সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরাঅবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলিভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্নমৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিআমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুলদেবহাটা থানায় নবাগত ওসি এইচএম শাহীন-এর যোগদানপ্রধান শিক্ষকের বরখাস্তের তিনদিন পর নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ স্থগিতসাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ : কারণ দর্শানোর নোটিশআশাশুনিতে নবাগত ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ এর যোগদান

আশাশুনিতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে অগ্রগতি সাধনে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সমন্বয় কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস সুলতানার সঞ্চালনায় সভায় গ্রাম আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রম, মামলা নিষ্পত্তি, নথিপত্রের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং মামলার জট কমাতে স্থানীয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু বলে, গ্রাম আদালত মামলা পরিচালনা হলে উচ্চ আদালতে মামলার জট কমবে। আমরা চাই মানুষ যেন গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দ্রুত ন্যায়বিচার পায়।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা গ্রাম আদালতকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসু করে তোলার জন্য একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কিশোরিদের উদ্বুদ্ধকরণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় দরিদ্র নারীদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের (ইরেসপো ) আওতায় অভিভাবক সমাবেশ, কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ এবং জমাকৃত সঞ্চয়ের ওপর উৎসাহ অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১২টার সময় সাতক্ষীরার বল্লী আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), সাতক্ষীরা সদর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরডিবি সাতক্ষীরার উপপরিচালক আফরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।স্বাগত বক্তব্য রাখেন মো: রফিকুল ইসলাম উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মৃদুল সরকার, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (ইরেসপো)।

এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, শুধু কিশোর-কিশোরীদের সচেতন হলে হবে না। তাদের পাশাপাশি অভিভাবকদের নিজের সন্তানদের প্রতি খেয়াল রেখে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সু-শিক্ষার পাশাপাশি সামাজকি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে তাহলে আমাদের কিশোরীদের সমাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

এ সময় বিশেষ অতিথি বিআরডিবি সাতক্ষীরার উপপরিচালক আফরুজ্জামান বলেন এই প্রকল্পের মধ্যেদিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে কিশোরীদের সঞ্চয় কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিষয় সহ বল্যবিবাহ সচেতন করতে সক্ষম করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

অনুষ্ঠানে কিশোররীদের সঞ্চয় কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের আওতায় জমাকৃত সঞ্চয়ের ওপর উৎসাহ অনুদানের চেক সুবিধাভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক, কিশোরী ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে সপ্তাহ ব্যাপি দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় সজেকা খুলনার আয়োজনে ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সভ্যতার সূচনা থেকেই এসেছে এই দুর্নীতি। দুর্নীতির মূল কারণ হচ্ছে মানুষের মাঝে লোভের বিস্তার। মানুষ যখন লোভের বশবর্তী হয় তখনই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। যখন নৈতিকতার বিকাশ ঘটবে তখন চিন্তারও বিকাশ ঘটবে । সেসময় আমরা দুর্নীতি থেকে দূরে অবস্থান করতে পারব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন্নাহার, এনডিসি নাফিউল ইসলাম ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ আবুল হোসেন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সহযোগী অধ্যাপক মোঃ অলিউর রহমান, সহকারী অধ্যাপক শাহেদ মোস্তফা চৌধুরী, প্রভাষক ওমর ফারুক প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিতর্কের বিষয় ছিল দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ সরকারের দায়বদ্ধতাই বেশি। প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পক্ষে অংশ নেয় বৈকারী কুশখালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বাকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্কের পক্ষে অংশ নেয় বৈকারী কুশখালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিপক্ষে অংশ নেয় বাকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় জেলার ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলভার জুবিলি স্কুলের সভাপতি সাংবাদিক বেলাল হোসাইন

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী সিলভার জুবিলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন টিভি চ্যানেল ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন।

তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়ের জিপিএ-৫ আলীপুর স্কুলের হাবিবার সাফল্যে বাবা-মায়ের চোখে আনন্দের অশ্রু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছে হাবিবা খাতুন। আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান/সাধারণ বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করে সে জিপিএ-৫.০০ (গোল্ডেন এ+) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

হাবিবা রইচপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হোসেন আলী ও জেসমিন নাহার দম্পতির কন্যা। হাবিবার রোল নম্বর ১৩৫৭০৬ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩১৩৮৬৬৫৮৩। মেয়ের এই অনন্য অর্জনে আনন্দিত তার পরিবার ও স্বজনেরা।

ফলাফল প্রকাশের পর হাবিবার পিতা মোঃ হোসেন আলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন— “আলহামদুলিল্লাহ, আমার মেয়ে গোল্ডেন এ+ পেয়েছে।” তার এই পোস্টে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী হাবিবা এবং তার পরিবারকে শুভকামনা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

মেয়ের এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যে অনুভূতি ব্যক্ত করে হাবিবার বাবা মোঃ হোসেন আলী বলেন, “মেয়ের এই অর্জনে আমরা ভীষণ আনন্দিত ও মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। হাবিবা ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত পরিশ্রমী ও পড়াশোনায় মনোযোগী ছিল। শিক্ষকমণ্ডলীর সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মেয়ের নিরলস প্রচেষ্টাই আজকের এই সাফল্য এনে দিয়েছে। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন, সে যেন ভবিষ্যতে আরও বড় হয়ে দেশের সেবা করতে পারে।”

আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও স্থানীয় সুধীজন হাবিবার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিখোঁজের ৩৮ ঘণ্টা পর আশাশুনির কালাম সরদারের লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : নিখোঁজের ৩৮ ঘণ্টা পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি কালাম সরদারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্ল্যা ইউনিয়নের আগরদাঁড়ি গ্রামের নিজ বড় ভাই নূর ইসলামের বাড়ির পিছন থেকে পুলিশ তার কাদামাখা লাশ উদ্ধার করে।

মৃত কালাম সরদার (৬০) আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে।

আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের গোলাম কিবরিয়া গোল্ডেন জানান, তার বাবা কালাম সরদার গ্রামে গ্রামে ফল কিনে বাজারে বিক্রি করতেন। দাদা মৃত আব্দুর রহিমের কাছ থেকে আট শতক জমি কিনে নিয়েছেন মর্মে একটি ভুয়া দলিল দেখিয়ে চাচা নূর ইসলাম আট শতক জমি দাবি করে আসছিলেন।
ওই জমি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে তার বাবা নামপত্তন করে নেন। জমির হাল রেকর্ড ও তার বাবার নামে। একপর্যায়ে বড় চাচা নূর ইসলাম ওই জমি তার দাবি করে ২০২৪ সালে আশাশুনি সহকারি জজ আদালতে মামলা করে। মামলার পর থেকে দখল করার চেষ্টা করলে বড় চাচার সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

গোলাম কিবরিয়া গোল্ডেন আরো জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাশর্^বর্তী মোড়ে চা খাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে বাড়ি না ফেরায় সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন তারা।

একপর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙুর হোসেনের পরামর্শে সোমবার সকাল ১০টার দিকে থানায় সাধারণ ডায়েরী করার সিন্ধান্ত নেন। কিন্তু দুপুরের দিকে প্রতিবেশি চাচা গিয়াউদ্দিনের স্ত্রী সালেহা খাতুন বড় চাচা নূর ইসলামের বাড়ির পিছনে বাবার কাদামাখা লাশ দেখতে পেয়ে তাকে খবর দেন। তিনি বিষয়টি তাৎক্ষণিক আশাশুনি থানাকে অবহিত করলে দুপুর তিনটার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। বাবার ঘাড়ে ও মাজায় চামড়া ছোলা রয়েছে।

তিনি আশঙ্কা করছেন জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।

কুল্ল্যা ইউনিয়নের সাত নং ওয়ার্ডের সদস্য আঙুর হোসেন জানান, দেবহাটা সার্কেল অফিসারসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ খান জানান, কালাম সরদারের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সোমবার বিকেলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে না। তাদের পক্ষ থেকে কোন জিডি করা হয়নি। পরিবার দাবি করছেন তিনি শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকৌশলীকে মারপিটের মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুলসহ দুইজনের জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা, কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও এক প্রকৌশলীকে মারপিটের অভিযোগপ দায়ের করা মামলায় জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

হাইকোর্টের নির্দেশে তারা  সোমবার সকালে সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানী শেষে বিচারক মো. সাইদুর রহমান তা না”মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

হাজী নজরুল ইসলামের বাড়ি বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের পুর্ব দুর্গাবাটি ও বিশ্বনাথ মণ্ডলের বাড়ি ভামিয়া গ্রামে।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন।ওই বছরের ২৪ মে থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে ১২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামায়ত নেতা হাজী নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ১৪ এপ্রিল কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

১৩ মে বিষয়টি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়। চেয়ারমানের নামে মামলা দিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না বলে১৯ মে হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় চাঁদার পরিমান ১২ লাখ থেকে ১৫ লাখ ধার্য করা হয়। ২৩ মে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমান, সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও সবুজসহ কয়েকজন জালালউদ্দিনের অফিসে এসে না পেয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানের কাছে চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে পিটিয়ে জখম করা হয়।জাহিদ হাসানকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

২৫ মে মীরপুরের আর আর প্রতিষ্ঠানের আইন কর্মকর্তা চাঁদপুর জেলার শাহাবস্তি থানার চান্দাল গ্রামের আলম মিঞার ছেলে জালাল উদ্দিন বাদি হয়ে চেয়ারম্যান নজরুল,তার ছেলে আব্দুর রহমান, বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও সবুজসহ অজ্ঞাতনামা ২৫ মে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। সে অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও বিশ্বজিৎ মহামান্য হাইকোর্টে যেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি তাদের ছয় সপ্তাহ অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে ১০ আগষ্টের মধ্যে সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে নির্দেশনা দেন। সে অনুযায়ী তারা সোমবার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবী সৈয়দ ইফতেখার আলী ও আবু বক্কর সিদ্দিকীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনুদ্দিন জানান,জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ও বিশ্বজিৎকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরায় চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাশ করেনি

নিজস্ব প্রতিনিধি : চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, নৈশ ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় রয়েছে।

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি গোদাড়া নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয় (নাইট স্কুল), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয় এবং শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

আশাশুনি গোদাড়া নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেবুন্নেছা বলেন, এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে মানবিক বিভাগে চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। প্রকাশিত ফলে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

দেবহাটার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয়ের চিত্র আরও নাজুক। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নূর হোসেন জানান, ২০০১ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোনো বেতন-ভাতা পান না। এ কারণে অনেক শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না।

নূর হোসেন বলেন, কাগজে-কলমে বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক থাকলেও তাদের উপস্থিতি নিয়মিত নয়। বর্তমানে একজন শিক্ষিকা ও একজন হুজুর শিক্ষক বিদ্যালয়ে থাকলেও তারাও নিয়মিত সময় দেন না। তিনি বলেন, বলতে গেলে আমি অফিস সহকারী হিসেবে একাই স্কুলটি দেখে-শুনে টিকিয়ে রেখেছি।

তবে গত বছরের ফলাফল তুলনামূলক ভালো ছিল বলে জানান নূর হোসেন। তার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিদ্যালয়টির পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজন পাস করেছিল। এবার কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ফলাফলের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে তার জানা নেই। বোর্ড ও অনলাইনভিত্তিক নথি দেখে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।

শ্যামনগরের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার কারণ জানতে প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সাতক্ষীরা জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে ফলাফলের বিস্তারিত পাঠানো হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এরপর প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest