সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহি গুড় পুকুরের মেলা শুরু হচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাতক্ষীরার তিন শ বছরের ঐতিহ্যবাহি গুড় পুকুরের মেলা শুরু হচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি মুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক তরফদার মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফ্ফারা তাসনিন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, এনডিসি দেওয়ান আকরামুল হক, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, শেখ শফিক-উদ দ্দৌলা সাগর, কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, পৌর সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস। সভায় আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মেলা উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রতিদিন সকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মাস ব্যাপী মেলা চলবে। খুলনা রোড মোড় হতে ইটাগাছা পর্যন্ত বিভিন্ন নার্সারীর দোকান বসবে। পলাশপোল স্কুলের আশেপাশে বেত ও বাশের তৈরী সামগ্রী বিক্রয় হবে। শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মনোহরী সহ বিভিন্ন প্রকারের দোকান বসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ ২ব্যক্তি আটক

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলারোয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৫ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ব্যক্তিকে আটক করেছে। মঙ্গলবার সকালে থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদ জানান-সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ সোনাবাড়ীয়া থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার সহ উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের সাবর আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম(২৫) ও একই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে কামরুল সরদার(২৭)কে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা ২৫ বোতল ফেনসিডিল নিয়ে দক্ষিণ সোনাবাড়ীয়া গ্রামের খালিদের মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলো। এসময় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-১৩(০৯)১৮ দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পাইপগান, বোমা ও ছোরা উদ্ধার

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেশি পাইপগান, ককটেল বোমা ও ছোরা উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার সকালে থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদ জানান-সোমবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তার নির্দশনায় থানার এসআই নাজিমউদ্দিন, এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, বিপ্লব রায়, রইচউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলা কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালীয়া গ্রাম থেকে এসব দেশীয় অস্ত্র মোবা ও পাইপগান উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত মালের মধ্যে রয়েছে-দেশিও একটি পাইপ গান, দুইটি ছোরা ও দুইটি ককটেল বোমা। এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বোলায়ীয়া গ্রামের মৃত মোজাম্মেল গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম মনি ওরফে চামড়া মনি (৩৫) ও তার ভাই মফিজুল ইসলাম (৩০) কে আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-১২(০৯)১৮ দায়ের হয়েছে। তবে এঘটনায় কেউ আটক হয়নী। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যহাত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দরগাহপুর স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্ণামেন্টে বুধহাটা-আনুলিয়া ড্র

আশাশুনি ব্যুরো ঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট (অনুর্ধ-১৭) ২০১৮ এর সোমবারের খেলায় বুধহাটা ইউনিয়র পরিষদ দল ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ দল ১-১ গোলে ড্র করেছে। দরগাহপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠিত খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। মুহুর্মুহু আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের মধ্যদিয়ে পুরা সময় খেলা অনুষ্ঠিত হলেও প্রথমার্থে আনুলিয়া দলের মুরাদ প্রথম গোলের মুখ দেখে। এরপর থেকে খেলার শেষ সময়ের কয়েক মিনিট আগে বুধহাটা দলের আব্দুল্লাহ ড্র সূচক গোলেটি করে বুধহাটা ইউনিয়নবাসীর মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। খেলা পরিচালনা করেন ফিফা রেফারী নাসির উদ্দিন। সহকারী রেফারী ছিলেন বাবলুর রহমান, অরুন কুমার ও ইমরান। মঞ্চে বসে খেলা উপভোগকারী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শামিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী স ম সেলিম রেজা সেলিম, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আবম মোছাদ্দেক, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলি, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, এসকে হাসান, গোলাম মোস্তফা, হাসান ইকবাল মামুন, সোহরাব হোসেন, দরগাহপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ হিজবুল্লাহ, সেক্রেটারী রবিউল ইসলাম, দক্ষিণ বাংলা অন-লাইন পত্রিকার সম্পাদক প্রভাষক শেখ আশিকুর রহমান, সাংবাদিক শেখ রুবেল হোসেন এবং খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কুমার রাহা ও ইউপি সদস্যবৃন্দ। ধারাভাষ্যে ছিলেন জি এম সুরোত আলি বক্স, শাহ আলম বাচ্চু ও আশরাফ উদ্দিন। বুধবার বিকালে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে বেইকিং সোডা

অনলাইন ডেস্ক: ত্বক সুন্দর রাখার পাশাপাশি উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।
রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে বেইকিং সোডা ব্যবহারের পাঁচটি পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।
ত্বকের রং হালকা করতে: খুব সহজেই বেইকিং সোডা দিয়ে ত্বকের রং হালকা করতে পারেন। এক টেবিল-চামচ লেবুর রস ও এক টেবিল-চামচ নারিকেল তেলে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডা মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট মালিশ করুন। লেবুর রসের ভিটামিন সি ত্বক প্রাকৃতিকভাবে করে উজ্জ্বল। আর বেইকিং সোডা দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করবে।

ব্রণ কমাতে: বেইকিং সোডায় আছে প্রদাহরোধী উপাদান। ব্রণের সমস্যা থাকলে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডা ও সামান্য পানি মিশিয়ে ব্রণের উপরে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে এটা ব্রণের প্রতিকারক হিসেবে কাজ না করে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে।

ত্বকের ভারসাম্যহীনতা থেকে রক্ষা: গোলাপ জল ত্বকের পিএইচ’য়ের ভারসাম্য রক্ষা করার পাশাপাশি লালচেভাব দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের ভারসাম্য রক্ষা করতে এই দুয়ের সংমিশ্রণের তুলনা নেই।

সমপরিমাণ বেইকিং সোডা ও গোলাপ জল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগান। শুকিয়ে আসলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

ব্ল্যাকহেডস দূর করতে: বেইকিং সোডা খুব ভালো এক্সফলিয়েটর। এটা ব্ল্যাকহেডস দূর করতেও সাহায্য করে।

সামান্য টুথপেস্টের সঙ্গে বেইকিং সোডা মিশিয়ে তা নাক বা অন্যান্য ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানের উপর লাগান এবং কয়েক মিনিট ঘষুন। এতে দৃশ্যমান সকল ব্ল্যাকহেডস দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা: অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং বয়সের ছাপ কমায়। ত্বক ভালো রাখতে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডার সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ ভিনিগার মিশিয়ে মুখের নির্জীব অংশে লাগান। আলতোভাবে মালিশ করুন, শুকিয়ে আসলে ধুয়ে নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্র ৪০ হাজার ১৯৯টি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজার ১৯৯টি ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশনের মাঠ প্রশাসন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় তাদের চূড়ান্ত ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের তালিকা পাঠিয়েছে ইসিতে। তবে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো এ সব ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যাও শেষ মুহূর্তে এসে পরিবর্তন হতে পারে। তাদের পাঠানো তালিকা যাচাই-বাছাই করে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে কমিশন।

তালিকা অনুযায়ী মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজার ১৯৯টি এবং ভোট কক্ষ ২ লাখ ৬ হাজার ৫৪০টি। এর আগে একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৫ আগস্ট সারা দেশে ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকা অনুযায়ী ভোট কেন্দ্র ছিল ৪০ হাজার ৬৫৭টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৪১৬টি। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল ১৯ আগস্ট ; নিষ্পত্তির শেষ হয় গত ৩০ আগস্ট। দাবি আপত্তি-নিষ্পত্তির পর গত ৬ সেপ্টেম্বর সারাদেশে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

খসড়া তালিকার সঙ্গে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো চূড়ান্ত তালিকার তুলনা করলে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে ৪৫৮টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে ৮৭৬টি। আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যা সমন্বয় করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের ২৫ দিন আগে গেজেট আকারে ভোট কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করব। ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর, কোনো ভোট কেন্দ্র কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে অথবা প্রভাব বলয়ের মধ্যে পড়েছে বলে কোনো প্রার্থীর কাছে প্রতীয়মান হলে তিনি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা তদন্ত করে অভিযোগের যথার্থতা নিশ্চিত করে প্রতিবেদন দাখিল করলে নির্বাচন কমিশন তা পরিবর্তন করে দিতে পারে। ইসির তালিকা অনুযায়ী, ১০টি অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যেকটিতেই ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে। দশম জাতীয় নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৭০৭টি, ২ হাজার ৪৯২টি ভোট কেন্দ্র বেড়ে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ১৯৯টি।

রংপুর অঞ্চলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৪ হাজার ৩৩৫টি, একাদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৯২; রাজশাহী অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৮১৫, একাদশে তা ৫ হাজার ১১১; খুলনা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৫৮২টি, একাদশে তা ৪ হাজার ৮৩৪; বরিশাল অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৩৪২, একাদশে তা ২ হাজার ৬৭৬; ময়মনসিংহ অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৪৯৭, একাদশে তা ৪ হাজার ৭৫৯; ঢাকা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৫ হাজার ৭৪৯, একাদশে তা ৬ হাজার ১৫; ফরিদপুর অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১ হাজার ৯১৭, একাদশে তা ২ হাজার ৭৪; সিলেট অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৬২৪, একাদশে তা ২ হাজার ৮০২; কুমিল্লা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৩ হাজার ৯৯৫, একাদশে তা ৪ হাজার ৩৫৪ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৮৫১, একাদশ নির্বাচনে হয়েছে তা ২ হাজার ৯৮২টি ভোট কেন্দ্র।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১৭ হাজার ৪৬২টি ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫৪০টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোট কক্ষের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮৫৯টি এবং নারী ভোট কক্ষ ১ লাখ ৮ হাজার ৬৮১টি।
তালিকা অনুযায়ী, রংপুর অঞ্চলে দশম জাতীয় নির্বাচনে ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৫১০টি, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৯৩৩টি; রাজশাহী অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৫ হাজার ২১০টি, একাদশে তা ২৭ হাজার ৭৩৭টি; খুলনা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৩ হাজার ৩৮৭টি, একাদশে তা ২৪ হাজার ২০২টি; বরিশাল অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১১ হাজার ৭৪০টি, একাদশে তা ১৩ হাজার ৪৪৫টি; ময়মনসিংহ অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৩ হাজার ৩০৯টি, একাদশে তা ২৫ হাজার ১৫৪টি; ঢাকা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৭ হাজার ৯০৬টি, একাদশে তা ৩০ হাজার ৭০৭টি; ফরিদপুর অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৮ হাজার ৭৮৭টি, একাদশে তা ৯ হাজার ৭৩৩টি; সিলেট অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১১ হাজার ৫৭১টি, একাদশে তা ১৩ হাজার ৫৯৬টি; কুমিল্লা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২১ হাজার ১২০টি, একাদশে তা ২৩ হাজার ৩১২টি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১৪ হাজার ৫৩৮টি, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭২১টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সংসদ অধিবেশন স্থগিত

দেশের খবর: বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার শুধু প্রশ্নোত্তরপর্ব শেষ করে অধিবেশন স্থগিত করেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া।
আগামীকাল বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ অধিবেশন মুলতবি করা হয়।
জানা যায়, হঠাৎ করেই মঙ্গলবার বিকালে সংসদ ভবন এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। এ সময় সংসদ ভবনের অধিকাংশ ব্লক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে।
এরপর বিকাল ৫টায় সংসদ অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে তা শুরু হয় ১০ মিনিট পর।
মাগরিবের নামাজের আগে সন্ধ্যায় প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হলে তখন সভাপতিত্বকারী ডেপুটি স্পিকার দিনের অন্যান্য কার্যসূচি স্থগিত করেন।
এ বিষয়ে পরে সাংবাদিকদের ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সমস্যার কারণে সংসদে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। এটা ডিজাস্টার। এই কারণে অধিবেশন মুলতবি করা হয়।
উল্লেখ্য, দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন গত রোববার বিকাল থেকে শুরু হয়। নিয়ম রক্ষার স্বল্পকালীন এই অধিবেশন চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অক্টোবরে আরেকটি অধিবেশন বসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উচ্চ শিক্ষার মান বাড়াতে আরো উদ্যোগী হতে হবে : রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ উচ্চ শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ইউজিসিকে শিক্ষার মান নির্ধারণ, তদারকিসহ বিশ্ববিদ্যালগুলোতে জবাবদিহি বাড়াতে আরো উদ্যোগী হতে বলেছেন।
রাষ্ট্রপতি আজ বিকেলে নগরীর একটি হোটেলে নবম ইউজিসি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণকালে বলেন, উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে আরো উদ্যোগী হতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ উচ্চ শিক্ষার প্রত্যেক স্তরে মূল্যায়ন ও তদারকি এবং এক্ষেত্রে ইউজিসি কর্তৃপক্ষের জোরালো ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে কয়েকটি পৃথক বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কর্তৃপক্ষকে তাঁর দেয়া নিদের্শনার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে ইউজিসি এসব নিদের্শনা ও সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয় প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে মনিটর করবে।
তিনি ইউজিসি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পর কেউ যেন শিক্ষিত ও অভিজাত বেকারে পরিণত না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান ৩৯ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বাংলাদেশের স্থান বিশ্বে চতুর্থ। সময়োপযোগী শিক্ষানীতি ও এর সফল বাস্তবায়নের সুবাদে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি দেশে উচ্চ শিক্ষার বিস্তারে বেসরকারি খাতের অবদানের প্রশংসা করার পাশাপাশি একথাও বলেন যে, শিক্ষার নামে বাণিজ্য কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুষ্ঠু পরিবেশ, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুণগত শিক্ষা প্রদান ব্যহত হচ্ছে।
তিনি মানসম্পন্ন শিক্ষা ও উন্নত গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটি হচ্ছে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি। শিক্ষক ও গবেষকগণ বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে মানসম্পন্ন শিক্ষাদান ও উন্নয়নে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে একথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতি আশা করে আপনারা (শিক্ষক ও গবেষক) মেধার জগতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবেন।
তিনি শিক্ষার পাশাপাশি সমসাময়িক জ্ঞান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতি গঠনে অবদান রাখার জন্যও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিভিন্ন গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ইউজিসি পুরস্কার (স্বর্ণপদক) প্রাপ্ত ৩৫ ব্যক্তিকেও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ইউজিসি’র এই পুরস্কার নিঃসন্দেহে শিক্ষক ও তরুণ গবেষকদের তাদের গবেষণা কাজে প্রেরণা যোগাবে।
শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক অর্পিতা শামস মিজান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজ বেগম অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest