সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ৬ শিশুর মৃত্যু

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির একটি মেডিক্যাল কেয়ার সেন্টারে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১২টি শিশু আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর বিবিসির।
বিবিসি জানিয়েছে, অঙ্গরাজ্যটির হাসকেল এলাকার ‘ওয়ানাকিউ সেন্টার ফর নার্সিং এন্ড রিহ্যাবিলিটেইশন’ এর পিডিয়্যাট্রিক রোগীদের মধ্যে অ্যাডিনোভাইরাস সংক্রমণের মোট ১৮টি ঘটনা ঘটেছে বলে মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছেন অঙ্গরাজ্যটির কর্মকর্তারা।
এমনিতে অ্যাডিনোভাইরাস ‘মৃদু অসুস্থতার’ কারণ হলেও আক্রান্ত ওই শিশুদের শারীরিক অবস্থা ‘জটিল’ ছিল বলে জানিয়েছেন অঙ্গরাজ্যটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
শিশুদের মৃত্যুর পর থেকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ রাখা হয়েছে। অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।
মৃত ও আক্রান্ত শিশুদের ‘রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত দুর্বল’ হওয়ায় তারা সহজেই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে নিউ জার্সির স্বাস্থ্য বিভাগ।
“অ্যাডিনো ভাইরাসের শক্তিশালী একটি প্রজন্ম ও রোগ প্রতিরোধে দুর্বল একদল মানুষ একসঙ্গে হওয়ায় প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে,” বলেছে তারা।
হাসকেলের ওই বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা রোববার থেকে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তদন্ত চালানো শুরু করেছে এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল বলে জানিয়েছে নিউ জার্সির স্বাস্থ্য বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে দুপুরে মাঠছে বাংলাদেশ

খেলার খবর: এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের সিরিজ জয় নাকি শেষ ম্যাচের জন্য অপেক্ষা? আত্মবিশ্বাসী টাইগারদের সামনে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে জিম্বাবুয়ে? উত্তর মিলবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।
তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দুদল। দিবারাত্রির ম্যাচটি শুরু হবে বুধবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে।

দুই দলের জন্য আজকের ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে সিরিজ নিজেদের করে নিতে চায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে সিরিজের সমতা আনতে মরিয়া সফরকারীরা।
এই যখন সমীকরণ তখন দুই দলই নিজেদের সেরাটা মাঠে উজাড় করে দিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। আর দুই দলের মহারণে ম্যাচটাও হয়ে উঠবে জমজমাট।
প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারীদের ২৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ১৪৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন টাইগার দলের ড্যাশিং ওপেনার ইমরুল কায়েস।
সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে দুই দল। সেখান থেকে দুই দলই সরাসরি হোটেলে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম মিশন শেষে ৩ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে প্রথম টেস্ট। আর শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচ ম্যাচ পর রিয়াল মাদ্রিদের জয়

খেলার খবর: সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ পর জয়ের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাবুয়েতে মঙ্গলবার রাতে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের ফলে অবশেষে হারের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসলো তারা।
‘জি’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচের একাদশ মিনিটে প্রথম এগিয়ে যায় রিয়াল। লুকাস ভাসকেসের ক্রসে হেডে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড বেনজেমা। প্রথমার্ধ্বে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিক্টোরিয়াকে বেশ চাপে রাখে রিয়াল। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় তারা। এবার গোলদাতা ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্সেলো। এর চার মিনিট পর গোল পায় ভিক্টোরিয়া। তবে বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশ ক্লাবটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দপ্তরে দপ্তরে ডিও লেটারের স্তূপ

অনলাইন ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আদায়ের হার গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ সহায়তাও কমে গেছে। নির্বাচনের মাত্র আড়াই মাস আগে অর্থনীতির এসব গুরুত্বপূর্ণ সূচক দেখার বা বোঝার সময় নেই সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের। নির্বাচন সামনে থাকায় জনগণকে খুশি করার জন্য তাঁদের এ মুহূর্তে দরকার প্রকল্প, দরকার টাকা। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে তদবির বেড়ে গেছে মন্ত্রী-এমপিদের। এলাকার রাস্তা নির্মাণের জন্য এক মন্ত্রী ডিও লেটার (আধাসরকারি পত্র) পাঠাচ্ছেন আরেক মন্ত্রীর কাছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট নির্মাণের টাকা চেয়ে অনুরোধপত্র পাঠাচ্ছেন মন্ত্রীর কাছে। মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যানরাও দৌড়ঝাঁপ করছেন প্রকল্প ও টাকার জন্য।

তদবিরে পিছিয়ে নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কাউকেই অবশ্য খালি হাতে বিদায় করছে না সরকার। সবাইকে খুশি রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকছে সরকারের পক্ষ থেকে। যদিও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থ আসে যেসব খাত (এনবিআর ও বিদেশি অর্থায়ন) থেকে, সেসব খাতে অর্থ আদায়ের গতি মন্থর।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারপন্থী একাধিক প্রভাবশালী শিক্ষক কয়েক মাস ধরে সরকারের শীর্ষপর্যায়ে তদবির করে আসছেন তাঁদের একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য। অবশেষে সফল হয়েছে সে তদবির। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর অবকাঠামো উন্নয়নের এটিই সবচেয়ে বড় প্রকল্প। শিক্ষকদের তদবিরে এক হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জনপ্রতিনিধিদের তদবিরে গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত মোট ছয়টি একনেক বৈঠক হয়েছে। এই ছয়টি সভায় ১০৫টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। শুধু গতকালের একনেক সভায় রেকর্ড ২১টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে এক লাখ পাঁচ হাজার ৮২ কোটি টাকা। এ বছর এডিপির আকার এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। শুধু গত দেড় মাসে যত টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা পুরো এক বছরের এডিপির ৬১ শতাংশ।

নির্বাচনের আগে এভাবে জনপ্রতিনিধিদের তদবির এবং প্রকল্প অনুমোদন কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এমন প্রকল্প অনুমোদন-বাস্তবতার সঙ্গে বহুকাল বসবাস করছি। এটার সমাধান আসতে হবে। সেই দিনটির অপেক্ষায় আছি।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান নির্বাচনের আগে অস্বাভাবিক হারে প্রকল্প অনুমোদনের গতিকে তুলনা করেছেন রকেট গতির সঙ্গে। তাঁর মতে, এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। প্রকল্প ঘোষণার একটা মূল্য আছে। এর প্রভাব তো মাঠপর্যায়ে পড়বেই। সেই সুবিধা নিতে চায় ক্ষমতাসীন দল। তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ের গতি কম, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। এডিপি বাস্তবায়নেও গতি নেই। এর ফলে নতুন করে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো দীর্ঘসূত্রতায় পড়বে বলেও মনে করেন তিনি।

সচিবালয়ে বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখা গেছে, নিজ নিজ আসনে যেসব কাজ বাকি আছে, সেসব কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ এসেছে সংসদ সংস্যদের অনুরোধপত্রে। আবার নতুন প্রকল্প দ্রুত অনুমোদনের দাবি করেছেন অনেকে। গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি লিংক রোডের পরিত্যক্ত খাল ভরাট এবং ফুলছড়ি বাজার থেকে কবরস্থান পর্যন্ত ৩০০ মিটার সড়ক মেরামত করার অনুরোধ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক তাঁর আসনের তিনটি সড়ক সংস্কার করতে অনুরোধপত্র পাঠিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে। অনুরোধপত্রে রাজশাহী-দামকুড়া-কাকনহাট-আমনুরা, বিজয়নগর-উজানপাড়া ও বসন্তপুর-দামকুড়া-ছাব্বিশনগর-গুনীগ্রাম-বাকসারা সড়ক সংস্কারের অনুরোধ জানান ওমর ফারুক।

অনুরোধপত্র পাঠানোর তালিকায় আছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ আরো অনেকে। শুধু সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুই শাখায় গত এক মাসে ৯০টি অনুরোধপত্র আসে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে। একইভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রেলপথ, যুব ও ক্রীড়া, পানিসম্পদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অনুরোধপত্র আসছে।

অন্যদিকে জলবায়ু তহবিল থেকেও টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন এমপি ও মেয়ররা। তাঁদের চাপে পড়ে আগামী ২৯ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় ১১০টি প্রকল্প উত্থাপন করার কথা রয়েছে। সেখান থেকে অন্তত ৮০টি প্রকল্প পাস হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।

নির্বাচনের আগে এত বেশি প্রকল্প অনুমোদন কেন দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘দেশপ্রেমের তাড়নায় প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনকালীন সরকারের সময় একনেক হবে না। তাই এখন বেশি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।’

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমাদের দেশে এই রীতি বহু আগের। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দশ বছর ধরে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছে। মানুষের প্রত্যাশার চাপে বেশি প্রকল্পের চাপ তৈরি হয়েছে। জনপ্রতিনিধিরাও আমাদের কাছে এসে অনুরোধ করেন, অনুরোধপত্র দেন। এটা দোষের কিছু না।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, এ বছর প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৭ হাজার কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ সহায়তা মিলেছে ৮২ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে তিন কোটি ডলার কম। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর প্রথম প্রান্তিকে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৮ শতাংশ। গত তিন অর্থবছরের তুলনায় এটি কম।

ভোটারদের মন ভরাতে বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধিদের চাপে পড়ে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান। তিনি বলেন, সরকারের শেষ সময়ে শুধু প্রকল্প অনুমোদনের হিড়িক পড়েনি, প্রশাসনেও বদলি, পদোন্নতি বেড়েছে। তা দেখে মনে হচ্ছে, ভোটের জন্যই সরকার শেষ সময়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে।

বেশি প্রকল্প পাস হওয়ার বিষয়টি সরকারও স্বীকার করছে। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের বছরে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যায়। প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে সরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তাই সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে।

উদ্বোধনের হিড়িক: ভোটের আগে প্রকল্প উদ্বোধনের মেলা বসেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রকল্প উদ্বোধন করছেন। এলাকার যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নে বরাদ্দ চাইছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিতভাবে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করছেন বিভিন্ন এলাকার। তা নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ভোটারদের কাছে গিয়ে প্রচার করছেন।
কেউ কেউ প্রকল্প অনুমোদন না হলেও ফলক উন্মোচন করছেন। আবার কোথাও কোথাও প্রকল্পের কাজ শেষ না হলেও সে প্রকল্প উদ্বোধনও করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখন সবাই এম‌পি হ‌তে চান

এখন সবাই এম‌পি হ‌তে চান

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হতে চান সবাই। নির্বাচনী এলাকায় কোনো অবস্থান না থাকলেও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অফিসে তারা ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকে আবার এলাকায় গিয়ে দু-চার জন আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঘুরে সামাজিক মাধ্যমে ছবি তুলে দিচ্ছেন প্রার্থী হিসেবে। এদের অনেকে জীবনে রাজনীতি করেননি, এমনকি কারও কারও চৌদ্দপুরুষের কারও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। তার পরও ‘এমপি হতে চাই’ পোস্টার দিয়ে সয়লাব করে ফেলছেন রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ। জানা গেছে, মুদি দোকানদার, ফুটপাথের ব্যবসায়ী থেকে বড় ব্যবসায়ী পর্যন্ত লবিং শুরু করেছেন এমপি হতে। আবার চতুর্থ গ্রেডের শোবিজ তারকা থেকে অনেক নামিদামি অভিনেতা-অভিনেত্রী, গায়ক-গায়িকা নিজেদের প্রার্থী হিসেবে প্রচার শুরু করেছেন। দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি এমপি হতে আগ্রহী আওয়ামী লীগ থেকে। ঠিকানাবিহীন বেশির ভাগ মানুষই সরকারি দলের নেতা ও নেত্রী ভাব নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন বিভিন্ন স্থানে। এদের উৎপাতে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা অতিষ্ঠ। আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা সেদিন বললেন, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার পদে দাঁড় করালে ১০টা ভোট পাবে না, অথচ এলাকায় সে প্রচার করছে এমপি প্রার্থী! জীবনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ বা আওয়ামী লীগ কোনোটাই করেননি, অথচ এখন ভাব দেখাচ্ছেন তারাই আওয়ামী লীগ চালাচ্ছেন। হাওয়া ভবনে ঘোরাঘুরি করেছেন এমন কেউ কেউ দাদা-নানার নাম ভাঙিয়ে এখন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চাইছেন। এদের কেউ কেউ রহস্যজনকভাবে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানেরও পাস নিয়ে নিজেদের শোডাউন করেন, যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর। কারও কারও এলাকায় বাড়িঘরও নেই, কিন্তু ঢাকায় আওয়ামী লীগ অফিসের চারদিকে পোস্টার দিয়ে নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে চলেছেন। অনেকে ভাবছেন ২০১৪ সালের মতো একটি নির্বাচন হবে এবং সেখানেই বাজিমাত করবেন তারা। ভোট ও রাজনীতির বাস্তবতা সম্পর্কে অনেকের ধারণাও নেই। তবু তারা প্রার্থী। তাদের পোস্টার আর হাঁটাচলায় বিশাল ভাব তৈরি হয়েছে।

শুধু আওয়ামী লীগ নয়, একই চিত্র অন্য দলগুলোতেও। কিছুদিন ধরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ বিভিন্ন নেতার কাছেও ভিড় জমাচ্ছেন বারো রকমের প্রার্থী। কেউ কেউ টাকার দাপটও দেখান। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিতে প্রতিযোগিতায় নারী প্রার্থীরাও পিছিয়ে নেই। তবে বিএনপির চিত্র একটু আলাদা। তাদের মধ্যে একটি আসনে আট-দশ জন করে প্রার্থী থাকলেও প্রকাশ্য শোডাউন কম। মামলার ভয়ে অনেকে এলাকাছাড়া। তাই তাদের প্রার্থীরা এখন ব্যস্ত শুধু লবিং নিয়ে। এ লবিং শুধু ঢাকায় নয়, লন্ডনেও গড়িয়েছে। সেখানেও রয়েছে বারো রকমের ভিড়। এ ছাড়া ছোটখাটো দলগুলোর মধ্যেও ভিড় কম নয়। জোটের কাছ থেকে কে কত আসন নিতে পারছে তার দিকেই দৃষ্টি এই উড়ে এসে জুড়ে বসা প্রার্থীদের। কেউ কেউ আবার সদ্যগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল-মান্নাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। জানা যায়, এমপি হওয়ার লাইনে থাকাদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় সব পেশার মানুষই। শোবিজ তারকা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, সাবেক পুলিশ অফিসার— কে নেই এ লাইনে। সবচেয়ে বেশি রয়েছেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। এমপি টিকিট পাওয়ার দৌড়ে মাঠে নেমেছেন অর্ধশতাধিক গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। ছড়াচ্ছেন কাঁচা টাকাও। আগে বিএনপির মনোনয়ন চাওয়া ব্যবসায়ীকে এবার নৌকার মনোনয়ন চেয়ে পোস্টার ছাপিয়ে ও বিশালাকার নৌকা বানিয়ে শোডাউন করতে দেখা যাচ্ছে। অর্থ উপার্জনের পর তাদের টার্গেট একবার হলেও এমপি হওয়া। টাকার জোরে সব সম্ভব মনে করেই তাদের পথচলা। কয়েক শ প্রবাসী নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে শামিল হতে দলে দলে দেশে এসেছেন। এমনও আছে— ১৮ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসেননি, কিন্তু এবার এসেছেন উত্তরাঞ্চলের একটি আসনের প্রার্থী হতে। ইউরোপ আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতার সিলেট অঞ্চলে প্রার্থী হওয়ার বিষয় নতুন না হলেও এবার যেন এ লাইন আরও বড় হয়েছে। এরও বেশির ভাগেরই ভরসা অর্থ। এমপি হতে চাওয়াদের মধ্যে আরেকটি বড় অংশ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। আগে মধ্যম সারির পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন, এখন এমপির খাতায় নিজের নাম লেখাতে ইচ্ছুক এমন পোস্টারও আছে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের পাশে। শোবিজ জগতের কয়েক ডজন পরিচিত-অর্ধপরিচিত তারকা হতে চান জনপ্রতিনিধি। আওয়ামী লীগ-বিএনপি জোটের ছোট দলগুলো থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা আছে কয়েকজনের। আসন্ন নির্বাচনে অন্তত ৫০ জন চিকিৎসক এমপি প্রার্থী হতে মাঠে নেমেছেন। এর বেশির ভাগেরই এলাকায় তেমন কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগ না থাকলেও এখন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জনগণ ও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেই সঙ্গে শক্ত লবিং করছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজউদ্দিন খানের মতে, ‘বাংলাদেশে সবকিছুই এখন ক্ষমতাকেন্দ্রিক। সবাই এখন ক্ষমতা চায়। যারই কিছু অর্থ ও পরিচিতি হয়েছে সে-ই ক্ষমতা পেতে মরিয়া হয়ে। আর যেহেতু ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হন স্থানীয় এমপিরা তাই সবারই আগ্রহ এমপি হওয়া। অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুরা মনে করেন একবার এমপি হতে পারলেই নিজের প্রতিপত্তিকে নতুন মাত্রা দিতে পারবেন। এতে জনগণের বা এলাকার কী উন্নয়ন হবে তা এসব নেতার কেউ ধর্তব্যের মধ্যে আনেন বলে মনে হয় না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যরাতে রাজধানীতে নারীকে হয়রানি, দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক: তল্লাশি নামে নারীকে হয়রানি করায় মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর দুই পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
মহানগর পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদুর রহমান জানান, পুলিশ চেকপোস্টে সিএনজি আরোহী এক নারীর সাথে পুলিশের বাদানুবাদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের সনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, মধ্য রাতে সিএনজিতে করে একজন তরুণী বাসায় যাচ্ছিলেন। তখনই পুলিশ তাকে থামায়। পুলিশ টর্চ লাইট ব্যাগপত্রের মধ্যে না ধরে সরাসরি তরুণীর মুখে ধরছেন। তরুণী বেশ কয়েকবার বলছেন, টর্চ লাইটটা মুখে ধইরেন না, আপনারা আমার ব্যাগ চেক করুন, ফিল্ডিং মারছেন কেনো?
তার জবাবে অপর এক পুলিশ বলছেন, ‘আপনি কোথাকার বিশ্ব সুন্দরী যে ফিল্ডিং মারতে হবে?’ একজন পুলিশ বলেন, ‘আপনি তো বেয়াদবের মতো কথা বলছেন, বাবা মা আদব কায়দা কিছু শেখায়নি?’

‘এডিক্টেড’, ‘বেয়াদব’ ইত্যাদি বলা হলে ওই তরুণী বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করি নি যে আমি চুপ করে থাকব। আপনাদের কাজ ব্যাগ চেক করা সেটা করুন।’
আরেকজন পুলিশ বলছেন, ‘কোনো ভদ্র ঘরের মেয়ে রাত আড়াইটায় রাস্তায় থাকে না।’ এর উত্তরে ওই তরুণী বলেন, ‘রাতে কেন নারীরা রাস্তায় যাতায়াত করতে পারবে না?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: সহজেই ভুলে যাচ্ছেন? পড়তে বসছেন, মুখস্থ হয়েও হচ্ছেনা? এমন হলে বুঝবেন আপনার স্মরণশক্তি সঠিকভাবে কাজ করছে না। বার্ধক্যজনিত কারণ ছাড়াও নানা কারণেই স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে। কিছু খাবার আছে যা আপনার মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। এসব খাবার আপনার স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করে তুলবে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে উপাদানগুলো মস্তিষ্কের বোধশক্তির জন্য প্রয়োজন সেগুলো হল-ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, হলুদ, ফ্লাভোনডস, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভিটামিন বি, ডি, ই, ক্যারোটেন, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সেলিনিয়াম, কপার এবং আয়রন।

*বাচ্চাদের স্মরণশক্তি ভালো রাখতে যেসব খাবার দারুণ ভূমিকা পালন করে তা হল- দুধ, কালোজাম, শসা, আপেল, মিষ্টি আলু, ডিম, দই, তৈলাক্ত মাছ, সবুজ শাক-সবজি, টমেটো, কমলালেবু, অ্যাভোকাডো, মাংস, সয়াবিন, গাজর, বিনস, বাদাম, মটরশুঁটি, মসুর ডাল প্রভৃতি।

*৪৫ বছরের বেশি বয়সীদেরে আগের খাবারগুলোর সাথে ব্রকোলি, ডার্ক চকোলেট, গম, আখরোট এবং কুমড়ার বীজ খেতে হবে।

*কাঁচা হলুদ, গোলমরিচ, ব্রাহ্মীশাক, আমলকী, শঙ্খপুষ্পী আর অশ্বগন্ধা ব্রেনকে সক্রিয় রাখে।এর সঙ্গে মস্তিষ্কের একাগ্রতা আর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খেতে হবে বিট, সেলেরি, রোজমেরি এবং অলিভ অয়েল।

*অন্যদিকে স্মরণশক্তি ভালো রাখতে কিছু খাবার থেকে বিরতও থাকতে হবে যার মধ্যে রয়েছে ফাস্ট ফুড, চিনি, ময়দার তৈরি জিনিস (ব্রেড, বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি), প্রসেস করা মাংস বা চিজ এবং কৃত্রিম চিনি দেওয়া পানীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেকআপ আর্টিস্ট হারুনের পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

বিনোদনের খবর: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া মেকআপ আর্টিস্ট কাজী হারুন ভিক্ষাবৃত্তি করছেন- এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় সম্প্রতি। গণমাধ্যম থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাজী হারুন, ব্যবসা সফল ছবি ‘বেদের মেয়ে জোসনা’তে মেকাপম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। তার এমন পরিণতির খবর সাধারণ সিনেপ্রেমীরা মেনে নিতে পারছিলেন না।

গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর হারুনের পাশে দাঁড়ায় চেইনশপ ‘স্বপ্ন।’ কাজী হারুনকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকার বাজার দেবে ‘স্বপ্ন’। সোমবার নাট্যশিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ শিল্পী সংঘের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্বপ্ন এগিয়ে আসে। আগামী এক বছরের জন্য এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

আহসানুল হক মিনু বলেন, সংবাদটি দেখার পর আমরা উদ্যোগী হই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করি। এরমধ্যে ‘স্বপ্ন’ প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকার বাজার দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। আমরা গতকাল হারুন সাহেবের হাতে সেই কাগজ দিয়েছি। এক বছর তিনি এই বাজার পাবেন।

চুক্তিনামাটি হারুনের হাতে তুলে দেওয়ার সময় হারুনের স্ত্রী মহুয়া আকতারও উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘হৃদয় থেকে হৃদয়’য়ে কাজের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest