সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in België

সাতক্ষীরায় বাস ইজিবাইক সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু : আহত ৭

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় যাত্রীবাহী বাস ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে মোঃ শাওন ইসলাম (৩৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন যাত্রী।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টা দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাওন খুলনা সদরের সোনাডাঙ্গা এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে। মারা যাওয়া যুবক শাওন বাসটির সুপারভাইজার বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে।

খবর পেয়ে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

আহতরা হলেন, দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর এলাকার মৃত কামালউদ্দিনের ছেলে শেখ নজরুল ইসলাম (৭০), একই এলাকার ফাইম হোসেন(২০) , সাতক্ষীরা সদরের বকচরা এলাকার সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিম (২১) ,বরিশাল জেলার সদরের কাউনিয়া এলাকার মাহাবুর রহমানের ছেলে নাইম(৩০)। বাকিদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ফাইম হোসেন জানান, শুক্রবার দুপুরে খুলনা থেকে সাতক্ষীরাগামী যাত্রীবাহী বাসটি বিনেরপোতা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি ইজিবাইককে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে যায় এবং ঘটনাস্থলেই বাস সুপারভাইজার শাওন ইসলাম মারা যান। একই সঙ্গে বাস ও ইজিবাইকে থাকা অন্তত সাতজন যাত্রী আহত হন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ত্রিদেব দেবনাথ জানান, বর্তমানে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একজনের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে কতজন আহত হয়েছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

তালা প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা তালায় খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি বুধবার রাতে উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালি ইউনিয়নের মোকসুদপুর গ্রামের সাধান দাশের বাড়িতে ঘটে।

এ ঘটনায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ মোট ১৪ লাখ টাকা মালামাল চুরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধন দাশ ।

সাধন দাশের লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়, বুধবার রাতে খাবার খেতে বসলে মেয়ের জ্বালাতনে তারা কেউ ঠিকমত খেতে পারেন নি।তবে খাবার খাওয়ার সাথে সাথে তাদের ঘুম চলে আসলে যার রুমে চলে যান তারা।তাদের ঘুমের ভিতরে চোরেরা কখন গেটের তালা কেটে ঘরে ঢোকে তা তারা টেরপান নি।চোরেরা ঘরে ঘুমান্ত স্ত্রী কন্যার গায়ে থাকা সোনার গহনা ও আলমারিতে রাখা গহনা ও নগদ টাকা আর বারান্দায় রাখা মোটর সাইকেলটি নিয়ে যায়।
রাত ২ টার দিকে যখন তার ঘুম ভাঙ্গে তখনও তিনি অসড় অবস্থায় চোখ মেলে দেখেন বারান্দায় মোটরসাইকেল টি নেই গেটের তালাটি নিচে পড়ে আছে।

এসময় তার ডাক চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিযে আসেন।তখনো তার স্ত্রী কন্যা ও শশুর অচেতন অবস্থায দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। ঘরের ভিতরের স্ত্রী, কন্যার গলার চেন হাতের বালা আংটি,কানের দুল নেই বরে জানালে তার ঘরের আলমিরা খুলে দেখেন তার ভিতরে রাখা গহনা ও নগদ টাকা নেই।

পরে এলাকাবাসি এসে খবর দেয় যে মোটরসাইকেল টি রাস্তার ধারে পাওয়া গেছে।সাদান দাশ বলেন ৭ ভরি সোনার গহনা সহ নগদ প্রায় ১৪ লখ টাকা ক্ষতি করেছে চোরেরা।এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন বলে জানান সাধান দাশ।

পাটকেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ লুৎফুল কবির বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ: সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও পিপিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সাবেক পিপিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বুধবার মামলা হয়েছে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডলের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আল ফেরদাউস আলফা।

মামলা নং-সিআর ১৭৪২/২৫। ধারা-৪৪৮/৩৬৪/৩২৩/৩০৭সহ অন্যান্য। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাউদ্দীন,সদর থানার সাবেক ওসি মোস্তাফিজুর রহমান,গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ওসি মহিদুল ইসলাম,সাবেক পিপি আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে মো: রাসেল।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়,২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁকাল চেকপোস্টে বাদীর দেড় কোটি টাকার ভারতীয় সামদ্রিক মাছ জব্দ করে বিজিবি। পরে বাদীর বৈধ কাগজপত্র বিজিবি’র কাছে পাঠানো হয়।

কিন্তু বিজিবি কাগজপত্র যথাযথ বুঝতে না পেরে সেই মাছ সাতক্ষীরা সদর থানায় প্রেরণ করে। বৈধ কাগজ পাঠালেও মাছ ছাড়া হবেনা,এমন হুমকি দিয়ে সদর থানার তৎকালীন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান ফোনে বাদীর কাছে দেড় কোটি টাকা দাবি করেন । একপর্যায়ে বাদী ফোনের সুইস অফ করতে বাধ্য হন। সেদিন মধ্যরাতে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাউদ্দীন ও ডিবির ওসি মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০/১২ জন সাদা পোশাকধারী পুলিশ বাদীর পলাশপোলস্থ বাড়িতে যেয়ে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন।

সেসময় বাড়িতে থাকা ১৫ লাখ টাকা দিয়েও রক্ষা পাননি তিনি। বাদীর ভাই আব্দুল আলিম ও বাদীকে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে তুলে নিয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায় পুলিশ। চাঁদা না দেওয়ায় সাতক্ষীরা সদর থানায় মাছ আটকের ঘটনায় করা মামলায় তাদেরকে অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এদিকে পরস্পর যোগসাজসে জব্দকৃত দেড় কোটি টাকার মাছ মাত্র ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বিক্রি দেখিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করে আসামীরা।
মামলার বিবরণীতে আরও বলা হয় মামলার জামিন করিয়ে দেওয়ার আশ^াস দিয়ে বাদীর কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বাধ্য করেন সাতক্ষীরা জজ আদালতের তৎকালীন পিপি আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে মো: রাসেল।

আসামীদের শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারে বাদী তাঁর দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন ও আর্থিক এবং সামাজিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন,তাই আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করা হয়েছে আরজীতে। তৎকালীন সময়ে মামলার অনুকুল পরিবেশ না থাকায় মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে আরজীতে উল্লেখ করা হয়।

এবিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. খায়রুল বদিউজ্জামান বলেন, এ মামলার পরবর্তী ধার্য দিন নির্ধারিত হয়েছে ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল তারিখে। এছাড়া বিচারিক হাকিম মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীকেও এগিয়ে নিতে হবে- সাতক্ষীরার ডিসি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার বলেছেন- সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সমাজের নারী সমাজকেও সমানভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

নারীকে বাদ রেখে কোনো কাজেই পরিপূর্ণ সফলতা আসে না, কারণ পরিবার, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের সমাজে এখনো বহু পরিবার আছে যেখানে মেয়েরা অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়। ছেলে সন্তানের মতো মেয়েরাও সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। পারিবারিক বৈষম্য দূর করে কন্যা সন্তানকে এগিয়ে নিতে পারলেই নারীরা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অংশীদার হবে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন- নারীমুক্তির জন্য সামাজিক বাধা বিপত্তি সর্বোপরি বহু আন্দোলন- সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নারী সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন বেগম রোকেয়া। নারীজাতিকে যথাযোগ্য মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার প্রয়াসে বেগম রোকেয়ার অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা মহিলা অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিজ আফরোজা আখতার বলেন, শিশুকাল থেকেই ছেলে-মেয়ের মাঝে সমতা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষায়, পুষ্টিতে, সামাজিক অংশগ্রহণে এবং প্রযুক্তি জ্ঞানে মেয়েদের এগিয়ে নিতে হবে। পরিবার ও সমাজ যদি মেয়েদের পাশে দাঁড়ায়, তবে তাদের এগিয়ে যাওয়া কেউ থামাতে পারবে না। এসময় ‘আমিই বেগম রোকেয়া’ প্রতিপাদ্যের উপর ভিত্তি করে বাল্য বিবাহ এবং বেগম রোকেয়ার ভূমিকা শীর্ষক একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেন্ডার ডেভেলপমেন্টের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, গর্বিত জয়িতা জননী, রত্নগর্ভা মা লুৎফুন্নেছা বেগম, সংগ্রামী নারী মেরিনা খাতুন প্রমুখ।

জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, ওসিসি প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিক, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুমনা আইরিন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, জাতীয় মহিলার সংস্থার জেলা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, স্বদেশ’র নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, জেলা শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজার আ ন ম নাজমুল উলা, সিডো এর নির্বাহী পরিচালক শ্যামল কুমারসহ জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার জুলাই যোদ্ধা মোহিনী অদম্য নারী পুরস্কারে ভূষিত
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দেওয়া সাতক্ষীরার তরুণ নারী সংগঠক মোহিনী পারভীন “সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান” ক্যাটাগরিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অদম্য নারী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ এবং বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে জেলা পর্যায়ে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। সভার সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল, নারী–কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সংস্থা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মোহিনী পারভীন বর্তমানে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য এবং একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির মুখপাত্র।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠের সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন মোহিনী। মিছিল, পথসভা, জরুরি সমাবেশ—সব কার্যক্রমেই তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। কখনো ব্যানার হাতে স্লোগান, কখনো সংগঠকদের ব্রিফিং, আবার সংঘর্ষের আশঙ্কার মধ্যেও প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেওয়া, সব ক্ষেত্রেই ছিল তাঁর দৃঢ় উপস্থিতি।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রতিপক্ষের হামলায় জখম-২
গাজী হাবিব:
সাতক্ষীরায় দীর্ঘ দুই দশক ধরে আদালতে মামলা চালিয়ে রায় পাওয়ার পরও মালিকানাধীন জমিতে ঘর তুলতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত হয়েছেন আনসারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফরিদা খাতুন।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার রাজারবাগান এলাকার সাকার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আনসারুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর থানার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী আনসারুল ইসলাম জানান, রাজারবাগান এলাকায় ১১ শতক জমি নিয়ে মৃত সোবহান কবিরাজের ছেলে ইলিয়াস হোসেন, হাবিবুর রহমান ও মোকলেসুর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০২৩ সালে সংশ্লিষ্ট মামলার রায় তার পক্ষে এলেও প্রতিপক্ষরা দখল নিয়ে বিরোধ তৈরি করে।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি আদালতের রায় পাওয়া জমিতে ঘর তোলার সময় প্রতিপক্ষরা বাধা দিয়ে এডিএম কোর্টে মামলা করে। ওই মামলার তদন্তে রোববার বিকেলে সদর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে আসেন। তদন্তকারীর কাছে আদালতের রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করার পরই প্রতিপক্ষরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
আনসারুল ইসলাম জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা চলে যাওয়ার পর ইলিয়াস, হাবিবুর, মোকলেস, কামরুন্নাহার কনা ও নাজমুন্নাহার খুকুসহ ৬-৭ জন ভাড়াটে লোক তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। তিনি বলেন, হঠাৎ আমাদের ওপর চড়াও হয়ে তারা বিভিন্নভাবে আঘাত করে। আমার স্ত্রী প্রতিরোধ করতে গেলে তাকেও নির্যাতন করা হয়। আমাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায়।
ভুক্তভোগী ফরিদা খাতুন বলেন, এর আগেও তারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছিল। এমনকি রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর কথাও বলত। আমরা সাধারণ মানুষ তাই ঝামেলা এড়াতে চেয়েছি। কিন্তু আজ যেভাবে আঘাত করেছে, তাতে মনে হয়েছে-ওদের উদ্দেশ্য আরও খারাপ ছিল। আমার স্বামীকে মেরে রক্তাক্ত করেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, জমি নিয়ে উত্তেজনা অনেকদিন ধরেই ছিল এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সখিপুরে জামায়াতের এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের পথসভা

দেবহাটা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক এবং সাতক্ষীরা-২ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনের যে সূচনা হয়েছে সেটা আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। যে দেশের মানুষ ইসলামের জন্য জীবন দিতে পারে সেই জাতি কখনো পিছিয়ে থাকতে পারেনা।

এসময় তিনি বলেন, সৎ লোকের শাসন চালু হলে দেশের সর্বত্র নীতি নৈতিকতা বিরাজ করবে। জামায়াতে ইসলামী সাধারন মানুষের জন্য রাজনীতি করে উল্লেখ করে আব্দুল খালেক বলেন, মানুষের নিরাপত্তা, জীবন জীবিকার মান উন্নয়ন সর্বোপরি সকল স্থানে জবাবাদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরনের জন্য এদেশের মানুষ সবসময় জামায়াতে ইসলামীর সাথে ছিল আর আগামীতেও থাকবে।

এসময় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন সাংগঠনিক দিক উল্লেখ করে তিনি দেবহাটা তথা সাতক্ষীরার উন্নয়নে যতরকম কাজ করা যায় তিনি সর্বদা সেই প্রচেষ্টা চালাবেন বলে উল্লেখ করেন। দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে সখিপুরে সোমবার বিকাল ৪টায় অনুষ্টিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখাকালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ
সম্পাদক এইচ এম ইমদাদুল হক’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে
বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ও জেলা জামায়াতের সহ- সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোস্তফা আসাদুজ্জামান মুকুল, দেবহাটা (উত্তর) ছাত্রশিবিরের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল কাদের, আব্দুল গফুর সরদার,

কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, মাওলানা আব্দুল ওয়াহেদ, মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মহিউদ্দিন ময়না, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল খালেক তরফদার, দেবহাটা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু তালেব বুলবুলসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ। পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর শতশত নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘জনস্বার্থে বলি, নির্ভয়ে নিরাপদে’। সোমবার সকালে শহরের একটি গার্ডেনে ১ম দিনের কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত ফ্রেড প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন জেলার বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
প্রথম দিনে জনস্বার্থ সাংবাদিকতা, মুক্তমত এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দিনব্যাপী সেশন পরিচালনা করেন ট্রেইনার বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের নুর সিদ্দিকী, কামাল শাহারিয়ার, সোহানা পারভীন এবং ব্লাস্টের গবেষণা কর্মকর্তা ফাহাদ বিন সিদ্দিক।
তারা বলেন, “তথ্যের গতি যেমন বেড়েছে, ভুল তথ্যের ঝুঁকিও তত বাড়ছে। একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব সঠিক তথ্য খুঁজে বের করে তা প্রমাণ নির্ভরভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা।”

আগামী দুইদিন ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি, ইনক্লুসিভ জার্নালিজম এবং ক্রিয়েটিভ স্টোরি টেলিং নিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণে অংশনেন প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জী, সময় টিভির মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, দেশ টিভির শরীফুল্লাহ কায়সার, এখন টিভির আহসানুর রহমান রাজীব, চ্যানেল ২৪–এর আমিনা বিলকিস ময়না, কালের কণ্ঠের মোশাররফ হোসেন, হৃদয় বার্তা’র আলী মুক্তাদা হৃদয়, যমুনা টিভির আকরামুল ইসলাম, ডিবিসি নিউজের এম বেলাল হোসাইন, বাংলানিউজের তানজির কচি, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, দৈনিক যুগান্তরের মোজাহিদুল ইসলাম, বণিক বার্তার গোলাম সরোয়ার, বাংলা ট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, এনপিবির হোসেন আলী, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিল, সমকাল এর কিশোর কুমার হালদার, খবরের কাগজের জাকির হোসেন, আরটিভি অনলাইনের জাহাঙ্গীর হোসেন, বার্তা২৪ এর মৃত্যুঞ্জয় রায়, জিএম মনিরুজ্জামান এবং মেহেদী হাসান সোহাগ।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা মনে করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকরা ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ, সোর্স যাচাই, প্রমাণ ভিত্তিক অনুসন্ধান, অনলাইন নিরাপত্তা, আইনগত ঝুঁকি এড়ানো এবং জনস্বার্থে সত্যনিষ্ঠ রিপোর্ট তৈরির আধুনিক কৌশল শিখবেন। ফলে তাদের রিপোর্টিং আরও নির্ভুল, বিশ্বাসযোগ্য ও পেশাদার হবে যা গণমাধ্যমে আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest