সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

আদমজীতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে অর্ধশত আহত

দেশের খবর: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী ইপিজেডের রফতানিমুখী একটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে।
এতে বাধা দিলে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ আহত হয়েছেন অর্ধশত শ্রমিক।

সোমবার আদমজী ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক অবরোধ করে অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে। একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে ও শ্রমিকদের ওপর লাঠিপেটা করেন। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ আহত হন অর্ধশত শ্রমিক। সেখান থেকে সাতজনকে আটকের অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা।

আহত শ্রমিকদের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে এ বকেয়া বেতন, ছুটি ও ফান্ডের টাকা পরিশোধ না করায় এবং শ্রমিকদের না জানিয়ে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেয়ায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন।

আজ সোমবার তাদের বকেয়া পরিশোধের কথা ছিল বলে জানান শ্রমিকরা। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া বেতন, ছুটি ও ফান্ডের টাকা পরিশোধ না করায় এবং শ্রমিকদের না জানিয়ে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেয়ায় বিক্ষুব্ধ হয়ে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভকারী পোশাক শ্রমিকদের অভিযোগ, সোয়াদ ফ্যাশনে সাড়ে তিন হাজার শ্রমিক কাজ করছে। ৫-৬ মাস ধরে ঠিকমতো বেতন পরিশোধ করছে না কারখানা কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে বোনাস, ছুটি ও রিজার্ভ ফান্ডের টাকাও দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় এসব পোশাক শ্রমিকরা বাসা ভাড়াসহ সংসার চালানো নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।
নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের এসপি জাহিদুর রহমান জানান, শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে আছে, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো শ্রমিককে আটক করা হয়নি। তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮৫০ কৃষকের ঋণ পরিশোধ করছেন অমিতাভ

বিনোদনের খবর: ৮৫০ এর বেশী কৃষকের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করছেন বলিউডের খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। সম্প্রতি এই তথ্য জানান এ মেগা তারকা।
নিজের ব্লগে অমিতাভ বলেন, ইতিমধ্যে ৮৫০ এর বেশী কৃষকের তালিকা করা হয়েছে। সরকারি সংস্থার মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত কৃষকের অনেক পরিবার দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রাণ দিয়েছে। তাদের সকল ধরনের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করা হবে। স্থানীয় ব্যাংক গুলোও এতে সাহায্য করবে।
তিনি আরও বলেন, ঋণের কারণে যেন আর কোন কৃষক আত্মহত্যার পথ বেঁছে না নেয় সেজন্য আমি এই ব্যবস্থা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তাইওয়ানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত ২২

বিদেশের খবর: তাইওয়ানে রবিবার ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন নিহত হয়েছে, গুরুতর আহত হয়েছে ১৭১। দেশটির রেল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। খবর এনডিটিভির।
দেশটির রেল মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়, তাইওয়ানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ইয়েলান অঞ্চলে ভয়াবহ এ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনটিতে মোট ৩৬৬ জন যাত্রী ছিল।
তাইওয়ানের রেল প্রশাসনের প্রধান জ্যাশন লু বলেন, ট্রেনটি লাইন চ্যুত হয়ে একটি পর্যটক এলাকায় ঢুকে যায়। দুর্ঘটনায় ট্রেনের ৪টি বগি উল্টে যায়।
তিনি আরও বলেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অনেকে হয়তো এখনো ট্রেনের বগির নিচে আটকা পড়ে আছে। ভয়াবহ এ ট্রেন দুর্ঘটনা কেন ঘটলো তার তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নভেম্বরে মুক্ত হচ্ছে ‘মিস্টার বাংলাদেশ’

বিনোদনের খবর: বহু প্রতীক্ষার পর দর্শকের সামনে আসতে যাচ্ছে তাদের কাঙ্ক্ষিত সিনেমা ‘মিস্টার বাংলাদেশ’। ১৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ‘আনকাট সেন্সর’র ছাড়পত্র পায় সিনেমাটি। মিস্টার বাংলাদেশকে নভেম্বরে বড় পর্দায় দেখা যাবে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ জানা যাবে আগামী সাপ্তাহে। জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী গল্প নিয়ে নির্মিত ‘মিস্টার বাংলাদেশ’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে নভেম্বরে।
আবু আক্তারুল ইমান পরিচালিত ‘মিস্টার বাংলাদেশ’ সিনেমাটির প্রযোজক ও নায়ক খিজির হায়াত খান। ছবিটি মুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গোটা টিমের বহু পরিশ্রমের ফলেই চলচ্চিত্রের নির্মাণ কাজ ভালো ভাবে শেষ হয়েছে। (বৃহস্পতিবার) আমরা সেন্সর বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছি। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। নভেম্বরেই মুক্তি পাবে আমাদের স্বপ্নের মিস্টার বাংলাদেশ।’তবে নির্দিষ্ট তারিখটি জানাবো সপ্তাহখানেক পর।’
দেশে ঘটে যাওয়া একাধিক আলোচিত জঙ্গি হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘মিস্টার বাংলাদেশ’ ছবিটির গল্প তৈরি করা হয়েছে। সিনেমাটির কাহিনি ও চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছেন খিজির হায়াত খান ও হাসনাত পিয়াস।
কেএইচকে প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির মধ্য দিয়েই প্রথমবার বড় পর্দায় আসছেন টিভি অভিনেত্রী শানারেই দেবী শানু। আরও অভিনয় করেছেন টাইগার রবি, শাহরিয়ার সজীব, শামীম হাসান সরকার, মেরিয়ান প্রমুখ।
গত বছরের শেষের দিকে ‘মিস্টার বাংলাদেশ’-এর শুটিং শুরু হয়ে শেষ হয় ফেব্রুয়ারিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হরীতকীর যত ঔষুধী গুণ

অনলাইন ডেস্ক: হরীতকী মধ্যম থেকে বৃহদাকার চিরসবুজ বৃক্ষ। ত্রিফলার অন্যতম ফল হচ্ছে হরীতকী। হরীতকী গাছকে ভেষজ চিকিৎসকরা মায়ের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন। তারা বলেন, মানুষের কাছে এ বৃক্ষ মায়ের মতোই আপন। মানুষের শরীরে সংক্রামিত প্রায় সব রোগ-ব্যাধির ওষুধ হিসেবে হরীতকীর ব্যবহার রয়েছে। অর্শরোগে, রক্তার্শে, চোখের রোগ, পিত্তবেদনা, গলার স্বর বসে যাওয়া, হৃদরোগ, বদহজম, আমাশয়, জন্ডিস, ঋতুস্রাবের ব্যথা, জ্বর, কাশি, হাঁপানি, পেটফাঁপা, ঢেঁকুর ওঠা, বর্ধিত যকৃত ও প্লীহা, বাতরোগ, মহৃত্রনালীর অসুখ, ফুসফুস, শ্বাসনালীঘটিত রোগে হরীতকী ফলের গুঁড়া ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ঘন ঘন পানির তৃষ্ণা কিংবা বমি বমিভাব কাটাতেও হরীতকী ব্যবহৃত হয়। ত্রিফলা অর্থাৎ শরবত কোলেস্টেরল অর্থাৎ প্রেসার বা রক্তচাপ কমানোর মহৌষধ।

এক ওষুধ গবেষক দলের মতে, আধুনিক যেকোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের তুলনায় ত্রিফলা কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ফলপ্রসহৃ। তাদের মতে, দ্রব্যগুলোর মধ্যে হরীতকীই সর্বশ্রেষ্ঠ। দ্বিতীয় স্থানে আমলকী এবং তৃতীয় স্থানে বহেরা। ত্রিফলা শুধু কোলেস্টেরলই কমায় না বরং এতে প্লীহা ও যকৃতের উপকার হয়। এছাড়া হরীতকীর কাঠ আসবাবপত্র, কৃষি যন্ত্রপাতি ছাড়াও নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। ফল থেকে ট্যানিন, লেখার কালি ও রং পাওয়া যায়।

নানা রোগ নিরাময়ে হরীতকী খুব উপকারী :
হরীতকী বললেই ত্রিফলার কথা আসে। ত্রিফলা মানে তিনটি ফলের সমাহার। এই তিনটি ফল হলো_ আমলকী, হরীতকী ও বহেড়া।
তবে তিনটি ফলের মধ্যে হরীতকীর রয়েছে অসাধারণ গুণ। ফলে পাক ধরলে হলুদাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে এবং চিবুলে তিতকুটে লাগে। ফলের কোনো কিছু ফেলনা নয়। বীজের ভেতরের শাঁসও মজা করে খাওয়া যায়। হরীতকী ভেষজ গুণসমৃদ্ধ। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে ত্রিফলা ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও কলেরা ও আমাশয় নিরাময়ে এর যথেষ্ট ব্যবহার রয়েছে। হরীতকী চূর্ণ ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পিত্তশূল দূর হয়। বিশেষভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। পাইলস, হাঁপানি, চর্ম, ক্ষত, কনজাংটিভাইটিস রোগেও হরীতকী ব্যবহৃত হয়।

আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরীতকী। এর নানা গুণ আছে। স্বাদ তিতা। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেরল-সমৃদ্ধ।

ব্যবহার:
হরীতকী দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃৎপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। এটা রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। হরীতকীতে অ্যানথ্রাকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরীতকী। অ্যালার্জি দূর করতে হরীতকী বিশেষ উপকারী। হরীতকী ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে। হরীতকীর গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে। হরীতকীর গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরীতকী পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। দাঁতে ব্যথা হলে হরীতকী গুঁড়া লাগান, ব্যথা দূর হবে। রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়া মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পরামর্শ

স্বাস্থ্য কণিকা: সুস্থ মানুষের চেয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের সব কিছুতেই ঝুঁকি একটু বেশি থাকে। তাই সুস্থতার জন্য তাদের নিজেদের সম্পর্কে একটু বাড়তি যত্নবান হওয়া আবশ্যক। তাই কিছু করণীয় হলো—

► খাদ্যতালিকা অনুযায়ী বিধি-নিষেধ মেনে প্রতিদিনের খাবার খেতে হবে।

► নিয়মিত কিছু কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করতে হবে।

► নিয়মিত রক্ত বা প্রস্রাবে সুগারের মাত্রা মেপে দেখতে হবে এবং কমবেশি হলে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে।

► ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এ রোগের চিকিৎসা কখনোই বন্ধ রাখা যাবে না।

► পায়ের বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেমন—খালি পায়ে হাঁটা যাবে না, নরম জুতা পরতে হবে, নিয়মিত নখ কাটতে হবে, সব সময় পা পরিষ্কার রাখতে হবে, কোনো আঘাত পেলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

► দাঁতের যত্ন নিতে দুই বেলা ব্রাশ ও টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজা, ব্রাশ করার পর ১ মিনিট ধরে দাঁতের মাড়ি মালিশ করা, পান, জর্দা, সুপারি, চুন ও তামাক—এসব ব্যবহার না করা। দাঁতে কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রতিবছর কমপক্ষে একবার চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে।

► শরীরে কোনো ছোটখাটো কাটাছেঁড়া হলেও চিকিত্সককে জানাতে হবে এবং তার প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্বনাশা ইয়াবা রঙ পাল্টে এখন সাদা

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা থেকে র‌্যাব ৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজিক মোল্লা নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ইয়াবার রং লালচে বা গোলাপি নয়, ধবধবে সাদা। দেখতে অনেকটাই সাধারণ ট্যাবলেটের মতো। কোনো গন্ধও নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, রং পরিবর্তন করা ইয়াবা বিপণনের নতুন কৌশল। ইয়াবা বড়িগুলো আটকের পর র‌্যাব সদস্যরা প্রথমে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। পরে ল্যাবে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, এগুলো আসলে ইয়াবা ট্যাবলেট। ইয়াবায় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ঘ্রাণ থাকে। নতুন আটক ট্যাবলেটে সে ধরনের কোনো ঘ্রাণ নেই। র‌্যাব সদস্যরা বলেন, যে কেউ প্রথম দেখায় এটি সাধারণ ট্যাবলেট বা অ্যান্টিবায়োটিক মনে করে ভুল করতে পারেন। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি কষ্টসাধ্য হচ্ছে মাদক কারবারিদের। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা ব্যবসার নতুন কৌশল হিসেবে এই সাদা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছে। এই চক্রের সব সদস্যকে গ্রেফতার করতে র‌্যাবের চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে আসছে দুদকের সংশোধিত বিধিমালা

অনলাইন ডেস্ক: থানায় মামলা না করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতি মামলার এজাহার দায়ের এবং বিশেষ জজ আদালতে সরাসরি চার্জশিট দাখিলের বিধান সংবলিত প্রস্তাবসহ দুদকের সংশোধিত বিধিমালা অবশেষে চূড়ান্ত হচ্ছে।
এদিকে চূড়ান্ত বিধিমালা কেমন হবে তা জানতে চেয়ে দুদকের কাছে কপি চেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সংশোধিত বিধিমালার একটি কপি আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
দুদকের সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ১৮ অক্টোবর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দুদকের পক্ষে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিন ও মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. মঈদুল ইসলাম অংশ নেন। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দুদকের বিধিমালা চূড়ান্তভাবে সরকারের অনুমোদন প্রাপ্তির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

দুদক মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. মঈদুল ইসলাম জানান, বিধি বিষয়ে অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দুদকের কাছে বিধির নমুনা দিতে বলা হয়েছে। আশা করি, শিগগির বিধিমালাটি চূড়ান্ত হবে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার পর গেজেট হবে। গেজেট হলেই দুদক কার্যালয়ে দুদকের তফসিলভুক্ত আইনে যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ২০০৭ সালের দুদক বিধিমালার বেশকিছু ধারা সংশোধনের জন্য লিগ্যাল শাখা থেকে কমিশনে লিখিত প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। গত বছরের ১৪ মে দুদক থেকে সংশোধিত বিধিমালাটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়।

দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দুদকের বিধিমালাটি অনুমোদন করলে আইন মন্ত্রণালয় হয়ে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর সেটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দুদকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল অন্যসব দেশে দুর্নীতির মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানে দায়ের করা হয় কিনা।
তিনটি দেশে খোঁজ নিয়ে এ ধরনের মামলা করার তথ্য পেয়েছে দুদক। দেশগুলো হল- সিঙ্গাপুর, হংকং ও মিয়ানমার। এসব দেশে দুর্নীতি দমন সংস্থায় দুর্নীতির মামলা রেকর্ড করা হয়। ১৮ জুলাই বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে লিখিতভাবে জানায় দুদক।

ফৌজদারি কার্যবিধি, দুদক আইন ও বিধি অনুসরণ করে দুদকের কর্মকর্তারা থানায় হাজির হয়ে দুর্নীতির মামলা করে থাকেন। কিন্তু দুদক মনে করছে, তারা স্বশাসিত স্বাধীন সংস্থা। এ সংস্থার পক্ষ থেকে দুর্নীতির মামলা দায়েরের জন্য থানায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে যে কোনো জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করা যাবে। দুদকে এজাহার দায়েরের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়, ২০০৪ সালের আইন অনুযায়ী দুদক স্বাধীন।

এ সংস্থার নিজস্ব অনুসন্ধান ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আছে। মামলা পরিচালনার জন্য আছে নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট। দুদকের তফসিলভুক্ত যে কোনো অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম শুরুর জন্য থানায় এজাহার দায়ের বা থানার প্রতি মুখাপেক্ষী থাকা কমিশনের স্বাধীন ও স্বশাসিত সত্তার পরিপন্থী। এ ছাড়া থানায় এজাহার দায়েরের অবাধ সুযোগ থাকায় অযথা হয়রানির আশঙ্কাও থাকে।

এতে আরও বলা হয়, ‘দুদক বনাম মহীউদ্দীন খান আলমগীর’ মামলায় দুদকে এজাহার দায়েরের কথা আপিল বিভাগের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের বিধিমালার ২(ছ) ধারায়ও দুদক কার্যালয়ে দুর্নীতি মামলার এজাহার দায়েরের সুযোগ ছিল।

কিন্তু বিধিতে সংশোধনী না আনায় কাজটা এতদিন করা সম্ভব হয়নি। এদিকে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুদক চার্জশিট দিয়ে আসছে। কিন্তু এতে নানা ধরনের আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। চার্জশিট দাখিলের পর কখনও তা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পড়ে থাকে। সেখান থেকে বিচারিক আদালতে যেতেও অনেক সময় পার হয়। দুর্নীতি মামলার বিচার ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে চায় দুদক। এর জন্য উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

এই সময়সীমার মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করতে চার্জশিট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল না করে সরাসরি সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে দাখিলের বিধান চেয়েছে দুদক। বিধান সংশোধনের প্রস্তাবনায় বলা হয়, ‘চার্জশিট সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিলের জন্য বিধান সুস্পষ্ট করা দরকার।

অন্যথায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।’ এ সংক্রান্ত আইনটি তুলে ধরে সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়, ‘দ্য ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৮-এর ৪(২) ধারায়ও সংশ্লিষ্ট দায়রা জজকে সিনিয়র স্পেশাল জজ ঘোষণা করে অপরাধ আমলে নেয়ার একচ্ছত্র এখতিয়ার দেয়া আছে।’

এদিকে, বিধি অনুযায়ী কাউকে সম্পদের হিসাব দিতে নোটিশ জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাকে দুদকের নির্দিষ্ট ছকে হিসাব বিবরণী দাখিল করতে হয়। এতে করে অনেকে একদিকে সঠিক হিসাব দিতে পারছেন না আবার সময় স্বল্পতার কারণে অনেকে তথ্যেও গরমিল করে বসেন।

আর এ কারণে অনেকের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা হচ্ছে। এই সময়সীমা (৭ কার্যদিবসের পরিবর্তে) ২০ কার্যদিবস করতে চায় দুদক। সংশোধিত বিধিতে সেভাবেই প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০ কার্যদিবসেও যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার সম্পদ ও দায়দেনার হিসাব দিতে না পারেন, তবে এর জন্য আরও ১০ কার্যদিবস চেয়ে দুদকে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বিচারাধীন কোনো দুর্নীতি মামলার আসামির মৃত্যু হলে তার রেখে যাওয়া সম্পদের কী হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির সম্পদ অবৈধই থাকবে নাকি ওই সম্পদ মৃত আসামির উত্তরাধিকাররা পাবেন সে বিষয়েও বিধিতে মীমাংসা চাওয়া হয়েছে।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো আসামির মৃত্যু হলে আর মামলা চলে না। দুদকের বিধি প্রস্তাবনায় বলা হয়, ‘বিচারের আগেই আসামির মৃত্যু হলে তার ক্রোক করা সম্পদের জন্য উত্তরাধিকাররা আদালতে আবেদন করতে পারবেন। কীভাবে ওই সম্পদ অর্জিত হয়েছে সেটা প্রমাণ করবে উত্তরাধিকাররা।

আদালত এ বিষয়ে শুনানি করবেন। শুনানিকালে উত্তরাধিকারদের পক্ষ থেকে দাখিল করা আবেদন ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে যদি দেখেন, ওই সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়, তবে তা অবমুক্ত করতে পারবেন। অন্যথায় তা সরকারের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হবে।’ দুদক চায় দুর্নীতি মামলায় জড়িত মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার উত্তরাধিকাররা যেন পায়।

অন্যদিকে, কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর দুদকের বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধানের আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান কাজ শেষ করতে হয়। এত অল্প সময়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায় সম্পদ বা বড় ধরনের দুর্নীতির অনুসন্ধান করা বাস্তবে কঠিন।

এ অবস্থায় সংশোধিত বিধিতে দুর্নীতির অনুসন্ধানের সময়সীমা ১৫ কার্যদিবসের পরিবর্তে ৪৫ কার্যদিবস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া দুদকের বিধিতে ‘জ্ঞাত আয়’ সম্পর্কিত সংজ্ঞা না থাকায় তা সংজ্ঞায়িত করার কথা বলা হয়েছে।
অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কার্যক্রম তদারক করা, তদারককারী কর্মকর্তা ও তার দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করে দেয়ার বিষয় প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে কেউ দুর্নীতির মামলা করলে তা গ্রহণ ও তদন্তের নির্দেশ দিতে সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতকে ক্ষমতা দেয়াসহ বেশকিছু বিষয়ে বিধিমালায় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রচলিত আইন অনুযায়ী, দেশের যে কোনো নাগরিক বা যে কোনো সংস্থা থানায় দুর্নীতির মামলা করতে পারে। দুদকের আইনে ওই মামলা হলে পরে তা তদন্তের জন্য দুদকেই পাঠানো হয়। কিন্তু দুদক চাচ্ছে, পুলিশ দুদক আইনের মামলা পেলে তা মামলা হিসেবে নয়, সাধারণ ডায়েরি হিসেবে রেকর্ড করে অনুসন্ধানের জন্য দুদকের কাছে পাঠাবে।

কারণ অনুসন্ধান ছাড়া দুদকের তফসিলভুক্ত আইনে মামলা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একদিকে আপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে হয়রানির শিকার হন। এই বাস্তবতা সামনে রেখে দুদক বিধিতে সংশোধনীর প্রস্তাবে বলা হয়, ‘কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে থানায় দায়ের করা অভিযোগ সরাসরি তদন্তের বিধান কিছুটা সাংঘর্ষিক।
কারণ দুদক কার্যালয়গুলোর পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগ অনুসন্ধান ছাড়া সরাসরি তদন্তের বিধান নেই। এ ছাড়া থানায় দায়ের করা মামলা সরাসরি তদন্তের জন্য নেয়া হলে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হয়রানির আশঙ্কা থাকে। ফলে পুলিশ এ ধরনের অভিযোগ পেলে তা সাধারণ ডায়েরি হিসেবে রেকর্ড করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে দুদকে পাঠাতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest