সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

নাইজেরিয়ায় কলেরা মহামারিতে ৯৭ জনের মৃত্যু

বিদেশের খবর: নাইজেরিয়ায় কলেরা মহামারিতে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
ওসিএইচএ জানায়, নাইজেরিয়ার ইয়োব এবং বর্নো রাজ্যে তিন হাজার ১২৬টি কলেরা সংক্রমণের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, শুধু গত দুই সপ্তাহেই দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শখানেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে বর্নো রাজ্যে এই কলেরা সংক্রমণের খবরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইজেরিয়ার লেক শাদ এলাকায় ২০১৮ সালে ৫০০-এরও বেশি মানুষ কলেরা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত চার বছরের মধ্যে এটাই অঞ্চলটিতে কলেরার সবচেয়ে বড় সংক্রমণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকায় ‘দি কিং অব চিটাগং’ ক্লাবের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকার যাত্রী মো. ফারদিন (১৮) নাসিরাবাদ বাটাগলি এলাকার আবুল বশর মিলনের ছেলে ও অটোরিকশাচালক মো. হানিফ (৪০) হালিশহরের ব্রিকফিল্ড এলাকার মো. মুস্তফার ছেলে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, শনিবার দিবাগত রাতে পাহাড়চূড়ার ওই ক্লাবের সামনে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারে থাকা ফারদিন ও অটোচালক হানিফ গুরুতর আহত হন।
তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রোববার ভোরে চিকিৎসাধীন থেকে তাদের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে ৬ ভুলের কারণে নষ্ট হতে পারে কিডনি

স্বাস্থ্য কণিকা: কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম একটি ভাইটাল অরগান বা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, কিডনি বিকল হলে মৃত্যু নিশ্চিত। তাই কিডনি নিয়ে একটু সচেতনতা দরকার। মানবদেহে কোমরের দু’পাশে দুটি কিডনি থাকে। নানা কারণে আমাদের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল পর্যন্ত হতে পারে। আজ জেনে নেই, যে ৬ টি ভুলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি-

১. মদ্যপান কিডনির জন্য সব চাইতে বেশি ক্ষতিকর। অ্যালকোহল কিডনি আমাদের দেহ থেকে সঠিক নিয়মে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে এটি কিডনির মধ্যে থেকেই কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে কিডনি নষ্ট করে দেয়। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগে আক্তান্ত হন অনেকেই। এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। তাই মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন।

২. কিডনির সুরক্ষার জন্য সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পানি। আমরা অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করি না। এতে ক্ষতি হয় কিডনির। বাড়ি থেকে বাইরে বের হলেই অনেকের পানি পানের কথা মনে থাকে না। কিন্তু এতে কিডনির ওপর অনেক বেশি পরিমাণে চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা অত্যন্ত জরুরী। তাই সাথে সব সময় পানির বোতল রাখুন।

৩. অনেকের বাড়তি লবণ খাওয়ার বাজে অভ্যাস রয়েছে। খেতে বসে প্লেটে আলাদা করে লবণ নিয়ে খান অনেকেই। কিন্তু এই অনিয়মটির কারণে অনেক বেশি ক্ষতি হচ্ছে কিডনির। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম আমাদের দেহ থেকে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিডনি। এমনকি, কিডনি ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

৪. অনেকেই সামান্য ব্যথা পেলেই ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে মাথাব্যথার কারণে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন। কিন্তু এটি কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি কাজ। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরণের ব্যথানাশক ঔষধ কিডনির কোষগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে পুরোপুরি ড্যামেজ হয়ে যায় কিডনি। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভুলেও কোনো ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না।

৫. অনেকের একটি বড় বাজে অভ্যাস রয়েছে যা হলো মাংসের প্রতি আসক্ততা। অনেকেই শাকসবজি ও মাছ বাদ দিয়ে শুধু মাংসের উপর নির্ভরশীল থাকেন। এই অনিয়মটিও কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিডনির সুরক্ষার জন্য মাছ ও শাকসবজি অনেক বেশি জরুরী। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই খাদ্যাভ্যাসটা ঠিক করুন

৬. ঘরের বাইরে বের হলে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন। মনে করেন কিছুটা সময় প্রস্রাব আটকে রাখলে তেমন কোন ক্ষতি হবে না। আপাত দৃষ্টিতে এর ক্ষতির মাত্রা ধরা না পরলেও এটি কিডনিকে নষ্ট করে দেয় খুব দ্রুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরঞ্জামের অভাবে খুঁড়িয়ে চলছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট

অনলাইন ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবসহ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট’। বছর পার হয়ে গেলেও সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড নির্মূল এবং প্রতিরোধে গঠিত ইউনিটটি এখনও পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারেনি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নীতি থাকলেও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সহযোগিতায় কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে জঙ্গিবাদ নির্মূলে গঠিত বিশেষ এ ইউনিটকে। ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে এখনও টেন্ডার আহ্বান করেনি পুলিশ সদর দফতর।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, ইউনিটের অর্গানোগ্রাম ও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন না হলেও তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে পুরোদমে কাজ শুরু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে টেন্ডার আহ্বান করার জন্য পুলিশ সদর দফতরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটি) দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান কিংবা অপারেশনে যেতে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা পুরোপুরি প্রস্তুত। রাজধানীর বারিধারার বি ব্লকের ৩৫ নম্বর বাড়িটি এই বিশেষ শাখার কার্যালয়। কিন্তু অপরাধ দমনে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম হাতে না পাওয়ায়, স্বতন্ত্রভাবে অপারেশন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। জঙ্গি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের কাজে এখন প্রযুক্তির সহায়তা অপরিহার্য। তাই সেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলোর জন্য যে টেন্ডার করতে হয় সেটা প্রক্রিয়াধীন আছে। অর্থমূল্য অনেক বেশি হওয়ায় এসব সরঞ্জামের টেন্ডার আহ্বান এখনও প্রক্রিয়াধীন।

ইউনিটের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলোর একটি অংশ ইউনিটের জন্য, অন্য অংশ হচ্ছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) জন্য। এনটিএমসি থেকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো মনিটরিং করা হয়। এরইমধ্যে মনিটরিং সেন্টারের তালিকাভুক্ত হয়েছে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট।সেখানে প্রবেশাধিকারের অনুমতি আমরা পেয়েছি। অন্যদিকে, ইউনিটের ভেতরে যে এলআইসি (ল’ফুল ইন্টারসেপশন সেল) শাখা হবে সেটার টেকনিক্যাল সরঞ্জামগুলো কেনার জন্য টেন্ডার করার বিষয়টি পাইপ লাইনে আছে।’

তিনি বলেন, ‘ইউনিটের সব পর্যায়ের সদস্যদের প্রশিক্ষণ চলছে। দেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতেও অনেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষ হলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের দিতে হবে। নিজস্ব সরঞ্জামের অভাবে এখন সরাসরি অপারেশনে যাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ সদর দফতরের এলআইসির মাধ্যমে এখন এই ইউনিট কাজ করছে।’

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট সূত্র আরও জানায়, সারাদেশে এখনও ইউনিটের স্থানীয় অফিস করা যায়নি। শুধুমাত্র জঙ্গি বিষয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানোর জন্য ঢাকা থেকেই সাদা পোশাকে অফিসার পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্নস্থানে। ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সিটিটিসি জঙ্গি কার্যক্রমের বাইরেও কিছু কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট শুধুমাত্র জঙ্গি নিয়েই কাজ করবে। জঙ্গির বাইরে কোনও কাজে এই ইউনিট ব্যবহার করা হবে না।

গত বছরের (২০১৭) ডিসেম্বর থেকে কয়েকটি ছোট অপারেশনে টেরোরিজম ইউনিট অংশ নিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরের এলআইসির সঙ্গে কাজ করছে তারা। এছাড়া, বগুড়া ও মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের সঙ্গেও কিছু অপারেশন চালিযেছে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট। এলআইসি শাখার কাজ শেষ হলেই পুরোদমে অপারেশনে যেতে পারবে এই ইউনিট।

ইউনিটের জনবল কাঠামো ৫৮১ জনের। এরমধ্যে প্রায় ৪৫০ জনের মতো নিয়োগ হয়েছে। ইউনিটের প্রধান হিসেবে একজন অ্যাডিশনাল আইজি, একজন ডিআইজি, দু’জন অতিরিক্ত ডিআইজি, পাঁচ জন এসপি, ১০ জন অ্যাডিশনাল এসপিকে পদায়ন করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ১২ জন এখনও পুরোপুরি পদায়ন হয়নি। ৭৫ জন পরিদর্শককে পদায়ন করা হয়েছে। ১২৫ জন উপ-পরিদর্শকের মধ্যে এখনও কিছু নিয়োগ বাকি আছে। কনস্টেবলসহ অন্যান্য পদবীতেও পদায়ন পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের ইকুইপমেন্ট ক্রয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের ইকুইপমেন্ট শাখার এআইজি তানভীর মমতাজ বলেন, ‘শুধুমাত্র অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের জন্যেই নয়। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কেনার বিষয়টি চলমান প্রক্রিয়া।’

জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলছিলেন, ‘আগে জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে বেশি কাজ করতো র‌্যাব। ২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিক টার্গেট কিলিং এবং ২০১৫ সালে এসে তার ব্যাপকতা বেড়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) নামে একটি নতুন ইউনিট গঠন করা হয়। এই ইউনিট শুধু আইজিপির নির্দেশেই ঢাকার বাইরে অপারেশনে যেতে পারে। সেজন্য অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়। সিটিটিসিও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের অধীনেই কাজ করবে।’

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট এরইমধ্যে অপারেশনাল কাজ শুরু করেছে। সরঞ্জাম কিছু আছে। কাজের পরিধির সঙ্গে সরঞ্জামের পরিমাণ আরও বাড়বে।’

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশের জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে দেশ থেকে জঙ্গি নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। এই জঙ্গি কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল ও প্রতিরোধে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়েছে। জঙ্গি দমনে সরকারের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও নতুন নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ মওকুফ

দেশের খবর: চাকরিরত অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মচারী মারা গেলে তার পরিবারকে সরকারের কাছ থেকে নেয়া গাড়ি কেনার ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। সম্প্রতি এমন বিধান অন্তর্ভূক্ত করে প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম ও গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এছাড়া কেউ অক্ষম (মানসিক প্রতিবন্ধী বা পঙ্গু) অবস্থায় অবসরে গেলে তাকেও ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে হবে না। পরিবারের কাছ থেকেও এ টাকা আদায় করা হবে না। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির সুদমুক্ত ঋণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত সুবিধা দিয়ে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করা হচ্ছে।
খসড়া গেজেটে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ে কর্মরত অবস্থায় যেসব কর্মকর্তা ঋণ পরিশোধ না করেই মারা গেছেন, তাদের পক্ষ থেকে ঋণ ও সুদ মওকুফের জন্য আবেদন করতে হবে। অর্থ বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটি বরাবর এ আবেদন করতে হবে। পরে ওই কমিটি তাদের ঋণ ও সুদ মওকুফের বিষয়ে সিদ্বান্ত নেবে।
২০১৭ সালে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা গাড়ি কেনার জন্য এককালীন সুদমুক্ত ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আরেকটি গেজেটে উল্লেখ করা হয়, সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব ও সিনিয়র সচিব ছাড়াও বিসিএস (ইকনোমিক) ক্যাডারের যুগ্ম প্রধান বা তার উপরের কর্মকর্তা এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান (ড্রাফটিং) থেকে তার উপরের কর্মকর্তারা গাড়ি কেনার সুবিধা পাবেন। তবে এসব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা এ ঋণ সুবিধা পাবেন না।
ওই গেজেটে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারের অনুমতি ছাড়া ঋণের টাকায় কেনা গাড়ি কেউ বিক্রি করতে পারবেন না। এছাড়া ঠিকমতো কিস্তি পরিশোধ না করলে আসলের সঙ্গে ১৫ শতাংশ হারে সুদ যোগ হবে। কর্মকর্তারা সমপরিমাণ ১২০টি কিস্তিতে সুদবিহীন এ ঋণ পরিশোধ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর খাবারে অরুচি ও প্রতিকার

অনলাইন ডেস্ক: আজকের ছোট্ট শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি শিশু জন্ম গ্রহণের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করলেই তার পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হয়। কিন্তু ছয় মাস বয়সের পর থেকেই তার প্রয়োজন হয় বাড়তি খাবারের। আজকাল বেশিরভাগ বাবা-মা অভিযোগ করে থাকেন তাদের শিশুদের খাবারে অরুচি নিয়ে। এতে বাবা মা উৎকণ্ঠায় ভোগেন। কারণ সঠিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার না খেলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
সাধারণত কিছু কিছু রোগব্যাধির কারণও শিশুর অরুচি হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা জটিল কিছু নয়। এছাড়া শিশুর প্রতি বাবা-মা এর খেয়াল কমে গেলেও শিশু খাওয়া কমিয়ে দিতে পারে। তাই হাজার ব্যস্ততার মাঝেও শিশুর মা-বাবার উচিত তাকে ঠিকমত সময় দেওয়া। মা-বাবার উচিত শিশুর বয়স অনুযায়ী ওজন, উচ্চতা এবং মানসিক বিকাশ অন্য শিশুদের মতো হচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
এছাড়া আরো কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখা যেমন-শিশুদের সঙ্গে খাওয়া নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা। প্রতিটি খাবারের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় বিরতি রাখা। শিশুকে চকলেট, জুস, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবার না দেওয়া। শিশুকে প্রতিদিন একই খাবার না দেওয়া। যেমন- প্রতিদিন ডিম সিদ্ধ না দিয়ে তাকে ডিম দিয়ে তৈরি পুডিং কিংবা স্যুপ তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। শিশুর খাবারে রঙিন শাক-সবজি ব্যবহার করা। এতে শিশু আকৃষ্ট হবে। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট-এর সুষম অনুপাতে শিশুকে খাবার দেওয়া। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে একই সময় শিশুকে খেতে অভ্যস্ত করে তোলা। শিশুর বয়স অনুযায়ী যদি ওজন এবং উচ্চতা বৃদ্ধি না পায় কিংবা অতিরিক্ত ওজন হয় তাহলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে প্রথম চালু হতে যাচ্ছে রিমোটে নিয়ন্ত্রিত লঞ্চ

দেশের খবর: বাংলাদেশে এই প্রথম বরিশাল-ঢাকা রুটে চালু হতে যাচ্ছে রিমোটে নিয়ন্ত্রিত অত্যাধুনিক বিলাসবহুল লঞ্চ ‘এমভি মানামি’। চলতি বছরের শেষের দিকে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে লঞ্চটি যাত্রা শুরু করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, রিমোট কন্ট্রোলিং সিস্টেমে নির্মিত এই লঞ্চটির কাজ ইতিমধ্যে ৮৫ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে। এটির দৈর্ঘ্য ২৯৬ ফুট এবং প্রস্থ ৫০ ফুট। লঞ্চটি চারতলা বিশিষ্ট। এতে জরুরি রোগীদের জন্য একটি আইসিসিইউ কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও লঞ্চে জিপিআরএস ও ইকো সাউন্ডার সিস্টেমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তা ছাড়াও যাত্রী সাধারণের জন্য থাকছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কিংয়েরও ব্যবস্থা।
কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, লঞ্চটিতে ৭৬টি সিঙ্গেল, ৬৪টি ডাবল, ছয়টি ভিআইপি, ১২টি সেমি ডাবল কেবিন এবং ৩২টি সোফার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়াও ডেকে নারীদের জন্য রয়েছে ড্রেস চেঞ্জ রুম ও শিশুদের জন্য বেবি ফিডিং এবং আলাদা ডাইনিং। লঞ্চের চারপাশে ফগ লাইট এবং ফিস ফাউন্ডার রয়েছে, যা থেকে মনিটরে পানির তলদেশে মাছ দেখা যাবে।
এও জানা গেছে, লঞ্চটির ইঞ্জিন ২ হাজার ৭০০ হর্স পাওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন। তাই খুব দ্রুতগতিতে এটি গন্তব্যে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, সালাম শিপিং লাইন্স কম্পানির এই অত্যাধুনিক বিলাসবহুল লঞ্চটি নির্মাণ করছে থ্রি এঙ্গেল করপোরেশন।
এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইন্সের পরিচালক আহম্মেদ জকি অনুপম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে এই প্রথম অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে লঞ্চটি নির্মাণ করা হয়েছে। লঞ্চের চারপাশে ৩২টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। লঞ্চের যাত্রী ও লঞ্চের অবস্থান দেখার জন্য দেশ-বিদেশ থেকে লাইভ মুভিং দেখা যাবে। ইউটিউব থেকে সার্চ করে সরাসরি লঞ্চের অবস্থান দেখতে পাওয়া যাবে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে লঞ্চটির তলদেশ ডাবল বোটমে নির্মাণ করা হয়েছে যা এই প্রথম।
তিনি আরো জানান, লঞ্চটি পরিচালনার জন্য দুইজন প্রথম শ্রেণির সুকানি, দুইজন মাস্টার এবং চারজন গ্রিজার রয়েছে। যেকোন সময় যেকোন পরিস্থিতিতে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে লঞ্চটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সিপিআরএস এর মাধ্যমে গভীরতা নির্ণয় এবং দূরের ডুবোচর সহজেই দেখা যাবে। বিলাসবহুল লঞ্চটিতে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি রাখা হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক।
এ ব্যাপারে এমভি মানামি লঞ্চের ম্যানেজার জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, লঞ্চটি ২০১৬ সালের পহেলা এপ্রিল থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রতিদিন গড়ে ৭৯/৯০ জন শ্রমিক নির্মাণ কাজে অংশ নেয়। গত ২ বছর ৭ মাসে লঞ্চের ৮৫ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে, এখন চার তলার কাজ চলছে। ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে পানিতে ভাসবে মানামি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোনালিসার চেয়েও রহস্যময় ছবি

অনলাইন ডেস্ক: লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্প ‘মোনালিসা’। মোনালিসার রহস্যময় হাসি আজো শিল্প সমালোচক ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিস্ময় উদ্রেক করে। তবে ক্ল্যাসিক সেই চিত্রকেও হার মানিয়ে দিল শিল্পী ফিল ভান্সের আঁকা একটি ছবি।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসী এই শিল্পী এমন এক ছবি এঁকেছেন যা দেখতে ছবি মনে হলেও, এর মাঝে রয়েছে কয়েকটি চমকপ্রদ ও রহস্যজনক অধ্যায়।

প্রথমত এই ছবি আঁকতে চিরাচরিত প্রথা মানা হয়নি। ফিল ভান্স ইংরেজিতে ক্রমাগত লিখেছেন অনেকগুলো বাক্য। সেই সব বাক্য মিলিয়ে তৈরী হয়েছে পুরো ছবিটি। অর্থাৎ রং দিয়ে যেখানে ক্যানভাসে ছবির অবয়ব ও দৃশ্য ফুটে উঠে, সেখানে একটির পর একটি শব্দ ও বাক্য মিলিয়ে বানানো হয়েছে এই আশ্চর্যজনক শিল্পকর্মটি।

দ্বিতীয়ত, এখানে ব্যবহার করা বাক্যগুলো মূলত ফিল ভান্সের পছন্দনীয় বাণীর সংগ্রহ থেকে নেয়। সেগুলো বারবার লিখে তিনি মুল কাঠামোটি তৈরী করেছেন। পরে লেখার সাথে প্রয়োজনীয় রং ব্যবহার করেছেন।

তৃতীয়ত, একই সাথে হাতের লেখা ও ছবি তৈরী করার এই বিচিত্র শিল্পকর্মকে বলা হয় ‘টাইপোগ্রাফি পোর্ট্রেইট’। বিরল এই প্রতিভা অর্জনের জন্য প্রচুর অনুশীলন ও অধ্যবসায় প্রয়োজন। সেইসাথে প্রয়োজন মননশীল হৃদয়। টাইপোগ্রাফি পোর্ট্রেইটের ক্ষেত্রে ফিল ভান্সকে বলা হচ্ছে একজন পথিকৃৎ।
আলোচ্য ছবিটি তিনি এঁকেছেন কিংবদন্তী কমিকস ব্যাটম্যানের প্রতিদ্বন্দ্বী ‘দ্যা জোকার’ চরিত্রে অভিনয় করা বিখ্যাত হিথ লেজারের মুখাবয়ব নিয়ে। একই সাথে হাতের লেখা, চিত্রশিল্প, বাক্য বাণী ও কিংবদন্তী চরিত্রের মুখাবয়ব মিলিয়ে অনেকে এটিকে মোনালিসার চেয়েও রহস্যময় শিল্প হিসেবে অভিহিত করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest