সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

আজ টিকে থাকার লড়াই বাংলাদেশের

খেলার খবর: আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে তাঁর কথায় দুঃখ-হতাশা মিশে থাকল। আবার অধিনায়ক যখন, তখন আশার আলোও দেখতে হয় তাঁকে। তিনি মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেই অতীতে দৃশ্যমান আলোর রেখাও ভরসা দিতে দাঁড়িয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুঃস্বপ্নের টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সাফল্যের গল্পকারের ঠোঁটে তাই এ কথাও ভীষণ মানিয়ে গেল, ‘আরো দুটি খেলা আছে। আমাদের জন্য টুর্নামেন্ট এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’
এটা ঠিক যে এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তবে আজই শেষ হওয়ার সম্ভাবনাও আগের দুই ম্যাচের ব্যর্থতায় উঁকি দিয়ে আছে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ যখন আরেকটি ভারত-পাকিস্তান মহারণ চলবে, তখন আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সামনে আফগানিস্তান। যাদের সামনে গত সাড়ে তিন বছরে বহু কীর্তির মালা গাঁথা বাংলাদেশকে ইদানীং বড্ড অসহায় দেখাচ্ছে।
দেখিয়েছিল গত জুনে ভারতের দেরাদুনে হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। এবার ওয়ানডে বলে আফগান স্পিনারদের সামনে টি-টোয়েন্টির সময় স্বল্পতাজনিত ঝুঁকিও থাকার কথা ছিল না। কিন্তু আবুধাবিতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ বুঝিয়েছে এই ফরম্যাটেও রশিদ খানরা নাভিশ্বাস তুলে ছাড়তে জানেন বাংলাদেশের। এর সঙ্গে সুপার ফোরের ভারত ম্যাচে বিধ্বস্ত হওয়ার স্মৃতিও যোগ হওয়ায় মানসিকভাবে নিজেদের চাঙ্গা করা মুশকিলই।
তবু হতাশা ভুলে সামনেই তাকাতে চাইলেন মাশরাফি, ‘আমার মনে হয় এই অবস্থা থেকে এখনো ফেরা সম্ভব। এত হতাশ হওয়ারও কিছু দেখছি না। অবশ্যই দুই ম্যাচের হার হতাশার। বিশেষ করে এই ম্যাচের (ভারত) হার তো আরো হতাশার। তবে আমাদের সুযোগ এখনো আছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে পারলে পাকিস্তান ম্যাচে ফিফটি-ফিফটি সুযোগ চলে আসবে।’
সেই সুযোগটি আসতেও তো আজ আফগানিস্তানকে হারাতেই হবে। তবু আবুধাবির ধীরগতির উইকেটে আফগান স্পিনাররা যেভাবে বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন, তাতে আশার চেয়ে আশঙ্কাই বেশি। কিন্তু ওই যে পেছনে আছে বাজে সময়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্মৃতি। আছে বাংলাদেশের সবশেষ সিরিজেই। সে জন্যই মাশরাফির সঙ্গে সুর মেলান সাকিব আল হাসানও।
এই অলরাউন্ডারের মতে, ‘এর আগেও আমরা এমন পরিস্থিতিতে পড়েছি এবং ঘুরেও দাঁড়িয়েছি। আমি বিশ্বাস করি সেই সামর্থ্য আমাদের আছে। আমরা স্বাভাবিক যে ক্রিকেটটা খেলে অভ্যস্ত, চেষ্টা করতে হবে সে রকমই খেলার। যদিও এমন অবস্থান থেকে স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলা কঠিনও। তবে মনে হচ্ছে ঘুরে দাঁড়াতে না পারার মতো পরিস্থিতিতে আমরা নেই।’ যদিও গ্রুপের দুই ম্যাচ জেতা আফগানিস্তান সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকেও কাঁপিয়ে দিয়েছে। দুয়ে মিলে দল হিসেবে দারুণ ছন্দেও আছে তারা।
সেই ছন্দ বিবেচনায় আপাতত আফগানদেরই এগিয়ে রাখছেন সাকিব। একই সঙ্গে তাঁর সার্বিক বিবেচনা আবার দল হিসেবে বাংলাদেশকেই এগিয়ে রাখছে, ‘ছন্দের কথা চিন্তা করলে অবশ্যই আফগানিস্তান এগিয়ে। এই টুর্নামেন্টে খুবই ভালো ক্রিকেট খেলছে। তবে আমি বিশ্বাস করি আমরা ওদের চেয়ে ভালো দল। আমাদের পারফরম্যান্সও তাই সেভাবেই করতে হবে।’
অবশ্য নিজেদের এগিয়ে রাখার ব্যাপারটি ব্যাখ্যার দাবি রাখে। সেই ব্যাখ্যা সাকিব দিয়েছেনও, ‘ওদের চেয়ে আমরা বেশি জিতেছি। ওদের চেয়ে বড় দলগুলোর বিপক্ষে আমরা বেশি জিতেছি। র‌্যাংকিংয়েও আমরা বেশি এগিয়ে ওদের চেয়ে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা ওদের চেয়ে এগিয়ে।’ এই এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এগিয়ে থাকা আফগানদের সামনে স্পিনে নাকালও হয়েছে বাংলাদেশ। যেটি দেরাদুনের সিরিজেও হয়েছিল। দুয়ে মিলে প্রশ্নটা আসছেই যে এ রকম ব্যর্থতা দক্ষতার ঘাটতির জন্য নাকি সমস্যাটা মানসিকতায়?
পরদিনই যখন জীবন-মরণ ম্যাচ, তখন সাকিব এর গভীরে ঢুকতেই রাজি হলেন না কাল, ‘আমার মনে হয় না এত গভীরভাবে চিন্তা করার মতো পরিস্থিতি এখন। আমরা কোন ধরনের ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত এবং আমাদের কোন ধরনের ক্রিকেট খেলা উচিত, এদিকেই এখন মনোযোগী হওয়া উচিত। কাদের বিপক্ষে খেলছি, এটা নিয়ে না ভেবে আমাদের কাজগুলো ঠিকভাবে করার দিকেই মনোযোগ রাখতে হবে। আমরা আমাদের দিনে পৃথিবীর যেকোনো দলকেই হারানোর সামর্থ্য রাখি।’
এশিয়া কাপে টিকে থাকতে হলে সেই সামর্থ্য আজ দেখাতেই হবে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে ফল খাওয়ার উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: আমরা বহু যুগ ধরে একটা ধারণা মেনে আসছি যে, সকালে উঠে খালি পেটে ফল খেলে নাকি শরীরের ক্ষতি হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন:

১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে: ঘুম থেকে ওঠার পর ব্লাড সেল এবং ব্রেন সেলকে পুনরায় অ্যাকটিভ করতে শরীরের প্রচুর পরিমাণে প্রকৃতিক শর্করার প্রয়োজন পরে। এই কারণেই তো খালি পেটে ফল খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এমনটা করলে একদিকে যেমন শরীরে চিনির চাহিদা পূরণ হয়, তেমনি প্রকৃতিক সুগার, লোগ্লাইকেমিক হওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাোয়ার আশঙ্কাও কমে। ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে।

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ফলের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৩. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার ২০ মিনিট আগে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেলে খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানেরা শরীর দ্বারা বেশি মাত্রায় শোষিত হয়। ফলে দেহের অন্দরে অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যানিমিয়ার মতো রোগের খপ্পরে পরার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. শরীরকে বিষ মুক্ত করে: সকাল ৭-১১ পর্যন্ত শরীর নিজের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালায়। তাই তো এই সময় এক বাটি ফল খেলে শরীর থেকে বেশি মাত্রায় বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টক্সিক উপাদানের প্রভাবে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৫. অ্যাসিডের প্রকোপ কমে: ‘সকালবেলা ফল খাওয়া মানেই অ্যাসিডিটির কবলে পড়া’- এমন ধারণার কিন্তু কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কারণ, একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে, ফল খাওয়া মাত্র অ্যাসিড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা তো থাকেই না। উল্টো শরীরে অ্যাসিড এবং অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য ঠিক হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যাসিডিটি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা মহানগরীতে আওয়ামী লীগের ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ গঠনের কাজ শুরু

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীতে ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ গঠনের কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। প্রত্যেক কেন্দ্রে ভোট পাহারা দিতে এ কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ১২১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সারাদেশে ৪০ হাজার কমিটি করা হবে। ভোটের আগে এ কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণও দেয়া হবে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিতে যাদের রাখা হবে তাদের আওয়ামী লীগ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের অত্যন্ত বিশ্বস্ত হতে হবে। এলাকার ভোটারদের চিনতে হবে। এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নিজস্ব লোককে কমিটিতে প্রাধান্য দেয়া হবে। এলাকার ভোটার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি বারবার যাওয়ার ইচ্ছে আছে এমন লোকজনকে কমিটিতে রাখা হবে।
কারণ এ কমিটির সদস্যদের মধ্যেই পোলিং এজেন্ট করা হবে। এ কমিটির সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ সভায় সভাপতিত্ব করেন। মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকরা এতে উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ কীভাবে কাজ করবে তার নির্দেশনা দেয়া হয়।
আওযামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ কমিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট এলাকার বিশ্বস্ত ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এ কমিটি গঠনের কথা বলেছি। এরাই হবে ভোটের পাহারাদার। কেউ যদি জাল ভোট বা কোনো কারচুপি করতে চায় তাহলে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির সদস্যরা রুখে দাঁড়াবে। এ কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ বলেন, ২০০১ সালে আমরা কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিতে তেমন তৎপর ছিলাম না। যে কারণে বিজয় হাত ছাড়া হয়েছিল। এবার আর সে সুযোগ দেয়া হবে না। এ কমিটির সদস্যরা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে। আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং ১৪ দলের নেতাকর্মী এবং মহিলাদের কমিটিতে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তান এখনো সন্ত্রাসের স্বর্গ: যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশের খবর: পাকিস্তানকে আবারো সন্ত্রাসবাদের দায়ে অভিযুক্ত করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বার্ষিক ‘কান্ট্রি রিপোর্ট অন টেররিজম ২০১৭’-এ যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে রয়েছে।

তারা অভিযোগ করেছে যে পাকিস্তান জয়েশ-এ-মোহাম্মদ ও লশকর-এ-তৈয়েবার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়নি। এ সমস্ত সংগঠন ভারতে সন্ত্রাসী হামলার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বলে ভারতও অভিযোগ জানিয়ে আসছে।

প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করে যে পাকিস্তান লশকর প্রধান এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সাইদকে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার করে। পরে এক আদালতের নির্দেশে একই বছরের নভেম্বরে মুক্তি দেয়। এছাড়া জয়েশ ও লশকরকে প্রকাশ্যে ফান্ড ও জনবল সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণ ক্যাম্প চালানো ঠেকাতে সফল হয়নি পাকিস্তান।

রিপোর্টে বলা হয়, ইসলামিক স্টেট খোরাসান গত বছর দেশটিতে ৪৩টি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এর মধ্যে কিছু হামলা অপরাপর জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে মিলেমিলে করে। দেশটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো কার্যসিদ্ধির ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিশেষ কায়দা-কৌশল অনুসরণ করে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।

এসবের মধ্যে আছে স্টেশনারি অ্যান্ড উইক বর্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (ভিবিআইইডিএস), আত্মঘাতী বোমারু, ব্যক্তি, স্কুল, সরকারি স্থাপনা, উপাসনালয় ও বাজারে রকেট-গ্রেনেড হামলা। রিপোর্টে এটাও বলা হয় যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এখন বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। দেশটির সরকার বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মামলা চালাতে সেনা আদালতে আরো দুই বছরের অনুমোদন দিয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, আসল উদ্দেশ্য সাধনে সামরিক আদালত পারঙ্গম নয় এবং এর প্রয়োগ সিভিল সোসাইটিকে চুপ রাখার স্বার্থে চলছে। মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বারবার একথা বলে আসছে যে জাতিসংঘের তালিকভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর ফান্ড সংগ্রহ ঠেকাতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে লশকরের সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে রেজিস্ট্রি করতে বাধা দেয় পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশিরা ‘উইপোকা’ : বিজেপি সভাপতি

বিদেশের খবর: ভারতীয় জনতা দল-বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বলেছেন, “বাংলাদেশি অভিবাসীরা ‘উইপোকা’, শীঘ্রই ভোটার তালিকা থেকে এদের বাদ দেয়া হবে।” রাজস্থানে এক নির্বাচন-পূর্ব সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। খবর এনডিটিভির।

আসামে নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের কৃতিত্ব নেন ক্ষমতাসীন বিজেপি দলীয় প্রধান। বলেন, ‘৪০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রত্যেকটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করা হবে।’

কংগ্রেসের সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, কংগ্রেস দেশকে সহায়তা করতে পারবে না। কারণ তাদের নেতাও নেই নীতিও নেই।

এর আগে একাধিকবার ভারতে লাখ লাখ ‘বাংলাদেশি অভিবাসী’ আছে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ। বলেছেন, তাদের প্রত্যেককে ফেরত পাঠানো হবে।

চলতি বছরের ৩০ জুলাই আসামের রাজধানী গৌহাটি থেকে চূড়ান্ত খসড়া নাগরিক নিবন্ধন তালিকা বা নাগরিকপঞ্জি প্রকাশ করা হয়। এতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষের মধ্যে ২ কোটি ৮৯ লাখকে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান দেয়া হয়। তালিকা থেকে বাদ পড়েন আসামের ৪০ লাখ ৭ হাজার ৭০৮ জন মানুষ। এদের বেশিরভাগই বাংলাভাষী মুসলমান বলে মনে করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১ অক্টোবর থেকে সারাদেশে ‘জাতীয় ঐক্য কমিটি’র সভা সমাবেশ

দেশের খবর: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে যোগ দিয়ে এই আহবান জানান তিনি।

তার আহবানের ভিত্তিতেই দাবি আদায়ে পহেলা অক্টোবর থেকে সারাদেশে সভা সমাবেশ করার ঘোষণা দেয় জাতীয় ঐক্য কমিটি।

শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮) বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে এ সমাবেশ হয়।

মির্জা ফখরুল জানান, কারাগারে কষ্ট সহ্য করে হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।

সমাবেশে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন ও যুক্তফ্রন্টের সভাপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যসহ বিকেল চারটা নাগাদ যোগ দেন দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে যোগ দেন ২০ দলীয় জোটের শরীক দলের নেতারাও। সমাবেশে জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে কারাবন্দী দলীয় প্রধানের বার্তা পৌঁছে দেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আসুন নূন্যতম কর্মসূচির ভিত্তিতে নূন্যতম দাবি দাওয়া নিয়ে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই দাবি আদায় করার জন্য আন্দোলন শুরু করি। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই সরকারকে খালেদা জিয়া ও অন্যান্য নেতাদের ছাড়তে বাধ্য করবো।’

বিকল্পধারার প্রধান অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান।

অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘আজকে অধিকার আদায়ের সময়। এসময় ঐক্য আদায় করবেন না, কখন করবেন।’

সমাপনী বক্তব্যে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।

আদায় না হলে সমাবেশে পহেলা অক্টোবর থেকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক কমিটি হস্তান্তর

 

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার অন্তগূর্ত ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক কমিটি হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের অস্থায়ী কার্যালয় হতে হস্তান্তর করা হয়। মোঃ আঃ আজিজ কে আহবায়ক ও মোঃ রফিকুল ইসলামকে ও আব্দুল জব্বারকে যুগ্ম আহবায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট অনুমোদিত কমিটি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী। আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা সহ-সভাপতি এড. সাঈদুজ্জামান (জিকো), ত্রাণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ রানা, সদর আহবায়ক এড. ফারুক হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক শাহাদৎ হোসেন, শহর যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, লাবসা ইউনিয়ন সভাপতি এম এন রহমান স্বপনসহ, ইব্রাহিম, হাবীব, পিয়ার আলী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। আগামী ১ মাসের মধ্যে সমস্ত ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে ইউনিয়ন সম্মেলন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নৌকার স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন শ্লোগানে শনিবার বিকালে বাদামতলা বাজার, মাহমুদপুর বাজার ও আলিপুর হাটখোলায় এ নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এসয়ম উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসিফ শাহাবাজ, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর মনোয়ার, আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, আলিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আসিফ হোসেন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এসময় নেতৃবৃন্দ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও বিজয়ী করতে নৌকার পক্ষে ভোট চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest