সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

‘ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কাছে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না’

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার মতো কোনো শক্তি দেশে নেই।
তিনি বলেন, ‘হাটু ভাঙ্গা দল বিএনপির সঙ্গে জোট করেছে কোমর ভাঙ্গা দলের বুড়ো নেতারা। এই ঐক্য দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। তারা ডাক দিলে জনগণ আসবে না।’
কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে ৭০ দল ঐক্য করলেও বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
ওবায়দুল কাদের আজ বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে দলের জনসংযোগ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ এ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেক দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র হবে। তবে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কাছে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না।
তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন। বিএনপি ৭ দফা দাবি করেছে। তাদের এ ধরনের দাবি মামা বাড়ীর আবদার। তাদের ৭ দফা দাবি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের দাবি। তারা নিজেরাও জানে এ ধরনের দাবি কেউ মানবে না।
বিএনপির আন্দোলনের বিষয়ে কাদের বলেন, গত দশ বছরে দশ মিনিটও বিএনপির আন্দোলন দেখেন নি। আর আগামী এক মাসেও কোন আন্দোলন হবে না। কারণ মরাগাঙ্গে আর কখনো জোয়ার আসবে না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অসুস্থ রাজনীতির কারণে কর্মীদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘শ্লোগান- পাল্টা শ্লোগান দিয়ে নমিনেশন পাওয়া যাবে না, রং বেরঙ্গের পোস্টার নমিনেশন দেবে না। যারা জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করে না, চাঁদাবাজী করে, অপকর্ম করে তাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না। ভালো হয়ে যান, কেউ অপকর্ম করবেন না, কেউ চাঁদাবাজী করবেন না। আওয়ামী লীগে দখলদার চাঁদাবাজদের জায়গা নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছে আমার দাবি একটাই, প্রার্থী যে কয়েকজনই হোক, নমিনেশন পাবে একজন। বাকিরা যদি ভেতরে ভেতরে বিরোধিতা করে তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে না। প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবারই আছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা কর্মীদের মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি করে। এই শত্রুতা সৃষ্টি করবেন না।’

পরে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন সম্পর্কে জানাতে এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনকে বিএনপি জামায়াতের সম্ভাব্য নাশকতা সম্পর্কে সতর্ক করতে তৈরি লিফলেট বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলোকিত নারী সম্মাননা পেলেন পপি

বিনোদনের খবর: প্রথমবারের মতো দেশীয় চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘আলোকিত নারী সম্মাননা’য় ভূষিত হলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি।
১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে পপির হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, এমপি।
এ সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘এবারই প্রথম চলচ্চিত্র অভিনয়ের জন্য আলোকিত নারী সম্মাননা পেলাম। এ সম্মাননা আমার জীবনের অন্য সম্মাননা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আমাকে সম্মানিত করার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের সব সফল নারীর সম্মানিত করা হল। তাই আমার এ সম্মাননা সব সফল নারীকে আমি উৎসর্গ করলাম’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের যাচাই পরীক্ষায় ৮ হাজার রোহিঙ্গা ‘উত্তীর্ণ’

অনলাইন ডেস্ক: প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ৮ হাজার রোহিঙ্গার প্রথম তালিকা যাচাই করে তাদের স্বীকার করেছে মিয়ানমার। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে সরকারি দলের প্রতিনিধিরা এই মাসের শেষেই বাংলাদেশে আসছেন। তখন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় এ নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে। প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মাহমুদ আলী বলেন, “বলার মতো নতুন কিছু নেই। প্রক্রিয়া চলছে।” তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নেওয়ার পর তাদের থাকার জন্য রাখাইন প্রদেশে তাদের গ্রামে ঘর তুলতে হবে। এক্ষেত্রে মিয়ানমারকে সহযোগিতা করছে ভারত। রাখাইনের মংডু এলাকায় যেখানে রোহিঙ্গাদের বাস, সেখানে ঘর তৈরিতে সহযোগিতার জন্য চীনকেও অনুরোধ করেছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় গত ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রথম তালিকায় ১৬৭৩টি পরিবারের ৮ হাজার ২ জন রোহিঙ্গার নাম পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ।
ওই চুক্তিতে দুই বছরের মধ্যে ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য ঠিক করা হলেও মাত্র আট হাজারের প্রথম তালিকা যাচাই করতেই অনেক সময় নিল মিয়ানমার সরকার।
বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা থাকলেও এই চুক্তি অনুযায়ী শুধু গত বছরের অগাস্টের পর থেকে আসা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সময় নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে ছিল চার লাখের মতো রোহিঙ্গা। গত বছরের অগাস্টে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর বাংলাদেশ সীমান্তে নামে রোহিঙ্গাদের ঢল।
জাতিসংঘের ভাষায় মিয়ানমারে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’র মুখে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়েছে।
এই রোহিঙ্গারা রয়েছে কক্সবাজারের কয়েকটি আশ্রয় শিবিরে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেখান থেকে একটি অংশকে নোয়াখালীর ভাসানচরে সরিয়ে নিচ্ছে সরকার।
জনবহুল বাংলাদেশে এই রোহিঙ্গারা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার উপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে তাদের ফেরত পাঠাতে চায় ঢাকা।

রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে মানতে নারাজ মিয়ানমারের সরকার চুক্তি করলেও প্রত্যাবাসনে গড়িমসি করে আসছে বলে বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ। তাই মিয়ানমারের উপর চাপ বাড়াতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের উপর আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের আসামে ৩১ বাংলাদেশি আটক!

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের গৌহাটিতে ৩১ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বলে দাবি করেছে আসাম পুলিশ। আটকদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, আটজন নারী ও বাকিরা শিশু-কিশোর বলে জানা গেছে।
আটকরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। তারা ৩ বছর ধরে ব্যাঙ্গালুরুতে কাজ করছিলেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, তারা আগরতলা হয়ে বাংলাদেশে ফেরত আসার পরিকল্পনা করছিল। এ সময় গৌহাটি রেলস্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্ম থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে পত্রিকাটির দাবি।
তবে আটকরা বাংলাদেশের কোন এলাকার বাসিন্দা, সে বিষয়ে প্রাথমিক কোনো তথ্য জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রজত জয়ন্তীতে পা দিয়েছেন শাবনূর

বিনোদনের খবর: ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর। দেশজুড়ে মুক্তি পেল ‘চাঁদনী রাতে’ নামের একটি চলচ্চিত্র। নায়ক সাব্বির। কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক এহতেশামের এই ছবিটি তেমন করে আলোচনায় আসেনি। তবে আলাদা করে নজর কেড়েছিলেন কিশোরী নায়িকা। যার হাসি, সাবলীল অভিনয় আর কৈশোরের দুরন্তপনা দাগ কেটেছিলো দর্শকের মনে।

সেই দাগ চিরস্থায়ী হওয়ার সুযোগ পেল পরের বছরই। তৎকালীন জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের বিপরীতে জুটি বাঁধলেন সেই কিশোরী। মুক্তি পেলে ‘তুমি আমার’ নামের ছবিটি। আর সেই ছবি রাতারাতি অখ্যাত এক নুপূরকে বাংলার নায়িকা শাবনূরে পরিণত করে দিলো। বাকীটুকু ইতিহাস। সময়ের পালা বদলে তিনি কেবল নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন দেশের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকাদের অন্যতম।

আজ ১৫ অক্টোবর। সিনেমায় অভিনয়ের ২৫ বছর অর্থাৎ রজত জয়ন্তীতে পা দিয়েছেন শাবনূর। । তিনি আজকে তার ভক্ত-অনুরাগীদের কাছ থেকে নানা শুভেচ্ছায় ভাসছেন।

ক্যারিয়ারে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শাবনূর বলেন, ‘মনে হয় এইতো সেদিন এলাম। অথচ কতোটা পথ ফেলে এসেছি পেছনে। দেখতে দেখতে ২৫ বছর কেটে গেল। কত কিছু মাইনাস হয়েছে, কতকিছু যোগ হয়েছে। পুরনো দিনগুলো, এহতেশাম দাদুর কথা ভাবলে চোখের পাতা ভিজে আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্রে এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই আছি আমি। আমার অভিনয় জীবনের পথচলায় আমার প্রত্যেক চলচ্চিত্রের নায়ক, পরিচালক, প্রযোজক, সিনেমাটোগ্রাফার, কাহিনিকার, প্রোডাকশনবয়, ট্রলিম্যান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে আমার বোন ঝুমুরের কথা উল্লেখ করতেই হয়। সে আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। চলচ্চিত্র পরিবারও আমার সঙ্গে ছিল সব সময়। তাই চলচ্চিত্রের সবাইকে নিয়েই আমি ভালো থাকতে চাই। সবার কাছে দোয়া চাই যতদিন থাকি যেন ভালো থাকতে পারি। আমার একমাত্র ছেলে আইজানের জন্যও দোয়া করবেন।’

শাবনূরের পারিবারিক নাম কাজী শারমিন নাহিদ নুপুর। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশাম তার নাম বদলে রাখেন শাবনূর।

শাবনূর, দীর্ঘদিন রাজত্ব করেছেন ঢালিউডে। সালমান শাহের নায়িকা হিসেবে শাবনূর পেয়ে গিয়েছিলেন অন্যরকম জনপ্রিয়তা। ঢাকাই ছবিতে সালমান-শাবনূর একটি আবেগের নাম, ভালোবাসার নাম। ১৪টি ছবিতে জুটি হয়েছিলেন তারা। যার বেশিরভাগই ছিলো সুপারহিট। তবে এ জুটির ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ ছবিটিকে ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে ব্যবসা সফল সেরা পাঁচটি ছবির একটি হিসেবে মনে করা হয়।

শাবনূর ক্যারিয়ারজুড়ে সালমান ছাড়াও জুটি বেঁধে সফল হয়েছেন রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিল খান, বাপ্পারাজ, আমিন খান, মান্না ও শাকিব খানের সঙ্গে। তবে রিয়াজের সঙ্গে শাবনূরের জুটির আবেদন ছিলো সবার চেয়ে এগিয়ে। সালমান পরবর্তী সময়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি উপহার পেয়েছিলো রিয়াজ-শাবনূর জুটি। অসংখ্য ব্যবসা সফল ছবিতে তারা কাজ করেছেন। তারমধ্যে ‘মন মানে না’, ‘নারীর মন’, ‘বিয়ের ফুল’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘এ বাঁধন যাবে না ছিড়ে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘কাজের মেয়ে’, ‘মাটির ফুল’, ‘সুন্দরী বধু’, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ উল্লেখযোগ্য।

শাবনূর প্রযোজকদের কাছে ছিলেন ভরসার নাম। তাকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে সিনেমা। অনেক নতুন নায়কদের সঙ্গে কাজের ঝুঁকি তিনি নিতে পারতেন। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছেন শাকিব খানের নায়িকা হয়ে। চলচ্চিত্রপাড়ায় এ গল্প প্রতিষ্ঠিত, দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে অভিনয় করা শাকিব খানের রাজকীয় উত্থানের পেছনে শাবনূরের অনেক অবদানই রয়েছে।

‘দুই নয়নের আলো’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাবনূর। তবে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম প্রিয় ছবি হিসেবে শাবনূর উল্লেখ করেন ‘নিরন্তর’-কে। ২০০৬ সালে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘জনম জনম’ অবলম্বনে এই ছবিটি পরিচালনা করেন আবু সাইয়ীদ।

২০১৩ সালে শাবনূর অভিনীত সর্বশেষ ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিটি মুক্তি পায়। ওই ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ফেরদৌস ও মৌসুমী। পরিচালনা করেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাবস্থায় ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে আংটি বদল হয় শাবনূরের। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। এরপর মিডিয়াকে আড়াল করে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ছেলে সন্তানের মা হন তিনি। তার ছেলের নাম আইজান নিহান।

অনেকদিন ধরেই চলচ্চিত্রে নেই শাবনূর। তবুও তার জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। এখনো শাবনূরকে এক নজর দেখতে ঢল নামে মানুষের। তিনি এখনো যুবকের মনে সুন্দরীতমা। এখনো শাবনূরকে সিনেমায় খুঁজে বেড়ান সিনেমার দর্শক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়সুরিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি’র দুর্নীতির অভিযোগ

খেলার খবর: সনাথ জয়সুরিয়া। শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি ক্রিকেটার তিনি। ‘মাতারা হারিকেন’ নামে খ্যাত সাবেক লঙ্কান অধিনায়ক পালন করেছেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডে নির্বাচকের দায়িত্বেও। এবার ৪৯ বছর বয়সী লঙ্কান কিংবদন্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্তে বাধা এবং সহযোগিতা না করার অভিযোগ তুলেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকিট কাউন্সিল (আইসিসি)।
সোমবার (১৫ অক্টোবর) থেকে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসির কাছে জবাবদিহি করতে হবে সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনারকে।
জয়সুরিয়ার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ তুলেছে আইসিসি। প্রথম অভিযোগ হলো, ‘ব্যর্থতা অথবা অগ্রাহ্যের। আত্মপক্ষ সমর্থনের বাধ্যবোধকতা, এন্টি করাপশন ইউনিটের (এসিইউ) কোনো তদন্তে সহযোগিতাতে সঠিক এবং পুরোপুরি তথ্য দিতে ব্যর্থতা অথবা তদন্তের স্বার্থে চাওয়া এসিআইয়ের অনুরোধ করা উপেক্ষা করা।’
আর দ্বিতীয় অভিযোগ হল, ‘এসিইউয়ের কোনো তদন্তে বাধা দেয়া বা দেরি করা, সেইসঙ্গে তথ্য লুকানো। তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যকে বিকৃত বা কোনো তথ্য বা ডকুমেন্ট ধ্বংস করা।’
সনাথ জয়সুরিয়া শ্রীলঙ্কার হয়ে ৪৪৫টি ওয়ানডে আর ১১০টি টেস্ট খেলেছেন। শ্রীলঙ্কার ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলেরও অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। দেশের হয়ে অসামান্য খেলা এ লঙ্কানকে সেদেশের অন্যতম নায়ক মনে করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় নির্বাচনে ৭০০ কোটি টাকা খরচ করবে ইসি

দেশের খবর: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খরচ বাবদ ৭০০ কোটি টাকা বাজেট অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দিনব্যাপী কমিশন বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা আজ বৈঠকে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের বৈঠকটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কি কি পদক্ষেপ নেয়া হবে সে বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’
হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ‘সিইসি আমাদের বলেছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনের খরচ বাবদ ৭০০ কোটি টাকা বাজেট রয়েছে। এই টাকার মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে।’
ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি ইসির কাছে তুলে ধরেছি। আমরা এরই মধ্যে বেশ কিছু নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহ করেছি। বাকি সামগ্রীগুলো অক্টোবরের মধ্যেই সংগ্রহ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি ইসির রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য আরপিও সংশোধন করে তা সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। সরকার অনুমোদন দিলে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়টিও ভেবে দেখবে কমিশন।’
এর আগে সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কমিশন সভা শুরু হয়। পরে দুপুরে বিরতি দিয়ে আবার ৩ টায় বৈঠক শুরু হয়।
সকালে সভা শুরুর পর ১০ মিনিটের মাথায় সভায় চলাকালেই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে সভা বর্জন করেন নির্বাচন কমিশনার কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তবে বাকি তিন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে বৈঠক চালিয়ে যান সিইসি নূরুল হুদা।
ইসি সূত্রে জানা যায়, বাক স্বাধীনতা ‘কেড়ে নেওয়ার’ অভিযোগ তুলে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে নির্বাচন কমিশন সভা বর্জন করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালকুদার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করা হোক: সরকারকে ইইউ

অনলাইন ডেস্ক: কোনও আসামির সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রীতি বিলুপ্ত করার জন্য বাংলাদেশ সকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ যেকোনও পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের ঘোর বিরোধী বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
গতকাল রবিবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান ঢাকায় অবস্থানরত ইইউ রাষ্ট্রদূতরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডবিরোধী বিশ্ব দিবস পালন হয় প্রতি বছরের ১০ অক্টোবর। কিন্তু এ বছর সেই ১০ অক্টোবরেই আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলায় বাংলাদেশে ১৯ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।
যৌথভাবে এ বিবৃতি দিয়েছেন- ইইউ ডেলিগেশন এবং ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ও ব্রিটেনের মিশন প্রধানরা।
মৃত্যুদণ্ডকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক শাস্তি দাবি করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধীকে তার ভুল শোধরানোর সুযোগ দেয়া উচিত। কিন্তু মৃত্যুদণ্ড সেই সুযোগ কেড়ে নেয়। এটি আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার পরিপন্থি। ইইউ বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইইউ বলছে, বিলুপ্তকরণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আপাতত আদালতের দেয়া সব ধরনের মৃত্যুদণ্ডাদেশগুলো রহিত করতে পারে।
উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে বুধবার (১০ অক্টোবর) রায় ঘোষণা করেন ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এর আদালত। ৪৯ আসামির মধ্যে বাকি ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। অন্য মামলায় এরইমধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তিনকে অব্যাহতি দেন আদালত।
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানও ২১ আগস্ট গ্রেডেন হামলায় জড়িত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest