আসাদুজ্জামান : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন, দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের বিশ দাঁত ভেঙে দিয়ে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হোক আজকের অঙ্গীকার।

ষড়যন্ত্রকারীরা চায় না এদেশের মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পাক। হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

সাতক্ষীরার কলারোয়া ফুটবল ময়দানে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সত্য কারা মুক্ত সাতক্ষীরা এক আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দিন ও ড্যাব নেতা ডাক্তার শহিদুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসানসহ জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বিশাল এই জনসভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান আরো বলেন, দীর্ঘ দেড়দশক ধরে বিএনপি ও বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দের উপর পতিত স্বৈরাশাসক অকথ্য নির্যাতন করেছে। কিন্তু জনতার দুর্বার আন্দোলনে স্বৈরাচারী দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পতন হলেও জনগণের ভোটের অধিকার না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন এই অঞ্চলের আম, চিংড়ি ও সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশে উন্নয়ন সম্ভব। কিন্তু জনগণের সরকার ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন সম্ভব না।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে রাস্তার পাশে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালান মাহবুর মোড়ল। হতদরিদ্র এই মানুষটির একটি হাত নেই, তবুও হারাননি মনোবল। মাহবুর মোড়লের এই সংগ্রামী জীবনকে স্বীকৃতি দিয়ে তার জীবিকা নির্বাহ সহজ করতে রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির তাকে একটি ভ্যান ক্রয়ের জন্য নড়দ টাকা ও চালসহ ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন। জেলা প্রশাসনের এই মানবিক সহায়তা উপস্থিত অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

মাহবুর মোড়লের মতো সংগ্রামী মানুষদের জন্য এ ধরনের সহায়তা শুধুমাত্র আর্থিক নয় বরং এটি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখে। এমন মানুষদের প্রতি সহানুভ‚তির দৃষ্টি রেখে সহায়তা করা সমাজের সকলের দায়িত্ব। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ সমাজের অন্যান্য স্তরের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা যায়।

মাহবুর মোড়লের প্রতিটি দিনই সংগ্রামের গল্প। তার সাহসিকতা আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন এই সহায়তার মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে মানবিকতা এখনও বেঁচে আছে এবং সমাজের অন্যদেরও এমন মানুষদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে উৎসাহিত হওয়া উচিত। এই সহায়তা মাহবুর মোড়লের জীবনের চাকা সচল রাখার পাশাপাশি তার আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাতক্ষীরার সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, আমি ও আমার নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া অন্যায়ের কাছে কখনও মাথানত করেনি। দেশের ক্রান্তিকালে শেখ হাসিনা দুই দুই বার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও আমি ও আমার নেত্রী দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসার কারনে দেশ ছেড়ে যায়নি। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা হাইস্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনার জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পর্যন্ত করাতে দেননি। অথচ খালেদা জিয়া তো এখন মুক্ত হয়েছেন, তবে এখন হাসিনার চিকিৎসা করাবে কে ? শেখ হাসিনা আমাকে ৭০ বছরের সাজা দিয়েছিল। আমার আমেরিকার ভিসা ছিলো, কানাডার ভিসা ছিলো, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই বলেছিল আপনি চলে যান। আমি যাইনি। আমি পরীক্ষায় দিয়েছি। আমরা নির্যাতিত হয়েছি কিন্তু কোন নির্যাতন করবো না। আমরা চেয়েছিলাম হাসিনা মুক্ত বাংলাদেশ আমরা সেটি পেয়েছি।
তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃনাল কান্তির সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক নেতা আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা বিভাগীয় কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম তুহিন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসান, সাবেক এমপি হাবিবের স্ত্রী হাইকোর্টের আইনজীবি শাহানারা পারভীন বকুলসহ অন্যান্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, তালা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।

এদিকে, শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার সাজানো মামলায় দীর্ঘ ৪ বছর কারাভোগের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় পা রাখলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। হাজার হাজার নেতাকর্মীরা এসময় সড়কের দুই ধারে দাঁড়িয়ে তাকে এক নজর দেখার জন্য অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকে।

উল্লেখ্য ঃ ২০০২ সালে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার সাজানো মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ৭০ বছর কারাদ্বন্ড প্রদান করে বিচারিক আদালত। এ মামলায় বিএনপি’র আরো ৪৯ নেতা কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে কারাবন্দি অবস্থায় ৪ জন মৃত্যু বরণ করে। ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পাল্টে যায় দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে হাইকোর্ট ডিভিশনের ১১ নম্বর বেঞ্চ এ মিথ্যা মামলায় হাবিবসহ ৪৬ জন জামিনে মুক্তি পায়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আটুলিয়া (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের বিড়ালাক্ষী গ্রামকে মাদকমুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে ৬ই সেপ্টেম্বর মাদক মুক্ত কমিটির সমন্বয়ক শরিফুল ইসলাম জুয়েল এর সভাপতিত্বে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ

তে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষী কাদেরিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুর রউফ।আরো উপস্থিত ছিলেন নওয়াবেঁকী বাজার কমিটির সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান মনি, ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আকতারুজ্জামান লিটিল, উৎসর্গ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রউফ, ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ইতঃপূর্বে এলাকাটি মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের অভয়ারণ্য ছিল।

এ জন্য গ্রামের যুব সমাজ একত্রিত হয়ে বর্তমানে এই গ্রামকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করেছে। এখন থেকে কোন বহিরাগত অথবা স্থানীয় ব্যক্তি যদি মাদক বিক্রয় অথবা সেবন করে তবে তাদেরকে ধরে আইনের কাছে সোপর্দ করবে বলে তারা শপথ গ্রহণ করেছে।

বিড়ালাক্ষী আশ্রয়ন প্রকল্পের কোন ঘরে যদি মাদকসেবী থাকে বা কোন অনৈতিক কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয় তাহলে এলাকার যুব সমাজ মিলে সেই ঘরকে সিলগালা করে দেবে বলে জানিয়েছে। মাদকের কারণে এলাকার উঠতি বয়সী তরুণরা বিপথে চলে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে।এ থেকে রক্ষা করে তাদেরকে লেখাপড়া এবং অন্যান্য কাজে যুক্ত করার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন তারা তা নিবে বলে জানিয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করায় এলাকাবাসী তাদেরকে স্বাগত জানিয়েছে। এখন থেকে আর কেউ যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহ ইউনিয়ন কৃষকদলের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে বাঁশদাহে ইউনিয়ন কৃষকদলের আহŸায়ক ডাক্তার এস এম আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম রবি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ আনারুল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামরুজ্জামান , সদর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব সাইলুর রহমান বিশ্বাস, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের সম্মানিত সদস্য আব্দুস সালাম, বাশদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামরুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ন আহবায়ক লিয়াকাত আলী, যুগ্ম-আহবায়ক মফিজুল ইসলাম, ঘোনা ইউনিয়ন কৃষকদলের আহবায়ক সাইফুজ্জামান মিলন, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মজনুর রহমান , এরশাদ আলী মিল্টন ,

বাশদাহ ইউনিয়ন বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক মাস্টার শাহিনুর রহমান,ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মোরশেদ আলম, ভোমরা ইউনিয়ন কৃষকদলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, সদস্য সচিব মামুন, কুশখালী ইউনিয়ন কৃষক দলের আহŸায়ক আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জুয়েল রানা, বাঁশদাহ ইউনিয়ন কৃষকদলের দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান যুগ্ন আহবায়ক জুয়েল রানা, হাজী ফরহাদ হোসেন, নাহিদ হাসান, নাজমুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন, মুজাহিদ হোসেন, রিপন হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আকতারুল ইসলাম,জাহিদ হাসান রাজ বাবু সহ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দিন আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে ঘেরের বাসা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর সরদারের ছোট ছেলে রাজা সরদার (২০)।

শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাই বাদশা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ঘের পাহারা দেওয়ার জন্য বাসায় এসেছিল। সকালে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ার কারণে তার বড় ভাই বাদশা সরদার ঘেরে এসে দেখে তার গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় দরজার সামনে ঘরের মধ্যে মাটিতে পড়ে আছে।

আশাশুনির থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, মানিক খালির ব্রিজের নিচে ঘেরের বাসা থেকে একটি যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পরে এর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলামসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দুটি আদালত আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল সাতক্ষীরা আমলী ১ নং আদালতে ভুক্তভোগী বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ওয়াছের আলীর পুত্র কুদ্দুস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলাম সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, বালিয়াঙ্গা গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাবিয়া খাতুন, হাফিজুল ইসলামের পুত্র হাবিবুর রহমান, মৃত ছামসুদ্দীনের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহাঙ্গীরের পুত্র জাহিদ হোসেন, কুচপুকুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, আফসার আলীর পুত্র ইয়াছিন আলী, মৃত সিরাজুল ইসলামের কন্যা লাভলী, মনিরুল ইসলামের পুত্র শাহিন হোসেন ও শামীম হোসেন। মামলার বিবরনে জানা গেছে, ২০১৯ সালে তৎকালিন সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের কুদ্দুসের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি ১ লক্ষ টাকা দিলেও পর বাকী ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ১৯ সালের ২৫ জুলাই মহিদুলের নেতৃত্বে এস তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামীরা কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট এবং ভাংচুর করে। দীর্ঘ সময় ধরে তার বাড়িতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সে সময় উপযুক্ত পরিবেশ না থানায় ভুক্তভোগী মামলা করতে পারেনি। বর্তমানে অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ন্যায় বিচারের আশায় এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।

একই অভিযোগে আমলী ১ নং আদালতে তানিয়া খাতুন ওরফে আফরোজা খাতুন বাদী হয়ে সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অন্যান্য আসামীরা হলেন, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আহম্মদ সরদারের পুত্র গফফার, হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাবিয়া খাতুন, হাফিজুলের পুত্র হাবিবুর রহমান, মৃত ছামসুদ্দিনের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহাঙ্গীরের পুত্র জাহিদ হোসেন, মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, আফসার আলীর কন্যা ইয়াছিন আলী, রসুলপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুনের পুত্র মেহেদী হাসান, মনিরুল ইসলামের পুত্র শাহিন হোসেন, শামিম হোসেন এবং কুশখালী এলাকার সাবেক পুলিশ সদস্য বাবু।

মামলার বিবরনে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তানিয়া খাতুনের স্বামী ইদ্রিস মোড়ল বিএনপি কর্মী হওয়ায় পুলিশ কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম ২০১৯ সালে তার স্বামীর কাছে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি ১ লক্ষ টাকা দিলেও পর বাকী ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ১৯ সালের ২৫ জুলাই মহিদুলের নেতৃত্বে এস তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামীরা বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট এবং ভাংচুর করে। দীর্ঘ সময় ধরে তার বাড়িতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সে সময় উপযুক্ত পরিবেশ না থানায় ভুক্তভোগী মামলা করতে পারেনি। বর্তমানে অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ন্যায় বিচারের আশায় এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে সাতক্ষীরা জেলায় বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড মোড়স্থ শহীদ আসিফ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দফা এক, দাবি এক – সাতক্ষীরার এসপি বহাল থাক,আমাদের দাবি,আমাদের দাবি- মানতে হবে,মানতে হবে,

প্রঙ্গাপন বাতিল কর-করতে হবে ইত্যাদি শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে মিছিলটি।

বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে তারা। এরপর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমম্বয়ক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমম্বয়ক নাজমুল হাসান রনি বলেন, সাতক্ষীরাতে আগে পুলিশের যে চাঁদাবাজি চলত,,এসপি মতিউর রহমান সিদ্দিকী আসার পর থেকে অনেক কমে এসেছে।

আন্দোলনের সময় সারা দেশে যখন লাশের স্তুপ জমা হচ্ছিল, সে সময় সাতক্ষীরায় একটি লাশও পড়েনি। ছাত্রদের ওপর গুলি চালাতে নিষেধ করেছিলেন তিনি।

এছাড়া আন্দোলনের সময় আহতদের পুলিশ সুপার নিজে চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন এবং মাইক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরযায়ে সহায়তা করেছেন।এমন এসপিকে সাতক্ষীরায় বহাল রাখার জন্য জোর দাবি জানান তিনি। নইলে আন্দোলন জোরদারের হুমকি দেওয়া হয়।

সকল কর্মসূচিতে নাজমুল হাসান রনি ছাড়াও
উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক নাহিদ হাসান,মোহিনী তাবাসসুম,সাদ্দাম হোসেন,ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ,রিফাত হোসেন,সুহাইল মাহদিন সাদি,নাজমুল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত,সম্প্রতি ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগের পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলামকে সাতক্ষীরার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। আর সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest