সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

ভারতের শেয়ারবাজারে একদিনে এক লক্ষ কোটি টাকা গায়েব!

বিদেশের খবর: ভারতে একদিকে চলছে টাকার দামের পতন, অন্যদিকে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। আর আর্থনীতির এই দুর্দিনে ভারতের শেয়ার বাজার সেনসেক্স ও নিফটিতে ব্যাপক ধসের ঘটনা ঘটলো।

সোমবার এই দুই শেয়ারবাজারে একদিনেই বিনিয়োগকারীদের এক লাখ কোটি টাকা (ভারতীয় মুদ্রায়) গায়েব হয়ে গেছে।

সোমবার সেনসেক্সের সূচক ৫০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৩৭ হাজার ৫শ ৮৫ পয়েন্টে। আর নিফটির সূচক ১৩৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৩শ ৭৭ পয়েন্ট। দিনের শুরুতে বাজার ঊর্ধ্বগতি থাকলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকেনি। বিনিয়োগকারীরা বাজার পতনের জন্য টাকার দাম কমে যাওয়া ও জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন।

এদিকে ভারতে টাকার দামের পতন অব্যাহত আছে। সোমবার বাজারের শুরুতেই টাকার দাম পড়ে যায় ৮১ পয়সা। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রূপির মূল্য দাঁড়ায় ৭২.৬৫। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর রেকর্ড পতন হয়েছিল টাকার। সে দিন টাকার দাম দাঁড়িয়েছিল ৭২.৬৭। তার পর থেকে আর ঘুরে দাঁড়ায়নি পরিস্থিতি। আর এই পরিস্থিতিই ভারতের অর্থনীতি ও বাণিজ্যক্ষেত্রে উত্তরোত্তর উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

টাকার দাম বাড়ার আর কোনোও সম্ভবনা আছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন না। এই পরিস্থিতিতে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে। রিজার্ভ ব্যাংকের এই ঘোষণায় কিছুটা হলেও আশার আলো দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই পদক্ষেপ সকলকে আশাহতই করেছে। পরিস্থিতির কোনও উন্নতিই হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব বাণিজ্যে চীন-আমেরিকার বাণিজ্যযুদ্ধ এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদিকে পেট্রোল-ডিজেলের ঊর্ধ্বমুখী দামকে নিয়ন্ত্রণ করতে নানা রকম পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। টাকার পতনকে ঠেকাতেও নানা কৌশল অবলম্বনের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুটবলে ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ

বিনোদন সংবাদ: দুয়ারে কড়া নাড়ছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। জাতির জনকের নামকরণে আন্তর্জাতিক এই ফুটবলের পর্দা উঠবে ১ অক্টোবর। আয়োজনের সব কিছুই সম্পন্ন। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের থিম সংও ঠিক হয়ে গেছে। রাকিব হাসান রাহুলের কথায় ও অদিত্যির সুরে এই গান গেয়েছেন দেশের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ বেগম। রবিবার বাফুফে ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে থিম সং প্রকাশ করা হয়। এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বাফুফে সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী এমপি, টুর্নামেন্টের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহাদ করিমসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবার সিলেট ও কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হবে। মমতাজের গাওয়া এই থিম সং ম্যাচের আগে ও বিরতির সময় বাজানো হবে। ফুটবলে দর্শক আসতে শুরু করেছে। সিলেট ও কক্সবাজারে উপচেপড়া দর্শকের সমাগম হবে আশা করা যাচ্ছে।

‘আরে— দিন এসেছে আজ এগিয়ে যাওয়ার। মাঠ জুড়ে মানুষের জোয়ার। ফ্রি কিকে-হেডে-পাসে জোরালো শটে গোল হবে খেলা জমবে আবার।’ মমতাজের এই গান ফুটবল প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়তা পাবে আশা করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দশ বছরে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ

দেশের খবর: দেশে গত ১০ বছরে রেমিটেন্স প্রবাহ তিন দশমিক ৫৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা বাংলাদেশের একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে অন্যতম মাইল ফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুযায়ী প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত দেশে পাঠিয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৮৫৯ দশমিক শূণ্য চার মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই অর্থ পূর্ববর্তী ১০ বছরের চেয়ে ৯৪ হাজার ৮২২ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার বেশি।

অনাবাসিক বাংলাদেশিরা (এনআরবি) ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর থেকে ২০০৭-০৮ অর্থবছর পর্যন্ত পাঠিয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার ৩৬ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে এই রেমিটেন্স প্রবাহে গত দুই বছরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বিদেশে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

দেশে অর্থ প্রেরণের প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে এবং বর্তমানে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে বাংলাদেশি প্রবাসীরা মোবাইল ফিনেসিয়াল সার্ভিস সুবিধাও পাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধ উপায়ে রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সকরারি তথ্য অনুযায়ী চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে অভিবাসী শ্রমিকরা দুই হাজার ৭২৯ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।

অপরদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাঠিয়েছে ১৪ হাজার ৯৮১ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২ হাজার ৭৬৯ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৯৩১ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৫ হাজার ৩১৬ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪ হাজার ২২৮ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৪৬১ দশমিক ১৪ মিলিয়ন ডলার, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১২ হাজার ৮৪৩ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৬৫০ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১০ হাজার ৯৮৭ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৯ হাজার ৬৮৯ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।

এনআরবি ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পাঠিয়েছে ৭ হাজার ৯১৪ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ৫ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮০২ দশমিক ৪১ মিলিয়ন ডলার, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৮৪৮ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলার, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৭১ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ৩ হাজার ৬১ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০১-০২ অর্থবছরে ২ হাজার ৫০১ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ডলার, ২০০০-০১ অর্থবছরে ১ হাজার ৮৮২ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ১ হাজার ৯৪৯ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার এবং ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৭০৫ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার নীতি অনুসরণ করছে ট্রাম্প’

বিদেশের খবর: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত দুই বছর শুধু মার্কিন গণতন্ত্রের ওপর আঘাতই হেনেছেন। তাই আমেরিকানদের উচিত গণতন্ত্র উদ্ধার করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়া। এমনই আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন।

হিলারি লিখেছেন, রিপাবলিকানরা আমাকে পরাজিত করে সীমান্তে অভিবাসী পরিবারগুলো আলাদা করাসহ অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার নীতি অনুসরণ করছে। ট্রাম্প এবং তার সহযোগীরা এমন সব ঘৃণ্য কাজ করছেন, যেগুলো ঠিক করা প্রায় অসম্ভব।

তিনি লিখেছেন, আমি মনে করি বিন্দুর মতো কিছু একটা আমাদের হতবুদ্ধি করে রেখেছে। তাই আমাদের চোখ বলের ওপর পড়ছে না। আর বলটি হলো আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করা। নাগরিক হিসেবে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এটি। কারণ এখন আমাদের গণতন্ত্র সঙ্কটের মুখে।

রবিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী দ্য আটলান্টিকে প্রকাশিত এক নিবন্ধে হিলারি এসব কথা লিখেছেন বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

দেশটির গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়া এই ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী লিখেছেন, আমি ‘সঙ্কট’ শব্দটি হালকা হিসেবে ব্যবহার করিনি। রাস্তাগুলোতে কোনও ট্যাংক নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনের নৃশংসতা ও অযোগ্যতা একেবারেই অস্বাভাবিক।

তিনি লিখেছেন, আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও প্রথাগুলো অবরুদ্ধ। তাই এগুলোকে মুক্ত করতে আমাদের যা যা করা দরকার, সেগুলো করতে হবে। ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে হারিকেন মারিয়াতে বিধ্বস্ত পুয়ের্তো রিকো দ্বীপের প্রতি অবহেলা দেখানোর অভিযোগও এনেছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প এবং তার নীতির সমালোচনা করে আসছেন হিলারি। অন্যদিকে রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে ট্রাম্প তাকে পরাজিত বলে উল্লেখ করছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে হিলারির নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রম তদন্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কঠোরতম ভাষায় সু চির সমালোচনা করলেন জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

বিদেশের খবর: জাতিসংঘ গঠিত স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিশনের সদস্য ক্রিস্টোফার ডমিনিক সিডোটি কঠোরতম ভাষায় মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারের নেত্রী অং সান সু চির সমালোচনা করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার আইনজীবী ক্রিস্টোফার বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্মমতা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী চালিয়েছে, তা ঢাকতে গিয়ে নোবেল বিজয়ী সু চি নিজেকে পরিণত করেছে ‘লজ্জা নিবারণের ডুমুরপত্রে’।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের ৪০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপনের আগে যুক্তরাজ্যের টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার জেনিভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে তাদের ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

সিডোটি বলেন, রাখাইনে সহিংসতা থামাতে ব্যর্থতার দায় মিয়ানমারের নেত্রী সু চি এড়াতে পারেন না।

নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েক ডজন স্থাপনায় একযোগে হামলার পর গতবছর ২৫ অগাস্ট থেকে রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই দমন অভিযান শুরু হয়। সেই সঙ্গে শুরু হয় এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সঙ্কট।

তিন সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন অগাস্টের শেষে তাদের ২০ পৃষ্ঠার যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, সেখানে নৃশংস সেই দমন অভিযানের ভয়াবহতার চিত্র উঠে আসে।

ওই প্রতিবেদনে বলা বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘গণহত্যার অভিপ্রায়’ থেকেই রাখাইনের অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটিয়েছে।

আইন প্রয়োগের নামে ভয়ঙ্কর ওই অপরাধ সংঘটনের জন্য মিয়ানমারের সেনাপ্রধান এবং জ্যেষ্ঠ পাঁচ জেনারেলকে বিচারের মুখোমুখি করারও সুপারিশ করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।

এই মিশনের নেতৃত্ব দেন ইন্দোনেশিয়ার সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মারজুকি দারুসমান। সদস্য হিসেবে আরও ছিলেন শ্রীলঙ্কার আইনজীবী নারী অধিকার বিশেষজ্ঞ রাধিকা কুমারস্বামী।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক মানবাধিকার কমিশনার ও দেশটির আইন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য সিডোটি বলেন, সু চি প্রথম যে কাজটি করতে পারতেন তা হল- রাখাইনে গণহারে ধর্ষণের যে বিপুল অভিযোগ এসেছে সেসব ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে না দিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গাওয়া বন্ধ করা।

‘২০১৫ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ মানুষের ভোট তিনি পেয়েছেন। এটা তাকে বিপুল নৈতিক সমর্থন দিয়েছে কর্তৃত্ব দিয়েছে। সেনাবাহিনীর নৃশংসতার লজ্জা ঢাকতে কৌপিনের ভূমিকা নেওয়া তিনি বন্ধ করতে পারতেন।’

গতবছর গঠিত জাতিসংঘের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সদস্যরা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা ৮৭৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়ে, নথিপত্র, ভিডিও, ছবি এবং স্যাটেলাইট ইমেজ পর্যালোচনা করে তাদের প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

সেখানে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর রাষ্ট্র আরোপিত যে অবিচার চলছে তা প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের রূপ পাওয়ায় জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ভুগতে হচ্ছে এই জনগোষ্ঠীকে।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন বলছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাদের অপরাধের জন্য পূর্ণ দায়মুক্তি পেয়ে আসছে, কখনোই তাদের বিচারের জবাবদিহি করতে হয়নি। কোনো একটি অভিযোগ উঠলেই তা অস্বীকার করা, খারিজ করে দেওয়া এবং তদন্তের পথ বন্ধ করে দেওয়া হল তাদের সাধারণ নিয়ম।

তদন্তকারীরা তাদের প্রতিবেদনে বলেছেন, রাখাইনের হত্যাযজ্ঞের হোতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা অস্থায়ী একটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে; আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

এর পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে ওই হোতাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এদিকে চলতি মাসের শুরুতে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) সিদ্ধান্ত দিয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের মধ্যে দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের যে অভিযোগ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে উঠেছে, তার বিচারের এখতিয়ার ওই আদালতের রয়েছে।

আইসিসির সদস্য না হওয়ার যুক্তি দেখিয়ে মিয়ানমার ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করলেও বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে তাতে সমর্থন দিয়েছে।

সিডোটি বলছেন, রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের সুবিচারের জন্য আইসিসি হতে পারে একটি পথ। এর বাইরে রাখাইনের ঘটনার বিচারের জন্য আলাদাভাবে বিশেষায়িত একটি ফৌজদারি আদালত গঠন করা যেতে পারে।তাছাড়া যে মাত্রার অপরাধ সেখানে হয়েছে, তাতে যে কোনো দেশ তার সার্বজনীন বিচারিক এখতিয়ার কাজে লাগাতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুপার ফোরে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কার বিদায়

খেলার খবর: এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ১৩৭ রানে হেরেছিল শ্রীলঙ্কা। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া কোনো পথ খোলা ছিল না তাদের। কিন্তু পারল না তারা। আফগানদের কাছে ৯১ রানে হেরে গেল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। এরই সঙ্গে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর থেকে বিদায় নিল হলো শ্রীলঙ্কাকে।

এ জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত হলো আফগানিস্তানের। সুপার ফোরে উঠল বাংলাদেশও। শ্রীলংকাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল টাইগাররা। আফগানদের বিপক্ষে লংকানরা হারলেই পরের পর্বে যেত তারা। অবশেষে তাই হলো।

শ্রীলংকার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। প্রথম ওভারেই মুজিব-উর-রহমানের শিকার বনে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। দ্বিতীয় উইকেটে ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন উপুল থারাঙ্গা। ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন ধনঞ্জয়াও। কিন্তু হঠাৎই ভুল বোঝাবুঝি। দলীয় ৫৪ রানে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি।

দুই ব্যাটসম্যান ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন থারাঙ্গা। কিন্তু তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কুশল পেরেরা। ব্যক্তিগত ১৭ রানে রশিদ খানের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। পরক্ষণেই হার মানেন থারাঙ্গা। গুলবাদিন নায়েবের শিকারে পরিণত হন তিনি। এর আগে ৬৪ বলে ৩ চারে ৩৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন থারাঙ্গা। এতে বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। সেই বিপর্যয়ের মধ্যে রানআউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন শেহান জয়সুরিয়া।

এরপর থিসারা পেরেরাকে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ধীরে ধীরে জমে উঠছিল তাদের জুটি। আফগানদের চোখ রাঙাতেও শুরু করেন তারা। তবে আশা দেখিয়েও প্রদীপ নিভিয়ে দেন ম্যাথুস। মোহাম্মদ নবীকে অযাচিত শট খেলতে গিয়ে রশিদ খানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে করেন ২২ রান। এতে ফের বিপাকে পড়ে শ্রীলংকা।

সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। খানিক বাদেই মুজিবের শিকার হয়ে ফেরেন শানাকা। ৩৮.২ ওভারে সেই পথ ধরেন আকিলা ধনাঞ্জয়া। শেষ পর্যন্ত ১৫৮ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। আফগানিস্তানের হয়ে মুজিব, রশিদ, নায়েব, নবী প্রত্যেকে নেন ২টি করে উইকেট।

এর আগে আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তান অধিনায়ক আসগার আফগান।

সোমবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয় আফগানিস্তান। পরে শ্রীলঙ্কা ব্যাট করতে নেমে ৪১.২ ওভারে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‌’বিখ্যাত ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেবে আ. লীগ

রাজনীতির খবর: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কৌশল হিসেবে এবার থাকছে বিশেষ চমক। এরই অংশ হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন পেশাজীবীর মধ্য থেকে ‘তারকা’ খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে ঢাকার বেশিরভাগ আসনে ‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আগামী নির্বাচনে এই ‘তারকাদের’ অংশগ্রহণ করানো গেলে সাধারণ ভোটারের মধ্যে উৎসাহ দেখা দেবে বলেও ক্ষমতাসীন দলটি মনে করে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ-পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানান, আগামী নির্বাচনে চমক সৃষ্টির চিন্তা থেকে ফুটবলার, ক্রিকেটার, অভিনেতা-অভিনেত্রী, শিল্পী-সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের প্রতি মনযোগ দিয়েছে দলটি। এরই অংশ হিসেবে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ‘তারকা ব্যক্তিদের’ আমন্ত্রণ জানানো হবে। ইতোমধ্যেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন পেশার ‘তারকা ব্যক্তিদের’ একটি তালিকাও তৈরি করেছে দলের নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ওপর গবেষণাও চলছে।

‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দিলে ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বাচনি উৎসব বিরাজ করবে। ‘তারকা ভক্তদের’ ভেতরে প্রচারণায় নামার আগ্রহ দেখা দেবে। যা নির্বাচনে এক ধরনের জোয়ার তৈরি করবে। এতে তারকাদের জয়ের সম্ভাবনাও বেশি থাকবে। মূলত এই চিন্তা থেকে ‘তারকা ব্যক্তিদের’ বিষয়টি নিয়ে শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানান দলটির একাধিক নেতা। তারা জানান, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মিলিয়ে এই সংখ্যা ২০/২৫ জনও হতে পারে।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘সমাজে বিভিন্ন পেশায় ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের এবার মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পেশায় যারা নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন, তাদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।’

সূত্র জানায়, সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইতিবাচক মনোভাব দেখানোর কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর অন্যতম হলো—যাদের বেছে নিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদের বিজয়ের ব্যাপারে নিশ্চয়তা মিলবে। এই ক্ষেত্রে তরুণ-ইমেজ সম্পন্ন ‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে, এমন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতাও দেখাবে আওয়াম লীগ। কোনও দলীয় পরিচয় নেই এমন কয়েকজন ‘তারকা ব্যক্তিকেও’ মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছেন দলের নীতি-নির্ধারণী-পর্যায়ের নেতারা।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন পেশায় খ্যাতিমানদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক আওয়ামী লীগ।’ তিনি বলেন, ‘‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ‘তারকারা’ রাজনীতিতে যুক্ত হন, নির্বাচন করেন। এটা নতুন নয়।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

 

১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ০ তালা উপজেলার কাউন্সিল এসএম আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে ও এসএম শামীম হোসেনের পরিচলনায় পাটকেলঘাটাস্থ জাসদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-১ আসনের জাসদ মনোনীত ও ১৪ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশরাফ কামাল, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ সদস্য অনুপন কুমার অনুপ, জাসদ তালা উপজেলার সভাপতি বিশ্বাস আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় যুবজোট সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল প্রমুখ। সভায় শিক্ষা,শান্তি, প্রগতিকে মুল মন্ত্র এবং এক দেশ এক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, ডাকসুসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও পাঠ্যসুচিতে সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সকল সচেতন ছাত্রসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে নিন্মক্তদের নিয়ে এসএম আব্দুল আলিম সভাপতি, জাকিরুল ইসলাম ইমরান হোসেন, মোমরেজ আলম, শফিকুল ইসলাম রানা, এস কে রোমান হোসেন সহ-সভাপতি, এসএম শামীম হোসেন সাধারণ সম্পাদক, মোঃ সাইদুজ্জামান শুভ, নাজমুল হোসেন শুভ, জিয়াদ হোসেন খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, জুয়েল রানা সহ-সম্পাদক, শেখ রোকনুর জামান সাংগঠনিক সম্পাদক, সমীর কুমার পাল প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, শেখ মেহেদী হাসান দপ্তর সম্পাদক, শেখ সুমন হোসেন সহ-দপ্তর সম্পাদক, শেখ ইমরান হোসেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মোঃ সুজন মোড়ল অর্থ সম্পাদক, মোঃ মহিদুর জামান স্কুল বিষয়ক সম্পাদক, আল আমিন হোসেন সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক, হাবিবুর রহমান ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ রবিউল ইসলাম, শেখ আবু মুছা, মুকতি, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ মাসুম মোড়ল কে সদস্য নির্বাচিত করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তালা উপজেলার কমিটি গঠন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest