সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে

দেবহাটায় মানবেতর জীবনযাপন করা মাদ্রাসা শিক্ষকের সাংবাদিক সম্মেলন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা এক মাদ্রাসা শিক্ষক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনটি করেন দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর জগন্নাথপুর আহছানিয়া আলীম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ফজর আলী।

লিখিত বক্তব্যে ফজর আলী বলেন, তিনি সহকারী শিক্ষক (আই.সি.টি) হাদিপুর জগন্নাথপুর আহ্ছানিয়া আলিম মাদ্রাসা, দেবহাটা, সাতক্ষীরা। বিগত ০১/১০/২০০৩ ইং তারিখে অত্র মাদরাসায় যোগদান করে সুনামের সাথে কর্মরত থাকা অবস্থায় মাদ্রাসার কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে ও পূর্ব শত্রæতার জের ধরে তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে গত ইং ২৭/০৬/২০১৮ তারিখের ম্যানেজিং কমিটি বেআইনীভাবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে অদ্যবধি চলমান রেখেছে এবং কোন বেতনভাতা দিচ্ছেনা। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের নিকট বরখাস্ত প্রত্যাহারে দাবীতে একাধিকবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সংযুক্তির আলোকে আবেদন করলেও সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার/কোন বেতনভাতা প্রদান করেনি। ফজর আলী বলেন,

এমনকি তার পক্ষে ১) মহামান্য হাইকোটের রিটপিটিশন নং ৭৫৫২/২০২১ এর আদেশ, ২) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল নং- ১৮/২০২২ এর আদেশ, ৩। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের স্মারক নং ১২/২২৭৯/৬ তারিখ ২৬/০৬/২০১৯ এর আদেশ, ৪। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের স্মারক নং-বামাশিবো/প্রসা/সাত-১২/২/৫৪, তারিখ: ২৭-১০-২০২১ইং এর আদেশ এবং ৫। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের স্মারক নং ১২/০২/৮২ তারিখ ৪/৪/২০২২ এর আদেশ এর কপি মাদ্রাসায় জমা প্রদান করলেও তারা সে আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে তাকে যোগদান করতে দিচ্ছেনা।

এবিষয়ে গত ইং ৭ এপ্রিল, ২০২২ ইং তারিখে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানালে তিনি কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মাদ্রাসা কর্র্তৃপক্ষকে তাকে স্বপদে পুর্নবহালের ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দিলেও কর্তৃপক্ষ সে নির্দেশনাও মানছে। বর্তমানে তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ মেনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যাতে তাকে স্বপদে পুর্নবহাল করে তার সুব্যবস্থা গ্রহনে তিনি সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ইফতার

সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ এপ্রিল শহরের কফিভিলা রেস্তরায় সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন স্বপ্নসিঁড়ির আহবায়ক নাজমুল হক। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা রোভার স্কাউটের কমিশনার ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আজিজুর রহমান,

জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান। স্বপ্নসিঁড়ির যুগ্ম সদস্য সচিব সালাউদ্দীন রানার সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন স্বপ্নসিঁড়ির সদস্য ও ব্যাংক কর্মকর্তা মুহা. আলতাফ হোসেন, রেবেকা সুলতানা, প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এস এম বিপ্লব হোসেন,

সদস্য (প্রচার) সেলিম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, জেলা সিনিয়র রোভার মেট প্রতিনিধি উজ্জ্বল মোল্লা, সাবিনা ইয়াসমিন, রজনী সুলতানা, সানজিদা আলম, জান্নাতুল মাওয়া সাজ্জা, সাথী আলম, নূর জাহান খাতুন, নিশাত আনম, ইমামুল কবীর, উৎস্য কুমার দাশ, আল শাহরিয়ার অনিক, ওয়েদুজ্জামান সোহাগ, শেখ হাবিবুর রহমান, ইয়াকুব আলী, সাইদুজ্জামান প্রান্ত প্রমুখ। ইফতার মাহফিল পূর্বে স্বপ্নসিঁড়ির কার্য নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইদের পরদিন রোভার স্কাউট মিলনমেলাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কেরালকাতা ইউপির দুটি জলমহাল ইজারা নিয়ে গোপনে লিজ দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন ১১.১১ একর খালের/ জলমহাল এর ইজারা নিয়ে গোপনে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, কলারোয়া উপজেলা মৎস্য জিবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি বিমল পোদ্দার ও সাধারণ সম্পাদক সাবুর আলী বিগত বাংলা সন ১৪২৬থেকে ১৪২৮ পযন্ত ইজারা পান। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ওই সমিতির জেলেদের নিয়ে মাছ চাষ করার কথা কিন্তু গোপনে কলারোয়া উপজেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলেদের না জানিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে লিজ প্রদান করেন বলে সমিতির সদস্য হাটুনী গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র সুমন হোসেন জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, গত ১০/১১ বছর আগে আমি সমিতির সদস্য হই কিন্তু জলমহাল ও মনসা বাউড় পাওয়ার পরেও কোন দিন কোন মাছ খাইতে দেয়নি। এমনকি আমার কোন অংশ নেই আমরা জেলে বলে আমাদের জন্য সরকার জলমহাল ইজারা পাওয়া ব্যবস্থা করেছেন কিন্তু সরদার রউফ সমিতির সদস্য না হয়েও জলমহল ও মনসা বাউড় তিনি ভোগদখল করেন।

সমিতির অন্য সদস্য দরবাসা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমান ছেলে খাইবার হোসেন জানান, আমরা সমিতির সদস্য কিন্তু আমাদের কোন পাত্তা নেই রউফ বিগত একযুগ ধরে জলমহাল ও মনসা বাউড় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে লিজ নিয়ে করে।

দরবাসা ও ফাজিলকাটি ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বর সাজুল ইসলাম জানান আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি সরদার রউফ সমিতির সদস্য না হয়েও মাছ চাষ করে কি ভাবে করে সেটা জানিনা।
কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স.ম মোরশেদ আলী ভিপি জানান কলারোয়া উপজেলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি বিমল পোদ্দারের বাড়ি মুরারীকাটি গ্রামে যাহা দরবাসা থেকে ১৫/২০ কিঃ মিঃ দুরে। দরবাসা ও উত্তর বহুড়া মৌজার জলমহল কি ভাবে ইজারা পান সেটা আমার জানা নেই তবে সব চেয়ে অবাক করার বিষয় বর্তমান যিনি এই জলমহলে মাছ চাষ করছেন তার নাম সরদার রউফ। তিনি এই সমিতির সদস্য না।
দরবাসা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান দরবাসা ও উত্তর বহুড়া মৌজার জলমহাল বিগত কয়েক বছর ধরে সরদার রউফ মাছ চাষ করে। তিনি কোন সমিতির সদস্য না। জলমহলে পাশে বসবাসকারী মশিয়ার রহমান জানান কখনো সাবুর আলী ও বিমল পোদ্দার মাছ চাষ করতে দেখিনি সরদার রউফ মাছ চাষ করেন বলে জানান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত সরদার রউফ বলেন আমি কেয়ারটেকার হিসেবে সেখানে মাছ চাষ করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ’র আহবায়ক স্বপন অপসারন : নতুন আহবায়ক মিজান

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ’র আহবায়ক কমিটি গঠন নিয়ে চলছে তুলকালাম কান্ড। গত আট মাসের ব্যবধানে সিঅ্যান্ডএফ’র আহবায়ক কমিটি তিন বার পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রতিবারই কমিটি গঠন নিয়ে লাখ লাখ টাকার গোপন লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সর্বশেষ গত সোমবার শ্রম আদালতের নির্দেশনায় আহবায়ক এজাজ আহমেদ স্বপনকে সরিয়ে মিজানুর রহমানকে আহবায়ক করে চার সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা যায়, সিঅ্যান্ডএফ সদস্য এজাজ আহমেদ স্বপনের দায়ের করা হাইকোর্টে একটি রীট পিটিশনের প্রেক্ষিতে শ্রম আদালতের নির্দেশনায় গত ৩০ নভেম্বর ২০২১ তারিখে তাকে (এজাজ আহমেদ স্বপনকে) আহবায়ক এবং আশরাফুজ্জান আশু, মিজানুর রহমান, মাকসুদ খান ও রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীকে সদস্য করে পাঁচ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এই কমিটি গঠন করতে ৫ লাখ টাকা লেন দেনের অভিযোগ উঠেছে।
এরপর, এজাজ আহমেদ স্বপনের সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে শ্রম আদালতের নির্দেশনায় গত ১৪ মার্চ তার পরিবর্তে মাকসুদ খানকে আহবায়ক করে একটি কমিটি ঘোষনা করা হয়। এই কমিটি ঘোষনার ৮ দিন পর স্বপন তার লাইসেন্স জটিলতা কাটিয়ে উঠলে হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের আদেশের প্রেক্ষিতে গত ২২ মার্চ শ্রম আদালত কর্তৃক তাকে আবারও আহবায়ক পদে পূর্ণবহাল করা হয়। এক্ষেত্রে সিএন্ডএফ সদস্য রাম কৃষ্ণ চক্রবর্তীর মাধ্যমে দুই দফায় ২ লাখ টাকা লেন দেনের অভিযোগ রয়েছে।
শ্রম আদালত এজাজ আহমেদ স্বপনকে গত ২৩ মার্চ এক চিঠিতে ৬০ দিনের মধ্যে সাধারন নির্বাচনের নির্দেশনা দেয়। তা সত্ত্বেও গত ২৯ মার্চ আহবায়ক কমিটির ৪ সদস্য এক বৈঠকে বসে এজাজ আহমেদ স্বপনকে অপসারনসহ তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ৪৮ লাখ টাকার তহবিল তছরুপ, দূর্নীতি এবং সঠিক ভোটার তালিকা করে যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যর্থতার অভিযোগ আনেন। এরপর শ্রম আদালতের নির্দেশনায় গত ১১ এপ্রিল মিজানুর রহমানকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে সাবেক আহবায়ক এজাজ আহমেদ স্বপন অভিযোগ করে বলেন, প্রথম দফায় তিনি যখন আহবায়ক হন তখন তাকে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এরপর তার লাইসেন্স নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে তিনি যখন পূনরায় ওই পদে আসেন তখন তাকে সিএন্ডএফ সদস্য রাম কৃষ্ণ চক্রবর্তীর মাধ্যমে দুই দফায় ২ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। আর সর্বশেষ মিজানুর রহমান যে আহবায়ক করা হয়েছে তিনি জানতে পেরেছেন।

এদিকে, ভোমরা সিএ্যান্ডএফ এসোসিয়েশনের বারবার কমিটি পরিবর্তন নিয়ে সাধারন সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগ করে বলছেন, প্রতিবারই এই কমিটি গঠন নিয়ে চলছে টাকার খেলা।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ সিঅ্যান্ডএফ সদস্যদের এক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার কথা থাকলেও সাধারন সদস্যদের মতামতকে পাশ কাটিয়ে একটিমাত্র প্যানেল খাড়া করা হয়। এই সাধারন সভায় সিএন্ডএফ সদস্য কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজুকে সভাপতি ও মোস্তাফিজুর রহমান নাসিমকে সাধারন সম্পাদক ঘোষনা করে কমিটি গঠন করা হয়। পরে সিঅ্যান্ডএফ সদস্য এজাজ আহমেদ স্বপনের দায়ের করা হাইকোর্টে একটি রীট পিটিশনের প্রেক্ষিতে শ্রম আদালত কর্তৃক ওই কমিটি ১৪ সেপ্টেম্বর বাতিল ঘোষনা করা হয়। এরপর ৩০ নভেম্বর এজাজ আহমেদ স্বপনকে আহবায়ক করে ৫ সদস্যের কমিটি ঘোষনা করা হয়।

এদিকে, এডহক কমিটির আহ্বায়ক এজাজ আহমেদ স্বপন এ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত না করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। এডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সিদ্ধান্ত ব্যতিত ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন এবং নগদ অর্থ কালেকশন করারও অভিযোগ আনা হয়। চলতি অর্থবছরের ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন খাত থেকে এ্যাসোসিয়েশনের ৪৮ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯২৫ টাকা আয় হলেও বর্তমানে এ্যাসোসিয়েশনের অর্থ তহবিল (একাউন্ট) শূণ্যের খাতে। এ বিপুল পরিমান অর্থ প্রধান আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের না জানিয়ে ক্ষমতাবলে এককভাবে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তার স্বেচ্ছাচারিতা ও একক সিদ্ধান্তের কারণে এডহক কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভোমরা কাষ্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন পরিচালনার পদক্ষেপ গ্রহনে বর্তমান এডহক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিয়ে এবং বর্তমান আহ্বায়ক শেখ এজাজ আহমেদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এডহক কমিটির চারজন সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরকীয়া সন্দেহে সাতক্ষীরায় স্বামীর পুরুষ অঙ্গ কেটে দিয়েছে প্রথম স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পরকীয়া সন্দেহে সাতক্ষীরায় স্বামীর পুরুষ অঙ্গ কেটে দিয়েছে প্রথম স্ত্রী। ১২ এপ্রিল রাতে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানা ভারসা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী স্বামী ভারসা গ্রামের নবাব আলীর পুত্র মেহেদী হাসান।
এঘটনায় প্রথম স্ত্রী শারমিন খাতুনকে আটক করেছে পাটকেলঘাটা পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, মেহেদী হাসানের পাটকেলঘাটা বাজারে একটি থাই গ্লাসের দোকান রয়েছে। মেহেদীর সাথে অন্যান্য নারীর পরোকিয়ার সন্দেহে গত রাতে প্রথম স্ত্রী শারমিন তার পুরুষ অঙ্গ কেটে দিয়েছে। মেহেদী হাসান বর্তমানে অসুস্থ্য অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানায়, ৭বছর আগে ভারশা গ্রামের নওয়াব আলী শেখের ছেলে মেহেদির সাথে বকশিয়া গ্রামের সাজ্জাদ মোড়ল শারমিনের প্রেমের সম্পর্কের সুত্র ধরে বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের ঘরে ৪ বছর বয়সী পুত্র সন্তান আছে। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে প্রায় অশান্তি হত। গতকাল সন্ধ্যায় স্ত্রী তাকে কৌশলে একসাথে ঘুমানোর জন্য বলে। অতপর রাতে ঘুমিয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীর গোপানাঙ্গ কোটে নেয় শারমিন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন রেঞ্জের অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরার অপরাধে সাত জেলে আটক

আসাদুজ্জামান ঃ সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরার অপরাধে মালামালসহ সাত জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। সোমবার সকালে গহীন সুন্দরবনের বালিঝাঁকি খালে মাছ ধরার সময় তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের মোজাম সরদারের ছেলে মনিরুলইসলাম, মিজানুর মোড়লের ছেলে মাসুদ রানা, চাঁদনিমুখা গ্রামের মৃত মোহরম সরদারের ছেলে খলিল সরদার,

চন্ডিপুর গ্রামের মৃত কোফিল গাজীর ছেলে হাবিবুর গাজী, সামছুর শেখের ছেলে রবিউল শেখ, ওয়াজেদ আলী গাজীর ছেলে আবুল বাশার এবং হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল খালেক।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গহীন সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকা বালিঝাঁকি খালে কয়েকজন জেলে মাছ ধরছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরেস্ট গার্ড (এফজি) আবুবকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি বিশেষ টহল দল সেখানে অভিযান চালায়।

এ সময় সেখান থেকে উক্ত সাত জেলেকে আটক করা হয়। এসময় জেলেদের ব্যবহৃত লক্ষাধিক টাকা মুল্যের ২টি জাল ও ২টি নৌকাসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে এ সময় কয়েক জন জেলে মালামাল ফেলে গহীন সুন্দরবনে পালিয়ে যায়।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) এম.এ হাসান জানান, নিষেধাজ্ঞা শর্তেও অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরার অপরাধে তাদের আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বন্ধুকে হত্যার দায়ে কলেজ ছাত্রের যাবজ্জীবন কারা‌‌‌দণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রেমের সম্পর্কে বাঁধা মনে করায় সাতক্ষীরা আশাশুনিতে কলেজ পড়–য়া বন্ধুকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে মোবাশি^র হোসেন নামের এক কলেজ ছাত্রকে যাবজ্জীবন কারা‌‌‌ ‌‌দণ্ড  ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দু’বছর কারাদ- দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময়ে মোবাশি^র হোসেন আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন না। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামী পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত পলাতক আসামীর নাম মোবাশি^র হোসেন (২৩)। তিনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বৈকারঝুটি গ্রামের আব্দুল মজিদ মোড়লের ছেলে ও আশাশুনি ডিগ্রী কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

মামলার বিবরণে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার বৈকারঝুটি গ্রামের শঙ্কর সরকারের ছেলে চন্দ্রশেখর সরকার ও একই গ্রামের মোবাশি^র হোসেন ছোটবেলা থেকে একই সাথে পড়ালেখা করতেন। শোভনালী নলকুড়া বিলে তাদের দুজনেরই পৈতৃক একটি মাছের ঘের রয়েছে। চম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আশাশুনি ডিগ্রি কলেজ থেকে একই সাথে এসএসসি ও এইসএসসি পাশ করার পর চন্দ্র শেখর সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ও মোবাশি^র হোসেন আশাশুনি ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হন।

এদিকে মোবাশি^রের সাথে একই গ্রামের ইন্দ্রানী ঘোষ ওরফে পাপিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একজন হিন্দু মেয়ের সঙ্গে একজন মুসলিম যুবকের প্রেম মেনে নিতে পারেনি চন্দ্র শেখর। তাদের প্রেমজ সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বাগবিত-া হতো দু’বন্ধুর মধ্যে। এর ধারাবাহিকতায় চন্দ্র শেখরকে পথের কাটা ভেবে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে মোবাশি^র।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে চন্দ্রশেখরকে বাড়ির পাশের একটি ঘেরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পাপিয়াকে নিয়ে কথা উঠলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে চন্দ্র শেখরকে মারপিট করতে থাকে মোবাশি^র। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘেরের পানির মধ্যে ফেলে দিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি। পরের দিন ওই ঘের থেকে চন্দ্র শেখরের মরদেহ উদ্ধার করে আশাশুনি থানা পুলিশ। ২০ অক্টোবর নিহতের বাবা শঙ্কর সরকার বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে ছেলেকে হত্যার পর লাশ গুম করার অভিযোগে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং- জিআর-২৫৬/২০। পুলিশ রাতেই সাতক্ষীরার একটি বাসা থেকে মোবাশি^রকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। পাপিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে ঘিরে বন্ধু চন্দ্রশেখরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে মর্মে বিচারিক হাকিম রাকিবুল ইসলামের কাছে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিন পেয়ে পালিয়ে যান মোবাশি^র।
এদিকে, গত বছরের ৩১ মে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবীর মোবাশি^র হোসেনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পলাতক অবস্থায় লিগ্যাল এইডের আইনজীবী অ্যাড. আনিছুজ্জামান আনিছ আসামীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।

মামলার নথি ও ১৪ জন সাক্ষীর জেরা- জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আসামী মোবাশি^রের বিরুদ্ধে হত্যার পর লাশ গুম করার অভিযোগে সনেদহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায়,তবে বয়স বিবেচনায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশ এবং ২০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও ২বছরের কারাদ-াদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শঙ্কর সরকার বলেন, তার ছেলের হত্যাকারি মোবাশি^রের যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশের রায়ে তিনি খুশী নন। তবে উচ্চতর আদালতে তিনি আপীল করবেননা বলে জানিয়েছেন।

রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌসুলি এ্যাড. আব্দুল লতিফ জানান, ঘটনার সময়ে আসামির বয়স ছিল মাত্র ২১। বয়স বিবেচনায় তাকে ফাঁসি না দিয়ে যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে রাস্ট্রপক্ষ খুশি বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাম্পাফুল চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি : ধরাছোঁয়ার বাইরে চোর চক্র

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

চাম্পাফুল ইউনিয়নে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। ধরাছোঁয়ার বাইরে চোর চক্রটি। ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড চান্দুলীয়া গ্রামের আলহাজ্ব ইমান আলীর ছেলে মোঃ গোলাম মোস্তফার(৫০) বাড়ি থেকে সর্বস্ব লুটপাট করে নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র।

 জানা যায়, গোলাম মোস্তফা গত ৫ দিন বাড়িতে ছিলনা। এই সুযোগে পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা চোর চক্রটি বাড়ির পাচিলের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে লাঠির মাথায় আংটা বাধিয়ে বারান্দার দরজা খুলে তালা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরে থাকা কয়েকটি আলমারি ভেঙে নগদ ১৪০০০০ টাকা এবং ৩/৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, জামা কাপড়, ল্যাবটপসহ বহু জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জানান বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফা। ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত ৬ এপ্রিল থেকে চিকিৎসা জনিত কারণে গোলাম মোস্তফা বাহিরে থাকেন। বাড়ি দেখাশোনার জন্য কাজের বুয়া জামিলা(৩৫) কে বলেন।

জামিলা প্রতিদিন সকালে আসে এবং সন্ধ্যায় বাড়ি যায়। ১০ এপ্রিল সকাল সাড়ে দশটার সময় জামিলা এসে দেখেন বাহিরের গেটের তালা ভাঙা। তিনি আরো জানান, একে একে ভিতরে প্রবেশ করলে দেখতে পান বাড়ির মূল্যবান জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে গেছে। তিনি তৎক্ষনাৎ বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফাকে বলেন। মোস্তফা এসে চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হককে ঘটনা খুলে বলেন। চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক সঙ্গে সঙ্গে কালিগঞ্জ থানা পুলিশকে জানান।

কালিগঞ্জ থানার এস আই সিহাব, চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ও চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আমিনুর রহমান ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সবকিছু দেখেন। শেষ খবর লেখা পর্যন্ত চুরির ঘটনার জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছিল। উল্লেখ্য যে, গত এক সপ্তাহ পূর্বে একই গ্রামের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে স্হানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেনের বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায় দিনেদুপুরে। সে ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত নাম দিয়ে অভিযোগ করেন বলে জানান জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest