সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ধর্ষিতার বাবার সামনেই কার্যকর হলো ধর্ষকের ফাঁসি

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের দিল্লিতে গণধর্ষণ কাণ্ডের এত বছর পরেও ফাঁসির সাজা কার্যকর করা হল না। কিন্তু ভারতের থেকে সব দিক থেকে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তান কিন্তু দেখিয়ে দিল কীভাবে ধর্ষকদের নজিরবিহীন ফাঁসির সাজা দেওয়া যায়।
গত বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় পাকিস্তানে ধর্ষিতার বাবার সামনেই ধর্ষককে ফাঁসি দেওয়া হলো। পাকিস্তানের লাহোরের কোট লকপত জেলে ফাঁসি হল সাত বছরের জিনাব আনসারির ধর্ষক ইমরান আলির। জিনাবকে ধর্ষণ করে খুন করেছিল ইমরান। জিনাবেব বাবা দাবি করেছিলেন, তার সামনে ফাঁসি দেওয়া হোক তার মেয়ের ধর্ষককে। সে ইচ্ছে পূরণ করেছে পাকিস্তান আদালত।
ইমরানকে ফাঁসিতে ঝোলানোর আগেরদিন রাতে লাহোরের জেল কর্তৃপক্ষ জিনাবের বাবার সঙ্গে ৪৫ মিনিটের বৈঠক করেন। তারপরেই বুধবার ভোরে ম্যাজিস্ট্রেট আদিল সরওয়ার, জেনাবের বাবা মহম্মদ আমিনের উপস্থিতিতে ফাঁসি দেওয়া হয় ধর্ষক ইরানকে।
জেলের মধ্যে ফাঁসি দেওয়ার সময় ইমরানের বড় ভাই এবং তার দুই বন্ধুকেও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়েছিল জেলের ভেতরে। সকলের উপস্থিতিতেই সাজা কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের অ্যান্টি টেরোরিস্ট কোর্ট ইমারানকে ২১ বার ফাঁসি এবং ২৩ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশের খবর: মার্কিন ধর্মযাজককে মুক্তি দেওয়া নিয়ে তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। যাজক ব্রানসনকে মুক্তি দেওয়ার কয়েকদিন পর এই কথা বললেন পম্পেও।
নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে স্বল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সাথে আলোচনার পর বুধবার এই মন্তব্য করেন মাইক পম্পেও। সৌদি সাংবাদিক কামাল খাশোগির নিখোঁজ এবং খুনের অভিযোগ নিয়ে আলোচনার জন্য তুরস্কে আকস্মিক সফর করলেন মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, ব্রানসনকে মুক্তি দেওয়ার পর তাকে নিয়ে তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আর রাখার যৌক্তিকতা নেই।
বুধবার পম্পেওর সাথে সাক্ষাৎ করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওর সাথে এব্যাপারে কোনো আলোচনা না করলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে অযৌক্তিক বলেন তিনি। মেভলুত বলেন আমাদের সম্পর্কের মাঝে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত নয়। নিষেধাজ্ঞা থাকলে সম্পর্ক অগ্রসর হতে পারে না।
সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মার্কিন যাজক ব্রানসনকে গ্রেফতার এবং বিচারের কারণে তুর্কি বিচারমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার কারণে তুরস্কের মুদ্রার দাম অনেকখানি নেমে যায়। মাইক পম্পেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বলার পর মুদ্রার দাম বাড়তে শুরু করেছে।-আল জাজিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবিতে ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন সেই শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় গত ১৬ অক্টোবর। এতে পাস করেছে ২৬.২১%। তবে ভর্তি পরীক্ষার আগে বৃহস্পতিবার রাতে এই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।
এদিকে, ফল প্রকাশের পরই প্রশ্ন ফাঁসের দাবি আরও জোরালো হয়। কেননা, প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই এ ইউনিটে রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়েছেন তাসনিম বিন আলম ও জিহাদ হাসান আকাশ নামে দুই ছাত্র।

অবাক করার বিষয় হল, জিহাদ নিজের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট ও তাসনিম বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন।
জিহাদ ‘গ’ ইউনিটে পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২ নম্বর। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্সে ৯ দশমিক ৮৪।
অথচ সে ‘ঘ’ ইউনিটে পেয়েছেন ১২০ নম্বরে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। বাংলায় ৩০-এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০-এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

অন্যদিকে, তাসনিম বিন আলম বিজ্ঞান শাখার তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন। পরে ‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।
আর যে কারণে প্রশ্ন পত্র ফাঁসের বিষয়টি সবার নজরে এসেছে।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, কেবল ফল প্রকাশ হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা এলে তাদের বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কারও মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।

এদিকে, মিডিয়ায় যখন ওই দুই শিক্ষার্থীর রেকর্ড করা রেজাল্ট নিয়ে লেখা লেখি হচ্ছে তখনি বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করা শিক্ষার্থী তাসনীম বিন আলম।

বিষয়টি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০৯.৫ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকারী। কিন্তু আমি ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৩.৭৫ নম্বর পেয়েছিলাম।’

তিনি জানান, ‘কলেজের প্রথম বর্ষ থেকেই আমার ‘ঘ’ ইউনিটে ইকোনমিকস নিয়ে পড়ার ইচ্ছা। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরের পুরোটা সময় আমি ‘ঘ’ ইউনিটের জন্যই প্রস্তুতি নিয়েছি। সেই সময়ে এমনকি ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষার আগমুহূর্তেও আমি বিজ্ঞান বিভাগের কোন বই পড়িনি। ‘ক’ ইউনিটের ফরম আমি তুলেছিলাম মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার একটা প্র্যাকটিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স অর্জনের জন্য, যাতে করে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষায় আমার নার্ভাসনেস কাজ না করে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও বিজ্ঞান-সম্পর্কিত ইউনিটের ফরম তুলিনি।’

তাসনীম আলম বলেন, ‘আমি একটি বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় আমি চতুর্থ বিষয় জীববিজ্ঞানের বদলে বাংলা উত্তর করি এবং যেখানে আমার মোট নম্বর ছিল ৪৩.৭৫। সেখানে বাংলাতেই আমি পেয়েছিলাম ২১.৭৫ নম্বর। কেননা আমি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রিপারেশন নিচ্ছিলাম এবং বাংলা তুলনামূলকভাবে ভালো পড়া ছিল।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ভাল করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায়ও আমি ছেলেদের মধ্যে পঞ্চম স্থান অর্জন করি। সেখানে এই ইউনিটেও ইকোনমিকস আছে, যে বিষয়ে আমার পড়ার ইচ্ছা। তবে আমি জাহাঙ্গীরনগরে হয়ে যাওয়া বিজ্ঞান-সম্পর্কিত অন্যান্য অনুষদের ফরম আমি তুলিনি, পরীক্ষা দিইনি।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আমার ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেও ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।’

‘বিষয়টি নিয়ে আমি বলতে চাই, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর থেকে আমি শুধু ‘ঘ’ ইউনিটের প্রস্তুতিই নিয়েছি। ‘ক’ ইউনিটের জন্য তিলমাত্র প্রস্তুতি নিইনি। তাই ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় খারাপ করলেও, আমি ‘ঘ’ ইউনিটে ভালো ফলাফল পেয়েছি।’
তাসনীম আলম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আমার বাংলায় ৩০-এ ২১.৭৫ পাওয়া, আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় পঞ্চম হওয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান-সম্পর্কিত অনুষদের ফরম না তোলা আমার ‘ঘ’ ইউনিটের প্রস্তুতি এবং তাতে ভালো করার পক্ষে যথেষ্ট সমর্থন দেয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের আমন্ত্রণে তিন দিনের সফরে গত মঙ্গলবার সৌদি আরব পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরের তিনি বাদশাহ সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং রাজকীয় প্রাসাদে মাধ্যহ্ন ভোজে অংশ নেন। একই দিন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিন দিনের সফর শেষে সৌদি আরব থেকে শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে মক্কার এশার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা ওমরাহ পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে গত বুধবার রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের নিজস্ব ভবনও উদ্বোধন করেন। এছাড়া সৌদি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন সৌদি যুবরাজ, উপ-প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ। তিনি এ উন্নয়নের অংশীদার হতে চান।
স্থানীয় সময় বুধবার সৌদি আরব সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সৌদি যুবরাজকে উদ্ধৃতি করে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সালমান তাঁর কর্মকর্তাদের বাংলাদেশকে দেখে আসা এবং বাংলাদেশে উন্নয়নের কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ পাঠানোর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন যুবরাজকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান, তখন তিনি (যুবরাজ) অত্যন্ত উষ্ণতার সঙ্গে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বলেন, আমি শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করব।
শেখ হাসিনা মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-বিবাদ করব না, বরং আমরা আমাদের যে কোনো সমস্যা নিজেরাই সমাধান করব।
প্রধানমন্ত্রী যখন জানান, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি ৬ বার সৌদি আরব সফর করেছেন, তখন সৌদি যুবরাজ তাঁকে (শেখ হাসিনা) ‘হাফ সৌদি’ বলে বর্ণনা করেন। ‘এটিও আপনার বাড়ি’ একথা উল্লেখ করে সৌদি যুবরাজ বলেন, আপনি অনেক বার সৌদি আরব সফর করেছেন, তাই আপনি ‘হাফ সৌদি’ হয়ে গেছেন।
মুসলিম উম্মাহর মধ্যে শান্তি বজায় রাখা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত পোষণ করে যুবরাজ বলেন, আমরাও এটা চাই এবং আমরা সবাই একত্রে শান্তিতে বসবাস ও উন্নয়ন করতে চাই।
যুবরাজ বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের চমৎকার সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো তা বৃদ্ধি পাবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সালমানের বৈঠকে মূলতঃ দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এর একটি হচ্ছে- বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং অপরটি হচ্ছে- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়।
হক বলেন, -আমরা আশা করছি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সৌদির একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল খুব শিগগির বাংলাদেশ সফর করবেন এবং দেশটি বাংলাদেশে বড় ধরনের বিনিয়োগ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থামছে না ইলিশ ধরা, পৌঁছেনি সরকারি সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান অভিযানে একদিকে যেমন ইলিশ শিকার বন্ধ হয়নি তদ্রুপ জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তাও এখনো পুরোপুরি পায়নি জেলেরা। ফলে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের প্রথম সপ্তাহ দোটানার মধ্য দিয়ে পার হল। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সমুদ্র ও নদীতে গত ৭ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।
শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে প্রথম ১০ দিনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৩’শ ৯০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ পর্যন্ত ৫ লাখ ২৭ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ৩ হাজার ২০০ কেজি ইলিশ ও প্রায় ১৪ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিভাগীয় মৎস অফিসের সহকারী পরিচালক আজিজুর রহমান।
তিনি জানান, গত ৭ অক্টোবর থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় মৎস অধিদপ্তরের নেতৃত্বে মোট ৮০২ টি অভিযান ও ৪৩১ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। যার অনুকূলে ৩৪৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
যদিও সরকার থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল অভিযান শুরুর পর থেকেই সহায়তা করা হবে জেলেদের। এবার চাল বরাদ্দ পেতে সারাদেশে তিন লাখ ৯৫ হাজার ৭০৯ কার্ডধারী জেলে তালিকাভুক্ত করা হয়। যার মধ্যে বরিশাল বিভাগে তালিকাভুক্ত তিন লাখ ৫১ হাজার ৩০৪ জেলের নাম ছিল। আর তাদের মধ্যে চাল পাবেন দুই লাখ ২৭ হাজার ৯৪৩ জন।

কিন্তু অভিযান শুরু হওয়ার পর ১০ দিন অতিবাহিত হলেও সহায়তার চাল পৌঁছেনি বরিশাল বিভাগের সমস্ত উপজেলার জেলেদের কাছে। কয়েকটি উপজেলায় চাল দেওযা শুরু করলেও তাতে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন জেলেরা।
মূলত, প্রান্তিক জেলেদের সহায়তায় সরকারিভাবে ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। নিষেধাজ্ঞা শুরুর প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই জেলে পরিবারগুলোতে চাল বিতরণের সরকারি নির্দেশনা ছিল। কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ উঠেছে যে, যথাসময়ে চাল পান না জেলেরা। আবার শেষ সময়ে পাওয়া গেলেও ২০ কেজির পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১৫ কেজি চাল দেওয়া হয় তাদের। এর কারণ জানতে চাইলে চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা একাধিক জনপ্রতিনিধি (ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র) বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই তারা চাল বিতরণ শুরু করবেন।

এদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রজননকালে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা তাদের দায়িত্ব। আর ত্রাণ বিতরণের বিষয়টি রয়েছে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, ইলিশ নিধনে নিষেধাজ্ঞা পালনে জেলেদের উৎসাহিত করতে এবং তাদের সহায়তা হিসেবে তিন বছর ধরে প্রত্যেক জেলে পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রান্তিক জেলেদের কাছে চাল পৌঁছাতে না পারলে বিতরণের আসল উদ্দেশ্যে ব্যাহত হয়। তবে বিষয়টির সঙ্গে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্পৃক্ততা না থাকায় তারা এক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না।

মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ড. ওয়াহেদুজ্জামানের দাবি, কিছু কিছু জায়গায় চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। যারা করেননি, তারা চলতি সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ শুরু করবেন।

এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে জেলেদের সংগঠন জাতীয় ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, এবার নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া চলছে। ফলে বেকার জেলেরা অন্য কোনো কাজও করতে পারছেন না। এমন অভাব-অনটনের মধ্যে ঠিক সময়ে চাল দেওয়াটা জরুরি। না দিলে জেলেরা পেটের তাগিদে নদীতে নামবে-এটাই স্বাভাবিক। এই নেতা মনে করেন, শুধু জেল-জরিমানা করে মা ইলিশ শিকার বন্ধ করা সম্ভব নয়। দরকার সরকারী সুবিধা বৃদ্ধি ও সুষম বন্টন করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় সংসদ নির্বাচন : তৈরি হচ্ছেন সাড়ে ৭ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের জন্য প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে তালিকা তৈরি করার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল দিয়ে ডিসেম্বরের ১৮ তারিখের মধ্যে ভোট করার পরিকল্পনা করছে ইসি।

কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নভেম্বরের ৭ তারিখে মধ্যে তফসিল দিয়ে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন ভোট করা হতে পারে। তবে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ১২ থেকে ১৪ তারিখে তফসিল দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। কর্মপরিকল্পনাটি কমিশন বৈঠকে তোলা হবে। সেখানে আলোচনা করে কমিশন অনুমোদন দেবে।

সূত্র জানায়, সংসদ নির্বাচনের ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের ২০ লাখের অধিক ভোটকক্ষের জন্য প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রস্তুত করবে ইসি। এ লক্ষ্যে ইসির উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেয়া হয়েছে মাঠকর্মকর্তাদের। এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হবে সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ। তফসিল ঘোষণার পরপরই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরির বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হবে। ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ হবে। তারপর প্যানেল থেকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

সর্বশেষ দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ১৯ লাখের বেশি ভোটারের জন্য কেন্দ্র ছিল ৩৭ হাজার ৭০৭টি; ভোটকক্ষ ছিল এক লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। সে সময় ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৫৭৭ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন।

সংসদ নির্বাচনে বরাবরই বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এবার কাদের দায়িত্ব দেয়া হবে- সে সিদ্ধান্ত কমিশন সভায় নেয়া হবে।

জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৪০ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র লাগবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, কেন্দ্রপ্রতি দুইজন করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রতি ভোটকক্ষে দুইজন করে পোলিং অফিসার থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার অনুপাতে দুই বা ততোধিক ভোটকক্ষ থাকে। তাতে ৮-১০ জন পোলিং অফিসার লাগবে কেন্দ্রপ্রতি। সব মিলিয়ে এবার সাড়ে সাত লাখের মতো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা।

ভোটের কারণে প্রাথমিকের পরীক্ষায় সূচি বদল
এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। ১১-১৮ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এখন ২৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তা শেষ করতে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত সব শিক্ষা কর্মকর্তাদের আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের আদেশে বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মাঠে নামবে বিসিবি একাদশ

খেলার খবর: আজ শুক্রবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বিকেএসপিতে মাঠে নামবে বিসিবি একাদশ। সকাল সাড়ে ৯টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
সৌম্য সরকার প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশকে নেতৃত্ব দেবেন।
এরআগে এক মাসের লম্বা সফরে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল গত মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছেছে। সফরে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে টাইগারদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে জিম্বাবুয়ে।

বিসিবি একাদশ: সৌম্য সরকার (অধিনায়ক), মিজানুর রহমান, ফজলে রাব্বি মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জাকির হোসেন, আরিফুল হক, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাইফ উদ্দিন, ইয়াসিন মিশু, এবাদত হোসেন চৌধুরী, মোর্শেদুল আখতার এবং নাইম হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কার্জন হলের আদলে পশ্চিমবঙ্গের পূজা মণ্ডপ

বিদেশের খবর: ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা ভারতের কোন স্থাপত্য শিল্প নয়, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের আদলে এবার পূজামণ্ডপ তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির উত্তরপাড়ার ইউথ কোর ক্লাব।

উত্তরপাড়া থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই পূজো প্যান্ডেলে প্রবেশ করলেই আসল-নকলের ফারাক বোঝাই কষ্টকর। প্রায় ১৪০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে মণ্ডপটি তৈরি করা হয়েছে বাঁশ, কাপড় ও শোলা দিয়ে। গম্বুজ বিশিষ্ট পুরো মণ্ডপটির রঙ করা হয়েছে লাল রঙের। প্যাণ্ডেল নির্মাণে খরচ হয়েছে আনুমানিক ৫ লাখ রুপি।

তবে শুধু মণ্ডপই নয়, প্যান্ডেলের মধ্যেই দেয়ালজুড়ে স্থান পেয়েছে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবিও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা যদুনাথ সরকার, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি নজরুল ইসলামের ছবির পাশাপাশি বাংলাদেশের রূপকার ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবিটিও স্থান পেয়েছেন মণ্ডপের মধ্যে।

জায়গা পেয়েছে মুক্তিযোদ্ধা বাঘা সিদ্দিকি, শিল্পী আব্বাসউদ্দিন, বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক রোকেয়া বেগমের।

এদিকে, ৬৬ তম বর্ষে এই থিম করার পিছনেও একটি কাহিনী রয়েছে। ক্লাবেরই এক সদস্য তুষার কান্তি দাস একদিন কলকাতার একটি পত্রিকায় ‘কার্জন হল’ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং আকৃষ্ট হন। এরপরই ক্লাবের অন্য সদস্যদের সামনে কার্জন হলের আদলে পূজো মণ্ডপ করার প্রস্তাব দেন। আর সকলেই সেই প্রস্তাবনায় সম্মতিও দেন। আর দেরি না করে শুরু হয় কাজ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এবারের পূজোর থিম করে যথেষ্ট প্রশংসাও কুড়িয়েছে এই ক্লাবটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্ররাও পূজো ঘুরে গেছেন।

ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রীর সম্পর্ককে তুলে ধরার লক্ষ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এবারের থিম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্লাবের সম্পাদক চন্দন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আমরা পূর্ববঙ্গের বাসিন্দা। স্বভাবিক ভাবেই ওই বাংলার প্রতি আমাদের টান ও আকর্ষণ দুটোই রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবিভক্ত বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ঐতিহ্যমণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাছাড়া ইউরোপ বা আমেরিকার সংস্কৃতিও আমাদের নয়। বরং সেদিক থেকে দুই বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ঐহিত্য অনেকটাই এক। সে ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম আমাদের সেরা পছন্দ ছিল।

তবে পূজোই নয়, বছরের বিভিন্ন সময়ে দুস্থ শিশু, নারীদের আর্থিক সহায়তা, বই প্রদানসহ একাধিক সমাজসেবামূলক কাজেও জুড়ি মেলা ভার ‘ভদ্রকালী ইউথ কোর’ ক্লাবের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest