নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, আমরা অতিতে অনেক সরকার দেখেছি, অনেকে বিভিন্ন সংস্কার করেছেন, বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন, কিন্তু কোন কর্মসূচি মানুষকে শান্তি দিতে পারেনি।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে সাতক্ষীরা আলামিন ট্রাস্টে সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমান অডিটোরিয়ামে রুকনদের নিয়ে দিন ব্যাপি শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। শিক্ষা শিবিরে, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, শেখ নুরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারী প্রফে. ওবায়দুল্লাহ, প্রফে. ওমর ফারুক, মাহবুবল আলম, জেলা কর্মপরিষদ এ্যাড.আব্দুস সুবহান মুকুল, ডা.মাহমুদুল হক, জামশেদ আলম, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, মাওলানা ওসমান গনি, অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেস, শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম, সেক্রটারী খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, সদর আমীর মাওলানা শাহাদাত হোসেন, শহর ছাত্র শিবিরে সভাপতি আল মামুন, জেলা শিবিরের সভাপতি ইমামুল হোসেন, ছাত্র নেতা এড আবু তালেব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, আমারা বিশ্বাস করি, মানব রচিত মতবাদ ভূলে ভরা। এটা একটা ভূল মতবাদ। যতদিন এই মতবাদ নিয়ে যারা আন্দোলন করবে, রাজনীতি করবে, তাদের দ্বারা দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা কিছুতেই সম্ভব হবেনা। বরণ আল্লাহর যে মতবাদ, আল্লাহর যে দ্বীন, এটাই ইসলাম, এটাই হক, এটিই সঠিক, কোন ভুল এখানে নাই। এই নির্ভুল জীবন বিধান ইসলামী আইন যতদিন কায়েম না হবে ততদিন পর্যন্ত এ দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশানসহ আরো যারা কুরআনের আইন চাই তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে হলে মানব রচিত মতবাদকে বাংলাদেশে জায়গা দেওয়া যাবে না। তিনি আরো বলেন, আমরা করআন- সুন্নার আইন বাংলাদেশে কায়েম করবই করবো ইনশাল্লাহ। ইয় আমাদের জীবন শহীদ হয়ে যাবে না হয় দেশে কুরআন সুন্নার আইন চালু হবে।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরো বলেন, বিগত যারা মানুষ খুন করেছে, খুনি সরকার, তাদেরকে বিচারের মুখো মুখি করে তাদের শান্তি নিশ্চিত করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গেøাবাল টেলিভিশন ও দৈনিক আজকের তথ্যের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রাহাত রাজর সুস্থতা কামনা করে দোয়া করছেন দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার প্রকাশক শেখ নুরুল হুদা।

এসময় দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার জেলা সংবাদদাতা আবু সাইদ বিশ্বাস, দৈনিক লাখ কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি ফিরোজ হোসেন, গণজাগরণ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহজান উপিস্থিত ছিলেন।

শেখ নুরুল হুদা রাহাত রাজার দ্রæত সুস্থতার কামনা করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া করেন।
রাহাত রাজা গত কয়েক দিন ধরে সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে ধিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে ১৬ বছর পর প্রকাশ্যে রুকন সম্মেলন ও শিক্ষা বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা।
শুক্রুবার (২০ সেপ্টেম্বর ) সকাল থেকে সাতক্ষীরা আলামিন ট্রাস্টে সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমান অডিটোরিয়ামে এই শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।

সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

কর্মশালায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনা রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর, উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। রুকন সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর, শেখ নুরুল হুদা,সহকারী সেক্রেটারী প্রফে. ওবায়দুল্লাহ, প্রফে. ওমর ফারুক, মাহবুবল আলম, জেলা কর্মপরিষদ এ্যাড.আব্দুস সুবহান মুকুল, ডা.মাহমুদুল হক, জামশেদ আলম, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, মাওলানা ওসমান গনি, অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেস, শহর আমির জাহিদুল ইসলাম, সেক্রটারী খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, সদর আমীর মাওলানা শাহাদাত হোসেন, শহর ছাত্র শিবিরের সভাপতি আল মামুন, জেলা ছাত্র শিবরের সভাপতি ইমামুল হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এ বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে দল-মত-নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় রুকনদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সকল পর্যায়ে দায়িত্বশীল মানুষ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন দেশটাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী যেন সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।

বিশেষ অতিথি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা মানুষের মর্যাদা দেয়নি, বরং আমাদের ক্ষেত্রে সব সময় শূন্য সহনশীলতা দেখানো হয়েছে। আমাদের ওপর অঘোষিতভাবে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ আগে থেকেই ছিল। এমন কোনো জুলুম-নির্যাতন নেই, যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। প্রথমসারির সকল নেতাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই রোধ করতে পারেনি।

বরং শত শাহাদাত ও জুলুম-নির্যাতনের পথ ধরেই জামায়াত কাক্সিক্ষত গন্তব্যে সফলভাবেই অগ্রসর হচ্ছে। আগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: পানির তীব্র তোড়ে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই দিনে ভেঙ্গে গেছে বেত্রবতী নদীর ৩ সেতু।এরমধ্যে একটি বেইলি ব্রিজ ও অপর ২টি কাঠের।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্রিজগুলো ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে। এতে কলারোয়া উপজেলা সদর ও পৌরসদরের সাথে পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ড ও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একই সাথে কলারোয়ার সাথে যশোরের কেশবপুর, মনিরামপুর ও ঝিকরগাছা উপজেলা, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সাথেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কলারোয়া পৌরসভার অধিবাসি আসাদুজ্জামান জানান, গত বছরের আগস্টে উপজেলা ও পৌর সদরের প্রাণকেন্দ্র পশুহাট মোড়ের বেত্রাবতী নদীর উপর পাকা ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু হয়।

এরপর ৮ মাস বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের মে মাসে আবার কাজ শুরু হলে পুরানো ব্রিজটি ভেঙে ফেলে যাতায়াতের বিকল্প হিসেবে পাশে লোহার বেইলি ব্রিজ স্থাপন করা হয়। সেই বিকল্প বেইলি ব্রিজটিই হয়ে পড়ে উপজেলার জালালাবাদ,বাটরা,কয়লাসহ ৬ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩ ওয়ার্ডের মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। বৃহস্পতিবার সকালে সেই বিকল্প ব্রিজটি পানির তোড়ে ধ্বসে যেয়ে রাস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।এতে করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। পৌরসভার কাঁচাবাজার এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম জানান, পৌরসদরের তরকারি বা কাঁচা বাজার ও মাছ বাজার সংলগ্ন কাঠ ও বাঁশ দিয়ে নির্মিত সাঁকো কিছু দিন আগে ভেঙ্গে যায়।

সম্প্রতি সেটা যাতায়াতের উপযোগী করা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবার সকালে বেত্রবতী নদীর পানির ব্যাপক তোড়ে কাঠের সাঁকোটি মাঝখান থেকে ভেঙ্গে দু’খন্ড হয়ে যায়। এতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সাকো ব্যবহারকারী দু’পাড়ের মানুষের যাতায়াত। গোপিনাথপুর এলাকার আরিফ মাহমুদ জানান, পৌরসভার গোপিনাথপুর তারকনন্দী নামক স্থানের কাঠের বড় সেতুটির মাঝবরাবর ভেঙে যেয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কলারোয়া পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া বেত্রবতী নদীর উভয় পাশে ৬টি করে মোট ১২টি ইউনিয়ন রয়েছে। এতে পূর্ব পাশের ৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডের সাথে পশ্চিম পাশের কলারোয়া উপজেলা সদর ও পৌর সদরসহ ৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৬টি ওয়ার্ডের যোগাযোগ বহুলাংশে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে উপজেলার ওই ৬ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩ ওয়ার্ডের মানুষ সহজে আর কলারোয়া উপজেলা সদরে আসতে পারছেন না। তেমনি নদীর এপারের ৬ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৬টি ওয়ার্ডের মানুষ ওপারে যেতে পারছেন না। এখন নদী পারাপার ও ওই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের একমাত্র পথ থাকলো উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পৌরসভাধীন মুরারীকাটি হাইস্কুলের পাশে অবস্থিত পাকা ব্রিজটি। সেতু মেরামতের বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কান্তি দাশ বলেন,‘‘ আমরা কাঠের সেতু দুটো ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নিচ্ছি। এক/দু’দিনের মধ্যে কাঠের সেতু দুটো সংস্কার করা হবে। ‘’ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জানান,‘‘ বেইলি ব্রিজটি সওজের আওতাধীন। আমরা সওজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলার জনজীবন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্রমাগত ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, লবণাক্ততার প্রসার এবং জলাবদ্ধতার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ তাদের জীবিকা এবং নিরাপত্তা হারাচ্ছে। বিশেষত, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সংগ্রাম করছেন, যা তাদের আর্থিক, সামাজিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। উপকূলীয় এলাকার এই সংকট নিরসনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে জরুরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় স্বদেশ সভাকক্ষ, কাটিয়া, সাতক্ষীরাতে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স এর সহযোগিতায় এবং সাতক্ষীরা জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম আয়োজিত অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভায় এই দাবি তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি প্রফেসর মোঃ আব্দুল হামিদ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সদস্য সচিব মাধব চন্দ্র দত্ত, আবুল কালাম আজাদ, ফরিদা আকতার বিউটি, শেখ আফজাল হোসেন, জোৎস্না দত্ত, একোব্বর হোসেন, শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, আমিনা বিলকিস ময়না, নিত্যানন্দ সরকার সহ আরো অনেকে।

উক্ত সভায় উপকূলের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বক্তারা বলেন সাতক্ষীরার নদ-নদীগুলোর জলধারণ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার ফলে অধিকাংশ অঞ্চল দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। এছাড়া, সাইক্লোন আম্পান ও ইয়াসের মতো বড় দুর্যোগ এই এলাকার নদীবাঁধগুলোকে দুর্বল করে দিয়েছে, যার ফলে স্থানীয় জনসাধারণের জন্য স্থায়ী আশ্রয় এবং জীবিকা নিশ্চিত করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বক্তারা আরো বলেন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সাতক্ষীরার দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও, টেকসই সমাধানের অভাবে তারা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না। অনেকে জলবায়ু উদ্বাস্তু হিসেবে বিভিন্ন শহরে কাজের খোঁজে পাড়ি জমাতে বাধ্য হচ্ছেন, যা নতুন সামাজিক সমস্যার জন্ম দিচ্ছে। এজন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা মোকাবিলায় সাতক্ষীরার জনগণের জন্য টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের আহŸান জানাচ্ছে জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের নেতৃবৃন্দ। বিশেষ করে, লবণাক্ততা প্রতিরোধ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, শক্তিশালী নদীবাঁধ নির্মাণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি হ্রাসে শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ও সভায় জলবায়ু পরিবর্তন রোধকল্পে আগামী ৬ মাসের জন্য কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সভায় আলোচিত পরিকল্পনাসমূহ উপকূলের জনমানুষের অধিকার রক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে ফোরামের প্রত্যাশা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলার নবাগত পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার নের্তৃত্ববৃন্দ। গতকাল দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালের এ এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত পাশাপাশি জননিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে সবাগত পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সজীব খান, পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুর রহমান জামায়াত নেতাদের কথা গুরুত্ব সহকারে শ্রবন করেন। পুলিশের কার্যক্রম আরো গতিশিল করতে জামায়াত নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাতক্ষীরা বাসির সহযোগীতা কামনা করেন পুলিশ সুপার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুল, শেখ নুরুল হুদা, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রটারী মাহবুবুর আলম, কর্মপিরষদ সদস্য জামশেদ আলম, শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন, জেলা শিবিরের সভাপতি ইমামুল হুসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ হাসান। এছাড়া মতবিনিময় করেন দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা সংবাদদাতা আবু সাইদ বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নিজের বিরুদ্ধে মহা ষড়ডন্ত্র চলছে অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জহুরুল হক আ্প্পু। দলীয় কোন্দলের অংশ হিসেবে তাকে রাজনীতির মাঠ থেকে দুরে সরাতে আ’লীগ দলীয় সাবেক এমপি জগলুল হায়দারের সহযোগী আব্দুর রহমান ও মোকছেদকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্রের জাল বুনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। ১৯ (সেপ্টেম্বর)বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক জহুরুল হক আপ্পু।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন দাবার গুটি হিসেবে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলামকে ব্যবহার করছেন স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ। চক্রান্তের অংশ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের একটি ‘ভুয়া’ অভিযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা। ভাতিজা হাফিজ আল আসাদ কল্লোলকে যুবদলের সাম্বব্য নেতৃতৃ¦ থেকে সরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্রের জালে তাকেও জড়িয়ে দেয়ার চক্রান্ত চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল হক আপ্পু বলেন, সম্প্রতি যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুলের লোকজন এক নারীকে দিয়ে যুবদল নেতা কল্লোসহ তার বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের মিথ্যা অভিযোগের ভিডিও ধারণ করিয়েছেন। এমনকি ভিডিও ধারণের পুর্বমুহুর্তে ক্যামেরার সামনে কি বলতে হবে- সেসব কথাও শিখিয়ে দেন ঐ যুবনেতার সহকারী মিজান। যা পাশের থাকা অপর এক ব্যক্তির ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

এসবের ধারাবাহিকতায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবেস আনোয়ারুলের ফুফাত ভাই মোকছেদ সংবাদ সম্মেলন করে গত ৫ আগষ্ট তার(জহুরুল) নেতৃত্বে স্থানীয় কাতখালী ভুমিহীন পল্লীতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তুলেছেন। ঘটনার ৪০ দিন পর এমন সংবাদ সম্মেলনে বিস্ময় প্রকাশ করে বিএনপির এ বলেন, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের পায়তারা চলছে। সাবেক আ’লীগ দলীয় এমপি জহুরুল হায়দারের সহযোগী আব্দুর রহমান বাবুর পরামর্শে যুবদল নেতা আনোয়ারুলসহ স্থানীয় বিএনপির কয়েক নেতা এসব ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ তার। নিজের বিরুদ্ধে আনীত যাবতীয় অভিযোগের সত্যতা তদন্তে উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন এ বিএনপি নেতা। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ডিএম মফিজ, আশিকুল হাসান, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক হাফিজ আল আসাদ কল্লোল ও নুরনবী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আইন ও সলিশ কেন্দ্রের আয়োজনে শিশু যৌনশোষণ প্রতিরোধ বিষয়ক সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ হতে শিশু যৌনশোষণ প্রতিরোধ বিষয়ক ক্যাম্পেইন সাইকেল র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি উদ্বোধন করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো: রিয়াজুল ইসলাম।

স্বদেশ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের উপস্থিতে র‌্যালিটি শুরু হয়ে প্রথমে সাতক্ষীরা সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে যেয়ে ছাত্রদের মধ্যে শিশুর যৌনশোষণ বিষয়ক আলোচনা ও লিফলেট বিতরন করে পরবর্তীতে প্রধান সড়ক হয়ে সাতক্ষীরা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যেয়ে আলোচনা ও লিফলেট বিতরন শেষে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সড়ক প্রদীক্ষণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে যেয়ে র‌্যালী শেষ হয়।

উক্ত র‌্যালিতে সাংস্কৃতিক দলের মাধ্যমে শিশু বিষয়ক বিভিন্ন শ্লোগান ও গানে গানে মুখরিত করে। র‌্যালি শেষে সমাপণী অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন শিশু সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক শিক্ষাবিদ আব্দুল হামিদ। উক্ত ক্যাম্পেইন সাইকেল র‌্যালীতে অংশ করেন বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত ও আইন ও সালিশ কেন্দ্র কর্তৃক গঠিত চেঞ্জ এজেন্ট ও শিশু দলের সদস্যসহ আইন ও সালিশ কেন্দ্র সুফাসেক প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সাতক্ষীরায় “স্টেপ আপ দি ফাইট এগেনষ্ট সেক্সচুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন: এম্পাওয়ারিং চিলড্রেন এন্ড কমিউনিটিস্” প্রকল্পটি টেরে ডেস হোমস (টিডিএইচ), নেদারল্যান্ডস এর অর্থায়নে শিশু যৌন শোষন প্রতিরোধে শিশুদের ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest