সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

জোছনাময়ীতে গুরুর সঙ্গে চঞ্চল-খুশি

বিনোদনের খবর: নতুন ধারাবাহিক নির্মাণ করছেন জনপ্রিয় নাট্যকার ও নির্মাতা অনিমেষ আইচ। নাগরিক টিভির জন্য নির্মিত এই নাটকের নাম ‘জোছনাময়ী’। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন আশনা হাবিব ভাবনা।
নাটকটিতে ভাবনার বিপরীতে দেখা যাবে দর্শকনন্দিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এই নাটকের শুটিং চলছে বর্তমানে। চঞ্চলের সঙ্গে নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন মামুনুর রশীদ ও শাহনাজ খুশিও।
অনেকদিন পর নিজের অভিনীত নাটকে মামুনুর রশীদকে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত চঞ্চল চৌধুরী। তারসঙ্গে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে দেখা গেছে তার প্রিয় বন্ধু শাহনাজ খুশিকেও। চঞ্চল ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মামুন ভাই…..আমার/আমাদের নাট্যগুরু মামুনুর রশীদ। আরণ্যক নাট্যদলের প্রাণপুরুষ। আমার অভিনয়ের হাতেখড়ি তার কাছেই। অনেকদিন পর আমি, খুশি, মামুন ভাই একসাথে অনিমেষ আইচের ধারাবাহিক নাটক ‘জোসনাময়ী’-তে অভিনয় করছি।’
চঞ্চল চৌধুরী মজা করে মামুনুর রশীদকে নিয়ে আরও লিখেছেন, ‘সাদা চুল দেখে জিজ্ঞাস করলাম, ‘মামুন ভাই, চুল কলপ করাবেন না?’ মামুন ভাইয়ের উত্তর, মিসির আলি চরিত্রে আমার সাদা চুল নাকি উনার ভালো লেগেছে, তাই আপাতত সাদাই রাখবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দশম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

অনলাইন ডেস্ক: দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারই সিনিয়রদের বিরুদ্ধে। দেহরাদূনের একটি বোর্ডিং স্কুলের এ ঘটনা ঘটেছে। একমাস আগে গণধর্ষণের শিকার হয় দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী।
সম্প্রতি পেটে ব্যথা শুরু হলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ছাত্রীকে। চিকিৎসকরা জানান, সে এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্বাভাবিকভাবেই তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়। তখনই সে তার বড়বোনদের ধর্ষণের কথা জানায়। বলে, একমাস আগে তাকে ধর্ষণ করে উঁচু ক্লাসের কয়েকজন ছাত্র।
বড় বোনের সঙ্গে বোর্ডিংয়েই থাকত ঘটনার শিকার কিশোরী (১৬)। অভিযোগ, গত ১৪ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি উপলক্ষে তাকে বোর্ডিংয়েরই স্টোর রুমে ডেকে নিয়ে যায় চার সিনিয়র ছাত্র। সেখানেই ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে।
স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে ওই ছাত্রী বিষয়টি জানিয়ে সুবিচার চায়। কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা, স্কুলের কর্মীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শুধু তাই নয়, বিষয়টি যাতে পাঁচ কান না হয়, গোপনে ছাত্রীটিকে গর্ভপাত করানোর জন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়।
ছাত্রীর বড়বোন গোটা বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানানোর পরই মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এ ঘটনা। চার ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন তারা। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ স্কুলের চার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত চার ছাত্রকে।
পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিজি অশোক কুমার জানিয়েছেন, ঘটনার কথা তারা জানেন। এক মাস আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্লাস টেনের ওই নির্যাতিতা। উপরের ক্লাসের ছাত্রদের দিকে সে আঙুল তুলেছে। তার কথার উপর ভিত্তি করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি চেপে দিতে চেয়েছিল। তাদের বক্তব্য ছিল এতে স্কুলের ভাবমূর্তি খারাপ হতে পারে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় আমল দেয়নি। তারা নিজেদের মতোই তদন্ত করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অশোক কুমার।
নির্যাতিতা তিন চারজনের নাম প্রকাশ করেছে। জানিয়েছে, ওই ছাত্ররাই তাকে ধর্ষণ করেছে। নির্যাতিতা ওই ছাত্রী স্কুলের বোর্ডিংয়ে থাকত। তার সঙ্গে তার দিদিও থাকত বলে জানা গিয়েছে। ধর্ষণের কথা দিদিকে জানানো মাত্রই সে পরিবারকে সেকথা জানায়। পরিবারের লোকেরা স্কুলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশও। সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট ও শিশু কল্যাণ কমিটির অফিসাররা। নির্যাতিতার বয়ান ইতোমধ্যেই লিপিবদ্ধ করেছে পুলিশ। স্কুল কর্তৃপক্ষকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তারা।
রাজ্যের শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন উষা নেগি ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। উষার অভিযোগ, স্কুল প্রশাসক ও তার স্ত্রী গর্ভপাতের জন্য ছাত্রীটিকে ওষুধ মেশানো পানীয় খাইয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীরের কালো দাগ দূর করতে ৩টি জিনিস

অনলাইন ডেস্ক: বিউটি পার্লারে গিয়ে বিউটি ট্রিটমেন্ট করানোর ফলে কিছুদিন পর পর পকেট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তাই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন কথায় কথায় বিউটি পার্লারে যাওয়া। পকেট কেটে আর নয় বিউটি ট্রিটমেন্ট। ঘরে বসেই খুব সহজে আপনি সুন্দর রাখতে পারেন ত্বক। রান্নাঘরের কিছু জিনিস দিয়ে সহজেই ঝকঝকে হয়ে উঠতে পারেন মাত্র এক সপ্তাহে। চাই শুধু তার সঠিক ব্যবহার।
রান্নাঘরে ব্যবহৃত প্রতিদিনের জিনিস দিয়েই রূপচর্চা সেরে নেয়া যায়। আর তা ব্যবহারে ত্বকের কোনো ক্ষতিও হয় না। কেমিক্যাল না থাকায় এর নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকও ভালো থাকে। চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে? সঙ্গে সঙ্গে আমরা বোটোক্স ট্রিটমেন্টের জন্য ছুটছি। আবার ত্বকে কালো ছাপ পড়ছে? ব্লিচিং বা ফেয়ারনেস ফেসিয়াল এর পিছনে ছুটছি। এই সমস্ত ট্রিটমেন্টে বেশির ভাগই ব্যবহার হয়ে থাকে কেমিক্যাল। যা কিনা সহজেই ত্বকের ক্ষতি করে। কিন্তু এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় খুব সহজেই। আর সেই দাওয়াই আপনার ঘরেই রয়েছে।

চলুন জেনে নেয়া যাক, ঘরে বসে সহজেই কিভাবে ঘাড়, কনুই ও হাঁটুর কালো দাগ দূর করা যায়।

বেকিং সোডা: রান্নাঘরে বেকিং সোডা থাকবেই। আর জানেন কি? বেকিং সোডা ত্বকের পক্ষে খুব উপকারী। বিশেষ করে ত্বকের কালো ছোপ দূর করতে বেকিং সোডা খুবই কার্যকরী। কনুই বা গলার নিচে কালো ছোপ দূর করার জন্য সামান্য পরিমাণ বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে নিন, এরপর পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ছোপের জায়গায় লাগিয়ে ২ মিনিট রেখে দিন৷ এর পর তা পরিস্কার ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে দুই দিন এই পেস্ট লাগালে, খুব সহজেই কালো ছোপ দূর হবে।

অ্যালোভেরা: কালো ছোপ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরা শুস্ক ত্বকের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী।

আলু: আলু থেঁতো করে কালো ছোপে লাগান। এমনকি আলুর খোসাও লাগাতে পারেন কনুই বা হাঁটুর কালো ছোপে। এভাবে সপ্তাহে দুই দিন করুন। খুব সহজেই দেখবেন কালো ছোপ দূর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

স্বাস্থ্য কণিকা: একইভাবে টানা বসে থাকলে হাত অথবা কোমর অথবা পায়ে শক্ত ভাব আসতে পারে। রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার কারণে এই সমস্যা হয়। হালকা নড়াচড়া করলে সমস্যার সমাধান করা যায়।
রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হলে সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলো রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর ৫ ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট।

গোলমরিচ
রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে চাইলে খাদ্যতালিকায় গোলমরিচ রাখতে পারেন। গুঁড়া করে অথবা সালাদের সঙ্গেও খেতে পারেন এই মরিচ।

নড়াচড়া করুন
ব্যায়াম বা নড়াচড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। এমনকি ১০ মিনিটের হাঁটাও বেশ কাজে দেয় রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন।

তরমুজ
রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে আরেকটি চমৎকার খাবার হলো তরমুজ। তরমুজের মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। দৈনিক এক বাটি তরমুজ খাওয়া রক্ত পরিবহন সহজ করে, এমনটাই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

খাবার
কফি, সিগারেট, চা, এমনকি এনার্জি ডিংক রক্তে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে এই ধরনের খাবার সীমিত গ্রহণই ভালো।

ওটস
ওটসের মধ্য রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। দুধ ও ফলের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা প্যাক

স্বাস্থ্য কণিকা: গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার জুড়ি নেই। অ্যালেভেরা জেলের পানি ত্বককে শীতল পুনঃরুজ্জীবিত করে। এছাড়া খনিজ উপাদান ভিটামিন অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। ত্বকের যত্নে অনেক স্কিনকেয়ার কোম্পানি তাদের পণ্যে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অ্যালোভেরা ব্যবহার করে।
ঘরেই অ্যালোভেরার বিভিন্ন প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। এতে ত্বক নিস্তেজ এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে। অ্যালোভেরার প্যাক ত্বককে হাইড্রেট রাখবে। অ্যালোভেরার জেল দিয়ে তৈরি তিনটি প্যাক বানানোর প্রক্রিয়া দেওয়া হল-

অ্যালোভেরা ও শশা
অ্যালোভেরা জেল, শশার রস, দই, রোজ অয়েল বা এসেনশিয়াল অয়েল এর ফেসপ্যাক সেনসেটিভ ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। অ্যালোভেরা জেল, শশার রস, টক দইয়ের সাথে কয়েক ফোঁটা রোজ অয়েল বা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্যাক শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল, ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে থাকে। মুখে সতেজ ভাব এনে দেয়। এটি সেনসিটিভ ত্বকের জন্য বেশ কার্যকর।

অ্যালোভেরা ও গোলাপ জল
ত্বকের দাগ দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালো দাগ, বয়সের ছাপ, ব্রণের দাগ দ্রুত দূর হবে।

অ্যালোভেরা ও লেবুর রস
অ্যালোভেরা জেল এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখ এবং ঘাড়ে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক রোদেপোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এদেশের হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সকল সম্প্রদায়ের জনসাধারণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে এদেশে প্রতিটি সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে স্ব স্ব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনসহ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, কোন গোষ্ঠী বা দল যাতে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তিমূলক বা উস্কানিমূলক পোস্ট, ভিডিও প্রচারকারীকে সনাক্ত করার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার জন্য সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল গঠনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, দল যাতে গুজব বা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে কেউ বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিবাদ বা আন্তঃকোন্দল রয়েছে এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ যাতে কোনরূপ সহিংস ঘটনা না ঘটাতে পারে সে বিষয়ে আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে সকল সম্প্রদায়ের জনসাধারণকে সমানভাবে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা কমিটি, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধিদের সাথে পৃথক পৃথকভাবে সভা করে আইন-শৃংখলা রক্ষাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ এর কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আইন-শৃংখলা রক্ষাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দেশ ও বিদেশে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকা‌রি খর‌চে ভ্রম‌ণে আকাশপ‌থে বিমান বাধ্যতামূলক

দেশের খবর: সরকারি অর্থে আকাশ পথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, যেসব গন্তব্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট রয়েছে সেসব গন্তব্যে এখন থেকে সরকারি অর্থে আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ব্যবহার করতে হবে। তবে বিমানের রুট না থাকলে, অন্য এয়ারলাইন্সের সম্ভাব্য সরাসরি রুটে ভ্রমণ করা যাবে।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী ও সমপর্যায়ের সব পদধারী, সংসদ সদস্য, সাংবিধানিক পদধারী, সরকার কর্তৃক গঠিত কমিশনগুলোর চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়/ বিভাগ/ সরকারি/ আধা-সরকারি/ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান/ বিধিবদ্ধ সংস্থা/ কর্পোরেশন/সাংবিধানিক সংস্থা/ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে বলে পরিপত্রে জানানো হয়।
পরিপত্রে আরও জানানো হয়, বিদেশ ভ্রমণ-সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১১ সালের ১৯ জুন দেয়া পরিপত্রে প্রদত্ত নির্দেশনাবলি বহাল থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ডা: রুহুল হকের পথসভাগু‌লো জনসমু‌দ্রে প‌রিণত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশুনিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা ০৩ আসনের জাতীয় সাংসদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমস্ত্রী প্রফেসর ডা: আ ফ ম রুহুল হকের পৃথক পৃথক জনসভায় হাজারও মানুষের ঢল দেখা গেছে। এ যেন এক জনসভা। বুধবার সারাদিন উপজেলার কাদাকাটি, খাজরা, আনুলিয়া ইউনিয়নে পৃথক পৃথক পখসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি বর্তমান সরকারের সময়ের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। কৃষি, স্বাস্থ্য,শিক্ষা, বিদ্যুৎ , প্রতিরক্ষাসহ প্রতিটি সেক্টরে অভুতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তিনি বলেন, আপনারা আমাকে এমপি নির্বাচিত করে দেশনেত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠিয়ে ছিলেন তাই আমি তার কাছে আজ পর্যন্ত যা যা চেয়েছি সবই পেয়েছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে একই ইউনিয়নে ম্যাটস এবং আাইটি সেন্টার নেই। কিন্তু আমি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে চেয়েছি তিনি সেটিও আমাকে দিয়েছেন। এছাড়া আশাশুনির খাজরা, কাদাকাটি, আনুলিয়া, প্রতাপনগর ইউনিয়নে আশ্রায়ণ প্রকল্প হয়েছে, হোলদিপোতা থেকে প্রতাপনগর পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণ, বড়দল ব্রীজ, তেঁতুলিয়া ব্রীজ, মানিকখালী ব্রীজ নির্মাণ ও আশাশুনি মরিচ্চাপ ব্রীজ সংস্করণ হয়েছে। ১১ টি ইউনিয়নে ২৬ টি সাইক্লোন শেল্টার ও ৩ টি স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, আশাশুনি ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ সহ মহিলা কলেজের নতুন ভবণ নির্মাণ, আশাশুনি বাইপাস সড়ক নির্মাণ, মা ও শিশুদের জন্য দরগাহপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র, প্রতিটি গ্রামে সু-পেয় পানির ব্যবস্থা করন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রসহ বহু উন্নয়ন হয়েছে এ সরকারের আমলে। তিনি আরও বলেন, আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশ। দেশের এ উন্নয়নকে ধরে রাখতে হলে বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার। নৌকা উন্নয়নের প্রতিক। তাই দেশের এ অভুতপূর্ব উন্নয়নের জন্য নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি আরও বলেন যাদের কাছে দেশের মানুষের জীবনের মুল্য নেই। যারা পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করতে পারে তাদের কাছে দেশের উন্নয়ন তো দুরের কথা দেশই নিরাপদ হতে পারে না। পৃথক পৃথক পথ সভায় বক্তব্য রাখে। তার সফর সঙ্গি ছিলেন, সাতক্ষীরা ০৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা: মোখলেছুর রহমান, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব শাহনেওয়াজ ডালিম, আনুলিয়া চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিৎ মন্ডল, উপজেলা যুব মহিলালীগ সভানেত্রী সীমা সিদ্দীকি প্রমুখ। এছাড়াও কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের আ’লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest