সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সিরিজের শুরুতে বাংলাদেশের অনবদ্য জয়

খেলার খবর : মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে তোলে ২৭১ রান। জবাবে জিম্বাবুয়ে ৯ উইকেটে ২৪৩।

সিরিজের প্রথম ম্যাচটা হেরে গেছে জিম্বাবুয়ে। ১ উইকেট হাতে রেখে যখন মাঠ ছাড়ছে দলটি, বাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যটা তখনো ২৯ রান দূরে। অন্তত কাগজে-কলমে তা–ই লেখা থাকবে। কয়েক বছর পর ম্যাচের স্কোরকার্ড দেখলেও মনে হবে, ২৮ রানে হারা এ ম্যাচে লড়াই করেছে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু সত্যটা হলো, জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা হেরে গেছে ইনিংসের অষ্টম ওভারেই, মোস্তাফিজের বলে যখন চেফাস ঝুবাওর স্টাম্প উড়ল। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে এতটাই অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে জিম্বাবুয়ে যে ম্যাচটা যে আরও ওভার লম্বা হয়েছে, এতে দর্শকের বিরক্তি শুধু বেড়েছে। ম্যাচের ফল নিয়ে এক ফোঁটা আগ্রহ জন্ম নেয়নি বাকি সময়ে।

মোস্তাফিজের প্রথম বলটা বুঝতে পারেননি ঝুবাও। এর আগে ঝড় তুলেছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ১২৬ ক্যারিয়ার স্ট্রাইকরেট নিয়ে এ ম্যাচ খেলতে নামা এই ব্যাটসম্যান আজ প্রথম ২৩ বলেই ৩৫ রান তুলেছেন। মাশরাফি ও মেহেদী হাসান মিরাজের প্রথম ৭ ওভারেই ৪৮ রান তুলে উড়ছিল জিম্বাবুয়ে। ঝুবাও ফিরলেন, সঙ্গে নিয়ে গেলেন লড়াইয়ের সব ঝাঁজও। এ জুটিটাই যে ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি হয়ে থাকল।

এরপর থেকেই ধুঁকে ধুঁকে এগিয়েছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। নাজমুল ইসলামের দুর্দান্ত দুটি বলে বোল্ড আউট হয়েছেন দলের মূল তিন ব্যাটিং ভরসার দুজন—ব্রেন্ডন টেলর ও সিকান্দার রাজা। অন্য ভরসা আউট হওয়ার জন্য কোনো বোলারের ধার ধারেননি, মুশফিকুর রহিমের দারুণ গ্লাভস ওয়ার্কে রান আউট হয়েছেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। দলকে টানার চেষ্টা করেছেন ক্রেগ আরভিন। কিন্তু মিরাজের বল বুঝতে না পেরে সেই আরভিনও যখন ফিরছেন, সফরকারীদের রান তখন সবে এক শ ছুঁয়েছে।

২৫.১ ওভারে প্রতিপক্ষের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একটু ‘বিশ্রামে’ গেলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সেই সুযোগে ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ জুটির দেখা মিলল। পিটার মুর ও শন উইলিয়ামসের ৪৫ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটির সময়টুকুতেও এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি, জিম্বাবুয়ে জেতার চেষ্টা করছে। ইনিংস লম্বা করার এই ব্যর্থ চেষ্টা থেকে দর্শককে মুক্তি দিয়েছেন মিরাজ। মুর (২৬) আউট হলেন দলের ১৪৫ রানে। উইলিয়ামস এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে তিরিপানো ও মাভুটার বিদায়ও দেখলেন। মাভুটাকে অবশ্য দোষ দেওয়া যাচ্ছে না। নিজের বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মিরাজ যে অমন ক্যাচ নেবেন সেটা ভাবা সম্ভব ছিল না জিম্বাবুইয়ান লেগ স্পিনারের পক্ষে।

১৬৯ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ইনিংসের সেরা সময় কাটিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ১০ ওভারে ১০৩ রান নেওয়ার প্রায় অসম্ভব লক্ষ্যে ছুটতে চেষ্টা করেছেন উইলিয়ামস ও জারভিস, এটা হয়তো বলা যাচ্ছে না। কিন্তু টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের মতো বাংলাদেশের বোলারদের আধিপত্যও মেনে নেননি এ দুজন। বাংলাদেশের বোলার-ফিল্ডারদের মধ্যেও এ সময় ফুটে উঠেছিল অর্থহীন এক ম্যাচ খেলার আলস্য। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে আউট হয়েছেন কাইল জারভিস। ৮ বল বাকি থাকতে ৬৭ রানের নবম উইকেট জুটিটা থামল। উইলিয়ামস থামেননি, ইনিংসের শেষ বলে গিয়ে ফিফটি বুঝে নিয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। প্রথম ৪২ বলে ২২ রান করা উইলিয়ামস ৫৮ বলেই ছুঁয়েছেন ফিফটি।

এ ম্যাচ থেকে প্রাপ্তির খাতায় ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রান আর সাইফউদ্দিনের প্রথম ফিফটিটাই যাচ্ছে। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা একটি দল যে ২৭১ রান করল, এর পেছনে এ দুজনের রেকর্ড গড়া ১২৭ রানের জুটিটাই মূল ভূমিকা রেখেছে। তবে এমন দাপুটে ম্যাচেও কিছু প্রশ্ন থেকে গেল। ইনিংসের সিকিভাগ পেরোনোর আগে যে ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেছে, সে ম্যাচেও কেন মাশরাফির বোলিং কোটা পূরণ করতে হবে সেটা বোঝা যায়নি। যেমন যায়নি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাজমুল ইসলামদের কোটা পূরণ না করার কারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে আটদলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে কলাগাছি কালিমাতা চ্যাম্পিয়ান

আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে আটদলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। রবিবার বিকালে কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌরসভার শিববাটী ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হয়। খেলার প্রথমার্ধে ২টি গোল করে কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে উভয় দল ১টি করে গোল করেন। নির্ধারিত সময়ে আর কোন দল গোল করতে না পারায় কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ ৩-১ গোলে  শিববাটী ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলাটি পরিচালনা করেন, নাসিরউদ্দীন, আসাদুল হক ও আবুল বাশার। ধারাভাষ্যে ছিলেন, আসাদুজ্জামান মিঠু, আশরাফ হোসেন ও সবুজ আহমেদ। কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিপংকর কুমার সরকার। সবুজ আহমেদের সঞ্চালনায় এসময় খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন রাজু, সমাজ সেবক মাষ্টার রজব আলী সরদার, মেম্বর আবু হাসান বাবু, শামছুর রহমান মোড়ল, শ্বাশ্বতী রাণী সরকার, কাদাকাটি যুব মজলিস সম্পাদক মাশহুরুল হক সাজু, সমাজ সেবক শরিফুল ইসলাম খোকা, গোলাম রসূল, আ. সুবহান, মিজানুর রহমান, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ ও দর্শকমন্ডলী খেলাটি উপভোগ করেন। খেলার চ্যাম্পিয়ান দলকে একটি ফ্রিজ ও রানার্স-আপ দলকে একটি ২২ ইঞ্চি মনিটর দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবাদে প্রকাশিত বক্তব্যে সদর উপজেলার আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ

 

গত ২১ অক্টোবর’১৮ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তৃণমুল নেতাকর্মীদের সাথে এমপি রবি’র কথিত মতবিনিময় বিষয়ে বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদসমূহ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে উক্ত সভা থেকে নেতাকর্মীরা আবারো এমপি রবিকে নৌকা প্রতীক প্রদানের জন্য দলীয় সভানেত্রীর কাছে দাবী করেন। একই সাথে সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে, মতবিনিময় সভায় সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ১৪ ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ১২৬ টি ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে উক্ত সংবাদে উপস্থিত নেতাদের যে নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাতে দেখা যায়, সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের ২৮জন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদসহ মোট ৩০ জন নেতার মধ্যে মাত্র ১১জন উপস্থিত ছিলেন। অর্থ্যাৎ দুইতৃতীয়াংশই এমপি রবির সভায় যান নি। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ১২৬টি ওয়ার্ডে ২৫২জন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সংবাদে উপস্থিত হিসেবে মাত্র ৫জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিচালিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হই। এমন একটি গতিশীল ও শক্তিশালী ইউনিটের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দকে অবজ্ঞা করে, তাদেরকে পাশ কাটিয়ে আহ্বান করা কোন সভা দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করা ও সাংগঠনিক কাঠামোকে অস্বীকারের শামিল। অথচ পত্রিকায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মিথ্যাচার করে সকলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। আমরা এধরনের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিম্বাবুয়ের অর্ধেক ইনিংস শেষ

খেলার খবর: মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করলেও দিক হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম আঘাত হেনে শুরুটা করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর স্পিনাররা তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৬.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১০১ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা।

৪৮ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে মুস্তাফিজ জুয়াওকে (৩৫) বোল্ড করে দিলে। দলীয় ৫৯ রানে ‘নাগিন’ অপুর ঘূর্ণিতে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর (৫)। ইমরুলের দুর্দান্ত থ্রো আর মুশফিকের দ্রুততায় অধিনায়ক মাসাকাজদা রান-আউট হন ২১ রান করে। বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের মুখে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। বিপজ্জনক সিকান্দার রাজাকে মাত্র ৭ রানে বোল্ড করে দেন নাজমুল ইসলাম অপু। জিম্বাবুয়ের পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটান মেহেদী মিরাজ। তার মায়াবী ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে যান ক্রেইগ এরভিন।

এর আগে আজ রবিবার টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরি আর সাইফউদ্দিনের দারুণ হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা লিটন দাস আজ শুরু থেকে নড়বড়ে ছিলেন। চাতারার এক ওভারে ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে। দুইবার জীবন পেয়েও ৬ষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ক্যাচ তুলে দেন ১৪ বলে ৪ রান করা লিটন।

শেষ বলে অভিষিক্ত রাব্বি ‘ডাক’ মেরে ফিরেন প্যাভিলিয়নে। ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর লিটনের ওপেনিং সঙ্গী ইমরুল কায়েস মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে বিপদ সামাল দেওয়ার মিশনে নামেন। দুজনের জুটিতে ৪৯ রান আসার পর আবারও বিপদ। মাভুতার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মুশফিক (১৫)। তার সঙ্গী হয়ে হাত খুলে মারতে থাকেন মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু ১ চার ৩ ছক্কায় ৩৭ রানেই থামতে হয় তাকে। এরপর উইকেটে এসেই জার্ভিসের বলে ‘ডাক’ মেরে ফিরেন মাহমুদ উল্লাহ।

১৩৭ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলকে ভরসা দিতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ২ রান স্কোরবোর্ডে যোগ হতেই ১ রান করে জার্ভিসের তৃতীয় শিকার হন তিনি। সঙ্গীহীন হয়ে পড়া ইমরুলকে সঙ্গ দিয়ে যান সাইফউদ্দিন। ৮ নম্বর ব্যাটসম্যানকে নিয়েই ১১৮ বলে ৮ চার এবং ৩ ছক্কায় ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমরুল কায়েস। সেঞ্চুরির পর ইমরুলের ব্যাটে যেন আগুন ঝরতে থাকে। চাতারার করা ৪৬তম ওভারে দুই ছক্কা আর এক চার মারেন।

তার দেখাদেখি মারতে শুরু করেন সাইফউদ্দিনও। ১৪০ বলে ১৩ চার এবং ৬ ছক্কায় ১৪৪ রান করা ইমরুল জার্ভিসের বলে মুরের তালুবন্দি হলে ভাঙে ১২৭ রানের সপ্তম উইকেট জুটি। পাশাপাশি ৬৮ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সাইফউদ্দিন। ঠিক ৫০ রানেই চাতারার বলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি। ইনিংসের তখন শেষ ওভার। মাশরাফি আজ বিগ হিট করার সুযোগ পাননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তুলে নিজেদের ইনিংস শেষ করে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে কলা খাওয়া ভুল!

অনলাইন ডেস্ক: সকালে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়েছেন, খাওয়ার সময় পাননি।‌ কিংবা বিকেলে পড়া–ক্লাস সব সেরে আর খাওয়ার সময় পাওয়া যায়নি। অতএব উপায়!‌ দোকান থেকে কলা কিনে খেয়ে ফেলা। কারণ ফলের মধ্যে এটাই তো স্বাস্থ্যকর। রোজকার দিনে এরকম করে থাকেন এমন অনেকেই কিন্তু আছেন। পেট হয়ত ভরে গেল, কিন্তু জানেন কী?‌ খালি পেয়ে কলা খেয়ে আখেরে নিজেরই ক্ষতি করছেন।

উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম বিদ্যমান থাকায় কলা পুষ্টিকর একটি খাবার। এর নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। কলা হার্ট ভালো রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য, আলসারের মতো রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন বাড়াতে এবং অ্যানিমিয়া দূর করতেও কলার জুড়ি মেলা ভার। কলায় শতকরা ২৫ ভাগ চিনি থাকে এবং এগুলো শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু এগুলো তখনই হতে পারে, যখন পেট ভরা থাকে। খালি পেটে কলা খেলে কিন্তু সমূহ বিপদ।

খালি পেটে কলা খেলে কী হয়? পুষ্টিগুণের কারণেই অনেকে সকালে খালি পেটে কলা খেয়ে থাকেন। ভাবেন, অন্য অনেক খাবারের মতো এটিও শরীরে অনেক পুষ্টি জোগাবে। কিন্তু কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কলায় উচ্চ মাত্রার চিনি বিদ্যমান রয়েছে যা শরীরে শক্তি জোগাতে কাজ করে। তাই আপনি যদি সকালে খালি পেটে কলা খান, তাহলে আপনার শক্তি কয়েক ঘণ্টা পরই বেরিয়ে যাবে। এর ফলে আপনি অলস হয়ে পড়বেন। ক্লান্ত লাগবে এবং ঘুম পাবে। তাই খালি পেটে কলা না খাওয়াই ভালো।

অ্যাসিডিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় শুকনো কিছু খাবারের সঙ্গে কলা মিলিয়ে খাওয়া ভালো। তা না হলে শরীরে উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেশিয়ামের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। এতে হৃদয়ের রোগ হওয়ার শঙ্কাও দেখা দেয়। শুধু সকালে কলা নয়, বরং কোনো ফলই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এখনকার দিনে সতেজ কোনো ফল খুঁজে পাওয়া যায় না বললেই চলে। এ ছাড়া ফলগুলোতে নানা রাসায়নিক থাকে। তাই সকালে খালি পেটে এসব খাবারের রাসায়নিকগুলো সরাসরি পেটে প্রবেশ করে। তখন পুষ্টি সরবরাহ করার বদলে এগুলো শরীরে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে। ‌‌

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রান আউটে জিম্বাবুয়ের তৃতীয় উইকেটের পতন

খেলার খবর: দারুণ এক রান আউট করে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ফেরালেন মুশফিকুর রহিম। এর ফলে তৃতীয় উইকেটের পতন হয় জিম্বাবুয়ের। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে পুশ করে মাসাকাদজা দুই রান নিতে গেলে কায়েসের লম্বা থ্রো থেকে বল নিয়ে ডাইভ দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন মুশফিক। ৩৪ বলে ২১ রান করেন সফরকারী দলনেতা।
এর রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩ উইকেটে হারিয়ে ৮২ রান করেছে জিম্বাবুয়ে।
২৭২ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল জিম্বাবুয়ে। মাশরাফি-মিরাজের প্রথম স্পেলে সফলতা পায় তারা। তবে দলীয় অষ্টম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান এসেই বাজিমাত করেন। চিপহাস জুহওয়াওকে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলিয়ে বোল্ড করেন তিনি। ২৪ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৫ করে ভয়ংকর হয়ে ওঠা এই বাঁহাতিকে মাঠ ছাড়া করান। পরে দলীয় ১১ ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে নতুন ব্যাটসম্যান ব্র্যান্ডন টেইলরকে সরাসরি বোল্ড করেন স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু।
এর আগে দল বিপর্যয়ে পড়লেও দারুণ সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে ২৭১ রানের ভালো সংগ্রহ পাইয়ে দেন ইমরুল কায়েস (১৪৪)। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে এই রান করে টাইগাররা। সপ্তম উইকেট জুটিতে এদিন সাইফউদ্দিনের সঙ্গে রেকর্ড ১২৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ইমরুল।
প্রায় ৮ মাস পর নিজেদের মাটিতে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশের। যেখানে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
ব্যাটিংয়ে নেমে স্লথ গতিতে ব্যাট করতে থাকা লিটন দাশ তুলে মারতে গিয়েই বিদায় নেন। দলীয় পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ডোনাল্ড ট্রিপানোকে হিট করলেও তা যথেষ্ট হয়নি। তেন্তাই চাতারার ক্যাচে মাঠ ছাড়েন। ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করেন এই ওপেনার। পরের ওভার করতে আসা চাতারার বলে উইকেটরক্ষক ব্র্যান্ডন টেইলরকে শূন্য রানে ক্যাচ দেন অভিষেক ওয়ানডে খেলতে নামা ফজলে রাব্বি।
১৫তম ওভারের শেষ বলে ব্র্যান্ডন মাভুতার স্পিনে ধরা পড়েন মুশফিকুর রহিম। উইকেটের পেছনে থাকা ব্র্যান্ডন ম্যাককালামকে ব্যক্তিগত ১৫ রানে ক্যাচ দেন তিনি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেন এই ওপেনার। পরে ২৩তম ওভারে ব্র্যান্ডন মাভুতার বলে ইমরুল ছক্কা হাকালে দলীয় সেঞ্চুরির দেখা পায় বাংলাদেশ।
দলের বিপর্যয় সামলে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৭১ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ মিঠুন। তবে ব্যক্তিগত ৩৭ রানে কাইল জারভিসের বলে উইকেটরক্ষক ব্র্যান্ডন টেইলরকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মিঠুন। ৪০ বলে একটি চার ও তিনটি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান ফর্মে থাকা এই ডানহাতি। কিন্তু নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেই সেই জারভিসের ওভারেই আউট ব্যক্তিগত শূন্য রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ডানহাতি এ ফাস্ট বোলারের পরের ওভারে উইকেট বিলিয়ে দেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।
নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান ইমরুল কায়েস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দলের বিপর্যয়ে একাই হাল ধরে ব্যাটিং করা এই ওপেনার ১১৮ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান। পরে ৪৮.৪ ওভারে জারভিসের চতুর্থ শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৪০ বলে ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১৪৪ রানে বিদায়ে নেন এই বাঁহাতি।
ইমরুলের বিদায়ের পর ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা পাওয়া সাইফউদ্দিনও মাঠ ছাড়েন। ৬৯ বলে ৩টি চার ও এক ছক্কায় ঠিক ৫০ করে তিনি চাতারার তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নমুখী হন। সপ্তম উইকেট জুটিতে এদিন সাইফউদ্দিনের সঙ্গে রেকর্ড ১২৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ইমরুল।
এ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের বড় শক্তি সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে অভিষেক হয় ফজলে রাব্বির। স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার পর থেকেই তার একাদশে আসার জোর গুঞ্জন শোনা যায়। তাই সত্যি হলো।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১২৯তম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হলো ৩০ বছর বয়সী রাব্বির।
এর আগে বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুর হয় বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোবাইলে প্রেম, নানির বয়সী বৃদ্ধাকে বিয়ে! অতঃপর…

অনলাইন ডেস্ক: মোবাইল ফোনে দীর্ঘ এক মাস ধরে চলে প্রেম। কিন্তু, প্রেমিকাকে একনজর দেখার জন্য প্রেমিকের আর তর সইছে না। অবশেষে একদিন দুরু দুরু বুকে কিশোর প্রেমিক তার প্রিয়তমার সঙ্গে প্রথমবার দেখা করতে যায়। ব্যস, এখানেই ঘটে বিপত্তি।
এদিকে প্রেমিকার পরিবারের আবদার, দেখা-দেখি পর্বের আগে খাওয়া-দাওয়া হোক। হয়েছেও তাই পেট ভরে ভাত, সব শেষে তেলের পিঠা খেয়ে ছেলেটি ‘স্বপ্নের রাজকন্যা’ দেখতে প্রস্তুত। এরপর হঠাৎ করেই মুখে ঘোমটা টেনে ঘরে প্রবেশ করলেন ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা। ভারতের আসামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে।

কিন্তু, মোবাইলের ওপাশে যার মধুর কোকিল কণ্ঠে মজেছিল আসামের গোয়ালপাড়া জেলার শিমলিতোলা এলাকার হেপচাপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোর ছেলেটি, তাকে দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। বৃদ্ধাকে দেখা মাত্রই ওই প্রেমিক পালানোর চেষ্টা করেছিল।
কিশোর ছেলেটির অভিযোগ, কন্যা পক্ষ ‘ধরে বেঁধে’ ওই স্বামী হীনা নারীর সঙ্গেই কিশোরের বিয়ে দিয়েছে। পরে ছেলেটি বউ নিয়েই বাড়ি ফিরেছে। বউয়ের বয়স শাশুড়ির থেকেও বেশ কয়েক বছর বেশি! অর্থাৎ ছেলের নানির বয়সী ‘বউ’।

নতুন বউয়ের দাবি, কাজী বিয়ে দিয়েছেন। স্বামীর ঘরেই সে থাকবে। এমনটাই জানিয়ে দিয়েছেন শ্বশুর বাড়িতে।
জানা যায়, ওই কিশোর প্রেমিক মিস্ত্রির কাজ করে।

প্রেম প্রসঙ্গে ছেলেটি জানায়, মাসখানেক আগে বঙাইগাঁওয়ে একজনকে ফোন করতে গিয়ে ভুল নম্বরে ফোন করায় তা চলে যায় বরপেটা জেলার সুখারচর গ্রামে, ওই নারীর মোবাইলে (এখন যিনি বউ)। সেই থেকে শুরু। সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে থাকে। কিশোর প্রেমিক বার বার দেখা করতে চাপ দেয় তার প্রেমিকাকে। কিন্তু ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে জানায়, একেবারে বিয়ে করতে হবে। একপর্যায় গত মঙ্গলবার প্রেমিকার বাড়িতে যায় ওই কিশোর। বাড়ির লোক কাজী ডেকে বিয়ের ব্যবস্থা করে।

এ ঘটনা জানাজানি হতেই ‘নতুন বউ’ দেখতে আশপাশের গ্রামের লোক বাড়িতে ভীড় করছে। যদিও এ ঘটনায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে ছেলেটি। অন্যদিকে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না নতুন বউও।

এমন বিয়ে মানতে নারাজ কিশোর ছেলেটির পরিবার ও তার গ্রামের মানুষ।
এ নিয়ে অল আসাম মুসলিম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (আমসু) বিষয়টির নিষ্পত্তিতে এগিয়ে এসেছে। কিশোর ছেলেকে জোর করে বিয়ে দেয়ার ঘটনা জানতে পেরে চাইল্ডলাইন বিষয়টি রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনেও জানিয়েছে।
জেলাশাসক বর্ণালী ডেকা জানান, এখনও পুলিশে অভিযোগ হয়নি। আইন মেনেই ব্যবস্থা হবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কামরাঙা’র উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: দেশি ফলের মধ্যে কামরাঙা খুব পরিচিত ও সুস্বাদু একটি ফল। এ ফলে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। আসুন জেনে নেই কামরাঙা ফলের উপকারিতা।
* গবেষণায় দেখা গেছে, কামরাঙা ক্যানসাররোধী ফল। এর মধ্যে রয়েছে পলিফাইনোলিক উপাদান। কামরাঙা লিভার ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে। এর মধ্যে আরো রয়েছে আঁশ। এটি কোলন পরিষ্কার করে। এতে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

* কামরাঙার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এটি কফ, জ্বর, গলাব্যথা ইত্যাদি কমায়। এটি শ্বেত রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে।

* কামরাঙার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম ও সোডিয়াম। এটি রক্তচাপ ঠিকঠাক রাখতে উপকারী। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হৃৎপিণ্ড ভালোভাবে কাজ করে।

* কামরাঙা’র মধ্যে খুব কম ক্যালরি রয়েছে। এটি ওজন কমায়। এছাড়াও এ ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়। এটি ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest