আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

দেশের খবর: যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে বৃহস্পতিবা (৬ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (৫ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হবে।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ দিনের সফর শেষ করে গত ৪ অক্টোবর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

১৫ সেপ্টেম্বর তিনি যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফরে লন্ডনে যান এবং সেখানে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং রাজা তৃতীয় চার্লস আয়োজিত সংবর্ধনায় যাগদান করেন।

তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে লন্ডন ত্যাগ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং এর পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় নিখোঁজ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান চেয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছে পরিবার। ৫ অক্টোবর সাতক্ষীরা সদর থানায় নিখোঁজ বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র আব্দুল্লাহ এ সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং- ২৭৫।
ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদরের বৈচনা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সৈয়দ আলী মন্ডল গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঔষধ নেওয়ার বাড়ি থেকে বের হয়।

এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। সম্ভব্য সকল আতœীয় স্বজনদের বাড়িতে খোজ নিয়েও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তার পুত্র সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যদি কোন ব্যক্তি ওই নিখোঁজ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পেয়ে থাকেন তাহলে তারপুত্র আব্দুল্লাহ ০১৭৩৬ ৪৯১৬৬০ নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ নিখোঁজের দু’সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া গ্রামের ইট ভাটা শ্রমিক ইসমাইল গাজীর।
গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত সাতটার দিকে ভাটা শ্রমিক শিমুল হোসেনের দেখা করার জন্য বাড়ি থেকে বের হন ইসমাইল।

কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া মনোহরপুর গ্রামের জম্তা আলী গাজীর স্ত্রী জাহানারা খাতুন জানান, তার ছেলে ইসমাইল গাজী একজন ইটভাটা শ্রমিক।
এবার সে বরিশাল জেলার কাঠালিয়া উপজেলার এনামুল হকের মালিকানাধীন তোবা ব্রীকস ফিল্ডে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার রাত সাতটার দিকে পার্শ্ববর্তী চাঁচাই গ্রামের রাসেদ গাজীর ছেলে ভাটা শ্রমিক বন্ধু শিমুল হোসেনের সঙ্গে দেখা করার কথা স্ত্রীকে জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে সে বাড়িতে না ফেরায় পরদিন সকালে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় সম্ভাব্য সকল স্থানে সন্ধান করেও পাননি। একপর্যায়ে ২৫ সেপ্টেম্বর পুত্রবধু জেসমিন কালিগঞ্জ থানায় ১২৯৭ নং সাধারণ ডায়েরী করেন। কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন সাধারণ ডায়েরীর তদন্তে নেমে বুধবার বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত তার কোন সন্ধান বা অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারেননি। এমতাবস্থায় দু’সন্তানকে নিয়ে পুত্রবধু জেসমিন ও পরিবারের সদস্যরা যার পর নেই দু’শ্চিন্তায় আছেন। বাধ্য হয়ে তারা বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা র‌্যাব ক্যাম্পে দেখা করেছেন। যে কোন মূল্যে ইসমাইলকে খুঁজে পাওয়ার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানতে চাইলে চাঁচাই গ্রামের শিমুল হোসেন বুধবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে জানান, ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিষ্ণুপুর বাজারে ইসমাইলের সঙ্গে তার দেখা হলেও একত্রে বাড়ি ফেরেননি তারা। বর্তমানে সে কোথায় ও কি অবস্থায় রয়েছে তা তিনি বলতে পারেন না।

কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন বুধবার দুপুরে এ প্রতিবেদকে জানান, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। ইসমাইলের মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে। তবে তার মোবাইল কললিষ্ট যাঁচাই করে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভ্যানের চাকায় জীবন চলতো হেদায়েতের। তাতেই নুন-ভাতটা অন্তত জুটতো। গেলো ৫মাস আগে ক্যান্সারে মারা গেছে মেয়েটা। সন্তান হারানো শোক কাটানো কখনও সম্ভব নয়, তাই মাঝে এবার ডাক্তার জানালেন হেদায়েত নিজেই এখন ক্যান্সারে আক্রান্ত।

আয়ের একমাত্র সম্বল ভ্যানটা বিক্রি করে, পরীক্ষা করে হেদায়েত জেনেছে গলায় ক্যান্সারে হয়েছে তার। এখন তার শরীর ভালো নেই। ঘরে খাবার নেই। গলা দিয়ে খাবার নামছেও না তার। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। শ^াস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে ঢাকায় নিয়ে ইএনটি ডাক্তার দেখাতে। ঘরে খাবারই জুটছে না, ডাক্তার দেখাতে হেদায়েত ঢাকায় যাবে কিভাবে? দরিদ্র্য মানুষ তাই বিনা চিকিৎসায় কাতরাচ্ছে। খেয়ে, না খেয়ে, অনাহারে, অতিকষ্টে দিন কাটছে তার। কে দাঁড়াবে তার পাশে? হেদায়েতের বাড়ি সাতক্ষীরা রসুলপুরে।

মরহুম সোহরাব আলী ও রাবেয়া বেগমের সন্তান। ঈদ-উল-ফিতরের সময় জেনেছে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে সে। সামর্থ্যের শেষটুকু দিয়ে চেষ্টা করেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। হেদায়েতের খুব শখ আরও কিছুদিন পৃথিবীর আলো দেখবে।

বেঁচে থাকার প্রচ- আকুতি নিয়ে সবার কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতছেন তিনি। তার ধারণা মহান আল্লাহ চাইলে, সকলের সাহায্যে নিশ্চিয়ই তার চিকিৎসা হবে। আবার তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আবার তিনি ভ্যান চালাবেন। আবার তার পরিবারের মুখে হাসি ফুটবে। এই মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় নেয়া দরকার। সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন হেদায়েত।

তার ধারণা কেউ না কেউ তার ডাকে সাঁড়া দেবে। ০১৭১৫৬০৯৭৭১ নম্বরে হেদায়েতের সাথে যোগাযোগ করা যাবে। ওই নম্বরে বিকাশ ও রকেটও চালু আছে। ভ্যান চালক হেদায়েত কী তবে ক্যান্সারের কাছে হেরে যাবে? নাকি মানুষের সহযোগিতায় আবার প্রাণ ফিরে পাবে হেদায়েত? সমাজের বিত্তবানরে সাহায্যে হেদায়েত আবার স¦াভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : উৎসাহ, উদ্দীপনা আর আনন্দ উল্লাসে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যেবর্তী ইছামতি নদীতে স্ব স্ব কিনারায় সমাপ্ত হয়েছে বিজয়া দশমী উৎসব। এতে দুদেশের মানুষের একে অপরের সাথে মিলে মিশে একাকার হতে পারেনি।
কয়েক বছর ধরে দুদেশের মানুষের অংশগ্রহনের মিলন মেলাটি বন্ধ হওয়া সর্বশ্রেণি মানুষের মাঝে আমেজ কমেছে।
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলাধীন ইছামতি নদীর টাউনশ্রীপুরে এবং ভারতের টাকি পৌর সভা এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে এই মেলা বসত এই মেলা। এতে অংশ নেয় দুই বাংলার লাখো মানুষ। বুধবার বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের মধ্যে মিলন মেলা দেখতে না পাওয়া গেলেও নিজ নিজ সীমা রেখার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় বিজয়া দশমির প্রতিমা বিসর্জন। নদীর জিরো পয়েন্টে ডিঙ্গি নৌকায় লাল ফ্লাগ উড়িয়ে দু’দেশের সীমানা নির্ধারন করতে দেখা যায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা বিসর্জনাস্থল দেবহাটার ইছামতি নদী। দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। বিগত দিনগুলোতে এই বিসর্জন কে ঘিরে অনুষ্ঠিত হয় মিলন মেলা।

দেশ বিভাগের অনেক আগে থেকেই সীমান্তের ইছামতি নদীর উভয় তীরে দূর্গা পূজার শেষ দিন বিজয়া দশমীতে মেলা বসে আসছে। দেশ বিভাগের পরও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি সীমান্তের সীমারেখা। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে এ মেলা কখনও বন্ধ হয়নি। সারা বছর ধরে শুধু ইছামতি নদীর পাড়ের মানুষ নয়, বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এ দিনটির জন্যে থাকে অপেক্ষায়। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিজর্সন উপলক্ষে ইছামতির উভয় পাড়ে বসে নানারকমের দোকান। আত্বীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত ছাড়াও এখানে আসা মানুষ উভয়ের মধ্যে ভাব বিনিময় শেষে সন্ধ্যার পরে ফিরে যায় যে যার দেশে, যে যার ঘরে।

এদিকে বেলা গড়ার সাথে সাথে নদীর দেবহাটার টাউন শ্রীপুর ও ভারতের টাকির দু’পারে জড়ো হতে থাকে অসংখ্য মানুষ। একই সাথে বিভিন্ন এলাকার দূর্গা প্রতিমাকে বিসর্জনের জন্য নিয়ে আসা হয় সীমান্ত নদীর পাড়ে। অপরদিকে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাসনাবাদ, টাকী ও হিঙ্গলগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার প্রতিমাও নিয়ে আসা হয়।

বিগত বছরগুলোতে এই দিনে ইছামতি নদীর তীরে আন্তর্জাতিক সীমারেখাসহ দ্বিধা-দ্বন্দ ভুলে মিলন মেলায় মিলিত হয় প্রতিবেশী দু’দেশের হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু কয়েক বছর আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে মিলন মেলা বন্ধ করে নেওয়া হয় কঠোর ব্যবস্থা। তারই পরিপেক্ষিতে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠিন সিদ্ধান্তে ঐতিহ্যবাহী এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরে সন্ধ্যার আগ মূহুর্তে অশ্রæসিক্ত চোখে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দূর্গাকে বিদায় জানায় দেশের হিন্দু স¤প্রদায়ের হাজার হাজার মানুুষ। তবে সুষ্ঠভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।

ইছামতিতে আনন্দ উৎসব উপভোগ করতে আসেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ, দেবহাটা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিম। দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াসিমলা ইউনিয়নের বড়শিমলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজনকে দুই দফায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ জুন ও ২ সেপ্টেম্বর সুবিধাজনক নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা চুড়ান্তের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকার বেশি নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে।

কালিগঞ্জের বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে এ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টি স্থাপনের পর থেকে যোগ্য শিক্ষকমণ্ডলীর মাধ্যমে সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছিল। উকসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউিটর শিক্ষক গাজী মিজানুর রহমান ২০১৭ সালে বড়সিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। যোগদানের দুই দিন পর তার বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ হাসপাতাল সড়কে কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন চলাকালে ২০১৬ সালে নিজের ছাত্রী নবম শ্রেণীর এক হিন্দু শিক্ষার্থীকে ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়ায় নিজেকে বাঁচাতে ওই মেয়ের বাবাকে ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দিয়ে মেয়েকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া ও ২০১৭ সালে নাশকতা মামলায় ১৭ দিন জেল হাজতে থাকা গাজী মিজানুর রহমানকে বয়কট করতে হবে মর্মে স্লোগান দেওয়া হয়।
সূত্রটি আরো জানায়, মিজানুর রহমান নিজেকে নিরাপদে রাখতে অধিকাংশ অনেকের অগোচরে কালিগঞ্জের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাঈদ মেহেদীকে এক বছরের জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মনোনীত করেন।
সূত্রটি জানায়,চলতি বছরের ৭ এপ্রিল বড়শিমলা কারাবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক, অফিস সহকারি ও আয়া পদে নিয়োগের জন্য একটি স্থানীয় ও একটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সহকারি প্রধান শিক্ষকপদে তিনিসহ অনাথবন্ধু রায় ওরফে টাইগার, দীপঙ্কর রায়, দীপঙ্কর ঘোষসহ কয়েকজন আবেদন করেন। যথাসময়ে আবেদনকারিদের কোরাম পূর্ণ হলেও পরবর্তীতে আবারো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় একই পত্রিকায়। এ বিজ্ঞপ্তির পর প্রধান শিক্ষককের মামাতো বোন রতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক লবনজ পারভিন সহকারি প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করেন। ২৪ জুন নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষকও অফিস সহকারি পদে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। তবে কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় আয়া পদে পরীক্ষা গৃহীত হয়নি। সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে লবণজ পারভিন, অফিস সহকারি হিসেবে মধ্য ভাড়া শিমলার মারুফ হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ল্যাব সহকারি, নিরাপত্তা প্রহরী ও আয়া পদে গত ২ সেপ্টেম্বর নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ল্যাব সহকারি পদে উচ্চ মাধ্যমিক পাস নাজমুন্নাহার, নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে এজাজ আহম্মেদ ও আয়া পদে আনোয়ারা খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব নিয়োগে যোগ্যদের বাদ দিয়ে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে।
কালিগঞ্জের নলতা বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষককের মামাতো বোন রতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক লবনজ পারভিনকে নিয়োগ দিতে প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে কোরাম পূর্ণ হওয়ার পরও দ্বিতীয়বার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এতে অনিয়ম ও দূর্র্ণীতি করা হয়েছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য এ প্রতিবেদককে বলেন, ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ সহকারি প্রধান শিক্ষক পেতে তিনি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ইংরেজিতে করার জন্য মত পোষন করেছিলেন। তার সঙ্গে অনেকেই সহমত পোষণ করলেও সভাপতির আপত্তিতে বাংলায় প্রশ্নপত্র করা হয়। প্রশ্নপত্রে একটি অংক এক্স প্লাস ওয়ান বাই এক্স = ৪ হলে এ স্কোয়ার প্লাস ওয়ান বাই এ স্কোয়ার এর মান কত? উল্লেখ করলে পরবর্তীতে ভুল প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষার্থীরা তা কাটাকাটি করে সংশোধন করে নেন। সভাপতির কথামত ইংরেজিতে প্যারাগ্রাফ এসডিজি (সাসটেনেবল ডেভলপমেন্ট গোল্ড) প্রশ্নপত্রে রেখে তা লবণজ পারভিনকে আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়োগে ১২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ করেন ওই সদস্যসহ কয়েকজন পরীক্ষার্থী।
উপরোক্ত সদস্য বলেন, যুব উন্নয়ণ থেকে ন্যাশনাল সার্ভিসে তার আত্মীয় খারহাট গ্রামের মিঠুন দাস চার বছর কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ২০২০ সালে করোনাকালিন সময়ে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজ দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। বলা হয় মেয়াদ শেষে কিছু টাকা দেওয়ার। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোন টাকা না দিয়েই ঠিকাদারের সঙ্গে সমঝোতা করে ত্র“টিপূর্ণ কাজ যথাযথ হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দিয়ে বরাদ্দের মোটা টাকা পকেটস্ত করেছেন। ২৪ জুলাই মিঠুন দাস, মৃত্যুঞ্জয় ঘোষসহ ৫জন অফিস সহকারি হিসেবে পরীক্ষা দিয়েছেন। নিয়োগ পরীক্ষার আগের রাতে পুরাতন কর্মী হিসেবে মিঠুনকে নেওয়া হবে মর্মে বিশেষ কসম খান প্রধান শিক্ষক। এরপরও ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মারুফকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ভাড়াসিমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চার নং ওয়ার্ডের সভাপতি মিন্টু ঘোষ জানান, ল্যাব সহকারি পদে তার ছেলে অনার্স মাষ্টার্স পাশ রাহুল ঘোষকে নিয়োগ দেওয়ার নামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের মাধ্যমে সভাপতি সাঈদ মেহেদীকে তিন লাখ টাকা দেন তিনি। নিয়োগের দিন সাত লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। ওই দিন রাহুলকে টাকা ফিরিয়ে দিয়ে ১০ লাখের ও বেশি টাকার বিনিময়ে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী নওশের আলীর মেয়ে এইচএসসি পাস নাজমুন্নাহারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পরীক্ষায় ইয়াছির আরাফাত সম্রাটসহ আরো কয়েকজন অংশ নেন।
নৈশপ্রহরী পদে শেখ মিলন হোসেন, এজাজ আহম্মেদ, স্বরুপ কুমারসহ কয়েকজন পরীক্ষা দিলেও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের লোক বলে পরিচিত হওয়ায় সাত লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন এজাজ আহম্মেদ। তবে প্রবেশপত্র পাওয়ার পরও নিয়োগের আগে প্রার্থী চুড়ান্ত হয়ে গেছে জানতে পেরে পথ খরচ করে কেন্দ্রে যাননি যুবলীগ নেতা শাহাঙ্গীর আলম।
আয়া পদে নিয়োগ পেয়েছেন আনোয়ারা খাতুন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন প্রবাসী ফারুক হোসেনের স্ত্রী আরিফিন ও তাজিবরের স্ত্রী নীলুফা। নীলুফাকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ৫ লাখ টাকা নিয়ে ছিলেন। কিন্তু বেশি টাকা পাওয়ায় ওই টাকা ফেরৎ দিয়ে আনোয়ারাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাজিবর রহমানের আত্মীয় মুজিবর রহমান।
তবে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক লবনজ পারভিন, অফিস সহকারি মারুফ হোসেন, ল্যাব সহকারি নাজমুন্নাহার, নিরাপত্তা রক্ষী এজাজ আহম্মেদ ও আয়া অনোয়ারা খাতুন নিয়োগে টাকা লাগার বিষয়টি অস্বীকার না করলেও তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, এ ধরণের চাকুরি টাকা ছাড়া হয় কিনা তাদের জানা নেই।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বড়সিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় নিজেকে সংবাদ কর্মী পরিচয় দিয়ে বলেন,(০১৭২০-৫৮৬৮০৪) নিয়োগ পরীক্ষায় কোন অনিয়ম হয়নি। প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বি ছিল না বিধায় কোরাম পূরণ না হওয়ায় দ্বিতীয়বার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। লবণজ পারভিন আমার দুঃসম্পর্কের মামাত বোন। নিয়োগ পরীক্ষা কোন অর্থিক লেনদেন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া কোন হিন্দু ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।
বড়সিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাঈদ মেহেদী বুধবার বিকেল চারটা ২৬ মিনিটে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ফেয়ার হয়েছে দাবি করে বলেন, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান একজন খুব ভাল মানুষ। এলাকার ঈদগাহ ও স্কুলের একটি জমি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ চলছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা স্কুলের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এছাড়া আগের কমিটির লোকজন নিয়োগ বানিজ্য করেছিল। এবার পারেনি তাই তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক কাঠ মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়কের মৌবন সংলগ্ন এলাকায় এঘটনায় ঘটে।

নিহত কাঠ মিস্ত্রি সদরের বকচরা পূর্বপাড়া গ্রামের লোকমান সরদারের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৩৭)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সাইফুল ইসলাম সড়কের পাশে দাড়িয়ে গফফার নামের এক ব্যক্তি সাথে কথা বলছিল। এসময় পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার (যার নং ঢাকা মেট্টো ২৩৭২১৯) নিয়ন্ত্রন হারিয়ে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আব্দুল কায়ুম বলেন, থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাইভেটকারটি জব্দ করেছে। চালককেও আটক করা হয়েছে। তবে নাম ঠিকানা এখন বলতে পারবো না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিশে^র মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ। আর তাই সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরণে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ নামক এই আয়োজন অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাধারন সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা+কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আল মাহমুদ, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আমান উল্লাহ আল হাদী, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু,

জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যনার্জি, বিশ^নাথ ঘোষ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ^জিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফ আই এর সহকারী পরিচালক খন্দকার আরিফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান, জেলা জাসদের সভাপতি শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু,সিপিবি’র সভাপতি আবুল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম,জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মোশফিকুর রহমান মিল্টন,তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাস, যুবলীগ নেতা মীর মাহি আলম,জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন, শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম,এড.শ্যামল ঘোষাল, শেখ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা আরো বলেন, হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে। হিন্দু-মুসলিম সবাই একই বৃৃন্তে দুটি ফুলের মত বসবাস করে আসছে। মাঝে মাঝে কিছু সন্ত্রাসীরা দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্য দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। আমরা উৎসবে আনন্দে এক সাথে মিলে মিশে থাকি। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে সম্প্রীতির যে সেতু বন্ধন তৈরি করেছে। তা সমাজের ছড়িয়ে দিতে হবে। আমাদের সম্প্রীতি এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের না, সম্প্রীতি মানুষের সাথে মানুষের। সাতক্ষীরায় সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে স্ব-স্ব ধর্ম পালন করবে। ধর্ম যার যার উৎসব হোক সবার। সম্প্রীতির এই সেতুবন্ধন অনুষ্ঠান এ সময় মিলন মেলায় পরিণত হয়। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা সেখানে আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest