সরকারের আন্তরিকতা থাকলেও সুদৃঢ় নেতৃত্বের অভাবে এসব সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও নাভারণ-মুন্সীগঞ্জ রেল লাইন প্রকল্প ঝুলে আছে। ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বণ্টন প্রক্রিয়াও চলছে ধীর গতিতে। ভোমরা বন্দর, মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক, প্রাণ সায়ের খাল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এসব সমস্যার সমাধানে সাতক্ষীরার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান বক্তারা।  স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আনোয়ার জাহিদ তপন, ন্যাপ নেতা কাজী সাইদ, শ্রমিক নেতা শেখ হারুন-উর-রশিদ, বাসদ নেতা আজাদ হোসেন বেলাল, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা এড. ফাহিমুল হক কিসলু, ভূমিহীন নেতা আব্দুল ওহাব সরদার, স্বপন কুমার শীল, মিজানুর রহমান, হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর ফরিদা আক্তার বিউটি, রফিকুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবলু। স্মরণসভায় এড. আব্দুর রহিমের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest