সর্বশেষ সংবাদ-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘দ্য মডেলস’ নিয়ে আলোচনায় জেসমিন জুঁই

বিনোদনের খবর: সম্প্রতি অবমুক্ত হয়েছে মডেলদের নিয়ে বাংলাদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সিরিজ ‘দ্য মডেলস’। আর এই ওয়েব সিরিজটির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করলেন দেশের সুপরিচিত ও শীর্ষস্থানীয় মডেল জেসমিন জুঁই। কেমন হলো ‘দ্য মডেলস’। ওয়েব সিরিজটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় এই প্রতিভাবান মডেল ও তরুণ পরিচালকের সাথে।
জেসমিন জুঁই এর কাছে প্রথম প্রশ্নটি ছিল, গল্পটি এত ছোট কেন। এর জবাবে তিনি বলেন, এটি শুধুই একটি গল্প নয়। আমরা গল্পের আদলে একটি মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। মেসেজটি শুধু যে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসা মডেলদের উদ্দেশে, তা নয়। সবাই, যাঁরা জীবনের পথে সাবলীল চলতে চায়- এ মেসেজ তাঁদের জন্যও। আর মেসেজটি হলো- কোনো কিছু করার আগে দ্বিতীয়বার ভাব। এই এক লাইনের মেসেজটিকেই ১০ স্লটের ওয়েব সিরিজের ১০টি ভিন্ন ভিন্ন গল্পে তুলে ধরা হবে। মনে রাখবেন; মেসেজ কিন্তু একটাই- কোনো কিছু করার আগে দ্বিতীয়বার ভাব। এই একটি কথাই আমি ওয়েব সিরিজের প্রথম পর্বের ১০ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের গল্পে বলতে চেয়েছি।
‘দেখা গেছে, প্রথম ইনস্ট্রাক্টর মেয়েটিকে প্রস্তুতি নিয়ে আসতে বলল। অথচ আপনি তাঁর সংগ্রামের গল্প না বলে অন্য গল্প শোনালেন, কেন?’- এমন প্রশ্নের জবাবে জেসমিন জুঁই বলেন, ১০ মিনিটের একটি স্লটে কী আদৌ একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রামের গল্প বলা সম্ভব? না। আমরা মূল গল্পটি মানুষকে দেখাতে চেয়েছি স্বল্প সময়ের মধ্যে। আর অনেক বড় কোনো গল্পকে বেশ ছোট করে নান্দনিক উপস্থাপনের উদ্দেশ্যেই ওয়েব সিরিজ ধারণাটির সূত্রপাত। ওয়েব সিরিজ দেখতে গেলে গল্পটিকে আপনার বুঝেও নিতে হবে- শুধু দেখলেই চলবে না।
এ ছাড়াও এডিটিং, কালার, ডিওপি, কিছু ডায়ালাগ নিয়ে কথা হয় জীবনে প্রথম নির্দেশনা বা পরিচালনা করতে নামা দেশের শীর্ষস্থানীয় এই মডেলের সাথে। তিনি বলেন, আমরা এই প্রথম গল্পটিতে মূল সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করার চেষ্টা করেছি। যাঁরা ভাবেন যে, কোনো পরিশ্রম নয়, শুধু শরীর দিয়েই বড় মডেল হওয়া যায়, খ্যাতি ও যশের চূড়ান্তে আরোহন করা যায়, মেসেজটি তাঁদের জন্য। আসলে প্রতিটি মানুষের প্রতিটি সাফল্যের পেছনে পরিশ্রম নামের বিষয়টি অত্যাবশ্যক। যাঁরা ভাবেন লাগবে না- তাঁরা বোকামি করেন এবং পরে নিজের ফেলে আসা সুন্দর অতীত ও বিভ্রান্ত বর্তমান নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
জুঁই বলেন, এমনটি যেন না ঘটে, সে উদ্দেশ্য থেকেই নির্মিত হয়েছে এবং হবে মডেলদের নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সিরিজ ‘দ্য মডেলস’।
আর একটি বিষয়ে দর্শক এবং ক্রিটিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পরিচালক জুঁই। তিনি বলেন, এই কাহিনিটি এই সত্য ঘটনা অবলম্বনে। যেখানে তামান্না নামের একটি মেয়ের গল্প বলা হয়েছে। আর ওয়েব সিরিজের মূল চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন হাবিবা তামান্না নামের একজন নতুন মুখ, প্রতিশ্রুতিশীল মডেল। বিষয়টি সম্পূর্ণই কাকতালীয়। এটি ওয়েব সিরিজের অভিনেত্রী তামান্নার গল্প নয়, তামান্না নামে অন্য আরেকজনের গল্প।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরায়েলে মুসলিম-ইহুদি সেলিব্রিটির বিয়ে নিয়ে তুমুল বিতর্ক

বিদেশের খবর: সম্প্রতি ইসরায়েলে হিব্রুভাষী আরব মুসলিম সংবাদ পাঠিকা লুসি আহারুশ এবং আরবিভাষী ইহুদি জাচি হালেভি বিয়ে করেছেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কে জড়িয়েছেন চরম ডানপন্থীরা। তারা মনে করছেন, এই আন্তঃধর্ম বিয়েতে গোটা ইসরায়েলই হুমকিতে পড়বে বলে।
জানা গেছে, ৩৭ বছর বয়সি আহারুশের জন্ম দক্ষিণ ইসরায়েলে। তার বাবা-মা মুসলিম। তিনিই ইসরায়েলি টেলিভিশনের ইতিহাসে প্রথম হিব্রুভাষী আরব উপস্থাপক। এদিকে, নেটফ্লিক্সে শো ‘ফাউদা’ তে সিক্রেট এজেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন জাচি হালেভি।চার বছর ধরে প্রেম করলেও এতদিন তারা সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেননি।
বিয়ের পর ইসরায়েলের হায়োম পত্রিকাকে মজা করে এই সেলিব্রিটি জুটি বলেন, আমরা একটা শান্তিচুক্তি সই করলাম।
কিন্তু আহারুশ-হালেভি বিষয়টিকে যতটা হালকাভাবেই নেন না কেন, ডানপন্থীরা এ নিয়ে সরব হয়েছেন।
ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ডানপন্থী পার্লামেন্টারিয়ান আরিয়ে দেরি বলেন, এমন বিয়ের ফলে ইহুদিদের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়ছে।
শাস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দেরি বলেন, এই বিয়ের ফলে বিশ্বজুড়ে ইহুদিদের যেভাবে অন্যরা গ্রাস করছে, তা খুবই পীড়াদায়ক।
তিনি বলেন, এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু একজন ইহুদি হিসেবে আমি এমন কাজের বিরুদ্ধে। তাদের বাচ্চারা বড় হবে, স্কুলে যাবে, পরে বিয়েও করতে চাইবে। তখন তাদের বিশাল সমস্যায় পড়তে হবে।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট, ডয়েচে ভেলে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক-৪৭

 

আসাদুজ্জামান ঃ নাশকতা এড়াতে সাতক্ষীরা জেলা ব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতা কর্মীসহ ৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ২ ও জামায়াত-শিবিরের ৪ জন নেতাকর্মী রয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পযর্ন্ত সাতক্ষীরা জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদকদ্রব্য। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে , সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৪ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা থেকে ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা থেকে ৬ জন, শ্যামনগর থানা থেকে ৪ জন, আশাশুনি থানা থেকে ৬ জন, দেবহাটা থানা থেকে ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত জানান, আটকদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপিকে নিয়ে ড. কামালের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ

দেশের খবর: অবশেষে অনেক জল্পনা-কল্পনা শেষে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টকে বাদ দিয়ে বিএনপিকে নিয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জোট ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন জোটের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যমকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমাদের আজকের ডাক হলো জাতীয় ঐক্যের ডাক। এ ডাক কোনো দলীয় স্বার্থে নয়, আমাদের এ ডাক জাতীয় স্বার্থে। এটি কোটি কোটি জনসাধারণের জন্য। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য।
ড. কামাল বলেন, আমরা প্রথমেই বি চৌধুরীর যুক্তফ্রন্ট, আমার গণফোরাম, মান্নার নাগরিক ঐক্য ও আ স ম রবের জেএসডিকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। দুটি নাম ছিল। একটি জাতীয় যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যফ্রন্ট। আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামেই আমাদের আন্দোলন প্রক্রিয়া শুরু করব।
ড. কামাল হোসেন ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপিস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডির সভাপতি আ স ম রব, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন এবং গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আরও কয়েকজন ঐক্যপ্রত্যাশী নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

আসাদুজ্জামান ঃ “কমাতে হলে সম্পদের ক্ষতি, বাড়াতে হবে দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস-২০১৮ পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয় হতে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারও একই স্থানে এসে শেষ হয়।
পরে, সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক এস,এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মিলনায়তনে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) দেওয়ান আকরামুল হক, সহকারী কমিশনার ও ডিআরআরও কর্মকর্তা আছফিয়া সিরাতসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শতাধিক কর্মকর্তাবৃন্দ।
আলোচনাসভা শেষে জেলা প্রশাসক চত্বরে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের অংশগ্রহনে জনসচেতনতার মূলক এক দুর্যোগ প্রশমনে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উদযাপনে সহযোগিতা করেন, সাতক্ষীরা পৌরসভা, সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন, আশ্রয় ফাউন্ডেশন, বরসা, চুপড়িয়া মহিলা সংস্থা, উত্তরন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশন, আশা, অগ্রগতি সংস্থা, সুশীলন, ব্র্যাক ও জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মধ্যে প্রীতি ম্যাচ হয় না’

খেলার খবর: সৌদি আরবে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল তাদের একটি করে প্রীতি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। আগামী মঙ্গলবার প্রতিবেশি দেশ দুটি আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচের আগে ইরাককে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর শুক্রবার রাতে ব্রাজিল ২-০ গোলে জিতেছে সৌদি আরবের বিপক্ষে।

ব্রাজিলে যেভাবে খেলছে তাতে তারা অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং মেসি-ডি মারিয়াবিহীন আর্জেন্টিনাকে আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। কারণ সৌদির বিপক্ষে সেরা ছন্দের ব্রাজিলে মানে ২-০ গোলের জয় এটা ভাবা কঠিন। ১৯৯৯ সালের কনফেডারেশন কাপেও ব্রাজিল ৮-২ গোলের জয় পেয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে। আর তাই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিততে হলে আরও ভালো ফুটবল খেলতে হবে ব্রাজিলের। সৌদির বিপক্ষে ব্রাজিলের ফলে দলটির কোচ তিতে মোটেও সন্তুষ্ট নন।

ম্যাচের পরেই তিনি তা বুজিয়ে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষের ম্যাচটির তিনি দেখছেন বড় লড়াই হিসেবে। তার মতে, এটা কোন প্রীতি ম্যাচ নয়। কারণ ব্রাজিলে আর আর্জেন্টিনার মুখোমুখি লড়াই কখনো প্রীতি ম্যাচ হতে পারে না। তিতে ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হওয়ার আগে যুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছেন।

আগামী বছর ব্রাজিল ঘরের মাঠে কোপা আমেরিকার আয়োজন করবে। ওই আসরের প্রস্তুতি তিতে সারছেন প্রীতি ম্যাচে। কিন্তু সৌদির বিপক্ষে ম্যাচ কোচের মন ভরাতে পারেনি, ‘আমরা এই জয়ে সন্তুষ্ট না। হতে পারে নেইমার সামনে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছে বলে আমরা ম্যাচটায় জিতেছি। এরপর আমাদের আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে হবে। ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার মধ্যে কখনো প্রীতি ম্যাচ হয় না। আমাদের সামনের ম্যাচে এর থেকে আরও ভালো করতে হবে।’

ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ সময়ে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের গোলে এবং শেষ বাঁশি বাজার আগে অ্যালেক্স সান্দ্রোর গোলে জয় পায়। বিশ্বকাপে কোন গোল না পাওয়া ব্রাজিলে স্ট্রাইকার বিশ্বকাপের পরে নিজের খেলা প্রথম ম্যাচেই গোল পেয়েছেন। এছাড়া ব্রাজিলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে গোল পেয়েছেন জুভেন্টাসের লেফট ব্যাক অ্যালেক্স সান্দ্রো। ব্রাজিলে দলে মার্সেলোর বদলী হিসেবে খেলেছেন তিনি। দলের জয়ে গোল না পেলেও দুই গোলই এসেছে নেইমারের পাস থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার মুখ খুললেন বিপাশা বসু

বিনোদনের খবর: বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু বলেছেন, পরিচালক সাজিদ খানকে নিয়ে যে নারীরা মুখ খুলেছেন, তাতে তিনি খুশি। তিনি বলেন, সিনেমার সেটে বিভিন্ন নারী ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে সাজিদের আচরণ তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

সম্প্রতি ‘হাউসফুল-৪’ ছবির পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে তিন নারী যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন। অভিনেত্রী সালোনি চোপড়া, সাংবাদিক কারিশমা উপাধ্যায় ও অভিনেত্রী র‍্যাচেল হোয়াইট সাজিদের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেন। এর জেরে সাজিদ খান ‘হাউসফুল-৪’ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

২০১৪ সালে ‘হামসকলস’ ছবিতে সাজিদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন বিপাশা। তাঁর দাবি, ‘নারীর প্রতি ওঁর আচরণ খুবই বিরক্তিকর। প্রকাশ্যে অশোভন মশকরা করতেন।’ যদিও তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেননি বলে জানিয়েছেন বিপাশা।

মাইক্রো-ব্লগিং সাইট টুইটারে বিপাশা বসু লেখেন, ‘আমার সত্যিই দারুণ লাগছে নারীদের এসব জঘন্য পুরুষদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখে। তবে আমার সঙ্গে এইসব কিছুই হয়নি। সেটে নারীদের প্রতি তাঁর আচরণ অত্যন্ত রূঢ়, যা আমাকে বিব্রত করত। তিনি নোংরা কৌতুক বলতেন সবার সামনেই এবং সব নারীর সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন।’
‘আমাকে সবাই বলেছিল তাঁকে কিছু না বলতে, তাই আমি নিজের কাজ একজন পেশাদারের মতোই তাড়াতাড়ি শেষ করে প্রযোজকদের জানিয়েছিলাম যে, এই ছবির সঙ্গে নিজেকে আর যুক্ত রাখতে পারব না, কারণ তাহলে যেকোনো সময় আমি হয়তো মেজাজ হারিয়ে ফেলব’, টুইটে লেখেন বিপাশা।
২০১৪ সালে ‘হামসকলস’ ছবির সময় বিপাশা ও সাজিদ খানের মধ্যে একটা তর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিপাশা বসু সে সময় ছবির প্রচারণা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিপাশা বসু ছাড়াও ওই ছবিতে সাইফ আলি খান, রিতেশ দেশমুখ, রাম কাপুর, ইশা গুপ্তা ও তামান্না ভাটিয়া অভিনয় করেছিলেন।
অন্য একটা টুইটে বিপাশা তনুশ্রী দত্তের প্রশংসা করেন, যিনি অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করে ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন শুরু করেছেন।
‘তনুশ্রী দত্তকে কুর্নিশ। তাঁর জন্যই আজ বহু নারী সেসব পুরুষদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পেয়েছে, যাঁরা নিজেদের ক্ষমতা ও খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে নারীদের সুযোগ নিয়েছে’, আরেকটি টুইটে লেখেন বিপাশা।
হ্যাশট্যাশ মি টু আন্দোলনের জেরে ‘হাউসফুল-৪’ ছবির শুটিং বাতিল করেছেন অক্ষয় কুমার। এ ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নানা পাটেকার ও সাজিদ খানও।
তবে পরিচালক সাজিদ খান বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় এবং আমার পরিবার, ‘হাউসফুল ৪’-এর প্রযোজক, ও তারকাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়ায় আমি নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছি। তবে সত্যিটা আমি প্রমাণ করব।” সূত্র : এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সমস্যা, সম্ভাবনা ও আমাদের করনীয়

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। বাংলাদেশের রাষ্ট্র নায়ক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের কঠিন সময়ে একটি শিক্ষিত জাতির স্বপ্নের কারিগর হিসেবে তিনি একসঙ্গে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরন করেন। তিনি জানতেন, শিক্ষা খাতে অর্থ ব্যয় একটি দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে উপযুক্ত বিনিয়োগ। বাংলার এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করে জনশক্তিতে পরিণত করতে বদ্ধ পরিকর ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর অনেক দিন বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা চোখে পড়েনি। ২১ বছর পর তার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে দৃষ্টিপাত করেন। মূলত তখন থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হতদরিদ্র চেহারা, ভগ্নদশা কাটিয়ে উঠতে শুরু করে। ২০১৩ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা আবার একসঙ্গে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। ২০১৪ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা ঘোষণা করেন। গত তিন বছরে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার চিত্র পর্যবেক্ষন করলে আমরা দেখতে পাই, প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ, যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করে বই উৎসব পালন, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, ঝখওচ বরাদ্দ থেকে দরিদ্র শিশুদের জন্য পোশাক, খাতা-কলমের ব্যবস্থা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মা সমাবেশ, হোম ভিজিট করে উপস্থিতি বৃদ্ধি, মানসম্মত পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা সহ বহুমখী কার্যক্রমের মাধ্যমে এ সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের রুপকার হিসেবে প্রমান দিয়েছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নি¤েœাক্ত কিছু বিষয়ে যথাযথ কর্তপক্ষ সদয় সৃষ্টি দিলে মানসম্মত শিক্ষানিশ্চিতকরণ আরো ত্বরান্বিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
১. প্রাথমিক শিক্ষার মুল সমস্যা হলো আমাদের দেশের অন্যান্য সরকারি চাকরি না পাওয়া ব্যর্থ মানুষদের বেশির ভাগ প্রাথমিক শিক্ষকতায় যোগদান করে হতাশা নিয়ে কাজ শুরু করেন। উন্নত কিছু হলে শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। সুতরাং তাদের পদমর্যাদা ওপরের দিকে হওয়া দরকার।
২. শিক্ষকরা মনোযোগ দিয়ে পাঠদান করবেন এটাই তার মূল কাজ। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষকদের অন্তত ৩০টি রেজিস্টার হালনাগাদ রাখা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, প্রায় বছর জুড়ে প্রশিক্ষণ, সমাপনী পরীক্ষা প্রস্তুতি অথবা বিদ্যালয় প্রতি একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দিয়ে শিক্ষকদের পাঠদানে আরো অধিক মনোযোগী করা দরকার।
৩. প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা/ কর্মচারীর যথেষ্ট লোকবল সংকট আছে। এছাড়া বিদ্যালয় পরিদর্শনের বাইরে তাদের তথ্য-উপাত্ত আদান প্রদান সহ এত বেশি দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় যে, গড়ে দুই-তিন মাসেও সব কটি বিদ্যালয় পরিদর্শিত হয় না। এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
৪. আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশ সরকারের সামার্থ সীমিত। প্রাথমিক শিক্ষা খাতে যা বরাদ্দ আসে তাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর চাহিদা মেটে না। সুতরাং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় ধনবান, প্রবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে।
৫. সর্বশেষ একটি বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই, তা হলো, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউশন বা কিছু শিক্ষকের মানসিকতা। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক শিক্ষকই আছেন যারা বিদ্যালয়ে সময় মত যাওয়া-আসা করেন না, পাঠ দানে মনোযোগী নন। গ্রামাঞ্চালে অনেক শিক্ষক রাজনীতি, ব্যবসা-বানিজ্য বা বিচার শালিসে জড়িত, যা শিক্ষকদের পেশার সাথে একেবারেই বেমানান। সুতরাং সম্মানিত শিক্ষকদের আরোবেশি আন্তরিক হওয়ার আহবান জানাই।
৫.হঠাৎ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে একটি শ্রেনীকক্ষে ঢুকে দেখেছি, চক-ডাস্টার, বই, পাঠ পরিকল্পনা উপকরণ ছাড়াই পাঠদান করতে শ্রেনী শিক্ষক শ্রেনীকক্ষে গিয়েছেন। ধরে নেওয়া যায়, তিনি কোন প্রকার প্রস্তুতি ছাড়াই শ্রেনীকক্ষে গিয়েছেন। পাঠ পরিকল্পনা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে গেলে তিনি পরিকল্পিত ভাবে ক্লাসটি নিতে পারতেন। শ্রেনী শিক্ষক বাংলাদেশের বিষয়ে পাঠদান কালে যদি বাংলাদেশের মানচিত্র শ্রেনীকক্ষে উপস্থাপন করেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে পাঠদান কালে যদি একজন বীরশ্রেষ্টের ছবি দেখান তাহলে পাঠটি যেমন আকর্ষনীয় হবে। ঠিক একই ভাবে শিক্ষার্থীর মনে তা অনেক দিন থাকবে।
৬.স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার যে সব কারন রয়েছে সেগুলো ছাড়াও দেখা যায়, ক) শিক্ষা নিয়ে অভিভাবকদের অসচেতনতা, খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরানন্দ শিক্ষা ব্যবস্থা, গ) শ্রেনীকক্ষে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার বিরক্তিকর একটানা সময়সূচি, ঘ) বছরের পুরো সময় একটি নির্দিষ্ট শ্রেনীকক্ষে ক্লাস করানোর ফলে পঠন-পাঠন কার্যক্রমে বৈচিত্রময় পরিবেশের সৃষ্টি না হওয়া, ঙ) দিনব্যাপী শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা না থাকা, চ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাতায়াত সমস্যা, ছ) বেশির ভাগ শিক্ষকের গতানুগতিক পদ্ধতিতে পাঠদান, জ) পরীক্ষামুখী শিক্ষা কার্যক্রম, ঝ) উপেক্ষিত সহপাঠ ক্রমিক কার্যাবলি, ঞ) স্কুল গুলোয় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকের অভাব, ট) অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুরত্ব, ঠ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী টেনে নিয়ে আসার জন্য বহু কোচিং সেন্টারের আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপনও নানামূখী প্রচেষ্টা, ড) গবেষনাহীন শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ইত্যাদি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। কাজেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখতে হলে এখানে যে সব দিকের উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো নিরসনে মনোযোগ দিতে হবে এখনই। এখন শুধু প্রয়োজন শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির আন্তরিকতা। যদি শিক্ষকগণ যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন, পাঠ পরিকল্পনা ও উপকরন নিয়ে শ্রেনীকক্ষে যান এবং আকর্ষনীয় ভাবে পাঠদান করেন তাহলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া অনেক কমে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। পরিশেষে বলতে চাই, জাতীয় উন্নয়নে সবচেয়ে অপরিহার্য স্তম্ভ হলো প্রাথমিক শিক্ষা। একটা ভালো বীজ থেকে যেমন একটা গাছ মহীরুহ হয়ে ওঠে, তেমনি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা জাতির ভবিষ্যৎ গঠন ও উন্নয়নের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয়। কারন প্রাথমিক শিক্ষাই চলমান মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থার বীজ। সুতরাং আসুন শিক্ষিত জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সবাই যে যার জায়গা থেকে নি:স্বার্থ সেবাদান করে ইতিহাসের অংশ হই।

লেখক: শেখ ফারুক হোসেন রতন, চেয়ারম্যান সখিপুর ইউপি ও সাংগঠনিক সম্পাদক, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest