সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা জাতীয় পার্টির শোক

নিজস্ব প্রতিনিধি:  দৈনিক দৃষ্টিপাত-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বিবৃতিদাতারা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা সদরের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম (পিটুল), সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন খান বাপ্পি, পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক ফিরোজ ও সদস্যসচিব কমল বিশ্বাস।

এ ছাড়া জেলা যুব সংহতির সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি ও সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আবু ইয়াছিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্র সমাজ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, সদর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান বদু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুব সংহতির সভাপতি নাহিদ সুলতান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন বনি, জাতীয় ছাত্র সমাজ সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সাকিব জামান দীপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিক বিলালসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ শোক জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত, বাস আটক

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল আলিম (৫০) নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক করেছে পুলিশ। তবে বাসের চালক পালিয়ে গেছে।
নিহত আব্দুল আলিম দেবহাটা উপজেলার রামনাথপুর মাঠপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল আলিম গাজীরহাট বাজার থেকে ব্যবসায়িক কাজ শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে দেবীশহর এলাকায় পৌঁছালে কালীগঞ্জ থেকে সাতক্ষীরাগামী কাজী এন্টারপ্রাইজের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বাসটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর সিরাজগঞ্জ-ব-১১-০০৮৬।

সংঘর্ষে আব্দুল আলিম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা ব্লীজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক করেছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই বাসের চালক পালিয়ে যায়। নিহতের মোটরসাইকেলটিও পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
ওসি আরও জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ : শত শত মানুষ এখনো নিখোঁজ

অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও শত শত মানুষ; উদ্ধারকারী দলগুলো বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও মৃতদেহ উদ্ধারের লক্ষ্যে নদী ও ভাটির দিকের এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে।

বুধবার সকালে নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা রাসুয়া ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে এই বন্যা আঘাত হানে। এর ফলে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলি নদীতে পানি ও ধ্বংসাবশেষের এক প্রবল স্রোত বয়ে যায়। এই দুর্যোগে ঘরবাড়ি, সেতু, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো ভেসে গেছে এবং কিছু এলাকার জনবসতি ও ভ্রমণকারীরা দেশের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বিভিন্ন জেলা থেকে হতাহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলায় দুর্যোগের প্রকৃত মাত্রা বা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো অস্পষ্ট।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও ট্রেকার (পাহাড়ি পথযাত্রী) রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে যে, বন্যাদুর্গত এলাকায় ৬৬৭ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন; এদের মধ্যে ১২৭ জন নেপালি নাগরিক।

বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার সকালে বন্যা আঘাত হানার সময় রাসুয়া, নুয়াকোট ও ধাদিং এলাকায় অবস্থানরত বা ওই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকরাও রয়েছেন। বোর্ড জানিয়েছে, দুর্গত এলাকা থেকে ৩১ জন বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন ভারতীয়, চারজন দক্ষিণ কোরীয়, দুজন আমেরিকান, দুজন রাশিয়ান, দুজন ইতালীয়, একজন বুলগেরীয় এবং একজন সুইস নাগরিক রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বাকি ১৮ জনের জাতীয়তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পর্যটন বোর্ড, সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং পর্যটন খাতের অন্যান্য সংস্থা নিখোঁজ ভ্রমণকারীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করছে।

তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে তারা ট্রাভেল এজেন্সি, ট্রেকিং কোম্পানি, গাইড, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথেও সমন্বয় করছে।

তল্লাশি, উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেপালি সেনাবাহিনী, নেপাল পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ফোর্সকে মোতায়েন করা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে ও বেঁচে যাওয়া মানুষদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে; পাশাপাশি স্থলভাগের দলগুলো নদীর তীর ও ভাটির দিকের জনবসতিগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বন্যায় ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে দুর্গত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা কঠিন হয়ে পড়েছে।

হঠাৎ সৃষ্ট এই ধ্বংসাত্মক জলস্রোতের কারণ এখনো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হিমালয়ের পাদদেশে খুব সামান্য সতর্কবার্তা ছাড়াই এই বন্যা আঘাত হানে এবং দ্রুতগতিতে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলি নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়; ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য খুব কম সময় পাওয়া গিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন,

সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্ব হারালেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
দেবহাটা প্রতিনিধি:
শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, উন্নয়ন তহবিলে অনিয়ম এবং শ্মশানের জমি দখলের অভিযোগে তদন্তের মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার পর তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয়টিতে সরেজমিন তদন্ত করেন দেবহাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। তদন্ত চলাকালে জগদীশ সরকারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র চলে যাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর নামে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা সেই অর্থ পায়নি। তাঁদের দাবি, গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে এ ধরনের অনিয়মের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন থাকা, উন্নয়ন তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, শ্মশানের জমি নিয়ে বিরোধ এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্মশানের জমি দখলের প্রতিবাদে এর আগে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয়। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার বলেন, বিদ্যালয়ে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায় শিক্ষকদেরই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে হয়। আর বিদ্যালয়ের সময়সীমার কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না।
দেবহাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জগদীশ সরকারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটি অব মায়ামিতে পিএইচডি ও ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করল সাতক্ষীরার শিহাব

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ​সাতক্ষীরা জেলার কৃতি সন্তান তানভীর আহসান (শিহাব) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এক অনন্য নজির স্থাপন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি অব মায়ামি’তে (University of Miami, Coral Gables, Florida) পিএইচডি করার জন্য সম্পূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। আমেরিকার এই মর্যাদাপূর্ণ ‘আর-ওয়ান’ (R1) ক্যাটাগরির টপ-টায়ার ইউনিভার্সিটিতে সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি তিনি আরও বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়—যেমন ইউনিভার্সিটি অব নর্থ টেক্সাস (UNT), রোড আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি, এনএমএসইউ, নিউ হ্যাম্পশায়ার ইউনিভার্সিটি, ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটি, নর্থ ক্যারোলাইনা শার্লট ইউনিভার্সিটি, ইউএমবিসি, মিশিগান ডিয়ারবর্ন এবং তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী মেটু (METU) বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও ফুল ফান্ড স্কলারশিপের অফার পেয়েছিলেন।

তানভীর আহসান (শিহাব) তার এই বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবন ও সাফল্যের গল্প শেয়ার করেন। তিনি ২০১৬ সালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (দিন শিফট) থেকে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

এরপর খুলনা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (কুয়েট) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি (২০১৮ ব্যাচ, যা ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ সম্পন্ন হয়) এবং পরবর্তীতে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৪ ব্যাচের এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন ২০২৬ সালের জুলাই মাসে। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি কর্মজীবনেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (R&D) বিভাগে সহকারী ব্যবস্থাপক এবং পরবর্তীতে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (স্যামসাং ও হাইসেন্স)-এর প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

​বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অব মায়ামির একটি সুনামধন্য ল্যাব এ পিএইচডি গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুল ফান্ডিংয়ের পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণা স্টাইপেন্ডের মাধ্যমে তিনি তার অ্যাকাডেমিক ও গবেষণামূলক কার্যক্রম সুন্দরভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বর্তমান গবেষণার বিষয়বস্তু ন্যানোম্যাটেরিয়ালস ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত ও শিল্প খাতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানান, তার এই অর্জিত জ্ঞান ও গবেষণা ভবিষ্যতে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি খাতে, বিশেষ করে উন্নত গবেষণায় অবদান রাখতে সক্ষম হবে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে।

​এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার পরিবার ও শিক্ষকদের অসামান্য অবদান। সাতক্ষীরা শহরের ফুড অফিস মোড়, কাটিয়া সরকারপাড়ার একটি সাধারণ ও ধর্মভীরু পরিবারের সন্তান তানভীর। তার বাবা মো. নিজাম উদ্দীন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং মা সাজিয়া আফরোজ একজন গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই বাবা-মায়ের কষ্টসাধ্য সংগ্রাম ও উৎসাহ তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এছাড়া তার বোন ডা. আনিকা আনজুম ও দুলাভাই ডা. তৈবুর রহমানের প্রতিও তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তানভীর তার জীবনের এই সাফল্যে অত্যন্ত বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা ও সাধুবাদ জানান কুয়েটসহ তার জীবনের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শ্রদ্ধেয় শিক্ষককে, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও দিকনির্দেশনা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। পরিশেষে, তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন যেন তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার গবেষণা সম্পন্ন করে দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেপালে পাহাড়ি ঢলে বিপর্যয়, নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৪০০

অনলাইন ডেস্ক :  নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তাকর্মী, বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ৪০০ মানুষ। ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, যানবাহন, সড়ক, সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চীন সীমান্তসংলগ্ন তিব্বত এলাকায় তুষারধসের কারণে লহেন্দে নদীর প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়ে একটি হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়। পরে সেই বাধা ভেঙে বিপুল পরিমাণ পানি ও ধ্বংসাবশেষ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। বন্যার আগে এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত না থাকায় স্থানীয়রা কোনো সতর্কবার্তাও পায়নি।

প্রথমে রাসুয়ার তিমুরে আঘাত হানা বন্যায় কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বাজার এলাকা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কাস্টমস চেকপোস্টে অপেক্ষমাণ তিন শতাধিক ট্রাক ও যানবাহনও ভেসে যায়। এরপর বন্যার পানি ভাটির বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ৩৯১ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৪৪ জন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ১৯টি মোটরযান চলাচলযোগ্য সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক বন্যায় ভেসে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখোঁজের সংখ্যা বিবেচনায় এ বন্যা নেপালের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্যোগে পরিণত হতে পারে। ১৯৯৩ সালে সর্লাহি, রাউতাহাট ও মাকওয়ানপুরে বন্যায় প্রায় ১ হজার ৪০০ মানুষের মৃত্যুর পর এটিই দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানান, বন্যার খবর স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে পাওয়া যায় এবং চার মিনিটের মধ্যে ভাটির এলাকাগুলোতে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। তবে ততক্ষণে রাসুয়ার বড় অংশ প্লাবিত হয়ে গেছে। উজানে স্থাপিত স্বয়ংক্রিয় পানি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোও প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়ায় আগাম সতর্কতা দিতে পারেনি।

কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তের ওপারে দুর্যোগের উৎপত্তি হওয়ায় নেপালের নিজস্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এ জন্য চীন-নেপাল সীমান্তে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান, উন্নত সেন্সর ও ক্যামেরাভিত্তিক নজরদারিব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

বন্যার পর নেপাল ও চীনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠকে চীন সম্মত হয়েছে—তার ভূখণ্ডে নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে দ্রুত নেপালকে জানানো হবে। তবে বুধবারের বিপর্যয় দুই দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে স্বাক্ষরিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জরুরি সহযোগিতা চুক্তির বাস্তব প্রয়োগে বড় ধরনের ঘাটতি প্রকাশ করেছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক মারুফকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফকে হত্যার চেষ্টা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি এবং তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির আশঙ্কার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সকালবেলা ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দক্ষিণের মশাল পত্রিকায় প্রতিনিধি এবং শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক।
গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ। আবেদনে নকিপুর এলাকার মোছা. শরিফা খাতুন, ভূমিহীন নেতা জবরদখল কারী মো. মোকছেদ আলী, পিতা: সকিমুদ্দী মোছা. আসমা খাতুন স্বামী: আতাউর রহমান ও মোছা. আকলিমা খাতুনসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
জিডির আবেদনে মেহেদী হাসান মারুফ উল্লেখ করেন, বিবাদীদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে বিবাদীরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি, হুমকি ও হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। জমি দখলের প্রতিবাদ করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ২৫ আগস্ট সকালে তিনি তার ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে নিজ কর্মস্থলে চলে যান। পরে স্কুলে অবস্থানরত অবস্থায় বিবাদীপক্ষের লোকজন তাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মেহেদী হাসান মারুফের দাবি, বিবাদীরা তার জমি জোরপূর্বক দখলের পাশাপাশি তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং এলাকা থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ অবস্থায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন তিনি।
আবেদনে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest