নিজস্ব প্রতিনিধি : বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রিয় সমম্বয়কদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপত্বি করেন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ।

এসময় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপি আহবায়ক এ্যাড.সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো: রবিউল বাসার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা বিভাগীয় ছাত্র-জনতা মৈত্রী সফররত প্রতিনিধি দলের সমম্বয়ক মো: ওয়াহিদুজ্জামান,আকরাম হোসেন রাজ, আশরেফা খাতুন, আবু বকর খান, ফারহানা ফারিয়া, মইনুল ইসলাম, বিশ^জিৎ দত্ত, তৌহিদুল ইসলাম শুভ, মো; বাবু খান, জান্নাতসহ সাতক্ষীরার সমম্বয়করা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাতক্ষীরার সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়ন,দখলবাজী ও চাঁদাজীদের চিহিৃত করে ব্যবস্থা গ্রহন, মাদক নিমূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন, নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, জলবদ্ধাতা নিরসনে করনীয়সহ জেলার নানাবিধ সমস্যা চিহিৃত করে তার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধিঃ
দেবহাটা মৎস্য ঘেরে যাওয়ার পথে আবুল কাশেম (৪০) নামের একজনের বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে, মৃত আবুল কাশেন উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের মৃত বাবুর আলীর ছেলে, তিনি ১৬ই সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার দুপুর প্রায় ২ টার দিকে বাড়ি থেকে মৎস ঘেরে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে।

তার মৃত্যুর ব্যাপারে মোঃ রমজান আলী বলেন আমি খালে মাছ ধরছিলাম, সে দ্রুত আমার পাশ কাটিয়ে তার ঘেরের দিকে প্রায় ঘেরের কাছাকাছি পৌছালে হঠাৎ বজ্রপাত হয়, আমার থেকে একটু দূরে থাকার কারণে ভালো বুঝতে পারেনি তবে ওখান থেকে ধোয়া মতো উড়তে দেখি সেই সময় আশে পাশের লোকজন কে বলি, লোকজন গিয়ে তার বাড়িতে খবর দেই বাড়ির লোক ঘেরে গিয়ে দেখে তার নিথর দেহ পড়ে আছে ঘেরের ভেড়িতে, তার জীবন দশায় একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রেখে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা: দেবহাটায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী শহীদ আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত করেছেন সাতক্ষীরা জেলার নতুন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ ও নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মুনীর।

রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে ঢাকায় শাহাদাত বরণকারী সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার আষ্কারপুর গ্রামের কৃতি সন্তান নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত করেন এই দুই কর্মকর্তা।

এসময় এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় ও শহীদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মুনীর।

এসময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান, নওয়াপাড়া ইউপির (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, সাতক্ষীরা জেলার ছাত্র সমন্বয়ক নাজমুল হোসেন রনি, নাহিদ হাসান, মোহিনী তাবাসসুম, সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, ওমর ফারুক, মহিউদ্দিন, মুজাহিদ বিন ফিরোজ, সুহাইল মাহদিন সাদি, নাজমুল হোসেন, নুহা আনসারী, শান্তা ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহে অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অর্ধেক বাস ভাড়া কার্যকরের ঘোষনা দিয়েছেন বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ। রবিবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা শেষে তারা এমন ঘোষনা দেন।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের প্রধান, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত¡, সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপি সভাপতি প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর পরিচয়পত্র সরবরাহের পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার না করা ও ছাত্র-ছাত্রীদের উঠানামায় সহায়তার সিদ্ধান্ত হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আমির হোসেন, প্রভাষক রাফসান ইসলাম, মাহাবুবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক প্রেসক্লাব সভাপতি সামিউল আজম মনির,সহকারী প্রধান শিক্ষক হারুণ-অর রশিদ, আব্দুস সালাম, নজরুল ইসলাম, সাধারণ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ, রুহুল আমিন, বাস মালিক সমিতির নেতা নুরুল ইসলাম, ইসলাম গাজী প্রমুখ। এছাড়া সভায় শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের পরস্পরের সাথে সৌহার্দ্যপুর্ণ ব্যববহারের বিষয়টি আলোচায় প্রাধান্য পায়। মালিক সমিতির এমন সিদ্ধান্তে ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধিসহ শিক্ষকদের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানানো জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

“বিশ্বব্যাপী আলোচনা বা কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য যুবক। তাদেরকে আদর্শচ্যূত করার জন্য চলছে নানা রকম চক্রান্ত। সে ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া যাবেনা। হালাল-হারামের সীমা মেনে চলতে হবে। চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের কর্মসংস্থান করতে হবে। সমস্যায় কাতর না হয়ে যোগ্যতা অর্জন করে তা মোকাবেলা করতে হবে। দ্বীনের পথে চলাকে জীবনের প্রধান মিশন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মীদের নিয়ে শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জামায়াতের আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এসব কথা বলেন।

সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জিয়ারুল ইসলামের পরিচালনায় গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর জামায়াত কার্যালয়ের কাযী শামসুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মী শিক্ষাশিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক ওমর ফারুক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন ও শহর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আবু হামিমসহ প্রমূখ।

প্রধান অতিথি মুহাঃ রবিউল বাশার আরো বলেন, যৌবনকাল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যেক মানুষের অন্যতম নিয়ামত। যৌবনকালের দাবি হলো আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দেখানো পথে ও কল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মজবুত কদমে বলিষ্ঠতার সাথে এগিয়ে যাওয়া। এটা ঠিক যে, যুবকদেরকে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, তা উপেক্ষা করে আল্লাহর গোলামিয়াতের পথে থাকতে হবে। জীবন দর্শন হিসাবে ইসলামী আদর্শ আজ বিকশিত হচ্ছে। এ আদর্শকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব যুবকদেরকেই নিতে হবে।

শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “ইসলামী জীবনবোধে যুবকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্থান দেয়া হয়েছে। নবীগণ যুবক ছিলেন। নবীগণের অধিকাংশ অনুসারীগণও ছিলেন যুবক। তাই ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবকদেরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।” প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার উদ্যোগে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে সিরাত প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদপুর আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার এডহক কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম রবি, মাহমুদপুর আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাহমুদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুর রকিব, ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা বদিউর রহমান, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা আজাদুল ইসলাম, মাওলানা হাফিজুল ইসলাম,

ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম, মাওলানা ফেরদৌস, প্রভাষক আসান হাবিব, প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, রুহুল কুদ্দুস রয়েল সহ অতিথিবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী শরিফুল ইসলামের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও লুটপাটে হতবাক হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দলের ওই নেতার নিকট থেকে ব্যবসায়ী তন্ময় মন্ডল লুট হওয়া মোটরসাইকেলটি ফেরত পেলেও এখনও উদ্ধার হয়নি লুটকৃত ৮০ লক্ষাধিক টাকার মালপত্র।

এছাড়াও কাজী শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে আরও কয়েকজনের বাড়ি ও মৎস্যঘেরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরপরই কালিগঞ্জ উপজেলা জুড়ে একশ্রেণির অতি উৎসাহী জনতা ভাংচুরসহ নানা প্রকার নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এ সুযোগে মহাসমারোহে লুটপাট ও চাঁদাবাজির মিশনে নামেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কুশুলিয়া পুলিন বাবুর মোড় এলাকার কাজী নবীদুল ইসলাম ওরফে নবু কাজীর ছেলে কাজী শরিফুল ইসলাম (৩৫) ও তার কিছু সহযোগী। তারা ৫ আগস্ট রাত ১১ টার দিকে সংঘবদ্ধভাবে কুশুলিয়া গ্রামে অবস্থিত লক্ষ্মীনাথপুর গ্রামের মৃত বীরিঞ্চি মন্ডলের ছেলে তন্ময় মন্ডল (৪৮) এর মালিকানাধীন ‘সুদিপ্ত এন্টারপ্রাইজ’ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকানের সার্টার ভেঙে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মুরগির ফিড ও ৫ লক্ষ টাকার ঔষধসহ যাবতীয় মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে কাজী শরিফুলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী মৌতলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীনাথপুরে অবস্থিত ওই ব্যবসায়ীর আরেকটি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার ফিড ও বিভিন্ন মালপত্র লুট করে।

এ সময় তন্ময় মন্ডলের একটি বাজাজ ডিসকভার মোটর সাইকেলও লুট করে নিয়ে যায় তারা। লুটকৃত যাবতীয় মালামাল ও মোটর সাইকেল রাখা হয় কুশুলিয়ার পুলিন বাবু হাটখোলা সংলগ্ন কাজী শরিফুলের বাড়িতে। পরবর্তীতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা বিষয়টি জানতে পেরে কাজী শরিফুলের বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করে তন্ময় মন্ডলের ভাই বিকাশ মন্ডল ওরফে বিকাশ সাধুর কাছে ফেরত দেন। তবে অন্যান্য মালপত্র ফেরত পাননি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তন্ময় মন্ডল।

এদিকে সুদীপ্ত এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার দুলাল চক্রবর্তী জানান, ৫ আগস্ট রাত ১১ টার দিকে তাদের দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসী বাহিনী। যারা লুটপাটে জড়িত ছিল তাদের চিনতে পারলেও এই মুহূর্তে তাদের নাম বলা সম্ভব নয়। এ পর্যন্ত কোনো মালামাল উদ্ধার না হলেও লুট করে নিয়ে যাওয়া মোটর সাইকেলটি উদ্ধার হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কুশুলিয়া গ্রামের বিএনপির এক সিনিয়র নেতা জানান, ৫ আগস্ট থেকে এখনো পর্যন্ত নিরবে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে শরিফুল ইসলাম। তার বাড়ি থেকে তন্ময় মন্ডলের মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছিল। কাজী শরিফুল ইসলামের এ ধরণের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সুনাম নষ্ট করছে বলে জানান ওই বিএনপি নেতা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুশুলিয়ার ইউনিয়নের আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। সুদীপ্ত এন্টারপ্রাইজে ৫ আগস্ট লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে স্বীকার করলেও তিনি ওই ঘটনার সাথে জড়িত নন এবং তার বাড়ি থেকে মোটর সাইকেল উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কাজী আবু সাঈদ সোহেল তার সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক কাজী শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে তন্ময় মন্ডলের মোটর সাইকেল উদ্ধারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর দলের অনেকে না বুঝে কিছু কিছু অপকর্ম করেছে। তবে যারা অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়েছিল এবং এখনো অপকর্ম করছে তাদের অপরাধের প্রমাণ পেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় ‘কপোতাক্ষ নদ অববাহিকার পাখিমারা বিলের পলিদ্বারা ভরাট হওয়া খাল জরুরীভাবে খনন এবং বাস্তবায়িত টিআরএম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবীতে’ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় তালা প্রেসক্লাবে পাখিমারা টিআরএম বিল এলাকার অধিবাসী আয়োজনে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

পাখিমারা টিআরএম বিল কমিটির বালিয়া এলাকার সভাপতি মোঃ আব্দুল আলীম সাংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্য বলেন, কপোতাক্ষ অববাহিকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা তালা উপজেলাধীন পাখিমারা বিলে সরকার কর্তৃক জোয়ারাধার তথা টিআরএম কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে সমগ্র কপোতাক্ষ অববাহিকার ভুক্তভোগী মানুষ জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্ত হয়েছে কিন্তু আমরা পাখিমারা বিল অধিবাসীরা টিআরএম দ্বারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। টিআরএম বন্ধ হওয়ার পর ক্ষতিসমূহ এখনও অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, টিআরএম বাস্তবায়িত হওয়ার কারণে বিলের মধ্যে নিস্কাশন খালগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়েছে। পেরিফেরিয়াল বাঁধ সংস্কারের নামে কর্তৃপক্ষ বালিয়া কাটপয়েন্ট থেকে ১ কি,মি, দূরে সংযোগ খাল বেঁধে টিআরএম কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ফলে এই সংযোগ খাল জোয়ারের পলি দ্বারা দ্রæত ভরাট হয়ে পানি নিস্কাশনের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এখন নদী থেকে বিলের মধ্যে পানি উঠানো হলে সে পানি যেমন নামতে পারছে না তেমনি বিলের মধ্যে বর্ষার পানিও নিস্কাশিত হতে পারছে না, সমগ্র বিল এখন জলাবদ্ধ কবলিত। যার কারণে বিলে ধান চাষ, মাছ চাষ এবং সবজি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। মানুষের জীবিকা ও ভরণ পোষণ নির্বাহের জন্য জরুরীভাবে সংযোগ খালসহ বিলের খাল খনন করা প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত ঃ বিলে যতোদিন টিআরএম বাস্তবায়িত হয়েছে সেই হিসেবে জমির মালিকরা প্রাপ্য অর্থের মাত্র ১৮% টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, এখনও ৪৬ কোটি টাকা সরকারের কাছে বকেয়া আছে যা না পাওয়ায় এলাকাবাসীদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়েরনিকট জনগণের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোন সিদ্ধান্ত এখনও পর্যন্ত আমরা অবগত হতে পারেনি।

জনগণের দাবী : পাখিমারা বিলে পলি দ্বারা ভরাট হওয়ায় সংযোগ খাল ও অন্যান্য খালগুলো খননের জন্য জরুরীভাবে প্রকল্প গ্রহণ এবং অতিদ্রæত বাস্তবায়িত টিআরএম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা করা।

আব্দুল আলীম বলেন, সম্প্রতি বিল এলাকায় জরুরীভাবে পানি নিস্কাশনের জন্য ১কি,মি, খালে একটি প্রণালী সৃষ্টির জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা এবং উত্তরণ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছেন।
সংযোগ খালে প্রণালী সৃষ্টি হলে সাময়িকভাবে কিছু উপকার পাওয়া যাবে, তবে দ্রæত সময়ের মধ্যে জোয়ারের পলি দ্বারা এ প্রণালী আবারও ভরাট হবে এবং আমরা বিশ্বাস করি বিলের মধ্যের খালগুলো পূর্বাবস্থায় থাকায় জলাবদ্ধ সমস্যা থেকেই যাবে। মূলতঃ সংযোগ খাল ও ভিতরের পলি ভরাটকৃত খালগুলো পূর্ণ ডিজাইনে খননের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ জরুরী হয়ে পড়েছে।

আব্দুল আলীম বলেন, আমরা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলকে আপনাদের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আপনাদের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ পাখিমারা বিল অধিবাসীদের জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচাতে তাদেরজীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে আপনারা আমাদের পাশে দাঁড়ান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest