নিজস্ব প্রতিনিধি : পানিতে ভাসছে কপোতাক্ষ নদী দ্বারা বেষ্টিত সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়ন। ৯টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে কপোতাক্ষ নদের তীর ঘেঁসে গড়ে উঠা ইউনিয়নটির ২১টি গ্রামের মধ্যে ১৮টি গ্রামই তলিয়ে গেছে। ইউনিয়নটির উত্তরে জালালপুর, পূর্বে-কপোতাক্ষ, দক্ষিণে- আশাশুনি উপজেলা এবং পশ্চিমে সাতক্ষীরা সদর অবস্থিত। গত ১৫ দিন ধরে ইউনিয়নটির ৪০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। ইউনিয়নটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মাদিয়ার খাল, শালিকা খাল, ছোট চর এবং বালিয়ার খাল পলিপড়ে ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়া অবৈধ দখলদারা এসব খালে নেট-পাটা বিছিয়ে মাছ চাষ করায় পানি সরবরাহ সিমীত হয়ে আসায় অল্প বৃষ্টি পাতেই এলাকাটি পানিবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

৩৫ হাজার ১৭০.৮৩ বিঘা জমি দ্বারা বেষ্টিতি ইউনিয়নটির ২৫ হাজার বিঘা জমি এখন পানির তলে। কয়েকশ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসা সমূহে। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সেবা। দেখা দিয়েছে রোগব্যাধি। দ্বিপের উপর প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়নটির স্বাভাবিক কার্যক্রমে এসেছে স্থবিরতা। শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলায় ইউনিয়নটির বিশেষ সূনাম থাকলেও পানি বদ্ধতায় ইউনিয়নটি তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। কালের স্বাক্ষী ৫০০ বিগার পাখিমারা বিল, ঐতিহ্য বাহী বটগাছ, বাবলা গাছের সুসজ্জিত র্দীর্ঘ ৫ কিঃ মিঃ রাস্তা, শাহাজাতপুর গ্রামের মোড়ল পাড়ায় অবস্থিতিত কয়েকশ বছরের একটি পূরনো মসজিদ, শালিখা গ্রামের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ১২ টি গেট সম্বলিত ১২ ফোকড় ব্রিজ সবই যেন তার অস্তিত্ব হারিয়েছে। প্রত্যন্ত এ অঞ্চলটি ঘুরে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। এসময় থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুফিজুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ওয়াজেদ আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরানো, সাতক্ষীরা পৌরসভাকে পুরোপুরি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করে স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরানো, আন্তঃনদী সংযোগ বিশেষ করে ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষকে খননের আওতায় এনে পানিপ্রবাহ সচল করণ, নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো পুনঃখনন করে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি, অকেজো হয়ে পড়ে থাকা স্লুইসগেটগুলো সংস্কারকরণ, পৌর এলাকার মধ্যে মৎস্য ঘের নিষিদ্ধকরণ, নদীগুলো খননের সঙ্গে সঙ্গে সংলগ্ন বেড়িবাঁধগুলোও টেকসই করে বেড়িবাঁধ বাঙন রোধ, বেড়িবাঁধে বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ, নদী ও খালেরপ্রবাহ বিঘিœত হয় এমন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ না করা, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগেই পানি নিষ্কাশনের পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ এবং লস অ্যান্ড ড্যামেজ নিরুপণের মাধ্যমে জলবায়ু ফান্ডের অর্থ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবী ভুক্ত ভোগীদের।

খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ কামরুল ইসলাম (লাল্টু) জানান, তার ইউনিয়নের ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এলাকার বেশিরভাগ ঘের ও ফসলি জমি ভেসে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দির এমনকি মানুষের বাড়ি-ঘরে পানিতে তলিয়ে গেছে। ইউনিয়ন যুব বিভাগ সভাপতি শিমুল হোসেন ও সেক্রেটারী আলি হুসাইন জানান, ইউনিয়নের মৎস্য ঘের, আমন ধান এর আবাদ, কাঁচা সবজি, হলুদ ক্ষেত, ঝাল বেগুনসহ বিল অঞ্চল বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কৃষকদের কৃষি ফসল ও মৎস্যঘের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। বহু মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। মানুষের স্বাবাভিক জীবন যাপন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ রাসেল জানান, প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে পানি সরানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিজে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন খাস খাল দখলমুক্ত করে পানি নামানোর ব্যবস্থা করছেন। এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য সকল ইউপি ও সরকারি দফতরে তথ্য চাওয়া হয়েছে। জেলাপ্রশাসকের কাছে দ্রুত সমাধানের জন্য আর্থিক চাহিদা দেয়া হয়েছে। পানি দ্রুত নামানোর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে বিভিন্ন খাল পরিষ্কার করছি। তিনি আরো জানান, পার্শ্ববর্তী জেলা যশোর থেকে আমাদের উপজেলার পানি আসার কারণে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিজুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিত নদী খনন, সংযোগ খাল উন্মুক্ত না থাকা এই উপজেলায় জলাবদ্ধতার মূল কারণ। এখনই যদি পদক্ষেপ না নেয়া হয় তাহলে খেশরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেকাংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, শুধু খেরশা ইউনিয়নটিতে কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধ্যা খা বাবলি জানান, উপজেলায় ৫২০টি মাছের ঘের সম্পূর্ণরুপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৮২৭ দশমিক ৪৫ টন মাছ ভেসে গেছে। মাও ওয়াজেদ আলী জানান, ভয়াবহ পানিবদ্ধতায় এলাকাজুড়ে পানি থাকায় স্যানেটারি ব্যবস্থায় পড়েছে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। সুপ্রিয় পানির অভাবের পাশাপাশি, চর্ম রোগ, পানিবাহিত রোগ, ডায়রিয়া জনিত রোগের আক্রান্ত বেড়ে গেছে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি আমন মৌসুমে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পাঁচ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমি আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১৪৯ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

২ দিন ধরে নিখোঁজ আশিকুজ্জামান আলভীর(১৩) সন্ধান চান পিতা শফিউল আলম। তার বাড়ি আশাশুনি উপজেলার মানিকখালী গ্রামে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর পিতা-মাতার উপর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে সাতক্ষীরার দিকে চলে আসে আলভী। দুই দিন অতিবাহিত হলেও আলভী আর বাড়ি ফেরেনি।

সম্ভাব্য সকল আতœীয়-স্বজনসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে খোজ করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে পিতা-মাতাসহ পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

যদি আলভীর সন্ধান কেউ পেয়ে থাকেন তাহলে তার পিতার ব্যহৃত ০১৭২৮ ২৪০৮৮৩ নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো:

আশাশুনিতে ছাত্র-জনতা হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকালে জনতা ব্যাংক চত্বরে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সিনি. যুগ্ম-আহবায়ক হাফিজুল ইসলাম।

সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগের উপস্থাপনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা শ্রমিকদলের আহবায়ক নূর ইসলাম মোড়ল ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নূর ই আলম সরোয়ার লিটন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবদলের আহবায়ক সাদিক আনোয়ার ছট্টু, সরদার রুহুল আমিন, স ম আক্তারুজ্জামান আক্তার, শফিউল আলম সুজন, ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে নির্বিচারে ছাত্র-জনতা হত্যা করেছেন তাতে বাংলার মানুষ তার জন্মদিন এ দেশে পালিত হতে দেবে না। দেশ নায়ক তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে দেশি-বিদেশী চক্র ষড়যন্ত্র করছে। তার বিরুদ্ধে যত মিথ্যা মামলা আছে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে দেশ নায়ককে দেশে না ফেরানো পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যহত থাকবে। এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল জনতা ব্যাংক চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার খাজরায় আওয়ামীরীগের স্বৈর শাসনের আমলে হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার বিএনপি কর্মী ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী আকোর পক্ষে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকালে খাজরা গ্রামে এ মানবন্ধনের আয়োজন করা হয়।
খাজরা ১নং ওয়ার্ডবাসীর আয়োজনে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগি ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী আকোন, উপজেলা শ্রমিকদলের সহ সভাপতি শাফায়াত হোসেন, ঈমাম ও খাজরা ইউনিয়ন মোজাহিদ কমিটির সভাপতি হাফেজ মিজানুর রহমান, শামছুর রহমান, মাস্টার জহুরুল ইসলাম, আবু মুছা খাঁ, জহুরুল মোল্যা, শাহনারা খানম প্রমুখ। মেম্বর ইয়াকুব আলী আকো তার বক্তব্যে বলেন, আমি দীর্ঘকাল বিএনপি করে আসছি। আমাদের পরিবারেরর সদস্যরা আজীবন বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত, আমাদের আশেপাশে কোন আওয়ামীগ নেই। ১৭ বছর আমরা আ’লীগের নির্যাতনের শিকার। আমার দোকানপাট ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিল।

১৬ সালে আমাকে মেরে হাত ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিল। আমাকে বিএনপি করার কারনে মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছিল। জামিনে ছাড়া পেয়ে তাদের হুমকী ও অত্যাচারে গ্রাম ছেড়ে পালাতে হয়েছির। ২ বছর পরবর্তীতে বাড়িতে ফিরে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে নৌকা কর্মী ও নেতাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হতে সক্ষম হই। আমি এলাকার মানুষের পাশে থেকে আওয়ামীরীগের সন্ত্রাসীদের থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে চেষ্টা করি। আমি ও আমার ছোট ভাই কৃষক দলের সেক্রেটারী মনিরুল ইসলামের নামে ২৩৮ ও ২৩৯ নং মামলা হয় থানায়। আওয়ামী সন্ত্রাসীরি আমাদের ঘেরভেড়ী লুটপাট করে নেয়। দলাদলির প্রেক্ষিতে আমাকে বিএনপির কাছে
দুশমন করতে গোপনে আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে নাম ঢুকিয়ে দেয়। গোপন রাখায় আমি জানতে পারিনি। সম্প্রতি জানতে পেরে আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছি। লুকিয়ে করা কমিটির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। অন্য বক্তারাও আওয়ামী নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে যুবদল নেতা মেম্বর ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
ভারতের পুরোহিত রামগিরি মহারাজ ও মহারাষ্ট্রের বিজিপির সাংসদ নিতেশ নারায়ন রানে কর্তৃক রাসুল (সাঃ) এর অবমাননা ও বায়তুল মোকাররম মসজিদের সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে শ্যামনগরে র‍্যালি ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ আসরের নামাজ বাদ থানা জামে মসজিদের সামনে থেকে র‍্যালিটি সদরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেসি কমপ্লেক্সের সামনে শেষ হয়।

পরবর্তীতে প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি, থানা মাদ্রাসার মুহতামিম ও উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মুফতি আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জামেআ হাম্মাদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মওছুফ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় শ্যামনগরে সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতা আয়োজনে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র উপস্থিতি ছিলেন। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,থানা মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোস্তফা কামাল, হাফেজ রবিউল ইসলাম, শ্রীফলকাটি দাওরা হাদিস মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি জিয়াউর রহমান, মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, আলহাজ্ব মাওলানা হাফিজুর রহমান, কুলতলি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হাফিজুর রহমান, হাসপাতাল জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা আজাদ হুসাইন প্রমুখ।

বক্তাগণ বলেন,গত আগস্ট মাসে রাসূল (সাঃ) -এর নামে কটূক্তি করেন- ভারতের মহারাষ্ট্রের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজ, তাকে সমর্থনকারী বিজেপির সাংসদ নিতেশ নারায়ণ রানে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় অসংখ্য মামলা হলেও এখনো রাজ্য সরকার তাদেরকে গ্রেপ্তার না করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, রামগিরি মহারাজ রাসূল (সাঃ) -এর নামে জঘন্যতম কটুক্তিমূলক বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মহারাষ্ট্রের মুসলিম জনতা। রামগিরির বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ৫০ টিরও বেশি মামলা হয়। রামগিরির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে একের পর এক মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিতে থাকেন মহারাষ্ট্রের বিজেপির হিন্দুত্ববাদী সাংসদ নিতেশ নারায়ন রানে।

বক্তরা আরো বলেন,ভারতের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজ আমাদের প্রাণপ্রিয় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর বিরুদ্ধে কটুক্তি করে বিশ্ব মুসলিমের কলিজায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। আমরা এসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) অবমাননাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সঠিক বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সদ্য অপসারিত খতিব মুফতি রুহুল আমিন জুম্মার নামাজ পড়ানোর চেষ্টা কালে মসজিদের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দেশ-বিদেশের সকল আলেম-ওলামা ও সাধারণ মুসলমানদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সাথে সাথে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার বেলা ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডেও চন্দনপুর গ্রামের মো: রাজু (৩৬) এর ছেলে আব্দুর রহমান (৯) পুকুরে ডুবে মারা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, আব্দুর রহমান তিন ভাইয়ের মধ্যে মেজো। দুই ভাই একসাথে পানিতে ভেলার উপর খেলা করছিলো এমন সময় তার মৃগীরোগ দেখা দেয় (হাত পায়ের শিরা কাপুনি দেয়) ছিলো। পানিতে থাকা অবস্থায় এই অসুবিধা হতে পারে বলে সকলের ধারনা।

চন্দনপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুলাহ পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন আব্দুর রহমানকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে ছোট ভাইটি অনেক চেষ্টা করলেও তাকে আর ভেলায় তুলতে না পেরে মাকে যেয়ে বলে মেজো ভাই পানিতে ডুবে গেছে। তখন পরিবারের ও প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় প্রায় চল্লিশ মিনিট পানিতে খোঁজাখুজির পর তাকে পাওয়া যায়।
তাৎখনিকভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তাকে স্থানীয় ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় আব্দুর রহমান এই পরিবারের ২য় সন্তান এবং স্থানীয় চন্দনপুর দাখিল মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। এঘটনায় এলাকায় শোক বিরাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এড. আব্দুর রহমান কলেজের কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে। কলেজের শিক্ষকসহ অভিভাবকরা অবিলম্বে ওই জালিয়াতির মাধ্যমে গঠিত কমিটি বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত একটি চিঠির মাধ্যমে শিক্ষকরা জানতে পারনে কলেজের এফ.ডি.আর ফান্ডের ১ লক্ষ টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত মো: সিরাজুল ইসলামকে আহবায়ক করে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অথচ এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মুজিদ এডহক কমিটির গঠনের জন্য আবেদন সহকারে প্রস্তাবনা প্রেরন করেন। কিন্তু অজানা কারনে সে কমিটি অনুমোদন না হয়ে কথিত কমিটির অনুমোদন হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কমিটি গঠনের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাৎক্ষনিক মিটিং করেন। সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয় জালিয়াতির মাধ্যমে গঠিত কোন কমিটিই মেনে নেওয়া হবে না। ওই কমিটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, বিগত ২০০৭ সালে ওই সিরাজুল ইসলাম এড. আব্দুর রহমান কলেজের সভাপতি থাকাকালে সংরক্ষিত তহবিলের (এফ.ডি.আরের) ১ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। সে সময় অধ্যক্ষ ছিলেন আখতারুজ্জামান। অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা হয়। উক্ত মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই তাকে অভিযুক্তকরে আদালতে চার্জশীট প্রদান করে।

এবিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মুজিদ বলেন, আমাদের পাঠানো প্রস্তাবিত কমিটির অনুমোদন না দিয়ে অন্য একটি কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটা কিভাবে এবং কেন হলো সেটা আমরা জানার চেষ্টা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিষধর সাপের কামড়ে জিয়াদ আলী গাজী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামে মৃত ইফান আলী গাজীর পুত্র।

বৃদ্ধ জিয়াদ আলী গাজীর পুত্র আব্দুল জলিল জানান, ভোর রাত ২টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর সাপে তাকে কামড় দেয়। সকালের দিকে তারা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে দ্রæত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরন করেন।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাপের কামড় দেয়া ওই রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেরিতে নিয়ে আসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest