সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

পারিবারিক দুর্নীতি রোধে কঠোর আইন আসছে

দেশের খবর: পারিবারিক দুর্নীতি রোধে কঠোর আইন আসছে। অবসরে যাওয়ার দুই বছরের মধ্যে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন না। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ছেলেমেয়ে, স্ত্রী ও ভাইবোন ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো দরপত্র ও নিয়োগসহ কোনো কাজে অংশ নিতে পারবে না।
বিচারক বাবা তার আইনজীবী সন্তানের মামলা শুনানি করতে পারবে না। মন্ত্রণালয়ের সচিবের অনুমোদনে পাওয়া কোনো কোম্পানির পরিচালক হতে পারবে না তার স্ত্রী। এমন সব বিধান রেখে ‘স্বার্থ সংঘাত প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এই আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

মতামত নিতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে খসড়াটি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পাশাপাশি আইনটি দুদক আইন-২০০৪ এর তফসিলভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অনুরোধ করেছে দুদক।

এ প্রসঙ্গে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বুধবার বলেন, দুদকের শীর্ষ কর্তাব্যক্তির চিন্তা থেকে আইনের খসড়াটি করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে পারিবারিক অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে স্বজনপ্রীতি করার সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী, সন্তান, ভাইবোনসহ নিকটাত্মীয়রা দফতরে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করেন। এসব অনিয়ম বন্ধ হবে। তিনি আরও বলেন, আইনে সুনির্দিষ্ট কিছু না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা যায় না। আইনটি দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্তে ব্যবহার করা হবে।

খসড়ায় যা রয়েছে: খসড়ায় স্বার্থ-সংঘাত বলতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী বা নিয়োজিত পরামর্শক বা উপদেষ্টাদের প্রভাবিত করতে পারে এমন বিষয় বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, ‘ক’ একটি প্রকল্পে নিয়োজিত থাকাকালে তার পুত্র ‘খ’ ওই প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কাজ না পেলেও ‘ক’-এর বিরুদ্ধে স্বার্থ-সংঘাতের অভিযোগ আনা হবে।

চিকিৎসকের অপরাধের বিষয়ে খসড়ায় উদাহরণ দিয়ে বলা হয়- ‘ক’ একটি হাসপাতালের চিকিৎসক। কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট নেয়ার বিনিময়ে বা কমিশনে বা অন্য কোনো কারণে ‘ক’ ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার জন্য রোগীদের পাঠালে এবং পাঠানোর তথ্য প্রমাণিত হলে ‘ক’ এবং ওই ডায়াগনস্টিকের মালিককে এ আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হবে। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অন্য কারও কাছে পাঠালে ‘ক’ দোষী হবেন না।

খসড়ায় বলা হয়- অবসরের পর দুই বছরের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কমিটি বা সাবকমিটি বা কোনো পরামর্শক সভায় সরকারি কর্মকর্তা নিয়োজিত হতে পারবেন না। এটি হলে স্বার্থ-সংঘাত বিরাজ করবে বলে ধরে নেয়া হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে- ‘ক’ এনবিআরের চেয়ারম্যান থাকাকালে বিভিন্ন এনজিওকে কর অবকাশ প্রদানের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে। অবসরে যাওয়ার পর ১৫ মাস পর ‘ক’ একটি এনজিওতে যোগদান করে। অবসরের আগে প্রণীত নীতিমালায় এনজিওটি কর অবকাশ পেলে ‘ক’- এর নিয়োগে স্বার্থ-সংঘাত বিরাজ করবে। অর্থাৎ ‘ক’ এই আইনের আওতায় অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

অপরাধের ধরন তুলে ধরে খসড়ায় বলা হয়- যেমন সরকারি দফতরে চাকরিকালে ‘ক’ ওই দফতরের প্রকল্প পরিচালনাকারী বেসরকারি ফার্মের অবকাশ যাপন কেন্দ্রে সপরিবারে বিনা খরচে অবকাশ যাপন করলে ‘ক’ এবং ওই ফার্মের অংশীদাররা এই আইনের আওতায় অপরাধী হবে। ‘ক’ একটি নিয়োগ কমিটির সদস্য থাকাকালে তার পুত্র ‘খ’ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে এবং ওই তথ্য গোপন করা হলে ‘ক’ এ আইনের আওতায় অপরাধী হবেন।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ‘ক’-এর স্ত্রী ‘খ’ একটি তেল কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার। ওই তেল কোম্পানির সঙ্গে ‘ক’ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে চুক্তি করলে এবং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক জেনেও চুক্তি বাতিল না করলে ‘ক’ এবং কর্মকর্তারা এই আইনের আওতায় অভিযুক্ত হবেন।

অপরাধের শাস্তি: কোনো ব্যক্তি এই আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা অপরাধের গুরুত্ব অনুসারে উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর বিধানে যা-ই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধগুলো আমলযোগ্য এবং জামিনযোগ্য হবে। এ আইনে শাস্তির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই- এমন কোনো ধারা বা বিধান লঙ্ঘন করলে, লঙ্ঘনে সহায়তা করলে অথবা লঙ্ঘনে কাউকে প্ররোচিত করা হলে তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল পাকিস্তান

খেলার খবর: বাবর আজমের অপরাজিত ফিফটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পাওয়া পাকিস্তান জিতেছে সহজেই। ইমাদ ওয়াসিমের স্পিন ভেল্কি আর ফাহিম আশরাফ ও হাসান আলির পেসে অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে সরফরাজ আহমেদের দল।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬৬ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেছে পাকিস্তান। ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৮৯ রানে থমকে যায় অস্ট্রেলিয়া।
আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বুধবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে ৭৩ রানের জুটিতে দলকে টানেন আজম।

দুটি করে ছক্কা-চারে ৩০ বলে ৩৯ রান করা হাফিজকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভাঙেন ডার্চি শার্ট। দৃঢ় ভিতের সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি মিকি আর্থারের শিষ্যরা। মিডল আর লোয়ার মিডল আর্ডার মিলিয়ে ছয় ব্যাটসম্যান যেতে পারেননি দুই অঙ্কে।

নিয়মিত উইকেট পতনের মধ্যে দলকে দেড়শ রানে নিয়ে যান বাবর। এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ৫৫ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৬৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। শেষ দিকে ৮ বলে অপরাজিত ১৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন হাসান।

অস্ট্রেলিয়ার বিলি স্ট্যানলেক ৩ উইকেট নেন ২১ রানে। অ্যান্ড্রু টাই ২৪ রানে নেন তিন উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ইমাদের বাঁহাতি স্পিন ও আশরাফের পেসে দিশেহারা হয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ষষ্ঠ ওভারে মাত্র ২২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে ফিঞ্চের দল। অধিনায়ক ফিরেন শূন্য রানে। দলকে পথ দেখাতে পারেননি অন্য কেউ।

টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন ৭৯ তখনও অনেক দূরের পথ। সেটা ছাড়িয়ে দলকে শতরানের কাছে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব ন্যাথান কোল্টার-নাইল ও অ্যাশটন অ্যাগারের। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৬ চারে ৩৪ রান করেন কোল্টার-নাইল।
২০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দেওয়া ইমাদ জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। আশরাফ ২ উইকেট নেন ১০ রানে।

আগামী শুক্রবার দুবাইয়ে হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৫৫/৮ (ফখর ১৪, বাবর ৬৮, হাফিজ ৩৯, আসিফ ২, তালাত ৯, আশরাফ ০, সরফরাজ ০, শাদাব ১, ইমাদ ০, হাসান ১৭*; কোল্টার-নাইল ০/৪২, স্ট্যানলেক ৩/২১, টাই ৩/২৪, অ্যাগার ০/১৯, জ্যাম্পা ১/৩২, শর্ট ১/১৩)

অস্ট্রেলিয়া: ১৬.৫ ওভারে ৮৯ (ফিঞ্চ ০, শর্ট ৪, লিন ১৪, ম্যাক্সওয়েল ২, ম্যাকডারমট ০, ক্যারি ১, অ্যাগার ১৯, কোল্টার-নাইল ৩৪, জ্যাম্পা ৩, টাই ৬, স্ট্যানলেক ২*; ইমাদ ৩/২০, আশরাফ ২/১০, হাসান ১/১৬, আফ্রিদি ২/২৩, শাদাব ১/১৬)

ফল: পাকিস্তান ৬৬ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: ইমাদ ওয়াসিম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দি মারিয়ার শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল পিএসজি

খেলার খবর: পিছিয়ে পড়ার পর আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফিরেছিল পিএসজি। কিন্তু নেইমার-কিলিয়ান এমবাপে-এদিনসন কাভানিতে সাজানো আক্রমণভাগ কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দিতে ব্যর্থ। উল্টো ৭৭তম মিনিটে আবারও পিছিয়ে পড়া দলকে শেষ সময়ে ড্রয়ের স্বস্তি এনে দেন আনহেল দি মারিয়া।

‘সি’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ২-২ ড্র করে পিএসজি। তিন ম্যাচে একটি করে জয়, হার ও ড্র টমাস টুখেলের দলের।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে কখনও ইতালির দলের বিপক্ষে জিততে না পারার বৃত্তেই থাকল পিএসজি। এর আগে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের সেমি-ফাইনালে দুই লেগে এসি মিলানের কাছে হেরেছিল তারা। এরপর ২০০০-০১ মৌসুমে গ্রুপে পর্বে দুইবার ড্র করেছিল মিলানের সঙ্গে।
নিজেদের মাঠে বুধবার রাতে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে কাভানির শট কাছের পোস্টে লক্ষ্যে থাকেনি। দশ মিনিটে পর উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের আরেকটি প্রচেষ্টা রুখে দেন গোলরক্ষক দাভিদ অসপিনা।

২৩তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় নাপোলি। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড ড্রিস মের্টেন্সের শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি ইতালির দলটির।
পাঁচ মিনিট পরে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে নাপোলিকে এগিয়ে নেন লরেনসো ইনসিনিয়ে। ডান দিক থেকে হোসে কায়েহনের বাড়ানো ক্রস অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে চিপ করে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ইতালির এই ফরোয়ার্ড।

৩৭তম মিনিটে অসপিনার দৃঢ়তায় সমতায় ফেরার সেরা সুযোগটি নষ্ট হয় লিগ ওয়ানে উড়তে থাকা পিএসজির। একধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেইমারের বাড়ানো বলে রাশিয়া বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা এমবাপের শট শেষ মুহূর্তে পা দিয়ে আটকান গোলরক্ষক।
৬১তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে পিএসজি। এমবাপে থেকে পাওয়া বল ডি-বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়িয়েছিলেন তমা মুনিয়ে। মারিও রুই স্লাইড করে বিপদমুক্ত করতে গেলে চোখের পলকে বল জালে জড়ায়।
ফরোয়ার্ড কাভানিকে তুলে ৭৭তম মিনিটে ইউলিয়ান ড্রাক্সলারকে নামান পিএসজি কোচ। পরক্ষণেই ফের এগিয়ে যায় নাপোলি। রুইয়ের শট মার্কিনিয়োসের গায়ে লাগার পর তার পাশেই থাকা মের্টেন্স সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগান।
৮১তম মিনিটে অসপিনার দারুণ সেভে এগিয়ে থাকে নাপোলি। নেইমারের প্রথম দফার ফ্রি কিক কায়েহনের হাতে লাগলে ডি-বক্সের একটু ওপরে ফের ফ্রি-কিক পায় পিএসজি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের ফ্রি-কিক ফেরান গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার আনহেল দি মারিয়ার বাঁকানো শট দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ালে স্বস্তির ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে রবের্ত ফিরমিনো ও মোহামেদ সালাহর গোলে রেড স্টার বেলগ্রেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারানো লিভারপুল ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে।
৫ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি দ্বিতীয় ও ৪ পয়েন্ট পিএসজি নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসিকে ছাড়াই ইন্টারকে উড়িয়ে দিল বার্সা

খেলার খবর: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। ইন্টার মিলানের উপর ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময় আধিপত্য ধরে রেখে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে এরনেস্তো ভালভেরদের শিষ্যরা।
কাম্প নউয়ে বুধবার রাতে প্রতিযোগিতার ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-০ গোলে জেতে লিওনেল মেসিকে ছাড়া খেলতে নামা বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে রাফিনিয়ার গোলে দল এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জর্দি আলবা।
স্কোরলাইনে ঠিক ফুঁটে উঠছে না বার্সেলোনার আধিপত্য। দুই-তৃতীয়াংশ সময় বল দখলে রেখে মোট ২১টি শট নেয় তারা। যার ১১টি ছিল লক্ষ্যে। সুয়ারেস-কৌতিনিয়োরা বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে ব্যবধান বাড়তে পারতো আরও।

ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণে চাপ ধরে রাখা বার্সেলোনা ১৮তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায়। ক্লেমোঁ লংলের হেড পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ইন্টার গোলরক্ষক।
৩২তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। ডান দিক থেকে লুইস সুয়ারেসের দারুণ এক ক্রস ছোট ডি-বক্সের বাইরে পেয়ে বাঁ পায়ের ভলিতে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রাফিনিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধেও একচেটিয়া আক্রমণ করতে থাকা বার্সেলোনা পরপর দুই মিনিটে ভালো দুটি সুযোগ পেয়েছিল; কিন্তু সাফল্য মেলেনি। দুজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সের মধ্যে থেকে সুয়ারেসের নেওয়া শট রুখে দেন গোলরক্ষক। আর গোলরক্ষককে একা পেয়ে তার সোজাজুজি শট নেন ফরাসি সেন্টার-ব্যাক লংলে।
৭০তম মিনিটে আরেক দফা পরপর দুটি সুযোগ নষ্ট হয় বার্সেলোনার। সুয়ারেসের কোনাকুনি হেড দারুণ নৈপুণ্যে রুখে দেন স্লোভেনিয়ার গোলরক্ষক সামির হান্দানোভিচ। ফিরতি বলে ফিলিপে কৌতিনিয়োর শট ক্রসবারে বাধা পায়।

৮৩তম মিনিটে আলবার ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলে জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সেলোনার। ইভান রাকিতিচের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানায় পাঠান স্পেনের আলবা।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ১২ গজ দূর থেকে আলবার আরেকটি শট হান্দানোভিচ রুখে দিলে ব্যবধান আর বাড়েনি।
তিন ম্যাচের সবকটিতে জেতা বার্সেলোনা ৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইতালির ক্লাব ইন্টার।
গ্রুপের আরেক ম্যাচে পিএসভির মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে টটেনহ্যাম হটস্পার। দুটি দলেরই পয়েন্ট ১ করে।

‘এ’ গ্রুপে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্পেনের আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে জার্মান ক্লাবটি। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ক্লাব ব্রুজের মাঠে ১-১ ড্র করেছে ফ্রান্সের মোনাকো।

‘সি’ গ্রুপে সার্বিয়ার রেড স্টার বেলগ্রেডকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। অন্য ম্যাচে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইতালির নাপোলি।
‘ডি’ গ্রুপে তুরস্কের গালাতাসারাইয়ের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেছে জার্মানির শালকে। আরেক ম্যাচে লোকোমোতিভকে মস্কোকে তাদেরই মাঠে ৩-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগালের পোর্তো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক পাথরের দাম ৪ কোটি টাকা!

অনলাইন ডেস্ক: পাথরের দাম আছে। তাই বলে এক পাথরের দাম হবে চার কোটি টাকা! এ কথা শুনে অবাক হওয়ারই কথা। অবাক হলেও সত্য কারণ এই পাথরটি যে চাঁদের পাথর।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে নিলামে ওঠে ১২ পাউন্ড (প্রায় সাড়ে ৫ কিলোগ্রাম) ওজনের এই পাথরটি। নিলামে এর দাম দাঁড়িয়েছে ৬,০০,০০০ মার্কিন ডলারে।
চাঁদ থেকে আসা এই পাথরটি গত বছর উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার একটি মরুভূমি অঞ্চলে খোঁজ মেলে। পাথরটি চাঁদ থেকে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীতে এসেছে।
বোস্টনের নিলামকারী সংস্থা আরআর অকশন চাঁদের পাথরটি অনলাইনে নিলামের জন্য ১১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত রেখেছিল। এই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিলামে সাড়ে ৫ কিলোগ্রাম ওজনের চাঁদের পাথরটি কিনেছেন ভিয়েতনামের এক ব্যক্তি। আপাতত ভিয়েতনামের তাম চক প্যাগোডা চত্ত্বরে পাথরটি প্রদর্শিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেতেনি ভারত, হারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ

খেলার খবর: ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের দেয়া ৩২২ রানের লক্ষ্য যেকোন দলের কাছেই পাহাড়সম মনে হওয়াই স্বাভাবিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই বিশাল রান তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছিল। মনে হচ্ছিল হাতে বেশ উইকেট ও বল রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যাবে তারা। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের নৈপুণ্যে রানের গতি কমে আসে ওয়েন্ট ইন্ডিজের, উইকেট হারিয়ে যায়। আরই এরই ফলশ্রতিতে জিততে পারেনি কোন দল। শেষ বলে এসে ম্যাচটি ড্র হয়েছে।
বিশাখাপটনমে অনুষ্ঠিত ভারত-ওয়েস্টি ইন্ডিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারত। বিরাট কোহলি অপরাজিত ১৫৭ রানের ইনিংসে ভর করে ভারত ৩২১ রান সংগ্রহ করে। বিরাট কোহলি এদিন এই বিশাল রান সংগ্রহ করে ওয়ানডেতে দশ হাজারের রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। শুধু তাই নয় তিনি দ্রুততম দশ হাজার রান সংগ্রাহক হিসেবে শচীন টেন্ডুলকারকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন।

ভারতের হয়ে কোহলির পর সর্বোচ্চ রান করেন আমবাতি রাইডু। ৮০ বলে ৭৩ রান করে নার্সের বলে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর বড় সংগ্রহ বলতে শিখর ধাওয়ানের। ৩০ বলে ২৯ রান করে আউট হন তিনি। বাকিদের অল্প রানের সাথে বিরাট কোহলির বড় সংগ্রহ যোগ করে ভারত প্রতিপক্ষকে ৩২২ রানের মতো বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেয়।
ভারত এ বিশাল রান সংগ্রহ করতে ছয়টি উইকটে হারায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ দুইটি করে উইকেট নেন অ্যাসলে নার্স ও দেবেন্দ্র বিশু।

অন্যদিকে ভারতের দেয়া বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তেমন ভালো শুরু করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ৩৬ রানের সময়েই ব্যক্তিগত ১৮ রানে পলওয়েল আউট হয়ে যান। একটু পর ৬৪ রানের সময় হেমরাজও ফিরেন সাজঘরে। তিনি সংগ্রহ করেন ৩২ রান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে আশা জাগান ওয়ান ডাউনে নামা হোপ। হোপ তার নামের অর্থের মতোই আশা জাগিয়ে অপরাজিত ১২৩ রান সংগ্রহ করেন। তার রানেই মুলত প্রাণ ফিরে আসে ওয়েস্টি ইন্ডিজ দলে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের আশা জাগানিয়া আরেক ব্যাটসম্যানের নাম হেটময়র। হোপের সাথে জুটি গড়ে তিনি ৯৪ রান করেন। তিনি নিজে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি যেমন পেলেন না, তেমনি অল্পের জন্য জিততে পারলো না তার দলও।
হেটমের চলে যাওয়ার পরই কার্যত ভেঙে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপ নানা জনের সাথে সঙ্গ দিয়ে খেলা চালিয়ে যান, কিন্তু তাকে কেউই আর ভালো মতো সঙ্গ দিতে পারেনি।

ওয়েস্টে ইন্ডিজের সামনে যখন সমীকরণ দাঁড়ায় এক বলে চার হলে ম্যাচ ড্র হবে ছয় হলে জিতবে তারা। তখন স্টাইকিংয়ে আশা-ভরসার সেই হোপ। শেষ বলে তিনি চার হাঁকালে ম্যাচ চলে যায় দু’দলেরই অনুকূলে অর্থাৎ ড্র।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাতস উইকেট হারায়। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন কুলদীপ যাদব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটনের নামে ডাকযোগে পাইপ বোমা

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের নামে ডাকযোগে পাঠানো পার্সেলে পাওয়া গেছে পাইপ বোমা।

এদিকে নিউ ইয়র্কের টাইম ওয়ার্নার সেন্টারে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সিএনএন এর নিউ ইয়র্ক ব্যুরো খালি করে ফেলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দপ্তরের বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ ইয়র্ক সিটিতে হিলারি ও বিল ক্লিনটনের বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো একটি প্যাকেটে মঙ্গলবার রাতে বোমা পাওয়া যায়।

মিড টার্ম নির্বাচন সামনে রেখে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রচার কাজে ব্যস্ত হিলারি রাতে ছিলেন ফ্লোরিডায়। তবে তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়িতেই ছিলেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।

এরপর বুবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে ওবামার বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো আরেকটি পার্সেল পরীক্ষা করেও বোমার সন্ধান পান গোয়েন্দা সদস্যরা।

“দুটি বোমাই শনাক্ত করা হয় নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছানোর আগে। ফলে এ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।”
গত সোমবার বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের বাড়িতেও বোমা পাঠানো হয়েছিল বলে খবর দিয়েছিল পুলিশ।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, হেজ ফান্ড ব্যবসায়ী জর্জ সোরোসের নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল প্রায় ছয় ইঞ্চি দীর্ঘ একটি পাইপের ভেতরে বিস্ফোরক পাউডার ভরে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন হোয়াইট হাউজের ঠিকানায় পাঠানো পার্সেলেও বোমা পাওয়ার খবর দিয়েছিল। তবে পরে ওই খবর প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো লিখেছে, কারা এসব বোমা পাঠাচ্ছে, তা এখনও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এর দায়ও কেউ স্বীকার করেনি।

বোমা পাঠানোর নিন্দা জানিয়ে হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এ ধরনের জঘন্য সন্ত্রাসী কাজের পেছনে যারাই থাকুক, তাদের আইনের ‍মুখোমুখি করা হবে।

“যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। এই কাপুরুষদের হুমকি থেকে সবাইকে রক্ষার জন্য সব পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্দান্ত জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

খেলার খবর: ঢাকায় ২৮ রানে জেতার পর চট্টগ্রামেও সাফল্য ধরা দিলো বাংলাদেশকে। জিম্বাবুয়েকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৭ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা।

বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সহজ জয়ের ভিত গড়ে দেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে প্রায় দেড়শ রান। তবে আফসোস- সেঞ্চুরির বেশ কাছে গিয়েও উদযাপন করতে পারেনি দুই ওপেনার।

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের পেসে ৭ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে ২৪৬ রানে বেধে দেয় বাংলাদেশ। ব্রেন্ডন টেলরের ৭৫ রান সফরকারীদের লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দিয়েছিল।

কিন্তু এই লক্ষ্যকে একেবারে সহজ করে ছেড়েছেন লিটন ও ইমরুল। দুজনের ১৪৮ রানের জুটিতে শুরু থেকে দাপট দেখায় বাংলাদেশ। বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করেন লিটন। ৪৬ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ফিফটি হাঁকানোর পরও রানের গতি ধরে রাখেন তিনি। কিন্তু ২৪তম ওভারে সিকান্দার রাজার বলে কভারে মারতে গিয়ে তিরিপানোর ক্যাচ হন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৭৭ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ৮৩ রান করেন লিটন।

৫ রানের ব্যবধানে আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সিকান্দার তার পরের ওভারে ফজলে রাব্বিকে শূন্য রানে স্টাম্পিং করেন। দ্রুত ২ উইকেট হারালেও ইমরুল ও মুশফিকুর রহিমের জুটিতে জয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে স্বাগতিকরা। দুজনের জুটিও ছিল পঞ্চাশ ছাড়ানো।

টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পথে ছিলেন ইমরুল। কিন্তু ১০ রানের আক্ষেপ থেকে গেল। দুর্বল শট খেলতে গিয়ে লং অফে এলটন চিগুম্বুরার ক্যাচ হন তিনি। ১১১ বলে ৭ চারে ৯০ রানে আউট হন এই ওপেনার।

দুই ওপেনারের গড়ে দেওয়া পথে এগিয়ে যেতে থাকেন মুশফিক ও মোহাম্মদ মিঠুন। ৪৫তম ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে দলকে জয়ের বন্দরে নেন মিঠুন। তাদের ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৩৫ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ২৫০ রান করে তারা। মুশফিক ৪০ ও মিঠুন ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest