সর্বশেষ সংবাদ-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নেপালে তুষার ঝড়ে ৮ পর্বতারোহীর প্রাণহানি

বিদেশের খবর: নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের মাউন্ট গুর্জা পর্বতে তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে পাঁচ পর্বতারোহী-সহ ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুক্রবার তুষার ঝড়ে মাউন্ট গুর্জার বেস ক্যাম্পে ধসে পড়লে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
শনিবার নেপাল পুলিশ বলছে, শুক্রবার তুষার ঝড়ে বেস ক্যাম্প ধসে পড়ায় দক্ষিণ কোরীয় পাঁচ পর্বতারোহী ও নেপালের তিনজন গাইড চাপা পড়েন। ধ্বংসস্তুপের নিচে আটজনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে বলে ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তারা বলেছেন, মাউন্ট গুর্জায় ধসে পড়া অংশে হেলিকপ্টারের সহায়তায় উদ্ধার কাজের চেষ্টা চলছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। পর্বতারোহী দলের ৯ নম্বর সদস্যকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি তুষার ঝড়ে চাপা পড়ে মারা গেছেন বলে শঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপাল পুলিশের মুখপাত্র শৈলেশ থাপা বিবিসিকে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার পাঁচ পর্বতারোহী মারা গেছেন। তিন নেপালি গাইডও মারা গেছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অক্সিজেন ছাড়াই দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ায় আরোহনকারী দক্ষিণ কোরিয়ার পর্বতারোহী কিম চ্যাং-হো নিহতদের মধ্যে রয়েছেন।
নেপালের মায়াগদি জেলা কর্মকর্তা লীলাধর অধিকারী বলেন, বেস ক্যাম্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। উদ্ধারকারী একটি দল পর্বতারোহীদের মরদেহ ক্যাম্পে বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে থাকতে দেখেছে। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখে দ্বিতীয় আরেকটি উদ্ধারকারী দল সেখানে পাঠানো হবে।
সূত্র : বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির শ্রীউলায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং

 

আশাশুনি ব্যুরো : “অল্প সময়ে সল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে, চলো যাই গ্রাম আদালতে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পোষ্টার ও প্লাকার্ডে সজ্জিত ভ্যানে গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের অধীনে, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও ইউএনডিপির অর্থায়নে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করন ২য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নকারী সহযোগী সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে শনিবার সকাল ১০টায় এ মাইকিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়। গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী গোলাম মাওলার নেতৃত্বে এবং গ্রাম আদালত সহকারী অজয় মন্ডলের সার্বিক সহযোগিতায় ইউনিয়ন ব্যাপী মাইকিং যোগে গ্রাম আদালতের বিচারিক সেবা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা চালান। উল্লেখ্য, গ্রাম আদালতে পঁচাত্তর হাজার টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারী বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। এক্ষেত্রে ফৌজদারী মামলার জন্য মাত্র ১০ টাকা ফিস এবং দেওয়ানী মামলার জন্য মাত্র ২০ টাকা ফিস দিতে হয়। এছাড়া আর আর কোন খরচ নেই। গ্রাম আদালতে কোন উকিলের দরকার হয় না। আবেদনকারী কর্তৃক মনোনীত ২ জন প্রতিনিধি (একজন ইউপি সদস্য ও একজন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি) একই ভাবে বাদীও ২ জন প্রতিনিধি মনোনয়ন করবে, এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানই হবেন গ্রাম আদালতের বিচারক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত

জি.এম আবুল হোসাইন : “গড়তে শিশুর ভবিষ্যৎ, স্কুল হবে নিরাপদ” প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা, কুশখালী, বৈকারী, ভোমরা ও ফিংড়ী ইউনিয়নে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০১৮ পালন করা হয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর সপ্তাহব্যাপী বেসরকারি সংস্থা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র সহযোগীতায় এসকল ইউনিয়নে অনিরাপদ স্থানান্তর প্রতিরোধে বিশেষ জারিগান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

ভোমরা ইউনিয়নের বর্ডার গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, শাখরা বাজার ও শ্রীরামপুর বাজার, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের রাজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, ছয়ঘরিয়া ভোবার বটতলা, আখড়াখোলা বাজার, ফিংড়ী ইউনিয়নের এল্লারচর, ফিংড়ী ও ব্যাংদহা বাজার, কুশখালী ইউনিয়নের আড়ুয়াখালী, বাউখোলা, ছয়ঘরিয়া-চৌকিঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং বৈকারী ইউনিয়নের
বলদঘাটা, কাথন্ডা কয়ারপাড়া এবং বৈকারী মাঝেরপাড়া নবজীবন স্কুল প্রাঙ্গণে অনিরাপদ স্থানান্তর প্রতিরোধে সচেতনতামূলক জারিগান পরিবেশন করেন, সাতক্ষীরার প্রগতি নাট্যদলের পরিচালক একোব্বর হোসেন।

এছাড়া “গুড কজ ক্যাম্পেইন” প্রকল্পের আওতায় অনিরাপদ স্থানান্তর প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদে নিবন্ধন করা সহ শিশুর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতিটি ইউনিয়নের ২দিনব্যাপী মাইকিং করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯০ দিনে দান বাক্সে পড়ল ১০ বস্তা টাকা

অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান বাক্সে এবার পাওয়া গেছে ১০ বস্তা টাকা। সেই সঙ্গে পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা।
শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পাগলা মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স তিন মাস পর খোলা হয়েছে। প্রথমে দান বাক্স থেকে টাকাগুলো বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় টাকা গণনা। প্রতিবারই এসব দান বাক্সে পাওয়া যায় প্রায় কোটি টাকা। এবার কোটি টাকার ওপরে টাকা পাওয়া যাবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ অবস্থিত। এই মসজিদে ইবাদত-বন্দেগি করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস অনেকের।
পাশাপাশি রোগ-শোক, বিপদে-আপদে এই মসজিদে মানত করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয়- এমন বিশ্বাস থেকে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন।
সকালে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান, সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদসহ আরও ছয়জন ম্যাজিস্ট্রেট ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স খোলা হয়। পরে ১০টি বস্তায় টাকা ভর্তি করা হয়। পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করা হয়।
পরে টাকা গণনার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ। টাকা গণনায় সহযোগিতা করছেন মসজিদ কমপ্লেক্স মাদরাসার ছাত্ররা। টাকা গণনা শেষ হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ বলেন, তিন মাস পর শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স খোলা হয়। এর মধ্যে ১০ বস্তা টাকা রয়েছে। স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করা হয়েছে। সন্ধ্যা নাগাদ টাকা গণনার কাজ শেষ হবে। সন্ধ্যায় নিরাপত্তা প্রহরীসহ টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে পাঠানো হবে।
মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত ৭ জুলাই মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স খোলা হয়েছিল। তখন মাত্র দুই মাসে ৮৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এর আগের বার তিন মাসে এক কোটিরও বেশি টাকা পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে পাগলা মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মসজিদের আয় থেকে জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদানসহ বিভিন্ন সেবামূলক খাতে সাহায্য দেয়া হয়। বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র মানুষকে চিকিৎসার জন্য মসজিদের তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিতর্ক উৎসবের আয়োজন করলো এমএমডিএফ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১২অক্টোবর ২০১৮ মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনের আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে মহা-সমারোহে উদ্যাপিত হয়েছে ‘বিতর্ক উৎসব-২০১৮’। ‘যুক্তির আলিঙ্গনে মুক্ত করি অজ্ঞতার জট’-শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় এ উৎসবটি। উৎসবে বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আত্মপ্রত্যায়ী হয়ে যুক্তিতে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি ফিরেছে সাতক্ষীরা জেলার প্রায় ৩০ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক নবীণ বিতার্কিকরা। শুক্রবার সকাল ৯.০০ জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় উৎসবের। যুক্তিতর্কের মহা মিলনমেলা এ উৎসবটি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়।
উদ্বোধনী পর্বে মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনের চেয়ারম্যান জহির ইকবাল নান্নুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ। এ পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনের সভাপতি বায়জিদ মাহামুদ অভি ও কো-চেয়ারম্যান সুমন হোসেন জিনো।
অতিথিদের বক্তব্য’র পরই শুরু হয় আঞ্চলিক বিতর্ক। এ বিতর্কে খুলনা,বরিশাল, নোয়াখালী, ঢাকা, রাজশাহী সহ বিভিন্ন জেলার বিতার্কিকগণ তাঁদের আঞ্চলিক ভাষায় চমৎকারভাবে নিজের জেলাকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণে যুক্তি উত্থাপন করে। এরপর শুরু হয় সনাতনী বিতর্কের কর্মশালা ও শো-ডিবেট। ‘শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের চেয়ে সামাজিক সচেতনতাই বেশি জরুরী’ বিতর্কের মঞ্চে উত্থাপিত এ বিষয়টির পক্ষ ও বিপক্ষ দলের মধ্য চলে যুক্তিখ-ন। অনুষ্ঠান শেষে আবহমান বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরে একটি ফ্যাশন শো প্রদর্শন ও বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করার মধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। উৎসবটি সঞ্চালন করেন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনের কো-চেয়ারম্যান সানজিদা ইয়াসমিন অপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে জুয়েল সভাপতি ॥ সম্পাদক আনারুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষকলীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকার ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক সামছুজ্জামান জুয়েলের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র,সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন,সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জিপি জামিনী কান্ত সরকার, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি এড. নর নারায়ন ঘোষ, জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম আহবায়ক কাজী মারুফ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, পৌর কৃষকলীগের সদস্য সচিব শাহ্ মোঃ আনারুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে সামছুজ্জামান জুয়েল কে সভাপতি, শাহ মোঃ আনারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা পৌর কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। গ্রামের কৃষকদের নিয়েই এ কৃষকলীগ। কৃষকলীগ বঙ্গবন্ধুর প্রাণের সংগঠন ছিলো। এই কৃষকলীগ ঐক্যবদ্ধ হলে সাতক্ষীরায় আবারো নৌকার গণজোয়ার ঘটবে। ১৯৭০ সালে সংসদ নির্বাচন হয়েছিলো। এবারো একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে। এ নির্বাচন হবে খুব কঠিন নির্বাচন। এবারের ব্যালট যুদ্ধে নৌকায় প্রতীককে জয়ী করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘#মি টু’ ঝড়ের কবলে অমিতাভ আর সালমান!

বিনোদনের খবর: ‘#মি টু’ ঝড় প্রবলভাবে আছড়ে পড়েছে বলিউডের বুকে। এত দিন পরিচালক, প্রযোজক, গায়ক ও অভিনেতারা এই ঝড়ের কবলে পড়েছিলেন। এবার বলিউডের রথী-মহারথীরা আক্রান্ত ‘#মি টু’ ঝড়ে। ‘#মি টু’ আন্দোলনে এবার এমন সব তারকার নাম উঠে এসেছে, যা শুনলে সত্যি হজম করতে অসুবিধা হবে। সাধারণ মানুষ এই সুপারস্টারদের নিয়ে ফ্যান্টাসির দুনিয়ায় বসবাস করেন। আজ তাঁদের জীবনের কালো কিছু অতীত প্রকাশ্যে এসে গেছে ‘#মি টু’র সৌজন্যে। এই আন্দোলন এবার মুখোশ খুলে দিয়েছে অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, ভূষণ কুমার, শত্রুঘ্ন সিনহাদের।

সালমান খান আর তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী ও ‘বিগ বস’-এর সাবেক প্রতিযোগী পূজা মিশ্র। এর পাশাপাশি আরবাজ খান, শত্রুঘ্ন সিনহার ওপর ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। এই অভিনেত্রীর আরও অভিযোগ, তাঁর বাবাকে পর্যন্ত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পূজা মিশ্র বলেছেন, ‘সুলতান’ ছবির কাজের সময় এই দুই পরিবার (সালমান ও শত্রুঘ্ন) আমাকে যৌন হেনস্তা করেছে।’ এই অভিনেত্রী তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ–সংক্রান্ত ভিডিও পোস্ট করেছেন। এর আগেও পূজা সালমান সম্পর্কে অনেক কথা বলেছেন।

‘#মি টু’ নিয়ে এত দিন নিজের মুখ বন্ধ রেখেছিলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। এমনকি ‘থাগস অব হিন্দোস্থান’ ছবির ট্রেলার লঞ্চের সময় ‘বিগ বি’ এ প্রসঙ্গ খুব সুন্দরভাবে এড়িয়ে গেছেন। তা নিয়ে তনুশ্রী দত্ত কটাক্ষ করেছিলেন তাঁকে। সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে এক সাক্ষাৎকারে ‘#মি টু’ নিয়ে প্রথম মুখ খোলেন তিনি। বলিউডের এই বরেণ্য অভিনেতা বলেন, ‘কোনো নারীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অধিকার কারও নেই। কর্মক্ষেত্রে এসব ঘটনা ঘটা একদম ঠিক নয়। এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে আওয়াজ তুলে আইনের সাহায্য নিয়ে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া উচিত। আত্মসম্মান, মর্যাদা ও সামাজিকতার পাঠ শিশুদের পাঠ্যপুস্তকে রাখা প্রয়োজন।’

সাক্ষাৎকারটি অমিতাভ বচ্চন তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন। একজন টুইটার ব্যবহারকারী তাঁর এই পোস্টকে টুইট করেন। আর এই ব্যবহারকারী টুইট করে লিখেছেন, ‘অমিতাভ বচ্চন “#মি টু”কে সমর্থন করেছেন।’ তাঁর এই টুইটকে রিটুইট করেন তারকাদের হেয়ার স্টাইলিশ এবং ‘বিগ বস’-এর সাবেক প্রতিযোগী স্বপ্না ভাবনানী। স্বপ্না বলেন, ‘এটা সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা। স্যার, “পিঙ্ক” ছবিতে এসেছেন এবং গেছেন। এবার আপনার প্রতিবাদী ইমেজ বদলে যাবে। আপনার সত্যি শিগগিরই সবার সামনে চলে আসবে। মনে হচ্ছে, এরপর শুধু নখ খাওয়া আপনার জন্য যথেষ্ট হবে না, আপনি নিজের পুরো হাতই চিবিয়ে খাবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে যৌন উৎপীড়নের নানা ঘটনা শুনেছি। আশা করছি, এবার এই নির্যাতিত নারীরা প্রকাশ্যে আসবেন।’ স্বপ্নার এই টুইটের জবাবে অমিতাভ বচ্চনের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো সামনে আসেনি।

বলিউডের নামী প্রযোজক এবং টি সিরিজ কোম্পানির মালিক ভূষণ কুমারের নামও জড়িয়ে পড়ল ‘#মি টু’ অভিযানে। এক অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ভূষণ কুমার তাঁকে তিনটি ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আর এর পরিবর্তে এ প্রযোজক তাঁর সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে চেয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রয়াত গুলশান কুমারের ছেলে ভূষণ কুমার বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

বলিউডে ‘#মিটু’ আন্দোলন প্রথম শুরু করেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক ভারত সুন্দরী তনুশ্রী দত্ত। তিনি বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। এরপর একের পর এক মুখোশ খসে পড়েছে এই অভিযানে। অভিনেতা অলোক নাথ, পরিচালক সাজিদ খান, সুভাষ ঘাই, গায়ক কৈলাশ খের, আনু মালিক, অভিজিৎ ভট্টাচার্য, লেখক চেতন ভগতসহ আরও অনেকের নাম উঠে এসেছে এই আন্দোলনের হাত ধরে। সাজিদ খানের বিরুদ্ধে একাধিক যৌন হেনস্তার অভিযোগের পর অক্ষয় কুমার ‘হাউসফুল ফোর’ ছবির শুটিং বন্ধ রেখেছেন। এমনকি সাজিদের দিদি কোরিওগ্রাফার ফারহা খানও তাঁর পাশে নেই বলে জানিয়েছেন। বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসুও সাজিদকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। এখন দেখা যাক ‘#মি টু’ ঝড়ে আর কত মুখোশ খসে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কৃষি ব্যাংক সাতক্ষীরা অঞ্চলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী  কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা

 

কৃষি ব্যাংক সাতক্ষীরা অঞ্চলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা গতকাল বেলা ১০টায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। শেখ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা মূখ্য অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন,কৃষি ব্যাংক খুলনার অবসরপ্রাপ্ত এজিএম মোঃ আব্দুল মান্নান বিশ্বাস, জাকির হোসেন মল্লিক, লুৎফুল কবির, এম ফরিদ উদ্দীন, শহীদুর রহমান, জালাল উদ্দীন আহমেদ প্রমুখ।
সভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্ভুদ সমস্যা নিয়ে আলোচনাসহ একটি ৭ সদস্যের জেলা নির্বাহী কমিটি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭সদস্য বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সমিতি গঠিত হয়। এই কমিটিতে সভাপতি শেখ জাকারিয়া, সাধারণ সম্পাদক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেন ও ৪ জন নির্বাহী সদস্য হলেন, ভবসিন্ধু মন্ডল, মোঃ আব্দুস শহীদ, আব্দুল গণি ও এম এম নজরুল ইসলাম। এসভায় প্রায় ৯০জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপি এ অনুষ্ঠানে যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ইতোমধ্যে মারা গেছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও যারা অসুস্থ্য তাদের রোগমুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নব গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ সিদ্দিকুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest