সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ সাব কমিটির সভায় রুহুল হক এমপি

তোষিকে কাইফু: আজ SPCPD এর “মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক” সাব কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টা থেকে জাতীয় সংসদের ২ নং স্থায়ী কমিটির কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি, ডা:হাবিবে মিল্লাত এমপি, ডা: এনামুর রহমান এমপি, বেগম ফজিলাতুন নেছা এমপি, এড: উম্মে কুলসুম এমপি, ইউএনএফপিএ এর প্রতিনিধি সহ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে ওঠা টেলরকে ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ

খেলার খবর: দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ব্যাট হাতে নেমেছিলেন ব্রেন্ডন টেলর। তিনি ধীরে ধীরে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে ওঠছিলেন বাংলাদেশের জন্য। শেষ পর্যন্ত এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে সাজঘরে ফেরাতে সক্ষম হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। আউট হওয়ার আগে ৭৩ বল থেকে ৯টি চার ও একটি ছক্কার মারে তিনি করেন ৭৫ রান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩০ ওভারের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে দুই উইকেটে ১৪৮ রান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বুধবার দুপুরে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। তাই প্রথমে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে হয় জিম্বাবুয়েকে।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৮ রানে হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে (১৪) আউট করে শুভ সূচনার আভাস দিচ্ছিলেন সাইফ উদ্দিন। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। এই জুটিতে ৫৪ রান করেন জুয়াও-টেলর। এরপর দলীয় ৭২ রানে কেপহাস জুয়াওকে (২০) নিজের প্রথম শিকারে পরিণত করেন মিরাজ। এরপর টেলরের সঙ্গী হন সিন উইলিয়ামস। দলীয় ১৪৭ রানে জুটি ভাঙার আগে তারা যোগ করেন ৭৫ রান।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়েকে ২৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাই এই ম্যাচ জিতলে আজই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে মাশরাফিদের। অপরদিকে সিরিজে টিকে থাকতে হলে জিম্বাবুয়েকে অবশ্যই জিততে হবে এই ম্যাচে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘুর দোহাই দিয়ে রেডর্কীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সংখ্যালঘুর দোহাই দিয়ে ভোগদখলীয় রেডর্কীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে এক বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে এগারআনী গ্রামের মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে বৃদ্ধা আলাউদ্দীন সরদার।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আখড়াখোলা এলাকার গুরু চয়ন সাধুর ছেলে কার্ত্তিক চন্দ্র, সাধন চন্দ্র সাধু, হারান সাধুর ছেলে তুলসী সাধু, মধু সাধু, পঞ্চানন সাধুর ছেলে শিবপদ সাধু গং বিগত ১৯৮১ আখড়াখোলা মৌজায় এস এ ২৯০নং খতিয়ানের ১৪৭ দাগে মৃত রাজেন্দ্র নাথ সাধুর ছেলে দুলাল চন্দ্র সাধু’র নিকট থেকে ৩০ শতক জমির মধ্য থেকে ২০ শতক জমি কোবলা মূলে খরিদ করে। যার দলিল নং- ৭৬২৪/৮১ ও ৭৬২৮/৮১। উক্ত ২০শতক সম্পত্তি ক্রয়করে উল্লেখিত ব্যক্তিরা ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে থাকে। বাকী ১০ শতকসহ ৩ শতকের মত খাস জমি কোবলাদাতা দুলাল চন্দ্র সাধু বসবাসের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে ব্যবসা বাণিজ্য করতে থাকে। এরই মধ্যে কোবলা দাতা দুলাল চন্দ্রের টাকার বিশেষ প্রয়োজন হলে ১৯৮৪ সালে তার কাছ থেকে জমিসহ ঘরবাড়ি দখলে থাকা অবস্থায় কোবলা মূলে আমি খরিদ করি। যাহার দলিল নং ২৬৬৯/৯৪। ১৯৯০ সালের মাঠ জরিপে বিবাদীদের কোবলাকৃত ২০শতক যথারীতি তাদের নামে রেকর্ড হয় এবং আমার দখলে থাকা ১০ শতকের মধ্যে ৯ শতক ও পজেশন ক্রয় করার কারনে ১৯৯০ সালে মাঠ জরিপে ওই ১০ শতকের মধ্যে বাকী ১শতক সহ মোট ৪ শতক খাস জমি আদালত প্লট করে আমার নামে মাঠ রেকর্ড, ১ম ও ম্যাপ তৈরি করে দেন। এরপর ১৯৮৪ সাল থেকে উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে থাকাকলে উক্ত ব্যক্তিরা ওই তিনশতক খাস জমি তাদের পৈত্রিক বলে দাবি করতে থাকে এবং কোবলা দলিল অস্বীকার করে গত ইং ১২/৬/১৮ তারিখে সাতক্ষীরা সদর সহকারী জজ আদালতে দেং ৭৭/১৮ নং নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য মামলা করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে উভয়পক্ষ কে দালিলিক প্রমানসহ আদালতে হাজির জন্য লিখিত আদেশ দেন। সে মোতাবেক আমি যথারিতি বর্তমান রেকর্ড, ম্যাপ, দাখিল করি। আর উক্ত ব্যক্তিরা তাদের পৈত্রিক বলে দাবী করে কোবলা অস্বীকার পূর্বক আদালতে সুট ফর ইনজেংকশনের আবেদন জানালে আদালত, শুনানীঅন্তে আবেদন নামঞ্জুর করে দেন। এঘটনায় উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেয়ে হুমকি প্রদর্শন করে বলে ওইসব আদালত বুঝিনা জমি ছাড়তে হবে। তা না হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কে উচ্ছেদ এবং নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগে জেল হাজত খাটিয়ে নিঃশ্ব করবো। তখন আমি উপায়ন্তর হয়ে আমার সম্পত্তি রক্ষার্থে গত ইং- ১৮/১০/১৮ তারিখে সাতক্ষীরা অতি:জেলা ম্যজি: আদালতে পি ৫৯৮/১৮ নং মামলা দায়ের করি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। তাছাড়া বাদী তার দখলে থাকা জমিতে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে দোকান নির্মাণ করতে পারে সে কারণে আদালতে দরখাস্তসহ নথি উপস্থাপনের আবেদন করলে আগামী ২৫/১০/২০১৮ তারিখে শুনানীর দিন ধার্য্য করেন আদালত। এরই মধ্যে কুচক্রী মহল বিষয়টি বুঝতে পেরে আইন ও আদালতকে অমান্য করে বিবাদীদের নিকট থেকে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে সংখ্যালঘুর দোহাই দিয়ে কয়েকদিন যাবত সন্ত্রাসী বাহিনী আমার দোকানঘর জবর দখলের পায়তারা চালাচ্ছে এবং আমাকে হুমকি দিয়ে বলছে আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিবি নইলে সংখ্যালঘু দিয়া সম্পত্তি দখল নেবো। এদিকে স্থানীয় সুধীমহল ওই সুবিধাবাদীর উদ্দেশ্যে বুঝতে পেরে বিষয়টির মিমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেন। এ বিষয়ে গত ২৩/১০/১৮ তারিখ সকালে উভয় পক্ষের সাথে চেয়ারম্যানের বসাবসির দিন ধার্য্য ছিলো। কিন্তু এর আগেই সাংবাদিকনামধারী ওই দিনই ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবমূল্যায়ন করে আবারো সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এবং সংখ্যালুঘদের সহযোগিতায় আমার দোকানঘর দখলের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এরপর তার পরামর্শ নিয়ে সদর থানায় আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো অভিযোগ দায়ের করেন। ওই সাংবাদিকনামধারী ব্যক্তি সংখ্যালঘুদের সামনে রেখে ওই আমার রেকর্ডীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্র কমিটির সভা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কেন্দ্র কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে রউপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফফারা তাসনীনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ, একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামান, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার প্রধান শিক্ষক, সুপার ও অধ্যক্ষবৃন্দ অংশ নেন। সভায় আগামী ১ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিতব্য জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপজেলার ৪টি স্কুল পর্যায়ে ও ২টি মাদরাসা পর্যায়ের কেন্দ্র ও ৩টি ভেন্যু কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া নকলমুক্ত (জিরো টলারেন্স) পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ইউএনও পরিচয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ দেয়ার নামে বিকাশে টাকার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার কলারোয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ল্যাপটপ দেয়ার নাম করে বিকাশে টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। বুধ ও মঙ্গলবার কিছু অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে ল্যাপটপ দেয়ার নাম করে এই টাকা দাবির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এ বিষয়টি ভুয়া বলে অবহিত করে সকলকে সচেতন ও সজাগ থাকার তাগিদ দেয়া হয়েছে।
একাধিক শিক্ষকরা জানিয়েছেন- ‘কখনো কলারোয়ার ইউএনও’র মোবাইল নম্বর, আবার কখনো কোন সচিবের নাম ব্যবহার করছে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে ল্যাপটপ দেয়ার নাম করে বিকাশে টাকা চাওয়া হচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে, কলারোয়া ইউএনও’র মোবাইল নম্বর ক্লোন করে ও কন্ঠস্বর নকল করে টাকার বিনিময়ে ল্যাপটপ দেয়ার জন্য এক শ্রেনীর প্রতারক চক্র মঙ্গলবার ও বুধবার ফোন দিয়েছে।’
উপজেলার সরসকাটি হাইস্কুল, কাজীরহাট গালর্স হাইস্কুল, সাতপোতা রহিমা বালিকা বিদ্যালয়, ছলিমপুর হাইস্কুল, মুরারীকাটি হাইস্কুল, বদরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফোন করে অনুরূপভাবে টাকা বিকাশ করার কথা বলা হয়েছে।
গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ দেয়ার কথা বলে টাকা বিকাশ করার নামে প্রতারনা ফাঁদ ফেলার প্রক্রিয়া ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাতপোতা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমানের কাছে ০১৭২২-৬০৫৯৭৮ নম্বর থেকে ফোন করে বিকাশ করার কথা বলা হয়েছে। ইউএনও’র উদ্ধৃতি দিয়ে সেখানে বলা হয়- ‘৫৮হাজার টাকার ল্যাপটপ দেয়া হবে। এজন্য ৮হাজার টাকা বিকাশে দিতে হবে।’ তখন প্রধান শিক্ষক ৫হাজার টাকা দিতে রাজি হলে মোবাইলের অপরপ্রান্ত থেকে বলা হয়- ‘টাকাটা বিকাশ করে বিকেলে ইউএনও’র বাসায় দেখা করবেন।’ বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সন্দেহ হলে তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখেন বিষয়টি ভূয়া।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাজীরহাট গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সামছুল হকের কাছে প্রথমে ০১৭২২-৬০৫৯৭৮ নং থেকে নিজেকে ইউএনও পরিচয় দিয়ে তার নং আছে কিনা বললে প্রধান শিক্ষক বলেন- নেই। তখন বলা হয় শিক্ষা অফিসার আমার পরিচয় দিয়ে দেবেন। দ্বিতীয়বার ০১৭১৭-২৩৯৯৮৯ নং থেকে শিক্ষা অফিসারের পরিচয় দিয়ে (যদিও সেটা শিক্ষা অফিসারের কন্ঠস্বর নয়) ফোন দিয়ে ইউএনও’র কথা বলা হয়। তৃতীয়বার ০১৭০৯-৩১৯৭৩৯ নং থেকে ফোন দিয়ে বলা হয়- ‘আপনি সরকারি ল্যাপটপ পেয়েছেন কিনা।’ প্রধান শিক্ষক তখন বলেন যে- ‘স্কুলে পেয়েছেন।’ তখন অপরপ্রান্ত থেকে বলা হয়- ‘প্রধান শিক্ষকের জন্য ব্যক্তিগত ল্যাপটপ দেয়া হবে। এজন্য বিকাশে টাকা দেন।’
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় প্রধান শিক্ষক সামছুল হক সহকর্মী ও ঊর্দ্ধতনদের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সম্পর্কে ভূয়া ও প্রতারণা বলে নিশ্চিত হন।
লাঙ্গলঝাড়া কেএল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের কাছেও ০১৯৬৪-১১৫২২৬ নম্বর থেকে টাকা বিকাশ করার কথা বলা হয়েছে।
খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক সরেজমিনে কলারোয়া ইউএনও’র কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনও’র সরকারি মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিস সুপারভাইজার ইউএনও’র মোবাইলটি আলমারীতে বন্ধ অবস্থায় দেখান।
তিনি জানান যে- ‘স্যারের নম্বরটি সম্ভবত ক্লোন করা হয়েছে।’
ইউএনও অফিসের বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নান বলেন- ‘এ বিষয়ে কলারোয়া থানায় জিডি করার প্রস্তুতি গ্রহন করছি।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদ বলেন- ‘বিষয়টি তিনি জেনেছেন। প্রতারণার ঘটনাটি সত্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে ভুয়া ও প্রতারণা ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য সজাগ থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।’
এদিকে, অনেক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছে অনুরূপভাবে ল্যাপটপ দেয়ার নাম করে বিকাশে টাকা চাওয়া হলেও কেউ টাকা দিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ চলছে

রাজনীতির খবর: সিলেটে দেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শুরু হয়েছে। নগরীর ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এ সমাবেশ শুরু হয়।

শুরুতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইযুম জালালী পঙ্কী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে রয়েছেন জোটের প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

অনুষ্ঠান পরিচালনায় রয়েছেন সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক।

মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান।

এ ছাড়া উপস্থিত রয়েছেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব মোস্তফা আমিন প্রমুখ।

গত কয়েক দিন ধরে তুমুল আলোচনায় থাকা এই সমাবেশ ঘিরে এখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন তো বটেই, সাধারণ মানুষের দৃষ্টিও সিলেটে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সিলেটে এ সমাবেশ থেকে কোন কর্মসূচি ঘোষণা করেন কিংবা কী বার্তা দেন- সেদিকেই সবার আগ্রহ।

একাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ঐক্যফ্রন্টের এই প্রথম সমাবেশ রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। সে জন্য এই সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি কী আলটিমেটাম দেয়া হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখছেন সবাই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন- বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের দিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও সজাগ দৃষ্টি রাখছে।

রাজনীতির মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই প্রথম কর্মসূচি দেখেই নিজেদের আগামী করণীয় ঠিক করবে আওয়ামী লীগ- এমনটিই মনে করছেন তারা।

তাদের মতে, ঐক্যফ্রন্ট নেতারা যেসব দাবি তুলবেন কিংবা যে আলটিমেটাম দেবেন, তার জবাবের জন্যও সমাবেশে দৃষ্টি রাখছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

বিশ্লেষকদের অভিমত, সাধারণ মানুষও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই সমাবেশের দিকে তাকিয়ে আছে। মানুষ ইতিবাচক রাজনীতিই দেখতে চায়। নির্বাচন নিয়েও সাধারণ মানুষের আগ্রহ রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কী ঘোষণা দেয়, তাদের নির্বাচনী রোডম্যাপ কী হবে- তা জানতে চান সাধারণ মানুষ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সমাবেশ থেকে নিজেদের সাত দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা আসতে পারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের কাছ থেকে।

বর্তমান সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, খালেদা জিয়ার মুক্তি, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে সরকারের প্রতি চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিতে পারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই আলটিমেটামে সরকার সাড়া না দিলে কোন পথে ঐক্যফ্রন্ট হাঁটবে, সে বিষয়েও ঘোষণা আসতে পারে।

তবে ধ্বংসাত্মক কিংবা জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতির কোনো কর্মসূচি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেবে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ইতিবাচক রাজনীতি দিয়ে, পরিবর্তনের সুর তুলে সমাবেশে ব্যাপক লোকসমাগমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে চায় ঐক্যফ্রন্ট।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, যারা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী, শান্তির কল্যাণ ও উন্নয়নের কল্যাণে প্রীতিময় পরিবেশে দেশের স্বার্থরক্ষার প্রচেষ্টায় সবাই আজকের সমাবেশে জড়ো হবেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমাদের আশা- লাখো লোকের ঢল নামবে আজকের সমাবেশে। সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুভ হবে। সিলেটসহ সারা দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ সমাবেশের দিকে তাকিয়ে আছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমরা যে সাত দফা দিয়েছি, তার যাত্রা শুরু করব পবিত্র শহর হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরানের পুণ্যভূমি সিলেট থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কম খরচে সেরা ভ্রমণ: তালিকার সপ্তমে বাংলাদেশ

দেশের খবর: ভ্রমণ কার না ভালো লাগে! তবে যতটা অর্থ খরচ হলো তার তুলনায় ভ্রমণের স্থানটা পর্যটনবান্ধব, রোমাঞ্চকর ও সুখকর ছিল কিনা তা চিন্তার বিষয়। ২০১৯ সালের জন্যে এমনই কিছু পর্যটনবান্ধব স্থানের তালিকা করেছে লোনলিপ্লানেট ডট কম। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম খরচ, কিন্তু দেখার মতো স্থানগুলো কথাই উঠে এসেছে। আর সেখানে বাংলাদেশ ৭তম স্থান দখল করে নিয়েছে। বহু হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে তালিকাটা প্রস্তুত হয়েছে।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্রমণ বিষয়ক গাইড বুক প্রকাশক লোনলি প্লানেট। সাধারণত কম খরচে ভালো কোনো গন্তব্যের খোঁজে থাকা ব্যাকপ্যাকার্সদের কথা চিন্তা করেই গাইড বুকগুলো লেখা হয়ে থাকে। সেখানে বিশ্বের ৮তম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের কথা লেখা হয়েছে। তবে তুলনামূলক কম খরচে মনের মতো রোমাঞ্চ মিলবে এখানে, তাও বলা হয়েছে। এশিয়ার দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, বিচিত্র ও রোমাঞ্চকর শহর এবং সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের কথাও উঠে এসেছে।

মিতব্যয়ী ভ্রমণকারীদের কাছে বাংলাদেশর সব সময়ই আকর্ষণীয় স্থানৱ। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট পর্যটকদের আবিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে, বলা হয় সেখানে। প্রতিবেদনে বাগেরহাটকে ঐতিহাসিক শহর এবং উন্মুক্ত জাদুঘর বলা হয়েছে। আরো আছে পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার এবং গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থলের কথা।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে সহজে ঘোরাফেরার সুযোগ আর কোনো প্রতিবেশী দেশে নেই বললেই চলে।

এ তালিকার শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে মিশরের দক্ষিণের নীল ভ্যালি। তার পরই রয়েছে পোল্যান্ডের লডজ। আরো আছে আমেরিকার গ্রেট স্মোকি মাউন্টেন্স ন্যাশনাল পার্ক। তালিকার চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থান দখল করেছে যথাক্রমে মালদ্বীপ এবং আর্জেন্টিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পান পাতার বিস্ময়কর ৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: পানের রয়েছে কিছু বিস্ময়কর উপকারিতা। নানী-দাদীদের অনেকেই অভ্যাস থাকে পেপারাসিয়া পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এ পান পাতা খাওয়ার। তাই বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিক ভাবে এর চাষও করা হয়। কিন্তু শুধু মশলা, সুপারি, জর্দা ব্যবহারে খাওয়ার মধ্যেই পান পাতার উপকারিতা শেষ নয়। আসুন জেনে নেই স্বাস্থ্য সমস্যায় পান পাতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কে।

* ওজন হ্রাস করতে
পানের রস হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত পানি, বিষাক্ত পর্দাথ শরীর থেকে বের করে দেয়। শুধু তাই নয় এটি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। এর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে থাকে। আর এই সবকিছু ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। তাছাড়া পান পাতায় রয়েছে গ্যাস্ট্রো প্রটেকটিভ , অ্যান্টি-ফ্লটুলেন্ট এবং কার্মিনেটিভ এজেন্ট যার কারণে পান চাবানোর সময় মুখে স্যালাইভা তৈরি করে। যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

* জয়েন্টে ব্যথা
পলিফেনাল নামে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লামমেটরি উপাদান রয়েছে পান পাতায়, যা প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে করে। এইজন্য অনেককে জয়েন্টের ব্যথার জন্য পানের রস সরবারহ করে।

* গলা ব্যথা রোধে
পান পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লামমেটরি উপাদান ঠাণ্ডা এবং ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পান পাতা এবং মধু মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন এটি গলার ইনফেকশন রোধ করবে।

* ক্ষত সারাতে
পান পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এর অক্সিডেটিভ উপাদান ক্ষত দ্রুত সারিয়ে তোলে। ক্ষত স্থানে কিছু পরিমাণ পান পাতার রস লাগিয়ে নিন। এরপর ব্যান্ডেজ করে বেঁধে রাখুন। এভাবে ২-৩দিন থাকুন। দেখবেন ক্ষত সেরে গেছে।

* মুখের দুর্গন্ধ দূর
মুখের ভিতরের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পান পাতার বিকল্প নেই। পান পাতা চেবানোর সময় মুখে ভিতর স্যালাইভা উৎপাদন করে যা ওরাল ব্যাক্টেরিয়া রোধ করে এবং পিএইচ লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনু‌যায়ী পান খেলে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগকেও প্রতিহত করা ‌যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest